আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপৎসীমার ওপরে, পানিবন্দী ২৫ হাজার মানুষ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | ৭৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় এসব এলাকার অন্তত ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যার কারণে সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের পাট, পটল, কাঁচামরিচ

কয়েকদিনের প্রবল বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গাইবান্ধার সবগুলো নদ-নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ব্রহ্মপুত্রের পানি ১৩ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া তিস্তায় পানি কমলেও ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি বিপৎসীমার কাছ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শোখলেছুর রহমান।

জানা গেছে, জেলার সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও যমুনা নদী বেষ্টিত ফুলছড়ি উপজেলার ফুলছড়ি, গজারিয়া, খাটিয়ামারী ইউনিয়নের চরাঞ্চল, যমুনা নদী বেষ্টিত সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া, চিনিরপটল, পালপাড়া, পবনতাইড়, থৈকরপাড়া, বাঁশহাটা, চকপাড়া, মুন্সিরহাট, গোবিন্দ, নলছিয়া ও তিস্তা নদী বেষ্টিত এছাড়া সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর, তারাপুর, কাপাসিয়া, বেলকা, হরিপুর ও শ্রীপুর এবং সদর উপজেলার কামারজানি ও মোল্লারচর ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

এদিকে রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় এসব এলাকার অন্তত ২৫ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। বন্যার কারণে সাঘাটা, ফুলছড়ি, সদর ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চরাঞ্চলের পাট, পটল, কাঁচামরিচ ও শাক-সবজির ক্ষেতসহ সদ্য রোপণকৃত আমন ক্ষেত তলিয়ে গেছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শোখলেছুর রহমান জানান, ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধ অব্যাহত থাকলে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ভেতরে নদ-নদী বেষ্টিত গাইবান্ধার ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার চরগুলোর বন্যা পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।


আরও খবর



মাঝ আকাশে হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল সেই বিমানের পাইলটের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | ৯০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রীরা। মাস্কাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করা ফ্লাইটটি শুক্রবার ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করে। 

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মাস্কাট থেকে উড্ডয়ন করা বিমানটির ৪৬ বছর বয়সি ক্যাপ্টেন নওশাদ ১১টার দিকে রায়পুরের কাছাকাছি হালকা অসুস্থতা বোধ করেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

এসময় দ্রুতই পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করে তিনি এবং সহকারী পাইলট কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় ওই বিমান থেকে। পরে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি ভিত্তিতে ওই বিমানটিকে অবতরণ করানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অবতরণের পর হোপ হাসপাতালে পাইলটের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল। ফ্লাইটে কতজন যাত্রী ছিলেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে সবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন।

বিমানের এমডি আবু সালেহ মোস্তফা কামাল বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি পাইলটের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। তার অবস্থা এখন সুস্থতার দিকে ।তিনি কথাও বলেছেন। দুইজন পাইলট ও দুইজন ককপিট ক্রু যাচ্ছেন ফ্লাইট এবং যাত্রীদের আনার জন্য।

বিমান সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিমানের ফ্লাইটটি ওমান যায়। সেখান থেকে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।

তবে ভারতের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার দিকে না এসে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

মাস্কাট থেকে বিজি-২২ ফ্লাইটের একজন যাত্রী জানান, মাস্কাট থেকে আমাদের ফ্লাইটে তোলা হয়। আমাদের মাস্কাটে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে সাড়ে ৬টায় বিমানে তোলা হয়। তবে বিমানটি পুশ ব্যাক করার সময় ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে অবশ্য নাগপুরে এটি জরুরি অবতরণ করে।

বর্তমানে বিমানের যাত্রীরা নাগপুর বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন। যাত্রীদের আনতে নতুন ফ্লাইট পাঠানো হবে কিনা, এই ফ্লাইটে আনা হবে তা নিশ্চিত করেনি বিমান।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৪৩ জন হাসপাতালে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩৪৩ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ২৮৬ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ রোগীই রাজধানীর বাসিন্দা। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে  সবমিলিয়ে এই বছর না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন ৫২ জন মানুষ।

মঙ্গলবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গু বিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন ৩৪৩ জন ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৮১ জনে।

ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ১৩৩ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৪৮ জন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ১২ হাজার ৪৩৪ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১১ হাজার ১০১ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




