আজঃ মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

আগামী এপ্রিল মাসে মাঠে গড়াবে আইপিএল

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ক্রিকেট বর্ষের বড় একটি সময় যায় ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক ক্রিকেটে। যেখানে রাজত্ব ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের। এখনও সূচি চূড়ান্ত না হলেও বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) তরফ থেকে ফ্র্যাঞ্চাইজিদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে প্রস্তুত হওয়ার জন্য। যেখানে সম্ভাব্য সূচি হিসেবে জানানো হয়েছে, আগামী এপ্রিল মাসের ২ তারিখ মাঠে গড়াবে এবারের আইপিএল। আগামী ৪ বা ৫ জুন ফাইনাল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

করোনাভাইরাসের কারণে আইপিএলের আগের দুই মৌসুম দেশের বাইরে নিতে হয়। যদিও সবশেষ আসর ভারতে শুরু করলেও পরে স্থগিত করতে হয়। এবার অবশ্য গোটা টুর্নামেন্টই নিজেদের দেশে করার ভাবনা বিসিসিআইয়ের।

৮ দলের আইপিএল এবার বেড়ে দাঁড়াচ্ছে ১০ দলে। যেখানে বাড়ছে ম্যাচের সংখ্যা। এর আগে ৬০টি করে ম্যাচ হলেও এবার মাঠে গড়াবে ৭৪টি ম্যাচ। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টের দৈর্ঘ্য হবে ২ মাসের বেশি।

বিসিসিআই সচিব জয় শাহ বলেন, ১৫তম আইপিএল অনেক জমজমাট হবে, যেহেতু দুটো নতুন দল খেলতে যাচ্ছে। তার আগে আইপিএল মেগা অকশন হবে, দেখা যাক নতুন কম্বিনেশন কেমন হয়।

দল বাড়লেও টুর্নামেন্ট চলবে আগের নিয়মে। লিগ পর্বে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দল ১৪টি ম্যাচ খলবে। যেখানে ৭টি হোম এবং ৭টি ম্যাচ অ্যাওয়ের পদ্ধতিতে।

 

নিউজ ট্যাগ: আইপিএল

আরও খবর
হারের শঙ্কায় টাইগাররা

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




আফ্রিকার ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ারও আহ্বান

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ১৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনার নতুন ধরন ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর প্রতিবেশী দেশসহ দক্ষিণ আফ্রিকার ওপর জারি করা ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার নিন্দা জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা। তিনি ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ারও আহ্বান জানান।

সিরিল রামাফোসা বলেন, তিনি গভীরভাবে মর্মাহত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এ ধরনের প্রতিক্রিয়ায়। তিনি বলেন, এটি অন্যায় করা হচ্ছে।

স্থানীয় সময় রোববার (২৮ নভেম্বর) এক বক্তব্যে রামাফোসা আরও বলেন, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পেছনে কোনো বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই এবং বৈষম্যের শিকার হচ্ছে তার দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা।

তিনি অভিযোগের সুরে বলেন, নিষেধাজ্ঞা নতুন ধরন ছড়ানো বন্ধ কতে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নয়। তিনি আরও বলেন, এটি বরং অর্থনীতির আরও বড় ক্ষতি বয়ে আনবে এবং করোনা মহামারি ঠেকাতে ভুক্তভোগী দেশগুলোর সক্ষমতা হ্রাস করে ফেলবে।

ভবিষ্যতে অর্থনৈতিক মন্দা ঠেকাতে দ্রুত ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা দেশগুলোর প্রতি সিদ্ধান্ত বদল করার আহ্বান জানান তিনি। এই ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করার প্রথম সারিতে রয়েছে যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) এবং যুক্তরাষ্ট্র।

এদিকে, ওমিক্রন দ্রুত পরিবর্তনশীল ও উচ্চ ঝুঁকিসম্পন্ন বলে প্রাথমিক তথ্য-উপাত্তে জানা গেছে। গত বুধবার (২৪ নভেম্বর) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনার এই নতুন ধরন ওমিক্রনের শনাক্তের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানায়, এটি দ্রুত রুপান্তর ঘটিয়ে ছড়ানোর সক্ষমতা রাখে অন্যান্য ধরনের তুলনায়।

