আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

বাগেরহাটের এক গুদামেই মিললো ৩৮০০ লিটার তেল

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভোজ্য তেলের তীব্র সংকটের মধ্যে বাগেরহাট শহরের তেলপট্টীর শ্রী ভান্ডারের গুদাম থেকে ফ্রেস ও পুষ্টি ব্যান্ডের ৩ হাজার ৮শো লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ ইমরানের ভ্রাম্যমান আদালত বুধবার (১১ মে) এই তেল উদ্ধার করেন। মুহুর্তেই ৩ হাজার ৮শ লিটার সয়াবিন তেল কিনে নিলো উপস্থিত সাধারণ ক্রেতারা।

এ সময় অবৈধভাবে সয়াবিন মজুদ করে রাখার অপরাধে ব্যবসায়ী মদন সাহাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই অভিযোগে বাগেরহাট শহরের নাগেরবাজার এলাকার মুদি ব্যবসায়ী সুভাষ পাল ও রবীন পালকে ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

বাগেরহাট জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ ইমরান জানান, বুধবার দুপুরে বাগেরহাট শহরের তেলপট্টীর শ্রী ভান্ডার নামক তেলের দোকানের গুদামে অভিযানকালে তেল মজুদকারী মদন সাহার বক্তব্যে আমরা হতভম্ব হয়ে যাই।

ওই অসাধূ তেল ব্যবসায়ী দাবী করেন, দেশব্যাপী ভোজ্য তেলের তীব্র সংকটের মধ্যেও ক্রেতা না পাওযায় তার গুদামে ফ্রেস ও পুষ্টি ব্যান্ডের ৩ হাজার ৮শ লিটার সয়াবিন তেল রয়ে গেছে। তার এই দাবী মুহুর্তেই মিথ্যা প্রমাণিত হয়। সাধারণ ক্রেতারা মাত্র ২৫ মিনিটের মধ্যে ১৬০ টাকা লিটার দরে ৩ হাজার ৮শ লিটার সয়াবিন তেল কিনে নেয়। অবৈধভাবে সয়াবিন মজুদ করে রাখার অপরাধে ব্যবসায়ী মদন সাহাকে ৭০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযানকালে তেল ক্রেতা মনিরুল ইসলাম বলেন, বাজারে বর্তমানে বোতলজাত সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৯৮ টাকা এবং খোলা সয়াবিন তেল ১৮০ টাকা থেকে ২১০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কিন্তু ১৫২ টাকা দরে আমি ৫ লিটার তেল কিনেছি। এতে প্রায় আমার ২৫০ টাকা সাশ্রয় হয়েছে। এভাবে যদি মাঝে মাঝে সরকারি কর্মকর্তারা অভিযান পরিচালনা করেন তাহলে আমাদের কিছুটা উপকার হয়।


আরও খবর



করোনা: বিশ্বে আরও দেড় হাজার মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে পৌনে ৬ লাখের নিচে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জার্মানিতে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে ব্রাজিল, ইতালি, রাশিয়া, ফ্রান্স ও জাপান। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫১ কোটি ৯০ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬২ লাখ ৮২ হাজার।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৪৯২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে দুই শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬২ লাখ ৮২ হাজার ৬২ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৭১ হাজার ১০২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ২০ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ কোটি ৯০ লাখ ৪ হাজার ৭০৪ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জার্মানিতে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ হাজার ১০২ জন এবং মারা গেছেন ২২৭ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ২৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ জন মারা গেছেন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৮৭ জন এবং মারা গেছেন ২২৬ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ৩৯ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১০ লাখ ২৫ হাজার ৭৬৪ জন মারা গেছেন।

ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ২৯৯ জন এবং মারা গেছেন ৯৬ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৯০ লাখ ৬১ হাজার ৫২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫ জন মারা গেছেন। একইসময়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ১৭ জন এবং মারা গেছেন ৫০ জন।

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৮ জন এবং নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৪ হাজার ১০২ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৮২ লাখ ৪১ হাজার ৩২৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ২৪৮ জনের। একইসময়ে থাইল্যান্ডে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৬৫০ জন এবং মারা গেছেন ৫৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৮৯৯ জন এবং মারা গেছেন ২৯ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭৬ লাখ ৫৮ হাজার ৭৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৩ হাজার ৪৯১ জন মারা গেছেন। গত একদিনে অস্ট্রিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৯৯১ জন এবং মারা গেছেন ৮ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১২১ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ২৩ হাজার ৩৯৮ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৬৪ জনের।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ হাজার ২৭৫ জন। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ৩১ লাখ ১২ হাজার ৮৬১ জন এবং মারা গেছেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ১৫৭ জন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অস্ট্রেলিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৮ জন এবং মারা গেছেন ৫১ জন। একই সময়ে কানাডায় নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৬ জন এবং মারা গেছেন ৫২ জন। গ্রিসে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৭৬১ জন এবং মারা গেছেন ২৭ জন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



হজের নিবন্ধন চলবে ১৬ থেকে ১৮ মে তিন দিন

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলতি বছর হজ যাত্রী নিবন্ধন চলবে মাত্র তিন দিন। সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ পালনের জন্য হজযাত্রী নিবন্ধন শুরু হবে আগামী ১৬ মে। চলবে ১৮ মে পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ করে নিবন্ধিত হতে হবে।

বৃহস্পতিবার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ‌২০২২ সালের হজযাত্রী নিবন্ধনের বিজ্ঞপ্তি’তে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, সরকারি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ২০২০ সালের নিবন্ধিত সকল হজ যাত্রী এবং প্রাক-নিবন্ধনের সর্বশেষ ক্রমিক নম্বর ২৫ হাজার ৯২৪ পর্যন্ত এ বছর হজের নিবন্ধনের আওতায় আসবেন। বেসরকারি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ২০২০ সালের সকল নিবন্ধিত ব্যক্তি এবার নিবন্ধনের আওতায় আসবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, হজযাত্রী নিবন্ধনের জন্য আবশ্যই পাসপোর্ট থাকতে হবে। পাসপোর্ট স্ক্যান করে নিবন্ধন তথ্য পূরণ করতে হবে। হজযাত্রীর পাসপোর্টের মেয়াদ হজের দিন থেকে পরবর্তী ছয় মাস অর্থাৎ ২০২৩ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত থাকতে হবে। হজযাত্রীর দাখিল করা পাসপোর্টের সঠিকতা অনলাইনে যাচাই করা হবে।

নিবন্ধনের পর কোনো হজযাত্রী কোনো কারণে হজে যেতে না পারলে শুধু বিমান ভাড়া এবং খাবার বাবদ গ্রহণ করা টাকা ফেরত পাবেন। তবে বিমানের টিকিট নিশ্চিত হওয়ার পর হজযাত্রা বাতিল করলে বিমানের টিকিটের টাকাও ফেরত পাবেন না বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে ২০২০ সালে নিবন্ধিত হজযাত্রীদের জন্য অনুসরণীয় বিষয়াদি, ২০২২ সালে নির্বাচিত প্রাক-নিবন্ধিত হজযাত্রীদের জন্য অনুসরণীয় বিষয়াদি, বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজযাত্রীদের জন্য নিবন্ধন স্থানান্তরের জন্য অনুসরণীয় বিষয়াদি নিয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: হজের নিবন্ধন

আরও খবর



১ হাজার টাকার লাল নোট অচলের খবর গুজব

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১ হাজার টাকা মূল্যমানের লাল নোট বা অন্য কোনো নোটই অচল করেনি বাংলাদেশ ব্যাংক। এ নোট অচল করার যে তথ্য ছড়িয়েছে, তা মিথ্যা।

বুধবার (১১ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সহকারী মুখপাত্র জী এম আবুল কালাম আজাদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ১০০০ টাকা মূল্যমানের লাল নোট আগামী ৩০ মে ২০২২ তারিখের পর অচল হিসেবে গণ্য হবে মর্মে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অন্যান্য অনলাইন প্লাটফর্মে গুজব/বিভ্রান্তিকর যে তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, তা বাংলাদেশ ব্যাংকের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, জনসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ১০০০ টাকা মূল্যমানের লাল নোট বা অন্য কোনো নোট অচল ঘোষণা করা হয়নি। জনসাধারণকে এ ধরনের গুজব/বিভ্রান্তিকর তথ্য আমলে না নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: বাংলাদেশ ব্যাংক

আরও খবর



ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বেপরোয়া গতির নাম ‘সেলফি’

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক এক সময় মরণ ফাঁদ নামে পরিচিত ছিলো। তবে এ মহাসড়কে বাঁক প্রশস্তকরনসহ বেশ কিছু উন্নয়ন মূলক কাজের ফলে কমে আসতে শুরু করে দুর্ঘটনার পরিমাণ। এছাড়া সড়কের মানিকগঞ্জ অংশে  যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনা রোধে বাসস্ট্যান্ড এলাকাগুলোতে ডেডিকেটেড লেনসহ সার্ভিস লেন  ও বাস-বে নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে সড়ক বিভাগ। তবে সম্প্রতি এ মহাসড়কে আবারো বেড়েছে দুর্ঘটনা। সেলফি নামের পরিবহন বাসের বেপোরোয়া গতির কারণে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।

সামাজিক সংগঠক তৌফিক খান বলেন, মানিকগঞ্জের সেঙ্গে ঢাকার যোগাযোগের অন্যতম আরামদায়ক মাধ্যম সেলফি পরিবহন। তবে এই বাসের চালকরা মহাসড়কে বেপোরোয়াভাবে গাড়ি চালান। ফলে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। দ্রুত মহাসড়কে সেলফির গতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বিপদ বাড়বে। এ বিষয়ে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো উচিত।

মানিকগঞ্জ উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মামুন বলেন, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের মানিকগঞ্জে সম্প্রতি সেলফি পরিবহনের দুর্ঘটনা বেড়েছে। অহেতুক ওভারটেকিং, দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানো ও অদক্ষ চালকদের কারণে এসব দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব পরিবহনের চালকরা কাউকে তোয়াক্কা করে না। দ্রুত সেলফি গাড়ির রুট পারমিট বাতিল করা উচিত।  প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত চালক নিয়োগের পর সেলফি গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া উচিত। 

সেলফি পরিবহনের পরিচালক মো.রফিকুল ইসলাম বলেন, পাটুরিয়া থেকে গাবতলী পর্যন্ত প্রতিদিন ১২০ থেকে ১২৫ টি গাড়ি চলাচল করে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশে আমাদের চালকদের আরো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

বরংগাইল হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জাকির হোসেন বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণে হাইওয়ে পুলিশ কাজ করছে। স্পিড মিটারে নির্ধারিত গতিসীমা পার হলে মামলা দেওয়া হচ্ছে। সেলফি বাসগুলোকেও নির্ধারিত গতিসীমার বেশি চলাচল করায় একাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি সেলফি পরিবহনের ব্যবস্থাপনা কমিটিকে এসব বিষয় জানানো হয়েছে।

জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আরিফা জহুরা বলেন, জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে। সেলফি পরিবহনের বাসগুলোকে নানা কারণে সড়ক পরিবহন আইনে জরিমানা করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বৃহস্পতিবার (১৩ মে) জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে আঞ্চলিক সড়ক পরিবহন কমিটির সভায় সেলফি গাড়ির ব্যবস্থাপনা কমিটিকে বাসগুলোকে যথোপযুক্ত আইন মেনে চলার কথা জানানো হয়েছে। ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যরা চালকদের আরো প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।


আরও খবর



‘সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তে ১০ হাজার নৌযানে নতুন প্রযুক্তি সংযোজন হচ্ছে’

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৮৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে নতুন যন্ত্র ও প্রযুক্তি সংযোজন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

