আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন টাঙ্গাইলের কৃষকরা

প্রকাশিত:শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২ | ৭৬৫জন দেখেছেন

Image

টাঙ্গাইল থেকে দেলোয়ার হোসেন

চলতি মৌসুমে টাঙ্গাইলে সরিষার ব্যাপক ফলনে গ্রামীণ অর্থনীতিতে দিচ্ছে সম্ভাবনার হাতছানি। ইতিমধ্যে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ হাজার ৪৮৮ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার সরিষার বাম্পার ফলনের মাধ্যমে দিন বদলের স্বপ্ন দেখছেন কৃষক। উচ্চ ফলনশীল বারি-১৪ ও বারি-১৫ জাতের সরিষার চাষ করায় কৃষকের স্বপ্ন সত্যি হয়ে ধরা দেবে বলে মনে করছে কৃষি বিভাগ।

চলতি মৌসুমে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ৪৫ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে ৫৪ হাজার ৮৪০ টন সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। মৌসুমের শুরুতে নিম্নচাপের প্রভাবে বৃষ্টি হওয়ায় সরিষা আবাদে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ঝুঁকি দেখা দেয়। কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠকর্মীদের তৎপরতা ও পরামর্শে কৃষকরা সরিষা চাষে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রয়াস পায়। ফলে ইতিমধ্যে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর বৃদ্ধি পেয়ে ৫০ হাজার ৪৮৮ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, ১২টি উপজেলায় মোট ৪৫ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে ৫৪ হাজার ৮৪০ টন সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে- সদর উপজেলায় ৫ হাজার ২৯০ হেক্টরে ৬ হাজার ৩৪৮, বাসাইলে ৪ হাজার ৮২০ হেক্টরে ৫ হাজার ৭৮৪, কালিহাতীতে ৩ হাজার ১৩০ হেক্টরে ৩ হাজার ৭৫৬, ঘাটাইলে ২ হাজার ৩৫৫ হেক্টরে ২ হাজার ৮২৬, নাগরপুরে ১০ হাজার ১০০ হেক্টরে ১২ হাজার ১২০, মির্জাপুরে ৮ হাজার ৯৫০ হেক্টরে ১০ হাজার ৭৪০, মধুপুরে ৪৬৫ হেক্টরে ৫৫৮ মে.টন, ভূঞাপুরে ১ হাজার ৮৩০ হেক্টরে ২ হাজার ১৯৬, গোপালপুরে ৩ হাজার ৬০০ হেক্টরে ৪ হাজার ৩২০, সখীপুরে ২ হাজার ১৪০ হেক্টরে ২ হাজার ৫৬৮, দেলদুয়ারে ২ হাজার ৫৫০ হেক্টরে ৩ হাজার ৬০ টন এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ৪৭০ হেক্টরে ৫৬৪ টন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্চ কমিটির তৎপরতা ও প্রণোদনার ফলে হাল জরিপে ৪ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ বেড়েছে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৯৩৫, বাসাইলে ৫৭৫, কালিহাতীতে ৪৭০, ঘাটাইলে ৬৩৫, নাগরপুরে ৮০, মির্জাপুরে ১ হাজার ২৩৫, মধুপুরে ১৩৫, ভূঞাপুরে ৩০০, গোপালপুরে ৩৫০, সখীপুরে ৩৮, দেলদুয়ারে ২৩৫ এবং ধনবাড়ী উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদ বেশি হয়েছে।

গত দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় কৃষকরা অধিকাংশ জমিতে আমন ধান চাষ করতে পারেনি- সে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়া, গত বছর সরিষার বাজারমূল্য আশানুরূপ না হওয়া, কৃষি প্রণোদনার আওতায় জেলার ২৪ হাজার কৃষককে বিনামূল্যে এক কেজি বীজ ও সার প্রদান এবং সার্চ কমিটির তৎপরতার কারণে কৃষকরা বেশি জমিতে সরিষা আবাদ করায় লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করেছে।

টাঙ্গাইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আহসানুল বাসার জানান, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় এবার ৪৫ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও ৫০ হাজার ৪৮৮ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে। গত দীর্ঘস্থায়ী বন্যায় আমন ধান চাষ ভালো না হওয়ায় কৃষকরা সরিষা আবাদের মাধ্যমে সে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে।


