আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

৪৩তম বিসিএস পরীক্ষার্থীদের মানতে হবে যেসব শর্ত

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৫৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ২৯ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এ পরীক্ষায় প্রার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসসি)।

বুধবার কমিশন থেকে এ সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

এতে বলা হয়, প্রিলিমিনারি পরীক্ষাকেন্দ্রে বই-পুস্তক, সব ধরনের ঘড়ি, মোবাইল ফোন, ক্যালকুলেটর, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক/ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গহনা, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো প্রার্থী পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে।

পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য প্রার্থীর মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএস বার্তার নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

পরীক্ষার সময় প্রার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের হিয়ারিং এইড ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে।

পরীক্ষার কেন্দ্রে কোনো প্রার্থীর কাছে বর্ণিত সামগ্রী পাওয়া গেলে তা বাজেয়াপ্তসহ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যোগ্যতা ও সরাসরি নিয়োগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা ২০১৪-এর বিধি ভঙ্গের কারণে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিলসহ ভবিষ্যতের জন্য কর্ম কমিশন সকল নিয়োগ পরীক্ষায় প্রার্থীকে অযোগ্য ঘোষণা করবে।

নিউজ ট্যাগ: পিএসসসি বিসিএস

আরও খবর



মসজিদ ভাঙচুর-হত্যাচেষ্টার অভিযোগে যুবদল নেতা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১ | ৯৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকার সাভারে একটি মসজিদ ভাঙচুর ও মসজিদ কমিটির সভাপতির ছেলেকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে যুবদল নেতা রাজু আহমেদকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে সাভার মডেল থানা-পুলিশ। রাজু আহমেদ বিএনপির অঙ্গসংগঠন যুবদলের সাভার উপজেলাধীন তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের সভাপতি।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার থানাধীন ট্যানারী পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) সুজন সিকদার।

এসআই সুজন সিকদার বলেন, 'হত্যা চেষ্টা ও মসজিদ ভাঙচুর মামলার প্রধান আসামি রাজুকে ডিজিটাল প্রযুক্তির সহায়তায় কামরাঙ্গীরচর থানাধীন ঝালুহাটি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

জানা গেছে, গ্রেপ্তার রাজু আহমেদ (৩৮) সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার হারাননগর গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে। মামলার আরেক আসামি রাজু আহমেদের ভাই মান্নান (৩৩) এখনো পলাতক রয়েছে। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ৪ থেকে ৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহার থেকে জানা যায়, গত ২৩ জুলাই জুম্মার নামাজের পর সাভারের রাজফুলবাড়িয়া এলাকার হারাননগর বাইতুল জান্নাত জামে মসজিদে ভাঙচুর চালায় রাজু, মান্নান ও তাদের অজ্ঞাত সহযোগীরা।

ওই মসজিদ কমিটির সভাপতি কাজী আবুল মাজেদ বলেন, 'জুম্মার দিন নামাজের পর মসজিদের জানালা ভাঙচুরের খবর জানতে পেরে মসজিদ দেখতে গেলে আমার ছেলে আবুল কাসেমকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে তারা। আমার ছেলে এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিল অনেকদিন। ঘটনার পর আমরা সাভার থানায় অভিযোগ প্রদান করি। ওই দিন মসজিদে করোনা বিষয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি নিয়ে আলোচনার সময় রাজুর বাবা মসজিদ থেকে বেরিয়ে যায়। রাজুর বাবা আমাকে মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে গালিগালাজ করে। পরে নামাজ শেষ করে বাড়ি চলে যাওয়ার পর শুনি মসজিদে ভাঙচুর চালিয়েছে তারা।

মসজিদের জানালা ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার ঘটনায় সাভার মডেল থানায় অভিযোগ প্রদানের পর গত ২৬ জুলাই মামলা রেকর্ড করা হয়। সে মামলাতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সাভার মডেল থানা-পুলিশ।

এসআই সুজন সিকদার বলেন, এ ঘটনায় বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মসজিদ ভাঙচুর ও মারধরের ঘটনার পর থেকে পলাতক ছিলেন এই রাজু। তাঁকে আজ আদালতে প্রেরণ করা হবে।

