আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

১১ বছরে বজ্রপাতে ২৮০০ মৃত্যু: এনামুর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আশ্রয়কেন্দ্রগুলো বহুমুখী হবে। এখানে কৃষক ও মৎস্যজীবীরা সকালে নাস্তা করতে পারবেন। দুপুরে খেতে পারবেন। ঝড়-বৃষ্টিতে আশ্রয় নিতে পারবেন। কেউ চাইলে বিশ্রামও নিতে পারবেন

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান জানিয়েছেন, ২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত গত ১১ বছরে বজ্রপাতে মোট ২ হাজার ৮০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকাতে ৪৭৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে।

১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস ও ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচির ৫ বছর পদার্পণ উদযাপন উপলক্ষে মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

এ প্রকল্পের আওতায় বজ্রপাতের ৪০ মিনিট আগে সতর্কবার্তা দেওয়ার যন্ত্র কিনবে সরকার। একই সঙ্গে বজ্রপাত থেকে বাঁচতে আশ্রয়কেন্দ্র করা হবে।

বর্তমানে দুর্যোগের ১৬টি ক্যাটাগরি রয়েছে। ২০১৫ সালে বজ্রপাতকে দুর্যোগের তালিকায় যুক্ত করা হয়। এসব কথা জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বজ্রপাত নিয়ে ৪৭৬ কোটি টাকার একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিনটি পর্যায় রয়েছে এই প্রকল্পের। মানুষকে সচেতন করার জন্য কাজকর্ম করবো। বজ্রপাতের আগে মেঘের মধ্যে গুড়ুগুড়ু ডাক হবে। পজিটিভ-নেগেটিভ চার্জগুলো তৈরি হবে। চার্জ তৈরি হওয়ার ৪ মিনিট পরই বজ্রপাত হয়। এজন্য গুড়ুগুড়ু ডাক শুনলে যাতে মানুষ ঘরে থাকে বা মেঘ দেখে যাতে ঘরে থাকে। সেই সচেতনতা তৈরির কাজ আমরা করবো।

তিনি বলেন, আধুনিক বিশ্বে বজ্রপাতের ক্ষেত্রেও সাইক্লোনের মতো আগাম সতর্কবার্তা দেওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে। কতগুলো মেশিন তৈরি করা হয়েছে যেগুলো ৪০ মিনিট আগেই শনাক্ত করতে পারে বজ্রপাত হবে এবং কোথায় হবে সেটা বলতে পারে। তাই বজ্রপাতের ক্ষেত্রে আর্লি ওয়ার্নিং দেওয়ার মেশিনগুলো আমরা বসাবো।

প্রাথমিকভাবে বজ্রপাত প্রবণ যে অঞ্চলগুলো আছে সেখানে বিশেষ করে হাওর-বাওড় এলাকায় গুরুত্ব আমরা বেশি দিয়েছি। এই সিগন্যালটা যাতে একটি অ্যাপের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের মোবাইলে ম্যাসেজ আকারে যেতে পারে, সেই কাজও আমরা শুরু করবো।

এনামুর রহমান বলেন, আমরা যতগুলো মৃত্যুর খবর দেখেছি, সবগুলো খোলা মাঠ ও হাওরের মধ্যে। শহরে যারা ঘরবাড়িতে বসবাস করে তারা বজ্রপাতে মৃত্যুবরণ করে না। আমরা বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রের মতো বজ্রপাত আশ্রয়কেন্দ্র করার পরিকল্পনা করেছি। বজ্রপাতপ্রবণ এলাকা এবং অন্য এলাকায়ও এটা হবে।

তিনি আরও বলেন, আমরা ডিজাইন করেছি, এক ডেসিমেল জায়গায় একটা পাকা ঘর থাকবে। প্রত্যেক ঘরে একটি করে লাইটনিং অ্যারেস্টার দেওয়া হবে। যাতে ২০ থেকে ২৫ মিনিটের মধ্যে সতর্কবার্তা শোনার পর মানুষ সেই আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে পারে। বজ্রপাত না হওয়া পর্যন্ত তারা অপেক্ষা করবে।