আরও খবর



পুঠিয়ায় ৯২ হাজার লিটার সয়াবিন তেল জব্দ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে বেশ কয়েকটি গুদাম ও দোকানে অবৈধভাবে ৯২ হাজার ৬১৬ লিটার ভোজ্যতেল মজুদের ঘটনায় অভিযান পরিচালনা করছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১০ মে) বিকালে রাজশাহী জেলা পুলিশ ও পুঠিয়া থানা পুলিশ যৌথ অভিযান পরিচালনা শুরু করে। নিউজ লেখা পর্যন্ত পুলিশের অভিযান অব্যাহত ছিলো।

মঙ্গলবার (১০ মে) সন্ধ্যা পোনে ৭টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইফতে খায়ের আলম জানান, অভিযান এখনও অব্যাহত রয়েছে। চারটি গোডাউন থেকে সয়াবিন ও সরিষার তেল পাওয়া যায়। চার গোডাউনের মালিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। সেইসাথে তাদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। তবে সরকারিভাবে এখনও জব্দ বা আটক কোনো কিছু দেখানো হয়নি। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।

এর আগে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অবৈধভাবে সয়াবিন তেল মজুদ ও নির্ধারিত দামের চেয়ে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি করার অভিযোগে রাজশাহীর তিন ব্যবসায়ীকে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের উপ-পরিচালক অপূর্ব অধিকারী ও সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ এই অভিযান চালান।

অভিযান শেষে সহকারী পরিচালক হাসান-আল-মারুফ জানান, মঙ্গলবার (১০ মে) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত তারা নগরীর সাহেব বাজার ও বহরমপুর এলাকায় অভিযান চালান। এ সময় সাহেববাজার এলাকার মেসার্স হুমায়ুন স্টোরে ১৩২ বোতল সয়াবিন তেল মজুদ পাওয়া যায়। বোতলজাত সয়াবিন তেল মজুদ রেখেছিলেন বিক্রেতা হুমায়ুন কবীর। এই ঘটনায় তাকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একইসঙ্গে জব্দকৃত ১৩২ বোতল সয়াবিন তেল গায়ে লেখা দামে বিক্রি করে ব্যবসায়ীতে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

একই অভিযানে সাহেববাজার এলাকার মেসার্স পাপ্পু অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক নজরুল ইসলাম নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি দামে বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি করছিলেন।

হাসান-আল-মারুফ জানান, আলাদা অভিযানে নগরীর বহরমপুর মোড় এলাকার মেসার্স নুরুন্নবি ট্রডার্সকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বাড়তি মূল্যে খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করছিলেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক নুরুন্নবী। তাৎক্ষণিকভাবে এই তিন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা করা হয়েছে।


আরও খবর



ঢাবি অধ্যাপকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৬ এপ্রিল ২০২২ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট এ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আকরাম হোসেনের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছেন ওই বিভাগের এক শিক্ষার্থী। ফলে ওই বিভাগে নিয়োগের সুপারিশ পাওয়া দুই সদ্য প্রভাষকের নিয়োগ সুপারিশ বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক কমিটি (সিন্ডিকেট)।

মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারনী কমিটির (সিন্ডিকেট) সভায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান সভায় উপস্থিত থাকা একাধিক সিন্ডিকেট সদস্য।

অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সূত্র জানায়, অভিযোগকারী শিক্ষার্থী ২০১৯ সালের ১০ মে ব্যবসা শিক্ষা অনুষদের তৎকালীন ডীন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম বরাবর যৌন নিপীড়নের অভিযোগ দেন। ২০১৮ সালে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে বাদ যাওয়া হিসেবে অনৈতিক প্রস্তাবে রাজি না হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন অভিযোগকারী শিক্ষার্থী। তবে অভিযোগপত্রটি বেশি দূর গড়ায়নি।

সূত্র আরো জানায়, সম্প্রতি প্রভাষক নিয়োগে ওই শিক্ষার্থী আবেদন করলে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ তোলায় নিয়োগে সুপারিশ করেনি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আকরাম হোসেন- এ মর্মে উল্লেখ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.আখতারুজ্জামান বরাবর অভিযোগপত্র দেন। ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগের ভিত্তিতে নিয়োগ সুপারিশ বাতিল করেছে সিন্ডিকেট।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগপত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলে পাঠানো হয়েছে। যৌন নিপীড়ন বিরোধী সেলের তদন্ত প্রতিবেদন আলোকে ওই ছাত্রীর নিয়োগের বিষয়ে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেবে।

