আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

ঢাকা ও চট্টগ্রামে নিয়োগ দেবে আইপিডিসি ফাইন্যান্স

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটিতে অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার/ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ পদে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

পদের নাম

অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার/ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ইন্টার্নাল অডিট।

শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা

স্বীকৃত যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফাইনান্স/ অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে বিবিএ পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থীর তিন বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। দলবদ্ধভাবে কাজের মানসিকতা, বাংলা ও ইংরেজিতে যোগাযোগ দক্ষতা থাকতে হবে।

কর্মস্থল

চট্টগ্রাম, ঢাকা।

বেতন

আলোচনা সাপেক্ষে।

আবেদন প্রক্রিয়া

আগ্রহী প্রার্থীরা বিডিজবস অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন অথবা সিভি ই-মেইল করতে পারবেন (career@ipdcbd.com) এই ঠিকানায়।

আবেদনের শেষ তারিখ: ১০ জুন, ২০২২।


আরও খবর



দুর্নীতি ও অর্থপাচার খুনের চেয়ে ভয়াবহ অপরাধ: হাইকোর্ট

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ২১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বর্তমান সময়ে দুর্নীতি ও অর্থপাচারকে খুনের চেয়ে ভয়াবহ অপরাধ বলে মন্তব্য করেছেন হাইকোর্ট। নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার জন ট্রাস্টির আগাম জামিন আবেদনের শুনানিকালে রবিবার (২২ মে) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ মন্তব্য করেন।

এদিকে জামিন আবেদনের শুনানি শেষে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চার সদস্যের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে তাদের শাহবাগ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নিম্ন আদালতে হাজির করতে বলা হয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ডের চার সদস্য হলেন- এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহান।

আদালতে আসামিদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মিজান সাঈদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন মানিক। দুদকের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশীদ আলম খান।

এর আগে গত ১২ মে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের জমি কেনা বাবদ অতিরিক্ত ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ টাকা ব্যয় দেখিয়ে তা আত্মসাতের অভিযোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক।

দুদকের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী ঢাকায় এ মামলা করেন বলে কমিশনের মহাপরিচালক সাঈদ মাহবুব খান জানান।

মামলার আসামীরা হলেন- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দিন আহমেদ, বোর্ডের চার সদস্য এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান, মোহাম্মদ শাহজাহান এবং আশালয় হাউজিং অ্যান্ড ডেভেলপার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিন মো. হিলালী।

এজাহারে বলা হয়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে পাশ কাটিয়ে ট্রাস্টি বোর্ডের কয়েকজন সদস্যের অনুমোদন ও সম্মতির মাধ্যমে ক্যাম্পাস উন্নয়নের নামে ৯০৯৬ দশমিক ৮৮ ডেসিমেল জমির দাম ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা বেশি দেখিয়ে তা আত্মসাৎ করা হয়েছে।

আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে তারা প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা প্রদান করেন। পরে বিক্রেতার কাছ থেকে নিজেদের লোকের নামে নগদ চেকের মাধ্যমে টাকা উত্তোলন করে আবার নিজেদের নামে এফডিআর করে রাখেন। এরপর নিজেরা ‌ওই এফডিআরের অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করেন।

অবৈধ ও অপরাধলব্ধ আয়ের অবস্থান গোপনের জন্য ওই অর্থ হস্তান্তর ও স্থানান্তর মাধ্যমে মানি লন্ডারিংয়ের অপরাধও সংঘটন করেন।

মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯/৪২০/১৬১/১৬৫ক ধারা এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ এর ৪(২)(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০১০ অনুযায়ী নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ বোর্ড অব ট্রাস্টিজ। বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অব অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিকেলস (রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস) অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমুখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।


আরও খবর



সিপাহি বিদ্রোহে অংশ নেওয়া ২৮২ ভারতীয় সেনার দেহাবশেষের সন্ধান

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

১৮৫৭ সালে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধে (সিপাহি বিদ্রোহে) অংশগ্রহণকারী ২৮২ সেনার দেহাবশেষের সন্ধান মিলেছে। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. জেএস সেহরাওয়াত জানিয়েছেন, অমৃতসরের কাছে এক খননের সময় এসব দেহাবশেষ পাওয়া যায়।

ধারণা করা হয় এই সেনারা শুকর ও গরুর চর্বি মাখানো কার্তুজ ব্যবহারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। এই বিদ্রোহ ইতিহাসে সিপাহী বিদ্রোহ নামে পরিচিত।

