আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

১২ বছর পর বড় পর্দায় শর্মিলা ঠাকুর

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আশির দশকে বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। ২০১০ সালে ব্রেক কী বাদ সিনেমায় শেষবার বড় পর্দায় দেখা গিয়েছিল তাকে। দীর্ঘ ১২ বছর পর আবারও অভিনয়ে ফিরছেন তিনি। পরিচালক রাহুল চিট্টেলার গুলমোহর সিনেমা দিয়ে। ছবিতে অমল পালেকর, মনোজ বাজপেয়ীদের সঙ্গে পর্দায় অভিনয় করতে দেখা যাবে শর্মিলাকে। ছবিতে আরও অভিনয় করছেন লাইফ অফ পাই খ্যাত সূরজ শর্মা ও সিমরন ঋষি বাগ্গা।

ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে ছবির শুটিং। রূপালি পর্দায় কামব্যাক করা নিয়ে অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর বলেছেন, অনেক দিন পর অভিনয়ে ফিরলাম। সিনেমাটির চিত্রনাট্য শুনেই অভিনয় করতে রাজি হয়ে গিয়েছিলাম। একটি পরিবারের গল্প। এত সুন্দর করে গল্প বলা হয়েছে যে আমি আর দ্বিতীয়বার ভাবিনি। একসঙ্গে বসে এ সিনেমা দেখতে খুবই ভালো লাগবে দর্শকের।

পারিবারিক সিনেমা গুলমোহর। বাত্রা পরিবারের গল্প উঠে আসবে এই সিনেমাতে। ৩৪ বছরের পুরোনো বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যাবে গোটা বাত্রা পরিবার। এরপরই একান্নবর্তী পরিবারের পুরোনো সেই কথা নিজের ভাবনা দিয়ে পর্দায় ফুটিয়ে তুলবেন পরিচালক রাহুল চিট্টেলা। পরিবারের সদস্যরা পরস্পরের সঙ্গে নতুনভাবে সংযোগ স্থাপন করছেন। তারই মধ্যে ফাঁস হবে অনেক গোপন তথ্য।

লম্বা ব্রেকের পর এই ধরনের পারিবারিক ছবিতে কাজ করতে পেরে খুশি শর্মিলা ঠাকুরও। রাহুল চিট্টেলা পরিচালিত এই ছবির যৌথ প্রযোজনা করছে ফক্স স্টার স্টুডিওজ ও চকবোর্ড এন্টারটেইনমেন্ট অ্যান্ড অটোনমাস ওয়ার্কস। সব ঠিক থাকলে চলতি বছরের আগস্টে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে গুলমোহর-এর।

নিউজ ট্যাগ: শর্মিলা ঠাকুর

আরও খবর



চাঁদ দেখা যায়নি, সৌদি আরবে ঈদ সোমবার

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৭২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সৌদি আরবে শনিবার (৩০ এপ্রিল)  পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। এ কারণে দেশটি ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে আগামী সোমবার (২ মে)। দেশটির কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে। খালিজ টাইমসের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামীকাল রবিবার (১ মে) দেশটিতে রমজান মাসের শেষ দিন পালিত হবে। শাওয়াল মাসের প্রথম দিন ঈদুল ফিতর হিসেবে পালিত হয়। হিজরি ক্যালেন্ডারে রমজান মাসের পর এই মাসের আগমন ঘটে।

এর আগে আবুধাবি-ভিত্তিক সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সেন্টার (আইএসি) বলেছে, আজ শনিবার (৩০ এপ্রিল) মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখতে পাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

এর মানে আগামীকাল রবিবার (১ মে) ওই অঞ্চলে  রমজান মাসের শেষ দিন। এর পরের দিন (২ মে) উদযাপিত হবে ঈদুল ফিতর।

শনিবার সকালে জারি করা এক বিবৃতিতে আইএসি জানিয়েছে, তারা রমজানের শেষদিকের অতিসরু চাঁদটি কোনোমতে চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। এর অর্থ হলো ইসলামী বিশ্বের সকল দেশ থেকে আজ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা অসম্ভব হয়ে পড়বে। 


আরও খবর



ডেনমার্ক রাজকুমারী ঢাকায়

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তিন দিনের সফরে ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন বাংলাদেশে এসেছেন। সোমবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

ঢাকা সফরের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ। দুপুরে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের আয়োজনে এক মধ্যাহ্ন ভোজ অংশ নেবেন তিনি। বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

