আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে বাধার জেরেই খুলনায় ৩ খুন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রায় আড়াই মাস পর খুলনার কয়রায় আলোচিত তিন খুনের রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। প্রতিবেশী নারীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে বাধা দেওয়ার জেরে পরিকল্পিতভাবে প্রথমে স্ত্রী, মেয়েকে হাত-পা বেঁধে ধর্ষণের পর স্বামীসহ তিন জনকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। পরে লাশ গুমের জন্য পাশের পুকুরে ফেলে দেয় খুনিরা। খুলনা জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান সোমবার (১০ জানুয়ারি) তার সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, চাঞ্চল্যকর এ মামলার অন্যতম আসামি আবদুর রশিদ গাজী ও জিয়াউর রহমানসহ মোট ১৪ জনকে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনার পর রশিদ গাজী পলাতক ছিলেন। তাকে ৮ জানুয়ারি যশোর থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে আরও ছয় জনকে পৃথক স্থান থেকে গ্রেফতার করা হয়। এর মধ্যে রশিদ গাজী আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রশিদ গাজী জানান, একই গ্রামের মো. জিয়াউর রহমান ও রাজিয়া সুলতানার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে হাবিবুল্লাহ বাধা হয়ে দাঁড়ান। সুলতানার স্বামী কুদ্দুস গাজী খুলনা শহরে কাঁচামালের ব্যবসার সুবাদে বাড়িতে কম যাতায়াত করেন। এ সুযোগে জিয়ার সঙ্গে সুলতানার সম্পর্ক হয়। সুলতানা হাবিবুল্লার প্রতিবেশী হওয়ায় তার চোখে বিষয়টি ধরা পড়ে। এ কারণে তিনি তাদের সম্পর্কের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়ান। ঘটনার বছর খানেক আগে জিয়াকে হাতেনাতে ধরে ফেলার পর সুলতানা ক্ষিপ্ত হয়ে হাবিবুল্লাকে বটি দিয়ে কোপ দেন। পরে এ ঘটনা এলাকায় জানাজানি হলে জিয়া হাবিবুল্লার ওপর আরও ক্ষিপ্ত হন। বিভিন্ন সময় সে হাবিবুল্লাকে শায়েস্তা করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা করতে থাকেন। পরে জিয়া ও রশিদের নেতৃত্বে গত ২৫ অক্টোবর রাত ১২টার দিকে দুর্বৃত্তরা ওই বাড়িতে গিয়ে প্রথমে হাবিবুল্লাহ, তার স্ত্রী ও মেয়ের হাত-পা বাঁধে। এরপর মা-মেয়েকে ধর্ষণের পর তিন জনকে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ পুকুরে ফেলে দেয়। হত্যাকাণ্ডে কমপক্ষে ছয়জন সরাসরি অংশ নেয়।

পুলিশ সুপার বলেন, বিকৃত যৌন লালসা, প্রতারণামূলক আর্থিক লেনদেন ও বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের ঘটনায় দলবদ্ধভাবে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। গ্রেফতারদের মধ্যে ছয় জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

এখন পর্যন্ত মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন মো. জিয়াউর রহমান জিয়া, রাজিয়া সুলতানা, শামসুর রহমান, মো. সাইফুল ইসলাম বাবলু, আল আমিন হোসেন, আসলাম সরদার, আবদুল ওহাব ওরফে হক, তাসলিমা, শামীমুল ইসলাম অঞ্জন, আব্দুর রশিদ গাজী ও মোস্তফা কামাল।

উল্লেখ্য, গত ২৬ অক্টোবর বামিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমান ওরফে হাবিবুল্লাহ, তার স্ত্রী বিউটি বেগম ও মেয়ে হাবিবা সুলতানা টুনির লাশ বাড়ির পাশের পুকুর থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন সন্ধ্যায় নিহত হাবিবুল্লার মা কোহিনুর খানম বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে কয়রা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি প্রথমে কয়রা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলামকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি উজ্জ্বল কুমার দত্ত আলোচিত মামলার তদন্তের দায়িত্ব পান। পাশাপাশি জেলা পুলিশের ট্রেনিং অ্যান্ড আইটি শাখার ইনচার্জ এজাজ শফি মামলাটির ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখেন।

নিউজ ট্যাগ: খুলনা

আরও খবর



হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেছেন রফিকুল ইসলাম মাদানী

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা দুই মামলায় ইসলামি বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আপিল আবেদন জানিয়েছেন। সোমবার (১০ জানুয়ারি) তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম খলিল খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ৯ জানুয়ারি বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এই আপিল দায়ের করা হয়।

এর আগে গাজীপুরের গাছা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় সম্প্রতি ঢাকা সাইবার ট্রাইব্যুনাল রফিকুল ইসলাম মাদানীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এছাড়াও রাজধানীর তেজগাঁও থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে দায়ের করা মামলায় ঢাকার জেলা জজ আদালতে তার জামিন নামঞ্জুরের আদেশ হয়েছে। তাই দুটি বিচারিক আদালতে জামিন নামঞ্জুরের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রবিরোধী উসকানি, ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্য এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে ২০২১ সালের ৭ এপ্রিল রাত সাড়ে ৩টার দিকে রফিকুলকে নেত্রকোনার নিজ বাড়ি থেকে আটক করে র‌্যাব। ওই সময় তার কাছ থেকে চারটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়। এরপর রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে একাধিক মামলা করা হয়।

এরপর একই বছরের ১১ এপ্রিল রফিকুল ইসলাম মাদানীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের বাসন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা দায়ের করা হয়। তার বিরুদ্ধে মারাত্মক মিথ্যা, ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে মানহানিকর তথ্য প্রকাশ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি করার মতো অপরাধে সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।


আরও খবর
রিফাত হত্যা: খালাস চেয়ে মিন্নির জেল আপিল

বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22




নওগাঁয় প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন

Image

নওগাঁ প্রতিনিধি:

নওগাঁর মান্দায় প্রতিবন্ধী এক শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় অবশেষে অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম সুটকাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর অভিযান চালিয়ে উপজেলার নুরুল্লাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ঘটনায় ওই শিশুটির বাবা বাদি হয়ে মঙ্গলবার রাতেই থানায় মামলা দায়ের করেন। গত ৬ জানুয়ারি উপজেলার কাঁশোপাড়া ইউনিয়নের একটি গ্রামে ধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। তবে এ মামলায় ধর্ষণের ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়াসহ সালিশের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করে দেওয়া মাতবরদের আসামী করা হয়নি। এ নিয়ে স্থানীয় জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

এদিকে বুধবার দুপুরে নওগাঁ আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ দলের প্রতিনিধি শহিদুল ইসলাম শহীদ বলেন, স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। ধর্ষণের ঘটনা সালিশযোগ্য বিষয় নয়। যেসব ব্যক্তিরা ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে সালিশ করেছেন তাঁরাও একই অপরাধে অপরাধী। এদেরও আইনের আওতায় এনে বিচার করা দরকার।

ন্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ৬ জানুয়ারি প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধী এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ৯ জানুয়ারি রাতে গ্রামের আনোয়ারা বিবির বাড়িতে সালিশের আয়োজন করেন স্থানীয় মাতবরেরা। সালিশে ধর্ষণের কথা স্বীকার করায় অভিযুক্ত আশরাফুল ইসলাম সুটকাকে জুতাপেটাসহ আট হাজার টাকা জরিমানা করেন।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদি হয়ে একজনকে আসামী করে মামলা করেছেন। ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা নওগাঁ হাসপাতালে সম্পন্নসহ আসামীকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। ধর্ষণের ঘটনা ধামাচাপা দিতে সালিশের আয়োজক মাতবরদের কেন আসামী করা হয়নি জানতে চাইলে ওসি বলেন, শিশুটির বাবা শুধু একজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। তাই অন্য কাউকে আসামী করা হয়নি।


আরও খবর
নওগাঁয় বিষপানে গৃহবধূর আত্মহত্যা

বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২




করোনায় আক্রান্ত ২৪৫৮ জন, শনাক্তের হার ৯ ছুঁই ছুঁই

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১১ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৪৫৮ জন। শনাক্তের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশে।  করোনায় এ পর্যন্ত দেশে ২৮ হাজার ১০৭ জনের মৃত্যু হয়েছে; শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৯৮ হাজার ৩৮৯ জনে।

মঙ্গলবার (১১ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে গতকাল সোমবার করোনায় ৩ জনের মৃত্যু হয়। এ সময়ে নতুন করে শনাক্ত হন ২ হাজার ২৩১ জন। শনাক্তের হার ছিল ৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৭৪ জন, এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ৫১ হাজার ৩৮৭জন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ হাজার ৭০৯ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ২৭ হাজার ৩৯৯টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৯৭ শতাংশ। মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজনই পুরুষ। চট্টগ্রাম ও খুলনা বিভাগে একজন করে মারা গেছেন। বাকি বিভাগগুলোতে কোনো মৃত্যু হয়নি।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



রাবি ক্যাম্পাসে লাগাতার ছিনতাই ঠেকাতে ব্যর্থ প্রশাসন

প্রকাশিত:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৯ জানুয়ারী ২০২২ | ২৯০জন দেখেছেন

Image

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে লাগাতার ছিনতাইয়ের ঘটনা ব্যর্থ প্রশাসন এবং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চত করতে না পারায় প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা।

বুধবার বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয় শহীদ বুদ্ধিজীবী চত্বরে এক মানববন্ধনে এ দাবি করেন তারা।

বারবার ছিনতাইয়ের ঘটনাকে প্রক্টরিয়াল বডির দায়িত্বে অবহেলা ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন সম্পর্কে অজ্ঞতা বলে মন্তব্য করে রাবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান বলেন, আপনারা একটি সম্মানিত পদে অধিষ্ঠিত আছেন। আপনাদের দায়িত্ব কী সেটা আগে দেখেন। ১৯৭৩ সালের আইন পড়ে দেখুন। নিজেদেরকে জানুন আসলে একজন প্রক্টর, সহকারী প্রক্টরের দায়িত্ব কী। যদি না জানেন তবে আপনার চেয়ারে থাকার কোনো দরকার নেই। ফের আবার ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটলে প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুশিয়ারি দেন তিনি।

মানববন্ধনে রাকসু আন্দোলন মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল মজিদ অন্তর বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাহীনতার যে পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এর সম্পূর্ণ দায়ভার এই প্রক্টরিয়াল টিমের। তারা বিশ্ববিদ্যালয়কে অরক্ষিত করে তুলেছে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে। শিক্ষার্থীরা যখন প্রক্টরিয়াল টিমের কাছে লিখিতভাবে কোন অভিযোগ দিচ্ছে তখন তারা বলে এ বিষয়ে তোমরা থানায় যেয়ে জিডি করো, মামলা করো। থানায় যদি আমাদেরকে যেতে হয় তাহলে প্রক্টরিয়াল টিমের কাজ কি? বলে প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিনি। এই ব্যর্থ প্রক্টরিয়াল বডির পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।

এসময় মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন বিভাগের প্রায় অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর



নতুন বই হাতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বছরের শুরুতেই নতুন বইয়ের গন্ধে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা। বই হাতে নিয়ে নতুন উদ্যমে পড়াশোনায় বেশি মনযোগী হতে চায় তারা। করোনার ক্ষতি পুষিয়ে জীবনের লক্ষ্যপূরণে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন সবার চোখে-মুখে। নতুন বই হাতে এমন উচ্ছ্বসিতই দেখা গেছে শিক্ষার্থীদের।

করোনার কারণে এ বছরও হচ্ছে না বই বিতরণ উৎসব। তবে নতুন বছরের প্রথম দিন শনিবার (১ জানুয়ারি) স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

এবার সারাদেশে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার আট শ ৫৬ জন শিক্ষার্থীর মাঝে, ৩৪ কোটি ৭০ লাখ ২২ হাজার এক শ ৩০ কপি বই বিনামূল্যে বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য ব্রেইল পাঠ্যপুস্তক ও ৫টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষায় প্রণীত পাঠ্যপুস্তক রয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) নির্দেশনা অনুযায়ী, ষষ্ঠ শ্রেণিতে ১ থেকে ৩ জানুয়ারি, সপ্তম শ্রেণিতে ৪ থেকে ৬ জানুয়ারি, অষ্টম শ্রেণিতে ৮ থেকে ১০ জানুয়ারি এবং নবম শ্রেণিতে ১১ থেকে ১৩ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেওয়া হবে।

ইতোমধ্যে ১৭ কোটির বেশি বই পৌঁছে গেছে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। অবশিষ্ট বইও শিগগিরই পৌঁছে যাবে বলে জানায় মাউশি।

১৩ দিনব্যাপী দেশজুড়ে ৪ কোটি ১৭ লাখ ২৬ হাজার ৮৫৬ জন শিক্ষার্থীকে নতুন বই দেওয়া হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চ্যুয়ালি পাঠ্যবই বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন।


আরও খবর