এবিষয়ে জানতে চাইল অভিযুক্ত অধ্যাপক মো. আকরাম হোসেন বলেন, ওই শিক্ষার্থীর অভিযোগের কপি দুটি পড়লে বুঝা যায় যে ওই শিক্ষার্থী বিচার চায় না, চাকরি চায়। তার চাকরি হলে আর অভিযোগ থাকবে না। এসব অভিযোগের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। শিক্ষকদের অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্রের শিকার বলে উল্লেখ করেন অধ্যাপক আকরাম।


আরও খবর



যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৩৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্ভাব্য সর্বোত্তম নীতি কাঠামোর আশ্বাস দিয়ে বাংলাদেশের বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমি এখন আমাদের ব্যবসা এবং বিনিয়োগের পরিবেশ সহজ করার জন্য সর্বোত্তম সম্ভাব্য নীতি কাঠামো এবং জোরালো সম্ভাবনার বিষয়ে আপনাদের আশ্বস্ত করবো।

প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো তার সরকারি বাসভবন গণভবনে সফররত ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিলের এক্সিকিউটিভ বিজনেস ডেলিগেশনের সঙ্গে বৈঠককালে এই আহ্বান জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন মার্কিন কোম্পানিগুলো এ সুবিধা গ্রহণ করবে এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, আইসিটি, অবকাঠামো, হালকা প্রকৌশল পণ্য, মোবাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক পণ্য, অটোমোবাইল, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ, ওষুধ, সিরামিকের মতো সম্ভাব্য খাতে আরও বিনিয়োগ করবে।

তিনি বলেন, আমি নিশ্চিত যে আপনারা অনুকূল পরিবেশ বুঝতে সক্ষম হবেন এবং আপনারা বাংলাদেশে  সম্ভাব্য বিনিয়োগের আস্থা অনুভব করতে পারবেন।

তিনি উল্লেখ করেন, যে বাংলাদেশ এখন আরএমজি, চামড়া, প্লাস্টিক, পাট, আইসিটি, কৃষি প্রক্রিয়াকরণ এবং আরও অনেক খাতে অত্যাধুনিক উৎপাদন কারখানার জন্য স্বীকৃত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন আমাদের সময় এবং অনুগ্রহ করে আমাদের অনুকূল পরিবেশে বিনিয়োগ ব্যবস্থার সুযোগ নেওয়ার সময় তৈরি করুন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন ইউএস-বাংলাদেশ এনার্জি টাস্কফোর্স যেটি সেপ্টেম্বর ২০২১ সালে চালু হয়েছিল তা উভয় দেশের স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে জ্বালানি সহযোগিতাকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।

একইভাবে, প্রস্তাবিত ইউএস-বাংলাদেশ ডিজিটাল ইকোনমি টাস্কফোর্স টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে উভয় দেশের কোম্পানির সহযোগিতাকে আরও জোরদার করতে অবদান রাখবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বাংলাদেশ-মার্কিন বন্ধুত্ব অভিন্ন মূল্যবোধ ও অংশীদারিত্বমূলক স্বার্থের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এটি আমাদের সম্প্রসারিত সার্বিক ব্যবসায়িক সম্পর্কের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

মার্কিন বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার এবং অন্যান্য বাণিজ্য সুবিধার মাধ্যমে আমাদের বাণিজ্য সম্পর্ক আরও জোরদার করা যেতে পারে, উল্লেখ করে সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশ একটি উপযুক্ত সময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু করতে প্রস্তুত।

বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য বাংলাদেশকে তার অন্যতম সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ইউএস চেম্বারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে শেখ হাসিনা আশা প্রকাশ করেন এই সফর এবং প্রাসঙ্গিক সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে মতবিনিময়ের ফলে প্রত্যাশিত ব্যবসা থেকে ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব আরও অন্বেষণ হবে এবং নিশ্চিতভাবে বাণিজ্যের পরিমাণ দ্বিগুণ হবে এবং উভয় দেশের বেসরকারি খাত উপকৃত হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশকে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে স্নাতক হওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে এবং ২০৪১ সালের মধ্যেএকটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত হওয়ার আকাঙ্খা রয়েছে।

তিনি বলেন, সে কারণে আমাদের বন্ধুপ্রতীম দেশগুলো থেকে বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও বেশি বেশি বিনিয়োগ প্রয়োজন।

বাংলাদেশকে এখন একটি আকর্ষণীয় বিনিয়োগ গন্তব্য হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভৌত অবকাঠামোর পাশাপাশি দেশটি বিনিয়োগ ও ব্যবসা সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন উন্নত ও সহজ করেছে।