মঙ্গলবার সকালে তিনি ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিলের (ডিআরসি) ব্রিফিংয়ে যোগ দেবেন। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গিয়ে ক্যাম্প ৫-এ বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মাটি ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ ও ডিআরসির পরিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। এসময় কয়েকজন সুবিধাভোগী রোহিঙ্গার সঙ্গে মতবিনিময় করবেন রাজকুমারী।

কক্সবাজার থেকে ঢাকায় এসে তিনি সাতক্ষীরা যাবেন। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং সুন্দরবনেও ভ্রমণ করবেন।


আরও খবর



করোনায় আরও একটি মৃত্যুশূন্য দিন

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে টানা ১০ দিনের মত করোনা ভাইরাসে দেশে কারও মৃত্যু হয়নি। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল একজনের মৃত্যু হয়েছিল।রবিবার (১ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৪৩ জনের নমুনা পরীক্ষায় ২৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৯৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় এই সুস্থ হয়েছেন ২৯৩ জন। দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৭১৬ জনে দাঁড়িয়েছে। আর মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ১২৭ জনের। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৫ হাজার ৬৯৭ জন।

২০১৯ সালের শেষে চীনের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু হয় একই বছরের ১৮ মার্চ।


আরও খবর



দুই দশকে প্রায় অর্ধশত মাঠ হারিয়েছে ঢাকা

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি শতকের শুরুতেও রাজধানী ঢাকায় সিটি করপোরেশনের অধীন খেলার মাঠ ছিল ৭০টির মতো। এখন দুই সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে টিকে রয়েছে মোটে ২০টি। এ দুই দশকে নিশ্চিহ্ন হয়েছে প্রায় অর্ধশত মাঠ। যেগুলো টিকে রয়েছে খেলাধুলার স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ হারিয়ে ফেলছে সেগুলোও। মাঠ বেদখল হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠছে প্রায়ই। আবার নানা স্থাপনা নির্মাণের মাধ্যমে মাঠে খেলার জায়গা সংকুচিত করে ফেলার নিদর্শনও পাওয়া যায় অনেক।

একটি শহরে পর্যাপ্তসংখ্যক মাঠের উপস্থিতিকে অত্যাবশ্যক বলে মনে করেন নগর পরিকল্পনাবিদরা। নগরবাসীর নির্মল বিনোদন, সুস্থ পরিবেশ ও শিশু-কিশোরদের মানসিক বিকাশ নিশ্চিতের জন্য বিষয়টিতে সবসময়ই জোর দেয়া হয়। গত কয়েক দশকে ঢাকা আয়তন ও জনসংখ্যায় বাড়লেও খেলার মাঠ হারিয়ে গিয়েছে একটির পর একটি।

ঢাকার অবিভক্ত সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি শতকের শুরুতেও নগর কর্তৃপক্ষের অধীন মাঠ ছিল ৬৮টি। অন্যদিকে রাজধানীতে বর্তমানে দুই সিটি করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন মাঠ আছে ২০টি। সে হিসাবে দুই দশকে রাজধানীর বুক থেকে নিশ্চিহ্ন হয়েছে অন্তত ৪৮টি মাঠ। এর মধ্যে কোনো কোনোটিকে এখন পার্কে রূপ দেয়া হয়েছে।

চলতি শতকের শুরুতেই রাজধানীর খেলার মাঠগুলো বেদখল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে ওঠে। ২০০৩ সালে রাজধানীর খেলার মাঠ ও পার্ক বেদখলের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে একটি রিট করেছিল বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলনের (বাপা) পক্ষ থেকে ২০০৪ সালে একই বিষয়ে আরেকটি রিট হয়। এ দুই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানীর ৬৮টি খেলার মাঠ ও পার্কের জন্য সংরক্ষিত জায়গা ১৫ দিনের মধ্যে দখলমুক্ত করার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এ আদেশ যথাযথভাবে পালনে গত দুই দশকে কোনো অগ্রগতি লক্ষ করা যায়নি। বরং দিন দিন পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। একের পর এক মাঠ বেদখল হয়ে নির্মাণ হচ্ছে বাজার, রাজনৈতিক দলের কার্যালয়সহ নানা ধরনের স্থাপনা। কোনো কোনো মাঠে উন্মুক্ত জায়গা থাকলেও খেলার পরিবেশ নেই। এসব জায়গায় মাদক ব্যবসাসহ আরো নানা ধরনের অপরাধমূলক কার্যক্রমেরও অভিযোগ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে বেলার প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, তখন আমরা শুধু ঢাকা সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত মাঠগুলো নিয়ে রিট করেছিলাম। আদালত মাঠ ও পার্ক দখলমুক্ত করতে বলেছেন। কিন্তু তার বাস্তবায়ন খুব একটা দেখা যাচ্ছে না।

