আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা-ক্লাসের সময় নির্ধারণ

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ ও ২১ অক্টোবর প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া হবে। চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে ৬ নভেম্বর

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে আগামী ২০ অক্টোবর এবং ক্লাস শুরু হবে ১৩ নভেম্বর।

বুয়েটের ভর্তি পরীক্ষায় এবার প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভর্তির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা। এরপর চূড়ান্ত পরীক্ষার আয়োজন করা হবে।

বুধবার বুয়েটের ছাত্রকল্যাণ পরিচালক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমরা চলতি মাসেই ভর্তি পরীক্ষা নিতে যাচ্ছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০ ও ২১ অক্টোবর প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষা নেওয়া হবে। চূড়ান্ত পরীক্ষা হবে ৬ নভেম্বর।

তিনি বলেন, আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হবে। প্রথম এক সপ্তাহ অনলাইনে ক্লাস হবে। এরপর সবার দুই ডোজ টিকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার শর্তে সশরীরে ক্লাস শুরু হবে।

গত ২ সেপ্টেম্বর উপাচার্যদের সংগঠন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের বৈঠকে ২০ ও ২১ অক্টোবর বুয়েটের প্রাথমিক বাছাই ও ৬ নভেম্বর চূড়ান্ত পরীক্ষা আয়োজনের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পরে একাডেমিক কাউন্সিলের বৈঠকে সেটি চূড়ান্ত করা হয়।

নিউজ ট্যাগ: বুয়েট

আরও খবর



মুনিয়া ইস্যু নিয়ে যুদ্ধাপরাধী-বিএনপির রাজনীতি

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গুলশানে একজন কলেজছাত্রীর মৃত্যুকে ঘিরে রাজনীতি শুরু হয়েছে। গত এপ্রিলে মারা যান মুনিয়া। গুলশানের একটি ফ্ল্যাটে তার মৃত্যুর পর প্রথমে দায়ের করা হয় এটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা। আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলায় কোনো প্ররোচনার অভিযোগ না পাওয়ার পর পুলিশ প্রায় তিন মাস তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ওই মামলার বাদী মুনিয়ার বড় বোন নুসরাত তানিয়া নারাজি দরখাস্ত দেন। কিন্তু আদালত ওই নারাজি দরখাস্ত নাকচ করে দেয়। এর কয়দিন পরেই নুসরাত তানিয়া নতুন করে একটি হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে ৮ নম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার তদন্ত এখন করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আগামী নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পিবিআই মামলার তদন্ত রিপোর্ট জমা দেবে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।

এই মামলাটিকে আপাত একটি ন্যায় বিচারের প্রার্থনার কথা বলা হলেও এর ভেতরে রয়েছে একটি গভীর রাজনীতি এবং ষড়যন্ত্র। সরকারকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মধ্যে ফেলার জন্য এবং দেশে আইনের শাসন নেই, ন্যায় বিচার হয় না ইত্যাদি অনেকগুলো ইস্যুকে প্রমাণের জন্য হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে মুনিয়ার মৃত্যুর ইস্যুকে।

প্রথমত, প্রথম থেকেই যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপি জামাত গোষ্ঠী প্রকাশ্য এবং নীরবে কাজ করছে। মুনিয়ার মৃত্যুর পরপরই প্রথমে যুদ্ধাপরাধী গোষ্ঠী যারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ সরকার, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিদেশে বসে সাইবার সন্ত্রাস করছে তারা ইস্যুটিকে লুফে নেয়। তারা একের পর এক অপপ্রচার, মিথ্যাচার, চরিত্রহনন এবং কুৎসিত, নোংরা আক্রমণ শুরু করে এই ইস্যুকে নিয়ে।

দ্বিতীয়ত, এর মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারকে সমালোচনায় বিদ্ধ করা। দেশে আইনের শাসন, ন্যায়বিচার নেই এটি প্রমাণ করা। একটু লক্ষ্য করলে দেখা যাবে যে, মুনিয়া ইস্যু নিয়ে যে সাইবার সন্ত্রাস চলছে সেই সন্ত্রাসের মূল টার্গেট আসলে সরকার। সরকার ন্যায় বিচার করছে না, এটি প্রমাণের জন্য মুনিয়া ইস্যুকে বেছে নিয়েছে যুদ্ধাপরাধী সাইবার সন্ত্রাসীরা।