নিউজ ট্যাগ: মসজিদ ভাঙচুর

আরও খবর



কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে গাজীপুরের সড়কে শ্রমিকরা

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাজীপুর মহানগরীর ভোগড়া ও বাসন সড়ক এলাকায় দুটি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে রেখেছেন শ্রমিকেরা। এতে ঢাকার সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (৯ অক্টোবর) রাত পর্যন্ত কাজ শেষ করে শ্রমিকেরা বাসায় চলে যান।

রবিবার (১০ অক্টোবর) সকালে কারখানায় কাজে যোগ দিতে এসে তারা প্রধান ফটকে লিগ্যাল নোটিশ দেখতে পান। নোটিশে আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত কারখানা বন্ধের কথা জানানো হয়। এতে কারখানার সহস্রাধিক শ্রমিক উত্তেজিত ও বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।

ইন্টারলিংক অ্যাপারেলস লিমিটেড কারখানার শ্রমিক ফাতেমা আক্তার, জসীম উদ্দিন, রোকেয়া বেগম ও রফিকুল ইসলামসহ অন্যান্যরা জানান, রাতে তারা কাজ শেষে নিজ নিজ বাসায় চলে যান। রবিবার সকালে কারখানায় কাজে যোগ দিতে এসে দেখেন বন্ধের নোটিশ ঝুলছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদেরকে কিছু না জানিয়েই বন্ধ ঘোষণার নোটিশ টানিয়ে দেয়। গত সেপ্টেম্বর মাসের বেতন আজ পরিশোধ করার কথা ছিল বলে জানান তারা।

একই মালিকের ভোগড়া এলাকার অপর একটি কারখানার শ্রমিকেরাও তাদের কারখানার প্রধান ফটকে বন্ধের ঘোষণার নোটিশ দেখতে পেয়ে বিক্ষোভ করে সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন।

এ বিষয়ে কারখানা কর্তৃপক্ষের কোনও বক্তব্য না পাওয়া গেলেও তাদের লে-অফ নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনা মহামারির কারণে কারখানা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কারখানাটি চালানোর সামর্থ্য কর্তৃপক্ষের নেই। তাই আইন অনুযায়ী আগামী ২৪ অক্টোবর পর্যন্ত কারখানার সব সেকশনে কাজ বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার জাকির হোসেন বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ এবং শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। 


আরও খবর



ইলিশ ধরার দায়ে ১২ জেলের জরিমানা

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ৬৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজবাড়ীর পদ্মা নদীতে সরকারি নি‌ষেধাজ্ঞা অমান্য ক‌রে ইলিশ ধরার দা‌য়ে অভিযানের তৃতীয় দি‌নে ১২ জেলেকে আটকের পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জেল-জরিমানা করা হ‌য়ে‌ছে।

গতকাল বুধবার (৬ অক্টোবর) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চলা অভিযানে তা‌দের আটক করা হয়। এ সময় পাংশায় আটক ৪ জন জে‌লে‌কে উপ‌জেলার সহকারী ক‌মিশনার (ভূমি) নুজহাত তাস‌নীম ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা ক‌রে সবাইকে ২ হাজার ক‌রে মোট ৮ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

অন্যদিকে রাজবাড়ীর সদর উপজেলার আটক ৮ জন জেলেকে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল হুদার ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ দিন করে জেল দেয়া হয়।

রাজবাড়ী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. ম‌শিউর রহমান জানান, অভিযানের তৃতীয় দি‌ন বুধবার (৬ অক্টোবর) সকাল থে‌কে বিকেল পর্যন্ত ইলিশ ধরার দা‌য়ে সদ‌রে ৮ ও পাংশায় ৪ জন জে‌লে‌কে আটক করা হয়। প‌রে তা‌দের ভ্রাম্যমাণ আদাল‌তের মাধ্য‌মে জেল-জ‌রিমানা করা হ‌য়ে‌ছে।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




