আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

১০০ দিনে কেন দু’লক্ষ গ্রাহক হারাল নেটফ্লিক্স

প্রকাশিত:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ এপ্রিল ২০22 | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হুড়মুড়িয়ে কমল নেটফ্লিক্সের শেয়ার দর। চলতি অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকেই এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মের শেয়ারের দাম ২৫ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ২৬২ ডলারে। কেন এই অবনতি? তার কারণ ব্যাখ্যা করেছে সংস্থাটি। সেই সঙ্গে এ কথাও জানিয়েছে যে, গত এক দশকে এই প্রথম বার এমনটা ঘটল।

ঠিক কী কারণে সিনেমা এবং টেলিভিশন ধারাবাহিক এবং ওটিটি সিরিজ দেখার এই প্ল্যাটফর্ম এমন ক্ষতির মুখে, একে একে তার কারণ জেনে নেওয়া যাক।

করোনা: ২০২০ সালে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়েছিল অনেকটাই। তবে তাতে আশা জাগলেও পরে ২০২১ সালে যখন করোনা সংক্রমণ কমল না তখন দেখা গেল না আশানুরূপ সংখ্যায় ব্যবহারকারী আসছেন না নেটফ্লিক্সে।

ব্যবহারকারী: বছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে অর্থাৎ ১০০ দিনেরও কম সময়ে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারীর সংখ্যা অনেক কমেছে। প্রথম ত্রৈমাসিকে নেটফ্লিক্সের গ্রাহক সংখ্যা ছিল ২২ কোটি ১৬ লক্ষ। যা গত অর্থবর্ষের প্রথম ত্রৈমাসিকের থেকে বেশ কম।

যুদ্ধ: নেটফ্লিক্সের দাবি, তাদের ব্যবসায় প্রভাব ফেলেছে রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ। ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার প্রতিবাদে নেটফ্লিক্স তাদের সম্প্রচার বন্ধ করেছে রাশিয়ায়। এখন নেটফ্লিক্স জানাচ্ছে, সেই সিদ্ধান্তে ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে সংস্থাটিকে।

ইন্টারনেট: তবে শুধু যুদ্ধ নয়, অনেকক্ষেত্রেই ইন্টারনেট সমস্যা একটা বড় কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে নেটফ্লিক্সের। গ্রাহক সংখ্যা কমে যাওয়ার এটাও একটা কারণ বলে মনে করছে তারা। টিভিতে ইন্টারনেটের সাহায্যে নেটফ্লিক্স দেখা যায় এখন। তবে স্মার্ট টিভি আর যথাযথ ইন্টারনেট সংযোগের অভাবে ব্যবহারকারীদের পরিষেবা দেওয়া যাচ্ছে না বলে নেটফ্লিক্সের দাবি।

অ্যাকাউন্ট ভাগ করে নেওয়া: নেটফ্লিক্সে ব্যবহারকারীরা নিজেদের মধ্যে অ্যাকাউন্ট ভাগ করে থাকেন। নেটফ্লিক্সের তরফেই এই সুবিধা দেওয়া হয়। কিন্তু নেট ফ্লিক্স জানিয়েছে এই সুবিধার গ্রাহকের সংখ্যা সে ভাবে বাড়েনি গত এক বছরে।

নিউজ ট্যাগ: নেটফ্লিক্স

আরও খবর



রাশিয়ার দখলে ইউক্রেনের খেরসন অঞ্চল

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযানের তৃতীয় মাসে এসে দেশটির দক্ষিণাঞ্চলীয় খেরসন অঞ্চল পুরোপুরি দখলে নিয়েছে রুশ সেনারা। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তাদের বাহিনী দক্ষিণ ইউক্রেনের সমগ্র খেরসন অঞ্চলটিকে মুক্ত’ করেছে। রুশ বার্তাসংস্থা ইন্টারফ্যাক্সের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। যদিও মার্চের শুরুতে খেরসন শহরটি দখলে নিয়েছিল রুশ সেনারা।