‘আশ্রয়কেন্দ্রগুলো বহুমুখী হবে। এখানে কৃষক ও মৎস্যজীবীরা সকালে নাস্তা করতে পারবেন। দুপুরে খেতে পারবেন। ঝড়-বৃষ্টিতে আশ্রয় নিতে পারবেন। কেউ চাইলে বিশ্রামও নিতে পারবেন’, বলেন প্রতিমন্ত্রী।

প্রকল্পের কাজ কবে শুরু হবে- জানতে চাইলে এনামুর রহমান বলেন, প্রকল্প প্রণয়ন হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এটার সম্ভাব্যতা যাচাই করছে, সেই রিপোর্ট আসলে আমরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে অনুমোদনের জন্য পাঠাবো। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মৌখিকভাবে আলোচনা হয়েছে। তিনি সামারি পাঠাতে বলেছেন, তিনি অনুমোদন দিলে আমরা কাজ শুরু করবো।’

২০১১ সাল থেকে এ পর্যন্ত ২৮০০ জন মানুষ বজ্রপাতে মারা গেছে। নিহতদের নাম ঠিকানাসহ তালিকা মন্ত্রণালয়ের কাছে রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী।

২০১১ সালে ১৭৯, ২০১২ সালে ২০১ জন, ২০১৩ সালে ১৮৫ জন, ২১৪ সালে ১৭০ জন, ২০১৫ সালে ২২৬ জন, ২০১৬ সালে ৩৯১ জন, ২০১৭ সালে ৩০৭ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৯ সালে ১৯৮ জন ও ২০২০ সালে ২৫৫ জন বজ্রপাতে মারা গেছেন। চলতি বছর এখন পর্যন্ত ৩২৯ জন মারা গেছেন বলে জানান এনামুর রহমান।

এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. মোহসীন উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটে ফেরি আবারো চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ২৭১৫জন দেখেছেন
Image

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

স্রোত বৃদ্ধি পাওয়া পদ্মাসেতুর নিরাপত্তা জনিত কারণে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে সোমবার (১১ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২ টা থেকে বন্ধ রাখা হয়েছে ফেরি চলাচল। এর আগে সকাল থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু গত কয়েকদিনের তুলনায় স্রোতের বেগ বৃদ্ধি পাওয়ায় ফেরি চলাচল বন্ধ রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বিআইডব্লিউটিএ'র মেরিন কর্মকর্তা আহমদ আলী এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, যখন ফেরি চালু করা হয়েছিল তখনকার তুলনায় নদীতে স্রোত কিছুটা বেড়েছে। এ অবস্থায় দুর্ঘটনা এড়াতে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। স্রোত কমলে ফেরি আবার চলবে।'

উল্লেখ্য, এক টানা ৪৭ দিন বন্ধ থাকার পর গত ৫ অক্টোবর ভোর থেকে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হয়। ৬ দিন পরই আবার বন্ধ হলো ফেরি চলাচল।


আরও খবর



বরগুনায় জিনের বাদশা গ্রেফতার

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৬১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরগুনায় জিনের বাদশা পরিচয় দানকারী নজরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার এ জিনের বাদশাকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ মাহবুব আলম।

নিজেকে জিনের বাদশা পরিচয় দেওয়া নজরুল ইসলাম বগুড়া জেলার ধুনট থানার নিমগাছি ইউনিয়নের নাংলু গ্রামের মৃত কিনার উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, নজরুল ইসলাম ও তার সঙ্গী আমিনুল বরগুনা জেলার বিভিন্ন স্থানে নিজেদের জিনের বাদশা পরিচয় দিয়ে সহজ-সরল মানুষকে গুপ্তধন পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নিত।

