আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

চলতি সপ্তাহেই ২১ কেন্দ্রে শিশুদের টিকা প্রয়োগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে চলতি সপ্তাহ থেকে ২১টি কেন্দ্রে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের করোনা টিকা প্রয়োগ শুরু হবে। মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে এক অনুষ্ঠান শেষে অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশীদ আলম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, এই সপ্তাহের মধ্যেই শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমেই তাদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। আর তাদের জন্য আলাদা টিকা কেন্দ্র তৈরি করা হবে।

খুরশীদ আলম বলেন, শিশু-কিশোরদের টিকার বিষয়টি নানা কারণে এখনো হয়ে উঠেনি। এর প্রধান কারণ হলো, এখন পর্যন্ত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) অনুমোদন দেয়নি। তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেনেভায় গিয়ে ডব্লিউএইচওর ডিজির সঙ্গে কথা বলেছেন। এ বিষয়ে তারা সম্মতি দিয়েছেন। বিভিন্ন দেশে ফাইজারের টিকা দেওয়া হচ্ছে। সেটি মাথায় রেখে আমরাও একই টিকা দেবো।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১২ বছরের বেশি শিক্ষার্থীদের অনুমোদন না দিলেও বিভিন্ন দেশে তাদের ফাইজার দেওয়া হচ্ছে। আমাদেরও এমনটা পরিকল্পনা আছে। ইতোমধ্যে ২১টি কেন্দ্র ঠিক করা হয়েছে। এটি চাইলে সব জায়গায় দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ, ফাইজারের টিকা সংরক্ষণের জন্য সারাদেশে ওরকম সুযোগ সুবিধা নেই।

তিনি আরও বলেন, ফাইজারের টিকা অন্যান্য টিকার চেয়ে একটু আলাদা। এজন্য আলাদা করে টিকা প্রয়োগকারীদের প্রশিক্ষণের দরকার আছে। তবে যেদিন থেকেই শিশুদের টিকা দেওয়া শুরু হবে, তার আগের দিনই সবাইকে জানিয়ে দেওয়া হবে।

কোন কোন জেলায় এই টিকা কার্যক্রম শুরু হবে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যের ডিজি বলেন, জেলা ও সিটি করপোরেশনগুলোর যেখানে সুবিধা আছে, আপাতত সেখানেই দেওয়া হবে। বাকিগুলোতে পর্যায়ক্রমে দেওয়া হবে। এটাই এখন মেনে নিতে হবে।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, অধিদফতরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. শামিউল ইসলাম প্রমুখ।



আরও খবর



৫৫০টি কেক কেটে জন্মদিন পালন

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বর্তমানে কেক কেটে জন্মদিন পালন সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। পরিবার, কর্মস্থল কিংবা বন্ধুবান্ধবের পক্ষ থেকে অনেকে জন্মদিকে একাধিক কেকও কাটেন। তবে এই যুবক জন্মদিনে এক সঙ্গে ৫৫০টি কেক কেটে একদম তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।  তার এই ব্যতিক্রমী জন্মদিন উদযাপনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

প্রায়ই আড়াই মিনিটের ভিডিওতে দেখা গেছে, ওই যুবক ৫৫০টি ভিন্ন ভিন্ন ফ্লেভারের কেক কেটেছেন। ভিডিওতে তাকে দুই হাতে  দুইটি ছুরি দিয়ে বেশ দ্রুততার সঙ্গেই কেক কাটতে দেখা গেছে।

ভারতের মুম্বাইয়ে সূর্য রাতুরি নামে ওই যুবক নিজের জন্মদিনে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করেন।

ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গেছে তিনটি টেবিলে সবগুলো কেক সাজিয়ে রাখা হয়েছে। এ সময় অনেকেই ওই যুবকের চারপাশে দাঁড়িয়ে মোবাইলেল ক্যামেরা দিয়ে তার কেক কাটার দৃশ্য ধারণ করছিলেন। 


আরও খবর



২৪ ঘণ্টায় রাজশাহীতে করোনায় ৬ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে করোনা সংক্রমণে মারা গেছেন নাটোরের একজন। এ ছাড়া করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহীর দুজন, নওগাঁর দুজন এবং নাটোরের আরও একজন মারা গেছেন।

শুক্রবার (০৮ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে শনিবার (০৯ অক্টোবর) সকাল ৯টার মধ্যে হাসপাতালের করোনা আইসোলেশন ইউনিটে তারা মারা যান।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে করোনা সংক্রমণে একজন রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও পাঁচজন।

এদের মধ্যে সর্বোচ্চ তিনজন মারা গেছেন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ)। এ ছাড়া ৩, ১৭ ও ২৯/৩০ নম্বর ওয়ার্ডে একজন করে মারা গেছেন।

এদিকে ১৯২ শয্যার রামেক হাসপাতাল করোনা ইউনিটে শনিবার সকাল ৯টা পর্যন্ত রোগী ভর্তি ছিলেন ৮৮ জন। একদিন আগেও এই সংখ্যা ছিল ৯১। বর্তমানে রাজশাহীর ৩৪ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১৫ জন, নাটোরের ৯ জন, নওগাঁর ১৩ জন, পাবনার ১১ জন, কুষ্টিয়ার তিনজন, সিরাজগঞ্জের একজন, মেহেরপুরের একজন এবং দিনাজপুরের একজন রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।

হাসপাতালে করোনা নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ১৬ জন। করোনা উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছেন ৪০ জন। করোনা ধরা পড়েনি ভর্তি ৩২ জনের। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ১৬ জন। এই এক দিনে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৯ জন। এর আগে শুক্রবার রামেক হাসপাতাল ল্যাবে ৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা ধরা পড়েছে ১১ জনের নমুনায়। 


আরও খবর



শুরু হয়েছে অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ০১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০১ অক্টোবর ২০২১ | ৭৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ (১ অক্টোবর) থেকে দেশের অবৈধ হ্যান্ডসেট বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু করছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

বৃহস্পতিবার অবৈধ মোবাইল হ্যান্ডসেটের নেটওয়ার্ক হতে বন্ধকরণ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে একথা জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১ জুলাই ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) এর কার্যক্রম শুরু  হয়েছে। ১ অক্টোবর হতে নেটওয়ার্কে নতুনভাবে সংযুক্ত সব অবৈধ হ্যান্ডসেটের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে।

একই সঙ্গে কোনো আমদানিকারক বা স্থানীয়ভাবে মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট সংযোজন ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানকে অবৈধ হ্যান্ডসেট উৎপাদন কিংবা আমদানি না করার জন্য এবং কোনো বিক্রেতাকে  অবৈধ হ্যান্ডসেট বিক্রি না করতেও বলেছে বিটিআরসি।

কোনো বিক্রেতা অবৈধ হ্যান্ডসেট বিক্রি করলে ক্রেতার দাবি অনুযায়ী হ্যান্ডসেটের দাম ফেরত দিতে হবে। পাশাপাশি টেলিযোগাযোগ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

মোবাইল হ্যান্ডসেট কেনার আগে তা আসল কি না, তা যাচাই করে নিতে বলা হয়েছে ক্রেতাদের। এজন্য মেসেজ অপশন থেকে KYD ও ১৫ ডিজিটের IMEI নম্বর লিখে (উদাহরণ স্বরুপ KYD 123456789012345) ১৬০০২ নম্বরে পাঠাতে বলা হয়েছে।

এছাড়া,  বৈধভাবে বিদেশ থেকে ব্যক্তিগতভাবে আনা হ্যান্ডসেট ব্যবহারের আগে www.neir.btrc.gov.bd ওয়েবসাইটের মাধ্যমে নিবন্ধন করিয়ে নিতে বলা হয়েছে।

বিটিআরসি বলছে, দেশে প্রতি বছর বিক্রি হওয়া মোবাইল হ্যান্ডসেটের প্রায় ২৫ থেকে ৩০ ভাগ অসাধু উপায়ে কর ফাঁকি দিয়ে বাজারে ঢুকছে। ফলে ৮০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার।

বিটিআরসি স্পেক্ট্রাম বিভাগের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাসিম পারভেজ গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নিবন্ধনের মাধ্যমে অবৈধভাবে আমদানি, চুরি ও নকল হ্যান্ডসেট প্রতিরোধ করা যাবে, গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে, মোবাইল ফোনের হিসাব রাখা যাবে। সবশেষে সরকারি রাজস্বের ক্ষতি ঠেকানো সম্ভব হবে।

নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় দেশে যত হ্যান্ডসেট বৈধভাবে আমদানি হচ্ছে এবং স্থানীয়ভাবে যে মোবাইলগুলো অ্যাসেমব্লিং বা উৎপাদিত হচ্ছে সেগুলোর আইএমইআই নম্বর নিয়ে একটি বৈধ ফোনের ডাটাবেজ তৈরি করা হবে। ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্ট্রারের (ইআইআর) মাধ্যমে প্রতিটি সক্রিয় সেট নিবন্ধনের আওতায় আনা হবে।

ব্যবহারকারীর হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের জন্য নিজেদের নিবন্ধিত সিমটি সেটে সক্রিয় করলেই সেটটি ওই নামে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিবন্ধন হয়ে যাবে। তবে একই সেটে দ্বিতীয় সিম ব্যবহার করতে চাইলে সেই সিমটিও একই নামে নিবন্ধিত হতে হবে।

কারও একাধিক সেট থাকলে তিনি অন্যান্য সেটে যে সিম সক্রিয় করবেন সেই সিমটি যে নামে নিবন্ধিত ফোনটিও সেই নামে নিবন্ধিত হতে হবে। ওই সেটে অন্য নামে নিবন্ধিত কোনো সিম আর কাজ করবে না। অর্থাৎ সিম ও সেট একই নামের নিবন্ধিত না হলে ওই সেটে সিম সক্রিয় হবে না।

