আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তরুণদের স্বনির্ভর হতে হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ১২০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তরুণদের স্বনির্ভর হতে হবে। মেধায়, চিন্তা-চেতনায়, সততা ও নৈতিকতায় কর্মক্ষম মানুষ হতে হবে। শুধু ভালো জিপিএ দিয়ে আদর্শ মানুষ হওয়া যায় না। নিজের প্রতিভা ও যোগ্যতার বিকাশ ঘটাতে হবে। তাদের যেন চাকরির নেশায় পেয়ে না বসে। ঐকান্তিক ইচ্ছা, নিরলস প্রচেষ্টা, গভীর অধ্যাবসায় এবং সততা ধারণ করতে পারলে তরুণরা কখনো ব্যর্থ হবে না। তরুণদের স্বাবলম্বী করার জন্য সরকার সকল সহেযোগিতা করবে

সোমবার (১১ অক্টোবর) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহিদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত বাংলাদেশ: তারুণ্যের ভাবনায় মিট দ্যা মিনিস্টার শীর্ষক সংলাপে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, তরুণ প্রজন্মের আগ্রই হচ্ছে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। তাদের মধ্যে আকাঙ্খা জাগ্রত করতে না পারলে মাতৃভূমি বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের ধারণা অস্পষ্ট থেকে যাবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছিল-আমরা সবাই ভালো মানুষ হবো। আমাদের মধ্যে কোন বিরোধ থাকবে না, কোনভাবে সাম্প্রদায়িকতায় জড়িত হবো না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই মিলে-মিশে থাকবো। দেশে দুর্নীতি থাকবে না, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য থাকবে না। গ্রামের একজন মানুষ না খেয়ে মারা যাবে, আরেকজন শত কোটি টাকার মালিক হবে, সেটা হবে না। এ দেশটা আমাদের সকলের। প্রত্যেকটি মানুষের নাগরিক ও সাংবিধানিক অধিকার সমান

সুশাসন সম্পর্কিত তরুণদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী এ সময় বলেন, সবার জন্য একই ধরনের শাসনই হলো সুশাসন। সরকারি কর্মকর্তাদের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন, কেউ দুর্নীতি করলে, অন্যায় করলে ছাড় না পাওয়া-সেটাই সুশাসন। সমাজের জন্য, রাষ্ট্রের জন্য যেটা ন্যায্য, যেটা ভালো সেটা প্রশাসনিকভাবে সবার জায়গা থেকে করাই হচ্ছে সুশাসন

তরুণদের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, আইন অনুযায়ী নিম্ন আদালত পরিপূর্ণভাবে স্বাধীন। আদালতের অনিয়ম দূর করার জন্য সরকার সচেষ্ট রয়েছে। অদূর ভবিষ্যতে বিচারের জন্য মানুষের হাহাকার থাকবে না

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কোভিড ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত এক প্রশ্নের উত্তরে শ ম রেজাউল করিম বলেন, কোভিড ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ যা করতে পেরেছে তা পৃথিবীর অনেক দেশ পারে নি। এটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র নীতির অভাবনীয় সাফল্য। আমাদের প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দূরদৃষ্টির পরিচয় দিয়েছেন, এটা সারা বিশ্বের প্রশংসা কুড়িয়েছে। পররাষ্ট্র নীতিতে ও ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায় অনন্য নজির দেখিয়েছেন শেখ হাসিনা

এর আগে মন্ত্রী পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন, ঘূর্ণিঝড় ও অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় ব্যক্তিদের মাঝে ঢেউটিন ও আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ করেন এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের মাঝে মিল্ক ক্রিম সেপারেট মেশিন বিতরণ করেন। পরে পিরোজপুর জেলা ব্যান্ড বুকের মোড়ক উন্মোচন করেন তিনি। একইদিন বিকেলে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষ্যে পিরোজপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন দুর্গা মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান, ব্যক্তিগত অনুদান এবং জেলা পরিষদের অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেন মন্ত্রী।


