আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল

প্রকাশিত:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪৪৫জন দেখেছেন
Image

দেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র ও নন কমিউনিকেবল ডিজিজ কন্ট্রোল প্রোগ্রামের লাইন ডিরেক্টর অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ রোবেদ আমিন।

তিনি বলেন, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর ছিল ডেঙ্গু আক্রান্তের কঠিন সময়। এ দুটি মাসে ৭ হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন। চলতি মাসে মঙ্গলবার (১২ অক্টোবর) পর্যন্ত ২ হাজার ৩২১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ১১ জন মারা গেছেন।

বুধবার (১৩ অক্টোবর) কোভিড-১৯ পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ভার্চুয়াল স্বাস্থ্য বুলেটিনে তিনি এ তথ্য জানান।

অধ্যাপক ডা. রোবেদ আমিন বলেন, মঙ্গলবার রাজধানীসহ সারাদেশে ১৮২ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তার মধ্যে ঢাকায় ১৪৩ জন ও ঢাকার বাইরে ৩৯ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে মোট ৯১৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় ৭৪২ ও ঢাকার বাইরের হাসপাতালে ১৪৪ জন।

তিনি জানান, চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি হওয়া মোট ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা ২০ হাজার ৫১৮ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৯ হাজার ৫২২ জন। এর মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৮০ জন। মৃত্যুবরণকারীদের মধ্যে অনেক তরুণও রয়েছেন।

নিউজ ট্যাগ: ডেঙ্গু আক্রান্ত

আরও খবর



দেশে করোনায় মৃত্যু আবার বাড়লো

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৭০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সারাদেশে গত চব্বিশ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৪ জন। একই সময়ে নতুন করে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৫৮৯ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৭ হাজার ৫৫৫ জন এবং মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৭ জন।

শনিবার (০২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। গতকাল শুক্রবার করোনা আক্রান্ত হয়ে ২১ জনের মৃত্যু হয়। ওই দিন নতুন করে শনাক্ত হয়েছিল ৮৪৭ জন।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ১৮ মার্চ একজনের মৃত্যুর খবর দেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এরপর ধীরে ধীরে করোনা আক্রান্তে মৃত্যু ও শনাক্তের হার বাড়ছে।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



রিমান্ডে পিয়াসা, ফেঁসে যাচ্ছেন নুসরাত

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ১০০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মুনিয়ার মৃত্যু নিয়ে করা মামলা নাটকীয় মোড় নিতে শুরু করেছে। পিবিআই রবিবার (৩ অক্টোবর) দুই দিনের রিমান্ড চেয়েছে পিয়াসার। আদালত সেই রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। পিয়াসাকে রিমান্ডে আনার ফলে এই মামলার নাটকীয় মোড় নিতে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গিয়েছে। পিয়াসাকে মাদক ব্যবসা এবং অবৈধ নানা রকম কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। ইতিমধ্যে দুইটি মামলায় জামিন পেয়েছেন।

বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত খবরে জানা গেছে যে, পিয়াসার বাসায় রাতের যে আসর বসতো, সেই আসরে যে সমস্ত নারীদের আনা হতো তাদের মধ্যে মুনিয়া ছিল অন্যতম। পিয়াসার কল রেকর্ড অনুসন্ধান করে নুসরাতের সঙ্গে পিয়াসার একাধিক কথোপকথনের তথ্য পাওয়া গেছে। এই সূত্র ধরেই পিবিআই পিয়াসার রিমান্ড চেয়েছে। উল্লেখ্য যে, পিয়াসার বাসায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক সহ তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। এই সময়ে তদন্ত করে জানা যায় যে, পিয়াসার বাসায় অনেক ধনাঢ্য ব্যক্তিরা আসতেন এবং সেখানে সারারাত ধরে পার্টি হতো এবং বিভিন্ন নারীদেরকে সেখানে উপভোগের সামগ্রী হিসেবে নিয়ে আসা হতো এবং তাদের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হতো। এটিই ছিল পিয়াসার উপার্জনের অন্যতম পথ। যে সমস্ত নারীরা পিয়াসাদের রাতের আসরে যেতেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে তাদের মধ্যে মুনিয়া অন্যতম। তবে পিয়াসার সঙ্গে নুসরাতের যোগাযোগ হতো বলে অনেকে মনে করে। আর এই যোগাযোগ হতো মুনিয়াকে কেন্দ্র করেই।