তবে ঢাকার সব মাঠই সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নেই। দুই সিটির অধীন মাঠ ছাড়াও ঢাকায় আরো অন্তত ২০০ খোলা জায়গার তথ্য পাওয়া যায়, যেগুলোকে মাঠ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। ২০১৯ সালে করা বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) জরিপে উঠে আসে, কয়েক বছর আগেও ঢাকায় মাঠের সংখ্যা ছিল ২৩০। এর মধ্যে ১৪০টি প্রাতিষ্ঠানিক মাঠ, যেগুলো ওই প্রতিষ্ঠানের কম্পাউন্ডের ভেতরে অবস্থিত। অর্ধশতাধিক জায়গা ছিল ব্যক্তিমালিকানাধীন। এসব খোলা জায়গা শিশুরা মাঠ হিসেবে ব্যবহার করত। পরে সেসব জায়গায় অট্টালিকা গড়ে ওঠে। ৪০টির মতো মাঠ ছিল সবার জন্য উন্মুক্ত। এর মধ্যে আবার ১৬টি বেদখল হয়ে পড়েছে। ফলে এখন রাজধানীতে সিটি করপোরেশনের আওতাধীন ও আওতাবহির্ভূত উন্মুক্ত মাঠ আছে মাত্র ২৪টি। এর মধ্যে কিছু খেলার মাঠ সংস্কার করায় সেগুলোর সৌন্দর্য বেড়েছে ঠিকই, কিন্তু সেসব মাঠে প্রবেশে সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে।

এদিকে ২০০০ সালের একটি জরিপে দেখা যায়, ওই সময় ঢাকা শহরে খেলার মাঠ ছিল ১৫০টি। যদিও ঢাকার মাঠ নিয়ে সরকারি কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী খেলার মাঠগুলোর অন্যতম গেন্ডারিয়ার ধূপখোলা মাঠ। বর্তমানে এটির উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে। মাঠটিতে চলছে স্থাপনা নির্মাণের কাজ। নির্মাণসামগ্রী রাখায় মাঠের বড় একটি অংশ এখন খেলার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

এ নিয়ে ধূপখোলা মাঠে কথা হয় গেন্ডারিয়ার প্রবীণ বাসিন্দা হাসান মাহমুদের (৬০) সঙ্গে। শৈশবের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, একসময় এখানে দুরন্তপনার ছড়াছড়ি ছিল। সকাল থেকে শুরু হয়ে দিনের আলো মিলিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত খেলতাম আমরা। আট-দশ বছর আগেও এখানে শিশু-কিশোরদের স্বতঃস্ফূর্ত আনাগোনা ছিল। সম্প্রতি মাঠ উন্নয়নের কাজ শুরু হওয়ার পর নির্মাণসামগ্রী রাখায় খেলার পরিবেশ নষ্ট হয়ে গেছে। কয়েক মাস হলো খেলাধুলা বন্ধ।

সিটি করপোরেশনের খেলার মাঠগুলোর মধ্যে ১২টি ঢাকা দক্ষিণ সিটির অধীনে। ঢাকা উত্তরের অধীনে রয়েছে আটটি। ঢাকা দক্ষিণের ১২টি মাঠ হলো বাংলাদেশ মাঠ, গোলাপবাগ মাঠ, মুক্তিযোদ্ধা সাদেক হোসেন খোকা মাঠ, লালবাগ শ্মশানঘাট খেলার মাঠ, খিলগাঁও খেলার মাঠ, ধানমন্ডি খেলার মাঠ, কলাবাগান খেলার মাঠ, মরহুম হাজি আলী ঈদগাহ মাঠ, বালুর মাঠ ঈদগাহ মাঠ, আরমানিটোলা খেলার মাঠ, ধূপখোলা মাঠ ও জোড়াপুকুর খেলার মাঠ। ঢাকা উত্তর সিটির আটটি খেলার মাঠ হলো বনানী মাঠ, বনানী খেলার মাঠ, বড় মগবাজার খেলার মাঠ, গোলার টেক মাঠ, তাজমহল রোড মাঠ, জাকির হোসেন রোড খেলার মাঠ, সলিমুল্লাহ রোড খেলার মাঠ ও বৈশাখী খেলার মাঠ।

