আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

২৭ সেপ্টেম্বরের পর খুলছে বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করা হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদন নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু ও আবাসিক হল খুলতে পারবে।

মঙ্গলবার (১৪ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল খোলা ও ক্লাসে পাঠদান শুরুর বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। বৈঠক থেকে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সিদ্ধান্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে মঙ্গলবার দুপুরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা এম এ খায়ের বলেন, ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার জন্য রেজিস্ট্রেশন কাজ শেষ করতে হবে। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের একাডেমিক কাউন্সিলের অনুমোদনক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে তাদের আবাসিক হল খুলে দিতে পারবে। তবে সেক্ষেত্রে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের টিকার একটি ডোজ নেওয়া হয়েছে এবং যাদের ক্যাম্পাসের মধ্যে সুযোগ আছে সেখানে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করে টিকা কার্যক্রম শুরু করতে হবে।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে যাদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেই, তাদের জন্ম নিবন্ধন নম্বর ইউজিসিতে পাঠাতে হবে। সুরক্ষা অ্যাপে জন্ম নিবন্ধন নম্বর যুক্ত করে টিকার জন্য সেসব শিক্ষার্থীরা নিবন্ধন করতে পারবেন।

এর আগে গত ২৬ আগস্ট করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার বিষয়ে দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত টেকনিক্যাল কমিটির সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে ধাপে ধাপে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল।

তখন জানানো হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় খোলা শুরু হবে আগামী ১৭ অক্টোবর থেকে। তবে এর আগে সব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইউজিসিতে টিকা সংক্রান্ত তথ্য পাঠাতে হবে। যেসব বিশ্ববিদ্যালয় শতভাগ টিকার আওতায় আসবে সেগুলো আগে খুলবে।

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর ২০২০ সালের ১৭ মার্চ দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। দেড় বছর পর গত রোববার থেকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়া হয়। সোমবার খুলেছে মেডিকেল কলেজ, ডেন্টাল ও নার্সিং সংক্রান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।


আরও খবর
১৪ নভেম্বর থেকে দাখিল পরীক্ষা শুরু

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




গাজায় মেয়াদোত্তীর্ণ করোনার ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে ইসরাইল

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ৫০ হাজার ডোজ মেয়াদোত্তীর্ণ করোনার ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে ইসরাইল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ খবর জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজা উপত্যকায় পাঠানোর জন্য রাশিয়ায় তৈরি ভ্যাকসিনগুলো ইহুদিবাদী ইসরাইলকে দেওয়া হলেও তেলআবিব এগুলো অনুপযুক্ত পরিবেশে রেখে দিয়েছিল।

এ ছাড়া ভ্যাকসিনের চালানটি ঠিক সময়ে গাজায় পৌঁছাতে বাধা দেয় ইসরাইল।  সম্প্রতি গাজার কারেম আবু সালেম ক্রসিং দিয়ে রাশিয়ার তৈরি স্পুৎটনিক লাইট টাইপের ভ্যাকসিনের চালানটি অবরুদ্ধ এ উপত্যকায় পাঠানো হয়। কিন্তু সেফটি টেস্টে দেখা যায়, ভ্যাকসিনগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

এর আগে ইসরাইলি গণমাধ্যম খবর দিয়েছিল— মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাওয়া ভ্যাকসিনগুলো প্রথমে তেলআবিব পশ্চিমতীরের স্বশাসন কর্তৃপক্ষকে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষ ওই চুক্তি বাতিল করে দেয়। এর পরই চালানটি গাজা উপত্যকায় পাঠায় দখলদার ইসরাইল।

সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গাজা উপত্যকায় এখন পর্যন্ত এক লাখ ৪৭ হাজার ৩৬৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে এক হাজার ২২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়া অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ বসবাস করলেও এ পর্যন্ত মাত্র তিন লাখ ৫৪ হাজার মানুষ করোনাভাইরাসের টিকা নিতে পেরেছেন। পশ্চিমতীর ও গাজা উপত্যকায় বসবাসরত ফিলিস্তিনি নাগরিকদের জন্য করোনাভাইরাসের টিকা সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ইহুদিবাদী ইসরাইল চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

অথচ ইসরাইল তার প্রাপ্তবয়স্ক প্রায় সব নাগরিককে টিকার আওতায় এনেছে এবং অনেকে এরই মধ্যে তৃতীয় অর্থাৎ বুস্টার ডোজও নিয়ে ফেলেছে।


আরও খবর



বিমান ও নৌ বাহিনীতে দক্ষরা যেন পদোন্নতি পায় : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভবিষ্যতে যারা দক্ষতার সঙ্গে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দায়িত্ব পালন করতে পারবে নৌ ও বিমান বাহিনীর সেসব সদস্যদের পদোন্নতি দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) নৌ ও বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২১ এর (প্রথম পর্ব) ভার্চ্যুয়ালি অংশ নিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

ঢাকা সেনানিবাসের নৌ এবং বিমানবাহিনী সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এ সভায় গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন সরকার প্রধান।

নৌ ও বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদ সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনারা পদোন্নতির জন্য যে পদ্ধতিগুলো নিয়েছেন টিআরএসিই-ট্রেস (টেবুলেটেড রেকর্ড অ্যান্ড কম্পারেটিভ ইভালুয়েশন) আমি মনে করি, এটা একটা আধুনিক পদ্ধতি। এই পদ্ধতির ভিত্তিতেই আপনাদের জ্ঞান এবং প্রজ্ঞা দিয়ে আপনারা নির্বাচনী পর্ষদ আগামীদিনে যারা দক্ষতার সঙ্গে নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনী পরিচালনা করবে তাদের নির্বাচিত করবেন।

শেখ হাসিনা বলেন, ভবিষ্যতে আমাদের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব রক্ষায় দক্ষ যারা তারা প্রমোশন পেয়ে প্রত্যেকটি বাহিনী পরিচালনার দায়িত্ব পাবে এবং দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে চলবে এবং দেশ হবে ভবিষ্যতে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ।

সরকার প্রধান বলেন, আমি এটাও বলবো যে অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অনেকে কর্তব্য পালনে অনেক দক্ষতার পরিচয় দিতে পারে। কাজে তারাও যেন অবহেলিত না হয় সেদিকটাও আপনারা বিবেচনা করবেন।

করোনা মহামারির সময় নৌবাহিনী এবং বিমান বাহিনীসহ সব প্রতিষ্ঠান অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে মানুষের পাশে দাঁড়ানোর তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, দুর্যোগকালীন মানুষের পাশে দাঁড়ানো প্রত্যেকটি মানুষের দায়িত্ব। আমাদের সশস্ত্র বাহিনী সবসময় এই কাজটি করে থাকে। যখনই দুর্যোগ এসেছে সাধারণ মানুষ আপনাদের সেবা পেয়েছে।

নৌ বাহিনী ও বিমান বাহিনীর প্রশংসা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনী আজ শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অত্যন্ত সুশৃঙ্খল, দক্ষ এবং পেশাদার বাহিনী হিসেবে মর্যাদা লাভ করেছে। আত্মত্যাগ ও কর্তব্যনিষ্ঠা বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছে বিরল সম্মান ও মর্যাদা, যা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকেও অত্যন্ত উজ্জ্বল করেছে।

নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদের সদস্যদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন, আমি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের মেয়ে, আমি শুধু শাসক নই, বাংলাদেশের মানুষের সেবক। জনগণের সেবা ও কল্যাণ করাটাকেই আমি সবথেকে বড় কাজ বলে আমি মনে করি। সেই ব্রত নিয়েই আমি কাজ করে যাচ্ছি এবং দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে আপনাদের সহযোগিতা সবসময় কামনা করি।

রাষ্ট্র পরিচালনায় যখনই প্রয়োজন হবে তখনই সশ্রস্ত্র বাহিনী মানুষের পাশে থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানের নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম শাহীন ইকবাল এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল শেখ আব্দুল হান্নান প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

আইএসপিআর জানায়, নৌবাহিনীর কর্মকর্তাদের পদোন্নতির লক্ষ্যে নৌবাহিনী সদর দপ্তরে আয়োজিত নৌ বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদের মাধ্যমে ক্যাপ্টেন থেকে কমডোর, কমান্ডার থেকে ক্যাপ্টেন লে. কমান্ডার থেকে কমান্ডার পদবিতে পদোন্নতির জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এছাড়া বিমান বাহিনীর সদর দপ্তরে আয়োজিত বিমান বাহিনীর নির্বাচনী পর্ষদের মাধ্যমে বিমান বাহিনীর গ্রুপ ক্যাপ্টেন থেকে এয়ার কমডোর, উইং কমান্ডার থেকে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এবং স্কোয়াড্রন লিডার থেকে উইং কমান্ডার পদে যোগ্য প্রার্থীদের পদোন্নতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ১৪৭ জনের।

নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৯০৭ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৪০ হাজার ১১০ জনে। মৃত ৩৮ জনের মধ্যে পুরুষ ১৩ জন ও নারী ২৫ জন।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতাল ও বাড়িতে উপসর্গবিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন দুই হাজার ৯১৯ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ৯৭ হাজার ৯ জন। সারাদেশে সরকারি-বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮০৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা করা হয়েছে। এসব ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ৩০ হাজার ১৬৯টি। মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২৯ হাজার ৭৫৬টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৯৩ লাখ ৯৩ হাজার ৩৬৫টি।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ৬ দশমিক ৪১ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৪০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ২০ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৩৮ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে সাতজন, খুলনা বিভাগে আটজন, সিলেট বিভাগে তিনজন, রংপুর বিভাগে দুজন ও ময়মনসিংহে একজন রয়েছেন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ৩৫ জন ও বেসরকারি হাসপাতালে তিনজন মারা গেছেন।

মৃতদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে দু’জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে নয়জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দু’জন, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন ও ১০০ বছরের ঊর্ধ্বে একজন রয়েছেন।

এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৫০৭ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন এক হাজার ৫৬ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন তিন লাখ ৭৬ হাজার ৩৫২ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন তিন লাখ ৩০ হাজার ৬১৬ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৪৫ হাজার ৭৩৬ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




একদিনে আরও ৩০৭ ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে ডেঙ্গুরোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। রাজধানীসহ সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর চাপ। রোগী সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতালগুলো। এডিস মশাবাহিত এ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে নতুন আরও ৩০৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ২৪৪ জন এবং ঢাকার বাইরে নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন ৬৩ জন।

বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে মোট ডেঙ্গুরোগী ভর্তি আছেন ১ হাজার ২৯১ জন। তাদের মধ্যে রাজধানীতে ১ হাজার ৯২ জন আর রাজধানীর বাইরে ভর্তি আছেন ১৯৯ জন। এ বছর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত সারা দেশে ৫৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে জুলাই মাসে ১২ জন, আগস্টে ৩৪ জন এবং ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ১১ জন মারা গেছেন।

বছরের প্রথম দিন গত ১ জানুয়ারি থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৮৩১ জন। এর মধ্যে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৩ হাজার ৪৮৩ জন। বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার অ্যান্ড কন্ট্রোল রুমের পরিসংখ্যান সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ৩০৭ ডেঙ্গুরোগীর মধ্যে ঢাকায় সরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত হাসপাতালে ৮৮ জন ও বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ১৫৬ জনসহ ২৬২ জন রোগী ভর্তি হন। এসময়ে ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বিভাগে রোগী ভর্তি হয়েছেন ৬৩ জন।

এ বছর এডিস মশাবাহিত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত হাসপাতালে ভর্তি ১১ হাজার ৮১৬ জনের মধ্যে জানুয়ারিতে ৩২ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৯ জন, মার্চে ১৩ জন, এপ্রিলে তিনজন, মে মাসে ৪৩ জন, জুনে ২৭২ জন, জুলাইয়ে ২ হাজার ২৮৬ জন , আগস্টে ৭ হাজার ৬৯৮ জন এবং সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ৪ হাজার ৪৭৫ জন রোগী ভর্তি হন।



আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




মাসে ২ কোটি টিকা দেয়ার পরিকল্পনা

প্রকাশিত:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, টিকা সরবরাহ এখন বেশ ভালো। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। আমরা সামনের দিনগুলোতে টিকা পাওয়ার উৎস নিশ্চিত করেছি।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মাসে ২ কোটি ডোজ টিকা দেয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছে সরকার।

রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে অধিদপ্তরের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে এসে টিকাদানের এ পরিকল্পনার কথা জানান মহাপরিচালক আবুল বাশার খুরশীদ আলম।

তিনি বলেন, টিকা সরবরাহ এখন বেশ ভালো। আমাদের হাতে পর্যাপ্ত টিকা রয়েছে। আমার সামনের দিনগুলোতে টিকা পাওয়ার উৎসও নিশ্চিত করেছি।

এই ধারবাহিকতায় মাসে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে ১ কোটি থেকে ২ কোটি টিকা দেয়ার পরিকল্পনা নিয়েছি। সে লক্ষে মাঠপর্যায়ে টিকাদান কর্মসূচিকে আরও কী করে বাড়ানো যায় বা সম্প্রসার করা যা এ বিষয়ে আমরা সচেষ্ট আছি।

খুরশীদ আলম বলেন, প্রতি সপ্তাহে এক দিন নিবন্ধিত ও ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের স্পট রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করা হবে। আমরা টিকা দেয়ার সময় মাথায় রাখি যারা বয়স্ক তারা যেন আগে টিকাটা পান।

আমাদের পর্যালোচনা উঠে আসছে, ৬০ বছরের বেশি বয়সী জনগোষ্ঠী বেশির ভাগ ক্ষেত্রে করোনা সংক্রমিত হয়েছে। তাদের মধ্যে মৃত্যুর সংখ্যাও বেশি। তাদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদে যেদিন ২ দিন নিয়মিত টিকাদান থাকবে না, সপ্তাহে এমন দুই দিন টিকা দেয়া হবে। টিকা প্রত্যাশীরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে নিবন্ধন করবেন এবং এসএমএস আসার পর টিকা নেবেন। আইসিটি বিভাগ ইউনিয়নের নাম ব্যবহার করে টিকা প্রতাশীদের কাছে এসএমএস পাঠাবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হয়েছে। যেসব প্রতিষ্ঠানে টিকাকেন্দ্র ছিল তা সরিয়ে নেয়া হবে। এখন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশাপাশি উপজেলা অডিটোরিয়ামে টিকাকেন্দ্র করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। একইসঙ্গে বড় হল রুমেও টিকা কেন্দ্র করা হবে।’

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিশুদের টিকার বিষয়ে একটি নির্দেশনা দিয়েছেন, সেই নির্দেশনা অনুযায়ী শিশুদের টিকার আওতায় আনার কাজ করে যাচ্ছি। আমরা প্রধানমন্ত্রীর অনুশাসন মাথায় রেখেই কীভবে দ্রুত সময়ের মধ্যে টিকার আওতায় আনা যায়, তার চেষ্টা করছি।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ায় সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে এ কাজ করার কথা জানান তিনি।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১