আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম
চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ

৫২ কিলোমিটার ডুয়েলগেজে রূপান্তরেই ১০,০৪৮ কোটি টাকা

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ২২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কক্সবাজারের সঙ্গে রেলসংযোগ স্থাপনে নির্মাণ করা হচ্ছে দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ। যতিও চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী অংশটি জরাজীর্ণই রয়ে গেছে। তাই মিটারগেজ এ রেলপথটি ডুয়েলগেজে রূপান্তরের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে অনেক বেশি। সমজাতীয় প্রকল্পের তুলনায় তা প্রায় তিনগুণ। এমনকি নতুন রেলপথ নির্মাণের চেয়েও ডুয়েলগেজ রূপান্তরে ব্যয় বেশি ধরা হয়েছে।

তথ্যমতে, বর্তমানে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার মিটারগেজ রেলপথ রয়েছে। এ পথটি ডুয়েলগেজে রূপান্তরের পাশাপাশি ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের সঙ্গে কানেক্টিং কার্ভও নির্মাণ করা হবে। এতে রেলপথটির দৈর্ঘ্য দাঁড়াবে ৫২ কিলোমিটার। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রায় ১০৩ একর জমি অধিগ্রহণ করতে হবে। ডাবল লাইন হওয়ায় ১০৭ কিলোমিটার ট্র্যাক ডুয়েলগেজে রূপান্তর ছাড়াও ২৪টি মেজর ও ৯৫টি মাইনর সেতু পুনর্নির্মাণ করতে হবে প্রকল্পটির আওতায়। এ প্রকল্পের আওতায় দুটি স্টেশন নতুন করে নির্মাণ করতে হবে।

চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ ডুয়েলগেজে রূপান্তরে সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৬ কোটি ৮৪ লাখ ডলার বা ১০ হাজার ৪৮ কোটি ১৬ লাখ টাকা। এতে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় পড়ছে ১৯৩ কোটি ২৩ লাখ টাকা। অথচ দোহাজারী থেকে কক্সবাজার হয়ে গুনদুম পর্যন্ত ১২৮ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৮ হাজার ৩৪ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে নতুন রেলপথ নির্মাণে ব্যয় পড়ছে কিলোমিটারপ্রতি ১৪০ কোটি ৮৯ লাখ টাকা।

এদিকে জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী মিটারগেজ রেলপথকে ডুয়েলগেজে রূপান্তরে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় পড়ছে ৬৪ কোটি ৯ লাখ টাকা। প্রকল্পটির আওতায় ১৯৮ দশমিক ২৯ কিলোমিটার রেলপথকে ডুয়েলগেজে রূপান্তরে ব্যয় পড়ছে ১২ হাজার ৭০৮ কোটি ৩২ লাখ টাকা। এ প্রকল্পটিতে ঋণ দিতে চায় জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা)। আজ এ প্রকল্পের পিডিপিপি নিয়েও ইআরডির সঙ্গে রেলওয়ের বৈঠক রয়েছে।

সূত্রমতে, চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ ডুয়েলগেজে রূপান্তরে এডিবির কাছে ঋণ চাওয়া হয়েছে ৭৬ কোটি ৭৬ কোটি ডলার বা ছয় হাজার ৬০১ কোটি ৪০ লাখ টাকা। বাকি তিন হাজার ৩৪৬ কোটি ৭৬ লাখ টাকা সরকারের তহবিল থেকে দেয়া হবে। যদিও প্রকল্পটির ব্যয় অনেক বেশি মনে করছে এডিবি। গত মার্চে রেলওয়ে ও এডিবির মাঝে অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ মন্তব্য করেন এডিবির মিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে রেলওয়ের মহাপরিচালক ডিএন মজুমদার বলেন, চট্টগ্রাম-দোহাজারী মিটারগেজ রেলপথ ডুয়েলগেজে রূপান্তর প্রকল্পটির আওতায় ডাবল লাইন নির্মাণ করা হবে। ফলে প্রকল্পটির আওতায় ১০৭ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। তাই ব্যয় কিছুটা বেশি পড়ছে। এছাড়া জমি অধিগ্রহণেও প্রচুর ব্যয় হবে। তাই ব্যয় কিছুটা বেশি ধরা হয়েছে।

