আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

চূড়ান্ত আন্দোলনে যেতে দল পুনর্গঠনে বিএনপি

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

একদিকে দ্বাদশ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ দলীয় কাউন্সিল-নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে, অন্যদিকে বিএনপিও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে বিএনপির প্রস্তুতি নির্বাচন কিংবা দলীয় কাউন্সিলের নয়, প্রস্তুতি সরকার পতন আন্দোলনের। ফলে দুটি লক্ষ্য সামনে রেখে অগ্রসর হওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। একটি হচ্ছে স্বল্পসময়ের মধ্যে দল পুনর্গঠন অন্যটি হচ্ছে আন্দোলন। সেজন্য চূড়ান্ত আন্দোলনে যাওয়ার আগেই দলের কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে সাংগঠনিক জেলা-উপজেলা কমিটির পুনর্গঠন শুরু করেছে। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের পর দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি ঘোষণা করা হয় ৬ আগস্ট। এরপর কাউন্সিল করতে পারেনি বিএনপি। কিন্তু কাউন্সিল করতে না পারলেও ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় কমিটির বেশকিছু পদে রদবদল করেছেন বিএনপির হাইকমান্ড। সম্প্রতি বেশকিছু জেলায় কাউন্সিলে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন শুরু হয়েছে।

এ ছাড়া বিএনপির অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক সংস্থা (জাসাস) এর আহ্বায়ক কমিটি, তাঁতীদলের আহ্বায়ক কমিটি, কৃষকদলের আহ্বায়ক কমিটি, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এর আহ্বায়ক কমিটি, শ্রমিকদল ঢাকা মহানগর (উত্তর-দক্ষিণ) আহ্বায়ক কমিটি, স্বেচ্ছাসেবক দলের পুর্ণাঙ্গ কমিটি, ছাত্রদল নতুন আংশিক কমিটি এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ৭০টি ওয়ার্ডের নতুন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন করা হয়েছে।

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ২৬ থানার ৭১ টি ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত ৬২০ টি ইউনিট কমিটি অনুমোদন করা হয়েছে। তবে মেয়াদ শেষ হয়েছে অন্যান্য অঙ্গ সংগঠন ও পেশাজীবী সংগঠনগুলোকেও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে করোনাকালিন সময় থেকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যরা প্রতি সপ্তাহে বৈঠক করছেন, যা এখনো অব্যাহত রেখেছে। এসব বৈঠকেই দল পুনর্গঠনের দিকে মনোযোগী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দলটি।

এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, সরকার পতনে আন্দোলনের বিকল্প নেই। চূড়ান্ত আন্দোলনে যেতেই দল পুনর্গঠন চলছে। সারাদেশে জেলা-উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চলমান। ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তৃণমূল পর্যায় থেকে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে এবং দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করে রাজপথ আন্দোলনের উপযুক্ত হিসাবে গড়ে তুলতে দল পুনগর্ঠন প্রক্রিয়াকে গুরুত্ব দিচ্ছেন। যদিও কোথাও কোথাও সরকার ও ক্ষমতাসীন দলের পক্ষ থেকে আমাদের এসব কর্মকান্ডে বাধা দেওয়া হচ্ছে। বিনা কারণেই অনেক জেলায় কাউন্সিল করতে দিচ্ছে না।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়- এবার ঢাকার রাজপথ আন্দোলন কে জোড়দার করতে ঢাকার আশপাশের জেলাগুলো যেমন-গাজীপুর, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ এবং মানিকগঞ্জ জেলার কমিটি কে বেশি প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। কেন না ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অবিশ্বাস্য বিপর্যয়ের পর বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের মধ্যে দেখা দেয় এক ধরণের স্থবিরতা। ইস্যুভিত্তিক বেশকিছু কর্মসূচি বিশেষ করে বিভাগীয় সমাবেশের মাধ্যমে তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যে যে উদ্দীপনা দেখে সেটাকে বিবেচনায় নিয়েই এবার জোড়ালোভাবে দল গোছানো কাজ শেষ করতে দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতারা জেলা পর্যায়ে সাংগঠনিক সফরে গিয়ে কাউন্সিলের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠন শুরু করেছেন।