 

নিউজ ট্যাগ: অবৈধ হ্যান্ডসেট

আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




‘দুর্গাপূজায় রাতে মণ্ডপে হামলার পরিকল্পনায় প্রচারণা চালাচ্ছে জঙ্গিরা’

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৭৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জঙ্গিরা অনলাইনে সক্রিয়, আসন্ন দুর্গাপূজা উৎসবকে কেন্দ্র করেই তাদের এই সক্রিয়তা। রাতে মণ্ডপে হামলার পরিকল্পনায় প্রচারণা চালাচ্ছে তারা। যখন পুলিশ ও লোকজন কম থাকে, তখনই তারা হামলার পরিকল্পনা করছে। তবে কেউ তাদের পোস্ট দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছে, এমন কাউকে পাওয়া যায়নি। আমরা অ্যালার্ট আছি।

রোববার (১০ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকেশ্বরী মন্দিরে কেন্দ্রীয় পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা কেন্দ্র করে তেমন ঝুঁকি দেখছি না। তবে আশঙ্কার কথাও উড়িয়ে দিচ্ছি না। জঙ্গিরা এখন অনলাইনে সক্রিয়। তারা নানান পোস্ট দিচ্ছে। তারা সেলফ রেডিকালাইজড হয়ে (লোন উলফ) হামলায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে, অন্যকে উদ্বুদ্ধ করছে।

শফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা মন্দিরগুলোকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় এনেছি। এ ছাড়াও ঢাকা শহরের বড় মন্দিরগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে। সিসিটিভি কন্ট্রোল রুম করা হবে। ছোট মন্দিরগুলোতে পুলিশের মোবাইল টিম কাজ করবে।

তিনি বলেন, প্রতিটি মণ্ডপের আশপাশের সাদা পোশাকের কর্মকর্তা, ডিবি পুলিশ, স্পেশাল ব্রাঞ্চ (এসবি) ও র‍্যাব সমন্বিতভাবে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলবে। সবার প্রতি আমার অনুরোধ এ উৎসবে কোনোভাবেই স্বাস্থ্যবিধি ভঙ্গ করা যাবে না। আমার অনুরোধ আপনারা স্বাস্থ্যবিধি মেনে মন্দিরে আসবেন। যারা বয়স্ক এবং টিকা নেননি, তাদের পূজামণ্ডপে না আনার অনুরোধ করছি।

এর আগে সকালে ডিএমপির বিভিন্ন ইউনিট প্রধানদের নিয়ে কমিশনার মণ্ডপে আসেন ও মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন। পূজা উদযাপন কমিটির লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন।


আরও খবর
ঢাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৭৩

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




বিদেশি শ্রমিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করছে মালয়েশিয়া

প্রকাশিত:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২২ অক্টোবর ২০২১ | ২৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কোভিড-১৯ মহামারির কারণে প্রায় ১৬ মাস পর অভিবাসীকর্মী ও  বিদেশি পর্যটকদের প্রবেশে অনুমতি দেবে মালয়েশিয়া। এমনটিই জানালেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব।

মহামারী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত বিশেষ কমিটি বিদেশি শ্রমিকদের প্রবেশের প্রস্তাবিত মানসম্মত পরিচালন পদ্ধতির সঙ্গে একমত হয়েছে বলে প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব শুক্রবার (২২ আগস্ট) এক বিবৃতিতে বলেছেন।

এদিকে শুক্রবার রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত মাসে সরকার বলেছিল বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাম তেল উৎপাদকের উৎপাদন ব্যাহতকারী গুরুতর শ্রম সংকট নিরসনের জন্য বৃক্ষরোপণ খাতে ৩২,০০০ বিদেশি কর্মী নিয়োগে অগ্রাধিকার দেবে।

এছাড়া মালয়েশিয়া গ্লাভস থেকে আইফোন পার্টস পর্যন্ত সবকিছু উৎপাদনে প্রায় দুই মিলিয়ন নথিভুক্ত অভিবাসী শ্রমিকের ওপর নির্ভরশীল। রাবার গ্লাভস শিল্প এই বছর এবং পরের বর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদেশি শ্রমিকদের ফেরার অনুমতি দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদনও করেছিল।

নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে, মালয়েশিযা নির্দিষ্ট আন্তর্জাতিক ভ্রমণকারীদের তার গ্রীষ্মমণ্ডলীয় ছুটির দ্বীপ ল্যাংকাউই দেখার অনুমতি দেবে, মহামারি শুরুর পর প্রথমবারের মতো বিদেশি পর্যটকদের জন্য ভ্রমণ সীমানা পুনরায় খুলে দেবে। "মানসম্পন্ন" পর্যটক, যারা অর্থ ব্যয় করবে এবং অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করবে।

এক্ষেত্রে পর্যটকদের অবশ্যই একটি নেতিবাচক কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট দেখাতে হবে এবং ৮০,০০০ ডলারের ভ্রমণ বিমা থাকতে হবে।


আরও খবর