ড. জেএস সেহরাওয়াত বলেন, এসব কঙ্কাল ২৮২ জন ভারতীয় সেনার। যারা ১৮৫৭ সালে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিহত হয়েছিলেন। পাঞ্জাবের অমৃতসরের কাছে অজানালায় একটি ধর্মীয় অবকাঠামোর নিচে খনন চালিয়ে সেগুলো উদ্ধার করা হয়।

ওই সহযোগী অধ্যাপক আরও বলেন, এক গবেষণায় ইঙ্গিত পাওয়া যায় এই সেনারা শুকর ও গরুর চর্বি মাখানো কার্তুজ ব্যবহারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন। কয়েন, মেডেল, ডিএনএ গবেষণা, বস্তুগত বিশ্লেষণ, নৃতাত্ত্বিক, রেডিও কার্বন বয়স বিশ্লেষণ, সব পয়েন্টই একই বিষয়ের দিকে ইঙ্গিত করছে।’

কিছু ঐতিহাসিক মনে করেন ১৮৫৭ সালের বিদ্রোহ ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধ। ওই সময়ে ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নিয়োগ করা কিছু ভারতীয় সেনা ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে শুকর এবং গরুর চর্বি মাখানো কার্তুজ ব্যবহারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।


আরও খবর



টাকার মান কমলো আরও ৮০ পয়সা

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমদানি ব্যয় পরি‌শো‌ধের চাপে মা‌র্কিন ডলারের চা‌হিদা বে‌ড়ে‌ছে। কিন্তু সেই হা‌রে বাজা‌রে সরবরাহ না বাড়ায় নিয়ন্ত্রণহীনভা‌বে বাড়ছে ডলারের দাম। বিক্রি করেও ঊর্ধ্বগতি ঠেকাতে পারছে না কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এক দিনেই ডলারের বিপরীতে টাকার মান ক‌মে গে‌ছে ৮০ পয়সা। আর গত ২০ দিনের ব্যবধা‌নে তিন দফায় ডলারের বিপরীতে টাকার দরপতন হলো এক টাকা ৩০ পয়সা।

সোমবার (১৬ মে) আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার কিনতে খরচ করতে হচ্ছে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা। এক‌দিন আ‌গেও এক ডলা‌রে লেগেছিল ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা। আর গত ১০ মে ছিল ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা এবং ২৭ এপ্রিল ছিল ৮৬ টাকা ২০ পয়সা।

ব্যাংকগুলো নগদ ডলার বিক্রি করছে এর চেয়ে পাঁচ থেকে ৭ টাকা বেশি দরে। ব্যাংকের বাইরে খোলাবাজার বা কার্ব মার্কেটে ডলার কেনাবেচা হচ্ছে ৯২ থেকে ৯৭ টাকায়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে একদিকে ব্যাপক হারে আমদানির চাপ বেড়েছে। ফলে আমদানির দায় পরিশোধে বাড়তি ডলার লাগছে। কিন্তু সেই তুলনায় রেমিট্যান্স ও রপ্তানি আয় বাড়েনি। ফলে ব্যাংক ব্যবস্থা ও খোলাবাজারে মার্কিন ডলারের ওপর চাপ বাড়ছে। এতে করে বৈদেশিক মুদ্রা সরবরাহে ঘাটতি দেখা দি‌য়ে‌ছে। যার কারণে টাকার বিপরীতে বাড়ছে ডলারের দাম। বাজার স্থিতিশীল রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ব্যাংকগুলোর চাহিদার বিপরীতে ডলার বিক্রি করছে। এতে কমছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। কিন্তু তারপরও নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারছে না ডলার।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম ঢাকা পোস্টকে বলেন, আমাদের রপ্তানি আয়ের তুলনায় আমদানি বেশি, এ কারণে ডলারের উপর চাপ প‌ড়ে‌ছে। বাজার বিবেচনা করে ডলারের রেট ৮৭ টাকা ৫০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, রপ্তানি বাড়ছে, ঈদের সময় রেমিট্যান্স ২০০ মিলিয়ন এসেছে। এর স‌ঙ্গে ব্যাংকগুলোর চাহিদা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ডলার সরবরাহ করছে। এখন পর্যন্ত ব্যাংকগু‌লোর চা‌হিদার বিপরী‌তে ৫ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিক্রি করা হয়েছে। যখনই প্রয়োজন হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ডলার সরবরাহ করছে।

ত‌বে আশার কথা আমাদের রপ্তানি বাড়ছে। নিত্যপ্র‌য়োজনীয় খাদ্যপণ্য ছাড়া অন্যান্য পণ্যের আমদানিতে গড় মা‌র্জিনসহ আমরা বিভিন্ন বিধিনিষেধ দিয়েছি। আশা করছি খুব শিগগিরই বাজার স্থি‌তিশীল হ‌য়ে যা‌বে।

