আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

ডমিঙ্গোর বিষয়ে বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সঙ্গে চুক্তি নবায়ন করছেন না ওটিস গিবসন। সে হিসেবে বাংলাদেশের দলের বোলিং কোচ হয়ে আর থাকছেন না তিনি। পূর্বের চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। 

এদিকে রাসেল ডমিঙ্গোই আপাতত হেড কোচের দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানিয়েছেন বিসিবি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভরাডুবির পর পাকিস্তানের বিপক্ষে সাম্প্রতিক ব্যর্থতায় রাসেল ডমিঙ্গোর চেয়ার এমনিতেই নড়বড়ে ছিল। গেল বছরের নভেম্বরেই ডমিঙ্গোকে ছাঁটাই করার গুঞ্জন উঠেছিল। নিউজিল্যান্ড সিরিজের পরই তাকে ছেঁটে ফেলা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছিল।

কিন্তু সিরিজটি শেষ হতেই জানা গেল উল্টো খবর। বৃহস্পতিবার বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যান জালাল ইউনুস বলেন, হেড কোচ হিসেবে আপাতত রাসেল ডমিঙ্গোই থাকছেন।

২০১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের পর ইংলিশ কোচ স্টিভ রোডসকে বিদায় করে ডমিঙ্গোকে হেড কোচের দায়িত্ব দেয় নাজমুল হাসান পাপনের নেতৃত্বাধীন বোর্ড।  প্রাথমিকভাবে চুক্তি ছিল ২ বছরের। 

কিন্তু ঘরের মাঠে আফগানিস্তানের কাছে টেস্ট হারের হতাশা দিয়ে শুরু হয় ডমিঙ্গো বাংলাদেশ দলের কোচিং ক্যারিয়ার। এরপর দল ভারত ও পাকিস্তান সফরেও কিছুই করতে পারেনি তার অধীনে।

মাঝে করোনার কারণে দীর্ঘ সময় খেলার বাইরে ছিল বাংলাদেশ দল। তবে খেলা মাঠে ফিরলেও ডমিঙ্গোর অধীনে সুদিন ফেরেনি টাইগারদের। দুর্বল ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ হার আর নিউজিল্যান্ড সফরে সব ম্যাচ হারের পর ব্যাপক সমালোচনা হয়।

অবশ্য দারুণ কিছু প্রাপ্তিই রয়েছে ডমিঙ্গোর অধীনে। ঘরের মাটিতে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ জয় আর জিম্বাবুয়ে সফরে দারুণ পারফরম্যান্স করে টাইগাররা।  এরপর মিরপুরে অস্ট্রেলিয়া আর নিউজিল্যান্ডকে হারায় রিয়াদবাহিনী।

 

নিউজ ট্যাগ: রাসেল ডমিঙ্গো

আরও খবর



ভাঙন ধরল সুস্মিতার প্রেমে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আপাতত এই প্রশ্নেই উত্তাল বলিউড। নিন্দকেরা বলছেন, প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী এবং উঠতি মডেলের সম্পর্কের বাঁধন খানিক আলগা হয়েছে। তাঁদের ঘনিষ্ঠবৃত্তের এক ব্যক্তিও সিলমোহর দিয়েছেন জল্পনায়। সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, রোহমানের সঙ্গে সুস্মিতা সব সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। এমনকি অভিনেত্রীর বাড়ি থেকেও বেরিয়ে গিয়েছেন রোহমান। আলাদা থাকছেন তাঁরা। আপাতত বন্ধুর বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন উঠতি মডেল।

সম্পর্কের শুরু থেকেই সুস্মিতা এবং তাঁর দুই মেয়ের সঙ্গে একই বাড়িতে থাকতেন রোহমান। শোনা গিয়েছিল, বিয়ের পরিকল্পনা করছিলেন তাঁরা।

রোহমানের সঙ্গে ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে প্রথম কথা হয় সুস্মিতার। নিজের ইনবক্সে রোহমানের একটি মেসেজ দেখতে পান ম্যায় হুঁ না-র চাঁদনী। সেখান থেকেই কথোপকথন শুরু। কথা বলতে বলতে ভাল লাগা। ভাল লাগা থেকেই বয়সে ১৫ বছরের ছোট রোহমানের প্রেমে পড়েন সুস্মিতা। সময়ের সঙ্গেই সুস্মিতার পরিবারের সদস্য হয়ে ওঠেন রোহমান। কিন্তু আচমকাই কেন ফাটল ধরল তাঁদের সম্পর্কে? উত্তর খুঁজছে বলিউড।