মিল্ক ক্রিম সেপারেট মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বরেন, দেশের যেসব অঞ্চলে অধিক দুধ উৎপাদিত হয় সেসব অঞ্চলে উৎপাদনকারীরা যাতে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং দুধ বাজারে বিক্রির সময় প্রতিকূল অবস্থায় পড়লে বিকল্প ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার মিল্ক ক্রিম সেপারেটর মেশিন দিচ্ছে। পোল্ট্রি, ডেইরি বা মৎস্য খাতের মাথে সম্পৃক্তদের প্রণোদনা প্রদানের এ ধারাকে অব্যাহত রাখা হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদনকারীদের শেখ হাসিনা সরকার স্বাবলম্বী করতে চায়। শেখ হাসিনা সরকার সব সময় মানুষের পাশে আছে, পাশে থাকবে


পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বশির অহমেদের সঞ্চলনায় এ আয়োজনে প্যানেল আলোচক ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, পিরোজপুর জেলা মুক্তিযুদ্ধ সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী ও দৈনিক ইত্তেফাকের পিরোজপুর প্রতিনিধি মুনিরুজ্জামান নাসিম আলী।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




‘সাহেদের সঙ্গে আপনার এত মহব্বত কীভাবে’

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ৬৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আলোচিত রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের সঙ্গে কী করে খাতির হয়েছিল, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল কালাম আজাদের কাছে তা জানতে চেয়েছেন বিচারক।

রিজেন্ট কেলেঙ্কারির মামলায় ডা. আজাদ বৃহস্পতিবার আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। পরে ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ কেএম ইমরুল কায়েশ ২ নভেম্বর পর্যন্ত জামিন মঞ্জুর করেন। সেই শুনানিতেই স্বাস্থ্যের ডিজিকে বিচারক ওই প্রশ্ন করেন। শুনানি চলাকালে আবুল কালাম আজাদ বিচারককে বলেন,  আমি সারাজীবন কোনো অন্যায় করিনি, আর কখনও অন্যায় করবও না।

তিনি বলেন, সারা পৃথিবীতে করোনার যে অবস্থা, সেই অবস্থায় সচিব মহোদয়ের নির্দেশে মানুষের জীবন বাঁচাতে এটা (রিজেন্টের সঙ্গে চুক্তি) করতে হয়েছিল। স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সচিব মহোদয়ের সামনে (চুক্তি) স্বাক্ষর করা হয়েছিল।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, সাহেদ যে একজন প্রতারক, সেটি আমার জানা ছিল না। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে রিজেন্ট হাসপাতালের মাধ্যমে দৈনিক ৫০টি করোনা টেস্ট করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

কিন্তু মানবসেবার নামে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করার জন্য টাকা নিচ্ছে রিজেন্ট হাসপাতাল এমনটি অভিযোগ পরে জানতে পারি। এর পর আমি সঙ্গে সঙ্গে বললাম, ওই দুটি শাখা (রিজেন্ট হাসপাতালের) বন্ধ হয়ে যাবে।’ বিচারক এ সময় আজাদকে বলেন, সাহেদের সঙ্গে আপনার এত মহব্বত কীভাবে হয়েছিল?

আজাদ উত্তরে বলেন, চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার দিন সাহেদের সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হয়েছিল। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মহোদয় উপস্থিত ছিলেন। আরও বড় বড় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ওই থেকে সাহেদের সঙ্গে আমার পরিচয়।

তিনি আরও বলেন, আমি আগে থেকে জানতাম না সাহেদ একজন প্রতারক ছিলেন। স্যার, আমার ডায়াবেটিস রয়েছে। আমরা জীবন তুচ্ছ করে মানুষের জন্য কাজ করেছি। আমি কোনো অপরাধ করিনি, আর ভবিষ্যতেও করব না।

লাইসেন্সের মেয়াদ না থাকার পরও করোনাভাইরাসের নমুনা সংগ্রহ ও চিকিৎসার জন্য চুক্তি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এ মামলায় রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের আবুল কালাম আজাদসহ মোট ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