যদিও এ বক্তব্য সঠিক নয় বলে মনে করছেন রেলওয়ের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তারা জানান, জমি অধিগ্রহণ বাদ দিলেও রেলপথটি ডুয়েলগেজে রূপান্তরে কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় হবে ১৪৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা। আর ডাবল লাইন ধরলেও কিলোমিটারপ্রতি ব্যয় পড়ে ৭১ কোটি ২১ লাখ টাকা। অথচ জয়দেবপুর-ঈশ্বরদী মিটারগেজ রেলপথ ডুয়েলগেজ রূপান্তর প্রকল্পে ব্যয় পড়ছে আরও কম। আর ওই প্রকল্পেও ডাবল লাইন নির্মাণ করা হবে।

সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-দোহাজারী রেলপথ ডুয়েলগেজে রূপান্তর প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই ও বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন শেষ হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে প্রকল্পটির পিডিপিপি অনুমোদনের জন্য পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। এতে দেখা যায়, প্রকল্পটির জমি অধিগ্রহণে ব্যয় ধরা হয়েছে দুই হাজার ৪২৮ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। আর মূল ট্র্যাক (রেলপথ) নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৭৫৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা এবং মাটির কাজে (আর্থ ওয়ার্ক) এক হাজার ৭২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এছাড়া উল্লেখযোগ্য ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে স্টেশন ও বিল্ডিং নির্মাণে ৭১১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণে এক হাজার ৩১৪ কোটি ৩৬ লাখ টাকা, সিগন্যালিং ও টেলিকমে ৩০৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা এবং প্ল্যান্ট ও ইক্যুইপমেন্টে ৩০৯ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। এর বাইরে পরামর্শক খাতে ৫৮৮ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। আর প্রাইস কনটিনজেন্সি খাতে ৭৩০ কোটি ৭৭ লাখ টাকা ও ফিজিকাল কনটিনজেন্সি খাতে ১৮২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে।


আরও খবর



এবার ঠোঁট কাটলেন কীর্তি?

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রুপালি জগত মানেই গ্ল্যামারে ভরপুর। প্রতিযোগিতার দৌড়ে টিকে থাকতে অনেক কিছুই করেন অভিনয়শিল্পীরা। বিশেষ করে অভিনেত্রীদের দিকে দর্শকের নজর একটু বেশিই থাকে। তাই পর্দায় নিজেদের আকর্ষণীয় করতে অনেক ঝুঁকিপূর্ণ সিদ্ধান্তও নিয়ে থাকেন তারা। অনেক অভিনয়শিল্পী সার্জারির মাধ্যমে শরীরি সৌন্দর্য বর্ধিত করেছেন। অন্যান্য ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মতো ভারতীয় দক্ষিণী সিনেমার একঝাঁক চিত্রনায়িকা ঠোঁট কেটে তাদের লুকে পরিবর্তন এনেছেন। যদিও তাদের অনেকে বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। এবার তালিকায় যুক্ত হলেন ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী কীর্তি সুরেশ। টলিউড ডটনেট এ খবর প্রকাশ করেছে। 

প্রকাশিত প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে জোর গুঞ্জন উড়ছে, সরকারু বারি পাতাখ্যাত কীর্তি সুরেশ ঠোঁটে সার্জারি করিয়েছেন। সিনেমাপ্রেমিরা কীর্তি সুরেশের চেহারায় কিছুটা পরিবর্তন খুঁজে পেয়েছেন। অনেকে বলছেন যে, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার বিজয়ী এই অভিনেত্রী তার সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য ঠোঁট কেটেছেন। তবে এ বিষয়ে কীর্তির এখনো কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

দক্ষিণী সিনেমার অনেক তারকা অভিনেত্রী সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য প্লাস্টিক সার্জারি করিয়েছেন। সার্জারি করে কাজল আগরওয়াল তার ঠোঁট মোটা করিয়েছেন। তা ছাড়া শ্রুতি হাসানও ঠোঁট কেটেছেন। অনেক অভিনেত্রী বিষয়টি অস্বীকার করলেও শ্রুতি হাসান এ কথা স্বীকার করেছেন। শুধু তাই নয়, শ্রুতি তার নাকেও সার্জারি করিয়েছেন।

গত ১২ মে মুক্তি পেয়েছে কীর্তি সুরেশ অভিনীত সরকারু বারি পাতা সিনেমাটি। এতে মহেশ বাবুর বিপরীতে অভিনয় করেছেন তিনি। এই অভিনেত্রীর সঙ্গে মহেশের এটি প্রথম কাজ। পরশুরাম পরিচালিত এ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হলো মহেশ কন্যা সিতারার।