নিউজ ট্যাগ: সুস্মিতা সেন

আরও খবর



সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত মেয়র তাপস

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস ও তাঁর স্ত্রী আফরিন তাপস। এ ছাড়া ডিএসসিসি মেয়রের গানম্যান শেখ আশিকুজ্জামানও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

আগামীকাল শুক্রবার পরিবার নিয়ে লন্ডন যাওয়ার কথা ছিল মেয়র তাপসের।

ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. আবু নাছের এতথ্য নিশ্চিত করে বলেন, লন্ডনে যাওয়ার জন্য তিনি করোনা টেস্ট করান। কিন্তু আজ বৃহস্পতিবার করোনা পরীক্ষায় ফল পজিটিভ আসে। তিনি সকাল থেকে অফিস করেছেন। এখন বাসায় চলে যাচ্ছেন। তাঁর হালকা কাশিও রয়েছে। তাঁর স্ত্রীও করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, এর আগে তাঁর দুই ছেলে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। সম্প্রতি তাঁদের রেজাল্ট নেগেটিভ আসে।

নিউজ ট্যাগ: ডিএসসিসি

আরও খবর



ওমিক্রন হলে যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে করোনাভাইরাসের অতি-সংক্রামক নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্ত সংখ্যা। ইউরোপ ও আমেরিকায় আশঙ্কাজনক হারেই বাড়ছে ওমিক্রনে আক্রান্তের সংখ্যা। প্রতিবেশী দেশ ভারতেও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে ওমিক্রন।

অনেক মানুষের কাছে ওমিক্রন সাধারণ ঠাণ্ডার মতো মনে হবে। অনেকে বলেছেন, ওমিক্রনে আক্রান্ত হওয়ার পর তাদের গলা শুকিয়ে যাওয়া, সর্দি লাগা, শরীরের জয়েন্টে ব্যথা বা মাথাব্যথা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সাইফুল্লাহ মুনশি বলেছেন, ওমিক্রনের লক্ষণগুলো খুবই হালকা ধরনের হয়। ডেলটা বা অন্য ধরনগুলোর মতো অতোটা প্রকট নয়। অনেকের ফুসফুসের ওপরের দিকে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত সিকোয়েন্সিং করে এটা শনাক্ত করা যায়।

তবে তিনি বলেছেন, করোনাভাইরাসের লক্ষণ দেখা গেলেই যেসব সতর্কতা নেওয়ার কথা বারবার বলা হয়েছে, সবাইকে সেগুলো নিতে হবে। শুধু ওমিক্রনের জন্য আলাদা কোনও ব্যবস্থা নেওয়ার নেই।

এর আগের করোনাভাইরাসের ধরনগুলোয় আক্রান্ত হলে স্বাদ বা গন্ধ চলে যাওয়ার ঘটনা ঘটতো। এছাড়া কাশি এবং উচ্চ তাপমাত্রার জ্বর হতো। এখনও করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে এই তিনটি প্রধান লক্ষণ।

চিকিৎসকরা বলছেন, ওমিক্রনে আক্রান্ত হলে অনেক সময় হালকা ঠাণ্ডা বা সাধারণ অসুস্থতার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে। এছাড়া আরও যেসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে:

বুকের ওপরের অংশে ব্যথা

মাথাব্যথা, জ্বর

ক্লান্ত লাগা

শরীরে ব্যথা

গলা শুকিয়ে যাওয়ার অনুভূতি

শেখ রাসেল গ্যাস্ট্রোলিভার হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক তৌফিক আহমেদ বলেছেন, যদিও ডেলটা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় ওমিক্রন অনেক বেশি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য-উপাত্তে জানা যাচ্ছে, ওমিক্রন একটু হালকা ধরনের, আক্রান্তদের গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়া বা হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার হার কম।

তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহামারী বিশেষজ্ঞ ড. আব্দি মাহামুদ বলেছেন, ওমিক্রন যে অন্যান্য ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে কম ক্ষতিকর, সেটি বলার মতো যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। সুতরাং মুল বার্তা হল- আপনি যদি টিকা নিয়ে থাকেন, তাহলেই আপনি নিরাপদ।

যে দেশে প্রথম ওমিক্রন শনাক্ত হয়, সেই দক্ষিণ আফ্রিকায় রোগটি পিক অবস্থায় চলে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: ওমিক্রনের লক্ষণ

আরও খবর



ডিসিদের যে ২৪ দফা নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সেবা নিতে আসা মানুষের সন্তুষ্টি অর্জন, ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায়, গুজব রোধে তৎপর থাকাসহ জেলা প্রশাসকদের ২৪ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বার্ষিক সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ নির্দেশনা দেন।

দুই বছর পর আজ জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) বার্ষিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। করোনার সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় সম্মেলনের ব্যাপ্তি পাঁচ দিন থেকে কমিয়ে তিন দিন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে সরকারপ্রধানের দেওয়া ২৪ দফা নির্দেশনা হচ্ছে

১) করোনাভাইরাসজনিত সংকট মোকাবিলায় সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে জারিকৃত নির্দেশনাসমূহ মাঠপর্যায়ে প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।

২) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ও মুজিববর্ষ উপলক্ষে গৃহীত উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রমসমূহের যথাযথ বাস্তবায়ন এবং এর ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে হবে।

৩) খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য গৃহীত বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

৪) সরকারি অফিসসমূহে সাধারণ মানুষ যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বিঘ্নে যথাযথ সেবা পায়, সেটি নিশ্চিত করতে হবে। সেবাপ্রত্যাশীদের সন্তুষ্টি অর্জনই যেন হয় সরকারি কর্মচারীদের ব্রত।

৫) এসডিজি স্থানীয়করণের আওতায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনে তৎপরতা জোরদার করতে হবে।

৬) গৃহহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ, ভূমিহীনদের কৃষির জন্য খাসজমির বন্দোবস্তসহ সব সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে যেন প্রকৃত অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক শ্রেণির মানুষ সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে।

৭) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের পাঠদান কার্যক্রমের মানোন্নয়নে উদ্যোগী হতে হবে। কোভিড পরিস্থিতিতে বিকল্প ব্যবস্থায় অনলাইনে বা ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে পাঠদান কার্যক্রম যেন অব্যাহত থাকে সেই ব্যবস্থা নিতে হবে। অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

৮) কমিউনিটি ক্লিনিক, ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলো যেন কার্যকর থাকে, তা প্রতিনিয়ত তত্ত্বাবধান করতে হবে এবং নানাবিধ কর্মসূচির মাধ্যমে জনগণের মাঝে স্বাস্থ্যসচেতনতা বাড়াতে হবে।

৯) শিশু-কিশোরদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে তাদের জন্য প্রতি এলাকায় সৃজনশীলতার চর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ক্রীড়াসুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

১০) নাগরিকদের সুস্থ জীবনাচারের জন্য জেলা ও উপজেলায় পার্ক, খেলার মাঠ প্রভৃতির সংরক্ষণ এবং নতুন পার্ক ও খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে।

১১) পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে সংগতি রেখে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে উচ্চ প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে কাজ করতে হবে।

১২) জনসাধারণের মাঝে তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে কাজ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, গুজব ইত্যাদি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে।

১৩) বাংলাদেশের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও অসাম্প্রদায়িক ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখার লক্ষ্যে ধর্মীয় উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।

১৪) মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের লক্ষ্যে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অব্যাহত রাখতে হবে। মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করতে হবে।

১৫) নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা, নিপীড়ন ও বৈষম্যমূলক আচরণ বন্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। বাল্যবিবাহ, ইভ টিজিং, খাদ্যে ভেজাল, নকল পণ্য তৈরি ইত্যাদি অপরাধ রোধে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করতে হবে।

১৬) বাজারে পণ্যের সরবরাহ মসৃণ রাখতে, কৃত্রিম সংকট রোধ ও দ্রব্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।

১৭) সরকারি জমি, নদী, বনভূমি, পাহাড়, প্রাকৃতিক জলাশয় প্রভৃতি রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের উদ্দেশ্যে নতুন সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণকে প্রাধান্য দিতে হবে; পরিকল্পিত নগরায়ণ ও বনায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

১৮) পর্যটনশিল্পের বিকাশ ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নতুন নতুন পর্যটন স্পট গড়ে তুলতে হবে।

১৯) জেলার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং জেলাভিত্তিক বিখ্যাত পণ্যসমূহের প্রচার ও বিপণনে উদ্যোগী হতে হবে।

২০) জেলার সব সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমসমূহ যথাযথভাবে সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশের কাতারে পৌঁছাতে আপনাদের ব্রতী হতে হবে।

২১) জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচিত প্রতিনিধি অর্থাৎ সংসদ সদস্য থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণে যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে কি না বা বাস্তবায়নও যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, সেগুলোর সমন্বয় করতে হবে। উন্নয়ন প্রকল্প যত্রতত্র যেন না হয় সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে।

২২) সমাজের অনগ্রসর শ্রেণি—বেদে, জেলে, কৃষক, হিজড়া (ট্রান্সজেন্ডার), হরিজন, পরিচ্ছন্নতাকর্মীসহ যারা একেবারে সমাজের অনগ্রসর শ্রেণি, তাদের সার্বিক উন্নয়ন, তাদের বাসস্থান এবং তাদের সুযোগসুবিধা সৃষ্টি করতে হবে।