সম্প্রতি বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, আমরা সংগঠন শক্তিশালী করছি। যারা বলে বিএনপি আন্দোলন করে না। রোজা গেলে বুঝতে পারবেন আন্দোলন কাকে বলে! আমাদের আন্দোলন চলছে। হয়তো সাময়িক বিরতি আছে। বিরোধীদলকে জেলে ভরে কেটে মেরে বলছেন দেশে শক্তিশালী বিরোধী দল নেই। মনে রাখবেন বিএনপি এখনো আছে এবং থাকবে। যার নেতৃত্বে রয়েছেন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এদিকে, বর্তমান সরকারের পতন ঘটলেই কেবল একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব হবে বলে মনে করছেন দলটির নীতিনির্ধারণী নেতারা। তাদের মতে, এই সরকারের পতন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, খালেদা জিয়ার মুক্তি, জনগণের ভোটের অধিকারের লক্ষ্যে আন্দোলন করা হবে। এসব দাবিতে সরকারবিরোধী সকল রাজনৈতিক দলগুলোকে সঙ্গে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বড় ধরনের প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে কাজ চলছে, এবং সেই প্রস্তুতির ক্ষেত্রে দল পুনর্গঠনের কোনো বিকল্প থাকছে না বলেও মনে করছে দলটির নেতারা।

সংশ্লিষ্টদের মতে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবার তরুণদের প্রধান্য দিয়ে দল পুনর্গঠন করতে চাচ্ছেন। সে লক্ষ্যে জেলা পর্যায়ের আহ্বায়ক কমিটিতে তরুণদের দেখা যাচ্ছে। কমিটিতে ছাত্রদলের সাবেক নেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে। আর তরুণ-ছাত্রনেতাদের দিয়ে কমিটি গঠন করায় তৃণমূল নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, দেশের মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। তারা একটি বিষয়ে একমত যে, ক্ষমতাসীন সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। সেই জন্য দলীয় সরকারের অধীনে বিএনপিও কোনো নির্বাচনে যাবে না। আমরা বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যদিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি। সামনে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। এ ছাড়া চূড়ান্ত আন্দোলনের আগেই সাংগঠনিক জেলার মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি পুনর্গঠন শেষ করতে কাজ করছে দল।

বিএনপির দপ্তর সূত্র মতে-বিএনপি এখন সংগঠন গোছানোর কাজে ব্যস্ত সময় পার করছে। সম্ভাব্য আন্দোলন সংগ্রাম বিবেচনায় নিয়ে বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনগুলো পুনর্গঠন করা হচ্ছে। ইস্যুভিত্তিক কর্মসূচি ব্যতীত এই মুহূর্তে চূড়ান্ত আন্দোলনে নেমে শক্তি ক্ষয় করতে চাচ্ছে না দলটির হাইকমান্ড। তবে বিএনপি শিগগিরই ঐক্যবদ্ধভাবে চূড়ান্ত আন্দোলনে যাবে। সেই লক্ষ্যেই দলের নির্বাহী কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান, উপদেষ্টা পরিষদ, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব, যুগ্ম মহাসচিব, সম্পাদকমণ্ডলীর মতামত নিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এ ছাড়া আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও পরবর্তী আন্দোলন নিয়ে বিএনপি বেশ সতর্ক। উৎসাহ দেখানোর পক্ষপাতী নয় দলটি। ক্ষমতাসীন সরকারের পতন ঘটিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে চায় বিএনপির হাইকমান্ড।

দল পুনগর্ঠন প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দল পুনর্গঠন চলছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সরাসরি তত্ত্বাবধানে সিনিয়র নেতৃবৃন্দ বিভিন্ন জেলা-উপজেলা এমনকি ইউনিয়ন পর্যায়ের কমিটি পুনগর্ঠনে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে সরকারের বাধাকে অতিক্রম করে আমরা কোথাও কোথাও আমাদের কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সক্ষম হচ্ছি। নির্বাচন যেটা হবে সেটা নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে তার আগে এই অবৈধ সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে, এবং সেই পদত্যাগের যে আন্দোলন সেই আন্দোলনে এবার সবাইকে কোমর বেঁধে নামতে হবে। এটা জীবন মরণের প্রশ্ন। আমাদের স্বাধীনতার প্রশ্ন, সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন, ভোটের প্রশ্ন এগুলোর সুরক্ষার জন্য এবার জীবনপণ করে আমাদেরকে রাস্তায় নামতে হবে।


আরও খবর



ফ্রিল্যান্সাররা বছরে ৫০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স আনছেন

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, দেশে মোট সাড়ে ৬ লাখ ফ্রিল্যান্সার বছরে ৫০ কোটি ডলার রেমিটেন্স দেশে আনছেন। দেশের উন্নয়নে তারা অবদান রাখছেন। বর্তমান সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে ফ্রিল্যান্সাররা বেশি বেশি আয় করছেন। তাদের উপার্জিত অর্থে আমাদের রেমিট্যান্স দিন দিন সমৃদ্ধি হচ্ছে। যার অবদান সরাসরি দেশের অর্থনীতিতে পড়ছে।