নিউজ ট্যাগ: কীর্তি সুরেশ

আরও খবর



চলতি দশকে বিক্রি দ্বিগুণ করার লক্ষ্য ক্যাসিওর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০৩০ সালের মধ্যে বার্ষিক পণ্য বিক্রি ৫০ হাজার কোটি ইয়েনে (৩৮৩ কোটি ডলার) উন্নীত করতে চায় ক্যাসিও কম্পিউটার। এ বিক্রি লক্ষ্যমাত্রা ৩১ মার্চ শেষ হওয়া অর্থবছরের প্রায় দ্বিগুণ। উচ্চমূল্যের ঘড়ি এবং উদীয়মান বাজারগুলোয় নতুন গ্রাহকদের কাছে ব্যবসা বিস্তৃত করার লক্ষ্য জাপানি বহুজাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানটির। খবর নিক্কেই এশিয়া। দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য অনুসারে, ক্যাসিওর অর্ধেক রাজস্ব আসবে টাইমপিস বিভাগ থেকে। যেখানে গত অর্থবছরে এ বিভাগ থেকেই সংস্থাটির বেশির ভাগ আয় এসেছে। সংস্থাটির লক্ষ্য সামগ্রিক পরিচালন মার্জিন ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা। ক্যাসিওর কৌশল হলো বিদ্যমান ব্যবসার প্রতিযোগিতাপূর্ণ সক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা এবং উদীয়মান বাজারে ব্যবসা আরো প্রসারিত করা। বিশেষ করে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত থাকা দেশগুলোকে লক্ষ্য করে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে ঘড়ি নির্মাতা হিসেবে পরিচিত প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি দশকের মধ্যে টাইমপিসগুলো সংস্থাটির বার্ষিক আয়ে ২৫ হাজার কোটি ইয়েন অবদান রাখবে। এ বিক্রির পরিমাণ ২০২১ অর্থবছরে বিক্রির তুলনায় প্রায় ৬০ শতাংশ বেশি। জাপানের বাইরে বিশ্বজুড়ে সংস্থাটির জি-শক ব্র্যান্ডের তুমুল চাহিদা রয়েছে। সংস্থাটির মোট রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশ অবদান রাখে এ ঘড়িগুলো।

প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য, উদীয়মান বাজারে মধ্যম আয়ের লোকদের কাছে উচ্চমূল্যের জি-শক ঘড়ি বিক্রি করা। ক্যাসিও নারী ভোক্তাদের আকর্ষণ করতেও বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের পরিকল্পনা করছে। নারীরা সংস্থাটির মোট আয়ে ১০ শতাংশ বা তার কিছুটা বেশি অবদান রাখে। বিদ্যমান পণ্যের পাশাপাশি সংস্থাটি আরো বেশি পণ্য যুক্ত করবে। বিশেষ করে সংস্থাটি এমন ঘড়ি তৈরিতে মনোযোগ দিচ্ছে, যেগুলো নারী-পুরুষ নির্বিশেষে ব্যবহার করতে পারে। এজন্য সংস্থাটি ঘড়িতে ব্যবহূত ধাতুর উজ্জ্বলতা কমিয়ে আনবে।