বুধবার (১১ মে) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই ৬৫ দিন বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ কার্যক্রম ২০২২ বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, সমুদ্রে মৎস্য নৌযান শনাক্তের জন্য ১০ হাজার নৌযানে শিগগিরই নতুন যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হচ্ছে। মৎস্য অধিদপ্ত কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সাসটেইনেবল কোস্টাল এন্ড মেরিন ফিশারিজ প্রকল্পের আওতায় বাণিজ্যিক মৎস্য ট্রলারে ভেসেল মনিটরিং সিস্টেম (ভিএমএস) এবং আর্টিসানাল ও যান্ত্রিক মৎস্য নৌযানে যথাক্রমে অটোমেটিক আইডেনটিফিকেশন সিস্টেম (এআইএস) ও গ্লোবাল সিস্টেম ফর মোবাইল কমিউনিকেশন (জিএসএম) ব্যবস্থা সংযোজনের কাজ চলমান রয়েছে। এর মাধ্যমে অনুমতিপ্রাপ্ত সমুদ্রগামী নৌযানসমূহের অবস্থান জানা যাবে এবং এদের সহজেই মনিটর করা যাবে। এ নৌযানসমূহ আইনের ব্যত্যয় করলে লাইসেন্স বাতিল করাসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার সুযোগ তৈরি হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে সমুদ্রে মৎস্য আহরণ করা যাবে না। আইন অমান্য করলে সম্প্রতিক সামুদ্রিক মৎস্য আইন ও মোবাইল কোর্টের আইন অনুযায়ী সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। উদ্ভূত পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্থানীয় প্রশাসন, নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, নৌ পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। তবে অসহায় জেলেরা যেন অহেতুক হয়রানি না হয় সে বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখা মানে দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি করা, রাষ্ট্রের জন্য কাজ করা। এক্ষেত্রে মৎস্য বিভাগ, স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি মৎস্যজীবী সমিতির সদস্যদের সরকারের নীতি বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে হবে। মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ করা গেলে মৎস্যজীবীদেরই লাভ হবে। সরকার শুধু মৎস্যজীবী ও দেশের সাধারণ মানুষের স্বার্থকে নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। এজন্য অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে নিবেদিতভাবে কাজ করতে হবে।

মাঠ পর্যায়ে মৎস্যজীবীদের তালিকা কঠোর নজরদারির মাধ্যমে হালনাগাদ করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। প্রকৃত মৎস্যজীবী ছাড়া সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি। মাছ ধরা নিষিদ্ধকালে সমুদ্রগামী জেলেদের এ বছর পর্যাপ্ত ভিজিএফ দেওয়া হবে বলেও জানান মন্ত্রী। সুন্দরবনের মৎস্যসম্পদ ও জেলেদের বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ও বনবিভাগ সমন্বিত ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন বলেও জানান তিনি।

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সমন্বিত ব্যবস্থাপনা খুব গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, অনেক সময় আইন প্রয়োগে নানা অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।। এ ধরনের পরিস্থিতি সাধারণ জেলেরা করে না। এখানে কিছু দুর্বৃত্ত এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করে।  নিষিদ্ধকালে মাছ সংরক্ষণ ও বিপণনের কোন সুযোগ দেওয়া যাবে না। মোবাইল কোর্ট ও অন্যান্য অভিযানে সম্পৃক্তদের এটা নিশ্চিত করতে হবে। সমন্বিত প্রচেষ্টায় দেশের বিভিন্ন স্থানে ইলিশসহ অন্যান্য মাছের বিস্তার ঘটছে।  একদিকে যেমন মাছ নিয়ে গবেষণা বাড়ছে তেমনি মাছের উৎপাদনও বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৎস্যসম্পদ রক্ষায় সংশ্লিষ্টদের যেভাবে, যত কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার সবটুকু করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মোঃ হেমায়েত হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি শফিকুল ইসলাম, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা প্রশাসকগণ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, জননিরাপত্তা বিভাগ, সশস্ত্রবাহিনী বিভাগ, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ, মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে গত ২৪ এপ্রিল সামুদ্রিক মৎস্য আইন ২০২০ এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় মাছের সুষ্ঠু প্রজনন, উৎপাদন, সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই মৎস্য আহরণের জন্য ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬৫ দিন সকল প্রকার মৎস্য নৌযান কর্তৃক যে কোন প্রজাতির মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উপকূলীয় বিভাগ চট্টগ্রাম, বরিশাল ও খুলনার ১৪ টি জেলার ৬৭ টি উপজেলা ও চট্টগ্রাম মহানগরে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে। নিষিদ্ধকাল বাস্তবায়নকালে সমুদ্রগামী হালনাগাদকৃত ও নিবন্ধিত জেলেদের ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য সরকার উপকরণ সহযোগিতা প্রদান করবে।


আরও খবর