আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণের সময় বাড়ল

প্রকাশিত:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ০৯ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

এ বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফরম পূরণের সময়সীমা ৯ মে থেকে ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। রোববার রাতে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এস এম আমিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ফরম পূরণের বর্ধিত সময়কাল সোমবার (৯ মে) থেকে ১৬ মে এবং অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৭ মে।

এবার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য রেজিস্ট্রেশন ফি ১ হাজার ৬১৫ টাকা, ব্যবসায় শিক্ষায় ১ হাজার ৪৯৫ টাকা ও মানবিকে ১ হাজার ৪৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের বেতন ও সেশনচার্জ ২০২১ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধ করতে হবে।

কোনো শিক্ষার্থীর নবম ও দশম শ্রেণির সর্বমোট ২৪ মাসের বেশি বেতন নেওয়া যাবে না। রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকা সাপেক্ষে জিপিএ উন্নয়ন পরীক্ষার্থীসহ আবশ্যিক ও নৈর্বাচনিক এক থেকে চার বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা এ পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবে। এ জন্য ব্যবহারিক ছাড়া ৩৫০ টাকা আর ব্যবহারিকসহ ৪০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।

২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস (পাঠ্যসূচি) অনুযায়ী প্রণীত প্রশ্নপত্রে শিক্ষার্থীরা (নিয়মিত ও অনিয়মিত) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করবে। সব শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান, খেলাধুলা ও ক্যারিয়ার এডুকেশন বিষয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের নির্দেশনা অনুসারে ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমে প্রাপ্ত নম্বর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রকে সরবরাহ করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

২০২১ সালের এসএসসি পরীক্ষায় নৈর্বাচনিক সব বিষয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে এবং জিপিএ-৫ এর কম পেয়েছে এমন পরীক্ষার্থীরা রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে ২০২২ সালের পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়নের জন্য অংশ নিতে পারবে। তাদেরকে সব বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। এ পরীক্ষায় জিপিএ উন্নয়ন হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে। অন্যথায় আগের ফলাফল বহাল থাকবে।

এছাড়া আগের বছরের বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীদের শাস্তির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে ও রেজিস্ট্রেশনের মেয়াদ থাকলে তারা ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অনিয়মিত পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নিতে পারবে। তাদেরকে সব বিষয়ের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।

গত ২৭ এপ্রিল এসএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয়ক কমিটি। আগামী ১৯ জুন সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রদিয়ে শুরু হবে পরীক্ষা। চলবে ১৩ জুলাই পর্যন্ত। এছাড়াও এবারের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের ১৪টি নির্দেশনা মেনে চলতে বলা হয়েছে।


আরও খবর



টানা ১৭ দিন মৃত্যুশূন্য, শনাক্ত ১০

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে টানা ১৭ দিনের মত করোনা ভাইরাসে দেশে কারও মৃত্যু হয়নি। সর্বশেষ ২০ এপ্রিল একজনের মৃত্যু হয়েছিল। দেশে করোনায় মোট ২৯ হাজার ১২৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২ হাজার ৬৫৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় ১০ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। শনিবার (৭ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

একদিনে দেশে করোনা শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৩৮ শতাংশ। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ২১৭ জন। দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৭৭৬ জনে দাঁড়িয়েছে। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ২৬৩ জন।

২০১৯ সালের শেষে চীনের উহানে প্রথম করোনার সংক্রমণ ধরা পড়ে। এরপর কয়েক মাসের মধ্যে এ ভাইরাস সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় ২০২০ সালের ৮ মার্চ। আর প্রথম মৃত্যু হয় একই বছরের ১৮ মার্চ।


আরও খবর



রেলওয়ের ৪৬ ইঞ্জিন যাত্রা করছে ২৭ এপ্রিল

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অবেশেষে বাংলাদেশ রেলওয়ের ৪৬টি লোকোমোটিভের (ইঞ্জিন) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হচ্ছে আগামী ২৭ এপ্রিল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্রডগেজ ও মিটারগেজের এ লোকোমোটিভগুলো উদ্বোধন করবেন। দেশে আসা এবং রেল বহরে যুক্ত হওয়ার কয়েক মাস পর এগেুলো উদ্বোধন হচ্ছে। বাংলাদেশ রেলওেয়ের যাত্রা শুরু হয়েছিল ১৮৬২ সালে দর্শনা থেকে জগতি পর্যন্ত ৫৩ দশমিক ১১ কিলোমিটার লাইন স্থাপনের মধ্য দিয়ে। রেলওয়ের সেই যে পথ চলা শুরু তারপর আর থেমে নেই। কিন্তু চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।

