আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

আমার লাশ যেন পোস্টমর্টেম করা না হয়: খাতায় লিখে আত্মহত্যা

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ১০৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমার লাশ যেন পোস্টমর্টেম করা না হয়, সবাই আমার জানাজাতে শরীক হবেন। নিজের খাতার পাতায় কথাগুলো লিখে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফারহানা (১৫) নামে এক স্কুলছাত্রী আত্মহত্যা করেছে। বুধবার সকালে মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার পানিঘাটায় মামা আশরাফ মুন্সীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ফারহানা পলাশবাড়িয়া ইউনিয়নের মণ্ডলগাতি গ্রামের জামাল উদ্দিনের মেয়ে এবং আলহাজ কাজী আব্দুল ওয়াহেদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী।

ফারহানার মামা আশরাফ মুন্সী জানান, নানির সঙ্গে কথাকাটাকাটি হওয়ায় অভিমান করে। পরে তার ঘরে গিয়ে সবার অগোচরে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। পরে দেখতে পেয়ে মৃত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। ঘটনার সময় বাড়ির সবাই কাজের জন্য বাইরে ছিলেন।

তবে কী কারণে ফারহানা আত্মহত্যা করেছে, এ বিষয়ে তার পরিবারের লোকজন কিছুই বলতে পারেননি।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে মহম্মদপুর থানার ওসি নাসির উদ্দীন বলেন, খাতায় একটি লেখা পাওয়া গেলেও তদন্তের জন্য তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাগুরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



‘মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে’

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | ১১৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তৈরি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমি অডিটোরিয়ামে একাডেমির প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রয়াত ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদের নামে একাডেমির অডিটোরিয়ামের নামকরণের ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, "স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে মেরিন ফিশারিজ একাডেমি প্রতিষ্ঠিত। এ একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ক্যাডেটদের মনে রাখতে হবে, স্বাধীন বাংলাদেশে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রথম বঙ্গবন্ধু তৈরি করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তৈরি হতে হবে। তাদের আচরণ, গুণগত মান, উৎকর্ষ, কর্তব্য, দায়িত্বশীলতা, সততা, সৃজনশীলতা দেশে ও দেশের বাইরে যেন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে, সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। বিদেশের একটা জাহাজে একজন ক্যাডেট যখন কাজ করবেন, তার আচরণ, প্রজ্ঞা, কর্মদক্ষতা দিয়ে পরিস্ফুট হবে যে, এই হচ্ছে বাংলাদেশ। ক্যাডেটদের প্রত্যেককে বাংলাদেশের একজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার এটা প্রত্যাশা করে"।

একাডেমির ক্যাডেটদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও যোগ করেন, "দায়িত্বের প্রতি সবসময় পবিত্রতার সাথে মনোযোগী থাকবেন। দায়িত্বের কোন সীমারেখা টানবেন না। কাজের মধ্যে যেন নিষ্ঠা থাকে, ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকে। দায়িত্বকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে। তা নাহলে নিজের মেধার বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধন করা সম্ভব হবে না। আপনারা অধ্যাবসায়ী হবেন, যাতে জীবনে ব্যর্থতা গ্রাস করতে না পারে"।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির উন্নয়নে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা একাডেমির প্রাক্তন অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদের অবদানের কথা এ সময় স্মরণ করেন মন্ত্রী।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ওয়াসিম মকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, যুগ্মসচিব ড. মো. মশিউর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য দপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা সুলতানা, মেরিন ফিশারিজ একাডেমির কর্মকর্তাগণ এবং প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে 'ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদ অডিটোরিয়াম' নামে মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অডিটোরিয়ামের নামকরণের ফলক উন্মোচন এবং ফিতা কেটে নতুন নামকরণকৃত অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৭ অক্টোবর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুদকের দায়ের করা মামলায় স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ কেএম ইমরুল কায়েশের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আবুল কালাম আজাদ জামিন আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। পরে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে ৬ অক্টোবর একই আদালতে আবুল কালাম আজাদ জামিনের জন্য আবেদন করেন। কিন্তু সেদিন বিচারক অন্য মামলা নিয়ে ব্যস্ত থাকায় তাকে অন্য কোনোদিন আসতে বলেন।

৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচারক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারি।

চার্জশিটভুক্ত অপর পাঁচ আসামি হলেন-রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদ ওরফে সাহেদ করিম, স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক পরিচালক আমিনুল হাসান, উপ-পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. ইউনুস আলী, সহকারী পরিচালক (হাসপাতাল-১) ডা. মো. শফিউর রহমান এবং গবেষণা কর্মকর্তা ডা. মো. দিদারুল ইসলাম।

গত বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর পাঁচ জনকে আসামি করে মামলাটি করেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী। দীর্ঘ একবছর পর এ মামলার তদন্ত শেষে অভিযোগপত্র অনুমোদন চেয়ে কমিশনে প্রতিবেদন দেন তদন্ত কর্মকর্তা।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে লাইসেন্স নবায়নবিহীন বন্ধ রিজেন্ট হাসপাতালকে ডেডিকেটেড কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর, মেমোর‌্যান্ডাম অব আন্ডারস্ট্যান্ডিং সম্পাদন ও সরকারি প্রতিষ্ঠান নিপসমের ল্যাবে তিন হাজার ৯৩৯ জন কোভিড রোগীর নমুনা বিনামূল্যে পরীক্ষা করিয়েছেন।

এতে আরও বলা হয়, যেখান থেকে অবৈধ পারিতোষিক বাবদ রোগীপ্রতি সাড়ে তিন হাজার টাকা হিসেবে এক কোটি ৩৭ লাখ ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়া রিজেন্ট হাসপাতালের মিরপুর ও উত্তরা শাখার চিকিৎসক, নার্স, ওয়ার্ডবয় ও অন্য কর্মকর্তাদের খাবার খরচ বরাদ্দের বিষয়ে এক কোটি ৯৬ লাখ ২০ হাজার টাকার মাসিক চাহিদা তুলে ধরেছেন।


আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টি করলে উচিত জবাব দেওয়া হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, কুমিল্লার মূল অভিযুক্তরা পালিয়ে বেড়ালেও খুব শিগগিরই তাদের গ্রেফতার করা হবে। যারা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন, উসকানি দিচ্ছেন, তাদের জবাব দিতেই হবে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে র‌্যাব সদরদপ্তরে তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও সার্বিক ব্যবহার র‌্যাবের সকল ব্যাটালিয়ন ও ক্যাম্প পর্যায়ে বিস্তৃত করার লক্ষে র‌্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন' শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কুমিল্লার পূজা মণ্ডপে যে ঘটনা ঘটিয়েছে, তাকে আমরা শনাক্ত করেছি। সে বার বার তার অবস্থান পরিবর্তন করছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে আমরা ধরে ফেলতে পারব। কুমিল্লায় কেন সে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তা আমরা জানতে পারব।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কোনো পূজামণ্ডপে এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। কিন্তু এখন দেখলাম। চাঁদপুরে আমাদের পুলিশ যথাচেষ্টা করেও যখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি, তখন ফায়ার করতে বাধ্য হয়।

মন্ত্রী বলেন অতীতেও ফেসবুকে মিথ্যে প্রচারের মাধ্যমে রামু, নাসিরনগর ও ভোলায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা করা হয়েছে।

যারা এই ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছেন, তাদের হুশিয়ার করে দিচ্ছি। তাদের অবশ্যই খুঁজে বের করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করবে। জবাব দিতে হবে তাদের, কেনো তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বিনষ্ট করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তথ্য প্রযুক্তির সর্বোত্তম ও সার্বিক ব্যবহারে র‍্যাব ফোর্সেসের সব ব্যাটেলিয়ন ও ক্যাম্প পর্যায়ে বিস্তৃত করার লক্ষে র‍্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন শীর্ষক কার্যক্রমের উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী বলেন, অপরাধীদের শনাক্ত করতে র‌্যাব আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল। আমি প্রত্যাশা করব, সুযোগ-সুবিধা ব্যবহারে র‌্যাব আরও কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




সব ধর্মের মানুষ নিজ ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ২২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
শিশুর নিরাপত্তা, শিশু অধিকার আইন তো জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে করে দিয়ে গেছেন। প্রাথমিক শিক্ষাটাকে অবৈতনিক করে দিয়ে গেছেন, বাধ্যতামূলক করে দিয়ে গেছেন

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক চেতনার দেশ। সব ধর্মের মানুষ তার ধর্ম পালন করবে স্বাধীনভাবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। তিনি বলেন, এত রক্ত ক্ষয়, এত কিছু বাংলাদেশে ঘটে গেছে, আর যেন এ ধরনের ঘটনা না ঘটে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট ছেলে শেখ রাসেলের জন্মদিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যুক্ত হন তিনি।

পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, খুনিদের প্রতি খালেদা জিয়ার এই যে পক্ষপাতিত্ব এটার কারণটা কী? কারণটা খুব স্পষ্ট। কারণ, খুনি মোশতাকের সঙ্গে  জিয়াউর রহমান সম্পূর্ণভাবে এই খুনের সঙ্গে জড়িত ছিল। এই রাসেলকে সর্বশেষে হত্যা করা হয়। বলা হয়েছিল, ওই ছোট্ট শিশুটি যেন বাঁচে না। এই নির্দেশটা কে দিয়েছিল? কারা দিয়েছিল? সব শেষে, সব চেয়ে এটাই কষ্টের।

তিনি বলেন, যখন বিরোধী দলে ছিলাম তখনও চেষ্টা করেছি, এখনও চেষ্টা করি এই দেশের শিশুরা তাদের লেখাপড়া, তাদের চিকিৎসা ব্যবস্থা, তারা যেন নিয়মিত স্কুলে যেতে পারে। আজকে যেমন আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশ করেছি, সেই ডিজিটাল বাংলাদেশ, সেইটা তৈরি করার জন্য তাদেরকে প্রস্তুত করা, তাদেরকে ট্রেনিং দেওয়া, সব রকম ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

সরকার প্রধান বলেন, শিশুর নিরাপত্তা, শিশু অধিকার আইন তো জাতির পিতা ১৯৭৪ সালে করে দিয়ে গেছেন। প্রাথমিক শিক্ষাটাকে অবৈতনিক করে দিয়ে গেছেন, বাধ্যতামূলক করে দিয়ে গেছেন। কাজেই আমার বাবার আদর্শ নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। আমাদের এই দেশের শিশুরা যেন আর  এই নির্মমতার শিকার না হয়।’

তিনি বলেন, কিন্তু দুর্ভাগ্য আমাদের, এখনও আমরা দেখি, সেই নির্মমতা এখনও মাঝে মাঝে দেখি। পরবর্তীতেও আমরা দেখেছি। কিন্তু এইটা যেন না হয়। দেখেছি, আগুন দিয়ে পুড়িয়ে কীভাবে হত্যা করা হচ্ছে জ্যান্ত মানুষগুলোকে, শিশুকে পর্যন্ত। এই খালেদা জিয়া বিরোধী দলে থাকতে অগ্নিসন্ত্রাস করে চলন্ত বাসে আগুন দিয়ে মানুষ পুড়িয়েছে। বাপ দেখেছে নিজের চোখের সামনে আগুনে পুড়ে সন্তান মারা যাচ্ছে। সে রকম নিষ্ঠুর ঘটনা তো বাংলাদেশে ঘটেছে। এটাই হচ্ছে সব থেকে দুর্ভাগ্য এই বাংলাদেশের।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি এইটুকু চাইবো, এখানে মানবতার প্রশ্ন যারা তোলে, তারা যেন এই ঘটনাগুলো ভালোভাবে দেখে যে, বাংলাদেশে কী ঘটলো। কিন্তু আমরা সরকারে আসার পর থেকে আমাদের প্রচেষ্টা— যেকোনও শিশু রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে না, টোকাই থাকবে না। তাদের যেন একটা ঠিকানা থাকে, তারা যেন একটু ভালোভাবে বসবাস করতে পারে।’

তিনি বলেন, আমাদের একটাই লক্ষ্য— এই দেশের প্রতিটি গৃহহীন মানুষ একটা ঘর পাবে। প্রতিটি মানুষ শিক্ষা পাবে। চিকিৎসা পাবে। ভালোভাবে বাঁচবে। প্রতিটি শিশু তার যে মেধা, তার যে জ্ঞান, তার যে বুদ্ধি সেটা যেন বিকশিত হতে পারে। বাংলাদেশকে তারা যেন সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেই চেষ্টাই আমি করে যাচ্ছি।’


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




বিবাহবিচ্ছেদে ৫০ কোটি রুপি পাচ্ছেন অভিনেত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিবাহবিচ্ছেদের পথেই হাঁটছেন দক্ষিণ ভারতীয় দুই তারকা নাগা চৈতন্য ও সামান্থা আক্কিনেনি। কাউন্সেলিং করেও তাদের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা যাচ্ছে না। দুজনেই বিচ্ছেদের সিদ্ধান্তে অনড়।

এরই মধ্যে ডিভোর্সের আবেদন করেছেন দুজনই। আর এই বিচ্ছেদের পর চৈতন্যের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের খোরপোশ পাচ্ছেন সামান্থা।

বিয়ের খরচের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি খোরপোশ পাবেন সামান্থা। ২০১৭ সালে ভারতের পর্যটন নগরী গোয়ায় ধুমধামে বিয়ের আয়োজন সম্পন্ন করেছিলেন এ দুই তারকা। সেই জমকালো আয়োজনে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ১০ কোটি রুপি। সে অর্থে বিচ্ছেদের খোরপোশ বাবদ অন্তত ৫০ কোটি রুপি পাবেন এ নায়িকা।

ভারতের শোবিজের গুঞ্জন আগামী ৭ অক্টোবর বিবাহবিচ্ছেদের ঘোষণা দেবেন সামান্থা ও চৈতন্য। কারণ চার বছর আগে এই দিনেই একে অপরের জীবনসঙ্গী হয়েছিলেন তারা। অর্থাৎ ডিভোর্সের জন্য বিয়ের দিনকেই বেছে নিতে চাইছেন তারা।

যদিও বিচ্ছেদ ইস্যুতে এখনও পর্যন্ত সামান্থা বা চৈতন্যের মুখে সরাসরি কিছুই শোনা যায়নি। এ নিয়ে গণমাধ্যমে তেমন কোনো তথ্যও দেননি তারা। তবে একে অপরের থেকে যে বেশ দূরে সরে গেছেন তা নিশ্চিত।

প্রসঙ্গত দক্ষিণী মেগাস্টার নাগার্জুনার পুত্র নাগা চৈতন্য। ২০০৯ সালে জোশ সিনেমার মধ্য দিয়ে তিনি সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন। অন্যদিকে সামান্থার ক্যারিয়ার শুরু হয় ২০১০ সালের ইয়ে মায়া চেসাভ সিনেমা দিয়ে। যেখানে তার নায়ক ছিলেন চৈতন্য। একসঙ্গে কাজ করতে গিয়েই তাদের মধ্যে ভালোলাগা ও ভালোবাসা সৃষ্টি হয়।


আরও খবর
গাছের সঙ্গে বিয়ে হবে নয়নতারার

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১