তৃতীয়ত, এসবের পেছনে আবার বিএনপি এবং জামাতপন্থীদের একটি মদদ রয়েছে বাংলাদেশে। একটু লক্ষ্য করলেই দেখা যায় যে মুনিয়ার মৃত্যুর পর তার বোনকে আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য যারা তৎপর হয়েছেন তাদের সকলেরই রাজনৈতিক পরিচয় রয়েছে। এরা বিএনপি-জামাত ঘরানার আইনজীবী হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে ৮ নং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মুনিয়া ইস্যুতে যে মামলাটি হয়েছে সেখানে যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষাবলম্বন করা  আইনজীবীসহ বেশ কয়েকজন রয়েছেন যারা যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপির মদদপুষ্ট। অর্থাৎ আইনি এমন একটি বাতাবরণ তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে যাতে সরকার বিচার করে না বিষয়টি নিশ্চিত করা।

চতুর্থত, এই মামলার মধ্য দিয়ে সুশীল সমাজের একটি মেরুকরণের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে সরকারকে চাপে ফেলার কৌশল হিসেবে। এই  মামলার মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে যে, বাংলাদেশে প্রভাবশালী ব্যক্তিরা আইনের ঊর্ধ্বে। অথচ মুনিয়ার মৃত্যুর পর পুলিশ নির্মোহভাবে তদন্ত করেছে এবং তিন মাস তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। এই তদন্তকালে তারা একদিকে যেমন মুনিয়ার বাসায় কারা গিয়েছিল, সেই সিসিটিভি ফুটেজ নিয়েছে। মুনিয়ার ডায়েরি এবং অন্যান্য তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছে। সবকিছু করার পরই এই মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়েছে। এখন এটি নিয়ে জলঘোলা করার চেষ্টা করা হচ্ছে দেশের পুলিশ বাহিনীকে বিতর্কিত এবং বিব্রত করার লক্ষ্যে। অর্থাৎ বাংলাদেশের পুলিশ বাহিনীর সম্বন্ধে বিএনপি-জামায়াত গত চার-পাঁচ বছর ধরে যে সমালোচনাগুলো করছে, সেই সমালোচনাকেই মুনিয়ার মৃত্যুর মাধ্যমে সরল সমীকরণে ফেলার চেষ্টা করছে।

সবচেয়ে বড় কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের যে অগ্রগতি, উন্নয়ন হচ্ছে সেখানে বেসরকারি খাত যে বড় ধরণের ভূমিকা রাখছে সেটিকে বাধাগ্রস্থ করাও এই মামলার উদ্দেশ্য। এইরকম মামলার ফলে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান, শিল্প গ্রুপগুলো সংকুচিত হবে, কুণ্ঠিত হবে এবং তাদের যে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং শিল্পের প্রসারে যে ভূমিকা তা সংকুচিত হবে। অর্থাৎ মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে যুদ্ধাপরাধী এবং বিএনপির অপরাজনীতির একটি সুস্পষ্ট তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ন্যায় বিচার নয় বরং সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে সামনে যে আন্দোলন হবে সেই আন্দোলনের জন্য একটি ইস্যু তৈরি করা।


আরও খবর



দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৪০জন দেখেছেন
Image

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও নন কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রোবেদ আমিন।

তিনি বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ছিল ডেঙ্গু আক্রান্তের কঠিন সময়। এ দুটি মাসে ৭ হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। চলতি মাসে মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) পর্যন্ত ২ হাজার ৩২১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন মারা গেছেন।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ তথ্য জানান।

অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন বলেন, মঙ্গলবার রাজধানীসহ সারাদেশে ১৮২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে ঢাকায় ১৪৩ জন ও ঢাকার বাইরে ৩৯ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯১৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৭৪২ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ১৪৪ জন।

তিনি জানান, চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৫১৮ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ হাজার ৫২২ জন। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮০ জন। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে অনেক তরুণও রয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: ডেঙ্গু আক্রান্ত

আরও খবর



জার্মানির কোলনে মসজিদের মাইকে আজান দেওয়ার অনুমতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৫১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মানার শর্তে জার্মানির কোলন শহরে প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের আজান মসজিদের মাইকে দেওয়ার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে। যেহেতু জার্মানিতে মাইকে আজান দেওয়া যায় না, তাই কোলন শহরের কর্তৃপক্ষ এক্ষেত্রে ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিলো।

কর্তৃপক্ষের ভাষ্য, শহরের মুসলমানদের প্রতি সম্মান প্রতি সম্মান প্রদর্শনের জন্যই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আপাতত দুই বছরের জন্য অনুমতি দেওয়া হলেও পরবর্তীতে সময় বাড়ানো যাবে।

কোলন কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, শহরটির কেন্দ্রীয় মসজিদসহ ৩৫টি মসজিদে শুক্রবার দুপুর থেকে বিকেল তিনটার মধ্যে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিট মাইকে আজান দেওয়া যাবে। তবে মুয়াজ্জিন আজান দেওয়ার সময় শব্দের একটি নির্দিষ্ট মাত্রা অনুসরণ করতে হবে এবং শহরের বাসিন্দাদের তা জানাতে হবে বলেও শর্ত দেওয়া হয়েছে।

কোলন শহর কর্তৃপক্ষের এই নতুন সিদ্ধান্তে মুসলমানরা সন্তুষ্টি প্রকাশ করলেও অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করেছেন। জার্মানিতে সবচেয়ে বড় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় মুসলমানরা। দেশটিতে প্রায় ৪৫ লাখ মুসলমান বসবাস করেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে শহরের মেয়র হেনরিয়াটে রেকার টুইটারে লেখেন, আজান প্রকল্প নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে৷ কোলন ধর্মীয় স্বাধীনতার শহর। কোলনে গির্জার ঘণ্টার শব্দ শোনা যায়৷ এখানে অনেক বাসিন্দা মুসলমান৷ আমার কাছে আজানের বিষয়টি সম্মান প্রদর্শনের বহিঃপ্রকাশ।

নিউজ ট্যাগ: আজান জার্মানি

আরও খবর



করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একদিনের ব্যবধানে আবারও দেশে করোনায় মৃত্যু বেড়েছে। তবে কমেছে শনাক্ত। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ২০ জন, যা গতকাল (শুক্রবার) ছিল সাত। এ ছাড়া গতকাল ৬৪৫ জন নতুন শনাক্ত হলেও আজ হয়েছে ৪১৫। গত ১৬ মের পর দৈনিক সংক্রমণ পাঁচশর নিচে নামলো। ওই দিন ৩৬১ রোগী শনাক্তের খবর এসেছিল।

শনিবার (৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, একদিনে ২০ জনকে নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত করোনায় মোট মারা গেলেন ২৭ হাজার ৬৭৪ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ৪৪৫ জন। তাদের নিয়ে দেশে সরকারি হিসাবে এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৫ লাখ ৬১ হাজার ৮৭৮ জন।

করোনা আক্রান্ত হয়ে একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ৫৪৩ জন। তাদের নিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে মোট ১৫ লাখ ২৩ হাজার ১৩৪ জন সুস্থ হয়েছেন বলে জানাচ্ছে অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় রোগী শনাক্তের হার দুই দশমিক ৪৫ শতাংশ। আর এখন পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৫২ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৭৭ শতাংশ।

অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ১৬ হাজার ৭৫৫টি আর পরীক্ষা হয়েছে ১৬ হাজার ৯২৫টি। দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯৯ লাখ ৩১ হাজার ৮৪১টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৭২ লাখ ৯৯ হাজার ১২৩টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২৬ লাখ ৩২ হাজার ৭১৮টি।


আরও খবর



সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ টিকা আসছে রাতে

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ২৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চীন থেকে আজ বুধবার রাতে সিনোফার্মের আরও ৫৫ লাখ ডোজ টিকা আসছে দেশে। বুধবার দিবাগত গভীর রাত অর্থাৎ ২১ অক্টোবরের প্রথম প্রহরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

আজ রাতে চীন থেকে টিকার চালান আসার বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কর্মরত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ডা. শাহরিয়ার সাজ্জাদ।

এর আগে গত সোমবার রাত ১১টায় চীনের সিনোফার্মের ১০ লাখ ডোজ এবং একই দিন দিবাগত রাত ১২টায় নেদারল্যান্ড থেকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার আরও ১০ লাখ ডোজসহ ২০ লাখ ডোজ টিকার চালান আসে।

চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি দেশে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকার মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

এ পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে করোনার টিকা নিবন্ধনকারী সংখ্যা সাড়ে পাঁচ কোটি ছাড়িয়েছে। তাদের মধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে পাঁচ কোটি ৪২ লাখ ৫৮ হাজার ২১৫ জন ও পাসপোর্ট এর মাধ্যমে সাত লাখ ৭৭ হাজার ৪৬১ জন নিবন্ধন করেন।

সর্বশেষ গত ২৪ ঘন্টায় সর্বমোট নতুন আরো ৫লাখ ৬২হাজার ২৭৪জন টিকা গ্রহণ করেন। এ নিয়ে দেশে টিকা গ্রহণকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৫ কোটি ৮৮লাখ ১হাজার ৫৫জনে দাঁড়িয়েছে।

তাদের মধ্যে প্রথম ডোজের ৩কোটি ৯১লাখ ৬৮ হাজার ৯৪৮জন ও দ্বিতীয় ডোজের টিকা গ্রহণ করেছেন ১কোটি ৯৬লাখ ৩২ হাজার ৫৯ ১০৭জন।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১