আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

ফোন নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া করে গৃহবধূর আত্মহত্যা

প্রকাশিত:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৯ অক্টোবর ২০২১ | ৬১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নওগাঁয় মোবাইল ফোন চালানো নিয়ে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ায় আয়েশা সিদ্দিকা (২১) নামে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শনিবার সকালে সদর উপজেলার চকরামচন্দ্র এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত আয়েশা সিদ্দিকা নওগাঁ সদর উপজেলার মেহরাব হোসেনের স্ত্রী।

নওগাঁ সদর মডেল থানার ওসি নজরুল ইসলাম জুয়েল জানান, শুক্রবার রাতে স্বামী মেহরাব হোসেনের সঙ্গে শশুরবাড়ি থেকে খাওয়া-দাওয়া শেষ করে চকরামচন্দ্র নিজ বাসায় ফেরেন আয়েশা সিদ্দিকা।

পরে মোবাইল ফোন ব্যবহারকে কেন্দ্র করে তার স্বামীর সঙ্গে ঝগড়া হয়। রাতে সাবার অজান্তে ঘরের সিলিং ফ্যানের গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ওই গৃহবধূ আত্মহত্যা করেন।

খবর পেয়ে সকালে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নওগাঁ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এ বিষয়ে থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



সপ্তমীর নবপত্রিকায় কার রূপ?

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

শারদ সকালের সপ্তমী। স্কুলের পড়ায় মনে নেই।মুখস্ত হচ্ছে না নামতা। তবে মণ্ডপে দুর্গাঠাকুরের চারপাশে কে কে দাঁড়িয়ে আছে, সেটা আর কষ্ট করে মুখস্থ করতে হয়নি। এমনিতেই মুখস্থ হয়ে দাঁড়িয়ে গেছে মনের মধ্যে।

এদিকে মণ্ডপের ঢাকঢোলে, ভাণ্ড সানাইয়ে মুখর বাংলাভূমি। মুখর আমাদের চারপাশ। মুখর বাঙালির মন।

সাথে ধুপের গন্ধে শিশিরভেজা সকালটা হয়ে উঠছে স্নিগ্ধ আর মায়াময় উৎসবের। চণ্ডীপাঠ শুনতে শুনতে শৈশবে যে ছবিটা মনে দাঁড়িয়ে যায় সেই ছবিটি আর কোনোদিন বদলে যায়নি।

২.সিংহের পিঠে চড়ে দেবী মহিষের রূপধারণ করা এক অসুরের সঙ্গে যুদ্ধ করছেন।

এখন এই ছবিটি আরো স্পষ্ট। আকাশের তারার মধ্যে মহিষাসুর বধের দৃশ্য খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দেখেছেন, রক্তবর্ণ বৃষের চোখ। মুখোমুখি এক বিশাল আকারের সিংহ আর এক নারীমূর্তি। যার হাতের কাছাকাছি নানা অস্ত্র।

বিজ্ঞান খুঁজে পেয়েছে, পুরাণের কথাগুলো নিছক গল্প নয়। সেই যুগের চিন্তাধারার সাথে যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। দেখেছেন, সিংহ আর মহিষদলের তারামণ্ডলী, যা দেখেই প্রাচীনকাল থেকে নানারূপে কল্পনা করা হয়েছে।

খ্রিস্টপূর্বাব্দ তিনশ সময় নাগাদ সুমেরু অঞ্চলের সিলমোহর ও একটি পাত্রের গায়ে যে ছবিটি বেশি দেখা যায়, সেটা একটি সিংহের হাতে একটি মহিষের মৃত্যু। সন্ধ্যার আকাশে শেষবারের মতো তাকালে দেখা যায়, সিংহ তারামণ্ডলী। মনে হবে এই সিংহটিই বৃষটিকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিচ্ছে। মোট কথা, তারামণ্ডলীর সঙ্গে মিলিয়ে দেখলে দেখা যাবে, সিংহের ওপর বসে দুর্গা মহিষাসুর বধের ছবিটি।

তারামণ্ডলী থেকে এই এক অসম্ভব রূপকল্পনা!

