আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

এভারেস্ট জয় করলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আকি রহমান

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক আখলাকুর রহমান ওরফে আকি রহমান।

পবিত্র রমজান মাসে ৪১ বছর বয়সি আকি এভারেস্ট জয়ের যাত্রা শুরু করেন। আখলাকুর রহমান আকিই প্রথম ব্রিটিশ মুসলিম হিসেবে এভারেস্ট জয়ের অধিকারী।

আকি রহমানের খালাতো ভাই শামীনুর রহমান সিলেট থেকে টেলিফোনে যুগান্তরকে জানান, শুক্রবার (১৩ মে) সকালে আকি রহমান এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন। নেপাল থেকে শেরপারা তাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শামীনুর আরও বলেন, আকির সঙ্গে তাদের এখনও যোগাযোগ হয়নি । তিনি নিচে নামার পর নেটওয়ার্কের মধ্যে এলে তার এভারেস্ট চূড়ায় আরোহনের ছবি পাওয়া যাবে। এভারেস্টজয়ী আকি নেপাল থেকে লন্ডন যাবেন।


আরও খবর



সুকুমার মৃধার মেয়ের ফোনের সূত্র ধরে মেলে পিকে হালদারের খোঁজ

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৪৭৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশের বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের পর ভারতে পালিয়েও রেহাই পেলেন না বহুল আলোচিত পিকে হালদার ওরফে প্রশান্ত কুমার হালদার।

পশ্চিম বঙ্গের বর্ধমান জেলা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেছে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রনালয়ের তদন্তকারি সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট-ইডি।

শিবশঙ্কর হালদার নামের ছদ্ম পরিচয়ে তিনি বর্ধমানের কাটোয়া এলাকায় পালিয়ে ছিলেন। একই অভিযানে আটক হয়েছে তার বড় ভাই প্রাণেশ হালদারও।

বাংলাদেশের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানসহ দশটি এলাকায় অভিযান শুরু করে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রণালয়ের তদন্তকারি সংস্থা-ইডি।

শুক্রবারের অভিযানে আটক হন পিকে হালদারের ক্যাশিয়ার হিসাবে পরিচিত সুকুমার মৃধার মেয়ে অতশী। সুকুমার মৃধা এরিমধ্যে বাংলাদেশের কারাগারে আটক রয়েছেন।

অতশীর ফোনে তল্লাশি চালিয়ে শিব শঙ্কর হালদারের ফোন নম্বর পান ভারতীয় গোয়েন্দারা। তাদের কাছে তথ্য ছিলো এই শিব শঙ্করই মূলত পিকে হালদার।

যিনি জালিয়াতি করে ভারতীয় ভোটার আইডি কার্ড, রেশন কার্ড ও আঁধার কার্ড নিয়েছেন। আর এভাবেই মেলে দেশের হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ও পাচারের হোতা পিকে হালদারের সন্ধান।

তার সাথে আরও আটক হয়েছেন পিকে হালদারের বড় ভাই প্রাণেশ কুমার হালদার, ছোট ভাই প্রিতীশ কুমার হালদার।

এছাড়াও আটক হয়েছে স্বপন ও উত্তম মৈত্র নামের আরও দুই ভাই। এর আগে স্বপনের সঙ্গে সাথে পিকের টাকা পাচারের যোগসূত্র পায় বাংলাদেশে ব্যাংকের ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

পিকে হালদারের অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত কমপক্ষে ৭০ জনের একটি তালিকা করেছিলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই ইউনিট এবং দুর্নীতি দমন সংস্থা- ও দুদক।

যাদের অনেকেই ছদ্ম পরিচয়ে ভারতে অবস্থান করছিলো। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় তারা নামে বেনামে প্রচুর সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তাদের সন্ধানেই শুক্রবার দিনভর বর্ধমানসহ ১০টি এলাকায় অভিযানে নামে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রনালয়ের তদন্তকারি সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টোরেট।

আর এই অভিযানেই নিশ্চিত হওয়া যায় শিব শঙ্কর হালদার ওরফে পিকে হালদারের অবস্থান। জানা গেছে ২০১৯ সালে কানাডায় পালিয়ে গিয়েও নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করতেন পিকে।

স্থায়ীভাবে সেখানে আত্মগোপনের জন্যই জালিয়াতি করে তিনি ভারতীয় নাগরিকত্ব নেন বলে ধারনা করা হচ্ছে। ভারতীয় গণমাধ্যম বলছে পিকে হালদার তার সহযোগীদের দিয়ে হুন্ডির মাধ্যমে ভারতে অন্তত ৩০০ কোটি টাকা পাচার করেছে।

