আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

১৮ বছরের নিচে সবাই শিশু, বিষয়টি ভাবনার সময় এসেছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৮৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে ১৮ বছরের নিচে সবাইকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়টি নিয়ে এখন চিন্তা-ভাবনার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মধুবাগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

কিশোর অপরাধ দমনে জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় সবার হোক একটাই পণ, কিশোর অপরাধ করব দমন শীর্ষক টিভিসি উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমি যখন এসএসসি পাস করেছি তখন আমার বয়স ছিল ১৫ বছর। বর্তমানে যারা নিয়মিত পড়াশোনা করেন ১৮ বছর বয়সে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান। আমাদের মনে হয় ১৮ বছরের এ সময়সীমা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সময় এসেছে। আন্তর্জাতিক একটি আইনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় এটি করা হয়েছে। কিন্তু এর ফলে কিশোর অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বেগ পেতে হচ্ছে। তাই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, এটি ধরে রাখার প্রথম শর্ত হচ্ছে নিরাপত্তা। কিন্তু আমাদের কিশোররা নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের শঙ্কার বিষয় ছিল কোভিডকালীন স্কুল কলেজ বন্ধ থাকবে, সবাই বসে থাকবে। তবে এ সময়ে কিশোরদের নিয়ে যে শঙ্কাটা ছিল ততখানি হয়নি, আমাদের দেশ অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশ-র‍্যাব, শিক্ষক ও সমাজ তাদের কার্যক্রম চালচ্ছে। তারপরেও অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি কেন? বিষয়টি নিয়ে খেয়াল না করলে আমাদের সন্তানদের হারিয়ে ফেলব, দেশ-জাতির সবাই নিগৃহীত হবে। সমাজের শাসন যদি সুপ্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যতই কড়াকড়ি করুক আমরা হারিয়ে যাব। তাই সময় থাকতে সন্তানকে উপযুক্ত শিক্ষা দিন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন। সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে খেয়াল করুন। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। তবে আপনি যদি আপনার সন্তানের প্রতি খেয়াল না রাখেন তাহলে এটি আমরা কখনোই পারব না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, একসময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তী সময়ে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়। এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেভাবে হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেফতার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদের গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, কিন্তু প্রফেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রফেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া। কিশোর অপরাধীদের গ্রেফতারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনাগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে সেগুলো পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদের তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদের অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতা কর্মসূচির মাধ্যমে সুপথে না আসে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, এক সময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়।

এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি, সেভাবে করা হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেপ্তার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদেরকে গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু প্রবেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রবেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া।

কিশোর অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠোর হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদেরকেই তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদেরকে অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ না, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতার মাধ্যমে সুপথে না আসে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।



আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




রাবির 'এ' ইউনিটে কৃতকার্যদের ভাইভা শুরু ১৮ অক্টোবর

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৫৪০জন দেখেছেন
Image

রাবি প্রতিনিধিঃ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের 'এ' ইউনিটে ১৮ থেকে ১৯ অক্টোবর কৃতকার্য ভর্তি পরীক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে। গতকাল রোববার ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

কলা অনুষদের ডীন ও ভর্তি পরীক্ষার প্রধান সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. মোঃ ফজলুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে তৈরি মেধাক্রম অনুযায়ী গ্রুপ-১ থেকে ৩ হাজার, গ্রুপ-২ থেকে ৩ হাজার ও গ্রুপ-৩ থেকে ৩ হাজার জনসহ সর্বমোট ৯ হাজার জনের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত রোল নম্বরধারী এবং বিভিন্ন কোটা থেকে নূন্যতম ৪০ পেয়ে কৃতকার্য হওয়া শিক্ষার্থীদের আগামী ১৩ থেকে ১৬ অক্টোবর এর মধ্য সাবজেক্ট চয়েজ ফরম পূরণ করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর বিভাগ পছন্দক্রমের বিষয়টি আর বিবেচনা করা হবে না।

বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানানো হয়, গ্রুপ-১,২,৩ থেকে মেধাক্রম ১ থেকে ১৫০০ পর্যন্ত তিনটি গ্রুপ থেকে মোট ১৫০০ জন করে ৪ হাজার ৫ শত শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ১৮ অক্টোবর সকাল ৯ থেকে বিকাল ২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। গ্রুপ-১,২,৩ থেকে মেধাক্রম ১৫০১ থেকে ৩০০০ পর্যন্ত তিনটি গ্রুপ থেকে  মোট ১৫০০ জন করে ৪ হাজার ৫০০ জন শিক্ষার্থীদের সাক্ষাৎকার ১৯ অক্টোবর সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ২ টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। মুক্তিযোদ্ধা কোটার সাক্ষাৎকার অনুষ্ঠিত হবে ছাত্র উপদেষ্টা দপ্তরে এবং শারীরিক প্রতিবন্ধী কোটার সাক্ষাৎকার প্রধান চিকিৎসকের দপ্তরে অনুষ্ঠিত হবে। সাক্ষাৎকারে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের ভর্তির অযোগ্য বলে বিবেচিত করা হবে।

সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে আগামী ২৪ অক্টোবর ২০২১ তারিখে বিভাগের আসন সংখ্যা অনুযায়ী ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট (www.ru.ac.bd.) তে প্রকাশ করা হবে।


আরও খবর



মুনিয়ার মৃত্যু: নুসরাতই দায়ী

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ১৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে এখন তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এই তদন্তে মুনিয়ার জীবন, বেড়ে ওঠা এবং হতাশার যাবতীয় তথ্য সংগ্রহ করেছে সংস্থাটি। এতে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এর ফলে ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে মুনিয়ার মৃত্যুর জন্য তার বড় বোন নুসরাত তানিয়াই দায়ী।

তদন্তে জানা গেছে, মুনিয়াদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা শহরের মনোহরপুর উজির দিঘির দক্ষিণ পাড়ে। সেখানে মুনিয়াদের পৈত্রিক একতলা পাকা দালান আছে। নবম শ্রেণী পর্যন্ত মুনিয়া কুমিল্লায় পড়াশোনা করেন। হঠাৎ কেন ঢাকায় পড়তে আসা? কোন স্কুল ও কলেজে পড়েছেন? বাবা মারা যাওয়ার পর কিভাবেই বা মুনিয়ার পড়াশোনার খরচ চলত? সেসব নিয়ে এবার বিস্তারিত জানিয়েছেন মোসারাত জাহান মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত জাহান।

নুসরাত বলেছেন, `বাবা মারা যায় ২৭ সেপ্টেম্বর, তার (মুনিয়ার) টেস্ট পরীক্ষা মেবি অক্টোবরের ২ তারিখ, অংক পরীক্ষা ছিল। দিতে পারেনি, না হয়তো খারাপ হয়েছিল। তার কারণে তাকে টেস্টে অ্যালাউ করেনি। যার কারণে তার বিশাল আকার ক্ষতি হয়েছিল ইডুকেশনাল। সে খুব ডিপ্রেসড হয়েছিল এবং আব্বুর কিছু বন্ধু-বান্ধব ওইবার এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য হেডমিস্ট্রেসকে অনুরোধ করেছিল। কিন্তু কোনভাবেই পরীক্ষার জন্য ফর্ম পূরণ করতে দেওয়া হয়নি। সেবার আর তার পরীক্ষা দেওয়া হয়নি। এই অবস্থাতেই ৭-৮মাস কেটে গেল। কিছুই বুঝতে পারছিলাম না কি করব।

এরপর একজন পরামর্শ দিল, যেহেতু মুনিয়া সায়েন্সে পড়ত সুতরাং অন্য কোন বোর্ড থেকে পরীক্ষা দিয়ে ডিপার্টমেন্ট পরিবর্তন করলে অর্থাৎ আর্টস নিলে পরীক্ষা দিতে পারবে। যেহেতু সে সময় ভর্তির টাইম টা প্রায় শেষ হয়ে এসেছিল তাই অন্য কোন বোর্ডের স্কুলে তাকে নিতে চাইছিলনা। আমারা কুমিল্লা, সিলেট যোগাযোগ করার পর ঢাকায় ভর্তির সিদ্ধান্ত নেই। অবশেষে ঢাকা ন্যাশনাল বাংলা স্কুলে এক আংকেলের মাধ্যমে ব্যবস্থা করলাম। তারাও রাজি হয়ে গিয়েছিল, যেহেতু মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ভালো রেজাল্ট করলে স্কুলের সুনাম হবে। তাকে সেখানে ভর্তি করার পর হোস্টেলে দেওয়া হয়। হোস্টেলের নাম রেণু মহিলা হোস্টেল। সেখানে দেওয়ার পর আমি প্রতি সপ্তাহে সেখানে যেতাম। সেই স্কুল থেকে সে এসএসসি জিপিএ ৩.২৮ পেয়ে পাস করে।