গত ১১ জানুয়ারি রাতে নজরুল ইসলাম বরগুনা জেলার নাপিতখালী গ্রামের রুস্তম আলী সরদারের ছেলে আবুল সরদারের বাড়িতে হাজির হয়ে তিনি জানান যে, এখানে গুপ্তধনের সন্ধান দিতে পারেন তিনি। এজন্য তিনি এলাকার জমির দাগ, খতিয়ান ও ম্যাপ দিতে বলেন। একদিন পর নজরুল ইসলাম তার সঙ্গী আমিনুলকে নিয়ে আবুল সরদারের বাড়িতে এসে ২-৩ দিন অবস্থান করেন। একদিন রাতে জিনের মাধ্যমে গুপ্তধন এনে দেওয়ার নামে নজরুল দেড় লাখ টাকা দাবি করেন।

আবুল সরদার নগদ ৪০ হাজার টাকা দেন। গভীর রাতে নজরুল ঘরের আলো নিভিয়ে দেন। তার সঙ্গী আমিনুল মন্ত্র পড়তে থাকেন। নজরুল হঠাৎ মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, এরপর বলেন- কিছু দিনের মধ্যেই আপনারা গুপ্তধন পাবেন। পরে তারা আরও ৪০ হাজার টাকা দাবি করেন। এমনিভাবে নজরুল ইসলাম প্রতারণা করে আবুল সরদারের কাছ থেকে ৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

গত শনিবার ভুক্তভোগী আবুল সরদার খবর পান প্রতারক নজরুল বরগুনার পুরাকাটায় এসেছেন। এ সময় তিনি থানায় জানালে পুলিশ নজরুলকে গ্রেফতার করে।

বরগুনা থানার এসআই মো. ফিরোজ আলম বলেন, নজরুল ইসলাম নিজেকে জিনের বাদশা পরিচয় দিয়ে মানুষের অর্থ হাতিয়ে নেয়। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করলে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

নিউজ ট্যাগ: জিনের বাদশা

আরও খবর



কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার সময়সূচি পরিবর্তন

প্রকাশিত:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৭ অক্টোবর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অনিবার্য কারণবশত বাংলাদেশ পুলিশে ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে অনুষ্ঠিতব্য নিয়োগ পরীক্ষায় কয়েকটি জেলায় সময়সূচিতে আংশিক পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ লাইনস মাঠে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় পুলিশ সদরদপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস) মো. কামরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও দিনাজপুর জেলায় শারীরিক মাপ এবং ফিজিক্যাল এনডিউরেন্স টেস্ট ১৬-১৮ নভেম্বর সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা হবে ১৯ নভেম্বর দুপুর ২টায়। মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা হবে ২৬ নভেম্বর সকাল ১০টায়। পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী শারীরিক মাপ ও ফিজিক্যাল এনডিউরেন্স টেস্ট হওয়ার নির্ধারিত তারিখ ছিল ২-৪ নভেম্বর সকাল ৮টায়, লিখিত পরীক্ষা ৫ নভেম্বর দুপুর ২টায় এবং মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা ১২ নভেম্বর সকাল ১০টায়।

এছাড়া কুমিল্লা, রাঙামাটি, কুষ্টিয়া, মাগুরা, পিরোজপুর, সিলেট ও শেরপুরে তিন পরীক্ষার মধ্যে শুধু মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এসব জেলায় শারীরিক মাপ ও ফিজিক্যাল এনডিউরেন্স টেস্ট ও লিখিত পরীক্ষা পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত হবে। পরিবর্তিত সময়সূচি অনুযায়ী মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা হবে ১৪ নভেম্বর সকাল ১০টায়।


ঢাকা, মানিকগঞ্জ, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, জয়পুরহাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা, কুড়িগ্রাম, বরিশাল ও মৌলভীবাজারে ওই তিন পরীক্ষারই সময়সূচিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী এসব জেলায় শারীরিক মাপ ও ফিজিক্যাল এনডিউরেন্স টেস্ট হবে ১৪-১৬ নভেম্বর সকাল আটটায়। লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর দুপুর ২টায়। মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা হবে ২৪ নভেম্বর সকাল ১০টায়।