সরকার প্রধান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের সবচেয়ে উদার বিনিয়োগ নীতি রয়েছে এবং বিদেশি বিনিয়োগ সংসদের আইন এবং দ্বিপাক্ষিক চুক্তি দ্বারা সুরক্ষিত।


আরও খবর



৯ দিনের ছুটির ফাঁদে বেনাপোল স্থলবন্দর

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৮ এপ্রিল ২০২২ | ৪৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সাপ্তাহিক ছুটি, মে দিবস ও ঈদ-উল-ফিতরের ছুটির কারণে টানা ৬ দিন, এর মাঝে একদিন অফিস হয়ে আবারও ২ দিন সাপ্তাহিক ছুটি। তাতে মোট ৯ দিন দেশের সবচেয়ে বড় স্থলবন্দর বেনাপোল দিয়ে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ থাকছে।

এর ফলে স্থবির হয়ে পড়বে বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দরের কার্যক্রম। দেশের অর্থনীতিতে বেনাপোল বন্দরের ভূমিকা অপরিসীম। ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ৯০ ভাগই আসে এই বন্দর দিয়ে।

লম্বা ছুটির কারণে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে পড়বে বিরুপ প্রভাব। এমনিতেই বেনাপোল বন্দরে পণ্যজট লেগেই আছে। লম্বা ছুটিতে অনেক শিল্প প্রতিষ্ঠানে কাঁচামালের সংকট দেখা দিতে পারে। সীমান্তের দুপাশের ট্রাকজট আরও বাড়বে বলে মনে করছেন বন্দর সংশ্লিষ্টরা।

তবে এ ছুটিতে বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) বিকাল থেকে ঈদের ছুটি শুরু হবে। শুক্র ও শনিবার (২৯, ৩০ এপ্রিল) সাপ্তাহিক ছুটি, ১ মে শনিবার মহান মে দিবস ও ২ মে থেকে ৪ মে পর্যন্ত ঈদের ছুটিতে বন্ধ থাকবে দুদেশের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দরের কার্যক্রম।

৫ মে বৃহস্পতিবার আমদানি-রপ্তানি চালু হবে। কাস্টমস ও বন্দর খুললেও কোন পণ্য খালাসের সম্ভাবনা নেই। এরপর ৬, ৭ মে শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি। সে হিসেবে রোববার (৮ মে) থেকে কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে এ বন্দরে।

এদিকে টানা ছুটির কারণে সীমান্তের দুপাশের বন্দরে ট্রাকজট আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। বেনাপোলের মতোই পেট্রাপোল বন্দরেও ট্রাকজট রয়েছে। বন্দরে স্থান সংকুলান না হওয়ায় বন্দরের ট্রাক টার্মিনাল, পেট্রাপোল পার্কিং ও কালীতলা পার্কিং টার্মিনালে কয়েকশ পণ্য বোঝাই ট্রাক অপেক্ষা করছে বাংলাদেশে প্রবেশের অপেক্ষায়। তবে দীর্ঘ ছুটির কারণে অনেক পণ্য পেট্রাপোল থেকে বেনাপোল বন্দরে ঢুকবে ছুটি শেষে।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (ট্রাফিক) মামুন কবির তরফদার জানান, ২৮ এপ্রিল বিকাল থেকে ঈদের ছুটি হয়ে যাচ্ছে। ছুটিতে বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। ৫ ও ৭ মে ভারত থেকে পণ্য আমদানি হলে সে পণ্য আনলোড করা হবে।

ঈদের ছুটির মধ্যে বন্দরে যাতে কোন ধরনের নাশকতামূলক বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বন্দরের নিজস্ব নিরাপত্তা বাহিনী ও আনসার সদস্যরা দিনে-রাতে বন্দর এলাকায় টহল দিবে বলে জানান তিনি।


আরও খবর



করোনা: মৃত্যু নেই, শনাক্ত ৩৩

প্রকাশিত:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ১৫ মে ২০২২ | ২৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ৩৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৫৩ হাজার ১২ জনে। শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে কারো মৃত্যু হয়নি। ফলে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৭ জন অপরিবর্তিত রয়েছে।

রোববার (১৫ মে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ২৬৯ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৯ হাজার ৪১৯ জন।

২৪ ঘণ্টায় ৩ হাজার ৮৮৪টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ৩ হাজার ৮১৮টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮৬ শতাংশ। মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত মোট শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ৯০ শতাংশ।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। গেল বছরের ৫ ও ১০ আগস্ট দুদিন সর্বাধিক ২৬৪ জন করে মারা যান।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর