আজঃ সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

বিচ্ছেদ-জল্পনার পরে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন

প্রকাশিত:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৪ নভেম্বর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমেরিকার পপ গায়ক নিক জোনাস এবং বলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। ২০১৮ সালে বিয়ে করেন দুই তারকা। তার পর থেকেই তাঁদের ইনস্টাগ্রাম, টুইটার প্রেমের রঙে রাঙা হয়ে উঠেছে। প্রেমের উদ্‌যাপনে ক্লান্তি নেই তারকা দম্পতির। কিন্তু গত দুদিন ধরে সেই প্রিয়ঙ্কা এবং নিকের বিয়ে ভাঙা নিয়ে কলরব উঠেছে দিকে দিকে।

এরই মধ্যে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেল নিকের জোনাস ব্রাদার্স ফ্যামিলি রোস্ট। এই অনুষ্ঠানে জোনাস পরিবারের সদস্যরা একে অপরকে নিয়ে মশকরা করেন। প্রিয়ঙ্কা সেখানে তাঁর এবং নিকের বিয়ে নিয়ে বলেন, লোকে তো ভাবে আমাদের সম্পর্কটি মানুষকে দেখানোর জন্য। তিনি আরও যোগ করেন, এই পরিবারে আমরাই একমাত্র দম্পতি, যাঁদের কোনও সন্তান নেই এখনও।

ইংরেজি ভাষায় সন্তান ধারণ করার ঘটনাকে বলা হয়, উই আর এক্সপেক্টিং আ চাইল্ড। ঠিক সে ভাবেই দেশি গার্লবলেন, উই আর এক্সপেক্টিং এইটুকু শুনেই অনেকের ধারণা হয়, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘোষণা করবেন প্রিয়ঙ্কা। কিন্তু বাক্যটির শেষে তিনি জুড়ে দেন, ‘‘বাড়ি গিয়ে মদ্যপান করে আমি আর নিক ঘুমোতে চাই। চার দিকে হাসির রোল ওঠে এই বাক্যের পর। কিন্তু কোথাও গিয়ে প্রিয়ঙ্কা কি আলতো করে অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ইঙ্গিত দিলেন?

বিচ্ছেদের গুঞ্জন নস্যাৎ করলেন মুহূর্তেই

বিয়ের পরেই প্রিয়ঙ্কা তাঁর স্বামী নিকের পদবী জুড়ে দিয়েছিলেন নিজের নামের পাশে। ইনস্টাগ্রাম, টুইটারে জ্বলজ্বল করছিল প্রিয়ঙ্কা চোপড়া জোনাস। আচমকাই সেই নামে পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যায়। উধাও হয় জোনাস এবং চোপড়া। তিনি ফিরে গেলেন কেবল নিজের নামে। নিজের পদবীও নেই সেখানে। ব্যস, বিবাহ বিচ্ছেদের ইঙ্গিত পেয়ে চিন্তায় অনুরাগীরা।

কিন্তু সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রিয়ঙ্কার মা এই খবর ভুয়ো বলে দাবি করেছেন। সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ভুয়ো তথ্য রটাবেন না। এ সব আজগুবি! তার পরে নিক শরীরচর্চার একটি সাদা-কালো ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন ফেসবুকে। সেখানে প্রিয়ঙ্কা মন্তব্য করেছেন, তোমার বাহুবন্ধনেই যেন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করি। দুজনের প্রেম যে একটুও কমেনি, তা প্রিয়ঙ্কার এই মন্তব্য থেকেই পরিষ্কার। কোনও সাফাই না দিয়েই নিজের কথা এ ভাবে বুঝিয়ে দিয়েছেন প্রিয়ঙ্কা।


আরও খবর
শাকিব খানের ব্যাংক হিসাব তলব

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




অন্ধ্রপ্রদেশে অতিবৃষ্টিতে ১৭ জন নিহত

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অন্ধ্রপ্রদেশে অবিরাম বর্ষণে সৃষ্ট বন্যায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। তিরুপতি মন্দিরের শহর থেকে একটি ভিডিওতে দেখা যায় যে শত শত তীর্থযাত্রী বিশাল বন্যায় আটকা পড়েছেন।

তিরুমালা পাহাড়ের ঘাট রাস্তা ও হাঁটার পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে যেখানে মন্দির রয়েছে। তিরুপতির উপকণ্ঠে স্বর্ণমুখী নদী প্লাবিত হয়েছে এবং জলাশয়গুলি উপচে পড়ছে। তিনটি রাষ্ট্রীয় পরিবহণ বাস বিকল হয়ে পড়েছে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে জাতীয় ও রাজ্য দুর্যোগ ত্রাণ দল মোতায়েন করা হয়েছে এবং উদ্ধারকাজও পুরোদমে চলছে। বন্যায় অনেক স্থানে সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং রেল, সড়ক ও বিমান চলাচল বিঘ্নিত হয়েছে।

রায়ালসিমা অঞ্চল সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রাজ্যের চিত্তুর, কাদাপা, কুরনুল এবং অনন্তপুর জেলাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৃহস্পতিবার থেকে বৃষ্টি থামছে না এবং চেইয়ুরু নদী উপচে পড়ছে। অন্নময় সেচ প্রকল্পও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কাদাপা বিমানবন্দর ২৫ নভেম্বর পর্যন্ত বন্ধ থাকবে।


আরও খবর



৬ কর্মচারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে সিআইডি

প্রকাশিত:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ৩১ অক্টোবর ২০২১ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যশিক্ষা বিভাগের ১৭টি ফাইল গায়েব হয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিভাগটির তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণির ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে গেছে সিআইডি। আজ (৩১ অক্টোবর) রবিবার বেলা ১২টার দিকে সচিবালয় থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয়।

এই ছয়জনের মধ্যে ক্রয় ও সংগ্রহ শাখা-২-এর সাঁট মুদ্রাক্ষরিক ও কম্পিউটার অপারেটর মো. জোসেফ সরদার ও আয়েশা সিদ্দিকা রয়েছেন। ফাইলগুলো এই দুই কর্মীর কেবিনেটে ছিল এবং এই কেবিনেটের চাবিও থাকে তাদের দুজনের কাছেই বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়ের সূত্র। এই দুটি চাবি দিয়েই কেবিনেট খোলা হয় বলে জানায় সূত্র।

এদিকে এ ঘটনায় সচিবালয়ে ছায়াতদন্ত শুরু করেছে সিআইডির ক্রাইম সিনের সদস্যরা। তদন্তের জন্য সচিবালয়ে এসেছিলেন সিআইডির বিশেষ সুপার মো. কামরুজ্জামান।

তিনি জানান, যেহেতু একটা জিডি হয়েছে। সেটার বিষয়ে ছায়া তদন্তের জন্য খোঁজ খবর নিতে আমরা এসেছি। কিছু তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ১৭টি ফাইল গায়েব হওয়ার ঘটনায় শাহবাগ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে মন্ত্রণালয়। ফাইলগুলো ছিল স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) শাহাদৎ হোসাইনের কক্ষের লাগোয়া কক্ষে। সেই কক্ষে বসেন ক্রয় ও সংগ্রহ শাখা-২-এর সাঁট মুদ্রাক্ষরিক ও কম্পিউটার অপারেটর মো. জোসেফ সরদার ও আয়েশা সিদ্দিকা।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের জিডিতে বলা হয়েছে, গত ২৭ অক্টোবর অফিস করে নথিগুলো ফাইল কেবিনেটে রাখা হয়। পরদিন দুপুর ১২টায় কাজ করতে গিয়ে দেখা যায় ফাইলগুলো কেবিনেটের মধ্যে নেই। যে নথিগুলো গায়েব হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজসহ অন্যান্য মেডিক্যাল কলেজের কেনাকাটা সংক্রান্ত একাধিক নথি, ইলেকট্রনিক ডেটা ট্র্যাকিংসহ জনসংখ্যাভিত্তিক জরায়ুমুখ ও স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং কর্মসূচি, নিপোর্ট অধিদফতরের কেনাকাটা, ট্রেনিং স্কুলের যানবাহন বরাদ্দ ও ক্রয়সংক্রান্ত নথি। আর এগুলোর বেশিরভাগই বিভিন্ন মেডিক্যাল কলেজ ও বিভাগের কেনাকাটার সঙ্গে সম্পর্কিত।

সেইসঙ্গে নার্সিং ও মিডওয়াইফারি অধিদফতর ও স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদফতরের বিভিন্ন প্রকল্পের নথি রয়েছে।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিকে আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. শাহাদাৎ হোসাইন।


আরও খবর



খালেদাকে বাসায় রেখেছি, এটাই কি বেশি নয়?

প্রকাশিত:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৭ নভেম্বর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আমরা অমানুষ নই। অমানুষ নই দেখেই আমার এক্সিকিউটিভ অথরিটি দিয়ে তাকে বাসায় থাকার, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। বাকিটা আইনগত ব্যপার

খালেদা জিয়াকে কারাগার থেকে নিয়ে বাসায় থাকতে দিয়েছি, এটাই কি বেশি নয়? আপনাকে যদি কেউ হত্যার চেষ্টা করত, আপনি কি তাকে গলায় ফুলের মালা দিয়ে নিয়ে আসতেন?

বুধবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিক বিদেশে নিয়ে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে এসব কথা বলেন।

তিনি প্রশ্ন রাখেন, আপনার পরিবারকে যদি কেউ হত্যা করত, আর সেই হত্যাকারীকে যদি কেউ বিচার না করে পুরস্কৃত করে বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিত, তার জন্য আপনি কী করতেন?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গ্রেনেড হামলার পর খালেদা জিয়া বলল, আমি নাকি ভ্যানিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড নিয়ে আত্মহত্যা করতে গিয়েছিলাম। কোটালিপাড়ায় বোমা যখন পুঁতে রাখে, এর আগে তার বক্তব্য কী ছিল- শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা, বিরোধীদলীয় নেতাও হতে পারবে না। ভেবেছিল মরেই তো যাব। রাখে আল্লাহ, মারে কে; মারে আল্লাহ, রাখে কে? আমার বেলায় হচ্ছে, রাখে আল্লাহ, মারে কে। তারপরও আবার খালেদা জিয়ার জন্য এত দয়া দেখাতে বলেন? কেউ এই প্রশ্ন করলে আমার মনে হয় অন্তত একটু লজ্জা হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, আমরা অমানুষ নই। অমানুষ নই দেখেই আমার এক্সিকিউটিভ অথরিটি দিয়ে তাকে বাসায় থাকার, চিকিৎসার ব্যবস্থা করে দিয়েছি। বাকিটা আইনগত ব্যপার। তারপরও দুর্নীতি করে দেশটাকে একেবারে ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। গ্রেনেড হামলায় আমাদের এতজন আহত হন, ২২ জন মারা যান, সংসদে বিষয়টি নিয়ে একদিনও আলোচনা করতে দেয়নি।

শেখ হাসিনা বলেন, এত বড় অমানবিক যে তাকেও আমি মানবতা দেখিয়েছি। আমার হাতে যেটুকু পাওয়ার, সেটুকু আমি দেখিয়েছি। আর কত চান, এখন সে অসুস্থ, এই আমি বললাম না, রাখে আল্লাহ মারে কে; মারে আল্লাহ রাখে কে। সেটিই মনে করে বসে থাকুন। এখানে আমার কিছু করার নেই। আমার যতটুকু করার আমি করেছি। বাকিটা আইনের ব্যাপার।’

প্রধানমন্ত্রী ৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত গ্লাসগো, লন্ডন ও প্যারিস সফর করেন। সফরকালে তিনি কপ২৬ সম্মেলন, বাংলাদেশ বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন ২০২১, ইউনেস্কো সদর দফতরে সৃজনশীল অর্থনীতির জন্য ইউনেস্কো-বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান, ইউনেস্কোর ৪১তম সাধারণ সম্মেলন, প্যারিস শান্তি ফোরাম, ইউনেস্কোর ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

প্রায় দুই সপ্তাহের সফর শেষে গত ১৪ নভেম্বর দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। ওই সফরের বিভিন্ন দিক নিয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে দেশবাসীকে জানাতে আজ সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি।


আরও খবর



নিজের দেশে খেলতে যাওয়া নিয়ে বিতর্কে মেসি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হ্যামস্ট্রিং এবং হাঁটুতে চোট। যে কারণে প্যারিস সা জারমা-র হয়ে শেষ দুই ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। কিন্তু চোট নিয়েই আর্জেন্টিনার হয়ে খেলতে গেলেন লিয়োনেল মেসি। সেই সিদ্ধান্তে খুশি নয় প্যারিস সাঁ জারমা। ক্লাবের স্পোর্টিং ডিরেক্টর লিয়োনার্দোর মতে, এ ভাবে চোট পাওয়া ফুটবলারকে খেলানো অনৈতিক।

কাতার বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের ম্যাচে আর্জেন্টিনার সামনে রয়েছে দুই বড় প্রতিপক্ষ ব্রাজিল ও উরুগুয়ে। মেসি এই মুহূর্তে আর্জেন্টিনার অধিনায়ক। সে কারণেই জাতীয় দলের হয়ে খেলতে দেশে ফিরেছেন। তাতেই অসন্তুষ্ট তাঁর ক্লাব। যদিও ফরাসি ক্লাব পিএসজি-র সঙ্গে মেসির যে চুক্তি রয়েছে তাতে একটি ধারায় লেখা রয়েছে, দেশের ম্যাচকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

কিন্তু লিয়োনার্দো এই যুক্তিতে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন। তাঁর কথায়, ‍জাতীয় দলের হয়ে আমরা সেই ফুটবলারকে খেলতে দিতে রাজি নই, যে চোটগ্রস্ত কিংবা তাঁর পুনর্বাসন চলছে। এটা অনৈতিক। এই ধরনের পরিস্থিতিতে কী করণীয়, সে ব্যাপারে ফিফার সঙ্গে প্রকৃত চুক্তি বাঞ্ছনীয়।

উল্লেখ্য, পিএসজি-তে এখনও নিজের সেরা ছন্দে খেলে উঠতে পারেননি মেসি। এ পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে মাত্র আটটি ম্যাচ খেলেছেন। লিগ ওয়ানে এ পর্যন্ত ১২ ম্যাচের পরে ৩১ পয়েন্ট সংগ্রহ করে শীর্ষেই রয়েছে মেসির ক্লাব।

 


আরও খবর
হারের শঙ্কায় টাইগাররা

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তোরণে জাতিসংঘের প্রস্তাব মহান অর্জন: প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ | ১৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত করার প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়া দেশের জন্য একটি অনন্য উত্তোরণ ও বিরল সম্মান অর্জন। রোববার একাদশ জাতীয় সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশনের সমাপনী ভাষণে একথা বলেন তিনি।

তার সরকারের অগ্রগতির জন্য পরিকল্পিত নীতি এবং নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রার বাস্তবায়নকে কৃতিত্ব দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, তারা রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করাই এখন মূল লক্ষ্য।

শেখ হাসিনা বলেন, ২০২০ থেকে ২০২১ সাল জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী অর্থাৎ মুজিববর্ষ এবং ২০২১ সাল আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। এই সময়ে এই অর্জন আমাদের জন্য অনেক গৌরবের। কারণ জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী এবং স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী যখন আমারা উদযাপন করছি, সেই সময় এই যুগান্তকারী অর্জন। বাঙালি জাতির জন্য এটা একটা বিরল সম্মান অর্জন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০০৮ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে আওয়ামী লীগ ঘোষিত রূপকল্প-২০২১ এবং এরই আলোকে আমরা যে পরিকল্পনাগুলো পর পর নিয়েছি, সে সময় অনেকে ধারণাই করতে পারেনি বাংলাদেশের এ ধরনের উত্তোরণ ঘটতে পারে। কিন্তু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা নিয়ে পরিকল্পিতভাবে এগিয়েছি বলেই এটা সম্ভব হয়েছে। সে সময় অনেক সমালোচনা সহ্য করতে হলেও আমার বিশ্বাস ছিল আওয়ামী লীগ সরকারের এই পরিকল্পিত প্রচেষ্টার একটা সুফল বাংলাদেশ পাবে।

তিনি বলেন, এই দেশটাকে আমি চিনি ও জানি। এ কারণেই সমালোচনায় কান না দিয়ে অভিষ্ট লক্ষ্য নির্ধারণ করে আশু, মধ্য এবং দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়েছে সরকার।

সম্প্রতি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সর্বসম্মতিক্রমে স্বল্পোন্নত (এলডিসি) দেশের ক্যাটাগরি থেকে চূড়ান্তভাবে বাংলাদেশের উত্তরণের ঐতিহাসিক রেজুলেশন গৃহীত হয়। রেজুলেশনটি গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ এলডিসি ক্যাটাগরি থেকে পরবর্তী ধাপে (উন্নয়নশীল দেশে) উত্তরণের সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করল।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সববিছু হারিয়ে সেই বেদনা বুকে ধারণ করে কেবল একটা লক্ষ্যকে সামনে রেখেছি, বাংলাদেশ  লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত, এই বাংলাদেশের মানুষের জন্যই আমার বাবা সারাজীবন কষ্ট করেছেন, জেল-জুলুম-অত্যাচার সহ্য করেছেন, নিজের জীবনে তিনি কিছু চাননি। তাই তাদের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটাতে হবে।

এ প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, বঙ্গবন্ধুর পাশে ছিলেন আমার মা, যার নিজেরও জীবনে চাওয়া-পাওয়ার কিছু ছিলনা। পাশে থেকেই তিনি প্রেরণা যুগিয়েছেন, শক্তি জুগিয়ে গেছেন। সাংসারিক কোনো কাজে জাতির পিতাকে বিরক্ত করেননি। পর্দার আড়ালে থেকেই তিনি এ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার ১০ বছরের মধ্যেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হত। আমাদের দুর্ভাগ্য জাতির পিতাকে হত্যার পর যারা ক্ষমতায় এসেছিলেন, সেই জিয়া, এরশাদ বা বেগম জিয়া, কেউই দেশকে আসলে উন্নত করতে চাননি। ক্ষমতা ছিল তাদের কাছে ভোগের বস্তু। ক্ষমতা মানে নিজের জীবনকে বিলাস- ব্যসনে ব্যস্ত রাখা এবং ক্ষমতার উচ্ছিষ্ট বিলিয়ে একটি এলিট শ্রেণি তৈরি করা এবং কিছু লোককে দলে টানা। কাজেই দেশের সাধারণ মানুষ যে তিমিরে সেই তিমিরেই রয়ে যায়।


আরও খবর