১৮ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১৮ অক্টোবর গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ২৯১তম (অধিবর্ষে ২৯২তম) দিন। বছর শেষ হতে আরো ৭৪ দিন বাকি রয়েছে। জেনে নিন ইতিহাসের আজকের এই দিনে ঘটে যাওয়া উল্লেখযোগ্য গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি, জাতীয় দিবস সমূহ এবং এই দিনে কোন কোন বিশিষ্টজন জন্মগ্রহণ ও মৃত্যু বরণ করেছেন।

ঘটনাবলি

    ১৫৬৫ - ফিলিপাইন আনুষ্ঠানিকভাবে স্পেনের উপনিবেশে পরিণত হয়।

    ১৭৪৮ - গ্রেট ব্রিটেন, স্পেন ও সার্ডিনিয়ার মধ্যে আইলা শাপেল-এর শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

    ১৮৬৬ - রাশিয়া সরকারিভাবে আলাস্কাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে তুলে দেয়।

    ১৯১০ - চীনের সাংহাইএর খ্রিষ্টিন ধর্মের যু্ব সমিতির উদ্যোগে চীনের প্রথম জাতীয় গেমসের উদ্বোধন হয়।

    ১৯১২ - ইতালী ও তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফতের মধ্যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

    ১৯১২ - বুলগেরিয়া, সার্বিয়া, গ্রীস ও মন্ট্রিনিগ্রো ওসমানিয় তুর্কী সেনাদের ওপর হামলা শুরু করার মাধ্যমে প্রথম বলকান যুদ্ধ শুরু করে।

    ১৯৬৭ - রুশ মহাশূন্যযান ভেনাস-৪ প্রথমবারের মতো শুক্রে নিরাপদে অবতরণ করে।

    ১৯৭১ - পাক-ভারত সীমান্ত থেকে উভয়পক্ষের সৈন্য প্রত্যাহারের জন্য মস্কোস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূতের প্রস্তাব।

    ১৯৭২ - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বশান্তি পরিষদের সর্বোচ্চ সম্মানসূচক পদক জুলিও কুরি লাভ করেন।

    ১৯৭৩ - মধ্যপ্রাচ্যে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতো চা ও মেডিকেল টিম প্রেরণ করা হয়।

    ১৯৮৪ - আফ্রিকার মহা দেশে বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে বড় খরা দেখা দেয়। এ সব দেশের মধ্যে ইথিওপিয়ার দুর্যোগ সবচেয়ে গুরুতর। আফ্রিকার ৩৪টি দেশ সাংঘাতিক খরার শিকার হয় এবং ২৪টি দেশে অনাহার দেখা দেয়। কমপক্ষে এক কোটি লোক গৃহহারা হয়।

    ১৯৮৫ - দক্ষিণ আফ্রিকার বোথা সরকারের হাতে কৃষ্ণাঙ্গ কবি বেঞ্জামিন মালায়েস [২৮]-এর ফাঁসি হয়।

    ১৯৮৫ - চীনের প্রথম জাতীয় কিশোর-কিশোরী গেমস চীনের জেনযৌ শহরে সাফল্যজনকভাবে সমাপ্ত হয়।

    ১৯৮৯ - পূর্ব জার্মান কমিউনিস্ট পার্টির প্রধান এরিক হোনেকার ক্ষমতা হারান।

    ১৯৯২ - চীনা কমিউনিস্ট পার্টি চতুর্দশ কংগ্রেসে সমাজতান্ত্রিক বাজার অর্থনীতির প্রতি সমর্থন জানায়।

    ১৯৯৫ - চীনের রাজধানী পেইচিংএ চীন আর রাশিয়া দু’দেশের প্রতিনিধিদের মধ্যে দু’দেশের পশ্চিমাংশের সীমান্ত নির্ধারণ সংক্রান্ত চুক্তি অনুমোদন হয় ।

    ১৯৯৮ - এশিয়া ও প্রশান্ত মহা সাগরীয় অঞ্চলের পরিবেশ আর উন্নয়ন সম্মেলনের ষষ্ঠ বার্ষিক অধিবেশন চীনের গুয়েলিন শহরে সমাপ্ত হয়।