২০১৮ সালের মে মাসে যখন তার রেজাল্ট আসে তখন আম্মু বিআরবি হসপিটালের আইসিইউতে। এর মধ্যে আমরা সবাই হাসপাতালে। আবার তাকে ভর্তিও করতে হবে। ভর্তি করতে না পারলে একবছর পিছিয়ে যাবে। এরমধ্যে জুন মাসের ১২ তারিখে আম্মু মারা যায়। পরে মুনিয়া বলে সে অনলাইনে আবেদন করেছিল বান্ধবীদের সাথে। সেই আবেদনে মুক্তিযোদ্ধার কোটায় তার কলেজ এসেছে মিরপুর ক্যান্ট. পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজ। মুক্তিযোদ্ধার কোটায় সে একজনই। সেখানে আমি এবং আমার হাসবেন্ড গিয়ে অভিভাবক হয়ে তাকে ভর্তি করাই। ভর্তি করার পর মুনিয়া আর হোস্টেলে থাকতে রাজি হয়না। পরে তাকে একটি আংকেলের ফ্ল্যাট ভাড়া করে দেই ১১ হাজার টাকায়। সেখানে সে তার হোস্টেলের কিছু মেয়ে ও কলেজের কিছু মেয়ে নিয়ে থাকত।

মুনিয়ার খরচ গত মাস পর্যন্ত আমরাই চালিয়েছি। আমরা চালিয়েছি বলতে বাবার যে মুক্তিযোদ্ধার ভাতা পাওয়া যেত, বাবা মারা যাওয়ার পর আমরা সেটা মুনিয়ার নামে করে দেই। তাছাড়া এর বাইরে প্রতি মাসে আরও যা যা খরচ লাগতো সেটা আমরা বহন করতাম।

২০১৯ সালের শেষের দিকে সঠিক তারিখ খেয়াল নাই, মুনিয়া জানায় সে বনানীতে বাসা নিচ্ছে। সেখানেও সে আরও কিছু মেয়ে নিয়েই উঠেছিল। পরবর্তীতে ২০২০ সালের মার্চের শেষ দিকে আমি যখন সব জানতে পারি তখন আমি মুনিয়াকে নিয়ে বাসায় নিয়ে আসি। সে সময় লকডাউনের মধ্যেই তাকে বাসায় নিয়ে আসি।

সাম্প্রতিক তদন্তে কুমিল্লায় থাকাবস্থায়ই বিবাহিত পুরুষ নিলয়ের সঙ্গে মুনিয়ার পালিয়ে বিয়ে করা, মামলা করা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। দুই সন্তানের জনক নিলয়ের ঘর সংসার থাকার পর দুই বোন তাকে বিয়ের নামে ফাঁসিয়ে অর্থ আদায় করেছেন। ওই বিয়ের বিষয়টি উল্লেখ করে নাবালিকা বোনের পক্ষে মামলা করে মুনিয়ার প্রথম স্বামী নিলয় থেকে মোটা অঙ্কের টাকা পয়সাও হাতিয়ে নেন নুসরাত। এরপর ঢাকায় এসে নুসরাত নিজেই বোন মুনিয়াকে সিনেমা জগতের নানা ঘাটে পরিচয় করিয়ে দেন। একপর্যায়ে অভিনেতা বাপ্পীরাজের গলায় ঝুলে পড়েন মুনিয়া। দুই বছর চুটিয়ে প্রেম করার পর তাকে বিয়ে করতে বাধ্য করার জন্য তিনি বাপ্পীরাজের বাসায় অনশন পর্যন্ত করেছেন। সবকিছুই ছিল নুসরাতের জানা। বাপ্পীরাজকে বিয়ে করতে ব্যর্থ হলে নুসরাত নিজেই মুনিয়াকে বুঝিয়ে সুজিয়ে বনানীতে এক বাসা ভাড়া নিয়ে দেন। নিয়ে যান ড্যান্স ক্লাব থেকে শুরু করে পাঁচ তারকার হোটেল শোতেও। নুসরাতের হাত ধরেই পাপিয়া ও পিয়াসা সিন্ডিকেটের সঙ্গেও পরিচয় ঘটে মুনিয়ার। একপর্যায়ে নুসরাতই মুনিয়াকে বনানীর বাসা থেকে গুলশানে এক লাখ ১১ হাজার টাকা মাসিক ভাড়ার বাসাটি ভাড়া নিয়ে দেন। স্বামী ও ছোট বোন মুনিয়াকে নিয়ে এ বাসায় থাকার কথা বলেই ভাড়া নিয়েছিলেন নুসরাত। অভিভাবক হিসেবে নিজেদের সামাজিক ও আর্থিক অবস্থানের তুলনায় অনেক বেশি আভিজাত্যে মোড়া বাসাটি কেন কি উদ্দেশ্যে কেবল একমাত্র বোনের থাকার জন্য তিনি ভাড়া নিয়েছিলেন তা এখন স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। এ বাসার পরিবেশকে পুঁজি করেই একের পর এক ধনাঢ্য বিত্তশালীদের টার্গেট করে নানারকম বাণিজ্য ফেঁদে বসা হয় বলেই মনে করছে পুলিশ।