ক্যাসিও কম্পিউটারের লক্ষ্য, শিক্ষা সম্পৃক্ত পণ্যগুলোর বিক্রি ৮০ শতাংশ বাড়িয়ে ১০ হাজার কোটি ইয়েনে উন্নীত করা। এর অংশ হিসেবে সফটওয়্যার ব্যবসা প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়িয়ে তোলা হবে। এ বিভাগ হার্ডওয়্যারের তুলনায় অধিক লাভজনক। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির সুপরিচিত ইলেকট্রনিক অভিধান অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে অভিধানগুলো সহজলভ্য করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের জন্য সাবস্ক্রিপশনভিত্তিক অনলাইন শিক্ষার প্লাটফর্মও তৈরি করছে ক্যাসিও। গত বছরের মাঝামাঝিতে সংস্থাটি ২০২৩ অর্থবছরে ৩২ হাজার ৫০০ কোটি ইয়েন বিক্রয় লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছিল। তবে কভিড-১৯ মহামারীসহ বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কারণে লক্ষ্যের তারিখটি ২০২৩ কিংবা তার পরের অর্থবছরে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ক্যাসিও নতুন কার্যক্রম থেকে ৩০০ কোটি ইয়েন বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। তবে সংস্থাটি গত অর্থবছরের এ লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানত বিজনেস টু বিজনেস (বিটুবি) কার্যক্রমে পিছিয়ে গেছে সংস্থাটি। ক্যাসিওর প্রেসিডেন্ট কাজুহিরো ক্যাশিও বলেন, অভিজ্ঞতার অভাবে আমরা বিটুবি কার্যক্রম ভালো করতে পারিনি। এক্ষেত্রে আমরা আমাদের সক্ষমতা পুরোপুরি ব্যবহার করতে পারিনি। আমরা এখন দুর্বলতাগুলো চিহ্নিত করার কাজ করছি। ফলে আগামীতে আমরা এ বিভাগেও ভালো করতে পারব বলে আশা করছি। পাশাপাশি আমরা এখন বিদ্যমান অঞ্চলে নতুন ব্যবসা বিকাশের মাধ্যমে মুনাফা বাড়াতে জোর দিচ্ছি।

নিউজ ট্যাগ: ক্যাসিও

আরও খবর



ডেল্টা প্ল্যান বাস্তবায়নে এডিবি’র সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ বাস্তবায়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সহায়তা চেয়ে বলেছেন, এটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট (অপারেশনস-১) শিঝিন চেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ করে যোগাযোগ, বাণিজ্য ও জ্বালানির ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য এডিবির সহায়তা কামনা করেন।

এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে এবং এডিবি বাংলাদেশের পাশে থাকবে। এ দেশের গ্রামীণ ও নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

এডিবির ভাইস প্রেসিডেন্ট করোনা মহামারির মধ্যে ও বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বের প্রশংসা করেন।

তিনি আরও বলেন, এডিবি আশা করছে বাংলাদেশ জিডিপিতে ৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে সক্ষম হবে।

শিঝিন চেন বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে (উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্নাতক হওয়ার কারণে) যা সাধারণত একটু জটিল। কিন্তু বাংলাদেশ ভালো করছে।


আরও খবর



‘সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তে ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে’

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৮৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী। সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।  নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর



ঢাকা লিগে ৩ ম্যাচে তামিমের ২ সেঞ্চুরি

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | ৪৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা লিগের সদ্য শেষ হওয়া আসরের শুরু থেকেই ব্যাটিং তাণ্ডব চালিয়েছেন এনামুল হক বিজয়। লিগের ইতিহাসে এক আসরে রেকর্ড সর্বোচ্চ ১ হাজার ১৩৮ রান করেছেন প্রাইম ব্যাংকের এই তারকা ওপেনার।

বিজয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লিগের শেষদিকে রান তুলেছেন প্রাইম ব্যাংকের আরেক তারকা ওপেনার তামিম ইকবাল। লিগের শেষ তিন ম্যাচে দেশসেরা এই ওপেনার সংগ্রহ করেন যথাক্রমে- ৯০, ১০৯ ও ১৩৭ রান।

শেখ জামালের বিপক্ষে ৮৫ বলে ১০টি চার আর ৪ ছক্কায় করেন ৯০ রান। পরের ম্যাচে রূপগঞ্জ টাইগার্সের বিপক্ষে ৮১ বলে ৯টি চার আর ৭টি ছক্কায় তামিম খেলেন ১০৯* রানের ঝলমলে এক ইনিংস।

বৃহস্পতিবার গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্সের বিপক্ষে লিগের শেষ ম্যাচে ১৩১ বলে ১৩টি চার আর ৬টি ছক্কায় তামিম করেন ১৩৭ রান।

এদিন উদ্বোধনীতে এনামুল হক বিজয়ের সঙ্গে ২১৫ রানের জুটি গড়েন তামিম। ৯০ রানে ফেরেন বিজয়। তামিম-বিজয়ের অনবদ্য ব্যাটিংয়ে ৭ উইকেটে ৩৫৫ রান করে ৭৮ রানের দাপুটে জয় পায় প্রাইম ব্যাংক।

এদিন সেঞ্চুরি করার মধ্য দিয়ে লিস্ট ক্রিকেটে দেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি ২১টি শতকের সাহায্যে সর্বোচ্চ ১০ হাজার ১৪৯ রান করেন তামিম।

 


আরও খবর