১৯৫৩ সালে বাংলাদেশ রেলওয়েতে যুক্ত হয়েছিল ২৪৩টি লোকোমোটিভ(ইঞ্জিন)। তারপর প্রায় ৭৭ বছর পার হয়ে গেলেও দেশের রেলওয়েতে নতুন ইঞ্জিন বা লোকোমোটিভ সংযোজন হয়নি। যার ফলে সাড়ে ৭১ শতাংশ লোকোমোটিভ বয়সের ভারে জীর্ণ। এগুলোকে মেরামত করে ঠেলাধাক্কায় চলছিল রেল।

রেলওয়েতে গতি আনতে সরকার নতুন লোকোমোটিভ কেনার উদ্যোগ নেয়। ২০০৯ সালে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর রেলওয়েকে নিয়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ওই পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই রেলওয়ের জন্য ৫০টি মিটারগেজ ও ৪২টি ব্রডগেজ লোকোমোটিভ বা ইঞ্জিন কেনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। এরই অংশ হিসেবে ২০১৯ সালে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে ৪০টি ব্রডগেজ লোকমোটিভ ক্রয়ের জন্য বাংলাদশে রেলওয়ে আমেরিকান কোম্পানির সঙ্গে। একইভাবে এডিবির অর্থায়নে ২০১৮ সালে ১০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করে। আর ২০১৯ সালে ইডিসিএফ, কোরিয়ার অর্থায়নে আরও ২০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করে রেলওয়ে।

চুক্তি অনুযায়ি ক্রয়কৃত ব্রডগেজ ও মিটারগেজ লোকোমোটিভগুলোর মধ্যে ২০২০ ও ২০২১ সালে মোট ৪৬টি লোকোমোটিভ দেশে আসে রেলওয়ের বহরে যুক্ত হয়। এরমধ্যে মিটারগেজ লোকোমোটিভের সংখ্যা হচ্ছে ৩০টি এবং ব্রডগেজের সংখ্যা হচ্ছে ১৬টি। বাকিগুলো আগামী ২০২৪ সালের মধ্যে রেলওয়েতে যুক্ত হবে।

রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, দেশে আসা লোকোমোটিভগুলোর মধ্যে মিটারগেজের লোকেোমোটিভগুলো ইতিমধ্যে পূর্বাঞ্চল রেলে চলাচল করছে। আর ব্রডগেজ মিটারগুলো পশ্চিমাঞ্চল রেলে ট্রায়াল রান দিচ্ছে। লোকোমোটিভগুলো ২০২০ সালে দেশে আসলেও কোভিড-১৯ এর সংক্রমণের কারণে লোকোমোটিভগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা যায়নি। এই অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সম্মতি দিয়েছেন আগামী ২৭ এপ্রিল লোকোমোটিভগুলো আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের।

জানতে চাইলে রেলপথ মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেন, 'আমরা ৪৬টি লোকোমোটিভ উদ্বোধনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে সময় চেয়েছিলাম। প্রধানমন্ত্রী ২৭ এপ্রিল সময় দিয়েছেন। আশা করছি ওই দিন লোকোমোটিভগুলো উদ্বোধন হবে। মিটারগেজের লোকোমোটিভগুলো চলছে। তবে ব্রডগেজেরগুলো ট্রায়াল রান দিচ্ছে।'

শুধু এই লোকোমোটিভই নয়, রেলওয়ের গতি, যাত্রী সেবা এবং পণ্য পরিবহনের মান বাড়াতে সরকার আরও ৪৬টি নতুন ব্রডগেজ লোকোমোটিভ, ৫৬০টি নতুন ব্রডগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ, ১৫০টি নতুন মিটারগেজ যাত্রীবাহী ক্যারেজ, ১২৫টি আধুনিক লাগেজ ভ্যান, ১ হাজার ৩১০টি নতুন ওয়াগন সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে রেলওয়ে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ আশা করছে, আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে এসব লোকোমোটিভ ও ক্যারজেগুলো রেলওয়েতে যুক্ত হবে। বাড়বে যাত্রী সেবার মানও।

নিউজ ট্যাগ: বাংলাদেশ রেলওয়ে

আরও খবর



আল আকসায় ফের ইসরায়েলের অভিযান, ৪২ ফিলিস্তিনি আহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জেরুজালেমের পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে আবারও সংঘর্ষের ঘটনায় কমপক্ষে ৪২ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৯ এপ্রিল) ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্টের বরাতে ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে ফিলিস্তিনি রেড ক্রিসেন্ট সংঘর্ষে ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আহতদের অধিকাংশের শরীরের উপরের অংশে আঘাত লেগেছে। পবিত্র রমজান মাসের শেষ জুমার নামাজকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ইসরায়েলি পুলিশ এক বিবৃতিতে দাবি করেছে, দাঙ্গাকারীরা পাথর ও পটকা নিক্ষেপের পরই নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ দাঙ্গাবিরোধী ব্যবস্থা প্রয়োগ করেছে বলেও উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও এএফপির প্রতিবেদকেরা জানিয়েছেন, পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও রাবার বুলেট ছুড়েছে। ফজরের নামাজের পর সংঘর্ষের মাত্রা কমে আসে বলেও জানান তারা। তবে ঘটনাস্থলে এখনও উত্তেজনা বিরাজ করছে।