এই টাকায় বর্ধমান, চব্বিশ পরগনা ও কলকাতার বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় বিলাসবহুল বাড়ি ও বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কিনেছেন। নামে বেনামে খুলেছেন একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। যা নিয়ে তদন্ত করছে ভারতের আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা।


আরও খবর



মিরপুর-উত্তরায় পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীর মিরপুর ও উত্তরার জসীমউদ্দিন-আজমপুর সড়ক অবরোধ করেকরে বিক্ষোভ করছে গার্মেন্টস শ্রমিকরা। ঈদের আগে বকেয়া বেতন ও বোনাস না পেয়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করছেন তারা। দুপুর দেড়টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত উত্তরা ও মিরপুরে শ্রমিকদের অবরোধ চলছিল।

জানা গেছে, সোমবার দুপুরের দিকে মিরপুর ১১ নম্বর সড়কে অবস্থান নেন কটন টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলস লিমিটেডের শ্রমিকরা। আর উত্তরায় অবস্থান নেন ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিমিটেড এবং ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিমিটেড নামে দুইটি গার্মেন্টসের শ্রমিকরা। উত্তরার দুটি গার্মেন্টসের মালিক একই ব্যক্তি।

এদিকে সড়ক অবরোধের কারণে মিরপুর ১০ এবং এর আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। একইভাবে বিমানবন্দর-উত্তরা সড়কেও নড়ছে না যানবাহন। এ অবস্থায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও চালকরা।

মিরপুরের শ্রমিকরা জানান, এ গার্মেন্টসে প্রায় ৩০০ শ্রমিক কাজ করেন। তাদের কেউই চলতি বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসের বেতন পাননি। সব বকেয়া ও ঈদ বোনাস ২০ এপ্রিল দেওয়ার কথা ছিল। তবে মালিকপক্ষ টাকা দেয়নি। গার্মেন্টস মালিকও কারখানায় আসছেন না ২ সপ্তাহ ধরে। এ অবস্থায় রাস্তায় নামা ছাড়া তাদের কোনো উপায় ছিল না।

কটন টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলস লিমিটেডের শ্রমিক বোরহান উদ্দিন বলেন, গত ২৩ এপ্রিল একই দাবিতে সড়ক অবরোধ করা হয়েছিল। মালিকের সঙ্গে যোগাযোগ করে বকেয়া বেতন পরিশোধের আশ্বাস দিয়েছিল পুলিশ। তবে দুই দিন ধরে তারা আর যোগাযোগ করেনি।

এদিকে ইন্ট্রাকো ডিজাইন লিমিটেড এবং ইন্ট্রাকো ফ্যাশন লিমিটেডের শ্রমিকরা বলেন, তাদের গার্মেন্টস দুইটি একই মালিকের। তাদের কারও ২ মাসের বেতন বকেয়া, কারও ৩ মাসের বেতন,  ওভারটাইম ও বোনাস পাওনা। দাবি আদায়ের আগ পর্যন্ত সড়ক না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে তারা।

মিরপুর মডেল থানার এসআই হামিদুর রহমান বলেন, আমরা শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি সড়কের যানজট কমাতে যানবাহনগুলোকে বিকল্প রুটে সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।


আরও খবর



নাটোরে ট্রাক-মাইক্রোর মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাক-মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাস্থলে মাইক্রোবাসের চালক ও এক যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩ জন। বুধবার ভোরে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে উপজেলার নগর ইউনিয়নের কয়েন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, চুয়াডাঙ্গা জেলার সদর উপজেলার গহরপাড়া গ্রামের মৃত আদম আলীর ছেলে আল-মাহবুব ও চালক একই উপজেলার তালতলা পশুরহাট এলাকার আছির উদ্দিনের ছেলে মনিরুজ্জামান।

বনপাড়া হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফিরোজ হোসেন বলেন, উপজেলার কয়েন এলাকায় চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজশাহীগামী নোয়া মাইক্রোবাসের (ঢাকা মেট্রো-চ ১১-৭৫৮৬) সাথে পঞ্চগড় থেকে পাবনাগামী বালু বোঝাই ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো-ট ২২-৪৮৬৭) মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মাইক্রোবাসটি দুমড়ে মুচড়ে যায়।

ঘটনাস্থলেই মাইক্রোবাসের চালক ও একযাত্রী নিহত হয়। আহত তিনজকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটানাকবলিত ট্রাক ও মাইক্রোবাসটি জব্দ করা হয়েছে। মরদেহ দুটি বনপাড়া হাইওয়ে থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে ট্রাকের চালক ও সহকারী চালক পালিয়ে গেছে। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান পুলিশের এই এসআই।


আরও খবর



টিকিট ছাড়া ভ্রমণ করা যাত্রীরা আমার আত্মীয় নন: রেলমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ট্রেনে চড়া বিনা টিকিটের যাত্রীরা আমার আত্মীয় নয়। ওদের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, মন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে কেউ হয়তো সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেছিল। এ ঘটনার সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।

ঈশ্বরদীতে রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয় দেওয়া বিনা টিকিটে ট্রেনে ভ্রমণে তিন যাত্রীকে জরিমানা এবং সেই অপরাধে টিটিইকে বরখাস্তের ঘটনায় তীব্র সমালোচনার মধ্যে সাংবাদিকদের কাছে এমন দাবি করেন রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন। ঘটনাটি আজ (শনিবার) সকালে রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছ থেকে শুনেছেন বলে জানান মন্ত্রী।

রেলমন্ত্রী জানান, টিটিই বিনা টিকিটের যাত্রীদের সঙ্গে অত্যন্ত খারাপ আচরণ করেছেন। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। রেলের অফিশিয়াল কার্যক্রমের সঙ্গে মন্ত্রীর কোনো সংযোগ নেই। ঘটনার সঙ্গে মন্ত্রীর কোনো আত্মীয় জড়িত নন। রেল কর্মকর্তারা ওই টিটিইর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে তিনি কিছুই জানতেন না।

এ বিষয়ে যা তদন্ত করার তা রেলের পাকশী বিভাগের কর্মকর্তা বা পশ্চিমাঞ্চলের জিএম করবেন। তবে বিনা টিকিটে ভ্রমণ যেমন শাস্তিযোগ্য অপরাধ তেমনি যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার বা জোর করে অর্থ আদায় হয়ে থাকলে তাও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এদিকে এ ব্যাপারে তিন যাত্রীর একজন মো. ইমরুল কায়েস প্রান্ত লিখিতভাবে বিস্তারিত জানিয়েছেন। তাতে টিকিট পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ এসেছে।

ইমরুল কায়েস লিখেছেন, ঢাকায় যাওয়া জরুরি ছিল, বিধায় কাউন্টারে টিকিট না পেয়ে তারা ট্রেনে উঠতে বাধ্য হয়েছেন। তাড়াহুড়ো থাকায় এসি কামরায় উঠে পড়েন। এদিকে পুরো বিষয়টির তদন্ত করতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে রেল কর্তৃপক্ষ। এই কমিটি রোববার পাকশীতে টিটিই শফিকুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।

এর আগে  গত বুধবার দিবাগত রাতে খুলনা থেকে ঢাকাগামী আন্তঃনগর সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে রেলমন্ত্রীর আত্মীয় পরিচয়ে বিনা টিকিটে ভ্রমণকারী তিন ট্রেনযাত্রীকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক শফিকুল ইসলাম।

পর দিন (বৃহস্পতিবার) বিকালে রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) নাসির উদ্দিনের নির্দেশে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বরখাস্ত হওয়া টিটিই মো. শফিকুল ইসলামকে রেলওয়ে জংশন ঈশ্বরদীর টিটিই হেডকোয়ার্টারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে।


আরও খবর



ইপিবি প্রতিনিধিদলের ওয়ালটন হেড কোয়ার্টার পরিদর্শন

প্রকাশিত:শনিবার ২১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ২১ মে ২০২২ | ২১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রপ্তানিমুখী ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তি পণ্য উৎপাদনে ব্যাপক সাফল্য দেখাচ্ছে ওয়ালটন তথা বাংলাদেশ। বাংলাদেশে নিজস্ব কারখানায় তৈরি ওয়ালটন পণ্য বিভিন্ন দেশে রপ্তানি হচ্ছে। বর্তমানে ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন শিল্প বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের অন্যতম সম্ভাবনাময় খাত হয়ে উঠেছে। এক্ষেত্রে পণ্য রপ্তানিতে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।

উচ্চ মানের ইলেকট্রনিক্স ও প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদন ও রপ্তানিতে বাংলাদেশের সাফল্য ও সম্ভাবনা স্বচক্ষে দেখতে ওয়ালটনের হেড কোয়ার্টার পরিদর্শন করেছে ইপিবির একটি প্রতিনিধিদল। শনিবার (২১ মে) ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান ও সিইও এ এইচ এম. আহসানের নেতৃত্বে উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধিদলটি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেড কোয়ার্টার পরিদর্শন করে।

ইপিবির প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেনমহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান, সচিব ইফতিখার আহমেদ চৌধুরী, ডিরেক্টর মোহাম্মদ শাহজালাল ও কুমকুম সুলতানা, ডেপুটি ডিরেক্টর রাখী আহমেদ, অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মুনিরা শারমিন ও নজিবুর রহমান এবং স্টাফ অফিসার মইনুল ইসলাম।

সকালে হেড কোয়ার্টার কমপ্লেক্সে পৌঁছালে অতিথিদের ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর আবুল বাশার হাওলাদার এবং ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর হুমায়ূন কবীর।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেনওয়ালটনের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও গ্লোবাল বিজনেস ডিভিশনের প্রেসিডেন্ট এডওয়ার্ড কিম, চিফ টেকনিক্যাল অফিসার মগ ইয়াং, জ্যেষ্ঠ নির্বাহী পরিচালক তাপস কুমার মজুমদার, আনিসুর রহমান মল্লিক ও ইয়াসির আল ইমরান, নির্বাহী পরিচালক আজিজুল হাকিম প্রমুখ।

পরিদর্শন শেষে ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসান বলেন, ওয়ালটনের কারখানার কথা অনেক শুনেছি। জানতাম, এটা অনেক বড়। কিন্তু, এত বড় তা জানতাম না। আজকে এখানে এসে ওয়ালটন সম্পর্কে আমাদের ধারণা আরও পাকাপোক্ত হলো।

তিনি আরও বলেন, ওয়ালটন বাংলাদেশের বাজারে শীর্ষস্থানে আছে। এখন তাদের লক্ষ্য বিশ্ববাজার। এক্ষেত্রে আমাদের প্রয়োজন বাংলাদেশের ব্র্যান্ড, বাংলাদেশে তৈরি পণ্য বিশ্ববাজারে তুলে ধরা। অর্থাৎ বৈশ্বিক বাজারে আমাদের দেশের ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ব্র্যান্ডিং প্রয়োজন। দরকার আন্তর্জাতিক মেলাগুলোতে বেশি করে অংশ নেওয়া। এক্ষেত্রে ওয়ালটনসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকে ইপিবি প্রয়োজনীয় সহায়তা দেবে।

ইপিবির মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, ইলেকট্রনিক্স খাতে বাংলাদেশের রপ্তানি শুরু হয়েছে ওয়ালটনকে দিয়ে। অন্যরা তাদের অনুসরণ করার চেষ্টা করছে। এ খাতে আমাদের সম্ভাবনা অনেক। বাংলাদেশে ওয়ালটনের মার্কেট শেয়ার ৭০ শতাংশেরও বেশি। এখন ওয়ালটনের দরকার বৈশ্বিক বাজারে উপস্থিতি বৃদ্ধি করা, বিদেশে তাদের পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো। ওয়ালটন ঠিক সে কাজটাই করছে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশে তৈরি ইলেকট্রনিক্স পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধিতে ওয়ালটনসহ এ খাতের সবাইকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে আমরা প্রস্তুত।

এর আগে হেড কোয়ার্টার প্রাঙ্গণে পৌঁছে অতিথিরা প্রথমে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ওয়ালটনের বেটার বাংলাদেশ টুমরো উদ্যোগে নেওয়া বিভিন্ন কার্যক্রম এবং নানা পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়ার ওপর নির্মিত ভিডিও ডকুমেন্টারি উপভোগ করেন। এরপর তারা ওয়ালটনের সুসজ্জিত প্রোডাক্ট ডিসপ্লে সেন্টার ঘুরে দেখেন। পরে তারা ওয়ালটনের বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া সরেজমিনে পর্যবেক্ষণে যান। পর্যায়ক্রমে অতিথিরা ওয়ালটনের রেফ্রিজটারেটর, কম্প্রেসর, এয়ার কন্ডিশনার, টেলিভিশন, পিসিবি, মোল্ড অ্যান্ড ডাইসহ বিভিন্ন পণ্যের উৎপাদন প্রক্রিয়া ঘুরে দেখেন।


আরও খবর