শুরুতে নুসরাতের হাত ধরে নানা ঘাট চিনলেও শেষ দিকে মুনিয়া নিজেই হয়ে উঠেছিল বেপরোয়া বাণিজ্যের শিরোমণি। সর্বত্র ছিল তার যাতায়াত। নেশার রাজ্য থেকে দেহ বাণিজ্যের ঘাট পর্যন্ত বহুমুখী প্রতারণার সকল ক্ষেত্রেই তার ছিল অবাধ বিচরণ। রাজধানীর নামিদামি আবাসিক হোটেলগুলোতেও তার সচরাচর বিচরণের কথাও জানা গেছে।


আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




তাইওয়ানের আকাশে রেকর্ড চীনা যুদ্ধবিমানের অনুপ্রবেশ

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৬৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তাইওয়ান-চীনের সামরিক উত্তেজনা তুঙ্গে। তাইওয়ানের বিমান প্রতিরক্ষা সীমানা লঙ্ঘন করেছে চীনের ৩৮টি যুদ্ধবিমান। যার ভেতর পারমাণবিক বোমা হামলায় সক্ষম ৪টি এইচ-৬ যুদ্ধবিমানও ছিল। চীনের এমন সামরিক উস্কানির জবাবে নিজেদের সীমান্তে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করেছে তাইওয়ান। শনিবার এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

শনিবার তাইওয়ানের প্রিমিয়ার তুস তুসেং চ্যাং অভিযোগ করেন, চীন নিবিড়ভাবে সামরিক আগ্রাসনে জড়িত। তারা এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে।  জঙ্গিবিমান অনুপ্রবেশের বিষয়ে বেইজিং এখনও কোন প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রাণালয় বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার চীনের ২৫টি বিমান পারতাস দ্বীপপুঞ্জের কাছ দিয়ে উড়ে যায়। সন্ধ্যায় দ্বিতীয় দফায় ১৩টি বিমান একই জায়গায় দিয়ে মহড়া দেয়।

শুক্রবার (১ অক্টোবর) গণপ্রজাতন্ত্রী চীন প্রতিষ্ঠার ৭২তম বার্ষিকীতে নিজেদের জঙ্গিবিমান তাইওয়ানের সীমান্তে পাঠিয়ে সতর্কবার্তা দেয় দেশটি।

চীন তাইওয়ানকে একটি নিজেদের বিচ্ছিন্ন প্রদেশ হিসেবে দেখে, কিন্তু তাইওয়ান নিজেদের সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে দাবি করে আসছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় নিজেদের সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে তাইওয়ান। কিন্তু চীনের অভ্যন্তরীণ ইস্যুতে হস্তক্ষেপ না করতে ওয়াশিংটন সতর্ক করে আসছে দেশটি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অঞ্চলটিতে উত্তেজনা বেড়েছে এবং দ্বীপটিকে নিয়ন্ত্রণে পেতে শক্তি ব্যবহারের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে চীন। প্রায় সময় চীনের যুদ্ধবিমান তাইওয়ানের আকাশসীমা লঙ্ঘন করছে, এমন অভিযোগ  তাইপের।


আরও খবর



১৪ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৪ অক্টোবর ২০২১ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
১৪ অক্টোবর বৃহস্পতিবার, গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৮৭তম (অধিবর্ষে ২৮৮তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৭৮ দিন বাকি রয়েছে। একনজরে দেখে নিন ইতিহাসের এ দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য ঘটনা, বিশিষ্টজনের জন্ম-মৃত্যুদিনসহ গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়।

ঘটনাবলি

    ১৮০৬ - ফ্রান্স ও রাশিয়ার মধ্যে ইয়েনার যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

    ১৮৮২ - পাকিস্তানের লাহোরে ভারতীয় উপমহাদেশের চতুর্থ পুরাতন সর্ব্বোচ্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (পাকিস্তানে প্রথম) পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

    ১৯২৬ - অ্যালেন আলেকজান্ডার মিলনী রচিত জনপ্রিয় শিশুতোষ বই উইননি-দি-পু প্রথম প্রকাশিত হয়।

    ১৯৩৩ - নাজি জার্মানি কর্তৃক লীগ অব নেশনস ত্যাগ।

    ১৯৪৪ - জার্মানির নাৎসি বাহিনীর বিখ্যাত সেনাকমান্ডার এরউইন রোমেল হিটলারের আদেশে আত্মহত্যা করে। মার্শাল রোমেল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে উত্তর আফ্রিকায় জার্মান বাহিনীর কমান্ডার ছিল এবং ব্রিটিশ সেনাদেরকে মিশরের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়েছিল।

    ১৯৪৬ - লন্ডনে বিশ্বের ২৫টি দেশের প্রতিনিধিরা বিশ্বব্যাপী পণ্যসেবার মান বজায় রাখতে মান নির্ধারক সংস্থা গঠনের বিষয়ে একমত হন। সংস্থাটি পরের বছর কার্যক্রম শুরু করে এবং সে হিসাবে ১৪ অক্টোবর বিশ্ব মান দিবস পালিত হয়।

    ১৯৫৩ - জর্দান নদীর পশ্চিম উপকূলীয় কাবিহ গ্রামে সশস্ত্র ইহুদিবাদীরা নির্যাতনের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। এই গ্রামে ইহুদিবাদীরা টানা দুই দিন আগ্রাসী হামলার মাধ্যমে নিরীহ ফিলিস্তিনীদের ওপর নির্বিচার গণহত্যা চালায় এবং তাদের ঘরবাড়ি ধ্বংস করে।

    ১৯৫৫ - পূর্ববাংলার নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান রাখা হয়।

    ১৯৫৬ - বাবাসাহেব আম্বেদকর তার ৩,৮৫,০০০ অনুসারীসহ সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে বৌদ্ধ ধর্ম গ্রহণ করেন।

    ১৯৬৪ - তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কমিউনিস্ট পার্টির মহাসচিব নিকিতা ক্রুশচেভ বহিস্কৃত হন।

    ১৯৭১ - মার্কিন নভোযান মেরিনার-৯ প্রথম খুব কাছে থেকে নেওয়া মঙ্গলের ছবি পৃথিবীতে পাঠায়।

    ১৯৮৬ - আফগানিস্তান থেকে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার শুরু হয়।

    ১৯৯৩ - হাইতির বিরুদ্ধে পুনর্বার যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

    ১৯৯৭ - বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও যুক্তরাষ্ট্রের মেসার্স স্মিথ কো-জেনারেল (বাংলাদেশ) লিমিটেডের মধ্যে বেসরকারি খাতে বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎ প্লান্ট স্থাপনের চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত।

    ২০২০ - পৃথিবীকে অতিক্রম করে 2020 TB-9 ও 2020 ST-1 নামের দুটি গ্ৰহাণু।

 