বাঙালির দশভূজার সঙ্গে মিল পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। কন্যা, সিংহ, বৃষসহ নক্ষত্রমণ্ডলীর মধ্যেই দেবী দুর্গা মহিষাসুরমর্দিনী রূপের প্রতিচ্ছবি। কৃষিভিত্তিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলো চিহ্নিত করাই ছিল পুরাণের প্রথম প্রেরণা।

৩. প্রাণে আনন্দ জেগে ওঠা সকালে পুরোহিত মহাশয় চলেছেন নদীর ঘাটে। কাঁধে নবপত্রিকা। নদী বা জলাশয়ে দেবীর প্রতীকরূপে নবপত্রিকাকে স্নান করাবেন।

এই নবপত্রিকা নামটা শুনেলেই মনে মায়া জেগে ওঠে। দুর্গাপূজা মহারম্ভের দিন, মানে সপ্তমীতে প্রকৃতির বৃক্ষ-লতার সাথে দেবী দুর্গা একাত্ম হবেন আজ। সেজন্যই নবপত্রিকা দিয়ে মহারম্ভ, যা ভেজিটেশন ডিইটি হিসেবে দেবীর প্রায়রিটি হয়ে দাঁড়ায়।

সপ্তমী হলো দুর্গাদেবীর সঙ্গে শস্যদেবীকে মিলিয়ে নেবার সচেতন প্রচেষ্টা।

তাই, নদী বা জলাশয়ে নবপত্রিকাকে স্নানের ভেতর দিয়ে দেবীকে জাগ্রত করা হয়। যার ভেতর দিয়ে অবশেষ রচনা হয়ে যায় ষষ্ঠী আর বোধনের।

৪. নবপত্র বা নবপত্রিকা মানে নয়টি গাছের পাতা।

তবে পূজার নবপত্রিকা নয়টি পাতা নয়, নয়টি উদ্ভিদ। নয়টি উদ্ভিদ দেবীর নয়টি বিশেষ রূপের প্রতীক। আবার নবপত্রিকা নয়জন প্রভাবশালী দেব-দেবীকেও চিহ্নিত করে, বোঝায়। 

কলা, কচু, মানকচু, হলুদ, জয়ন্তী, বেল, ডালিম, অশোক ও ধান। এই নয়টির মধ্যে প্রধান উদ্ভিদ কলাগাছ, যা ফার্টিলিটি আর ভেজিটেশনের প্রতীক। দেবীর সঙ্গে একাত্মতায় কলা গাছ বাঙালি মায়ের কোটি কোটি সন্তানের মা-প্রতীক হয়ে যান।

অন্য আটটি উদ্ভিদের সঙ্গে কচু। এটা মুখী কচু। ফলন হয় ভাদ্রের শেষে আশ্বিনের শুরুতে। দরিদ্র মানুষের খাবারের ব্যবস্থা হয়ে যায় কচুতে। আরেকটি মানকচু। বর্ষার পরে শরতের রোদে এটাও সুস্বাদু। ফলের মধ্যে আছে বেল আর দাড়িম্ব।

বেলগাছ ও বেলপাতা শিব ও পার্বতীর প্রিয়তম। স্বয়ং ব্রহ্মা দেবীর বোধন করেছিলেন বেলতলায়।

সেই প্রথা এখনো চলমান। যোগিনীতন্ত্রের কাহিনীতে বলা হয়েছে, নারায়ণের অনেক স্ত্রীর মধ্যে থেকে প্রিয়তমা হওয়ার ইচ্ছায় বেলতলায় শিবের আরাধনা করে শিবের সন্তুষ্টিতে নারায়ণের বক্ষলগ্না হয়েছিলেন লক্ষ্মী। তাই, শিবের অধিষ্ঠান ক্ষেত্র এই বেলতলা। বেলের তিনপত্রের মধ্যে উপপত স্বয়ং শিবরূপে বন্দিত। সেজন্যই শিব বেলপাতার পূজায় খুশি হন। বেলতলা শিবের প্রিয় হওয়ার কারণে শিবজায়া শিবানীরও খুব প্রিয় এই স্থান। তাই, বেলতলায় দেবীদুর্গার বোধন।