এর আগে স্থানীয় সময় শনিবার (২৭ নভেম্বর) দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার বিষয়টির সমালোচনা করে। এতে বলা হয়, বিজ্ঞানের চমৎকার সাফল্যের জন্য সাধুবাদ জানানো উচিত, শাস্তি নয়। দক্ষিণ আফ্রিকা অনেক দ্রুত করোনার এই নতুন ধরন শনাক্ত করতে পেরেছে জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষার মাধ্যমে। কিন্তু সেটির শাস্তি পাচ্ছে তারা এখন।

দক্ষিণ আফ্রিকার স্বাস্থা মন্ত্রণালয় গত সপ্তাহে ২২ জন ওমিক্রন শনাক্তের খবর জানালেও এই নতুন ধরন এখন দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে।

 


আরও খবর



রাজধানীর গুলশানে স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৩ নভেম্বর ২০২১ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর গুলশানে সানা রেজওয়ান (১৪) নামের এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার ভোরে গুলশান-২-এর ৪১ নম্বর রোডের একটি বাড়ির সামনে থেকে সানার লাশ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের বরাত দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির বাচ্চু মিয়া বলেন, মা-বাবার সঙ্গে অভিমান করে রাত আড়াইটার দিকে ১০ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে সানা। ভোর সাড়ে ৪টার দিকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।’ বাচ্চু মিয়া আরও বলেন, তবে সত্যিই সে আত্মহত্যা করেছে, না-কি অন্য কোনো কারণে তার মৃত্যু হয়েছে, সেটি তদন্ত করা হচ্ছে।

জানা গেছে, ১২ তলা বাড়ির দশম তলায় মা-বাবার সঙ্গে থাকত সানা। তার বাবা একজন পোশাক ব্যবসায়ী। উত্তরার সানবিমস স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত সানা।

এ বিষয়ে গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শিল্পী আক্তার বলেন, সানা আত্মহত্যা করেছে বলে পরিবার জানিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য তার লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর
মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৪৬

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




দায়িত্ব নিয়েই পদত্যাগ করলেন সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৫ নভেম্বর ২০২১ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সুইডেনের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ৮ ঘণ্টার মাথায় পদত্যাগ করলেন ম্যাগদালিনা অ্যান্ডারসন। বুধবার (২৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জোটসঙ্গী গ্রিন পার্টির সমর্থন প্রত্যাহার ও পার্লামেন্টে বাজেট অনুমোদন করাতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি পদত্যাগ করেন।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্যমতে, নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে একটি বাজেট প্রস্তাবনা উত্থাপন করেছিলেন এ সোশ্যাল ডেমোক্র্যাট নেতা। কিন্তু প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান হয়ে যায়। এরপর ম্যাগদালিনার ওপর সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয় জোটসঙ্গী গ্রিন পার্টি । এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা দেন অ্যান্ডারসন।

এক সংবাদসম্মেলনে ম্যাগদালিনা জানান, সাংবিধানিক একটি চর্চা রয়েছে, জোট সরকারের একটি দল যখন জোট ছাড়ে তখন সরকার পদত্যাগ করে। আমি এমন কোনো সরকারের নেতৃত্ব দিতে চাই না যার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পার্লামেন্টে শরিক দলের সমর্থন নিয়ে ফের প্রধানমন্ত্রী পদে ফিরব।

এদিকে গ্রিন পার্টি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, পার্লামেন্টে বাজেট প্রত্যাখ্যান হওয়ার পর ম্যাগদালিনার ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করা সঠিক সিদ্ধান্ত। তবে বাজেট ইস্যুতে পার্লামেন্ট থেকে ওয়াক আউট করলেও পরবর্তীতে ম্যাগদালিনার আস্থা ভোটে গ্রিন পার্টি সমর্থন জানাতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে বামপন্থি দলটি।

এর আগে বুধবার দিনের প্রথমভাগে সুইডিশ আইনের জটিল মারপ্যাঁচে মাত্র এক ভোটের ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন ম্যাগডালেনা অ্যান্ডারসন। এতে দেশটির শতবছরের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে ইতিহাস গড়েন তিনি।

সুইডেনের নিয়ম অনুসারে, প্রধানমন্ত্রী হতে কারও তার পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পড়ার দরকার নেই, শুধু সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য তার বিরোধিতা না করলেই হলো। 