অন্যদিকে রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এই দাবি অবশ্য স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করতে পারেনি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। তবে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইউক্রেনের একজন আঞ্চলিক সামরিক কর্মকর্তা বলেছেন, (খেরসনের) আঞ্চলিক প্রশাসনের এবং একইসঙ্গে সিটি কাউন্সিলের নতুন প্রধান নিয়োগ করেছে রাশিয়ার সেনাবাহিনী।

২০২১ সালের ২৭ অক্টোবর হেন্নাদি লাহুতাকে খেরসনের গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, গতকাল দখলকারীরা খেরসন সিটি কাউন্সিলের পুরো প্রাঙ্গণ দখল করে নিয়েছে। পরে সেখান থেকে তারা ইউক্রেনের সকল প্রতীক ও চিহ্ন সরিয়ে দেয় এবং নিজস্ব রক্ষীদের নিযুক্ত করেছে।’

এদিকে খেরসন শহরের মেয়র ইহোল কোলিকায়েভ বলেছেন, তিনি রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর নিযুক্ত নতুন প্রশাসনকে সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেছেন। ফেসবুকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, আমি খেরসনেই অবস্থান করছি এবং ১৮ মাসেরও বেশি সময় আগে আমাকে শহর পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া খেরসনের বাসিন্দাদের সাথেই আছি।’

এর আগে মার্চের প্রথম সপ্তাহে ইউক্রেনের অন্যতম প্রধান শহর এবং বন্দরনগরী খেরসন দখল করে নেয় রাশিয়া। এছাড়া প্রথম বড় কোনো ইউক্রেনীয় শহর হিসেবে খেরসন দখল করেছিল রুশ সেনারা। এর প্রায় দুই মাসের মাথায় এবার খেরসনের পুরো অঞ্চলটি দখলে নিলো রাশিয়া। প্রায় ৩ লাখ বাসিন্দার খেরসন শহর ও অঞ্চলটি রাশিয়ার সামরিক বাহিনীর দখলে যাওয়া মস্কোর জন্য বড় ধরনের এক বিজয়। মূলত রুশ সামরিক বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘাঁটিও হবে শহরটি।

এছাড়া এই শহর থেকে উপকূল বরাবর আরও ভেতরে এবং পশ্চিমের আরেক বৃহৎ বন্দরনগরী ওডেসার সাথে যোগাযোগ স্থাপিত হবে। খেরসন শহরটি কৃষ্ণ সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এবং একটি শিল্পকেন্দ্র।


আরও খবর



‘আম’ চিনুন তারপর কিনুন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মধু মাসের ফল আমের ঘ্রাণ এখন সর্বত্র। ফলের রাজা আম খেতে পছন্দ করেন না এমন বাঙালি পাওয়া খুব মুশকিল। কিন্তু কোনটা যে কি আম, তা চিনতে এবং কিনতে বিড়ম্বনার শেষ নেই। কারণ বাজারে বিভিন্ন ধরনের আম থাকে।

অধিকাংশ ক্রেতাই আম চিনতে ভুল করেন। আম কেনার পর অনেকেই বুঝতে পারেন না তিনি কোন আমটি কিনছেন। সেরা ১০ জাতের আম সহজেই কিভাবে চিনতে পারবেন চলুন জেনে নেওয়া যাক।

গোপালভোগ: গোপালভোগের গায়ে সাধারণত হলুদ ছোপ ছোপ দাগ থাকে। এটির নিচের দিকে একটু সরু এবং পাকার পর হলুদ হয়ে যায়। মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে বাজারে পাওয়া যায় গোপালভোগ। 

রূপালী আম বা আম্রপালি: রূপালী আম বা আম্রপালি নিচের দিকে খানিকটা সুঁচালো এবং উপরে একটু গোলাকৃতির হয়। এই আম মিষ্টি বেশি ও স্বাদে অতুলনীয়।

ল্যাংড়া: ল্যাংড়া আম দেখতে কিছুটা গোলাকার ও মসৃণ। এর নাকটি দেখা যায় নিচের দিকে। এর চামড়া খুবই পাতলা।

রাণী পছন্দ: রাণী পছন্দ দেখতে অনেকটা গোপালভোগের মতোই। এর গায়েও হলুদ দাগ আছে কিন্তু আকারে ছোট। ফলে গোপালভোগের সঙ্গে রাণী পছন্দ মেশালে আলাদা করা কষ্টকর।