জন্ম

    ১৫৪২ - মুঘল সম্রাট জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।

    ১৬৪৪ - পেনসিলভানিয়ার প্রতিষ্ঠাতা উইলিয়াম পেন।

    ১৮৪০ - বস্তুবাদী রুশ দার্শনিক ও সাহিত্য সমালোচক দমিত্রি পিসারিয়েভ।

    ১৮৮২ - আয়ারল্যান্ডের স্বাধীনতা সংগ্রামী নেতা ডি ভ্যালেরা।

    ১৮৮৮ - ইংরেজ লেখক ক্যাথারিন ম্যাসফিল্ড।

    ১৮৯০ - বিংশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি কবি বসন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়।

    ১৮৯০ - ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৪তম রাষ্ট্রপতি।

    ১৮৯৩ - লিলিয়ান গিশ, মার্কিন অভিনেত্রী, পরিচালক ও লেখিকা।

    ১৮৯৪ - মার্কিন কবি ই ই কামিংস ।

    ১৯২৭ - রজার মুর, ব্রিটিশ, জেমস বন্ড (চরিত্র) খ্যাত মডেল এবং অভিনেতা।

    ১৯৩০ - অশোকতরু বন্দ্যোপাধ্যায় প্রখ্যাত রবীন্দ্র সংগীত শিল্পী।

    ১৯৩০ - সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ ভারতীয় বাঙালি লেখক।

    ১৯৩১ - পণ্ডিত নিখিল রঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় মাইহার ঘরানার ভারতীয় ধ্রুপদী সেতার বাদক।

    ১৯৪১ - রমা চৌধুরী, বাংলাদের মুক্তিযুদ্ধের একজন বীরাঙ্গনা।

    ১৯৭১ - অ্যান্ডি কোল, ইংরেজ ফুটবলার।

    ১৯৮১ - গৌতম গম্ভীর, ভারতীয় ক্রিকেটার, আই সি সি বর্ষসেরা ক্রিকেটার শিরোপাধারী।

    ১৯৮৮ - গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, অস্ট্রেলীয় অল-রাউন্ডার।

    ১৯৯১ - জান্নাতুল ফেরদৌস পিয়া, বাংলাদেশী মডেল এবং অভিনেত্রী, মিস বাংলাদেশ শিরোপাধারী।

 

মৃত্যু

    ১৫১৪ - পণ্ডিত কবি এবং সম্রাট আকবরের সভাশিক্ষক ফয়েজি।

    ১৯৪৩ - জিমি ম্যাথুজ, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার।

    ১৯৫৬ - বাঙালি লেখক ও স্বামী বিবেকানন্দর অনুজ মহেন্দ্রনাথ দত্ত।

    ১৯৮৩ - অজিতেশ বন্দোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি নাট্যকার, নাট্য পরিচালক এবং অভিনেতা।

    ১৯৮৪ - রবীন্দ্রবিশারদ পুলিনবিহারী সেন ।

    ১৯৮৯ - বিশিষ্ট কার্টুনিস্ট ও চিত্রশিল্পী শৈল চক্রবর্তী।

    ১৯৯৯ - তাঞ্জানিয়ার জাতির জনক জুলিয়াস নায়ার।

 

ছুটি ও অন্যান্য

    বিশ্ব মান দিবস


আরও খবর
২৩ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১

২১ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




আজ বিশ্ব ডাক দিবস

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ (৯ অক্টোবার) বিশ্ব ডাক দিবস। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে ডাক অধিদপ্তর দিবসটি পালন করবে। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ইনোভেট টু রিকভার

১৮৭৪ সালের ৯ অক্টোবর সুইজারল্যান্ডের বের্ন শহরে ২২টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে গঠিত হয় ইউনিভার্সেল পোস্টাল ইউনিয়ন। পরে এ সংগঠনের পক্ষ থেকে জাতিসংঘে উত্থাপিত একটি প্রস্তাব পাসের মাধ্যমে ১৯৬৯ সালে ৯ অক্টোবরকে বিশ্ব ডাক দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ইউনিভার্সেল পোস্টাল ইউনিয়ন (ইউপিইউ) এবং আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) সদস্য পদ লাভ করে। এরপর থেকে দেশে প্রতিবছর বিশ্ব ডাক দিবস পালিত হয়ে আসছে।

ডাক অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে আজ শনিবার (৯ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় রাজধানীর গুলিস্তানে ডাক ভবনের তিন তলায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। এ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান লাভকারী সিলেটের এক মেয়েকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।


আরও খবর