আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

১৬ অঞ্চলে ৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৬৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ১৬টি অঞ্চলের ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। তাই এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

শুক্রবার (১৩ মে) সন্ধ্যায় এমন পূর্বাভাস দেয় আবহাওয়া অফিস।

আবহাওয়াবিদ মো. তরিফুল নেওয়াজ কবির জানিয়েছেন- রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, মাদারীপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে দুই নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দেশের অন্যত্র পশ্চিম/উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি/বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে এক নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

অন্য এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূল ও তৎসংলগ্ন এলাকার অদূরে অবস্থানরত লঘুচাপটি পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এ অবস্থায় শনিবার (১৪ মে) সন্ধ্যা পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা/ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে বিজলী চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি  ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিলোমিটার, যা অস্থায়ীভাবে পশ্চিম/উত্তরপশ্চিম দিক থেকে দমকা হাওয়ার আকারে ঘণ্টায় ৩০-৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠে যেতে পারে।

রোববার নাগাদ বৃষ্টিপাতের প্রবণতা হ্রাস পেতে পারে এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাবে। বর্ধিত পাঁচ দিনের শেষের দিকে বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

শুক্রবার দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে দিনাজপুরে, ২০১ মিলিমিটার। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে, ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


আরও খবর



সপ্তাহের শেষ দিকে বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের উপর দিয়ে টানা চার দিন ধরে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তাপমাত্রা আর তেমন না বাড়লেও তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকার আভাস রয়েছে। তবে সপ্তাহের শেষের দিকে বৃষ্টিপাত হতে পারে। সোমবার (২৫ এপ্রিল) এমন পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অফিস। 

আবহাওয়াবিদ খো. হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ হিমালয়ের পাদদেশীয় পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ অবস্থান করছে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে। 

এ অবস্থায় আগামী মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) সন্ধ্যা পর্যন্ত ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের দুএক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়ার সঙ্গে প্রবল বিজলী চমকানোসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। 

রাজশাহী, পাবনা, যশোর ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলে তীব্র তাপপ্রবাহ; বরিশাল, পটুয়াখালী, দিনাজপুর, নীলফামারী ও রাঙামাটি অঞ্চলসহ ঢাকা বিভাগ এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের অবশিষ্টাংশের উপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। 

সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকবে। ঢাকায় দক্ষিণ/দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় বাতাসের গতিবেগ থাকবে ১০-১৫ কিলোমিটার। আগামী বুধবার (২৭ এপ্রিল) নাগাদ আবহাওয়ার সামান্য পরিবর্তন হতে পারে। আর বর্ধিত পাঁচ দিনের শুরুর দিকে বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার দেশে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে চুয়াডাঙ্গা, ঈশ্বরদী ও রাজশাহীতে ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে সিলেটে ৪০ মিলিমিটার।


আরও খবর



বাড়িতেই সিজার করা সেই পশু ডাক্তার গ্রেফতার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৬ মে ২০২২ | ৭৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নেত্রকোনার বারহাট্টায় প্রসূতিকে সিজার করা সেই পশু চিকিৎসক আবুল কাশেমকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। শুক্রবার দুপুরে নেত্রকোনা আদালতে সোপর্দ করলে বিজ্ঞ বিচারক জেল হাজতে পাঠান।বিকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুল হক।

তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার রাতেই থানায় মামলা হয়েছে। মৃত প্রসূতির স্বামী মহসিন মিয়া বাদী হয়ে থানায় মামলাটি করেন। অভিযুক্ত পশু চিকৎসক একই উপজেলার জীবনপুর গ্রামের বাসিন্দা। ওসি বলেন, রাতেই ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

এর আগে উপজেলা প্রশাসন নিজ উদ্যোগে অভিযোগ ছাড়াই বৃহস্পতিবার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সন্ধ্যায় ওই এলাকা পরিদর্শন করেন।

গত বুধবার চন্দ্রপুর গ্রামে বাবার বাড়িতে শরীফা আক্তার নামের প্রসূতির সিজার করলে নবজাতকসহ তিনি মারা যান। শরীফা বারহাট্টা সরকারি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পাস করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর সুনামগঞ্জ জেলার তাহেরপুর এলাকায় বিয়ে হয় তার। সন্তান প্রসবের সময় ঘনিয়ে এলে ঈদের আগে গত সপ্তাহে চন্দ্রপুর বাবার বাড়িতে নিয়ে আসা হয় তাকে। চন্দ্রপুর গ্রামের বাবার বাড়ি দক্ষিণপাড়ায় পশু ডাক্তারের করা সিজারের পর নবজাতকসহ মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

পরদিন বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমানকে প্রধান করে তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) সানজিদা চৌধুরী ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শিহাব উদ্দিন। প্রসূতি ও নবজাতকের মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম মাজহারুল ইসলাম এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন। কমিটিকে আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

সন্ধ্যায় ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান তদন্ত কমিটির সদস্যরা। সেখানে উপস্থিত এলাকাবাসী, ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তারা।


আরও খবর



র‌্যাগিংয়ের দায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ শিক্ষার্থী আজীবন বহিষ্কার

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তদন্তে শিক্ষার্থীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন ও র‌্যাগিংয়ে জড়িত থাকার অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের ৩ শিক্ষার্থীকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আজীবনের জন্য বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

শনিবার (২১ মে) দুপুরে যবিপ্রবির প্রশাসনিক ভবনের সম্মেলন কক্ষে রিজেন্ট বোর্ডের ৭৮তম বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বোর্ডের সদস্যদের অনেকে সশরীরে উপস্থিতির থাকার পাশাপাশি ভার্চুয়ালিও যুক্ত থাকেন। এ সময় সভায় সভাপতিত্ব করেন যবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।

আজীবন বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন, গণিত বিভাগের মো. সোহেল রানা, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের মো. বারিউল হক মুবিন ও পরিবেশবিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের (ইএসটি) মো. আল-আমিন।

রিজেন্ট বোর্ডের সভায় বিভিন্ন বিভাগের আরও ১০ জন শিক্ষার্থীকে ভবিষ্যতে র‌্যাগিংয়ের মতো অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকবে না উল্লেখ করে অভিভাবকের সম্মতিসহ ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে মুচলেকা দিতে হবে মর্মে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মুচলেকা না দিলে ওই শিক্ষার্থীদেরও এক বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। তদন্ত প্রক্রিয়া শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিপ্লিনারি কমিটি 'রুলস অব ডিসিপ্লিন ফর স্টুডেন্টস' অনুযায়ী এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। তাদের শাস্তিসংক্রান্ত নোটিশ খুব দ্রুতই আনুষ্ঠানিকভাবে জানিয়ে দেওয়া হবে।

এদিকে সাব্বির আলমকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, হুমকি প্রদান এবং আলামত লুকানোর চেষ্টার ঘটনা প্রমাণিত হওয়ায় রিজেন্ট বোর্ড থেকে তাদের এই শাস্তি প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। রিজেন্ট বোর্ডের সভায় র‌্যাগিংয়ের ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের নার্সিং অ্যান্ড হেলথ সায়েন্স বিভাগের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধেও তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল ২০২২ তারিখে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মসিয়ূর রহমান হলের ৩২০ নম্বর কক্ষ হতে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মো. সাব্বির আলমকে ডেকে নিয়ে আজীবন বহিষ্কৃত তিন শিক্ষার্থী শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। ফলে মো. সাব্বির আলম জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন।


আরও খবর



বরিশালে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বরিশালের মুলাদীতে পুকুরের পানিতে ডুবে একই বাড়ির দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে মুলাদী উপজেলার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ চরডাকাতিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। দুই শিশুকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।

পানিতে ডুবে মারা যাওয়া ওই দুই শিশুর নাম আরিয়ান ও শারিকা। তাদের বয়স আড়াই বছর। সম্পর্কে তারা চাচাতো ভাই-বোন।

মুলাদী থানার উপ-পরিদর্শক মো. ইউসুফ জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে সদর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ চরডাকাতিয়া গ্রামের জব্বার খানের মেয়ে শারিকা এবং তার ভাই সুমন খানের ছেলে আরিয়ান বাড়ির সামনে উঠানে খেলা করছিল। এর মধ্যে বাড়ির সবার অগোচরে তারা উঠানের পাশের পুকুরে নামে। কিছুক্ষণ পর পরিবারের সবাই তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেও কোথাও সন্ধান পাননি। এরপর পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে ডুবে যাওয়া দুই শিশুকে উদ্ধার করেন। এরপর তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

একই পরিবারের দুই শিশুর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে ওই পরিবারসহ পুরো গ্রামে শোকের ছায়া নেমে এসেছে বলে জানান উপ-পরিদর্শক মো. ইউসুফ।

দুই নাতির মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ শারিকা ও আরিয়ানের দাদা বাবুল খান। আর্তনাদ করতে করতে তিনি বলেন, ‌দুই ভাই-বোন অল্প সময়ের মধ্যেই খেলতে খেলতে চোখের আড়াল হয়ে যাবে বুঝতে পারিনি। কখন যে পুকুরে নেমেছে আমরা কেউ খেয়াল করিনি। বুকটা খালি খালি লাগে।


আরও খবর



জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়া হচ্ছে ৮৫ ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের গুণী ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে দেয়া হচ্ছে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার। ২০১৩ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গত আট বছরের জন্য ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে ৮৫ জন ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে। এদের মধ্যে ৩৯ জন ক্রীড়া সংগঠক রয়েছেন।