বাকি চার আসামি হলেনস্বাস্থ্য অধিদপ্তর সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপপরিচালক (হাসপাতাল-১) মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) মো. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা মো. দিদারুল ইসলাম।



আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




বিসিবি নির্বাচনের ভোটের লড়াই শুরু

প্রকাশিত:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৬ অক্টোবর ২০২১ | ৫৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
ক্যাটাগরি-২ থেকে পরিচালক নির্বাচিত হবেন সর্বমোট ১২ জন। এই ক্যাটাগরি থেকে বোর্ড পরিচালক হতে লড়বেন ১৫ জন। নির্বাচনের সবচেয়ে আকর্ষণ এই ক্যাটাগরিকে ঘিরে

আজ ৬ অক্টোবর শুরু হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। সকাল ১০টায় শুরু হয়ে এই প্রক্রিয়া চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণ শেষে আজই জানা যাবে ফলাফল। কারা হচ্ছেন বিসিবির পরবর্তী পরিচালক, নাজমুল হাসান পাপন ফের বিসিবি সভাপতির চেয়ারে ফিরছেন কি না তার ইঙ্গিতও মিলবে আজ।

নির্বাচনের চল থাকলেও সেই জৌলুশ আর উত্তাপ ইদানিং লক্ষ্য করা যায় না। বিসিবির নির্বাচন উত্তাপ ছড়াবে না, এমন ভাবনা ছিল অনেকের। তবে দৃশ্যপট বদলেছে এবার। শেষ মুহূর্তে এসে অনেক প্রার্থী নির্বাচন থেকে নিজেদের নাম সরিয়ে নিলেও ভোটাভুটি হবে বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরিতে।

সেই নির্বাচনের আমেজ কয়েকদিন আগেই শুরু হয়ে গেছে মিরপুরের বিসিবি ভবনে। ভোট দিতে আসা কাউন্সিলদের শেষ মুহূর্তের দৃষ্টি আকর্ষণে শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম সেজেছে প্রার্থীদের ব্যানার-ফ্যাস্টুনে। ২৩টি পরিচালক পদের বিপরীতে এবার ভোট হচ্ছে ১৪টি পদের জন্য।

যদিও ঢাকা বিভাগের ২টি পদের বিপরীতে চারজন প্রার্থীর মধ্যে বাকি দুই প্রার্থী সময়সীমার পর নির্বাচন থেকে নিজেদের গুটিয়ে নেওয়ায় নিয়মতান্ত্রিকভাবে সেখানেও পড়বে ব্যালটের ছাপ। বাকি ৭ পরিচালক নিজেদের বিভাগে প্রতিদ্বন্দ্বী না পাওয়ায় আগেই নির্বাচিত হয়েছেন।

নির্বাচনের আগের রাতে ক্যাটাগরি-২ (ঢাকা মেট্রোপলিটন ক্রিকেট ক্লাবস) থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন মডেল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ঐতিহ্যবাহী মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব লিমিটেডের কাউন্সিলর মাসুদুজ্জামান। তিনি সরে দাঁড়ানোতে ক্লাব ক্যাটাগরির ১২ পরিচালক পদের জন্য প্রার্থী এখন ১৫ জন।

ক্যাটাগরি-১ (আঞ্চলিক ও জেলা ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধি ) থেকে ঢাকা বিভাগের সৈয়দ আশফাকুল ইসলাম টিটু (কিশোরগঞ্জ) নিজের নাম সরিয়ে নেন। এর আগে গত ৩ অক্টোবর ঢাকা বিভাগের আরেক প্রার্থী মোহাম্মদ খালিদ হোসেনও (মাদারীপুর) নিজেকে সরিয়ে নেন। ফলে এই ক্যাটাগরিতে ২টি পদের বিপরীতে প্রার্থী টিকে আছেন মাত্র দুজন। তারা হলেন- এ.এম নাঈমুর রহমান দুর্জয় এমপি (মানিকগঞ্জ) ও তানভীর আহমেদ টিটু (নারায়নগঞ্জ)।