সোমবার রাজধানীর গুলশানে বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির (বিএফডিএস) ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সরকার নানা ধরনের প্রকল্প নিয়েছে। বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা স্বাধীনভাবে কাজ করছে, এটা বড় অর্জন। বর্তমান সরকার এ ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

তিনি বলেন, দেশের ছেলে-মেয়েরা অনেক মেধাবী ও স্মার্ট। তারা সহজেই ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবে। সরকারের দায়িত্ব হলো তরুণদের কাজের সুযোগ করে দেওয়া। ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতা বাড়াতে সর্বাত্মক প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট এখন ইউনিয়ন পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এখন গ্রামে বসেই তরুণদের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। এটাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় কাজ ছিল।

অনুষ্ঠানে বিএফডিএসের প্রতিষ্ঠাতা ও সিনিয়র সহ-সভাপতি জসিম উদ্দিন জয় বলেন, ফ্রিল্যান্সারদের সুখে-দুঃখে সবসময় আমরা পাশে দাঁড়িয়েছি। তাদের জীবনমান উন্নয়নসহ মেধা ও প্রযুক্তি নির্ভর অর্থনীতিতে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করে চলেছে বিএফডিএস।

সভাপতির বক্তব্যে বিএফডিএস এর চেয়ারম্যান ডা. তানজিবা রহমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফ্রিল্যান্সারদের সামাজিক স্বীকৃতি দিয়েছেন। আইডি কার্ডের মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা ব্যাংকিং ঋণসহ অন্যান্য সুবিধা পাচ্ছেন। ঘরে বসে নারীরাও ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করছেন।

ব্র্যাক ব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম আরএফ হাসেম বলেন, আমরা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আলাদা ম্যাট্রিক্স কার্ড করেছি। এর মাধ্যমে ফ্রিল্যান্সাররা নানা সুযোগ সুবিধা পাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের প্রধান নির্বাহী (সিইও) ব্যবস্থাপনা পরিচালক দুলাল কৃষ্ণ সাহা বলেন, আমরা ঘরে ঘরে চাকরি দিতে পারব না। তবে ঘরে ঘরে ফ্রিল্যান্সার তৈরি করতে পারব। এদের উন্নয়নে নানা ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করব।


আরও খবর



শহীদ শেখ জামালের জন্মদিন আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ ২৮ এপ্রিল সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দ্বিতীয় পুত্র ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর গর্বিত অফিসার বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লেফটেন্যান্ট শেখ জামালের ৬৯তম জন্মদিন। শেখ জামাল ১৯৫৪ সালের ২৮ এপ্রিল গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। তিনি ছিলেন সংস্কৃতিপ্রেমী ও একজন ক্রীড়াবিদ।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে শেখ জামালও গৃহবন্দি ছিলেন। সেখান থেকে পালিয়ে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্মুখসমরে নেতৃত্ব দেন। শেখ জামাল ধানমন্ডি থেকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ পথচলা শেষে ভারতের আগরতলা পৌঁছান এবং সেখানে মুজিব বাহিনীতে (বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সেস, বিএলএফ) যোগদান করে প্রশিক্ষণ শেষে মুক্তিযুদ্ধের ৯ নম্বর সেক্টরে সম্মুখসমরে অংশ নেন।

শহীদ শেখ জামাল ছিলেন একজন দেশপ্রেমিক চৌকস-মেধাবী সেনা অফিসার। তিনি ছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লং কোর্সের প্রথম ব্যাচের কমিশন্ড অফিসার। ১৯৭৪ সালে শেখ জামাল যুগোস্লাভিয়ার মিলিটারি একাডেমিতে ক্যাডেট হিসেবে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে অংশ নেন। এরপর ব্রিটেনের স্যান্ডহার্স্ট একাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে ঢাকা সেনানিবাসস্থ দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে যোগদান করেন।

দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গলে চাকরিকালে স্বল্প সময়েই অফিসার ও সৈনিকদের মাঝে তিনি অসাধারণ পেশাগত দক্ষতা ও আন্তরিকতার ছাপ রেখেছিলেন। কয়েক সপ্তাহেই শেখ জামাল অফিসার ও সৈনিকদের মধ্যে তাদেরই একজন হয়ে যান। ট্রেনিং গ্রাউন্ডে, রণকৌশলের ক্লাসে, অবস্টাকল ক্রসিংয়ে অংশ নিয়ে সৈনিকদের মুগ্ধ করেন।