    ২০০১ - চীনের সাংহাইএ এপেকের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । এই শীর্ষ সম্মেলনে অংশ গ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের নেতাদের মধ্যে সন্ত্রাস দমন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়। চীনের তৎকালীণ প্রেসিডেন্ট চিয়াং ছে মিন এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট বুশ যথাক্রমে এই শীর্ষ সম্মেলনে ভাষণ দেন।

    ২০০২ - চীনের তথ্যকরণ নেত্রী গ্রুপ চীনের জাতীয় অর্থনীতি আর সমাজ উন্নয়নের পঞ্চম দশম পালা পরিকল্পনার তথ্যকরণ পরিকল্পনা’ প্রকাশিত হয়।

    ২০২০ - দীর্ঘ ৩০ বছর পর সৌদি ও ইরাকের মধ্যে স্থলসীমান্ত উন্মুক্ত করা হয়।

 

জন্ম

    ১৭৮৫ - টমাস লাভ পিকক, ইংরেজি ঔপন্যাসিক, কবি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মকর্তা।

    ১৮০৪ - রাজা মংকুট, শ্যামদেশের (থাইল্যান্ডের) চক্রী রাজবংশের চতুর্থ রাজা ছিলেন।

    ১৮৫৪ - বিলি মারডক, অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার।

    ১৮৫৯ - অঁরি বের্গসন, একজন বিশিষ্ট ফরাসি দার্শনিক।

    ১৮৭৫ - লেন ব্রন্ড, বিখ্যাত ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তারকা ছিলেন।

    ১৮৯৩  - মাস্টারদা সূর্যসেন, বিপ্লবী।

    ১৮৯৪ - এইচ. এল. ডেভিস, একজন মার্কিন ঔপনাসিক ও কবি।

    ১৮৯৮ - লট্টে লেনিয়া, একজন অস্ট্রীয়-মার্কিন অভিনেত্রী।

    ১৯০২ - মিরিয়াম হপকিন্স, আমেরিকান অভিনেত্রী।

    ১৯০৫ - ফেলিক্স হওফোয়েত-বোদরি, আইভেরিয়ান রাজনীতিবিদ এবং প্রথম রাষ্ট্রপতি।

    ১৯০৬ - শিল্প ও সাহিত্যজগতের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব লেডি রাণু মুখোপাধ্যায়।

    ১৯১৮ - পরিতোষ সেন, ভারতীয় বাঙালি চিত্রশিল্পী।

    ১৯১৯ - পিয়ের ট্রুডো, ছিলেন একজন কানাডীয় রাজনীতিবিদ এবং কানাডার ১৫ তম প্রধানমন্ত্রী।

    ১৯২০ - মেলিনা মার্কুরি, একজন গ্রিক অভিনেত্রী, গায়িকা ও রাজনীতিবিদ।

    ১৯২৫ - ইলা মিত্র, বাঙালি মহীয়সী নারী এবং সংগ্রামী কৃষক নেতা।

    ১৯২৬ - চাক বেরি, একজন মার্কিন গায়ক, গীতিকার এবং রক এ্যান্ড রোল সংগীতের একজন প্রবর্তক।

    ১৯২৬ - ক্লাউস কিন্‌স্কি, একজন জার্মান অভিনেতা।

    ১৯২৭ - জর্জ সি. স্কট, একজন মার্কিন অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক।

    ১৯৩৩ - আরউইন মার্ক জ্যাকবস, একজন তড়িৎ প্রকৌশলী।

    ১৯৩৯ - লি হার্ভে অসওয়াল্ড, মার্কিন রাষ্ট্রপতি জন এফ. কেনেডির আততায়ী।

    ১৯৪০ - পরাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাংলা চলচ্চিত্র অভিনেতা।

    ১৯৫০ - ভারতীয় এবং ব্রিটিশ অভিনেতা ওম রাজেশ পুরী জন্মগ্রহণ করেন।

    ১৯৫২ - রয় ডায়াস, শ্রীলঙ্কার সাবেক আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার ও কোচ।

    ১৯৫৬ - মার্টিনা নাভ্রাতিলোভা, চেকস্লোভাকিয়ার প্রাগে জন্মগ্রহণকারী বিখ্যাত আমেরিকান টেনিস খেলোয়াড় ও কোচ।

    ১৯৬১ - গ্ল্যাডস্টোন স্মল, সাবেক ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

    ১৯৬৪ - শেখ রাসেল, শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র।

    ১৯৬৫ - জাকির নায়েক, ইসলামি পণ্ডিত ও গবেষক।

    ১৯৬৮ - স্টুয়ার্ট ল, কুইন্সল্যান্ডের হারস্টোন এলাকায় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার।

    ১৯৭৮ - জয়তিকা সারাভানান, ভারতীয় তামিল অভিনেত্র।

    ১৯৮১ - নাথান হারিৎজ, সাবেক অস্ট্রেলীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।

    ১৯৮৪ - ফ্রিডা পিন্টো, ভারতীয় অভিনেত্রী এবং মডেল।

    ১৯৮৪ - এস্পারেন্জা স্পলডিং, একজন আমেরিকান জ্যাজ বেসবাদক, সেল্লোবাদক এবং গায়ক।

    ১৯৮৭ - জ্যাক এফ্রন, একজন আমেরিকান অভিনেতা এবং গায়ক।

 

মৃত্যু

    ১৬৭৮ - চিত্রশিল্পী ইয়াকপ ইয়োরদানস।

    ১৮৭১ - চার্লস ব্যাবেজ, ইংরেজ গণিতবিদ।

    ১৯১৪ - কবি আজিজুর রহমান।

    ১৯২৩ - মোহাম্মদ নজিবর রহমান, তিনি ছিলেন বাংলা ভাষার একজন ঔপন্যাসিক।

    ১৯৩১ - টমাস আলভা এডিসন, মার্কিন উদ্ভাবক এবং ব্যবসায়ী।

    ১৯৩৪ - সান্তিয়াগো রামোন ই কাহাল, স্পেনীয় রোগবিজ্ঞানী, কলাস্থানবিদ এবং স্নায়ুবিদ।

    ১৯৭৮ - রামোন মের্কাদের, স্পেনীয় সাংবাদিক, লিওন ট্রটস্কির হত্যাকারী।

    ১৯৮০ - রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী দেবব্রত বিশ্বাস।

    ১৯৯৩ - শহীদ ডাঃ মিজানুর রহমান ও মোঃ বোরহান উদ্দিন।

    ২০০৪ - শঙ্কু মহারাজ প্রখ্যাত বাঙালি ভ্রমণ সাহিত্যিক।

    ২০০৫ - জনি হেইন্স, ইংরেজ ফুটবলার।

    ২০০৭ - লাকি ডুবে, দক্ষিণ আফ্রিকার একজন রেগে শিল্পী।

    ২০১৮ - আইয়ুব বাচ্চু, বাংলাদেশী সঙ্গীত শিল্পী।


আরও খবর
২৩ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১

২১ অক্টোবর: ইতিহাসের এই দিনে

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




‘ফোনের কথোপকথনে হত্যা-ধর্ষণ প্রমাণ হয়না’

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুনিয়ার হত্যা ও ধর্ষণের মামলা তদন্ত করছে পিবিআই। ৮নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে করা মামলার তদন্ত অনেকদূর এগিয়েছে বলে পিবিআই সূত্রে জানা গেছে। উল্লেখ্য যে মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তানিয়া এই মামলাটি দায়ের করেন। গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে এপ্রিলে মারা যান মুনিয়া। তার মৃত্যুর পর প্রথমে মুনিয়ার বোন নুসরাত তানিয়া একটি আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেছিলেন। তিন মাস তদন্তের পর গুলশান থানা আত্মহত্যার প্ররোচনার কোন প্রমাণ না পাওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। কিন্তু মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তানিয়া ওই পুলিশ প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেন এবং নারাজি দরখাস্ত দেন। এরপর আদালত ওই নারাজি দরখাস্তটি নাকচ করে দেয়। পরবর্তীতে নুসরাত তানিয়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন, ট্রাইব্যুনালে এই মামলা তদন্ত দিয়েছে পিবিআইকে। একাধিক সূত্র বলছে যে এখন পর্যন্ত যে সমস্ত আলামত এবং তথ্য-প্রমাণ দেওয়া হয়েছে তাতে হত্যা বা ধর্ষণের কোন কিছুই প্রমাণ হয়না। বিভিন্ন সূত্র বলছে হত্যা এবং ধর্ষণের জন্য কয়েকটি সুনির্দিষ্ট বিষয়ে লাগে।

১. শারীরিক উপস্থিতির প্রয়োজন হয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত তদন্তে শারীরিক উপস্থিতির কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

২. হত্যা বা ধর্ষণের ক্ষেত্রে যে আলামতগুলো দরকার সে ধরনের কোনো আলামত বাদীপক্ষ এখন পর্যন্ত দিতে পারেনি।

৩. হত্যা বা ধর্ষণের যে সাক্ষ্য প্রমাণের বিষয় থাকে, সেই সাক্ষ্য-প্রমাণও এখন পর্যন্ত অনুপস্থিত।

বিভিন্ন সূত্র বলছে যে একটি হত্যা মামলায় সুনির্দিষ্ট উপস্থিতিটিই সবচেয়ে প্রধান উপজীব্য বিষয়। কিন্তু মুনিয়ার কথিত হত্যা ও ধর্ষণ মামলায় কোন সুনির্দিষ্ট শারীরিক উপস্থিতির প্রমাণ মেলেনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেছেন যে শুধুমাত্র ফোনের কথোপকথনে বা বিভিন্ন মেসেজ আদান প্রদানের মাধ্যমে হত্যা ধর্ষণ প্রমাণ হয় না। ফোনে হত্যা করা যায় না বা মেসেজ দিয়ে হত্যা করা যায়না, হত্যার জন্য যে উপস্থিতির প্রয়োজন সেই উপস্থিতি সম্পর্কে কোন তথ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাছাড়া শুধু উপস্থিত থাকলেই হবে না, যিনি হত্যা ও ধর্ষণের জন্য উপস্থিত হয়েছেন সে ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষদর্শীর কোন সাক্ষ্য বা প্রমাণ লাগবে।

এই মামলার বাদী নিজেই বলেছেন তিনি কুমিল্লা থেকে আসছিলেন এবং কুমিল্লা থেকে আসার পথে কয়েকদফা তার সঙ্গে মুনিয়ার কথাবার্তা হয়েছে। কাজেই তিনি প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীনন এবং ওই ফ্ল্যাটে যারা দায়িত্বে ছিলেন গার্ড বা অন্যান্য প্রতিবেশীরা তারা কেউই মুনিয়াকে হত্যা করা হয়েছে বা মুনিয়ার বাসায় প্রবেশ করে কেউ তাকে হত্যা করেছে এমন সাক্ষ্য প্রমাণ দিতে পারেননি। ফলে যে সমস্ত অভিযোগ বা তথ্য প্রমাণ দিয়ে মুনিয়ার হত্যা-ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে সেগুলো আইনের চোখে অগ্রহণযোগ্য বলেই মনে করছেন বিভিন্ন সূত্র।

বিশেষ করে মুনিয়ার হত্যাকাণ্ডের প্রধান তথ্য প্রমাণ হিসেবে দেওয়া হয়েছে কিছু টেলি আলাপ এবং কিছু মেসেজ। এই মেসেজ এবং টেলি আলাপ দিয়ে কোন কিছুই প্রমাণিত হয় না বলে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন কর্মকর্তারা মনে করছেন। তারা বলছেন যে হত্যা প্রমাণের জন্য যে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ বা আলামতের প্রয়োজন তার কোন কিছুই এখানে নেই। সেক্ষেত্রে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন গুলশান থানা পুলিশের অনুরূপই হতে পারে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছেন।


আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১