আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

বিশ্বে মৃত্যুর সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৪৮ লাখ ৬৪ হাজার

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯৫ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৭৫ হাজার

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ৪৮ লাখ ৬৪ হাজারের বেশি মানুষ। একইসঙ্গে শনাক্ত হয়েছেন ২৩ কোটি ৮৬ লাখের উপরে। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন সাড়ে ৬ হাজারের বেশি মানুষ। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছাড়িয়েছে পৌনে চার লাখের গণ্ডি।

সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। অন্যদিকে দৈনিক মৃত্যুতে এরপরই রয়েছে রাশিয়া।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬ হাজার ৬৭৮ জন।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লাখ ৮৫ হাজার ৮৯৫ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৭৫ হাজার।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮২ হাজার ৪৭৮ জন এবং মারা গেছেন ১ হাজার ৪৬৫ জন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে মারা গেছেন ৯৭৩ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২৮ হাজার ১৯০ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১৭৬ জন এবং নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ৭ হাজার ৩৫৯ জন।

এদিকে করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২২৯ জন এবং নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬ হাজার ২১ জন।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার বাংলাদেশী অভিনেত্রীর অ্যাওয়ার্ডস মনোনয়ন

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশী অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন এবার অস্ট্রেলিয়ার এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস-এ সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়ন পেয়েছেন। এটা প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে মর্দাদাপূর্ণ এই আসরে জায়গা পেলেন কোন বাংলাদেশি অভিনেত্রী।

আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ পরিচালিত রেহানা মরিয়ম নূর সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের সুবাদে এই মনোনয়ন পেয়েছেন অভিনেত্রী। বুধবার (১৩ অক্টোবর) এবারের আয়োজনে মনোনয়নপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করেছে পুরস্কার কর্তৃপক্ষ।

তালিকায় বাঁধনের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন ইসরায়েলের আলেনা ওয়াইভি, রাশিয়ার ভ্যালেন্টিনা রোমানোভা সিসকাইরি, অস্ট্রেলিয়ার লিয়া পার্সেল ও নিউজিল্যান্ডের এসি ডেভিস।

এ প্রসঙ্গে বাঁধন বলেন, অবশ্যই বিষয়টি আনন্দের ও গৌরবের যে বাংলাদেশের কোন অভিনেত্রী মনোনয়ন পেয়েছে এবং সেটা আমি। জীবনের প্রথম যেহেতু তাই সারাজীবন এটা লেখা থাকবে স্মৃতির পাতায়। আপনি দেখেছেন যাদের সঙ্গে আসলে মনোনয়ন পেয়েছি সেটাই অনেক বড় ব্যাপার। তবে এটার কৃতিত্ব অবশ্যই আমি আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদকে দিতে চাই এবং আমি মনেকরি মনোনয়নটা আসলে সেই পেয়েছে। কারণ অভিনয়ের ব্যাপারটা আসলে সেই করেছে।

বাধন আরও বলেন, এই সিনেমার জন্য যেহেতু আমি অন্য অনেক কাজ করিনি, এ জন্য আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। আমি শুধু পরিশ্রম করেছি, সততার সঙ্গে তাকে বিশ্বাস করেছি আর ধৈর্য নিয়ে শুধু অপেক্ষা করেছি। যেহেতু আমার প্রাতিষ্ঠানিক কোন অভিনয় শিক্ষা নেই। আমি আসলে জানি না ভালো অভিনেত্রী আর খারাপ অভিনেত্রী কি! তাই আমি মনে করি একজন নির্মাতার কৃতিত্ব একজন অভিনয় শিল্পী গড়ে তোলার ব্যাপার। এটা আমার সৌভাগ্য বলতে পারেন যে আমি একজন আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ এর মতো নির্মাতার সঙ্গে কাজ করেছি।

পূর্ব ও দক্ষিণ এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ও ওশেনিয়া ঘিরে গঠিত এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল। এই অঞ্চলের সিনেমা ও শিল্পীদের উৎসাহ দিতেই ২০০৭ সাল থেকে পুরস্কারটি দেওয়া হচ্ছে। এটি প্রদান করে অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড প্রদেশের ব্রিসবেন সিটি কাউন্সিল।