এদিকে, মুন্সিগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, বরগুনা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, গাইবান্ধা, পঞ্চগড়, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর ও পাবনা জেলায় তিন পরীক্ষার সময়সূচিতেই পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত সময়সূচি অনুযায়ী এসব জেলায় শারীরিক মাপ ও ফিজিক্যাল এনডিউরেন্স টেস্ট হবে ১৪-১৬ নভেম্বর সকাল আটটায়। লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ১৭ নভেম্বর দুপুর ২টায়। মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষা হবে ২৪ নভেম্বর সকাল ১০টায়। পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী এসব জেলায় শারীরিক মাপ ও ফিজিক্যাল এনডিউরেন্স টেস্ট হওয়ার কথা ছিল ১২-১৪ নভেম্বর সকাল আটটায়, লিখিত পরীক্ষা ১৫ নভেম্বর দুপুর ২টায় এবং মনস্তাত্ত্বিক ও মৌখিক পরীক্ষার সময় ছিল ২২ নভেম্বর সকাল ১০টায়।

এই জেলাগুলো ছাড়া দেশের অন্যান্য জেলায় পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী ট্রেইনি রিক্রুট কনস্টেবল (টিআরসি) পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




ড্রেন থেকে গলাকাটা লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী নগরীর সাগরপাড়া এলাকায় এক ব্যক্তিকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। নগরীর বিদ্যুৎ অফিসের পেছনের ড্রেন থেকে গতকাল বুধবার দিবাগত রাত ২টার পর লাশটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের বোয়ালিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিবারণ চন্দ্র বর্মন জানান, লাশটি পড়ে থাকতে দেখে থানায় খবর দেন এক পথচারী। পরে রাতেই লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিহত ব্যক্তির গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে উল্লেখ করে পুলিশের ওই কর্মকর্তা জানান, যে ড্রেন থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে, তার এক থেকে দেড়শ গজ দূরে তাঁকে আঘাত করা হয়েছে। সেখানে রক্তের দাগও আছে। ওই অবস্থায় দৌড়ে পালাতে গিয়ে ড্রেনে পড়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওসি আরও জানান, লাশ উদ্ধারের সময় ঘটনাস্থলে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া গেছে। এর সূত্র ধরে পুলিশ হত্যার রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করেছে।


আরও খবর



সহকারী শিক্ষিকাকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৯৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাজীপুর সদর উপজেলায় একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের এমডি ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারী শিক্ষিকাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ উঠেছে। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে প্রতিষ্ঠানের এমডি ও প্রধান শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম সেলিম।

এ ঘটনায় ভিকটিম বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে জয়দেবপুর থানায় ১ অক্টোবর একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। তবে বিষয়টি পরে জানা গেছে।

মামলার একমাত্র আসামি হলেন ময়মনসিংহের ভালুকা থানার ডাকাতিয়া গ্রামের শামছুল হকের ছেলে সাদেকুল ইসলাম সেলিম (৪০)। তিনি সদর উপজেলার ভাওয়াল মির্জাপুর ইউনিয়নের সৃজনশীল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এমডি ও প্রধান শিক্ষক।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ মাস যাবত ভিকটিম ওই স্কুল অ্যান্ড কলেজের সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত আছেন। প্রধান শিক্ষকের অফিস এবং ভিকটিমের কর্মস্থল একই রুম হওয়ার সুবাদে প্রায় সময়ই উত্ত্যক্ত এবং কুপ্রস্তাব দিতেন। প্রধান শিক্ষকের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ২৭ জুন বিকাল ৩টার দিকে শিক্ষকরা স্কুল থেকে চলে যাওয়ার পর অফিস কক্ষের দরজা বন্ধ করে জোরপূর্বক ধর্ষণ ও গোপনে ভিডিও ধারণ করেন। পরবর্তীতে ধর্ষণের ভিডিও ইটারনেটে ভাইরাল করে দেওয়ার ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই শিক্ষিকাকে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করে।

জয়দেবপুর থানার ওসি মাহাতাব উদ্দিন জানান, এ ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি ধর্ষণ মামলা হয়েছে। আসামি বর্তমানে পলাতক রয়েছে। তাকে ধরার জন্য আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।


আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১