আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

আইএসের অর্থ বিসয়ক প্রধান গ্রেফতার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) অর্থ বিসয়ক প্রধান সামি জসিম আল-জাবুরিকে গ্রেফতার করেছে ইরাক। 

এক অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটি। সামি জসিমকে ধরার জন্য তথ্য পেতে যুক্তরাষ্ট্র এক সময় ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।

প্রধানমন্ত্রী মুস্তাফা আল-কাদিমি জানিয়েছেন, ইরাকি বাহিনী দেশের সীমান্তের বাইরে চালানো এক জটিল নিরাপত্তা অভিযানে আইএসের এই উচ্চ পর্যায়ের নেতাকে গ্রেফতার করেছে।

সীমান্তের বাইরে কোথায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়, এ বিষয়ে তিনি কিছু বলেননি। 

তবে বার্তা সংস্থা এএফপি এক ইরাকি সামরিক কর্মকর্তার বরাত দিয়েছে জানিয়েছে, সামি জসিমকে তুরস্কে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু তুরস্ক এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো কথা বলেনি। 

এই সামি জসিম আবু বকর আল-বাগদাদীর ডেপুটি ছিলেন। বাগদাদী দু্'বছর আগে নিহত হন।

ইরাকী প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, সামি জসিম আইএসের খুবই গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তিনি এই চরমপন্থী গোষ্ঠীর তহবিলের দায়িত্বে ছিলেন। ইরাক ও সিরিয়া থেকে লুট করা তেল, গ্যাস ও পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন বিক্রি করা অর্থের হিসাব তার কাছেই থাকতো।  


আরও খবর



সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের উপনির্বাচন

‘ড. লিটন মনোনয়ন পেলে নৌকার জয় সহজ হবে’

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের উপনির্বাচনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজ্জাদ হায়দার লিটনকে নৌকার কাণ্ডারি করা হলে সহজ জয় পাওয়া যাবে বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ। পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা হিসেবে বিভিন্ন মহলে ড. লিটনের ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তিনি এলাকার জনসাধারণের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখেন। শাহজাদপুরের উন্নয়নেও ড. লিটন ও তাঁর বাবার অপরিসীম অবদান রয়েছে। সব মিলিয়ে আওয়ামী লীগ থেকে ড. লিটনকে মনোনয়ন দেওয়া হলে নৌকা সহজ জয় পাবে। এমনটাই জানিয়েছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শাহজাদপুরের উন্নয়নে সাজ্জাদ হায়দার লিটনের বাবা আব্দুল মতিন মোহন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। দুগ্ধ ও তাঁত শিল্প হলো শাহজাদপুরের অর্থনীতির প্রাণ। আর এ দুইটি শিল্পেরই অগ্রযাত্রা সূচনার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা মোহন। তিনি ১৯৮৩ সালে শাহজাদপুরে সরকারের চার হাজার বিঘা জমি অধিগ্রহণ করে সেখানে গো চারণভূমি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি তিন বছর শাহজাদপুর আপগ্রেড থানা উন্নয়ন কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। দুর্দিনে শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগকে সংগঠিত করার পেছনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল আব্দুল মতিন মোহনের। তিনি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর শাহজাদপুরে আওয়ামী লীগকে সক্রিয় রেখেছিলেন। এসব কারনে শাহজাদপুরের সাধারণ খেঁটে খাওয়া মানুষদের সঙ্গে ড. লিটনের পরিবারের একটি আত্মিক সম্পর্ক রয়েছে।

পোঁতাজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বলেন, শাহজাদপুরে ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটন ভাইয়ের ব্যাপক জনপ্রিয়তা আছে। তিনি পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির নেতা। উনাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে অবশ্যই জয়ী হতে পারবেন। তিনি এমপি হলে শাহজাদপুরের অসমাপ্ত উন্নয়ন কর্মকাণ্ডগুলোকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে পারবেন।

