আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্ত ২৬০ জন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রাম নগরী ও জেলায় গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬০ জন। তবে এ সময়ে কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। পরীক্ষার বিপরীতে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ দশমিক ২৬ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন দপ্তর থেকে পাঠানো করোনার সর্বশেষ প্রতিবেদনে এতথ্য জানানো হয়।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন পিসিআর ল্যাবে ২ হাজার ৫৩২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এদের মধ্যে ২৬০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। একই সময়ে কোন মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ২২৬ জন মহানগর এলাকার ও ৩৪ জন বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত চট্টগ্রামে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ৩ হাজার ৮৯২ জনে দাঁড়ালো। করোনার শুরু থেকে এ পর্যন্ত মারা গেছে ১ হাজার ৩৩৫ জন।


আরও খবর



দেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে বর্তমান সরকারের সময় নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছি।

মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক প্রকাশিত বঙ্গবন্ধু ও বিচার বিভাগ শীর্ষক স্মারকগ্রন্থ এবং ন্যায় কণ্ঠ শীর্ষক মুজিববর্ষ স্মরণিকার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, বিচার বিভাগের অধিকারের জন্য, বিচার বিভাগের উন্নয়নের জন্য বা দেশের মানুষের জন্য কী করেছি সেটা আর আমি এত বেশি বলতে চাই না। তবে আমি এইটুকু বলব যেহেতু আমার বাবা চাইতেন স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা, আমরা সরকারে এসে সেই স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছি।

অন্য সরকারগুলোর মত আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বিচার বিভাগে কখনও হস্তক্ষেপ করেনি দাবি করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর আগে অনেক ঘটনা আছে আপনারা জানেন। দেখা গেছে ফলস সার্টিফিকেটের ব্যবহার বা ছাত্রদলের কাঁধে হাত রেখে কাকে কী রায় দেওয়া হবে সেটা নিয়ে আলোচনা, এ রকম বহু ন্যাক্কারজনক ঘটনাও বাংলাদেশে ঘটেছে। অন্তত আমি এটুকু বলতে পারি আমরা সরকারে আসার পর, অন্তত এই পরপর তিনবার এখন আমরা ক্ষমতায় বা এর আগে একবার ছিলাম, আমরা কিন্তু সেটা করার সুযোগ নেইনি। সব সময় একটা ন্যায়ের পথে যেন সবাই চলতে পারে আমরা সেই ব্যবস্থা করেছি।

স্বাধীন বিচার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে টানা তিনবারের সরকার প্রধান বলেন, প্রতিটি ক্ষেত্রে আপনারা দেখবেন একের পর এক আমরা কাজ করে গেছি। দ্বিতীয়বার যখন এসেছি তখন আমরা দি কোর্ট অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর সংশোধন বিল ২০০৯ পাস করে বিচার বিভাগ পৃথিকীকরণকে স্থায়ী রূপ দিয়েছি। এমনকি অর্থনৈতিক ভাবেও যেন বিচার বিভাগ স্বাধীনতা অর্জন করে সেই ব্যবস্থাটাও কিন্তু আমি ৯৬ সালে এসে করে দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে এসে সব রকম সুযোগ সুবিধাগুলো বাড়ানো, এর মাঝে আপনারা জানেন বিভিন্ন জেলায় বোমা মেরে বিচারকদেরও হত্যা করা হয়েছে। সেখানে আমরা তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যবস্থা করেছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের সব সময় বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়েই চলতে হবে। আমাদের দেশটাও যেন বিশ্বে একটা মর্যাদা নিয়ে চলবে, সেই সরঙ্গ একটি দেশের সব অঙ্গও যেন সেভাবে মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে, আমরা সেটাই করতে চাই। সেভাবেই আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি।

বিচারকদের সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিচারকদের থাকার ব্যবস্থা, তাদের চলার ব্যবস্থা, সব ধরনের ব্যবস্থা, সুযোগ সুবিধা আমরা সাধ্যমত করে দিয়েছি।

