আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ডেঙ্গু আক্রান্ত ৩১৯ রোগী হাসপাতালে ভর্তি

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ৩১৯ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ৩১৯ জন। এর মধ্যে ঢাকাতেই ২৪৪ জন এবং ঢাকার বাইরের রয়েছেন ৭৬ জন।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট এক হাজার ২৬৯ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার ৭৯ জন এবং অন্যান্য বিভাগে বর্তমানে সর্বমোট ১৮১ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা মোট ১৩ হাজার ৮৭৫ জন। একই সময়ে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২ হাজার ৫৬১ জন রোগী। এ যাবত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বরিস জনসনের মায়ের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বৃটিশ প্রধানমন্ত্রীকে পাঠানো এক শোকবার্তায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনার মা শার্লট জনসন ওলের আকস্মিক মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকেও আমি শোক প্রকাশ করছি এবং আপনার মায়ের মৃত্যুতে অপূরণীর ক্ষতির জন্য শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। তিনি শার্লট জনসন ওলের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন।

উল্লেখ্য, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের মা শার্লট জনসন ওল সোমবার পশ্চিম লন্ডনের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে শার্লট জনসন ওলের বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। ব্রিটিশ সংবাদপত্র টাইমসে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সেন্ট ম্যারি হাসপাতালে আচমকা ও শান্তিপূর্ণভাবে মারা গেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর মা।

শার্লট জনসন ওয়ালের মৃত্যুতে শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন যুক্তরাজ্যের বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা কেইর স্টার্মারসহ দেশটির শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিকরা।

১৯৬৩ সালে স্ট্যানলি জনসনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। ১৯৭৯ সালে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে তিনি মার্কিন অধ্যাপক নিকোলাস ওয়ালকে বিয়ে করে নিউইয়র্কে পাড়ি জমান। ওই স্বামীর মৃত্যুর পর ১৯৯৬ সালে ফের দেশে দেশে ফেরেন তিনি। তিনি চার সন্তানের জননী। তারা হচ্ছে বরিস জনসন, সাংবাদিক রাশেল জনসন, সাবেক ব্রিটিশ মন্ত্রী জো জনসন ও পরিবেশবিদ লিও জনসন। পোট্রেইট আর্টিস্ট হিসেবে বেশ নাম করেছিলেন শার্লট।


আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




আমি পিসিবির এই চুক্তি ফিরিয়ে দিলাম: আমির

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা যেন থামছেই না। পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে চুক্তিতে রাখায় পিসিবির উপর চটেছেন পাকিস্তানের বাঁহাতি পেসার মোহাম্মাদ আমির। জানালেন, আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে না ডাকলে ঘরোয়া চুক্তি দিয়ে তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না পাকিস্তান বোর্ড।

আমির সম্প্রতি বলেছেন আমি যদি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেই না খেলি, তাহলে আমাকে ঘরোয়া চুক্তি দিয়ে কী লাভ? তারা আমাকে এই চুক্তি দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। পিসিবিতে অনেক শিক্ষিত মানুষ আছে কিন্তু তারা যেন অবুঝের মতো আচরণ করছে। এই প্রস্তাব দিয়ে আমাকে তারা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চায়।

পাকিস্তান ক্রিকেট থেকে মিসবাহ উল হক ও ওয়াকার ইউনিসের সরে দাঁড়ানোর পরই শুরু সব আলোচনার। তখনই অবসর ভেঙে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরবেন আমির, এমনটা জানাচ্ছিল স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম।

এরপরই এল পিসিবির ঘরোয়া চুক্তিতে তার অন্তর্ভুক্তির ঘোষণা। সম্প্রতি প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে তাকে। আমির বোর্ডের এই সিদ্ধান্তের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে বলেন- তারা আমার সঙ্গে যোগাযোগ না করেই কিভাবে আমার নাম কেন্দ্রীয় চুক্তিতে দেয়। নাম দেওয়ার আগে আমার সাথে যোগাযোগ করা প্রয়োজন ছিলো। আমি পিসিবির এই চুক্তি ফিরিয়ে দিলাম।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে অবসরের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছিলেন আমির। নিজের পারফর্ম্যান্স নয়, তার সমস্যাটা যে ছিল পাকিস্তান দলের দুই কোচের সঙ্গে, সেটাও পরিষ্কার করে দিয়েছিলেন তিনি।

নিউজ ট্যাগ: মোহাম্মাদ আমির

আরও খবর
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মেসিকে পেছনে ফেললেন সিআর সেভেন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




সিরাজগঞ্জে যমুনার পানি ২৫ সেন্টিমিটার ওপরে

প্রকাশিত:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | ৫৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কয়েক দিনের টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি বেড়ে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যা এক দিনের ব্যবধানে বেড়েছে ১১ সেন্টিমিটার। এদিকে এটা অব্যাহত থাকায় অভ্যন্তরীণ নদ-নদী ও চলনবিলের পানিও বাড়ছে। ফলে বিপাকে পড়েছেন নিম্নাঞ্চলের মানুষ।

শনিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ১০টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) উপসহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন।

পাউবোর শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টের পানি পরিমাপক (গেজ মিটার) আবদুল লতিফ বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীর পানি শহর রক্ষা বাঁধ পয়েন্টে ১১ সেন্টিমিটার বেড়ে বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গত ১৪ আগস্ট থেকে শুরু করে শনিবার (২৮ আগস্ট) পর্যন্ত যমুনা নদীর পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় জেলার নদীতীরবর্তী আরও কিছু নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চল বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাটে পানি উঠে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন বন্যাদুর্গতরা। বন্যাকবলিত এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলি জমি তলিয়ে যাওয়ায় নষ্ট হচ্ছে রোপা আমন ক্ষেত, বীজতলা, আখ, পাট, তিল ও সবজিবাগানসহ বিভিন্ন ফসল।

সিরাজগঞ্জ জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুর রহিম জানান, ৫টি উপজেলায় ১০০ মেট্রিক টন চাল ও ১ লাখ করে টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। তারা সেটা তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিতরণ করবেন। এ ছাড়া জেলায় ৭৬ মেট্রিক টন চাল ও আড়াই লাখ টাকা মজুত রাখা হয়েছে। কোনো এলাকায় ত্রাণের প্রয়োজন আছে কি না, তা নিয়মিত খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জ পাউবোর উপসহকারী প্রকৌশলী জাকির হোসেন বলেন, যমুনায় পানিবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। যমুনা নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় ১১ সেন্টিমিটার বেড়েছে। বন্যা পূর্ভাবাস সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে যমুনা নদীর পানি আরও বাড়তে পারে। তবে পানি বিপৎসীমার ২৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত বন্যার তেমন কোনো খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হয়নি বলেও জানান এই কর্মকর্তা।


আরও খবর
রামেক হাসপাতালে আরও ৫ জনের মৃত্যু

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় আরও ৩৮ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৬ হাজার ৮৩২ জনের। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩২৫ জন। এ নিয়ে দেশে করোনায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১৫ লাখ ২৭ হাজার ২১৫ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ২৭ হাজার ২৩০টি। পরীক্ষা করা হয় ২৬ হাজার ৮৭৮টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ৯২ লাখ ২ হাজার ৭৯০টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সেই তুলনায় শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৬০ শতাংশ।

আর গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫৬ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৪ লাখ ৭২ হাজার ৬৭ জন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম তিনজনের শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়ে। এর দশদিন পর ১৮ মার্চ দেশে প্রথম একজনের প্রাণ কেড়ে নেয় ভাইরাসটি। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। কিন্তু এবার সবচেয়ে বেশি মৃত্যু দেখেছে দেশ। গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।  এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




শিগগিরই নিয়ন্ত্রণে আসছে ফেসবুক টুইটার ইউটিউব

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউবসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলো এক সময় বাংলাদেশকে তেমন পাত্তা দিত না। এখন তারা আমাদের কথা শুনছে, নিয়মিত বৈঠক করছে। এমনকি বাংলাদেশের  আইন মেনে ভ্যাট-ট্যাক্সও দিচ্ছে তারা। সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয়, যখন ফেসবুকসহ এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আমাদের নিয়ন্ত্রণে আসবে।

যদিও বিষয়টি আমাদের জন্য বড় একটি চ্যালেঞ্জ। তারপরও এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বর্তমান সরকার। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধীসহ বিভিন্ন রকম আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে? এমন প্রশ্নের জবাবে গতকাল ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার উল্লিখিত কথাগুলো বলেন।

তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ এই মন্ত্রী আরও বলেন, এসব বিষয়ে এখন আমরা অনেক দক্ষতা অর্জন করেছি। আমরা এখন জানি বিদেশ থেকে কারা এ ধরনের অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেজবুক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে কথা বলার সুযোগ হয়েছিল।

সেখানে কিছু দাবি তুলে ধরাসহ সার্বিক বিষয়ে কথা হয়েছিল। তারাও এসব বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। বর্তমানে তাদের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এমন পর্যায়ে এসেছে যে তারা প্রতি সপ্তাহে আমাদের সঙ্গে বৈঠক করে, প্রতিদিন কথা হচ্ছে। যে সব বিষয়ে রিপোর্ট করি সে বিষয়েও রেসপন্স করছে। ফেসবুকের বিষয়ে বাংলাদেশের দায়িত্বপ্রাপ্ত একজন মহিলা কর্মকর্তা রয়েছেন, সিঙ্গাপুর ও দিল্লিতে একজন করে কর্মকর্তা রয়েছেন তাদের প্রত্যেকের সঙ্গে আমাদের বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার নানা বিষয়ে কথা হচ্ছে। এক সময় হয়তো তারা আমাদের কোনোটাই পাত্তা দিত না। এখন অনেক ভালো জায়গায় এসেছে।

ফেসবুক কর্র্তৃপক্ষের এক সময় বাংলা বোঝার মতো লোক ছিল না উল্লেখ করে টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, একসময় ফেসবুকের বাংলা ভাষা বোঝার মতো লোক ছিল না, বাংলা কনটেন্ট সরাতে পারত না। এখন তাদের বাংলা ভাষা বোঝার মতো লোক রয়েছে। তারা বাংলা কনটেন্ট বুঝতে পারে এবং তা সরাতেও পারছে।

এখন তাদের সঙ্গে আমাদের সরাসরি ফোনেও যোগাযোগ হচ্ছে। আমরা মনিটরিং ব্যবস্থাটাকে সম্প্রসারণ করেছি বিটিআরসির মাধ্যমে। আরও কিছু যন্ত্রপাতি সংগ্রহের চেষ্টা করছি। এর ফলে আমি আশা করছি যে সেদিন হয়তো বেশি দূরে নয়, যখন আমরা মোটামুটি এদের ভালো নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনতে পারব। এখন যে অবস্থায় আছে, সেটা মোটামুটি একটা নিয়ন্ত্রণের ভিতর। কিন্তু আমাদের জন্য অত্যন্ত হুমকির বিষয় হলো জেএমবি, আইএস, তালেবান যাই বলি না কেন তারা প্লাটফরম হিসেবে এসব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করছে। অনেকে ব্যক্তিগতভাবেই সরকারের শীর্ষ ব্যক্তি থেকে শুরু করে মন্ত্রী, এমপিসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্লাটফরম হিসেবে এসব ব্যবহার করছে। নিয়মিত গণমাধ্যমে এসব অপকর্ম করা যায় না। এসব নিয়ন্ত্রণে তাদের সঙ্গে আমাদের নিয়মিত কথা হচ্ছে। এক সময় পাত্তা না দিলেও এখন নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে। তারা আমাদের ভ্যাট-ট্যাক্সও দিচ্ছে।

এই আইটি বিশেষজ্ঞ আরও বলেন-ফেসবুক, ইউটিউব, টুইটারসহ সোশ্যাল মিডিয়া এখন বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। বাংলাদেশেও এর ব্যতিক্রম নয়। আমাদের দেশে ফেসবুকের প্রায় ৪ কোটি ইউজার রয়েছে। ইউটিউবের হয়তো এত নেই। বাংলাদেশ জন্মের শুরু থেকেই কিছু লোক বিরোধিতা করেছে, এখনো করছে। দেশের ভিতরে যেমন রয়েছে, তেমনি বিদেশেও রয়েছে। তারা কখনো নীরব ছিল না। তারা পরিকল্পিতভাবে সরকার ও সরকারের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের এবং সন্ত্রাস, নৈরাজ্য, সাম্প্রদায়িকতার বিষয়ে ইচ্ছামতো প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছে। দেশে এ ধরনের কাজ করলে সহজেই চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে পারি। কিন্তু যারা বিদেশে বসে এসব করছে তাদের ধরাই বড় চ্যালেঞ্জ। আবার এসব ব্যক্তির অ্যাকাউন্টও বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুয়া হয়ে থাকে। ফলে তাদের শনাক্ত করাও কঠিন। তারা ইচ্ছামতো নাম দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলে এসব প্রচারণা চালাচ্ছে। ফলে এটি শনাক্ত করাও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারপরও আমাদের আইসিটি ডিভিশন, বিটিআরসি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্টরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে। কিছু বিষয়ে সুফলও পেয়েছি আমরা।

ইচ্ছা করলে টোটাল সোশ্যাল মিডিয়া শাট ডাউন করতে পারি উল্লেখ করে মোস্তাফা জব্বার বলেন, সরকার ও রাষ্ট্রবিরোধীসহ বিভিন্ন রকম আপত্তিকর কনটেন্ট প্রচারকারী, ওয়েবসাইট, পেজ বা অ্যাকাউন্ট আমরা বাংলাদেশে যে কোনো মুহূর্তে বন্ধ করতে পারি, কিন্তু বাইরের দেশে নয়। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার পর্নো সাইট ও ৬ হাজার ভুয়া সাইট বন্ধ করেছি। এ ছাড়া ১১০০-এর বেশি ক্ষতিকর ওয়েবসাইট বন্ধ করা হয়েছে। সেগুলো দেশের অখন্ডতা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করি। দেশের কোনো অ্যাকাউন্ট, সাইট, ইউটিউব চ্যানেল থেকে দেশবিরোধী কনটেন্ট, ব্যক্তিবিরোধী, সম্মানহানিকর কোনো তথ্য বা এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পেলে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার মাধ্যমে আইনের আওতায় আনা হয়ে থাকে।

নিউজ ট্যাগ: ইউটিউব ফেসবুক

আরও খবর