বারি আম-২ বা লক্ষণভোগ: বারি আম-২ বা লক্ষণভোগ চেনার সহজ উপায় হলো নাক আছে মাঝামাঝি স্থানে। মিষ্টি কম ও পাকলে হলুদ রং হয়। সাধারণত জুন মাসের শুরুর দিকে এই আম পাওয়া যায়।

ক্ষীরসাপাতি আম: খুবই মিষ্টি ক্ষীরসাপাতি আম অনেকে হিমসাগর বলে বিক্রি করেন। এই আম আকারে একটু বড় হয়। আমে হালকা দাগ থাকে। ক্ষীরসাপাতি আম বাজারে পাওয়া যায় মে মাসের শেষে অথবা জুনের প্রথম দিকে।

আশ্বিনা ও ফজলী: আশ্বিনা আর ফজলী আম দেখতে একই রকম। তবে আশ্বিনা আম একটু বেশি সবুজ ও ফজলী আম খানিকটা হলুদ হয়। আশ্বিনার পেট মোটা হয় ও ফজলী দেখতে লম্বা ধরনের হয়।

হিমসাগর: উৎকৃষ্ট স্বাদের সুগন্ধযুক্ত জাতের আমের মধ্যে হিমসাগরের অবস্থান প্রায় শীর্ষে। হিমসাগর আম জুন মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে পাকতে শুরু করে এবং পুরো জুন মাস বাজারে পাওয়া যায়। এ আমের ঠোঁট নেই, গড়ন বুকের দিকটা গোলাকার এবং অবতল থেকে সামান্য লম্বাটে আকার নিয়ে শীর্ষদেশ গোলাকৃতির হয়ে থাকে। পরিপক্ব হিমসাগর আমের রং হালকা সবুজ। পাকার পরেও সবুজ থেকে যায়। ত্বক মসৃণ, খোসা পাতলা।

হাড়িভাঙ্গা:  রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার বিখ্যাত ও সুস্বাদু আম হাড়িভাঙ্গা। এ আমের উপরিভাগ তুলনামূলক বেশি মোটা ও চওড়া এবং নিচের অংশ অপেক্ষকৃত চিকন। আকারে বড় হওয়ার কারেণ ৩টি আমে ১ কেজি হয়ে যায়। এ আম মাংসালো, শ্বাস গোলাকার ও একটু লম্বা। চামড়া কুঁচকে যায় কিন্তু পঁচে না।

সুবর্ণরেখা: এ আমটির আকার মাঝারি ও ডিম্বাকৃতির। সাধারণত আগাম জাতের আম এটি। সুবর্ণরেখা আমের বোটার পাশে লাল রং থাকে। রসালো এ আমটির নাম এদেশে সুবর্ণরেখা বা সুন্দরী হলেও দক্ষিণ ভারতে একে চিন্না আম বলে।


আরও খবর



আগামী ২ বছরের মধ্যে পৃথিবী হবে ডাটা নির্ভর : টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তি প্রসারের ফলে আগামী ২ বছরের মধ্যে পৃথিবী হবে ডাটা নির্ভর। প্রচলিত মিডিয়ার জায়গা দখল করে নিবে ডিজিটাল মিডিয়া। এরই ধারাবাহিকতায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের চাহিদা ক্রমেই বাড়তে থাকবে। ডিজিটাল যুগে ডাটার চাহিদা মেটাতে ইকো সিস্টেম দাঁড় করাতে অপটিক্যাল ফাইভার নেটওয়ার্ক জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়াসহ যে সব ক্ষেত্রে সহায়তা দরকার সরকার তাই করছে।মন্ত্রী শনিবার সন্ধ্যায় ময়মনসিংহ টাউন হলে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-(আইএসপিএবি)এর ময়মনসিংহ বিভাগীয় আহ্বায়ক কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী উচ্চগতি ইন্টারনেট সেবা প্রদানে আইএসপিএবির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে বলেন, সময়ের প্রয়োজনে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহারের বিকল্প থাকবে না। দেশে গ্রাহকদের মধ্যে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের চাহিদা উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে।বিসিএস, বেসিস, আইএসপিএবি ও ই-কমার্সসহ তথ্যপ্রযুক্তিখাতের ট্রেডবডিসমূহের অন্যতম এই সংগঠক ইন্টারনেট সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের সংগঠন হিসেবে আইএসপিএবিকে শক্তিশালী করতে শাখা কমিটি গঠনকে অত্যন্ত ভাল একটি উদ্যোগ হিসেবে তিনি উল্লেখ করেন।তিনি করোনাকালে মানুষের জীবনধারা সচল রাখতে নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সেবা নিশ্চিত করতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের নিরলস প্রচেষ্টা সফল করতে আইএসপিএবির ভূমিকার প্রশংসা করেন।