আরো একটি কারণ মনে করিয়ে দেব।

বৈদিক যুগে কাঠে কাঠ ঘষে আগুন জ্বালানো হতো, বলা হতো অরণী। শমী ও অশত্থ বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার হতো অরণী রূপে। বাংলাভূমিতে শমীকাঠ ছিল অত্যন্ত বিরল। এই কাঠের অভাব পূরণ করে বেল। মানে বেলকাঠে আগুনের অবস্থান। দেবী দুর্গা যেহেতু স্বয়ং অগ্নিস্বরূপা সেজন্য দুর্গা আরাধনায় বেলবৃক্ষের অতি কদর।

পরের ফলটির নাম দাড়িম্ব, মানে ডালিম। আশ্বিন থেকে অগ্রহায়ণ পর্যন্ত ফলন হয়। ফলটি শক্তি ও রক্তবর্ধক। একটা গাছে বহু জন্মায়।

পুষ্পবৃক্ষের মধ্যে আছে জয়ন্তী এবং অশোক। দুটি বৃক্ষই মহৌষধ হিসেবে পরিচিত প্রচীন আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে। জয়ন্তী বৃক্ষের নামটিই তো দেবীর নামে রাখা। দেববৃক্ষ। জয়ন্তীর বীজ বহু ওষুধের উপাদান। শক্তি ও উত্তেজনা বাড়ানোর পাশাপাশি নারীদের রোগ সারাতে জয়ন্তীর বহুগুণের কথা আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে ধরা আছে।

জয়ন্তীর ফলন হয় আশ্বিনের শেষে।

এবার হলুদের কথা। হরিদ্রা বা হলুদ। কাঁচা বা পাকা হলুদ খুবই দরকারি ভেষজ। সে কারণেই নবপত্রিকার অন্যতম উপকরণ হলুদ। আর, ধান হলো লক্ষ্মীর প্রতীক।

জগতের সকল ওষধি ও উদ্ভিদের মাধ্যমে সকল জীবকে আহার্য ও নিরাময় দান করেন।

নবপত্রিকা তারই প্রতীক বা প্রতিনিধি।

এই অতি দরকারি নয়টি ভেষজ এবং বৃক্ষ ভগবতী দুর্গার নয়টি রূপ। ফল-ফুল অধিষ্ঠাত্রী দুর্গাকে প্রণাম জানানো হয়, নবপত্রিকা বাসিন্যৈ নবদুর্গায়ৈ নমঃ

নবপত্রিকা অনেকের মতে কুলবৃক্ষ নামেও পরিচিত। শক্তানন্দ তরঙ্গিনী গ্রন্থ থেকে জানতে পারি, যোগিনীরা সব সময় এই কুলবৃক্ষে বাস করেন। তন্ত্রশাস্ত্রে তাই একে কল্পবৃক্ষ বলা হয়।

৫. সকাল থেকে মণ্ডপে মণ্ডপে পূজারীদের ভক্তিপূর্ণ চলাচল।

ওদিকে পুরোহিত মহাশয়ের পেছনে হাঁটছেন বাদক দল। ঢাকের শব্দে মিশে যাচ্ছে একদল নারীর শঙ্খ আর উলুধ্বনি। প্রথমে নদীতে শাস্ত্রবিধির স্নান। এরপর চারা কলাগাছের সাথে আটটি সমূল সপত্র উদ্ভিদ একজোড়া বেলসহ শ্বেত অপরাজিতার লতা বেঁধে দেবেন পুরোহিত মহাশয়। এরপর জড়ানো হবে লালপাড়ের সাদা শাড়ি। এমনভাবে জড়ানো হবে, যেন চারা কলাগাছটা ঘোমটা দেওয়া বৌয়ের রূপ ধারণ করে। মানে, নবপত্রিকার হয়ে যাবে কলাবৌ।