বিচারকদের দক্ষতা বাড়াতে দেশে-বিদেশে প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টির কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আইন কমিশন আমরা গঠন করি। বিচারকদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট আমি প্রতিষ্ঠা করে দেই। এখনতো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ট্রেনিং নেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। অন্য দেশে কীভাবে হয় সেটা আমাদের দেশের মানুষের জানা উচিৎ, সেই ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি।

সরকার প্রধান বলেন, গ্রামের যেসব হতদরিদ্র মানুষ বিচার পায় না, তাদের জন্য লিগাল এইড কমিটি গঠন ও এ জন্য আলাদা অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে। গরীব সাধারণ মানুষ যেন বিচার পায় সেই ব্যবস্থা আমরা করে দিয়েছি। এটা আমরা ২০০০ সালে প্রণয়ন করেছি।

অবকাঠামোগত উন্নয়নের কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, আগে মাত্র হাতে গোনা ৭ জনের বেশি বিচারক বসতে পারতেন না, এনেক্স ভবন করে দিয়েছি। ৪০টা চেম্বারের ব্যবস্থা করে দিলাম। পাশাপাশি প্রত্যেকটা জেলা কোর্ট নতুন ভাবে গড়ে তোলা হয়েছে।

উচ্চ আদালতে নারী বিচারক নিয়োগে নিজের প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাকিস্তান আমলে যে আইন ছিল সেখানে বিচার প্রক্রিয়ায় নারীরা অংশ নিতে পারবে না। জাতির পিতা সেই আইন পরিবর্তন করে সুযোগ দিলেন। কিন্তু আমি এসে দেখলাম আমাদের উচ্চ আদালতে কোনো নারী নেই। আমি অনুরোধ করলাম প্রধান বিচারপতি এবং রাষ্ট্রপতিকে যে, সেখানে নারীদের সুযোগ দিতে হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।


আরও খবর



রাষ্ট্রপতিকে ৬ প্রস্তাব দিল ওয়ার্কার্স পার্টি

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন নির্বাচন কমিশন (ইসি) গঠনে চলমান সংলাপে ওয়ার্কার্স পাটি রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদকে ছয়টি প্রস্তাব দিয়েছে। ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দল একটি লিখিত কপির মাধ্যমে প্রস্তাব তুলে ধরে।

গতকাল মঙ্গলবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার পরে প্রতিনিধি দলের নেতারা বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন। পরে সংলাপে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে এসব প্রস্তাবনার কথা জানায় ওয়ার্কার্স পার্টি।

ইসি গঠনে ওয়ার্কার্স পার্টির ছয় প্রস্তাব নিচে তুলে ধরা হলো-

১. নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। তাই এর প্রতি তদ্রূপ মান্যতা ও মর্যাদা থাকতে হবে, যাতে করে নির্বাচন পরিচালনা, তত্ত্বাবধানে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণমুক্ত স্বাধীন পরিবেশে কাজ করতে পারে।

২. সংবিধানের ১১৮ বিধি বাস্তবায়নার্থে আইনের বিধানাবলি অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য একটি আইন তৈরি করতে হবে। জাতীয় সংসদের নতুন বছরের প্রথম অধিবেশনের শুরুতেই এই আইন উত্থাপন করে জরুরি ভিত্তিতে তা পাস করা যেতে পারে। এখানে উল্লেখ করতে চাই, দেশের সব রাজনৈতিক দলই এই আইন প্রণয়নের পক্ষে। নাগরিকদের পক্ষ থেকেও একই দাবি উত্থাপিত হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন নিয়োগ সংক্রান্ত সংবিধান বর্ণিত বিধি পরিপূরণে আপনি সরকারকে এই নির্দেশ দিতে পারেন। অন্যথায় প্রতিবারের মত এবারও নির্বাচন কমিশন নিয়ে বিতর্ক জন্ম দেবে এবং এ ধরনের আস্থাহীনতার পরিবেশে নির্বাচন কমিশন যথাযোগ্য ভূমিকা পালন করতে পারবে না।