মোস্তাফা জব্বার বলেন, গ্রাহক সন্তুষ্ট না হলে ব্যবসা চিরস্থায়ী হবে না এবং এক সময় ব্যবসা বিলীন হয়ে যাবে। তিনি ইন্টারনেটকে মানুষের জীবনের শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে তুলনা করে বলেন, ইন্টারনেটকে সহজলভ্য করতে আমরা এক দেশ এক রেট চালু করেছি। আমাদের এই উদ্যোগ বিশ্বে একটি অনুকরণীয় উদ্যোগ হিসেবে এফোরএআই প্রশংসা করেছে।ইন্টারনেটের মূল্য সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ইন্টারনেটের দাম অনেক কম। ৬০ টাকায় এক এমবিপিএস ব্যান্ডউদথ পাওয়া যায়।

তিনি একই সাথে দেশের দুর্গম ও প্রত্যন্ত অঞ্চলে কানেক্টিভিটির প্রসারের দৃষ্টান্ত উল্লেখ করে বলেন যে এখন মধুপরের পাহাড় বা হাওরে বসে ইন্টারনেটের সহায়তায় তরুণ তরুণীরা বিদেশে আউটসোর্সিং এর কাজ করতে পারে।মন্ত্রী ডিজিটাল প্রযুক্তিখাতে তার দীর্ঘ ৩৫ বছরের পথ চলায় বিসিসিএস ও বেসিস এর সভাপতি হিসেবে এ খাতের অতীত বর্তমান চিত্রসহ নানা অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, যে সব প্রতিষ্ঠান সেবা দিতে পারে না, যারা জনগণের পাশে থাকে না তারা ব্যবসায় টিকে থাকতে পারে না। তিনি ব্যবসার শৃঙ্খলার স্বার্থে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে সংশ্লিষ্ট ট্রেডবডির সদস্য হওয়ার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।অনুষ্ঠানে মন্ত্রী ময়মনসিংহ বিভাগীয় নব-গঠিত আইএসপিএবি আহ্বায়ক কমিটির সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান।অনুষ্ঠানে বিটিআরসির মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ, আইএসপিএবির সভাপতি এমদাদুল হক, সেক্রেটারি নাজমুল করিম ভূইয়া এবং আইএসপিএবির ময়মনসিংহ বিভাগীয় আহ্বায়ক সাজ্জাদ হোসেন বক্তৃতা করেন।

এর আগে ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি, ময়মনসিংহ শাখার একটি প্রতিনিধিদল মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন।স্বাক্ষাতকালে তারা ময়মনসিংহে একটি কম্পিউটার সিটি প্রতিষ্ঠাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিনিময় করেন।ময়মনসিংহের আনন্দ মাল্টিমিডিয়ার পরিচালিকা শিখা হাসান ও শিক্ষিকারাও মন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎকালে করোনাকালে শিক্ষাখাতের বিপর্যয় সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।মন্ত্রী ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সেবা প্রতিষ্ঠান ডাক, বিটিসিএল ও টেলিটকের স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে সামগ্রিক বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন ও তাদের সেবার মান বাড়ানোর নির্দেশ প্রদান করেন।