মসজিদুল আকসা বা বায়তুল মুকাদ্দাস সারা বিশ্বের মুসলিমদের কাছে তৃতীয় পবিত্রতম স্থান। আর ইহুদিদের কাছে এটি টেম্পল মাউন্ট নামে খ্যাত। তারাও এটিকে তাদের অন্যতম পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচনা করে থাকে।

সম্প্রতি সেখানে প্রায়ই সংঘর্ষ হচ্ছে। গত দুই সপ্তাহে পবিত্র আলআকসা প্রাঙ্গণে সংঘর্ষের ঘটনায় ২৫০ জনের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আশঙ্কা করা হচ্ছে, গত বছর আলআকসার অস্থিরতাকে কেন্দ্র করে ইসরায়েলি বাহিনী ও হামাসের মধ্যে ১১ দিনব্যাপী যে যুদ্ধ হয়েছিল, একই রকমের একটি যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে।


আরও খবর



কেন মানুষ বারবার প্রেমে পড়ে?

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানুষের জীবনে কিছু শব্দ বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কিছু শব্দের সঙ্গে জুড়ে রয়েছে আমাদের আবেগ, উত্থান, পতন, চাওয়া যাওয়া বা ভালোবাসা। প্রেম তেমনই একটি শব্দ। তবে মানব প্রেম বৈচিত্র্যময়। এই প্রেম কখনো সুখের হয়ে আসে, আবার কখনো সব ছিন্নভিন্নও করে দিতে পারে। আবার কখনো সে প্রেম দীর্ঘস্থায়ী, কখনো ক্ষণস্থায়ী হয়।  ভালোবাসা, আস্থা, বিশ্বাসের ওপর নির্ভর করে প্রেমের গভীরতা কেমন হবে।

এ তো গেল সাধারণ প্রেমের কথা। প্রশ্ন হলো, প্রেম কি জীবনে একবার আসে? বোধহয় না। কিছু মানুষের জীবনে প্রেম একাধিক বা বহুবার আসতেই পারে। এটাকে অনেকে নেতিবাচক মনে করতেই পারেন। কিন্তু এটা ভুল কথা। কারণ বিভিন্ন সময়ে মন মানসিকতা, পরিস্থিতির কারণে প্রেম বহুবার আসতেই পারে। একে খারাপ ভাবার কিছু নেই। কেননা মনের ওপর নিয়ন্ত্রণ কি সবসময় রাখা সম্ভব? আর একবার প্রেম ভেঙে গেলে অন্য কারও প্রতি আবার ভালোলাগা কাজ করতেই পারে। এটাকে বাধা দেওয়ার কিছু নেই।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মানুষের বহু প্রেমে পড়ার কারণ হলো একাকীত্ব। কেননা মানুষ একা হয়ে পড়লে সে তার জীবনে সবচেয়ে ভালো কিছুটাই খোঁজে। ভালো সঙ্গী খুঁজে নিতে মানুষ বহু প্রেমে পড়ে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলছেন, যারা আবেগ প্রবণ কিংবা কল্পনার জগতে থাকতে পছন্দ করেন তারা ঘন ঘন প্রেমে পড়েন। এরাই পরকীয়া বা টেলিভিশনে বিভিন্ন প্রকার প্রেম দেখে প্রেমে পড়েন। এই প্রেম অনেকটা যুদ্ধ। কেননা অন্যের ভালো কিছু দেখলে নিজের জীবনেও সেই ভালোটাকে চায় তারা। তাই বারবার ভালো খুঁজতে গিয়ে মানুষ বারবার প্রেমে পড়া।

বর্তমান আধুনিক সময়ে সম্পর্কে নতুনত্ব খুঁজতে গিয়ে তরুণ সমাজ বিভিন্ন প্রেম বা সম্পর্কে জড়িয়ে পড়তেই পারে। একই ভালোবাসার সম্পর্কে জড়িয়ে থাকতে পছন্দ করেন না। বৈচিত্র্যময় ভালোবাসা খুঁজতে পছন্দ করেন তারা। যারা যত বেশি নিজের ক্যারিয়ারের পেছনে হন্যে হয়ে ঘুরছেন, ভালো জীবন যাপনের জন্য বেশি বেশি প্রতিযোগিতা করছেন তারা তত বেশি একা হয়ে পড়ছেন। এটিকে শরীরের একটি চাওয়াও বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