বুধবার (১১ মে) ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়াল প্লাটফর্মে উপস্থিত থেকে এ পুরস্কার বিতরণ করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেকে পাবেন একটি আঠারো ক্যারেট মানের ২৫ গ্রাম ওজনের স্বর্ণপদক, এক লাখ টাকার চেক এবং একটি সম্মাননাপত্র।

জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কারের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ২০১৩ সালের জন্য ৪৯টি, ২০১৪ সালের জন্য ৫৩টি, ২০১৫ সালের জন্য ৩০টি, ২০১৬ সালের জন্য ৩৩টি, ২০১৭ সালের জন্য ৩৯টি এবং ২০১৮ সালের জন্য ৫৮টি, ২০১৯ ও ২০২০ সালের জন্য ৭৮টিসহ মোট ৩৪০ জন ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠক আবেদন পত্র জমা দেন।

সেখান থেকেই তথ্য যাচাই বাছাইয়ের জন্য মন্ত্রণালয় মোট ৩টি কমিটি গঠন করে। যাচাই-বাছাই শেষে সংক্ষিপ্ত তালিকা প্রস্তুত করে তারা। তালিকাটি জাতীয় বাছাই কমিটির কাছে পাঠানো হয়।

জাতীয় বাছাই কমিটি ২০১৩ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৪ সালের জন্য ১০ জন, ২০১৫ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৬ সালের জন্য ১৩ জন, ২০১৭ সালের জন্য ১১ জন, ২০১৮ সালের জন্য ১০ জন, ২০১৯ সালের জন্য ১১ জন এবং ২০২০ সালের জন্য ৮ জনসহ সর্বমোট ৮৫ জন ক্রীড়াবিদ ও ক্রীড়া সংগঠককে জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার দেয়ার সুপারিশ করে।

যারা পুরস্কার পাচ্ছেন

২০২০ সাল (৮ জন): মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামাল (মরণোত্তর) খেলোয়াড় ও সংগঠক,  মুক্তিযোদ্ধা আফজালুর রহমান সিনহা (মরণোত্তর) সংগঠক (ক্রিকেট), নাজমুল আবেদীন ফাহিম- সংগঠক (ক্রিকেট কোচ), মোঃ মহসীন- খেলোয়াড় (ফুটবল), মো. মাহাবুবুল এহছান রানা- খেলোয়াড় (হকি), গ্র্যান্ডমাস্টার মোল্লা আব্দুল্লাহ আল রাকিব- খেলোয়াড় (দাবা), বেগম মোছা: নিলুফা ইয়াসমিন- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), আব্দুল কাদের স্বরণ- খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন-বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী)।

২০১৯ সাল (১১ জন): তানভীর মাজহার তান্না- সংগঠক (ফুটবল), অরুন চন্দ্র চাকমা (মরণোত্তর)- (অ্যাথলেটিক্স), লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. মইনুল ইসলাম- সংগঠক (আরচারি), দিপু রায় চৌধুরী- খেলোয়াড় (ক্রিকেট), কাজী নাবিল আহমেদ- সংগঠক (ফুটবল), ইন্তেখাবুল হামিদ- সংগঠক (শ্যুটিং), বেগম মাহফুজা রহমান তানিয়া- খেলোয়াড় (সাঁতার), বেগম ফারহানা সুলতানা শীলা- খেলোয়াড় (সাইক্লিং),  টুটুল কুমার নাগ- খেলোয়াড় (হকি), মাহবুবুর রব- খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন), বেগম সাদিয়া আক্তার উর্মি- খেলোয়াড় (টেবিলটেনিস-বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী)।

২০১৮ সাল (১০ জন): ফরিদা আক্তার বেগম- সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স), জ্যোৎস্না আফরোজ- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), মোঃ রফিক উল্যা আখতার মিলন- সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স), কাজী আনোয়ার হোসেন- খেলোয়াড় (ফুটবল), মোঃ শওকত আলী খান জাহাঙ্গীর- সংগঠক (ফুটবল), মীর রবিউজ্জামান- খেলোয়াড় (জিমন্যাস্টিকস), মোহাম্মদ আলমগীর আলম- খেলোয়াড় (হকি), তৈয়েব হাসান সামছুজ্জামান- সংগঠক (রেফারী), নিবেদিতা দাস- খেলোয়াড় (সাঁতার), মাহমুদুল ইসলাম রানা- সংগঠক (তায়কোয়ানডো)

২০১৭ সাল (১১ জন): শাহরিয়া সুলতানা- খেলোয়াড় (ভারোত্তোলন), আওলাদ হোসেন-সংগঠক (জুডো, কারাতে ও মার্শাল আর্ট), ওয়াসিফ আলী- খেলোয়াড় (বাস্কেটবল), শেখ বশির আহমেদ মামুন- সংগঠক (জিমন্যাস্টিকস), মো: সেলিম মিয়া- খেলোয়াড় (সাঁতার), হাজী মো: খোরশেদ আলম- সংগঠক (রোইং), আবু ইউসুফ- খেলোয়াড় (ফুটবল), এ টি এম শামসুল আলম- সংগঠক (টেবিল টেনিস), রহিমা খানম যুথী- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), আসাদুজ্জামান কোহিনুর- সংগঠক (হ্যান্ডবল), মো: মাহবুব হারুন- খেলোয়াড় (হকি)।

২০১৬ সাল (১৩ জন): মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান- খেলোয়াড় (সাঁতার), লেঃ কমান্ডার এ কে সরকার (অবঃ)- সংগঠক (বাস্কেটবল), বেগম সুলতানা পারভীন লাভলী- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), মুক্তিযোদ্ধা শামীম-আল-মামুন- সংগঠক (ভলিবল), আরিফ খান জয়- খেলোয়াড় (ফুটবল), খন্দকার রকিবুল ইসলাম- খেলোয়াড় (ফুটবল), মোহাম্মদ জালাল ইউনুস- সংগঠক (ক্রিকেট), মো: তোফাজ্জল হোসেন- সংগঠক (অ্যাথলেটিক্স), কাজল দত্ত- খেলোয়াড় (ভরোত্তোলন), মো: তাবিউর রহমান পালোয়ান- সংগঠক (কুস্তি), জেড. আলম (মরণোত্তর)- সংগঠক (ফুটবল), আবদুর রাজ্জাক সোনা মিয়া (মরণোত্তর)- খেলোয়াড় (হকি), কাজী হাবিবুল বাশার- খেলোয়াড় (ক্রিকেট)।

২০১৫ সাল (১১ জন): অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম- সংগঠক (ক্যারম), মো: আহমেদুর রহমান- খেলোয়াড় ও সংগঠক (জিমন্যাস্টিক্স), আহমেদ সাজ্জাদুল আলম- সংগঠক (ক্রিকেট), খাজা রহমতউল্লাহ (মরণোত্তর)- খেলোয়াড় (হকি), মাহ্তাবুর রহমান বুলবুল- খেলোয়াড় ও সংগঠক (বাস্কেটবল), বেগম ফারহাদ জেসমীন লিটি- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), বরুন বিকাশ দেওয়ান- খেলোয়াড় (ফুটবল), রেহানা জামান- খেলোয়াড় (সাঁতার), মো: জুয়েল রানা- খেলোয়াড় (ফুটবল), বেগম জেসমিন আক্তার- খেলোয়াড় (ভারোত্তোলন, কারাতে ও তায়কোয়ানডো), বেগম শিউলী আক্তার সাথী- খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন)।

২০১৪ সাল (১০ জন): শামসুল বারী (মরণোত্তর)- খেলোয়াড় ও সংগঠক (হকি), এনায়েত হোসেন সিরাজ- সংগঠক (ক্রিকেট), মো: ফজলুর রহমান বাবুল- সংগঠক (ফুটবল), সৈয়দ শাহেদ রেজা- সংগঠক (হ্যান্ডবল), মো: ইমতিয়াজ সুলতান জনি- খেলোয়াড় (ফুটবল), মোহাম্মদ এহসান নামিম- খেলোয়াড় (হকি), বেগম কামরুন নেছা- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), মো: সামছুল ইসলাম- খেলোয়াড় (সাঁতার), মিউরেল গোমেজ- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), মো: জোবায়েদুর রহমান রানা- খেলোয়াড় (ব্যাডমিন্টন)।

২০১৩ সাল (১১ জন): মুজাফ্ফর হোসেন পল্টু- খেলোয়াড় ও সংগঠক (ক্রিকেট), কাজী মাহতাব উদ্দিন আহমেদ- সংগঠক (হ্যান্ডবল), উইং কমান্ডার (অব.) মহিউদ্দিন আহমেদ- সংগঠক (ভারোত্তোলন), সামশুল হক চৌধুরী- সংগঠক (ফুটবল), মুক্তিযোদ্ধা মো: শাহ্জাহান মিজি- খেলোয়াড় (সাঁতার), রোকেয়া বেগম খুকী- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), বেগম মুনিরা মোর্শেদ খান হেলেন- খেলোয়াড় (টেবিল টেনিস), মো: ইলিয়াস হোসেন- খেলোয়াড় (ফুটবল), বেগম জ্যোৎস্না আক্তার- খেলোয়াড় (অ্যাথলেটিক্স), ভোলা লাল চৌহান- খেলোয়াড় (স্কোয়াশ), খালেদ মাহমুদ সুজন- খেলোয়াড় (ক্রিকেট)।

 

 

 


আরও খবর