এ‌দি‌কে ডলারের দাম নিয়ে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের (এমটিবি) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সৈয়দ মাহবুবুর রহমান ঢাকা পোস্টকে বলেন, চাহিদা বাড়ায় ডলারের দাম বাড়ছে। অনেক বিদেশি ব্যাংক ডলার ৯৪/৯৫ টাকায় কিনছে। এতেই বোঝা যাচ্ছে বাজারের কী অবস্থা। এখন দর ঠিক রাখতে হলে বাজারের ওপর ছেড়ে দেওয়া ভালো।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২০ সালের জুলাই থেকে গত বছরের আগস্ট পর্যন্ত আন্তঃব্যাংক মুদ্রাবাজারে ডলারের দাম ৮৪ টাকা ৮০ পয়সায় স্থিতিশীল ছিল। কিন্তু এরপর থেকে বড় ধরনের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করতে গিয়ে ডলার সংকট শুরু হয়। যা এখন পর্যন্ত অব্যাহত আছে।

২০২১ সালের ৩ আগস্ট থেকে দু'এক পয়সা করে বাড়তে বাড়তে গত বছরের ২২ আগস্ট প্রথমবারের মতাে ৮৫ টাকা ছাড়ায় ডলারের দাম। চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি এটি বেড়ে ৮৬ টাকা হয়। গত ২৩ মার্চ আন্তঃব্যাংক লেনদেনে ৮৬ টাকা ২০ পয়সায় দাঁড়ায়। ২৭ এ‌প্রিল ৮৬ টাকা ৪৫ পয়সা, ১০ মে ৮৬ টাকা ৭০ পয়সা এবং আজ ১৬ মে ৮৭ টাকা ৫০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে ডলারের মূল্য। যা এ যাবতকালের সর্বোচ্চ। অর্থাৎ গত ৯ মাসের ব্যবধানে প্রতি ডলারে দর বেড়েছে দুই টাকা ৭০ পয়সা।

রেকর্ড ডলার বিক্রি:

চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের ১২ মে পর্যন্ত সব মিলিয়ে ৫০২ কোটি (৫.০২ বিলিয়ন) ডলার বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে বিক্রি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

এর আগে বাজার স্থিতিশীল রাখতে গত অর্থবছরে ডলার কেনায় রেকর্ড গড়েছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক। তথ্য বলছে, ২০২০-২১ অর্থবছরে ব্যাংকগুলোর কাছ থেকে সবমিলিয়ে প্রায় ৮ বিলিয়ন (৮০০ কোটি) ডলার কেনে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৫ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার কিনেছিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

রিজার্ভের ওপর পড়ছে চাপ:

এদিকে আমদানির চাপে ধারাবাহিকভাবে ডলার বিক্রি করায় বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের (রিজার্ভ) ওপর চাপ বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৪ আগস্ট এই রিজার্ভ আগের সব রেকর্ড ভেঙে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছিল। দেশের ওই রিজার্ভ গত ১১ মে (বুধবার) ৪১.৯৩ বিলিয়ন বা ৪ হাজার ১৯৩ কোটিতে নেমে এসেছে।

রপ্তা‌নির চেয়ে আমদানি বেড়েছে:

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য বলছে, চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের জুলাই-মার্চ সময়ে রপ্তানি বেড়েছে ৩২ দশমিক ৯২ শতাংশ। অন্যদিকে আমদানি বেড়েছে ৪৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আলোচিত ৯ মাসে রপ্তানি থেকে দেশ আয় করেছে তিন হাজার ৬৬২ কোটি ডলার। পণ্য আমদানির পেছনে ব্যয় হয়েছে ৬ হাজার ১৫২ কোটি ডলার। আমদানি ব্যয় থেকে রপ্তানি আয় বাদ দিলে বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়ায় দুই হাজার ৪৯০ কোটি ডলার।

রেমিট্যান্স:

জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশে ১ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলারের সমপরিমাণ রেমিট্যান্স এসেছে। যা ছিল আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৭৪ শতাংশ কম।


