আজঃ মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

বাউবির এসএসসি পরীক্ষা শুক্রবার থেকে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ৪৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এবার মোট ৮৩ হাজার ১৩৪ জনের পরীক্ষায় বসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫২ হাজার ৫২৬ এবং ছাত্রী ৩০ হাজার ৬০৮ জন

বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাউবি) অধীন এবারের এসএসসি পরীক্ষা আগামী শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে। সারাদেশের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ৩০৩টি কেন্দ্রে এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।

এবার মোট ৮৩ হাজার ১৩৪ জনের পরীক্ষায় বসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে ছাত্র ৫২ হাজার ৫২৬ এবং ছাত্রী ৩০ হাজার ৬০৮ জন।

প্রতিবারের মতো এবারও প্রশাসনের সহযোগিতায় নকলমুক্ত পরিবেশে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা নেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছে। কেন্দ্রে কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণের জন্য টিম পাঠাবে বাউবি।

শুধু শুক্র ও শনিবার সকাল ও বিকেলে পরীক্ষা নেওয়া হবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর পরীক্ষা শেষ হবে।


আরও খবর



বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষায় পাসের হার ৩৩ শতাংশ

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৬ নভেম্বর ২০২১ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিভিন্ন বিভাগে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। ফল পর্যবেক্ষণ করে এবার পাসের হার ৩৩ দশমিক শূন্য ৩।

ফলাফল অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৫ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৯৮০ জন ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। সেই হিসাবে পাসের হার ৩৩ দশমিক শূন্য ৩। যাচাই-বাছাইয়ের পর এই শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে ১ হাজার ২১৫ জন এবার বুয়েটে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বুয়েটের ওয়েবসাইট ও নোটিশ বোর্ডে ভর্তি পরীক্ষার এ ফল প্রকাশ করা হয়।

গত ২০ ও ২১ অক্টোবর বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার প্রাক-নির্বাচনী পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। সেই পরীক্ষার ফলাফলে প্রথম ছয় হাজার জনকে লিখিত পরীক্ষার জন্য মনোনীত করা হয়। ৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত লিখিত পরীক্ষায় ছয়জন প্রার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। শুধু লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে ভর্তিযোগ্য প্রার্থীদের মেধাতালিকা তৈরি করেছে বুয়েট।

বুয়েটে এবার মোট আসন ১ হাজার ২১৫টি। প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট আসন ১ হাজার ১৫৫টি (৩টি সংরক্ষিত আসনসহ) আর স্থাপত্য বিভাগের জন্য আসন ৬০টি (১টি সংরক্ষিত আসনসহ)।

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষার লিখিত পর্ব হয় দুটি গ্রুপে। ক গ্রুপে ছিল প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ। খ গ্রুপে প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের পাশাপাশি স্থাপত্য বিভাগ। প্রাক-নির্বাচনী পর্বে ক ও খ দুই গ্রুপের জন্যই গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ের ওপর ১০০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষা হয়। লিখিত পর্বে ক গ্রুপের জন্য ৪০০ ও খ গ্রুপের জন্য ৬৫০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। এ ক্ষেত্রে ক গ্রুপের পরীক্ষা হয় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ের ওপর আর খ গ্রুপে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নের পাশাপাশি মুক্তহস্ত অঙ্কন এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি বিষয়ের ওপর পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৫ হাজার ৯৪৪ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৯৮০ জন ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ও অপেক্ষমাণ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

বুয়েটে এবার মোট আসন ১ হাজার ২১৫ টি। প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য মোট আসন ১ হাজার ১৫৫টি (৩টি সংরক্ষিত আসনসহ) আর স্থাপত্য বিভাগের জন্য আসন ৬০টি (১টি সংরক্ষিত আসনসহ)।

প্রকাশিত ফলাফলে স্থাপত্য বিভাগে ভর্তির জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন ৬০ জন আর অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন ১২০ জন। প্রকৌশল বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে ভর্তির জন্য ১ হাজার ১৫৫ জন শিক্ষার্থী প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হয়েছেন, অপেক্ষমাণ তালিকায় আছেন ৬৪৫ জন।

নিউজ ট্যাগ: বুয়েট

আরও খবর



নারীর মরদেহ সৎকার করতে গিয়ে শিশুসহ নিহত ১৭

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে এক নারীর মরদেহ সৎকার করতে শ্মশানে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় কমপক্ষে ১৭ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন।

নিহতদের মধ্যে ১০ জন পুরুষ, ৬ জন নারী ও একজন শিশু রয়েছে।

শনিবার (২৭ নভেম্বর) রাত ২টার দিকে নদীয়ার হাঁসখালি ব্লকের ফুলবাড়ি মাঠের কাছে মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, উত্তর ২৪ পরগনার বাগদা থানার পারমদন ফরেস্ট এলাকার বাসিন্দা শ্রাবণী মুহুরির মৃত্যু হয়। তার মরদেহ সৎকার করতে একটি ট্রাকে করে পরিবার ও প্রতিবেশীরাসহ প্রায় ৪০ জন নবদ্বীপে যাচ্ছিলেন। পথে নদীয়ার হাঁসখালি ব্লকের ফুলবাড়ি মাঠের কাছে পৌঁছালে গাড়িটি সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা অপর একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয়।

পরে শ্রাবণী মুহুরির মরদেহসহ সবাইকে উদ্ধার করে কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা ১৩ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। কিছুক্ষণ পরে আরও চারজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। আহতদের চিকিৎসা চলছে। 


আরও খবর



আর্মেনিয়ার সঙ্গে সংঘর্ষে আজারবাইজানের ৭ সেনা নিহত

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আর্মেনিয়ার সঙ্গে সীমান্তে সংঘর্ষে আজারবাইজানের ৭ সেনা নিহত হয়েছে। আর্মেনিয়ার সরকারি কর্মকর্তারা বলছে, আজারবাইজানের সেনারা তাদের ১৩ সেনাকে ধরে নিয়ে গেছে। অন্যদিকে তাদের ১ সেনা নিহতসহ আরও ২৪ সেনাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ঘটনার জন্য উভয়পক্ষ বিপরীত পক্ষকে দোষারোপ করছে।

আর্মেনিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আজারবাইজানের সেনারা তাদের সেনাদের অবস্থান লক্ষ্য করে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়েছে। 

অন্যদিকে, আজারবাইজান সরকার আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে বড় ধরনের উসকানির অভিযোগ তুলেছে।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরার খবরে সর্বশেষ সংঘর্ষের ঘটনাকে, গত বছরের ৪৩ দিনের যুদ্ধের পর সব চেয়ে বড় ধরনের সঙ্ঘাত বলে উল্লেখ করেছে।

২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে সাবেক সোভিয়েতভুক্ত দুই দেশ আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে। ৪৩ দিনব্যাপী এই যুদ্ধে উভয়পক্ষের ব্যাপক সংখ্যক সেনা হতাহত হয়। পরে রাশিয়ার মধ্যস্থতায় উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতি চুক্তি করে। কিন্তু যুদ্ধবিরতির পরও উভয় পক্ষ একাধিকবার সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। 

সর্বশেষ সংঘাতের পর রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সেরজেই সইগু উভয় দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। রুশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী উভয়পক্ষকে বিরত থাকার আহ্বান জানান।

আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন।

জর্জিয়ার রাজধানী তিবলিসি থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক রবিন ফরেস্টিয়ার জানিয়েছেন, বুধবার উভয়পক্ষ যুদ্ধবিরতি পালন করেছে।

আল জাজিরার এই সাংবাদিক বলেন, গত বছরের নাগোর্নো-কারাবাখ সংঘর্ষের পর আমরা সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘর্ষ দেখতে পেয়েছি। তবে এবার ঘটনাস্থল নাগোর্নো-কারাবাখ নয়। আর্মেনিয়া দাবি করেছে, তাদের সার্বভৌম সীমান্তের ভেতরেই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

সাংবাদিক ফরেস্টিয়ার বলেন, আর্মেনিয়ার সঙ্গে ইরানের সীমান্ত ও আজারবাইজানের সঙ্গে আর্মেনিয়ার সীমান্তস্থল নাকচিভানে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

নিউজ ট্যাগ: আজারবাইজান

আরও খবর



চেয়ারম্যানকে হত্যা চেষ্টা

ষড়যন্ত্রকারীদের গ্রেফতার দাবি শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ৮৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও বিশিষ্ট শিল্পপতি সায়েম সোবহান আনভীরকে হত্যা চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি করেছে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেড। আজ  মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের ঢাকা মহানগর ফুটবল কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ক্লাবের নেতারা এই দাবি জানান। তিনি বলেন,আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ চাই। আমাদের দাবি পূরণে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎসহ আরও যেখানে যাওয়া দরকার সব জায়গায় যাব।

লিখিত বক্তব্যে ক্লাবের ডিরেক্টর ইনচার্জ ইসমত জামিল আকন্দ লাবলু বলেন, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ২০১৫ সালে তার অতি আদরের ছোট ভাই শহীদ শেখ রাসেলের নামে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংগঠন শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে ক্রীড়া প্রেমিক সায়েম সোবহান আনভীরকে দায়িত্ব দেন। এরপর এই ক্লাবটিকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। দিনে দিনে সংগঠনটির পরিধি ও ব্যাপ্তি দ্রুততার সঙ্গে বেড়েছে। ক্লাবটির পরিচিতি হয়েছে দেশ সেরা ক্রীড়া সংগঠন হিসেবে। শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র যখন দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে; ঠিক ওই অবস্থায় সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে বাধাগ্রস্ত ও স্তব্ধ করার হীন ষড়যন্ত্র শুরু হয়। একটি কুচক্রী মহল শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের চেয়ারম্যানকে হত্যার মাধ্যমে সংগঠনের অগ্রযাত্রাকে স্তব্ধ করার চক্রান্ত শুরু করেছে।

লিখিত বক্তব্যে তিনি আরও বলেন, রাজধানীর ভাটারা থানা পুলিশ শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে সন্দেহভাজন আসামী সাইফুল ইসলাম সাদ (২৩) নামে এক যুবককে গত ৫ নভেম্বর শুক্রবার গ্রেপ্তার করেছে। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার সাউতুল কোরআন মাদরাসা ও এতিমখানায় গ্রেপ্তার হওয়া সাদের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়ায়। আমরা পুলিশের কাছ থেকে জানতে পেরেছি গত শুক্রবার (৫ নভেম্বর) পব জুমার নামাজ চলাকালে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যার প্রস্তুতি ছিল সাদের। আমরা আরও জানতে পেরেছি চট্টগ্রাম-১২ আসনের (পটিয়া) সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ সামশুল হক চৌধুরী এবং তার ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী ওরফে শারুনের নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ডের ঘৃণ্য পরিকল্পনার কথা স্বীকার করেছেন সাদ। এর আগে দুধের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে এবং ছুরিকাঘাতে হত্যার ষড়যন্ত্র করে বলে পুলিশকে জানিয়েছে সাদ। তবে একাধিকবার চেষ্টা করেও সেসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়। আমরা পুলিশের বরাতে আরও জানতে পেরেছি, হুইপের শামসুল হকের সঙ্গে সাদের ঘনিষ্ঠ কিছু ছবি পাওয়া গেছে। সাদ পুলিশের কাছে স্বীকারোক্তি দিয়েছে যে, হুইপের ছেলে শারুন তাকে (সাদ) বলেছে জুমার নামাজের সময় এক মিনিটও দেরি না করে সায়েম সোবহান আনভীরকে সরাসরি গুলি করে দিতে। বাইরে তাদের গাড়ি অপেক্ষমান থাকবে। মসজিদ থেকে দ্রুত পালিয়ে যাতে সাদ ওই গাড়িতে উঠে পালিয়ে যেতে পারে। এজন্য সাদকে নগদ ২০ হাজার টাকা দিয়েছেন শারুন। তিনি (শারুন) আরও বলেছেন, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে সারা জীবন আর কিছু করতে হবে না,- এভাবে বড় ধরনের পুরস্কার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। আর ব্যর্থ হলে তাকে (সাদ) প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। থানা-পুলিশ ম্যানেজ করারও আশ্বাস দেওয়া হয় সাদকে।পুলিশকে সাদ আরও বলেছে, সে চট্টগ্রামের পটিয়া সেন্ট্রাল হাইস্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ার সময় হুইপ সামশুলের ক্যাডার হান্নান ও মান্নানের সঙ্গে পরিচয় হয়। গত দুর্গাপূজার ছুটিতে গত ১০ অক্টোবর পটিয়ায় গিয়ে ২৩ অক্টোবর ঢাকায় ফিরে আসেন। পটিয়ায় যাওয়ার পর সাদের সঙ্গে শারুনের সাক্ষাত করিয়ে দেন হুইপ আশ্রিত মাস্তান হিসেবে পরিচিত জনৈক হান্নান ও মান্নান। সাক্ষাতের সময় শারুন একটি পিস্তল দেন সাদকে। ওই পিস্তল দিয়ে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্রের চেয়ারম্যানকে গুলি করে হত্যা করার জন্য সাদকে নির্দেশ দেন শারুন। সামশুল হক ও শারুনের নির্দেশনায় এবং প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সাদ পরিচয় গোপন করে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যানের বাসায় দিন মজুরের কাজ নিয়েছিলেন। চট্টগ্রাম থেকে আসার পর গত দুটি জুমার নামাজে সঙ্গে পিস্তল রাখেন সাদ। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় সফল হতে পারেনি।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, প্রায় তিন মাস ধরে শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের চেয়ারম্যানকে হত্যার ষড়যন্ত্র চলছিল। অন্তত ৪ বার ছদ্মবেশে সায়েম সোবহান আনভীরের বাসভবন এমডি হাউসে প্রবেশ করে সাদ। কয়েকবার ব্যর্থ হয়ে শেষ পর্যন্ত মাদরাসা শিক্ষার্থীর ছদ্মবেশ নিয়ে ভর্তি হয় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত সাউতুল কোরআন মাদরাসা ও এতিমখানায়। কারণ সে মাদরাসা থেকে প্রতিদিন বসুন্ধরা এমডির বাসায় পবিত্র কোরআন খতমের জন্য শিক্ষার্থীরা যান। সেই দলের সঙ্গে মিশে জুমার নামাজ পড়ার সময় বসুন্ধরা এমডিকে হত্যার পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অপচেষ্টা করেন সাদ। ওই মাদ্রাসা থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