বিসিবির নির্বাচনে এবার ভোটার সব মিলিয়ে ১৭১ জন। যেখানে আজ ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন ১০৯ জন। এবার সশরীরে বিসিবিতে এসে ভোট দিতে না পারলেও কাউন্সলিরদের ভোট দেওয়ার সুযোগ ছিল মেইল বা চিঠির মাধ্যমে। ইতোমধ্যে ই-ব্যালট প্রক্রিয়ায় অনেকেই নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। তবে সেই ভোটগুলো এখনো গণনা শুরু হয়নি। শুরু হবে বিকেল ৫টার পর।

ক্যাটাগরি-২ থেকে পরিচালক নির্বাচিত হবেন সর্বমোট ১২ জন। এই ক্যাটাগরি থেকে বোর্ড পরিচালক হতে লড়বেন ১৫ জন। নির্বাচনের সবচেয়ে আকর্ষণ এই ক্যাটাগরিকে ঘিরে। বাকিদের সঙ্গে এই ক্যাটাগরি থেকেই লড়বেন নাজমুল হাসান পাপন (আবাহনী লিমিটেড)। বাকিরা হলেন; গাজী গোলার মুর্তজা (গাজী গ্রুপ ক্রিকেটার্স), নজিব আহমেদ (শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব), মাহবুব আনাম (মোহামেডান স্পোটিং ক্লাব), ওবেদ রশীদ নিজাম (শাইনপুকুর ক্লাব)।

সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া (ওল্ডডিওএইচএস স্পোর্টিং ক্লাব), সালাউদ্দিন চৌধুরী (কাকরাইল বয়েজ), ইসমাইল হায়দার মল্লিক (শেখ জামাল ক্রিকেটার্স), এনায়ের হোসেন (আজাদ স্পোর্টিং), মঞ্জুর হোসেন (ঢাকা এসেটস) আব্দুর রহমান (মিরপুর বয়েজ), রফিকুল ইসলাম (গাজী টায়ার্স ক্রিকেট অ্যাকাডেমি) এবং মনজুর আলম (আসিফ শিফা ক্রিকেট অ্যাকাডেমি)।

ক্যাটাগরি-৩ এ ভোটার সংখ্যা ৪৩ জন। যেখানে সাবেক অধিনায়ক, সাবেক ক্রিকেটার, বিভিন্ন সংস্থার ভোটাররা ভোট দিয়ে একজন পরিচালক নির্বাচিত করবেন। এই ক্যাটাগরিতে প্রতিদ্বন্দ্বীতা হবে দুই প্রার্থীর মধ্যে। খালেদ মাহমুদ সুজনের বিপক্ষে লড়বেন বিকেএসপির ক্রিকেট পরামর্শক নাজমুল আবেদীন ফাহিম। তারা দুজনই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

ক্যাটাগরি-১ এ ঢাকা বিভাগ থেকে পরিচালক হচ্ছেন তানভীর আহমেদ টিটু, নাঈমুর রহমান দুর্জয়। এই ক্যাটাগরিতে সিলেট বিভাগে কোনও নির্বাচন হবে না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নির্বাচিত হচ্ছেন শফিউল আলম চৌধুরী নাদেল। একই অবস্থা চট্টগ্রাম বিভাগেও। আকরাম খান নির্বাচিত হচ্ছেন, সঙ্গে পরিচালকের চেয়ারে বসছেন আ জ ম নাসির।

খুলনা বিভাগ থেকে পরিচালক হচ্ছেন শেখ সোহেল। এই বিভাগের প্রতিনিধি হচ্ছেন কাজী ইনাম আহমেদ। ভোট হচ্ছে না বরিশাল বিভাগেও। আলমগীর খান আবারও পরিচালক নির্বাচিত হচ্ছেন। রংপুর বিভাগ থেকে আসছেন আনোয়ারুল ইসলাম। ভোটাভুটি হচ্ছে রাজশাহী বিভাগে। খালেদ মাসুদ পাইলটের বিপক্ষে লড়বেন সাইফুল আলম স্বপন।