আরও খবর



শিবগঞ্জে হামদর্দের চিকিৎসাসেবা কেন্দ্র উদ্বোধন

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ১৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে ন্যাচারাল মেডিসিনের অগ্রদূত হামদর্দ ল্যাবরেটরিজ (ওয়াকফ) বাংলাদেশ, সারাদেশে হামদর্দের চিকিৎসাসেবা সম্প্রসারণের অংশ হিসাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ থানায় গত ১৯ মে ২০২২ তারিখে তাদের ২৭০ তম চিকিৎসাসেবা ও বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করেছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জের উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোহাঃ গোলাম কিবরিয়া এবং উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসাঃ শিউলী বেগমসহ জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের প্রতিনিধি, ডাক্তার, শিক্ষক, ইমাম, গণমাধ্যমকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। হামদর্দের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন হামদর্দের ডিরেক্টর মার্কেটিং মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম এবং বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ উপলক্ষ্যে স্থানীয় একটি চাইনীজ রেস্টুরেন্টে এক মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়। সভায় হামদর্দের ডিরেক্টর মার্কেটিং মোহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ন্যাচারাল মেডিসিনের উপকারিতা, বিশ্বজুড়ে এর গ্রহণযোগ্যতা, হামদর্দের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস, দেশব্যাপী ন্যাচারাল মেডিসিনের স্বাস্থ্যসেবা বিস্তারে হামদর্দের ভূমিকা এবং হামদর্দের অন্যান্য জনকল্যাণমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরেন।

তিনি তার বক্তব্যে বাংলাদেশে ন্যাচারাল মেডিসিন অর্থাৎ ইউনানী ও আয়ূর্বেদ শাস্ত্রীয় চিকিৎসার উন্নতি ও বিস্তারের এবং বাংলাদেশে হামদর্দকে অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দেয়ার নেপথ্য কারিগর, হামদর্দ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও চীফ মোতাওয়াল্লী ড. হাকীম মোঃ ইউসুফ হারুন ভূঁইয়ার অনন্য অধ্যাবসায়, ত্যাগ ও নিবেদনের অনেক অজানা তথ্য সর্বসাধারনের মাঝে তুলে ধরেন।

সভায় আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে হামদর্দের প্রতি তাদের আস্থা ও ভরসার কথা এবং হামদর্দের পথ চলায় পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

সভা শেষে সম্মানীত অতিথীবৃন্দের উপস্থিতিতে ফিতা কেটে হামদর্দ চিকিৎসা ও বিক্রয় কেন্দ্র, শিবগঞ্জ এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করা হয়। এই চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত হামদর্দের অভিজ্ঞ চিকিৎসক বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করবে।


আরও খবর



পুকুরে ডুবে একই পরিবারের ২ শিশুসহ নিহত-৩

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে নানার বাড়ি বেড়াতে এসে পুকুরে ডুবে একই পরিবারের দুই শিশু রাইসা (৬) ও জাইছার (৪) এবং  হুজাইফা (২) নামে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মে) বিকালে উপজেলার কাথরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় একাই পরিবারের দুই শিশু এবং বাঁশখালী পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর জলদী নেয়াজর পাড়ায় অন্য আরেক শিশুর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

নিহত দুই বোন রাইসা (৬) ও জাইছা (৪) কাথারিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুহাম্মদ করিমের মেয়ে এবং পৌরসভার এলাকার মুহাম্মদ হামিদুর রহমান মেয়ে মুবাশ্বির  হুজাইফা (২)।

স্থানীয়  মুহাম্মদ আব্দুল আলীম বলেন, বাচ্চা দুটি নানার বাড়িতে বেড়াতে আসে। বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে সবার অগোচরে পাশের পুকুরে পড়ে যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিকালে তাদেরকে পুকুর থেকে মৃত উদ্ধার করেন স্থানীয়রা।

নিহত শিশু হুজাইফার চাচা মুহাম্মদ শহিদ বলেন, সবার অগোচরে বাড়ির পাশে খেলতে গিয়ে পুকুরে পড়ে যায় হুজাইফা। সেখান থেকে উদ্ধার করে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে  কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য, রোববার খেলতে গিয়ে উপজেলার পুকুরিয়া ইউনিয়নের তৈলারদ্বীপ শঙ্খ নদীতে একই পরিবারের মো. সাহেদ হোসেন ও রাজিব হোসেন নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর