আজঃ সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

‘বীর সিমেন্টের’ লোগো উন্মোচন করলেন বসুন্ধরা গ্রুপ

প্রকাশিত:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১২ নভেম্বর ২০২১ | ৯১১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জমকালো লগো উন্মোচন অনুষ্ঠানের মধ্যে দেশের বাজারে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো বসুন্ধরা গ্রুপের বীর সিমেন্ট। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল হেডকোয়ার্টার অডিটোরিয়ামে বীর সিমেন্টের লোগো উন্মোচন ও আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর। বাংলাদেশের ৫০ তম বিজয়ের দিবস উৎযাপনের প্রাক্কালে এই ব্র্যান্ড বাংলাদেশের উন্নয়নে অগ্রযাত্রায় সহযোগী হিসেবে এক নতুন ভূমিকা পালনের প্রত্যাশা বীর সিমেন্টের কর্তৃপক্ষ।      

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রাযাত্রায় সবসময় দেশের সবচেয়ে বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ সবসময়েই সম্পৃক্ত ছিলো এবং বেসরকারী উদ্যোগে ১৯৯৬ সালে প্রথম সিমেন্ট ইন্ড্রাস্টির সূচনা করে। এর ধারাবাহিকতার ২০১২ সালের ১২ নভেম্বর যাত্রা শুরু করে বসুন্ধরা সিমেন্ট। তিনি আরো বলেন, বীরের দেশ আমাদের বাংলাদেশ, আগামীর বাংলাদেশের জন্য টেকসই এক অবকাঠামো গড়তে বসুন্ধরা গ্রুপের নতুন সংযোজন বীর সিমেন্ট, আমি বীর সিমেন্টর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করলাম।

এ সময় সিমেন্ট সেক্টরের প্রধান বিপণন কর্মকর্তা (সিএমও) খন্দকার কিংশুক হোসেন বলেন, আজ আমাদের জন্য এক বিশেষ দিন, একটি শুভ দিন। কারণ এই দিনে আমরা দেশের বাজারে নতুন একটি ব্র্যান্ডের যাত্রা শুর করতে যাচ্ছি । আমরা সকলের পরিশ্রমের মধ্যে দিয়ে এই ব্র্যান্ডেটিকে আরো সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো এই প্রত্যাশায় সবাইকে আরো একবার ধন্যবাদ।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের উপদেষ্টা ময়নাল হোসেন চৌধুরী, বসুন্ধরা গ্রুপের গভমেন্ট রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্সের সিওও মো. তারিকুল ইসলাম চৌধুরী, ফাইন্যান্স হেড নূরে-আলাম-ছিদ্দিকি, হেড অফ ব্যাংকিং শেখ মো. রাজিব সামাদ, হেড অফ একাউন্টস পিজিরুল আলম খাঁন, জেনারেল ম্যানেজার (সেলস) আব্দুল লতিফ, ব্যান্ড এ্যন্ড কমিউনিকেশনের এ জিএম মো. সাইফুল ইসলাম রুবেল প্রমূখ।


আরও খবর



শ্রীপুরের শিশু পল্লী প্লাস পরির্দশনে ব্রিটিশ হাইকমিশনার

প্রকাশিত:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৬ নভেম্বর ২০২১ | ৭২০জন দেখেছেন

Image

শ্রীপুর(গাজীপুর)প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শিশু পল্লী প্লাস পরির্দশন করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার রবার্ট চ্যাটারটন ডিকসন। শিশু পল্লী প্লাস একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন যা ব্রিটেনে রেজিস্ট্রার ভুক্ত চেরিটি দ্যা ভিলেজ অভ বাংলাদেশ নামে পরিচিত। ব্রিটিশ হাইকমিশনার সকাল ১০টার দিকে শ্রীপুরে পৌঁছান। এরপর তিনি উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা এলাকার শিশু পল্লী প্লাস পরিদর্শন করেন। পরে তিনি শিশু পল্লী প্লাসের বিভিন্ন সেবামূলক কার্যক্রম পরির্দশন করেন। এদের মাঝে মা ও শিশুর পরিচর্চা বিভাগ, শিশু পল্লী প্লাস বিদ্যালয়, ক্লিনিক ও মায়েদের পুনর্বাসনের জন্য লাইভলীহোট ট্রেনিং, টেইলারিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, সবজি চাষ ও  মোমবাতি  প্রজ্বলন কেন্দ্র। ব্যক্তিগত সফরে তার সফর সঙ্গী ছিলেন স্ত্রী তেরেসা আলবর।

পরির্দশনকালে ব্রিটিশ হাইকমিশনার বলেন, এটি একটি মানবিক প্রতিষ্ঠান। তিনি এর ভূয়সী প্রশংসা করেন।

এ সময় আরো  উপস্থিত ছিলেন শিশু পল্লী প্লাসের পরিচালক ওভারসিস ডিরেক্টর এন্ড ফাউন্ডার প্যাটিশিয়ান এন ভিভিআন কার, শ্রীপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) উজ্জ্বল কুমার হালদার, তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল বাতেন সরকার, টেপিরবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষক জসিম উদ্দিন বিএসসি, চিত্র শিল্পী মিলন ও স্থানীয় সাংবাদিক বৃন্দ।


আরও খবর
গাজীপুর সিটির মেয়র কিরন

রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১




ওমিক্রন: ওমরাহ পালনে যেসব দেশের নাগরিকের সৌদি প্রবেশ নিষিদ্ধ

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ১৩৫জন দেখেছেন

Image

সম্প্রতি দক্ষিণ আফ্রিকায় করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন শনাক্ত হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট শনাক্তের পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ দক্ষিণ আফ্রিকা অঞ্চলের দেশগুলোর ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওমিক্রনের কারণে ওমরাহ পালনে তুরস্কসহ ১৮ দেশের নাগরিকের সৌদি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

টিকা নেওয়া থাকলেও তুরস্ক, লেবানন ও আফগানিস্তানসহ ১৮ দেশের নাগরিকদের ওমরাহ পালনে সৌদি প্রবেশে নিষেজ্ঞা আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। যেসব দেশকে সৌদি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- মালাবি, জাম্বিয়া, মাদাগাস্কার, মরিশাস, অ্যাঙ্গোলা, মোজাম্বিক, সিশেল, দক্ষিণ আফ্রিকা, কোমোরোস, লেসোথু,নামিবিয়া, বোতসোয়ানা,ইউথুপিয়া ও এসওয়াতিনি।

রোববার সৌদির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত দেশটিতে ওমিক্রন সংক্রমিত রোগী পাওয়া যায়নি।

আফ্রিকার বেশ কয়েকটি দেশে করোনার এই নতুন ধরন শনাক্ত হয়েছে। দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, ইতালি, যুক্তরাজ্য, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, বতসোয়ানা, হংকং ও ইসরায়েলসহ বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে ওমিক্রন আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে।


আরও খবর
আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




টুঙ্গিপাড়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী

সীমান্তে হত্যা বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক, ভারতের জন্য লজ্জাজনক

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ভারত ও বাংলাদেশ সরকার চায় না সীমান্তে লোক মারা যাক। এ নিয়ে দুই দেশের সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা ও বৈঠক হয়েছে। এত কিছু হওয়ার পরও সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটছে। যা বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক ও ভারতের জন্য লজ্জাজনক।

শনিবার সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সীমান্তে হত্যা প্রসঙ্গে আব্দুল মোমেন বলেন, এটা খুব দুঃখজনক যে ভারত সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে আলাপ করেছেন সরকারিভাবে আলাপ করেছেন এবং তারা অঙ্গীকার করেছেন যে সীমান্তে আর একটি লোকও মারা যাবে না। ভারত সরকার ও বাংলাদেশ সরকার উভয় সরকার সীমান্তে একটি লোকও মারা যাচ্ছে, তা কেউই চায় না। বিভিন্ন পর্যায়ে মন্ত্রী পর্যায়ে কিংবা আমাদের বিজিবি পর্যায়ে আলাপ হয়েছে কেউ যাতে না মরে।

তিনি বলেন, এটা আমাদের জন্য দুঃখজনক কাহিনী আর ভারতের জন্যও। ভারত সরকারের এতসব বলার পরও তারা মারে তাদের জন্যও লজ্জার বিষয়। তবে খুশির খবর হচ্ছে সম্প্রতি পঞ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী, সংবাদিক, চলচ্চিত্র এই সবের বিভিন্ন লোকজন একটা দাবি তুলেছে আমরা কেউ সীমান্তে মৃত্যু চাই না।

রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সব দেশ একবাক্যে স্বীকার করেছে যে, রোহিঙ্গারা যেন তাদের দেশে ফেরত যায়। সারা পৃথিবীর সব দেশ, এতদিন ধরে আমরা যেটা প্রচেষ্টা চালিয়েছিলাম, জাতিসংঘে সব দেশ সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশন পাশ করেছে। এর ফলে আমরা বিশ্বাস করি মিয়ানমারের ওপর আরও চাপ পড়বে তাদের লোকগুলো ফেরত নেওয়ার জন্য।

ড. মোমেন বলেন, আশা করা যায় আগামীতে মিয়ানমার তাদের নাগরিকদের ফেরত নেবে। কারণ মিয়ানমার কখনও বলে নাই যে, তারা তাদের নাগরিকদের ফেরত নেবে না।

তিনি বলেন, তারা আমাদের সঙ্গে এগ্রিমেন্ট করেছে যে, তারা তাদের লোকদের নিয়ে যাবে এবং তারা যাতে স্বেচ্ছায় যায় সেজন্য পরিবেশ সৃষ্টি করবে। আমরা আশা করি আগামীতে তারা তাদের কথা রাখবে।

রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, একবার যাওয়া শুরু হলে তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে। কারণ ১৯৯২ সালের দিকে ২ লাখ ৫৩ হাজার আসে ছিল, যখন যাওয়া শুরু হয় তখন অল্প কিছু দিনের মধ্যে ২ লাখ ৩৬ হাজার চলে গেল। যখন শুরু হয় যাওয়ার তখন বেশ ভালো যাওয়া হয়। তাই আমরা আশায় আছি একবার যাওয়া শুরু হলে আস্তে আস্তে যাবে।

টুঙ্গিপাড়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধের বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। এসময় তারা ৭৫ এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



নিজেদের স্বপ্নে বুঁদ আফগানরা

প্রকাশিত:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৭ নভেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্কটল্যান্ডকে উড়িয়ে দিয়ে বিরাট কোহালিরা নিজেদের নেট রানরেট আফগানিস্তানের উপরে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই ঝড় উঠেছে গণমাধ্যমে। শনিবার সকাল থেকে আফগানিস্তান বোর্ড এবং তাদের ক্রিকেটারদের টুইটারে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা আসছে। প্রেরক, অবশ্যই ভারতীয় সমর্থকেরা। বার্তার বক্তব্য মোটামুটি এক: রবিবার যে করে হোক হারাতেই হবে নিউজল্যান্ডকে!

রশিদ খান হোক বা মহম্মদ নবি, আইপিএলের দৌলতে ভারতে এঁদের ভক্তসংখ্যা কম নয়। কিন্তু কোটি কোটি ভারতবাসী এবং কোহালিরাও কোনও দিন যে আফগানিস্তানের জয়ের জন্য প্রার্থনা করবেন, এটা ভাবা যায়নি। ঘটনাচক্রে চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেটাই হচ্ছে। কারণ সকলেরই জানা। কেন উইলিয়ামসনের বিরুদ্ধে দ্বৈরথে যদি শেষ হাসি হাসেন রশিদ খান, তবেই ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে যাওয়ার সুযোগ থাকবে। আর যদি নিউজল্যান্ড হারিয়ে দেয় আফগানিস্তানকে? তা হলে কী হবে, তার উত্তরটা আগের দিন সাংবাদিক বৈঠকে দিয়েই রেখেছেন রবীন্দ্র জাডেজা। ভারতীয় অলরাউন্ডারের কথায়, তা হলে আমরা ব্যাগপত্তর গুছিয়ে বাড়ি চলে যাব।

আপনারা যখন নিউজল্যান্ডের বিরুদ্ধে খেলতে নামবেন, তখন একশো কোটি নতুন সমর্থককে পাশে পাবেন। ভারতীয়দের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা আপনারাও নিশ্চয়ই পাচ্ছেন ক্রমাগত?

শনিবার দুপুরে ভিডিয়ো কল মারফত প্রশ্নটা করা গেল আফগানিস্তান দলের ব্যাটার হাসমাতুল্লাহ শাহিদিকে। আইসিসির সাংবাদিক বৈঠকে হাজির হয়েছিলেন এই অভিজ্ঞ আফগান ক্রিকেটার। প্রথমেই হাল্কা হেসে মাথা নাড়িয়ে বুঝিয়ে দিলেন, ভারতীয়দের শুভেচ্ছাবার্তার ঢল যে নেমেছে, তা জানেন তিনি।

কিন্তু পাশাপাশি একটা ব্যাপার পরিষ্কার করে দিতে চান শাহিদি। বুঝিয়ে দিলেন, এই ম্যাচটা আফগানিস্তান নিজেদের জন্য খেলতে নামবে, ভারতের জন্য নয়। শাহিদি বলে দিলেন, আমরা কিন্তু শুধু আমাদের কথাই ভাবছি। আর কারা কোন জায়গায় আছে, তা নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথা নেই। আমাদের লক্ষ্য হল, সেমিফাইনালে যাওয়া। আর সেই লক্ষ্য নিয়েই মাঠে নামব। অন্য কোনও দলকে শেষ চারে তোলার জন্য নয়।

এই মুহূর্তে পরিস্থিতি যা, তাতে নেট রানরেটে ভারতের (+১.৬১৯) চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে আফগানিস্তান (+১.৪৮১)। ভারতের সবচেয়ে বড় সুবিধে হল, শেষ দিনে নামিবিয়াকে পাচ্ছে তারা। যে কারণে প্রয়োজনে নেট রানরেট বাড়ানোর বড় সুযোগ থাকবে কোহালিদের কাছে। ব্যাপারটা অজানা নয় আফগান ক্রিকেটারদের কাছেও। শাহিদি বলছেন, কাজটা কঠিন জানি। কিন্তু আমরা সেমিফাইনালে ওঠার লক্ষ্যেই নিউজল্যান্ড ম্যাচটা খেলতে নামব।

কোনও সন্দেহ নেই, রবিবার দুপুর থেকে আবু ধাবির স্টেডিয়ামে নজর থাকবে কোহালিদের। প্রার্থনা চলবে, রশিদ খানদের ঘূর্ণির সামনে যেন ভেঙে পড়ে নিউজল্যান্ডের ব্যাটিং। তারও আগে অবশ্য আরও একটা প্রার্থনা নিশ্চয়ই করছেন বিরাট-সহ কোটি কোটি ভারতবাসী। রহস্য স্পিনার মুজিব-উর-রহমান যেন সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন। স্কটল্যান্ড ম্যাচের পরে স্বয়ং সুনীল গাওস্কর টিভিতে বলেছিলেন, রশিদ খান, মহম্মদ নবি তো আছেই। এর সঙ্গে যদি মুজিব সুস্থ হয়ে যায়, তা হলে কিন্তু সমস্যা

আফগানরা যতই দাবি করুন, তাঁরা সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আছেন, বাস্তবটা কিন্তু সে রকম নয়। নিউজল্যান্ড হেরে গেলে ভারতেরই সেমিফাইনালে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশেরও বেশি।