৩. এই আইন অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারগণ নিয়োগের জন্য নিম্নোক্ত ব্যক্তিদের নিয়ে একটি সাংবিধানিক কাউন্সিল থাকবে। প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা, স্পিকার, প্রধান বিচারপতি ও অ্যাটর্নি জেনারেলকে নিয়ে এই সাংবিধানিক কাউন্সিল গঠিত হবে। এই সাংবিধানিক কাউন্সিল রাষ্ট্রপতির কাছে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগের জন্য নাম প্রস্তাব করবেন। রাষ্ট্রপতি তাদের পরামর্শমত প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারদের নিয়োগ করবেন।

৪. যদি আইন প্রণয়ন একান্তই সম্ভব না হয়, তবে বিকল্প হিসেবে যে সার্চ কমিটি গঠন করার প্রস্তাব করা হচ্ছে সেক্ষেত্রে সাংবিধানিক পদাধিকারীদের নিয়ে তা গঠন করা যেতে পারে। তারা প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রতি পদে চারজনের নাম প্রস্তাব করবে। সার্চ কমিটির দেওয়া নামের তালিকা সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটি বাছাই করে সেখান থেকে একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করবে। রাষ্ট্রপতি ওই তালিকা থেকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনের সদস্যদের নিয়োগ দেবেন।

৫. নির্বাচন কমিশনের পাঁচ সদস্যের মধ্যে দুজন নারী সদস্য থাকবেন।

৬. নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনী আইনসমূহের যথাযোগ্য প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে, গতকাল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে আলোচনা করেছে বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ও খেলাফত মজলিস। এ আলোচনায় নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি। ২০ ডিসেম্বর সংসদের প্রধান বিরোধী দল জাতীয় পার্টির সঙ্গে আলোচনা দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠনে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছেন রাষ্ট্রপতি।


আরও খবর



দিনাজপুরে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিলেন জেলা প্রশাসক

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দিনাজপুর প্রতিনিধি :

শিক্ষা নিয়ে গড়বো দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের ন্যায় জেলা পর্যায়ে বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের হাতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বই বিতরণ কর্মসূচীর উদ্বোধন করলেন দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক।

পহেলা জানুয়ারী শনিবার জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসন ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ দিনাজপুর আয়োজিত বই বিতরণ কর্মসূচী-২০২২ এর শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক খালেদ মোহাম্মদ জাকী। অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ সানিউল ফেরদৌস এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মর্তুজা আল মুঈদ।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী। মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন পুলিশ লাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নুর-এ-আলম সিদ্দিকী, উপশহর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার ফারহানা আফরোজ, পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রুখসানা চৌধুরী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সহকারি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাইফুজ্জামান, জেলা কালচারাল অফিসার মীন আরা পারভীন, সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ শফিকুল আলম, সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারবৃন্দ, বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। উক্ত বই বিতরণ কর্মসূচীতে পৌর এলাকার ৫টি বিদ্যালয়ের (উত্তর বালুবাড়ী সঃপ্রাঃবি, উপশহর সঃপ্রাঃবি, পুলিশ লাইন সঃপ্রাঃবি, ঈদগাহ সঃপ্রাঃবি, পশ্চিম বালুয়াডাঙ্গা সঃপ্রাঃবি) শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি।

দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলায় প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৪ লাখ ৯২ হাজার ১৩৯ জন। এবার দিনাজপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য মোট বই বরাদ্দ হয়েছে ২১ লাখ ৯ হাজার ৮৭ সেট। ৬২৩টি কেজি স্কুল ও কিন্ডার গার্টেন, ১৮৭০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ২ হাজার ৭৬৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উত্তর বালুবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আফরোজা বেগম।


আরও খবর



আ.লীগ প্রার্থীর পোস্টারে প্রধানমন্ত্রীর নামের বানান ভুল!