মানুষের বহুবার প্রেমে পড়ার কারণ হলো একাকীত্ব। প্রথম একজনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে গেলে সে একাকীত্ব হয়ে পড়ে। তখন তার একাকীত্ব জীবন বেদনাদায়ক করে তোলে। এ সময় একাকীত্বকে দূর করতে সে আবারও প্রেমে পড়তে চায়।

বিশেষজ্ঞদের ভাষায়, অনেকেই শরীরের উত্তাপ পাওয়ার আশায় প্রেম করেন। চাহিদা পূরণ না হলে নতুন করে প্রেমে পড়েন। সোজা কথায়, ব্যস্ত জীবনে বদলে যাচ্ছে প্রেমও।

জীবনের প্রতিটা প্রেমই খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রেম জীবনে একাধিকবার হতে পারে। কারণ যতক্ষণ না কেউ তার সত্যিকার মনের মতো সঙ্গী খুঁজে পায়, ততক্ষণ সে পর্যন্ত প্রেমে পড়তেই থাকে।

অনেকে আবার প্রেম থেকে শিক্ষা নিতে চায়। প্রত্যেক সম্পর্কের মধ্যে ভিন্নতা থাকে। কারণ প্রতিবার প্রেমে পড়লে নিজেকে নতুন করে জানা যায়। কিছু না কিছু শিক্ষা লাভ করা যায় প্রতিটা সম্পর্ক থেকে। বিভিন্ন অভিজ্ঞতার মুখে পড়তেই মানুষ বারবার প্রেমে পড়ে।


আরও খবর



শিমুলিয়া ফেরিঘাটে আজও ঘরমুখো মানুষের ঢ্ল

প্রকাশিত:রবিবার ০১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০১ মে ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গের প্রবেশপথ হিসেবে খ্যাত মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ফেরিঘাটে আজও ঘরমুখো মানুষের ঢ্ল। সরকারি ছুটির তৃতীয় দিন রবিবার ভোররাত থেকে এই ঘাটে যানবাহন ও যাত্রীদের চাপ বাড়তে থাকে। সকাল থেকে ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে চার শতাধিক যানবাহন। একটি ফেরি ঘাটে ফিরলেই ঘরমুখো মানুষ হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। এ ছাড়া লঞ্চ ও স্পিডবোটেও যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।

তীব্র গরমে ফেরির জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। এতে বিড়ম্বনা ও দুর্ভোগ বাড়ছে। এই নৌপথে ফেরিতে ভারী যানবাহন পারাপার নিষিদ্ধ থাকায় হালকা যানবাহন ও ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের ২১ জেলার মানুষ যাত্রা শুরু করেছেন।

বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. ফয়সাল জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ও শিমুলিয়া-মাঝিকান্দি নৌপথে দশটি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। যাত্রী সাধারণের সুবিধার্থে বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়া ঘাট কর্তৃপক্ষ ১নং ফেরিঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল এবং বাকি ২, ৩ ও ৪ নং ঘাট ফেরি ও যাত্রী পারাপারের জন্য নির্ধারণ করে দিয়েছে। ১নং ঘাটে মোটরবাইকের যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে। সকাল থেকে ফেরিতে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে চার শতাধিক যানবাহন।

বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া ঘাটের পরিবহন পরিদর্শক মো. সোলেমান জানান, বৈরী আবহাওয়ার কারণে শনিবার রাতে লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ করে দেওয়ার পর তা আবার রবিবার সকাল থেকে শুরু হয়েছে। এ রুটে ১৫৩টি স্পিডবোট ও ৮৫টি লঞ্চ চলাচল করছে। লঞ্চ ও স্পিডবোটে বিপুলসংখ্যক যাত্রী পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে বলে জানান তিনি। স্পিডবোট চলাচল করছে সকাল ৬টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত এবং লঞ্চ চলবে রাত ১০টা পর্যন্ত।

ঈদ ব্যবস্থাপনায় বিআইডব্লিউটিএ'র সহযোগী সংস্থা হিসেবে জেলা পুলিশ, নৌ পুলিশ, ডিবি পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, এপিবিএন, নৌপরিবহন অধিদফতর, বিআইডব্লিউটিসি, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, আনসার ও ভিডিপি, মুন্সীগঞ্জ জেলা সিভিল সার্জন কর্তৃক নিয়োজিত মেডিক্যাল টিম, সংশ্লিষ্ট ইজারাদার এবং লঞ্চ মালিক সমিতি নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করছে।


আরও খবর