নুসরাতের পেছনে যুদ্ধাপরাধী-সুশীল সিন্ডিকেট

প্রকাশিত:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১১ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুনিয়ার মৃত্যুর মামলাকে জিইয়ে রাখতে উৎসাহী যুদ্ধাপরাধী এবং সুশীল সিন্ডিকেট এই মামলাটি যেন চলমান থাকে, জনমনে যেন এই মামলা নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, সেজন্য তৎপর এই যুদ্ধাপরাধী সিন্ডিকেট। এরা নুসরাতকে যেকোনো মূল্যে এই মামলা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার উৎসাহ দিচ্ছে এবং প্ররোচিত করছে।

নুসরাত যেন এই মামলা থেকে সরে না আসে সেজন্য যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছে নুসরাতকে।

মুনিয়া ইস্যুকে জিইয়ে রাখতে যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী এবং সুশীল সমাজ দুটি কৌশল গ্রহণ করেছে।

প্রথমত, আইনি সহায়তা, মুনিয়ার মৃত্যুর বিষয়টিকে আইনি সহায়তা দিতে যুদ্ধাপরাধীদের অর্থায়নে একটি আইনজীবী প্যানেল করা হয়েছে। প্রকাশ্যে যে কজন আইনজীবী আছেন এরা সবাই জামায়াত ও যুদ্ধাপরাধী ঘরনার। নেপথ্যে থেকে এদের সহায়তা দিচ্ছে সুশীল সমাজ নিয়ন্ত্রিত কয়েকজন আইনজীবী।

দ্বিতীয়ত, মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাগামহীন প্রচারণা এবং মিথ্যাচার করছে। যুদ্ধাপরাধীদের অর্থায়নে পরিচালিত কিছু তথাকথিত ইউটিউব চ্যানেল এবং ফেসবুকে এই ইস্যুতে অবিরাম মিথ্যাচার করা হচ্ছে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি অথবা বসুন্ধরা শিল্প পরিবারকে ঘায়েল করার জন্য বা তাদের ইমেজ নষ্ট করার জন্যই হয়তো এতো আয়োজন। কিন্তু একটু অনুসন্ধান করলে দেখা যাবে, বসুন্ধরা গ্রুপ না মূল টার্গেট হলো সরকার।

বসুন্ধরা ইস্যুকে সামনে রেখে সরকারকে অস্থির করে তোলাই যুদ্ধাপরাধী এবং সুশীলদের মূল লক্ষ্য। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেসব নোংরা কথাবার্তা বলা হচ্ছে সেগুলোতে আক্রমণ করা হচ্ছে, পুলিশ বাহিনীকে, আইন ও বিচার মন্ত্রীকে এবং সরকারকে। পাশাপাশি এই ঘটনাকে রং মিশিয়ে প্রচারের মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে আতঙ্ক ছড়ানো হচ্ছে। অন্যান্য ব্যবসায়ীরা এই ঘটনায় আতঙ্ক অনুভব করছেন। কোনো কিছু না করেই, একজনকে না চিনে, না জেনেও যদি বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যানের মতো একজন সম্মানিত ব্যক্তিকে আসামি করা যায়।

এ ধরনের খ্যাতিমান ব্যক্তির বিরুদ্ধে যদি যাচাই-বাছাই ছাড়াই মামলা আমলে নেওয়া হয়, তাহলে কোনো ব্যবসায়ীই নিরাপদ নয়। দেশের পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত ও বিব্রত করা, আইন ও বিচারমন্ত্রী, যনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারে যুগান্তকারী অবদান রেখেছেন তাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা এবং ব্যবসায়ীদের আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যে মুনিয়া ইস্যুতে একের পর এক নাটক সাজানো হচ্ছে।

সোশাল মিডিয়াতে যুদ্ধাপরাধীদের টাকায় খোলা হয়েছে অনেকগুলো গুজবের ফ্যাক্টরি। এসবের মূল লক্ষ্য একটাই, সরকারকে বিব্রত করা। মুনিয়া ইস্যু আসলে সরকারের বিরুদ্ধে সাইবার যুদ্ধে যুদ্ধাপরাধী ও সুশীলদের সৃষ্ট নতুন নাটক।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




এক দিনের ব্যবধানে করোনায় মৃত্যু ও শনাক্ত বেড়েছে

প্রকাশিত:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৯ আগস্ট ২০২১ | ৫৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ হাজার ১৫ জন হয়েছে। দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ৫৩৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৪৬৬ জন

দেশে করোনায় এক দিনের ব্যবধানে মৃত্যু ও শনাক্তের সংখ্যা বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল আটটা থেকে আজ রবিবার সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনায় আরও ৮৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৯৪৮ জন।

রবিবার (২৯ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৬ হাজার ১৫ জন হয়েছে। দেশে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৯৩ হাজার ৫৩৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৬ হাজার ৪৬৬ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৪ লাখ ১৫ হাজার ৬৯৭ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৭ হাজার ১৭৭ জনের। পরীক্ষা করা হয়েছে ২৭ হাজার ৯২১টি। নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ১৪ শতাংশ। দেশে এ পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ৮৮ লাখ ৬৯ হাজার ৩৯৩টি। মোট পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২৪ ঘণ্টায় ৫০ জন ষাটোর্ধ্ব ব্যক্তি মারা গেছেন। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের ১৬, ৪১ থেকে ৫০ বছরের ১৫ জন ও ৩১ থেকে ৪০ বছরের ৫ জন এবং ২১ থেকে ৩০ বছরের ৩ জন মারা গেছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের আছেন ২৭ জন। এছাড়া চট্টগ্রামে ২১, রাজশাহীতে ৭, খুলনায় ৯, বরিশালে ৮, সিলেটে ১০, রংপুরে ৫ এবং ময়মনসিংহে ২ জন মারা গেছেন।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




ছিনতাইকারীদের গুলিতে এজেন্ট ব্যাংকের মালিক নিহত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৬ আগস্ট ২০২১ | ৬২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাংনীর গাঁড়াডোব-আমঝুপি সড়কের খোকসা ও গাঁড়াডোব মাঠের মধ্যে ছিনতাইকারীদের গুলিতে নিহত হয়েছেন কোমরপুর সিটি ব্যাংকের এজেন্ট ও তন্নি হার্ডওয়্যারের স্বত্বাধিকারী খাদেমুল ইসলাম (৩২)।

বৃহস্পতিবার (২৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

খাদেমুল ইসলাম মেহেরপুর সদর উপজেলার যতারপুর গ্রামের মিনারুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় ৪৬ লাখ টাকা উদ্ধার করেছে গাংনী থানা পুলিশ।

খাদেমুল ইসলাম মুজিবনগর উপজেলার কোমরপুর বাজারে স্থাপিত সিটি ব্যাংকের এজেন্ট মালিক ও তন্নি হার্ডওয়ারের স্বত্বাধিকারী।

খাদেমুল ইসলামের ছোট ভাই রানা জানান, ৪৬ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে আমঝুপি-গাঁড়াডোব সড়ক ধরে গাংনী যাচ্ছিলেন খাদেমুল। তিনি আমঝুপি-গাঁড়াডোব সড়কের খোকসা ও গাঁড়াডোব গ্রামের মাঠের মধ্যে পৌঁছানো মাত্র পেছন থেকে মোরসাইকেলে আসা দুইজন দুর্বৃত্ত তার গতিরোধ করে টাকা ভর্তি ব্যাগ ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। তখন খাদেমুল ইসলামের সঙ্গে দুইজন দুর্বৃত্তের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এক পর্যায়ে দুর্বৃত্তরা খাদেমুলকে পিছনে গুলি করে। এসময় খাদেমুল রস্তায় পড়ে চিৎকার শুরু করেন। এসময় একটি পাখি ভ্যান আসতে দেখে দুর্বৃত্তরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।

তিনি আরো জানান, খাদেমুল টাকাগুলো সিটি ব্যাংকের গাংনী এজেন্টে জমা দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন।

গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রহমান জানান, স্থানীয়রা খাদেমুলকে মুমূর্ষু অবস্থায় টাকার ব্যাগসহ উদ্ধার গাংনী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নেন। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে কুষ্টিয়া মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। তার কাঁধে থাকা ব্যাগ থেকে ৪৬ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্বৃত্তদের ধরতে পুলিশের একাধিক দল অভিযান শুরু করেছে।

এদিকে খবর পেয়ে মুজিবনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মহাজনপুর ইউপি চেয়ারম্যান আমাম হোসেন মিলু, গাংনী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মোস্তফা গাংনী থানায় খোঁজ নেন।


আরও খবর