৬. নবপত্রিকা স্নানের পর মহাস্নান।

মহাস্নান মহাষ্টমী ও মহানবমীর দিনও মূল অনুষ্ঠান শুরুর আগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিমার সামনে একটি আয়না রেখে সেই আয়নায় প্রতিফলিত প্রতিমার প্রতিবিম্বে স্নান করানো হয়।

মহাস্নানে শুদ্ধজল, নদীর জল, শঙ্খজল, গঙ্গাজল, উষ্ণ জল, সুগন্ধি জল, পঞ্চগব্য, কুশ ঘাসে ফোটানো জল, ফুল দিয়ে ফোটানো জল, ফলের জল, মধু-দুধ-নারকেলের জল, আখের রস, তিলের তেল, বিষ্ণু তেল, শিশিরের জল, রাজদ্বারের মাটি, চৌমাথার মাটি, বৃষশৃঙ্গমৃত্তিকা, গজদন্তমৃত্তিকা, বেশ্যাদ্বারমৃত্তিকা, নদীর দুই তীরের মাটি, গঙ্গামাটি, সব তীর্থের মাটি, সাগরের জল, ঔষধি মেশানো জল, বৃষ্টিজল, সরস্বতী নদীর জল, পদ্মের রেণু মেশানো জল ও ঝরনার জলে দুর্গাকে স্নান করানো হয়। এই মহাস্নানের মধ্য দিয়ে সব ধরনের সম্পদের সুরক্ষার জন্য প্রার্থনা চলে।

প্রার্থনা প্রকাশ পায় সর্বভূতে দেবীরই অধিষ্ঠান। আর, মহাস্নানে সমাজের সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে বিশ্বসংহতি ও অসাম্প্রদায়িকতার সমন্বয়বার্তায় ফুটে ওঠে সমাজের কল্যাণ।

৭ . নদীর ঘাট থেকে চলে এসেছেন পুরোহিত মহাশয়। এরইমধ্যে পৌঁছে গেছেন মণ্ডপে।

কলাবৌয়ের কপালে তেল-সিঁদুর দিয়ে প্রকট করা হয়েছ এয়োতির চিহ্ন। এবার নবপত্রিকাকে দেবীর ডান দিকে আর গণেশ ঠাকুরের বাম পাশে বসিয়ে দেন কাঠের আসনে।

তখনই গজ-নিমিলিত চোখে গণেশ ঠাকুর ভাবলেন, মায়াবতী মা নিশ্চয়ই আমার জন্যে বৌ খুঁজে এনেছেন। গণেশ ঠাকুরের এই ধারণা স্পষ্ট হয় কলাবৌকে তাঁর বাম দিকে রাখার কারণে। বাম দিকেই স্ত্রীর অবস্থান, বামাবতী

আবেগপ্রবণ বাঙালির কাছে তাই নবপত্রিকার চারাকলাগাছটি হয়ে যায় গণেশ ঠাকুরের বৌ।

তাই হয়তো নাতি-পুতির মুখ দেখার আশায় শঙ্কর-মহাদেব স্ত্রী দুর্গাকে একসময় বলেই ফেললেন, ও গণেশের মা, কলাবৌকে দাগা দিও না। ওর একটি মোচা ফললে পরে, অনেক হবে ছানাপোনা


আরও খবর
আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




রাজনৈতিক অসুর বধ করা হোক দূর্গা পুজার শিক্ষা : রফিকুল ইসলাম

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ | ৩০০জন দেখেছেন
Image

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি:

রংধনু গ্রুপ ও কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ রফিকুল ইসলাম বলেছেন, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা বিনষ্ট করার জন্য সাম্প্রদায়িক বিশৃঙ্খলা তৈরী করে রাজনৈতিক সংঘাত তৈরীর অপচেষ্টা করছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় অরাজকতা করার চেষ্টা করছে। যারা ভোট আদায়ের জন্য মানুষকে হুমকি ধামকি দিচ্ছেন তাদের রুখে দেয়া হোক দূর্গাপুজার আদর্শ শিক্ষা। শুক্রবার সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের কায়েতপাড়া ইউনিয়নের নাওড়া ছয়দোনাপাড়া দূর্গা পুজার মন্ডপে বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জন দেয়ার আগে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শারদীয় দূর্গা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবু সুধীর চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী  মোঃ মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা সামসুল আলম, সাধারন সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল আউয়াল, কায়েতপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন ভূইয়া, সহ-সভাপতি আলাউদ্দিন মিয়া, যুগ্ন সম্পাদক তারিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আলতাফ হোসেন, আলী আজগর, যুবলীগ