আরও খবর
অজিদের কষ্টার্জিত জয়

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




সারাদেশে আজ ভোর থেকে মুঠোফোনের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ১১১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সারাদেশে আজ ভোর থেকে মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। দেশের বিভিন্ন জেলার মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এ অভিযোগ জানিয়েছেন। মোবাইল নেটওয়ার্কের সেবাপ্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সূত্র জানিয়েছে, আজ শুক্রবার ভোর পাঁচটা থেকে মুঠোফোনে দ্রুতগতির থ্রিজি ও ফোরজি ইন্টারনেট বন্ধ রয়েছে।

তবে ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কারিগরি ত্রুটির কারণে এটা হয়ে থাকতে পারে। হয়তো কোনো অনিবার্য পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যেটা এড়ানো যায়নি। তবে আমার মনে হয়, সমস্যাটি বেশিক্ষণ থাকবে না। সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মাহমুদুল হাসান নামের সিলেটের এক ব্যাংক কর্মকর্তা জানান, আজ সকাল থেকে তিনি সবগুলো মোবাইল অপারেটরের ইন্টারনেট সেবা বন্ধ পাচ্ছেন। মোবাইলের ইন্টারনেট বন্ধের কারণ জানতে চেয়ে তিনি ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।

মিরপুরের বাসিন্দা মাহবুব আলম বলেন, সকালে বাসায় তিনি ওয়াইফাই ব্যবহার করে ইন্টারনেট পেয়েছেন। বাসা থেকে বের হওয়ার পরে মুঠোফোনে ডাটায় আর ইন্টারনেট পাননি।

উল্লেখ্য, গত বুধবার কুমিল্লার অপ্রীতিকর ঘটনার পর প্রথমে ওই জেলার দ্রুতগতির মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। এরপর আরও পাঁচটি জেলায় ধাপে ধাপে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়। দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবা বন্ধ করা জেলাগুলো হলো, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, রাজশাহী ও চাঁদপুর।


আরও খবর



সরকার কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না : তথ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিদেশি চ্যানেলের বিজ্ঞাপনমুক্ত সম্প্রচার বা ক্লিন ফিড বাস্তবায়নে সরকার কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। একই সঙ্গে কেব্‌ল অপারেটরেরা যদি আলোচনা করতে চায়, সে ক্ষেত্রে আইন মানা এবং দেশের স্বার্থ সংরক্ষণের ভিত্তিতে আলোচনা হতে পারে বলেও জানান তিনি।

সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আজ রোববার এ কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, বিবিসি, সিএনএন, আল জাজিরা, ফ্রান্স টিভি, রাশান টিভি, ইউরো টিভি, এনিমেল্ট প্ল্যান্টেটসহ ১৭টি চ্যানেল বাংলাদেশে ক্লিনফিডে আসে। সেগুলো অপারেটরেরা চালাচ্ছেন না। তাঁরা কেব্‌ল অপারেটর লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করছেন। কেউ শর্ত ভঙ্গ করলে অপরাধে অভিযুক্ত হবেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, যেসব চ্যানেল ক্লিনফিড পাঠায় না, তাদের এজেন্ট আছে। এই দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট চ্যানেল ও এজেন্টের। এটি কেব্‌ল অপারেটরদের দায়িত্ব নয়। কিন্তু, কোনো কোনো কেব্‌ল অপারেটর এজেন্টেদের পাশ কাটিয়ে তারা সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে পাইরেসি করে ডাউনলিঙ্ক করে। সেটি কিন্তু তারা করতে পারেন না। এটি আইন বহির্ভুত। আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আরও বলেন, ৪ অক্টোবরের পর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছে কোয়াব। তাদের এ ধরনের আন্দোলনের কথা বলা অযৌক্তিক। যেসব চ্যানেল দেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করছে, সংস্কৃতিকে চোখ রাঙাচ্ছে, সেগুলো পক্ষে ওকালতি করা দেশের স্বার্থ ও আইনবিরোধী। আমি আশা করব, দেশের স্বার্থবিরোধী কার্যক্রমে লিপ্ত হবেন না। সরকার কোনো চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না। সরকার দেশের স্বার্থ ঊর্ধ্বে তুলে ধরার জন্য, আইন বাস্তবায়ন করার জন্য বদ্ধ পরিকর।

এক প্রশ্নের জবাবে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ  বলেন, আমরা কোনো চ্যানেল বন্ধ করিনি, বন্ধ করার জন্যও বলিনি। বাংলাদেশের আকাশ উন্মুক্ত। এখানে যেকোনো চ্যানেল সম্প্রচার করতে পারে, কিন্তু, দেশের আইন মেনে করতে হয়। আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশে যেকোনো বিদেশি চ্যানেল বিজ্ঞাপনমুক্তভাবে সম্প্রচার করতে হয়। সব দেশে আইন মেনে চ্যানেলগুলো সম্প্রচার করে। শুধু আমাদের দেশে আইনকে বছরের পর বছর ধরে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদশর্ন করা হচ্ছিল। আমরা আইন বাস্তবায়নের কথা দুই বছর আগে সংশ্লিষ্ট সবাইকে বলেছিলাম। বেশ কয়েক বার তাগাদা দেওয়া হয়েছে, নোটিশ দেওয়া হয়েছে।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী আরও বলেন, তারা (কেব্‌ল অপারেটরেরা) যদি আলোচনা করতে চায়, আলোচনা হতেই পারে। তারা আমাদের সহযোগী, আলোচনা হতেই পারে। তবে, আলোচনার ভিত্তি হবে আইন মানা, দেশের স্বার্থ সংরক্ষণ।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, দেশের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে, দেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে, দেশীয় মিডিয়ার স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে আজকে আমরা যখন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি, দেশের সব মিডিয়া এটিকে অভিনন্দন জানিয়েছে। আমরা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি দেশের স্বার্থে, দেশের জনগণের স্বার্থে, দেশের মিডিয়া ইন্ড্রাস্ট্রি, সাংবাদিক ও মিডিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পী ও কলাকুশলীদের স্বার্থে। দেশের আইনকে যারা বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে এবং সংশ্লিষ্ট স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে কথা বলে, তারা তো দেশের পক্ষে কথা বলে না।’

‘সরকার কয়েকশ কোটি টাকার রাজস্ব হারায়। এই বিনিয়োগ বঞ্চিত হওয়ার কারণে মিডিয়া থেকে অনেকে ছাঁটাই হচ্ছেন। যখন এই বিনিয়োগটা দেশি মিডিয়ায় হবে, তখন মিডিয়া থেকে ছাঁটাই হওয়াটা বন্ধ হয়ে যাবে, বা সে অজুহাতে ছাঁটাই করা যাবে না। এভাবে পুরো দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে’, যোগ করেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




অজিদের কষ্টার্জিত জয়

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লক্ষ্য বড় নয়। জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার চাই ১১৯ রান। এই রান তাড়া করতে নেমেও বেশ নড়বড়ে  অবস্থায় পড়ে গিয়ে ছিল অস্ট্রেলিয়া। দাপুটে বোলিংয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলেন প্রোটিয়া বোলাররা। কিন্তু ফল নিজেদের পক্ষে নিতে পারেনি তারা। দক্ষিণ আফ্রিকাকে হতাশ করে সুপার টুয়েলভের প্রথম ম্যাচে পাঁচ উইকেটের জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

আজ শনিবার আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১১৮ রান করে দক্ষিণ আফ্রিকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪০ রান করেন এইডেন মার্করাম। জবাব দিতে নেমে ১৯.৫ ওভারে ১২১ রান করে জয় তুলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

ছোট লক্ষ্য তাড়ায় শুরু থেকে খুব একটা স্বস্তিতে ছিল না অস্ট্রেলিয়া। স্কোরবোর্ডে ৩৮ রান তুলতেই তিন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটার অ্যারন ফিঞ্চ, ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শকে হারিয়ে ফেলে অসিরা। দলীয় ৪ রানেই হারিয়ে ফেলে অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চকে। রানের খাতাও খুলতে পারেননি অসি অধিনায়ক। উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া ডেভিড ওয়ার্নারও খুব একটা মারমুখি ব্যাটিং করতে পারেননি। উইকেটে থেকে ১৫ বল মোকাবিলা করে করেছেন ১৪ রান। দায়িত্ব নিতে পারলেন না মিচেল মার্শও। ১৭ রানে তাঁর ইনিংস ছিল ১১ রানের।

এরপর ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়েন স্টিভেন স্মিথ। এই জুটিতে স্বস্তি ফেরে অসি শিবিরে। ১৫তম ওভারে ভাঙে ৪২ রানের এই জুটি। বাউন্ডারি হাঁকাতে গিয়ে ক্যাচ তুলে দেন স্মিথ। ফিরে যান ৩৫ রানে। স্মিথের ফেরার পর ১৮ রানে ড্রেসিং রুমে ফেরেন ম্যাক্সওয়েলও। দুই সেট ব্যাটারকে ফিরিয়ে ম্যাচ জমিয়ে তোলে প্রোটিয়া বোলাররা।

কিন্তু অসিদের সমীকরণ কঠিন করে দিলেও শেষ পর্যন্ত ম্যাচ বের করতে পারল না দক্ষিণ আফ্রিকা। ছোট লক্ষ্য হওয়ায় ঠিকই জয় তুলে নিল অস্ট্রেলিয়া।

আবুধাবিতে ইনিংসের প্রথম ওভারে ভালো কিছুর আভাস দিয়েও ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি দক্ষিণ আফ্রিকা। দ্বিতীয় ওভারেই অধিনায়ক টেম্বাকে হারায় তারা। অসি তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন অধিনায়ক। সাত বলে ১২ রান করেন তিনি।

তৃতীয় ওভারে ফের ধাক্কা খায় দক্ষিণ আফ্রিকা। ওয়ানডাউনে নামা রাসি ফন ডার ডাসেন ফেরেন উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। পেসার হেইজেলউড এবারের বিশ্বকাপে নিজের প্রথম বলেই উইকেট পেয়ে যান।

নিজের দ্বিতীয় ওভারের সাফল্য পান হেইজেলউড। বোলিংয়ে এসে শিকার বানান কুইন্টন ডি কককে। ৭ রান করে ডি কক বোল্ড করেন তিনি। দলীয় ২৪ রানে শুরুর ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

চতুর্থ উইকেটে চাপ কাটানোর চেষ্টা করেন মার্করাম ও  হেইনরিখ ক্লাসেন। কিন্তু সেই লড়াইও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। অষ্টম ওভারে ক্লাসেনকে ফিরিয়ে দেন প্যাট কামিন্স। অসি তারকার অফ স্টাম্পের বাইরের বল মোকাবিলা করতে গিয়ে স্মিথের ক্যাচ তুলে দেন ক্লাসেন। ২৩ রানে ভাঙে চতুর্থ জুটি, ক্লাসেন ফেরেন ১৩ রানে।

পরের উইকেটে ডেভিড মিলারের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়েন মার্করাম। দলের রানের চাকা সচল রাখতে তিনিই লড়াই করেন। ১৮তম ওভারের প্রথম বলে মার্করামের প্রতিরোধ ভাঙেন মিচেল স্টার্ক। তিন বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ৩৬ বলে ৪০ রান করে ফেরেন মার্করাম। তিনি ফিরলে আর বেশিদূর যায় প্রোটিয়াদের ইনিংস। নির্ধারিত ওভারে ১১৮ রানে থেমে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।

অস্ট্রেলিয়ার হয়ে বল হাতে দুই করে উইকেট নেন জশ হেইজেলউড, মিচেল স্টার্ক ও অ্যাডাম জাম্পা। একটি করে পেয়েছেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স।


আরও খবর
টস জিতে ফিল্ডিংয়ে অস্ট্রেলিয়া

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১