সেক্ষেত্রে বিরাটদের স্বপ্নপূরণ করার মুখ কারা হতে পারেন? আফগানিস্তানের প্রাক্তন কোচ লালচাঁদ রাজপুত কয়েক জনকে আলাদা করে বেছে নিচ্ছেন। অবশ্যই তালিকায় আছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা লেগস্পিনার রশিদ। যিনি ম্যাচের রং একাই বদলে দিতে পারেন। আছেন ব্যাটার হাজরাতুল্লাহ জ়াজ়াই, অলরাউন্ডার মহম্মদ নবিও। সুস্থ থাকলে রহস্য স্পিনার মুজিব।

নিউজল্যান্ড ফেভারিট হলেও একটা ব্যাপারে নিজেদের এগিয়ে রাখতে চায় আফগানিস্তানের ক্রিকেটারেরা। সেটা হল, মরুশহরের পরিবেশে খেলার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন স্পিন আক্রমণ। শাহিদি বলছিলেন, আমি আবু ধাবির উইকেট এখনও দেখিনি ঠিকই, কিন্তু এটা জানি এই পরিবেশে আমাদের স্পিনাররা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। ওরা এখানে অনেক খেলেছে। এই অভিজ্ঞতা আমাদের কাজে আসবে বলেই মনে হয়।

রবিবার যদি সত্যিই নিউজল্যান্ডকে হারিয়ে দিতে পারে আফগানিস্তান, তা হলে ভারতের মাটিতে রশিদ খানদের মূর্তি বসার দাবি উঠলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না!


আরও খবর
হারের শঙ্কায় টাইগাররা

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস

প্রকাশিত:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১০ নভেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শহীদ নূর হোসেন দিবস আজ। ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর যুবলীগ নেতা নূর হোসেনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল ঢাকার রাজপথ। নূর হোসেনের এই আত্মত্যাগ তৎকালীন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণতন্ত্রকামী মানুষের আন্দোলনকে বেগবান করেছিল।

দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বুধবার সকাল ৮টায় রাজধানীর গুলিস্তানের শহীদ নূর হোসেন স্কয়ারে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন এবং তার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে।

দিবসটি উপলক্ষে পৃথক পৃথক বাণী দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর সচিবালয়ের সামনে ১৫ দল, ৭ দল ও ৫ দলের অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্র সংগঠনগুলোর সমর্থনে অবস্থান ধর্মঘট ঘেরাও কর্মসূচিতে রূপ লাভ করে। স্বৈরশাসকের সকল বাধাকে উপেক্ষা করে ১০ নভেম্বর সকাল থেকেই সচিবালয়ের চারদিকে আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার মিছিল সমবেত হয়। তখন তোপখানা রোডের মুখে পুলিশ বক্স পেরিয়ে শুরু হয় নূর হোসেনদের সাহসী মিছিল, সাহসী যুবক উদাম গায়ে লিখেছিল গণতন্ত্র মুক্তি পাক-স্বৈরাচার নিপাত যাক

সমাবেশ শুরুর পরপর বেধড়ক লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পুলিশ। পল্টন তখন রণক্ষেত্র। এরই মধ্যে খবর আসে পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছেন নূর হোসেন। আহত হয়েছে অসংখ্য মানুষ। নূর হোসেনের আত্মদানের মাধ্যমে সেদিন গণতন্ত্রের নতুন সংগ্রাম শুরু হয়। সেই সংগ্রামের ধারায় ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর স্বৈরাচারী শাসক পদত্যাগের ঘোষণা দেন।

শহীদ নূর হোসেন দিবস যথাযথ মর্যাদার সাথে স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে পালনের জন্য আওয়ামী লীগের সকল সহযোগী সংগঠনসমূহের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

 

নিউজ ট্যাগ: শহীদ নূর হোসেন

আরও খবর