আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

দেশে আরও ৩২১ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৩২১ জন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে ২৪৬ জন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর বলছে, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশ রোগীই রাজধানীর বাসিন্দা। সবমিলিয়ে এ বছর না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন অন্তত ৫৪ জন।

সোমবার বিকেলে সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন ৩২১ জন নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৭১ জনে।

ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৮০ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১৯১ জন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আজ (১৩ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ১৪ হাজার ২২১ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১২ হাজার ৮৯৬ জন রোগী। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর
করোনায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১




হবিগঞ্জে স্কুল পরিষ্কার করতে ব্যয় সাড়ে ৫ কোটি টাকা

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১২৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হবিগঞ্জে খুলে দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৩২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। স্কুল, কলেজ ও মাদরাসায় ফিরছে ৪ লক্ষাধিক শিক্ষার্থী।

তবে প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে ব্যয় হয়েছে সাড়ে ৫ কোটি টাকা।

জানা গেছে, সরকারি-বেসরকারি ও এমপিওভুক্ত মিলিয়ে হবিগঞ্জ জেলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ১ হাজার ৩২১টি। এর মধ্যে শুধু প্রাথমিক বিদ্যালয় ১ হাজার ৫২টি ও বাকি ২৬৯টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের স্কুল, কলেজ, মাদরাসা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আমিরুল ইসলাম জানান, ১ হাজার ৫২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিষ্কার ও এগুলোতে স্বাস্থ্য সুরক্ষাসামগ্রী কেনা হয়েছে। এজন্য প্রতিটি বিদ্যালয়ে গড়ে ৫০ হাজার করে মোট ব্যয় হয়েছে ৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা।

একই কাজে ২৬৯টি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুল কলেজ এবং মাদরাসায় ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার করে ২৬ লাখ ৯০ হাজার টাকা। ফলে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক মিলিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যয় দাঁড়ায় ৫ কোটি ৫২ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুহুল্লাহ জানান, নির্দেশনা আসার পর থেকেই প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল। গতকাল শনিবার পর্যন্ত কর্মকর্তা ও শিক্ষক-কর্মচারী মিলে শ্রম দিয়েছেন। সফলভাবে প্রথমদিনের পাঠদান সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী তারা।

করোনা ভাইরাস সংক্রমণের কারণে গত বছরের ১৭ মার্চ সারাদেশের মতো হবিগঞ্জের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়। ১ বছর ৫ মাস ২৫ দিন পর প্রতিষ্ঠানগুলো খুলছে আজ।  

নিউজ ট্যাগ: হবিগঞ্জ

আরও খবর



মাঝ আকাশে হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল সেই বিমানের পাইলটের

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৭ আগস্ট ২০২১ | ৯১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেল বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটের যাত্রীরা। মাস্কাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করা ফ্লাইটটি শুক্রবার ১১টা ৪০ মিনিটে ভারতের নাগপুরে জরুরি অবতরণ করে। 

ভারতীয় গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, মাস্কাট থেকে উড্ডয়ন করা বিমানটির ৪৬ বছর বয়সি ক্যাপ্টেন নওশাদ ১১টার দিকে রায়পুরের কাছাকাছি হালকা অসুস্থতা বোধ করেন। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন।

এসময় দ্রুতই পরিস্থিতির গুরুত্ব আঁচ করে তিনি এবং সহকারী পাইলট কলকাতা এটিসির সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এরপর ১১টা ৪০ মিনিট নাগাদ কলকাতা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় ওই বিমান থেকে। পরে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি ভিত্তিতে ওই বিমানটিকে অবতরণ করানো হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, অবতরণের পর হোপ হাসপাতালে পাইলটের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত তার অবস্থা স্থিতিশীল। ফ্লাইটে কতজন যাত্রী ছিলেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে সবাই অক্ষত ও নিরাপদ আছেন।

বিমানের এমডি আবু সালেহ মোস্তফা কামাল বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা জানতে পেরেছি পাইলটের হার্ট অ্যাটাক হয়েছে। তার অবস্থা এখন সুস্থতার দিকে ।তিনি কথাও বলেছেন। দুইজন পাইলট ও দুইজন ককপিট ক্রু যাচ্ছেন ফ্লাইট এবং যাত্রীদের আনার জন্য।

বিমান সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিমানের ফ্লাইটটি ওমান যায়। সেখান থেকে স্থানীয় সময় মধ্যরাত ২টা ৩০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে আসার কথা থাকলেও ফ্লাইটটি ভোর সাড়ে ৬টায় ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে।

তবে ভারতের স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় ফ্লাইটটি ঢাকার দিকে না এসে নাগপুর বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।

মাস্কাট থেকে বিজি-২২ ফ্লাইটের একজন যাত্রী জানান, মাস্কাট থেকে আমাদের ফ্লাইটে তোলা হয়। আমাদের মাস্কাটে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করিয়ে সাড়ে ৬টায় বিমানে তোলা হয়। তবে বিমানটি পুশ ব্যাক করার সময় ইঞ্জিনে ত্রুটি ধরা পড়ে। পরে অবশ্য নাগপুরে এটি জরুরি অবতরণ করে।

বর্তমানে বিমানের যাত্রীরা নাগপুর বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছেন। যাত্রীদের আনতে নতুন ফ্লাইট পাঠানো হবে কিনা, এই ফ্লাইটে আনা হবে তা নিশ্চিত করেনি বিমান।


আরও খবর



ই-কমার্স ব্যবসা তদারকিতে হাইকোর্টে রিট

প্রকাশিত:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ই-কমার্স ব্যবসা তদারকি করতে একটি ই-কমার্স রেগুলেটরি অথরিটি করার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদন করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম বাধন।

রিটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের চেয়ারম্যান ও ই-ক্যাবকে বিবাদী করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মুস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

ই-কমার্স নিয়ে হাইকোর্টের সতর্ক ও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়ে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন কথা বলার একদিন পরই এ রিটটি দায়ের করা হলো।

নিউজ ট্যাগ: ই-কমার্স

আরও খবর



প্রথম আলোর বিরুদ্ধে শত কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের রুল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১ | ৬৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রথম আলোর সাময়িকী কিশোর আলোর বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঢাকা রে‌সি‌ডে‌ন্সিয়াল মডেল ক‌লে‌জের ছাত্র নাইমুল আবরার রাহাতের (১৫) মৃত্যুর ঘটনায় ১০০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন।

আবেদনের ৭ থেকে ১২ নম্বর বিবাদীর প্রতি এ রুল জারির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

আদালতে ঢাকা রে‌সি‌ডে‌ন্সিয়াল মডেল ক‌লে‌জ ও আবরারের বাবা এ রিট আবেদন করেন।

রিটে ৫০ কোটি টাকা কলেজেটির জন্য এবং বাকি ৫০ কোটি টাকা নাইমুল আবরারের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণ হিসেবে চাওয়া হয়েছে।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম আব্দুর রউফ।

তিনি জানান, ওই ঘটনায় কলেজের সুনাম ক্ষু্ণ্ন হয়েছে। কারণ কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রথম আলোর সঙ্গে অনুষ্ঠানের যে চুক্তি করে তাতে কার কী দায়দায়িত্ব তা উল্লেখ রয়েছে।

সেখানে বৈদ্যুতিক ব্যবস্থার দায়িত্ব ছিল প্রথম আলোর আয়োজকদের। এ কারণে কলেজ কর্তৃপক্ষকে ৫০ কোটি এবং আবরারের পরিবারকে ৫০ কোটি টাকা দিতে এ রিট করা হয়েছে।  রিটে এক নম্বর বাদী হলো কলেজ কর্তৃপক্ষ এবং দুই নম্বর বাদী হলো আবরারের বাবা।

আদালত আজ প্রথম আলো কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টতের প্রতি এ রুল জারি করেছেন বলে জানান আইনজীবী এস এম আব্দুর রউফ।

২০১৯ সালের ১ ন‌ভেম্বর ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজে কিশোর আলোর অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নাইমুল আবরার রাহাত নামে নবম শ্রেণির এক ছাত্রের মৃত্যু হয়। ওই দিন বিকেলে বিদ্যুতায়িত হওয়ার পর আবরারকে মহাখালীর ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এরপর একই বছরের ৬ নভেম্বর নাইমুল আবরা‌রের বাবা ম‌জিবুর রহমান দৈ‌নিক প্রথম আলোর সম্পাদক ও প্রকাশক এবং কি‌শোর আলোর প্রকাশক ম‌তিউর রহমা‌নের বিরু‌দ্ধে মামলা করেন। 

গত বছরের ১২ নভেম্বর ঢাকার মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ ওই ঘটনায় করা মামলায় প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানসহ নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দেন। 

যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনে আদেশ দেওয়া হয়েছে তারা হলেন, প্রথমআলো সম্পাদক মতিউর রহমান, কবির বকুল, শুভাশিষ প্রামাণিক শুভ, মুহিতুল আলম পাভেল, শাহ পুরান তুষার, জসিম উদ্দিন তপু, মোশারফ হোসেন, মো. সুমন ও কামরুল হওলাদার। আসামিদের সবাই জামিনে রয়েছেন। 

তবে অপর আসামি কিশোর আলো সম্পাদক আনিসুল হককে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।

এরপরে অভিযোগ গঠনের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন মতিউর রহমান। সেই আবেদনের শুনানি নিয়ে মতিউর রহমানের ক্ষেত্রে মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট।

এদিকে ২০১৯ সালেই ওই কলেজের সাবেক ছাত্র ওবায়েদ আহমেদ ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চেয়ে রিট করেছিলো। তখনও আদালত বলেছিলেন, ক্ষতিপূরণের জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করতে হবে।


আরও খবর



দুই দিন 'কোমায়' থেকে না ফেরার দেশে ক্যাপ্টেন নওশাদ

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | ৮২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টানা ৪৮ ঘণ্টার বেশি সময় কোমায় থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম না ফেরার দেশে চলে গেলেন।

সোমবার স্থানীয় সময় ১০টা ৪৫ মিনিটে তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দেন ভারতের নাগপুরের কিংসওয়ে হাসপাতালের চিকিৎসকরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ পাইলট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুবুর রহমান।

গত শুক্রবার মাসকাট-ঢাকা রুটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের শিডিউল ফ্লাইট বিজি ০২২ মোট ১২৪ যাত্রী নিয়ে ঢাকা আসার পথে পাইলট ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইউম হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন।

পরে ভারতের মহারাষ্ট্রের নাগপুরের ড. বাবাসাহেব আম্বেদকর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফ্লাইটটি জরুরি অবতরণ করে। এরপর নাগপুরের ওই হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য তাকে ভর্তি করা হয়।

শনিবার রাতেই নওশাদের শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তাকে লাইফ সাপোর্টে নেওয়া হয়। মস্তিষ্কে প্রচুর রক্তক্ষরণ হওয়ায় তিনি কোমায় চলে যান।

রবিবার দুপুরে নওশাদের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিমানের বেশ কয়েকটি অসমর্থিত সূত্র তাৎক্ষণিকভাবে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নওশাদের মৃত্যুর ঘোষণা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ দেয়নি।

ক্যাপ্টেন নওশাদ ক্লিনিক্যালি ডেড হলেও স্বজনরা লাইফ সাপোর্ট খুলে দিতে রাজি হচ্ছিলেন না। আরও পরীক্ষা নিরীক্ষা করার পর লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়ার দাবি জানিয়েছিলেন তারা। এরপর সোমবার তার লাইফ সাপোর্ট খুলে দিয়ে নওশাদকে মৃত ঘোষণা করে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।


আরও খবর