উল্লেখ্য যে, পিয়াসা বিভিন্ন ব্যবসায়ীদেরকে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য নারীদেরকে ব্যবহার করতেন। বিভিন্ন উৎস থেকে নারীদের নিয়ে আসা হতো। মেয়েরা যে শুধু মাত্র শোবিজ এর তারকা ছিল তা না, সাধারণ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার এবং উঠতি বয়সী তরুণীদেরকেও পিয়াসার আসরে নিয়ে আসা হতো। মুনিয়া ছিল নুসরাতের অর্থ উপার্জনের অন্যতম হাতিয়ার। ধারণা করা হচ্ছে যে, মুনিয়াকে নুসরাত পিয়াসার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন যেন নুসরাত উপার্জন করতে পারে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে যে, মুনিয়াকে ব্যবহার করেই নুসরাত বিপুল ভাবে আর্থিক ভাবে লাভবান হতেন এবং বিভিন্ন মহলে তাকে ব্যবহার করতেন। পরবর্তীতে যে সমস্ত ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের কাছে মুনিয়া যেতেন তাদেরকে নুসরাত ব্ল্যাকমেইল করতেন। তদন্তকারীরা বুঝতে চেষ্টা করছেন যে, পিয়াসার সাথে মুনিয়ার কি সম্পর্ক ছিল। মুনিয়া কেন পিয়াসাদের রাতের আসরে যেতেন? একই সঙ্গে এই ঘটনায় নুসরাতের যোগসূত্র কোথায়?

বিভিন্ন সূত্র বলছে যে, নুসরাতই মুনিয়াকে এই ধরনের কাজে ব্যবহার করতেন। পিয়াসাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই সম্পর্কে ঘটনার আদ্যোপান্ত বেরিয়ে আসবে বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র মনে করছে। পিয়াসাই এই মামলার নুসরাতের সংশ্লিষ্টতার একটি বড় প্রমাণ হতে পারে বলেও একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র মনে করছে।

উল্লেখ্য যে, গত ২৬ এপ্রিল গুলশানে একটি ফ্ল্যাটে মুনিয়া মারা যায়। মৃত্যুর পর তার বোন নুসরাত আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা দায়ের করেছিলেন। পুলিশ তিন মাস তদন্ত করার পর এই মামলাটি নাকচ করে দেন এবং আত্মহত্যার কোন প্ররোচনা হয়নি বলে পুলিশ তার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে মন্তব্য করেন। এই চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার পর নুসরাত নারাজি দরখাস্ত দেন। পরবর্তীতে তিনি একটি নতুন মামলা দায়ের করেন। সেখানে তিনি হত্যা এবং ধর্ষণের অভিযোগ উত্থাপন করেন। সেই মামলার জট খুলতেই এখন পিয়াসাকে রিমান্ডে নেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




সারাদেশে সাম্প্রতিক হামলায় ৭২টি মামলা, ৪৫০ জন গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | হালনাগাদ:বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21 | ২২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাম্প্রদায়িক সহিংসতায় সারাদেশে মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর পর্যন্ত ৭২টি মামলা হয়েছে এবং ৪৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পুলিশ সদর দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পিআর) মোহাম্মদ শাহ জালাল জানিয়েছেন, আরও মামলা রুজু প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং দুষ্কৃতিকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, ঘটনা, অপরাধের রহস্য উদঘাটনের জন্য থানা পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিটগুলোকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। দ্রুততার সঙ্গে রহস্য উদঘাটনে প্রযুক্তি নির্ভর তদন্ত কাজ চলছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব ও উসকানি রোধকল্পে সাইবার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি রোধকল্পে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এবং সরকারের সকল গোয়েন্দা সংস্থা সার্বক্ষণিকভাবে কড়া নজরদারি অব্যাহত রেখেছে।

যে কোন বিভ্রান্তিকর তথ্য অথবা গুজব কিংবা উসকানিতে বিভ্রান্ত বা উত্তেজিত না হয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিকটস্থ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করা এবং পরিস্থিতির উন্নয়নে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সহায়তা করার জন্য দেশের সকল নাগরিকদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন এআইজি।

গত ১৩ অক্টোবর সকাল সাড়ে সাতটায় কুমিল্লার সদর থানাধীন নানুয়া দীঘির উত্তর পাড়ে দর্পণ সংঘের অস্থায়ী পূজামণ্ডপে মূর্তির পায়ের উপর কে বা কারা পবিত্র কোরআন শরীফ রেখে চলে যায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কতিপয় স্বার্থান্বেষী দুষ্কৃতিকারী উসকানিমূলক ও বিকৃত প্রচারণা চালায় এবং পরবর্তীতে আরও উচ্ছৃঙ্খল দুষ্কৃতিকারী সংঘবদ্ধ হয়ে মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের চেষ্টা ও পূজামণ্ডপে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এছাড়া, দুষ্কৃতিকারীরা শহরের কাপড়িয়া পট্টি কলোনির চানমনি পূজামণ্ডপ,  শ্রী শ্রী রক্ষাকালী মন্দির, কালিতলাসহ আরও কয়েকটি পূজামণ্ডপে হামলা চালায় এবং প্রতিমায় অগ্নিসংযোগ করে।

মোহাম্মদ শাহ জালাল জানান, কুমিল্লার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি না ঘটে সেজন্য সারাদেশে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে, পুলিশ টহল জোরদার করা হয়েছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, কুমিল্লার ঘটনার জের ধরে গত ১৩ অক্টোবর ২০২১ তারিখ রাত সাড়ে আটটায় চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ পৌরসভাস্থ শ্রী ত্রিনয়নী সংঘ রাজা লক্ষ্মী নারায়ণ জিউর আখড়া, মোকিমাবাদ পূজামণ্ডপে ৫০০ থেকে ৬০০ দুষ্কৃতিকারী দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পুলিশ তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করলে তারা পুলিশের উপর হামলা করে এবং পাঁচ থেকে ছয়টি পূজামণ্ডপ ভাংচুর করে। দুষ্কৃতিকারীদের ইট-পাটকেলের আঘাতে ১৫ জন পুলিশ সদস্য মারাত্মক আহত হয়। জনগণের জানমাল রক্ষায় এবং আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় পাঁচজন প্রাণ হারায়।

কুমিল্লার ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় গত ১৪ অক্টোবর  বেলা সাড়ে ১১টায় নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানাধীন ছয়ানী ইউনিয়নের সর্বজনীন শ্রী শ্রী দুর্গা পূজা মন্দিরের কাছে ৮০০ থেকে ১০০০ উচ্ছৃঙ্খল লোক জড়ো হয়ে উসকানিমূলক শ্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে তারা অসংখ্য ইট, লাঠিসোটা নিয়ে মন্দিরের সামনে দায়িত্বরত ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ ও বিজিবি'র টহল দলের ওপর হামলা চালায়, মন্দিরের মূর্তি ভাংচুর করে এবং মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ ঘটনায় একজন প্রাণ হারায় এবং পরবর্তীতে পুকুর থেকে অপর একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।

গত ১৭ অক্টোবর রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানাধীন বড় করিমপুর মাঝিপাড়া গ্রামের জনৈক পরিতোষ (১৯) তার ফেসবুক আইডিতে পবিত্র কাবা শরীফের অবমাননাকর ছবি আপলোড করে। পরবর্তীতে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হলে রাত প্রায় আটটার সময় এলাকার কতিপয় দুষ্কৃতিকারী ওই গ্রামের একটি মন্দিরসহ ১৮টি পরিবারের ঘরবাড়ি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়।

এছাড়া, কক্সবাজার জেলার পেকুয়া ও চকরিয়া থানা, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ থানা, মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া ও কমলগঞ্জ থানা, হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ থানা এবং গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কাশিমপুর থানাসহ দেশের আরও কয়েকটি স্থানে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এ সকল ঘটনায় সারাদেশে সাত জন প্রাণ হারায়। তন্মধ্যে দুজন হিন্দু সম্প্রদায়ের এবং পাঁচ জন মুসলিম সম্প্রদায়ের। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দায়িত্ব পালনকালে ৫০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়।


আরও খবর



আমরা চোর নই, আমরা বীরের জাতি : কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বাঙালি চোরের জাতি নয়, বীরের জাতি। আমাদের দেশের গণতন্ত্র কিছুটা হলেও বিকাশ হয়েছে। এটা একটা ধীরগতির প্রক্রিয়া। রাতারাতি এটা বিকাশ হওয়ার সুযোগ নেই।

রবিবার (৩ অক্টোবর) দুপুরে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্পের ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে পুনর্বাসন সাইটসমূহে বরাদ্দকৃত প্লটের লিজ দলিল হস্তান্তর অনুষ্ঠানে তিনি এ সব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। তাই কোনো বিশৃঙ্খলা না করে সবাই নির্বাচনের প্রস্তুতি নিন।

মন্ত্রী বলেন, আদালতের আদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ২০১১ সালেই বিদায় নিয়েছে। এটা মীমাংসিত বিষয়। উচ্চ আদালতই তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে যাদুঘরে পাঠিয়েছে।

বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন চান। কিন্তু, আপনাদের নেত্রী এক সময় বলেছিলেন, পাগল আর শিশু ছাড়া নিরপেক্ষ কেউ নেই।

পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতার সোনালী ফসল পদ্মা সেতু। সেতু নির্মাণের আগে ছিল পদ্মার ভাঙনের তাণ্ডব। বঙ্গবন্ধু কন্যা ঘোষণা দিয়েছিলেন, আমি নিজ অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে প্রমাণ করবো বাঙালি চুরি করে না, বাঙালি বীরের জাতি।

সেতু বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, পদ্মা সেতুতে রেল সংযোগ প্রকল্পের প্রধান সমন্বয়ক মেজর জেনারেল এস এম জাহিদ হোসেন, পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।


আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




ধর্ষণ মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৯ অক্টোবর ২০২১ | ১২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জামশা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিজানুর রহমান মিঠুকে (৫০) ধর্ষণের মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মিজানুর রহমান মিঠু জামশা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। এবার দলীয় মনোনয়ন না পাওয়ায় আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিতব্য ইউপি নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তিনি।

গত ৫ সেপ্টেম্বর জামশা ইউনিয়নের এক তরুণী (২১) মানিকগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মিঠুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলায় অভিযোগ করা হয়, ওই তরুণীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১০০ টাকার জুডিসিয়াল স্ট্যাম্পের মাধ্যমে কথিত বিয়ের ঘোষণা দিয়ে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে অন্যত্র বাসা নিয়ে বসবাস করেন মিঠু। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই তরুণী। পরে চেয়ারম্যান কৌশলে গর্ভপাত করান। কাবিননামা চাইলে তাদের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয় এবং তরুণীকে মারধর করেন মিঠু।

সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ধর্ষণের মামলায় আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে মিঠুকে সোমবার (১৮ অক্টোবর) রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার তাকে আদালকে পাঠনো হয়েছে।



আরও খবর