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ | ১১৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
পোস্টারে 'শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন' লেখার কথা থাকলেও শেখ 'হাসিনার' পরিবর্তে শেখ হানিার লেখা হয়েছে। এমন ভুল বানানের পোস্টার এখন ফেসবুকে ভাইরাল

প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার নামের বানান ভুল করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত এক চেয়ারম্যান প্রার্থী।  ওই ভুল বানানের পোস্টার পুরো ইউনিয়নে ছড়িয়ে দেওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। এদিকে সমালোচনা এবং বানান ভুলের বিষয়টি টের পেয়ে পরে অবশ্য সব পোস্টার তুলে নিয়েছেন চেয়ারম্যান প্রার্থী।

এ ঘটনা ঘটেছে ভোলা সদরের রাজাপুর ইউনিয়নে। ওই ইউনিয়নের নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান খান। তিনি দ্বিতীয় বারের মতো নৌকা প্রতীকের মনোনয়ন পেয়েছেন। কিন্তু তার নির্বাচনী পোস্টারে তিনি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর নামের বানানে ভুল করেছেন। পোস্টারে 'শেখ হাসিনার সালাম নিন, নৌকা মার্কায় ভোট দিন' লেখার কথা থাকলেও শেখ 'হাসিনার' পরিবর্তে শেখ হানিার লেখা হয়েছে। এমন ভুল বানানের পোস্টার এখন ফেসবুকে ভাইরাল। আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে দলের সভাপতির নামের বানান ভুল করায় শুধু ইউনিয়নে নয়, পুরো জেলায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ওই চেয়ারম্যান প্রার্থী। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। 

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চেয়ারম্যান প্রার্থী মিজানুর রহমান খান বলেন, আমি শহরের একটি প্রেসে ২০ হাজার পোস্টার ছাপানোর অর্ডার দিয়েছিলাম, তারা নামের বানান ভুল করেছে। বিষয়টি যখন টের পেয়েছি, তখন ওই সব পোস্টার তুলে নেওয়া হয়েছে। আবার সংশোধন করে নতুন পোস্টার ছাপানো হয়েছে। সেগুলো বুধবার পুরো ইউনিয়নে লাগানো হয়েছে। 

তিনি বলেন, নৌকার প্রার্থী হয়ে আমি কি এমন ভুল করতে পারি? আমি এ ভুল করিনি, প্রেস করেছে, তাদের ভুল হয়েছে। আমি সংশোধন করেছি।

আগামী ৫ জানুয়ারি পঞ্চম ধাপে ভোলা সদরের ১২ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: আওয়ামী লীগ

আরও খবর



শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের গুজবে কান দেবেন না : শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৯ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার গুজবে কান না দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের করোনার টিকাদান কার্যক্রম জোরেশোরে চলছে। সবাইকে টিকার আওতায় এনে কীভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যায়, আমরা সেই চেষ্টাই করছি। তবে এটাও ঠিক যে, যদি মনে হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা রাখলে সংক্রমণ বাড়বে, তখন আমরা হয়তো বন্ধ করে দেব।

সাভারের আশুলিয়ায় ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির নবম সমাবর্তন অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। এসময় করোনা পরিস্থিতিতে করণীয় নিয়ে আজ (রোববার) বিকেলে কোভিড-১৯ সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক রয়েছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী।

ডা. দীপু মনি আরও বলেন, আমরা চেষ্টা করছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সুরক্ষিত রেখে সংক্রমণ কীভাবে এড়াতে পারি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাবে বা হয়ে যাচ্ছে, সব সময়ই এমন গুজব ছড়ানো হয়। আপনারা গুজবে কান দেবেন না। যদি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করতেই হয়, আমরা ঘোষণা দিয়ে বন্ধ করে দেব। যতক্ষণ সে প্রয়োজন অনুভব না হবে, আমরা বন্ধ করব না। আমরা চাই আমাদের শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক শিক্ষা কার্যক্রমে ফিরে যাক।


আরও খবর