ব্যাটালিয়ন বক্সিং টিমের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেন। ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্টও ব্যাটালিয়ন ডিউটি অফিসার হিসেবে ক্যান্টনমেন্টে নিজ দায়িত্ব পালন করেন তিনি। ওই দিন রাতে ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফিরে আসেন ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাড়িতে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে ঘাতকের নির্মম বুলেটের আঘাতে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিহত হন শেখ জামাল।

জন্মদিন স্বভাবতই সবার কাছে আনন্দের। কিন্তু ১৫ আগস্টের নৃশংসতম মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড সে আনন্দকে ম্লান করে দেয়। স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার পরিবারের অবদান বাঙালি জাতি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে চিরদিন স্মরণ করবে।

৬৯তম জন্মদিনে শহীদ শেখ জামালকে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সাথে স্মরণ করছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে আজ সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে শহীদ শেখ জামালের সমাধিতে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে যথাযথভাবে স্বাস্থ্যসুরক্ষা বিধি মেনে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ এবং তার পবিত্র আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।


আরও খবর



আজ জি৭ নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসছেন জেলেনস্কি

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ২৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গ্রুপ অব সেভেন বা জি-৭ জোটের নেতাদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। হোয়াইট হাউসের বরাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা এক প্রতিবেদনে জানায়, স্থানীয় সময় আজ রোববার দুপুরে বৈঠকটি হওয়ার কথা রয়েছে।

আজকের আলোচনায় ইউক্রেন যুদ্ধের সর্বশেষ পরিস্থিতির পাশাপাশি রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার ওপর আলোকপাত করবেন নেতারা। আগামীকাল (৯ মে) মস্কো বিজয় দিবস উদ্‌যাপন করবে। এর এক দিন আগে জি৭ নেতারা জেলেনস্কির সঙ্গে ভার্চুয়ালি বৈঠকে বসছেন।

জি৭ হচ্ছে জাপান, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি জোট। ইউরোপীয় ইউনিয়নও জি৭-এ প্রতিনিধিত্ব করে। এ সাতটি দেশ হচ্ছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল স্বীকৃত বিশ্বের উন্নত অর্থনীতির দেশ।


আরও খবর



সিলেটে ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিলেট নগরীর সড়কে ফের ঝরলো প্রাণ। ট্রাকচাপায় আবারও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। রবিবার রাত ১১টার দিকে নগরীর আখালিয়ায় ট্রাক চাপায় এক মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

নিহত মো. ফয়জুর রহমান (২৪) সিলেট মহানগরীর জালালাবাদ থানার সাদিপুর সুনাতলার মৃত কুতুব উদ্দিনের ছেলে। তিনি পেশায় ব্যবসায়ী। নগরীর আম্বরখানায় তার কাপড়ের ব্যবসা রয়েছে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় জনতা ট্রাকটি ভাঙচুর করে আখালিয়ায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করেন। পরে পুলিশ গিয়ে বিক্ষুব্ধ লোকজনকে শান্ত করে রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়।

 স্থানীয়রা জানান, আখালিয়ার দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন ফয়জুর। এসময় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি ট্রাক তাকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।


আরও খবর



বিশ্ববিদ্যালয়ের ৭ তলা থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৯ মে ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর গ্রিন রোডে অবস্থিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটির ৭ তলা থেকে পড়ে ইমাম হোসেন (২৩) নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পরে গুরুতর অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে চিকিৎসক সকাল ১০টায় তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ইমাম হোসেন লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের।

নিহত ইমাম হোসেন ভোলা লালমোহন উপজেলার আক্তার হোসেনের ছেলে এবং ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তিনি কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে ৯৮নং পূর্ব রাজাবাজারে একটি মেসে থাকতেন। আজ সকালে তার তৃতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা ছিল।

বিশ্ববিদ্যালয়টির অ্যাসিস্টেন্ট অ্যাডমিন অফিসার ফয়সেলুজ্জামান জানান, সকালে ইমাম হোসেন যখন ভার্সিটিতে ঢুকছিলেন তখন শুনতে পান ভবন থেকে এক শিক্ষার্থী নিচে পড়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে তিনি তাকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল, পরে দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

ভার্সিটির সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গেছে, ওই শিক্ষার্থী ৯ তলা ভবনটির ৭ তলা থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেন ফয়সেলুজ্জামান। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ঢামেক) হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া জানান, ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, তিনি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন। তদন্তের জন্য ঘটনাটি থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে।


আরও খবর