আরও খবর



সিরাজগঞ্জে স্বামী হত্যার দায়ে স্ত্রীসহ প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জের শাহজাদুপুরে স্বামীকে হত্যার দায়ে স্ত্রী ও পরকীয়া প্রেমিকের মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছে আদালত। একই সাথে অনাদায়ে আরও ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির এ রায় দেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, শাহজাদপুর উপজেলার বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের নিহত মনিরুল হকের স্ত্রী মোছা. মুক্তি খাতুন ও তার পরকিয়া প্রেমিক সাইদুল ইসলাম তুষার ওরফে তুহিন। জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর এ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা যায়, শাহজাদপুর উপজেলার শক্তিপুর গ্রামের মৃত মুক্তার শেখের কন্যা মোছা. মুক্তি খাতুনের সাথে একই উপজেলার বাড়াবিল উত্তরপাড়া গ্রামের মো. জেলহক প্রামানিকের ছেলে মনিরুল হকের বিয়ে হয়। বিয়ের আগে থেকে মুক্তি খাতুনের সাথে সাইদুল ইসলাম তুষারের প্রেমের সম্পর্ক ছিল, যা বিয়ের পরেও মুক্তি খাতুন সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন।

বিয়ের দুই মাস পর ২০১৯ সালের ৩ জুন রাতে মুক্তি তার দাদা হোসেন আলীর বাড়িতে বেড়াতে আসেন। পরে খাওয়া দাওয়া শেষে ওই রাতে মুক্তি ও মনিরুল একই ঘরে ঘুমায়। ঘুমানো আগে মুক্তি তার স্বামীকে ঘুমের ঔষুধ খাইয়ে ঘরে দরজা খোলা রাখে। পূর্বপরিকল্পনা মোতাবেক মুক্তির পরকিয়া প্রেমিক সাইদুল ইসলাম তুষার ঘরে ঢুকে দুজন মিলে মনিরুল হককে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা জেলহক প্রামানিক বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে আসামিদের উপস্থিতিতে আদালত আজ এই রায় দেন।


আরও খবর



এবার পুতিনের 'গার্লফ্রেন্ডের' ওপর আসছে নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউরোপীয় ইউনিয়নের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় পড়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের কথিত গার্লফ্রেন্ড এলিনা কাবায়েভা। ইউক্রেনে হামলার জেরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার যে ষষ্ঠ প্যাকেজ ঘোষণা করতে যাচ্ছে সেই প্যাকেজেরেই খসড়ায় রয়েছে এলিনার নাম।

শুক্রবার (৬ মে) ইউরোপিয়ান কূটনীতিকদের দুটি সূত্রের বরাতে সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) কমিশন সূত্র জানিয়েছে, এ পর্যায়ে কারো নাম যুক্ত হতে পারে আবার কারো নাম বাদও পড়তে পারে।

ইইউ এখনো এই খসড়া প্রস্তাবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেনি। তবে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে বেলিজিয়ামের ব্রাসেলসে ইইউ সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রদূতদের বৈঠকে এটি সই হতে পারে বলে সূত্র জানিয়েছে।

একটি সূত্র সিএনএনকে জানায়, আলোচনা চলছে, এটি কোনো কেকের অংশ নয়, আমাদের অপেক্ষা করতে হবে এবং দেখা যাক কী হয়।’

অলিম্পিকে গোল্ড মেডেল জয়ী জিমন্যাস্ট এলিনা কাবায়েভার সঙ্গে পুতিনের সম্পর্কের কথা চাউড় বেশ আগে থেকেই। পুতিনের সঙ্গে ১৯৮৩ সালে জন্ম নেওয়া এলিনার সম্পর্ক এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বলে প্রচলিত রয়েছে। তবে পুতিন বরাবরই এ সম্পর্ক অস্বীকার করে আসছেন।

এর আগে গত এপ্রিলে ওয়ালস্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এলিনার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হবে কী হবে না তা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা দ্বিধায় ছিলেন। কারণ এই পদক্ষেপকে পুতিনের পক্ষে এতটাই ব্যক্তিগত আঘাত বলে মনে করা হয়েছিল যে এ বিষয়টি রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

তবে এবার ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার তালিকায় রাখা হয়েছে এলিনাকে।

ইউক্রেনে হামলার পর থেকে রাশিয়ার ওপর একের পর এক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তারই ধারিবাহিকতায় রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের দুই মেয়ের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র।

গত ৬ এপ্রিল হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয় বলে এক বিবৃতিতে জানানো হয়।

এতে বলা হয়, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় পুতিনের দুই মেয়ে মারিয়া ভরোন্তোসভা ও ক্যাটেরিনা টিখোনোভাসহ রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের স্ত্রী ও মেয়ে এবং রুশ নিরাপত্তা কাউন্সিলের সদস্যরাও রয়েছেন।

এছাড়া নিষেধাজ্ঞার আওতায় রাশিয়ার শীর্ষ সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকও রয়েছে।


আরও খবর