নগরবিদ ইকবাল হাবিব বলেন, দুই সিটির মাঠের সংখ্যা কমে যাওয়ার বড় একটি কারণ হলো এখন অনেক মাঠই পার্ক ও মাঠে রূপান্তরিত হয়েছে। সে হিসেবে দুই সিটিতে মাঠ ও পার্ক আছে ৪৯টি। মাঠ ও পার্ককে এক ধরে নিয়েই দুই সিটির উন্নয়ন কার্যক্রম এগোচ্ছে। তবে বর্তমানে যে কাজটি জরুরি, বিদ্যমান মাঠগুলোয় খেলার পরিবেশ যেন ব্যাহত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা।

তিনি বলেন, ঢাকায় মাঠের সংখ্যা আরো বাড়বে। এক্ষেত্রে দুই সিটির আওতায় নতুন যে পৌরসভাগুলো এসেছে, ওইসব পৌরসভার মাঠগুলোও চিহ্নিত করতে হবে। নতুন পৌরসভাগুলোয় দেখা যায় অনেক খোলা জায়গা আছে। সেখানে শিশুরা খেলছেও। কিন্তু এর অনেকগুলোই মাঠ হিসেবে চিহ্নিত নয়। কোনো জায়গা যদি মাঠ হিসেবে চিহ্নিত না হয় তাহলে সেটি যেকোনো মুহূর্তেই ভিন্ন কাজে ব্যবহার হতে পারে। বর্তমানে কোনো মাঠ দখল হলে আমরা মাঠ রক্ষায় আন্দোলন করতে পারছি, কারণ এগুলো মাঠ হিসেবে চিহ্নিত আছে। যদি মাঠটি সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রি করা না থাকে তাহলে ওই মাঠ আজ হোক কাল হোক অন্য কাজে ব্যবহার হবেই।

রাজধানীর টিকে থাকা মাঠগুলোও দখলের ঝুঁকিতে রয়েছে। আবার অনেক মাঠের মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বও রয়েছে। ডিএসসিসি এলাকাধীন আলিয়া মাদ্রাসার মাঠটি সরকারি দুটি সংস্থা নিজেদের বলে দাবি করছে। একইভাবে ১১ নম্বর ওয়ার্ডের একটি খোলা জায়গায় সরকারি আরেকটি সংস্থা ভবন নির্মাণ করেছে। ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের মুক্তাঙ্গনের মাঠটি ডিএসসিসির প্রশাসন দখলমুক্ত করার পরও বারবার দখল হয়ে যাচ্ছে।

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ বলেন, আমাদের তালিকাভুক্ত কোনো মাঠ হারিয়ে যায়নি এবং বেদখলও নেই। এরই মধ্যে আমরা বেশ কয়েকটি মাঠের উন্নয়নকাজ শেষ করেছি। আরো কয়েকটি মাঠের কাজ চলমান রয়েছে। তাছাড়া নতুন নতুন মাঠ তৈরির ব্যাপারেও আমাদের সমন্বিত পরিকল্পনা চলছে।

নিউজ ট্যাগ: খেলার মাঠ

আরও খবর



‘অশনি’র প্রভাবে রাজধানীসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা এই বৃষ্টি থাকতে পারে। তবে কোথাও কোথাও টানা বৃষ্টি না হয়ে থেমে থেমে হালকা, মাঝারি বা ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল থেকেই রাজধানীর আকাশ ছিল মেঘলা। দুপুরের দিকে কিছু এলাকায় হালকা বৃষ্টি হয়। দুপুরের পর আকাশে মেঘ বাড়তে থাকে। বিকেলের দিকে নামে মুষল ধারায় বৃষ্টি।

আবহাওয়ার ২৪ ঘণ্টায় পূর্বাভাসে বলা হয়, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায়, ঢাকা, খুলনা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা বা ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে খুলনা, বিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ও ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ হাফিজুর রহমান জানান, অশনির প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের প্রায় সব অঞ্চলেই বৃষ্টি হচ্ছে। কোথাও মাঝারি আবার কোথাও ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। আগামী ২৪ ঘণ্টা দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই বৃষ্টি থাকতে পারে। তবে সন্ধ্যার পর কিছু এলাকায় কমে আসতে পারে। বৃষ্টি হওয়ায় ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি কমে আসছে।

বিজ্ঞপ্তিতে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে উপকূলের কাছাকাছি থেকে সাবধানে চলাচল করতে বলা হয়েছে। সেই সঙ্গে তাদের গভীর সমুদ্রে বিচরণ করতে নিষেধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব বা পূর্বদিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টিসহ বজ্রপাত হতে পারে। এসব এলাকার নৌ-বন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে, ভারতের আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শেষ পর্যন্ত অশনি সাধারণ ঘূর্ণিঝড় হবে বা গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোতে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।


আরও খবর