২৩) মুক্তিযুদ্ধে যেসব অঞ্চলে গণহত্যার শিকার পরিবারদের বর্তমান অবস্থা জানা এবং তাদের যথাযথ সম্মানজনক জীবনযাত্রার ব্যবস্থা করে দিতে হবে।

২৪) গণকবর সংরক্ষণ এবং যুদ্ধক্ষেত্রগুলো চিহ্নিত করে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। ইতিহাস জনসমক্ষে তুলে ধরতে হবে।


আরও খবর



জানুয়ারি থেকে মাসে চার কোটি টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | ৫৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আগামী জানুয়ারি থেকে প্রতি মাসে আমরা অন্তত ৪ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন দেওয়ার কাজ শুরু করছি। এর জন্য আগামী মাস থেকেই আমরা দেশের প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ভ্যাক্সিন দেওয়ার উদ্যোগ নিচ্ছি। এতে আশা করা যায়, আগামী মে-জুনের মধ্যেই আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে সক্ষম হবো।

বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে রাজধানীর ঢাকা ক্লাবে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস্ কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল) আয়োজিত বার্ষিক জেনারেল মিটিং এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন তিনি।

জাহিদ মালেক বলেন, আমরা ইতোমধ্যেই ৩১ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন জোগানের ব্যবস্থা করেছি। এই ভ্যাক্সিন থেকে প্রতি মাসেই প্রয়োজনীয় পরিমাণে ভ্যাক্সিন আমাদের হাতে চলে আসছে। এর মধ্যেই ৭ কোটি প্রথম ডোজ, ৫ কোটি ডাবল ডোজসহ মোট ১২ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন দেওয়া সম্ভব হয়েছে। আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে বুস্টার ডোজসহ মোট ২৮ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে সরকারের ৩১ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন হাতে পাওয়ার সংস্থান করা গেছে। কাজেই বুস্টার ডোজসহ আমাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ২৮ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন লাগলেও আমাদের হাতে আরও ৩ কোটি ডোজ ভ্যাক্সিন থাকবে। আর ইতোমধ্যে আমরা স্কুল পর্যায়েসহ বস্তিতে গিয়েও ভ্যাক্সিন দিয়েছি।

দেশে ইডিসিএলর উৎপাদন চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন,  দেশের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নানারকম ওষুধের উৎপাদনের চাহিদাও পাচ্ছে ইডিসিএল। কিন্তু সে তুলনায় ইডিসিএল স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। অবকাঠামোগত দুর্বলতা, যন্ত্রপাতির ঘাটতি, ফ্যাক্টরির জায়গা স্বল্পতাসহ এখানে নানারকম সমস্যা রয়েছে। এজন্য ইডিসিএলর জন্য একটি অত্যাধুনিক মানের কারখানা নির্মাণের বিল এখন একনেকে রয়েছে। এটি দ্রুতই সম্পন্ন হয়ে যাবে। এসব উদ্যোগ সম্পন্ন করার পর ইডিসিএল আরও বেশি শক্তিশালী হবে বলে সভায় জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার বক্তব্যে আরও জানান, বাংলাদেশ করোনা মোকাবিলায় বিশ্ববাসীর প্রশংসা পেয়েছে। সাউথ-ইস্ট এশিয়াতে করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশ ১ম হয়েছে। ব্লুমবার্গ প্রশংসা করেছে। ১২০টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন করা হয়েছে। ফিল্ড হাসপাতাল করা হয়েছে। হাসপাতাল বেড বাড়ানো হয়েছে। দেশে করোনার সময় কোথাও ওষুধ বা অক্সিজেন সংকট দেখা দেয়নি। সঠিক চিকিৎসা গাইডলাইন ছিল বলেই করোনা এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সামনে ওমিক্রনে আবার চাপ বাড়তে পারে। সেক্ষেত্রে শুধু ভ্যাকসিন ওমিক্রন ঠেকাবে না। আমাদের স্বাস্থ্যবিধি যথার্থ নিয়মে মানতে হবে। তাহলেই ওমিক্রন ছড়াবে না বলে জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ওমিক্রন মোকাবিলায় সবাইকে মাস্ক পড়ারও আহ্বান জানান জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক প্রফেসর এবিএম খুরশিদ আলম, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর শারফুদ্দিন আহমেদ, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক সাহান আরা বানু, ডিজিডিএর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমানসহ অন্যান্য বক্তারা। সভায় মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন ইডিসিএলর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এহসানুল কবির।


আরও খবর