জানা গেছে, ১৪তম এশিয়া-প্যাসিফিক অ্যাওয়ার্ডসের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে আগামী ১১ নভেম্বর অস্ট্রেলিয়ার গোল্ড কোস্ট শহরে। এ বছর ২৫টি দেশের ৩৮টি সিনেমা লড়ছে পুরস্কারের জন্য।


আরও খবর
গাছের সঙ্গে বিয়ে হবে নয়নতারার

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




‘ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টসকে ওভারটেক করবে’

প্রকাশিত:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১ | ১৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান বলেছেন, বেসরকারি শিল্পখাতের জন্য সরকার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করেছে। ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিখাতে ওয়ালটন সেই সুযোগ কাজে লাগাতে পেরেছে। তাদের প্রোডাক্ট ডাইভারসিটি অনেক। তারা বিভিন্ন ধরনের পণ্য উৎপাদন করছে। তারা সবধরনের যন্ত্রাংশও তৈরি করছে। ওয়ালটন যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তাতে আমি নিশ্চিত খুব শিগগিরই রপ্তানি খাতে ইলেকট্রনিক্স শিল্প গার্মেন্টস শিল্পকে ওভারটেক করবে।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে এসব কথা বলেন সালমান এফ রহমান। সে সময় তিনি ১ লাখ ওয়ালটন ফ্রিজ রপ্তানির সাফল্য উদযাপনে বিশালাকার কেক কাটেন।

ওয়ালটন কারখানা পরিদর্শনকালে সালমান এফ রহমানের সঙ্গে ছিলেন আইএফআইসি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. শাহ আলম সরোয়ার, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টার একান্ত সচিব জাহিদুল ইসলাম ভূঞা প্রমুখ।

শনিবার সকালে কারখানা কমপ্লেক্সে পৌঁছালে অতিথিদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম শামছুল আলম, পরিচালক এস এম রেজাউল আলম, এস এম মঞ্জুরুল আলম ও সাবিহা জারিন অরনা এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম মুর্শেদ। 

সে সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুরের পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ শফিক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মামুন সরদার, ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ডিএমডি হুমায়ূন কবীর ও আলমগীর আলম সরকার, ওয়ালটন ডিজি-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডিএমডি লিয়াকত আলী ভুঁইয়া, ওয়ালটনের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক কর্নেল (অবঃ) শাহাদাত আলম, উদয় হাকিম, তানভীর রহমান, আনিসুর রহমান মল্লিক, ফিরোজ আলম, ইউসুফ আলী, মোস্তফা নাহিদ হোসেন, আমিন খান ও ইয়াসির আল ইমরান, আন্তর্জাতিক ব্যবসা ইউনিটের প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম, নির্বাহী পরিচালক শাহজাদা সেলিম, আবদুল্লাহ আল মামুন, জাহিদুল আলম, শাহজালাল হোসেন লিমন, মহসিন আলী মোল্লা প্রমুখ।

পরিদর্শন শেষে সালমান এফ রহমান আরো বলেন, ওয়ালটন যখন বলে মেইড ইন বাংলাদেশ, তখন সেটা সত্যিই মেইড ইন বাংলাদেশ। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্য অর্জনে আরএন্ডডি (গবেষণা ও উন্নয়ণ) খুব গুরুত্বপূর্ণ। ওয়ালটন এক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করছে। বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের সমন্বয়ে তাদের আরএন্ডডি খুবই সমৃদ্ধ।

ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের এমডি ও সিইও গোলাম মুর্শেদ বলেন, ইলেকট্রনিক্স শিল্পই বাংলাদেশের ভবিষ্যত। ওয়ালটন পণ্য এখন বিশ্বের ৪০টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে। দেশের রেফ্রিজারেটর মার্কেটের ৭৫ শতাংশ ওয়ালটনের। এসির প্রায় ৫০ শতাংশ আর টিভির ৪০ শতাংশ মার্কেট ওয়ালটনের। এর অর্থ মানুষ ওয়ালটন পণ্যের প্রতি আস্থা ও ভরসা রাখছে।

