আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

করোনা টানা ২২ দিনে মৃত্যু নেই, বাড়ছে আক্রান্ত

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ২৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ৫১ জনের দেহে করোনাভাইস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১৯ লাখ ৫২ হাজার ৯৩৯ জনে। এর আগে বুধবার ৩৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ফলে গত একদিনের ব্যবধানে দেশে করোনায় শনাক্ত বাড়ল।

এছাড়া এ সময়ে নতুন করে কারও মৃত্যু হয়নি। ফলে টানা ২২ দিন দেশে মৃত্যু নেই। এর আগে গত ২০ এপ্রিল সর্বশেষ করোনায় মৃত্যুর খবর জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।  ফলে মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ১২৭ জনেই অপরিবর্তিত থাকল। বৃহস্পতিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে দেশের করোনা পরিস্থিতির সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণঘাতী এই ভাইরাস থেকে আরও ২৯১ জন সুস্থ হয়েছে। ফলে এ ভাইরাসটি থেকে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৬০৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় ৫ হাজার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। আর পরীক্ষা করা হয়েছে ৫ হাজার ৭৩৬টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার শূন্য দশমিক ৮৯ শতাংশ।

দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ২০২০ সালের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় গত বছর জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল।

২০২১ সালের ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। এরপর বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়। এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।


আরও খবর



চার অতিরিক্ত সচিবের পদোন্নতি

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রশাসনের চার জন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে পাঁচ জন সচিবের দপ্তর বদল করা হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে বুধবার (১৮ মে) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. ইসমাইল হোসেনকে পদোন্নতি দিয়ে খাদ্যসচিব, অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ফারহিনা আহমেদকে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোলকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. জাহাঙ্গীর আলমকে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।

অপর আদেশে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহফুজা আখতারকে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে বদলি করা হয়েছে।

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরীকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব করা হয়েছে।

মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মু. আনোয়ার হোসেন হাওলাদারকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরীকে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তফা কামালকে নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়েছে।


আরও খবর



ওয়াশিংটন টাইমসে যেসব বিষয় তুলে ধরলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

প্রকাশিত:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ২৭ এপ্রিল ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারীতে বিশ্বজুড়েই যখন কর্মসংস্থান হৃাস পাচ্ছে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যাচ্ছে, তখন ডিজিটালাইজেশনের সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশ কীভাবে এগিয়ে যাচ্ছে সে বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।

লকডাউনের মধ্যে নিজস্ব অফিসের বাইরে মানুষকে বাড়িতে বসে অফিস করতে হয়েছে, আর সেই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা কীভাবে দুনিয়া দাপিয়ে বেড়াচ্ছে সে বিষয়েও বিস্তারিত উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টার লেখায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী দৈনিক ওয়াশিংটন টাইমসে মঙ্গলবার ডিজিটাল লিপস হেলস্‌ বাংলাদেশ ন্যাভিগেইট দ্য প্যানডেমিক শীর্ষক জয়ের কলামটি প্রকাশিত হয়।

কলামে সজীব ওয়াজেদ জয় লিখেছেন, কোভিড-১৯ মহামারী বিশ্বজুড়ে শ্রমবাজারকে ব্যাহত করেছে এবং এই ধারা আজও অব্যাহত রয়েছে। স্বল্পমেয়াদী ফলাফল ছিল দ্রুত ও তীব্র। লক্ষ লক্ষ মানুষকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় এবং আরো লক্ষ লক্ষ মানুষ বাড়ি থেকে কাজ শুরু করেছিল। মহামারীর দীর্ঘমেয়াদী এই প্রভাব নিয়ে এখনো বিতর্ক হচ্ছে। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত; শ্রমের চাহিদা এবং আমাদের কাজ করার পদ্ধতি চিরতরে পরিবর্তিত হয়েছে।

অনেক সরকার এবং শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো এই ধাক্কা মানিয়ে নিতে সংগ্রাম করছে। কিন্তু বাংলাদেশের সরকারের অর্থনীতি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবাখাতকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার যে পরিকল্পনা, তার মধ্যে এ বিষয়ে কিছু উত্তর মিলছে।

পেশাদার তথ্য-প্রযুক্তিবিদ জয়ের লেখায় ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতির কথা এবং দেশের মানুষের ইন্টারনেট প্রাপ্তির সুবিধার কথা উঠে এসেছে।

সজীব ওয়াজেদ লিখেছেন, ২০০৯ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগ বাস্তবায়ন শুরুর পর দ্রুত ইন্টারনেট অ্যাক্সেস বৃদ্ধি এবং বহুমুখী অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করে। সংক্ষেপে, ডিজিটাল বাংলাদেশ ইন্টারনেটের ব্যবহার ও স্মার্টফোন-ভিত্তিক প্রোগ্রামগুলির ব্যবহার ধীরে ধীরে সহজ করে তুলেছে এবং কাগজ-ভিত্তিক সরকারি পরিষেবাগুলিকে প্রতিস্থাপন করেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, সরকার ৮৫০০ টিরও বেশি ডিজিটাল সেন্টারের নেটওয়ার্ক তৈরি করেছে যা সর্বত্র অনলাইন পরিষেবা সরবরাহ করছে। ২০০৮ সালে এই পরিষেবাগুলির সবই ছিল সাধারণ মানুষের আওতার বাইরে। তখন মাত্র ৮ লাখ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করতো। কিন্তু এখন বাংলাদেশে ১২ কোটিরও বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী রয়েছে। ইন্টারনেট আওতায় রয়েছে দেশের ৯৮ ভাগ অঞ্চল।

তিনি আরও লিখেছেন, ডিজিটাল বিশ্বে সফল হওয়ার জন্য বাংলাদেশ লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রয়োজনীয় উপকরণ দিয়ে সজ্জিত করেছে। উদাহরণস্বরূপ, সরকার ৮৬ হাজার ডিজিটাল ক্লাসরুম তৈরি করেছে এবং ১৫ লাখ শিক্ষার্থীকে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে (আইসিটি) প্রশিক্ষণ দিয়েছে। ফলস্বরূপ, ২০০৮ সালের ২৫ মিলিয়ন ডলারের তথ্য প্রযুক্তি রপ্তানি ২০২১ সালের ২০০০ মিলিয়নে(২ বিলিয়ন) পৌঁছেছে।

মহামারীর মধ্যে ঘরে বসে কাজ করা এবং এই সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সারদের কাজের প্রসার বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য-প্রযুক্তি উপদেষ্টা লিখেছেন, মহামারীর ফলে উত্থাপিত অনেক শ্রম ও অর্থনৈতিক বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর মিলছে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে। যখন বিশ্বজুড়ে অনেকেই জিজ্ঞাসা করেছিল, যখন কর্মক্ষেত্রে ব্যক্তিগত জমায়েতের জন্য বন্ধ হয়ে গেছে তখন আমি কীভাবে জীবিকা অর্জন করব? বাংলাদেশিরা তাদের বাড়িতে কম্পিউটারে কাজ করেছে এবং ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে দুরে বসেও কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করেছে।

প্রকৃতপক্ষে, বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সিং বুমিং হচ্ছে। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অনলাইন ফ্রিল্যান্সার সরবরাহকারী দেশ এখন বাংলাদেশ। সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, বাংলাদেশে রয়েছে ৫০ হাজার ফেসবুক-ভিত্তিক উদ্যোক্তা। বাংলাদেশে প্রায় ৪৩ মিলিয়ন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এই প্ল্যাটফর্মটি বিস্তৃত পরিসরে ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করে। এটি মহামারী চলাকালীন একটি স্থিতিস্থাপক কর্মসংস্থান মডেল হিসাবেও প্রমাণিত, কারণ কাজের ধরণ অফিসে ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিতির পরিবেশ থেকে দূরে সরে গেছে।

তিনি লিখেছেন, ফ্রিল্যান্স কাজের মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং, ওয়েব ডিজাইন, ট্যাক্স প্রস্তুতি, সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশান ও মার্কেটিং। বিশ্বের আউটসোর্সিং সেবা প্রদানের জন্য এশিয়া এক নম্বর অঞ্চলে পরিণত হয়েছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়ন শুরুর পর বাংলাদেশে বিজনেস প্রসেসিং আউটসোর্সিং (বিপিও) সেক্টর সমৃদ্ধ হয়েছে। বিপিও খাত বছরে প্রায় ২৪ শতাংশ হারে বাড়ছে। ২০০৮ সালে এ খাতে প্রায় ৪ মিলিয়ন ডলারের রাজস্ব রেকর্ড করে। আজ, সেক্টরটি বছরে ৬৮ মিলিয়ন ডলার আয় করে। এর আরও ভাল দিক যে, এই খাতে ৪৫ হাজারেরও বেশি মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

জয় লিখেছেন, বাংলাদেশ সরকার তথ্য প্রযুক্তি খাতকে সহায়তা দেয় এমন নীতি তৈরি করতে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। সম্প্রতি দেশে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ স্ব-নিযুক্ত পেশাদার ফ্রিল্যান্সার আইডেন্টিফিকেশন কার্ড দেওয়া শুরু হয়েছে। আইডি দিয়ে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের সুবিধাগুলি উপভোগ করতে পারবে, যা আগে শুধুমাত্র যারা বেতনের চাকরিতে করতেন তাদের কাছে পরিচিত ছিল। ফলস্বরূপ, ফ্রিল্যান্সাররা তাদের উদ্যোক্তা প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নিতে ক্রেডিট কার্ড ও ব্যাংক ঋণ পেতে পারেন। এছাড়াও তাদের জন্য রয়েছে অন্যান্য প্রণোদনা, বিশেষ করে উল্লেখযোগ্য কর ছাড়ের বিষয়টি।

বাংলাদেশের প্রথম জিওস্টেশনারি কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ ডিজিটাল কাজের গতি বাড়িয়েছে। ২০১৮ সালে চালু হওয়া স্যাটেলাইটটি বাংলাদেশের ইন্টারনেট কাভারেজ প্রত্যন্ত অঞ্চলে প্রসারিত করে, যেটির মাধ্যমে এমনকি গ্রামীণ বাংলাদেশিরাও টেলিমেডিসিন সহায়তা, ই-লার্নিং ও ই-ব্যাংকিং সেবা পেতে পারে।

তিনি লিখেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ এবং এটি যে নতুন ধরনের কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রদান করে তার সুবিধা নেওয়ার জন্য বাংলাদেশের তরুণ জনসংখ্যা (প্রায় ৬৫ শতাংশ ২৫ বছরের কম বয়সী) উপযুক্ত অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশে শিক্ষাব্যবস্থাকে ঢেলে সাজানো হয়েছে এবং এখন বছরে ৫ লাখ ডিজিটাল কর্মী গ্র্যাজুয়েট করছে।

কোভিড-১৯-এর অর্থনৈতিক বিপর্যয় মোকাবেলায় ডিজিটাল বাংলাদেশের ফল সঠিক সময়েই পেকেছে। নতুন কর্মক্ষেত্রটি দেখতে কেমন তা নির্ধারণ করার জন্য যখন বিশ্ব চেষ্টা করছে, তখন বাংলাদেশ তার দ্রুত ডিজিটাইজেশন ও দূরবর্তী কাজের স্থানান্তরের একটি মডেল প্রদান করেছে।


আরও খবর



নাটোরে গোয়ালঘরে মিলল ৭০০ লিটার সয়াবিন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নাটোরের বড়াইগ্রামে সিরজুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ীর গোয়ালঘর থেকে ৭০০ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তা অবৈধ মজুদের অভিযোগে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং জব্দ তেল স্থানীয়দের মধ্যে নায্য মূল্যে বিক্রি করা হয়। জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর নাটোরের সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভির এই অভিযান চালান।

জানা যায়, উপজেলার জোনাইল বাজারে থানা পুলিশের সহায়তায় মেসার্স শাহানা ট্রেডার্সে অভিযান চালায় ভোক্তা অধিকার। এসময় তিনি খবর পান শাহানা ট্রেডার্সের মালিক সিরাজুলের বাড়িতে সয়াবিন মজুদ আছে। পরে তার গ্রামের বাড়ি চৌমুহানে অভিযান চালালে গোয়ালঘরে মজুদ ৭০০ লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়। 

সহকারী পরিচালক মেহেদী হাসান তানভীর বলেন, এ ধরনের অসাধু ব্যবসায়ীদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযান অব্যাহত থাকবে।


আরও খবর



মিশরে জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে ১১ সেনা নিহত

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৩৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মিশরে জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষে এক সেনা কর্মকর্তাসহ ১১ সেনা নিহত হয়েছেন। এতে আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন। শনিবার মিশর সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এমনটি জানানো হয়েছে।

মিশর সেনাবাহিনীর মুখপাত্র জানান, সুয়েজ খালের পূর্বে একটি জল উত্তোলন কেন্দ্র সন্ত্রাসী হামলা ব্যর্থ করে দেওয়া হয়েছে। এ সময় একজন কর্মকর্তা ও দশজন মিশরীয় সেনা নিহত হয়েছে। স্টেশনে হামলাকারী জঙ্গিদের সঙ্গে সংঘর্ষের পর নিরাপত্তা কর্মীরা নিহত হয়। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়।

একটি বিবৃতিতে সেনাবাহিনীর মুখপাত্র বলেন, সিনাইয়ের একটি বিচ্ছিন্ন এলাকায় সন্ত্রাসীদের খোঁজে ঘেরাও করা হচ্ছে।


আরও খবর



নানাবাড়ির উদ্দেশে বের হয়ে কমলনগরে চার বোন নিখোঁজ

প্রকাশিত:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ০৮ মে ২০২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নানার বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার ১৬ ঘন্টাতেও ঘরে ফেরেনি ৪ বোন। তারা হলেন জোবায়দা আক্তার (১২), সিমু আক্তার (১৪), মিতু আক্তার (১২) ও সামিয়া আক্তার নিহা (১৩)। সম্ভাব্য সকল জায়গায় খুঁজেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

পরিবার জানায়, শনিবার (৭ মে) সকাল ৮ টার দিকে তারা উপজেলার চরকাদিরা ইউনিয়নের চরবসু গ্রামের বাড়ি থেকে বের হয়। কোথাও খুঁজে না পেয়ে সন্ধ্যায় কমলনগর থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন তাদের দাদি আকলিমা বেগম।

সম্পর্কে চাচাতো বোনদের মধ্যে জোবায়দা চরবসু গ্রামের মো. ইব্রাহিমের মেয়ে, সিমু মৃত আবুল খায়ের চুন্নুর মেয়ে, মিতু একই বাড়ির জয়নাল আবেদিনের মেয়ে এবং নিহা শামছুল আলমের মেয়ে।

কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়েছে। তাদের খুঁজে পেতে চেষ্টা চলছে। বিষয়টি তদন্তও করা হচ্ছে।


আরও খবর