শাহজাদপুর উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রাশিদুল হায়দার বলেন, শাহজাদপুরের প্রত্যেকটা মানুষের সঙ্গে লিটন ভাইয়ের ভাল সম্পর্ক রয়েছে। তিনি সবসময় এলাকার মানুষের পাশে থাকেন। তিনিই একমাত্র যোগ্য প্রার্থী। বঙ্গবন্ধুর আদর্শের অনুসারীরা সবাই চায় লিটন ভাই মনোনয়ন পান। তাঁকে মনোনয়ন দেওয়া হলে নৌকার জয় নিশ্চিত।

শাহজাদপুরের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী তুহিন রেজা বলেন, নেতা হিসেবে লিটন ভাই সবচেয়ে যোগ্য। উনার শিক্ষা, সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা সবই ভাল। উনার মানুষের সেবা করার মন মানসিকতা রয়েছে। উনার বাবারও অনেক অবদান রয়েছে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য।

যুবলীগ নেতা মাসুক রহমান সূর্য বলেন, এলাকার মানুষের যেকোনো বিপদে আপদে পাশে দাঁড়ান লিটন ভাই। সামাজিক, সাংস্কৃতিক যেকোনো আয়োজনে তিনি সহযোগিতা করেন। তিনি সব শ্রেণি পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। ফলে অন্য যেকোনো প্রার্থীর চেয়ে ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তাই লিটন ভাই এগিয়ে আছেন।

জানতে চাইলে সাজ্জাদ হায়দার লিটন বলেন, পোঁতাজিয়া ইউনিয়নে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে আমি সক্রিয় ভূমিকা রেখেছি। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরদের জমিদারীর এলাকার মধ্যে থেকেই ৩শ বিঘা জমিতে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য আমি সংশ্লিষ্ট মহলকে বারংবার পরামর্শ দিয়েছি। এরই প্রেক্ষিতে কবিগুরুর জমিতেই রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন হয়।

তিনি বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আমরা মানুষের সেবা করে যাচ্ছি। শাহজাদপুরের উন্নয়নে আমার বাবা অপরিসীম ভূমিকা রেখেছেন। আমিও দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে নিজেকে সম্পৃক্ত রেখেছি। আমি মনে করি, আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হলে এবং আমি নির্বাচিত হলে জনসাধারণকে সঙ্গে নিয়ে শাহজাদপুরকে উন্নয়নের মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে পারব।


আরও খবর



ফোনে আড়ি পাতা বন্ধে রিট খারিজ করলেন হাইকোর্ট

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
গত ১০ আগস্ট ফোনে আড়ি পাতা বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে ফোনালাপ ফাঁসের ২০টি ঘটনা তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে

ফোনে আড়ি পাতা ও ফোনালাপ ফাঁস বন্ধে রিট সরাসরি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। বুধবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রেজা ই রাকিব।

রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ দিন ধার্য করেন।

গত ১০ আগস্ট ফোনে আড়ি পাতা বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে ফোনালাপ ফাঁসের ২০টি ঘটনা তদন্তের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের ১০ আইনজীবীর পক্ষে অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ রিট দায়ের করেন।

আইনজীবীরা হলেন- অ্যাডভোকেট রেজওয়ানা ফেরদৌস, উত্তম কুমার বণিক, শাহ নাভিলা কাশফী, ফরহাদ আহমেদ সিদ্দীকী, মোহাম্মদ নওয়াব আলী, মোহাম্মদ ইবরাহিম খলিল, মুস্তাফিজুর রহমান, জি এম মুজাহিদুর রহমান (মুন্না), ইমরুল কায়েস ও একরামুল কবির।

ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনকে (বিটিআরসি) রিটে বিবাদী করা হয়েছে।

২২ জানুয়ারি ফোনে আড়ি পাতা বন্ধে ৭ দিনের মধ্যে পদক্ষেপ জানতে চেয়ে সংশ্লিষ্টদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠান সুপ্রিম কোর্টের এই ১০ আইনজীবী।

নোটিশে ফোনালাপে আড়ি পাতা প্রতিরোধে আইন অনুযায়ী বিটিআরসি কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা জানতে চাওয়া হয়েছে। ২০১৩ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ১৬টি আড়ি পাতার ঘটনা নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে। তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী খালেদা জিয়ার সংলাপ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ফোনালাপ, প্রয়াত সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ও রাজশাহী মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার নাজমুল হাসানের ফোনালাপ উল্লেখযোগ্য। এসব আড়ি পাতার ঘটনা বাংলাদেশের গণমাধ্যমে বহুল প্রচারিত হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।

নোটিশে বলা হয়, সার্বজনীন মানবাধিকার সনদপত্র, নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী পৃথিবীর সব আধুনিক ব্যবস্থায় ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অধিকার স্বীকৃত ও সংরক্ষিত। এরই ধারাবাহিকতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে চিঠিপত্র ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনীয়তা সংরক্ষণ নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এই অধিকার সংবিধান কর্তৃক নিশ্চিত করা হয়েছে। অর্থাৎ সংবিধানের তৃতীয়ভাগে উল্লেখিত মৌলিক অধিকারগুলোর মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংরক্ষণ অন্যতম। এছাড়াও ২০০১ সালের ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি অ্যাক্ট, ২০০১ প্রণয়ন করা হয়। এই আইনের ধারা ৬ অনুযায়ী টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়। ধারা ৩০(চ) অনুযায়ী টেলিযোগাযোগের একান্ততা রক্ষা নিশ্চিত করা এই কমিশনের দায়িত্ব।

কিন্তু লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, এই ধরনের ফোনালাপ ফাঁসের ঘটনা অহরহ ঘটছে। অথচ বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রচলিত আইন অনুযায়ী কমিশনের দায়িত্ব হলো ব্যক্তিগত গোপনীয়তা সংরক্ষণ নিশ্চিত করা।

নোটিশের জবাব না পাওয়ায় এ রিট করা হয় বলে জানিয়েছেন আইনজীবী শিশির মনির।


আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




করোনা টিকার বুস্টার ডোজ নিলেন বাইডেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন করোনা টিকার বুস্টার ডোজ নিয়েছেন। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। গতকাল সোমবার হোয়াইট হাউসে বুস্টার ডোজ নেন বাইডেন। তিনি আগে ফাইজার-বায়োএনটেকের দুই ডোজ টিকা নিয়েছিলেন। সে ধারাবাহিকতায় বুস্টার ডোজ হিসেবে ফাইজার-বায়োএনটেকের তৃতীয় ডোজ নিলেন তিনি।

গত বছরের ডিসেম্বরে বাইডেন করোনা টিকার প্রথম ডোজ নেন। প্রথম ডোজ নেওয়ার তিন সপ্তাহ পর চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনি দ্বিতীয় ডোজ নেন। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ফাইজার-বায়োএনটেকের টিকার বুস্টার ডোজের অনুমোদন দেয়। ৬৫ বছর বয়সী বা এর চেয়ে বেশি বয়সী ব্যক্তিদের জন্য এ ডোজের অনুমোদন দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে গুরুতর রোগের উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি ও করোনায় সংক্রমিত হওয়ার উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এ বুস্টার ডোজ ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) এ অনুমোদনের অর্থ হলো দেশটির জনসংখ্যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ করোনার টিকার দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণের ছয় মাস পর তৃতীয় ডোজ নিতে পারবে।

১৬ বছর বা তার বেশি বছর বয়সী প্রত্যেকের জন্য ফাইজারের বুস্টার ডোজের পূর্ণ অনুমোদনের একটি প্রাথমিক পরিকল্পনা করেছিল হোয়াইট হাউস। তবে হোয়াইট হাউসের এ পরিকল্পনা নাকচ করে বিশেষজ্ঞ প্যানেল।

বাইডেনের বয়স এখন ৭৮ বছর। বুস্টার ডোজ নেওয়ার সময় তিনি তাঁর বয়স নিয়েও মজা করেন। বলেন, তাঁর বয়স ৬৫ বছরের ওপরে। যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো করোনার টিকা নিতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রে করোনার সংক্রমণ অব্যাহত আছে। বাইডেন বলেন, ৭৭ শতাংশ আমেরিকান করোনার টিকা পেয়েছেন। কিন্তু এ সংখ্যা যথেষ্ট নয়।

এখনো এক-চতুর্থাংশ আমেরিকান করোনার টিকা নিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন। বাইডেন বলেন, যেসব আমেরিকান এখনো করোনার টিকা নিচ্ছেন না, তাঁরা দেশের ক্ষতি করছেন।



আরও খবর



অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন তিনজন

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছর অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন জোশুয়া ডি অ্যাঙ্গরিস্ট, ডেভিড কার্ড এবং গুইডো ডব্লিউ ইমবেনস। সোমবার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বেলা ৩টা ৫৫মিনিটে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস ২০২১ সালের অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করে।

এর আগে গেল বছর নিলাম তত্ত্বের উন্নতি এবং নতুন নিলাম বিন্যাস উদ্ভাবনের স্বীকৃতি হিসেবে অর্থনীতিতে যৌথভাবে নোবেল পেয়েছিলেন দুই মার্কিন অর্থনীতিবিদ পল আর. মিলগ্রোম ও রবার্ট বি. উইলসন।

উনবিংশ শতাব্দীতে সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল আবিষ্কার করেছিলেন ডিনামাইট নামে ব্যাপক বিধ্বংসী বিস্ফোরক। যা তাকে বিপুল পরিমাণ অর্থ-সম্পত্তির মালিক করে তোলে। মৃত্যুর আগে তিনি উইল করে যান- প্রতি বছর চিকিৎসা, পদার্থ, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি এবং অর্থনীতিএই ৬টি বিষয়ে যারা বিশেষ অবদান রাখতে পারবেন তাদের যেন এই অর্থ থেকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।

গত ৪ অক্টোবর চিকিৎসার নোবেল বিজয়ী হিসেবে লেবানিজ বংশোদ্ভূত মার্কিন বিজ্ঞানী আর্ডেম পাতাপুতিয়ান ও মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড জুলিয়াসের নাম ঘোষণার মাধ্যমে চলতি বছরের নোবেল পুরস্কারের অনুষ্ঠানের শুরু হয়। আর অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী ঘোষণার মধ্য দিয়ে সোমবার চলতি বছরের নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা শেষ হলো।

১৯০১ সালে পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান, সাহিত্য, চিকিৎসা বিজ্ঞান ও শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়। ১৯৬৮ সালে সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ভেরিজ রিক্সব্যাংকের এই পুরস্কারের প্রবর্তন করে। পরের বছর থেকে রয়্যাল সুইডিশ একাডেমি অব সায়েন্সেস অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার প্রদান শুরু করে।

উল্লেখ্য, সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেলের সম্মানে এই পুরস্কারের পুরো নাম রাখা হয় আলফ্রেড নোবেল স্মৃতি রক্ষার্থে অর্থনীতিতে ভেরিজ রিক্সব্যাংক পুরস্কার।


আরও খবর



সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা আসছে রাতে

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ২৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীন থেকে আজ বুধবার রাতে সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে দেশে। বুধবার দিবাগত গভীর রাত অর্থাৎ ২১ অক্টোবরের প্রথম প্রহরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

আজ রাতে চীন থেকে টিকার চালান আসার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ।

এর আগে গত সোমবার রাত ১১টায় চীনের সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ এবং একই দিন দিবাগত রাত ১২টায় নেদারল্যান্ড থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ১০ লাখ ডোজসহ ২০ লাখ ডোজ টিকার চালান আসে।

চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে করোনার টিকা নিবন্ধনকারী সংখ্যা সাড়ে পাঁচ কোটি ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে পাঁচ কোটি ৪২ লাখ ৫৮ হাজার ২১৫ জন ও পাসপোর্ট এর মাধ্যমে সাত লাখ ৭৭ হাজার ৪৬১ জন নিবন্ধন করেন।

সর্বশেষ গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট নতুন আরো ৫লাখ ৬২হাজার ২৭৪জন টিকা গ্রহণ করেন। এ নিয়ে দেশে টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ কোটি ৮৮লাখ ১হাজার ৫৫জনে দাঁড়িয়েছে।

তাদের মধ্যে প্রথম ডোজের ৩কোটি ৯১লাখ ৬৮ হাজার ৯৪৮জন ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণ করেছেন ১কোটি ৯৬লাখ ৩২ হাজার ৫৯ ১০৭জন।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১