এর আগে কারখানা প্রাঙ্গনে পৌঁছে অতিথিরা প্রথমে ওয়ালটনের বিশাল কর্মযজ্ঞের উপর নির্মিত ভিডিও ডক্যুমেন্টারি উপভোগ করেন। এরপর ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে অতিথিরা ওয়ালটনের মেটাল কাস্টিং, কম্প্রেসর, রেফ্রিজটারেটর, এয়ার কন্ডিশনার, এলইডি টেলিভিশন, কম্পিউটার-ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন, হোম অ্যাপ্লায়েন্সসহ বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ করেন।


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১

নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




ইউপি নির্বাচন : দ্বিতীয় ধাপে ৩ বিভাগে আ.লীগের প্রার্থী যারা

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ১৩৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আগামী ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে সিলেট বিভাগ, রাজশাহী বিভাগের একটি ইউনিয়ন ও ঢাকা বিভাগের আটটি জেলায় মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ।

রোববার (১০ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের মুলতবি সভায় এ নামের তালিকা ঘোষণা করা হয়।

পরে রাতে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের মুলতবি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ডের সভাপতি শেখ হাসিনা। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সিলেট বিভাগ, রাজশাহী বিভাগের একটি ইউনিয়ন ও ঢাকা বিভাগের আটটি জেলার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মনোনীত প্রার্থীদের নামের তালিকা নিম্নে দেওয়া হলো।

ঢাকা বিভাগ

ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার কুশুরা ইউপিতে নূরুজ্জামান আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন। টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ী উপজেলার বীরতারাতে আহাম্মদ আল ফরিদ, বানিয়াজানে রফিকুল ইসলাম তালুকদার, যদুনাথপুরে মীর ফিরোজ আহমেদ, পাইস্কাতে মুহাম্মদ আব্দুল মান্নান, ধোপাখালীতে আকবর হোসেন, মুশুদ্দিতে আবুল কায়ছার, বলিভদ্রে রফিকুল ইসলাম তালুকদার। সখিপুর উপজেলার যাদবপুরে এ, কে, এম আতিকুর রহমান, বহরিয়াতে গোলাম কিবরিয়া, বহেরাতৈলতে ওয়াদুদ হোসেন, কাকড়াজানে তারিকুল ইসলাম। দেলদুয়ার উপজেলার আটিয়াতে মাসুদুল হাসান তালুকদার, দেউলীতে দেঃ তাহ্ মিনা, পাথরাইলে রামপ্রসাদ সরকার, লাউহাটিতে হাবিবুর রহমান, দেলদুয়ারে মাসুদ-উজ্জামান খান, ডুবাইলে ইলিয়াছ মিয়া, এলাসিনে বেলায়েত হোসেন, ফাজিলহাটিতে শওকত আলী আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।

মুন্সীগঞ্জ জেলার শ্রীনগর উপজেলার বাঘড়াতে নূরুল ইসলাম, ভাগ্যকুলে কাজী মনোয়ার হোসেন, রাড়িখালে বারী (বারেক), বারৈই খালীতে ফারুক হোসেন, কুকুটিয়াতে আক্তার হোসেন মিন্টু, তন্তরে জাকির হোসেন, আটপাড়াতে রকিবুল ইসলাম মাসুদ, পাটাভোগে মুন খান, বীরতারাতে আজিম খান, শ্যামসিন্ধিতে শফিকুল ইসলাম মামুন, ষোলঘরে আজিজুল ইসলাম, হাঁসাড়াতে আহসান হাবীব, শ্রীনগরে মোখলেছুর রহমান।

নরসিংদী সদর উপজেলার আলোকবালি ইউপিতে দেলোয়ার হোসেন সরকার, চরদিঘলীতে দেলোয়ার হোসাইন। রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জে শাহানা বেগম, বাঁশগাড়ীতে আশরাফুল হক, চরসুবুদ্ধিতে নাসির উদ্দিন, চরমধুয়াতে নূর আলম ফকির, হাইরমারাতে কবির হোসেন, মির্জানগরে হুমায়ুন কবির সরকার, মির্জারচরে ফিরুজ মিয়া, নিলক্ষাতে তাজুল ইসলাম, পাড়াতলীতে ফেরদৌস কামাল, শ্রীনগরে রিয়াজ মোর্শেদ খান।

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার ছোটভাকলা ইউপিতে আমজাদ হোসেন, উজানচরে গোলজার হোসেন মৃধা।

ফরিদপুর জেলার সালথা উপজেলার রামকান্তপুর ইউপিতে আশরাফ আলী, যদুনন্দীতে আবদুর রব মোল্যা, গট্টিতে হাবিবুর রহমান লাবলু, ভাওয়ালে ফারুকউজ্জামান, সোনাপুরে খায়রুজ্জামান, আঠঘরে শহীদুল হাসান খান, মাঝারদিয়াতে আফছারউদ্দীন মাতুব্বর, বল্লভদীতে নুরুল ইসলাম। নগরকান্দা উপজেলার চরযশোরদীতে কামরুজ্জামান, পুরাপাড়ায় বেলায়েত হোসেন মিয়া, কোদালিয়া শহীদনগরে খোন্দকার জাকির হোসেন (নিলু), ফুলসুতীতে আরিফ হোসেন, কাইচাইলে মোস্তফা খাঁন, তালমাতে রনজিৎ কুমার মন্ডল, রামনগরে মান্দার ফকির, ডাঙ্গীতে কাজী আবুল কালাম, লস্করদিয়াতে এসকেন্দার মাতুব্বর।

গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুরে লুৎফর রহমান মিয়া, পারুলিয়াতে মকিমুল ইসলাম, মাহমুদপুরে মাসুদ রানা, সাজাইলে কাজী জাহাঙ্গীর আলম, কাশিয়ানীতে মশিউর রহমান খান, রাতইল বিতে এম হারুন অর রশিদ পিনু, রাজপটে মিল্টন মিয়া।

মাদারীপুর জেলার কালকিনি উপজেলার বাঁশগাড়ীতে আবদুল্লাহ আল মামুন, লক্ষ্মীপুরে মজিবর রহমান মোল্যা, চর দৌলতখানে চাঁন মিয়া সিকদার, শিকারমঙ্গলে সিরাজুল আলম মৃধা, কয়ারিয়াতে জাকির হোসেন, সাহেবরামপুরে কামরুল আহ্সান সেলিম, রমজানপুরে বি এম মিল্টন ইব্রাহীম, আলীনগরে সাহীদ পারভেজ, বালিগ্রামে ইসতিয়াক হোসেন খান, নবগ্রামে বিভূতি ভূষণ বাড়ৈ, কাজীবাকাইতে সাইদুল ইসলাম, ডাসারে রেজাউল করিম শিকদার, গোপালপুরে দেলোয়ার হোসেন।

শরীয়তপুর সদর উপজেলার চন্দ্রপুরে আবদুস সালাম খান, চিতলিয়াতে হারুন-অর-রশিদ, আংগারিয়াতে আসমা আক্তার, ডোমসারে মিজান মোহাম্মদ খান, পালংএ আবুল হোসেন দেওয়ান, তুলাসারে জামাল হোসাইন, রুদ্রকরে সিরাজুল ইসলাম, বিনোদপুরে আব্দুল হামিদ সাকিদার, শৌলপাড়াতে আলমগীর হোসেন খান, মাহমুদপুরে শাহ আলম।

সিলেট বিভাগ

হবিগঞ্জ জেলার আজমিরীগঞ্জ উপজেলার আজমিরীগঞ্জ ইউপিতে মোবারুল হোসেন, বদলপুরে সুষেনজিৎ চৌধুরী, জলসুখাতে শাজাহান মিয়া, কাকাইলছেওতে মিসবাহ উদ্দিন ভূঁইয়া, শিবপাশাতে তফছির মিয়া।

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার জায়ফরনগরে মোহাম্মদ জায়েদ আনোয়ার চৌধুরী, পশ্চিম জুড়ীতে শ্রীকান্ত দাশ, পূর্ব জুড়ীতে আবদুল কাদির, গোয়ালবাড়ীতে শাহাব উদ্দিন আহমদ, সাগরনালে আবদুল নূর।

সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ ইউপিতে মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ ইছাহাক, হাটখোলাতে মুশাহিদ আলী, মোগলগাঁওতে হিরন মিয়া, কান্দিগাঁওতে নিজাম উদ্দিন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর পূর্ব ইউপিতে মুল্লুক হোসেন, তেলিখালে নুর মিয়া (চেয়ারম্যান), ইছাকলসে এখলাসুর রহমান, উত্তর রণিখাইতে ফয়জুর রহমান, দক্ষিণ রণিখাইতে ইকবাল হুসেন ইমাদ। বালাগঞ্জ উপজেলার পূর্ব পৈলনপুরে শিহাব উদ্দিন, বোয়ালজুড়ে আনহার মিয়া, দেওয়ানবাজারে ছহুল আবদুল মুনিম, পশ্চিম গৌরিপুরে হাজী আমিরুল ইসলাম (মধু), বালাগঞ্জে জুনেদ মিয়া, পূর্ব গৌরিপুরে হিমাংশু রঞ্জন দাস।

সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার ইসলামপুরে আব্দুল হেকিম, ছাতকে রঞ্জন কুমার দাস, কালারুকতে অদুদ আলম, খুরমা উত্তরে বিল্লাল আহমদ, চরমহল্লাতে কদর মিয়া, খুরমা দক্ষিণে আবদুল মছব্বির, জাউয়াবাজারে নুরুল ইসলাম, দোলারবাজারে সায়েস্তা মিয়া, গোবিন্দগঞ্জ সৈদেরগাওতে সুন্দর আলী, ছৈলা আফজালাবাদে গয়াছ আহমদ। দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁওতে অসিত কুমার দাস, পান্ডার গাঁওতে আবদুল ওয়াহিদ, দোহালিয়াতে আনোয়ার মিয়া আনু, লক্ষ্মীপুরে আবদুল কাদির, বোগলাবাজারে মোহাম্মদ মিলন খান, সুরমাতে এম এ হালিম বীর প্রতীক, বাংলাবাজারে মানিক মিয়া, নরসিংপুরে নুর উদ্দিন আহমদ, দোয়ারাবাজারে আবদুল হামিদ আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়েছেন।


আরও খবর



মৃত স্বামীর ছাই খেয়ে থাকেন এই নারী

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বামী মারা গিয়েছেন বেশ কয়েক দিন আগে। শেষকৃত্যও সম্পন্ন হয়েছে। কিন্তু তারপরও স্বামীর ছাই সঙ্গে নিয়ে ঘুরছেন এক নারী। শুধু সঙ্গে নিয়ে ঘোরা নয়, মাঝেমধ্যে সেই ছাই খাচ্ছেনও তিনি! তাও একবার নয়, দিনে ৫-৬ বার। হ্যাঁ, শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিররের প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই নারীর নাম কেসি। ২৬ বছর বয়সী ওই নারী যুক্তরাজ্যের বাসিন্দা। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর স্বামী সিন শ্বাসকষ্টের সমস্যায় ভুগছিলেন। শেষপর্যন্ত দুবছর আগে শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হয়েই মারা গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এরপর সিনকে দাহ করলেও তাঁর অস্থি নিজের কাছেই রেখে দিয়েছিলেন কেসি। পরবর্তীতে ওই অস্থি সব সময় একটি কৌটায় সঙ্গে নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি।

এক সাক্ষাৎকারে কেসি বলেন, আমি যেখানেই যাই, সেখানেই তাঁর অস্থি আমার সঙ্গে নিয়ে যাই। তা সেটা গ্রোসারি স্টোরস, শপিং মল, সিনেমা হল কিংবা কোথাও খাবার খেতে যাওয়া হোক না কেন! সব জায়গায় ও আমার সঙ্গে থাকে।

কেসি আরও জানান, তিনি মাঝেমধ্যেই তাঁর স্বামীর অস্থির ছাইও খেয়ে থাকেন। আর এটা জানতে পেরেই অবাক হয়ে যান অনেকে।

ওই নারীর কথায়, আমি আমার স্বামীকে নিজের জীবন থেকে মুছে ফেলতে চাই না। তাই মাঝেমধ্যেই তাঁর অস্থি খেয়ে থাকি। আর এটা কখনোই বন্ধও করতে পারছি না। গত দুমাস ধরেই এই ভাবে অস্থি খেয়ে চলেছি।

অনেকেই প্রশ্ন করেন, এভাবে দিনের পর দিন অস্থির ছাই খাওয়া কীভাবে সম্ভব। সাক্ষাৎকারে সেই বিষয়টিও জানিয়ে দেন তিনি। কেসি জানান, বেশি নয়, তিনি দিনে ৫-৬ বার আঙুলে একটু ছাই তুলে নিয়ে সেটি খান। কিন্তু কোনোভাবেই তা বন্ধ করতে পারবেন না। কিন্তু কেন একাজ করেন কেসি?

ওই নারী জানান, ছাইয়ের কৌটোটি খুলতেই তিনি অনাবিল আনন্দ পান। আর যত সেটি খাই, তত আনন্দিত হই।  


আরও খবর
৫৫০টি কেক কেটে জন্মদিন পালন

বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১




বয়স ৩০ পেরোলে যে পরীক্ষাগুলো করিয়ে নেওয়া ভালো

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
তাই বয়স ৩০ হয়ে যাওয়ার পর কিছু পরীক্ষা করে রাখা ভালো। এতে সমস্ত রোগ প্রতিরোধ করা না গেলেও অনেক্ষ ক্ষেত্রে আগে থেকে ধারণা পাওয়া সম্ভব

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের শরীরে নানা রকমের প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কারও কারও জীবন স্বাভাবিক গতিতে এগিয়ে যেতে থাকলেও অনেকের ক্ষেত্রেই বয়সটা বেশ বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

নারীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়- শারীরিক নানান পরিবর্তন এবং তার সঙ্গে হরমোনাল স্বাস্থ্য যোগ হয়ে বয়স একটু বাড়তির দিকে গেলেই তার প্রতিক্রিয়া আসে বড় করে।

বয়সের সাথে সাধারণত যেসব সস্যা সাধারণ বিষয়ের মতো করে মানুষের জীবনের সঙ্গী হয়ে যায় তার মধ্যে রয়েছে- পাচনতন্ত্রের সমস্যা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি। 

তাই বয়স ৩০ হয়ে যাওয়ার পর কিছু পরীক্ষা করে রাখা ভালো। এতে সমস্ত রোগ প্রতিরোধ করা না গেলেও অনেক্ষ ক্ষেত্রে আগে থেকে ধারণা পাওয়া সম্ভব যে, কী অবস্থা শরীরের। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস সূত্রে সেরকম কয়েকটি টেস্ট হলো- 

কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট (সিবিসি): একটা বয়সে পৌঁছানোর পর সিবিসি খুবই প্রয়োজনীয় একটা পরীক্ষা। এ পরীক্ষা থেকে রক্ত শূন্যতা, সংক্রমণ এবং ব্লাড ক্যানসার জাতীয় ব্যাধিরও ইঙ্গিত পাওয়া যায়। এগুলো ছাড়াও রক্তে কী পরিমাণে লোহিত রক্ত কণিকা, শ্বেত রক্ত কণিকা, হিমোগ্লোবিন এবং প্লাটিলেট রয়েছে, তাও জানা যায় এ পরীক্ষা থেকে। 

লিপিড প্রোফাইল: রক্তে চর্বির পরিমাণ জানা থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। এটার জন্যই প্রয়োজন লিপিড প্রোফাইল। কোলেস্টেরলসহ একাধিক বিষয় পরিমাপের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা হয়। হৃদরোগের ঝুঁকি কতটা, বা রক্তনালীতে কোনো সমস্যা থাকলে তারও ইঙ্গিত পাওয়া যায় এ পরীক্ষা থেকে।

থাইরয়েড: অনেকে বলেন প্রতি তিন মাস পর পর থাইরয়েড টেস্ট করা উচিত। থাইরয়েড সমস্যার লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে- ওজন বেড়ে যাওয়া, চুল পড়া, ঋতুচক্রের গণ্ডগোল, প্রজননে বাধা।

ব্লাড সুগার: এটিও একরকম শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটায়। সুগার মানেই তার হাত ধরে নানান রোগ। চোখ, হার্ট থেকে লিভার কোনোকিছুই বাদ যায় না। প্রতি ৪ মাসে একবার সুগার টেস্ট করুন। সকালে হাঁটা অভ্যাস করুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ খান। অতিরিক্ত মাত্রায় বেড়ে গেলে ইনসুলিন অবশ্যই নিন।

ব্লাড প্রেসার: রক্ত চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকা যেমন খারাপ, কম থাকাও তেমনি খারাপ। এ সমস্যা হওয়ার নির্দিষ্ট কোনো বয়স নেই। এ জন্য বয়স ত্রিশ হয়ে যাওয়ার পর মাসে অন্তত একবার প্রেসার মাপানো উচিত।


আরও খবর