আরও খবর



দুর্ভোগ বিবেচনায় ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৫ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৫ নভেম্বর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পরীক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে পরিবহন মালিক শ্রমিকদের ডাকা পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য বৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে পরিবহন মালিক শ্রমিকরা শুক্রবার (০৫ নভেম্বর) থেকে পরিবহন ধর্মঘটের যে ডাক দিয়েছেন তাতে পরীক্ষার্থী এবং জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে এ ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (৫ নভেম্বর) সকালে পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী তার সরকারি বাসভবনে ব্রিফিংকালে পরিবহন মালিক শ্রমিকদের প্রতি এ আহ্বান জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আগামী ৭ নভেম্বর রোববার বিআরটিএর ভাড়া পুননির্ধারণ কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে সংশ্লিষ্ট স্টেক হোল্ডারদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে বাস্তবভিত্তিক মূল্য সমন্বয়ের মাধ্যম জনগণের উপর বাড়তি চাপ সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করা হবে।

এ সময় বঙ্গবন্ধু সেতু ও মুক্তারপুর সেতুর টোলভাড়া বৃদ্ধি প্রসঙ্গে ওবায়দুল কাদের বলেন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বৃদ্ধির কারণে অনুমোদিত যানবাহনের শ্রেণীবিন্যাস এবং টোলহার বৃদ্ধি করা হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু সেতুতে সর্বশেষ ২০১১ সালে টোলহার বাড়ানো হয়েছিল, দীর্ঘ ১০ বছর পর এই সেতুর টোলহার বাড়ানো হয়েছে। অন্যদিকে ২০০৮ সালে মুক্তারপুর সেতু চালু হওয়ার পর এই প্রথম সেখানে টোলহার বাড়ানো হয়েছে।

সেতুমন্ত্রী বাস্তবভিত্তিক ও যৌক্তিক হারে টোলের হার বৃদ্ধির বিষয়টি মেনে নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।


আরও খবর



জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশেগেুলোর চাহিদার স্বীকৃতি দাবি জানালেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বিশেষ করে দরিদ্রতম যে ৪৮টি দেশ সবচেয়ে বেশি পর্যদস্তু, অথচ বিশ্বে কার্বন নিঃসরণে যাদের অবদান মাত্র শতকরা ৫ ভাগ, তাদের অর্থায়ন চাহিদার আশু স্বীকৃতি দাবি করেছেন ধনী দেশগুলোর কাছে। তিনি প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নে সিভিএফ এবং কমনওয়েলথ দেশগুলোর যৌথ পদক্ষেপের পাশাপাশি বাস্তবসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থানীয়ভাবে প্রধান্য দিয়ে সমাধান খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি বলেন জলবায়ু পরিবর্তন এখন একটি বৈশ্বিক এবং আন্তঃসীমান্ত সমস্যা এবং এর মারাত্মক পরিণতি থেকে কোনো দেশই মুক্ত নয়।

প্রধানমন্ত্রী আজ এখানে কোপ২৬ সম্মেলনস্থলের কমনওয়েলথ প্যাভিলিয়নে সিভিএফ-কমনওয়েলথ হাই-লেভেল ডিসকাসন অন ক্লাইমেট প্রসপারিটি পার্টনারশিপ শীর্ষক আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণদানকালে একথা বলেন। 

শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু দুর্যোগের ক্রমবর্ধমান সংখ্যা এবং এই সবের প্রভাব নাজুক দেশগুলোকে অপূরণীয় ক্ষতির অগ্রভাগে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে, যা বিশ্বব্যাপী খাদ্য, জ্বালানি, স্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে প্রভাবিত করছে। এ প্রসঙ্গে, তিনি সাম্প্রতিক আন্তঃসরকারি প্যানেল অন ক্লাইমেট চেঞ্জ (আইপিসিসি) রিপোর্টের উল্লেখ করেন যা একটি স্পষ্ট বার্তা দেয় যে, এই গ্রহ এবং ভবিষ্যত প্রজন্মকে বাঁচাতে সকলকে জরুরি এবং সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ নিতে হবে।

এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি সিভিএফ সদস্য দেশ কমনওয়েলথের সদস্য এবং এসব দেশের জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন এবং অবদানের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, যৌথ প্রচেষ্টা সিভিএফ এবং কমনওয়েলথ সদস্য দেশগুলো প্যারিস চুক্তি বাস্তবায়নে অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে।

সিভিএফ-এর চেয়ার শেখ হাসিনা সিভিএফ এবং কমনওয়েলথের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতার জন্য ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন।

প্রস্তাবের প্রথম দফায় তিনি বলেন, আমাদের সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য টেকসই, সবুজ এবং প্রকৃতি-ভিত্তিক সমাধান অর্জনে আমাদের মধ্যে জ্ঞান ভাগ করে নেওয়া, গবেষণা এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রযুক্তি স্থানান্তর বাড়াতে হবে।

দ্বিতীয় দফায় তিনি বলেন, আমাদের অভিন্ন অবস্থান প্যারিস চুক্তিতে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, উন্নত দেশগুলোকে উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়নের লক্ষে বার্ষিক ১০০ বিলিয়ন ডলার সুরক্ষিত করতে আমাদের সাহায্য করতে পারে। জলবায়ু অর্থায়ন হতে হবে বিদ্যমান এবং ভবিষ্যত ওডিএর অতিরিক্ত। এই পরিমাণটি অভিযোজন এবং প্রশমনের মধ্যে ৫০:৫০ অনুপাতের সাথে বরাদ্দ করা উচিত।

তৃতীয়ত, তিনি বলেন, জলবায়ু অভিবাসীদের সমস্যা-জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, নদীভাঙন, বন্যা এবং খরার কারণে মানুষ তাদের পৈতৃক ভিটা এবং ঐতিহ্যবাহী  পেশা থেকে চ্যুত হয়েছে, যা আলোচনা করা দরকার এবং এইসব মানুষের পুনর্বাসনের জন্য বিশ্বব্যাপী দায়িত্ব¡ নিতে হবে।

চতুর্থ দফায়, তিনি বলেন, আমাদের ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রিতে রাখতে তাদের উচ্চাভিলাষী এবং আগ্রাসী এনডিসি ঘোষণা করতে প্রধান নির্গমনকারী দেশগুলোর ওপর চাপ হিসাবে কাজ করতে পারে।

এছাড়াও, জ্বালানির প্রয়োজনীয়তা মেটানোসহ সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নয়নশীল দেশগুলেতে পরিচ্ছন্ন ও সবুজ প্রযুক্তি হন্তান্তর করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি তাঁর পঞ্চম দফায় বলেন, একই সাথে, সিভিএফ এবং কমনওয়েলথ সদস্যদের উন্নয়ন চাহিদা বিবেচনায় নিতে হবে। তিনি বলেন, সর্বোপরি একসাথে আমাদেরকে অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় বাস্তবসম্মত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং স্থানীয়ভাবে পরিচালিত সমাধানগুলি খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে হবে।

তিনি বলেন, সিভিএফ-এর ৪৮ সদস্য দেশগুলো মোট বৈশ্বিক নির্গমনের মাত্র ৫ শতাংশের জন্য দায়ী, অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব আমাদের জীবন ও জীবিকার জন্য মৌলিক হুমকি সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, অধিকন্তু, কোভিড-১৯ মহামারী আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শক্তিশালী, সাহসী এবং দায়িত্বশীল পদক্ষেপের জন্য কার্যকর সহযোগিতা এবং সহযোগিতার তাৎপর্য প্রমাণ করেছে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে পর্যাপ্ত জলবায়ু অর্থায়ন এবং প্রযুক্তি হন্তান্তরের জন্য আমাদের দুর্বলতা এবং প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই স্বীকৃতি দিতে হবে। 

এই প্রসঙ্গে, তিনি বলেন, প্রধান নির্গমনকারী দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় আমাদের প্রচেষ্টায় আমাদের সমর্থন করার জন্য তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করতে হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের জন্য বাংলাদেশকে প্রায়ই গ্রাউন্ড জিরো বলা হয়। আমাদের দুর্বলতা এবং সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও, আমরা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় অনুকরণীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। তিনি একটি উচ্চাভিলাষী এবং হালনাগাদ এনডিসিরও উল্লেখ করেন, যা সম্প্রতি বাংলাদেশ ইউএনএফসিসিসিতে জমা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ উন্নয়নে স্বল্প-কার্বন পথ অনুসরণ করে জলবায়ুর দুর্বলতাকে জলবায়ুু সমৃদ্ধিতে রূপান্ততির করতে মুজিব জলবায়ু সমৃদ্ধি পরিকল্পনা চালু করেছে।


আরও খবর