লিখিত বক্তব্যে ইসমত জামিল আকন্দ আরও বলেন, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমেডের চেয়ারম্যানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় বসুন্ধরা গ্রুপের জনসংযোগ বিভাগের প্রধান মেজর (অব.) শেখ মিজানুর রহমানের বাদী হয়ে একটি এজাহার দিয়েছেন। এজহারে সাদ ছাড়াও হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে হুইপ সামশুল হক চৌধুরী ও তার ছেলে শারুন চৌধুরীকে আসামি করার আবেদন করেছেন বাদী। এজাহারে বলা হয়, পূর্বশত্রুতার জের ধরে হুইপপুত্র শারুন চৌধুরী  শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমেটের চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এর আগেও কয়েক দফা এ ধরনের ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের চেষ্টা করেছিল চক্রটি।

ক্লাব চেয়ারম্যানের পরিবারের ক্রীড়ার ক্ষেত্রে ঐতিহ্যবাহী পরিবার উল্লেখ করে ইসমত জামিল আকন্দ লাবলু বলেন, শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র লিমিটেডের পক্ষ থেকে আমরা পরিষ্কার ভাষায় এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র এবং চক্রান্তের তীব্রনিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এই ভয়ানক ও ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রের নেপথ্য থাকা ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে হবে।


আরও খবর



সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ১১ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ৬১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এর মধ্যে মানি লন্ডারিংয়ে সাত আর অর্থ আত্মসাতের মামলায় চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন।তবে দুই ধারার সাজা এক সঙ্গে চলবে বলে ১৮২ পাতার রায়ে উল্লেখ করেন বিচারক। এছাড়া এস কে সিনহার ৭৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

এর আগে এই মামলার রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য ছিল ২১ অক্টোবর। বিচারক সেদিন রায় ঘোষণা না করে ৯ নভেম্বর পরবর্তী রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে দুই দফায় এসকে সিনহার রায় ঘোষণার তারিখ পেছায়।

দুদক সূত্রে জানা যায়, আসামি মো. শাহজাহান ও নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা ২০১৬ সালের ৬ নভেম্বর ফারমার্স ব্যাংকের গুলশান শাখায় দুটি চলতি হিসাব খোলেন। ৭ নভেম্বর তারা দুই কোটি করে চার কোটি টাকা ঋণের আবেদন করেন। ব্যাংক হিসাব খোলা ও ঋণ আবেদনপত্রে দুজনই বাড়ির নম্বর ৫১, সড়ক নম্বর ১২, সেক্টর ১০, উত্তরা আবাসিক এলাকা- এ ঠিকানা উল্লেখ করেন।

ওই বাড়ি সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ব্যক্তিগত সম্পত্তি। ঋণ আবেদনে জামানত হিসেবে রণজিৎ চন্দ্র সাহার স্ত্রী সান্ত্রী রায় সিমির সাভারের ৩২ শতাংশ জমি দেখানো হয়। এ দুজনই এস কে সিনহার পূর্বপরিচিত। ঋণ আবেদন দুটি কোনো রকম যাচাই-বাছাই করা হয়নি। রেকর্ডপত্র বিশ্লেষণ ও ব্যাংকের নিয়মনীতিও মানা হয়নি।

সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায় ও কিছু পর্যবেক্ষণের কারণে তোপের মুখে ২০১৭ সালের অক্টোবরের শুরুতে ছুটিতে যান তৎকালীন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। পরে বিদেশ থেকেই তিনি পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন।

নিউজ ট্যাগ: এসকে সিনহা

আরও খবর