নেতা হাজী সফিকুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা লুৎফর রহমান মুন্না, আশফাকুল ইসলাম তুষার, আশরাফুল হক ভুইয়া জেমিন, মহিলালীগ নেত্রী স্বপ্না আক্তার, ইয়াছমীন আক্তার প্রমুখ।

অনুষ্ঠান শেষে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন প্রতিমা বিসর্জন করেন।


আরও খবর
রূপগঞ্জে নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত

শুক্রবার ০৮ অক্টোবর ২০২১




দুর্নীতির তদন্তের মধ্যে অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলরের পদত্যাগ

প্রকাশিত:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১০ অক্টোবর ২০২১ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নিজের পক্ষে ইতিবাচক প্রচারণার জন্য একটি ট্যাবলয়েড দৈনিককে সরকারি কোষাগারের অর্থ দেওয়ার মাধ্যমে দুর্নীতি করেছেন এমন অভিযোগে বেশ চাপের মুখে ছিলেন অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুর্জ। শেষমেষ তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। পদত্যাগের সময় নিজের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্দার শেলেনবার্গের নাম প্রস্তাব করে গেছেন চ্যান্সেলর সেবাস্তিয়ান কুর্জ।

সম্প্রতি কুর্জ এবং তাঁর দল রক্ষণশীল ওভিপি পিপলস পার্টির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন নয় জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বেশকিছু জায়গায় অভিযানও চালানো হয়েছে। সেবাস্তিয়ান কুর্জ অবশ্য শুরু থেকেই এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

দল এবং নিজের পক্ষে ইতিবাচক জনমত তৈরির লক্ষ্যে ২০১৬ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যকার সময়ে একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকাকে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে তহবিল সরবরাহের অভিযোগ তোলা হয়েছে চ্যান্সেলর এবং আরও নয়জনের বিরুদ্ধে। তবে তদন্ত কাজ শুরু হলেও পত্রিকাটির নাম উল্লেখ করা হয়নি।

২০১৭ সালে ওভিপির প্রধান হিসেবে যোগ দিয়ে সে বছরের শেষের দিকে জাতীয় নির্বাচনে জয় পান সেবাস্তিয়ান কুর্জ। ৩১ বছর বয়সে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার প্রধান হিসেবে বেশ আলোচনায় আসেন তিনি।



আরও খবর



নভেম্বরে এসএসসি, ডিসেম্বরে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নভেম্বরের মাঝামাঝি এসএসসি ও ডিসেম্বরের শেষের দিকে এইচএসসি পরীক্ষা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। শনিবার সকালে তিনি এ কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, এসএসসি এবং এইচএসসি পরীক্ষা আশা করছি সময় মতো হবে। নভেম্বর এবং ডিসেম্বরে আমরা তারিখ ঠিক করছি। মধ্য নভেম্বরে এসএসসি এবং ডিসেম্বরের গোড়ায় এইচএসসি পরীক্ষা হবে।

তিনি আরও বলেন, যদি প্রয়োজন হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আমরা বন্ধ করে দেব। এখন পর্যন্ত তেমন পরিস্থিতির উদ্ভব হয়নি। যদি কোথাও হয় তাহলে নিশ্চই আমরা ব্যবস্থা নেব। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শিক্ষার্থীদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার সব তথ্য সঠিক নয় বলেও জানান দীপু মনি।


আরও খবর



জার্মানির নির্বাচনে মেরকেলের দলকে পেছনে ফেলেছে এসপিডি

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এদিকে সমর্থকরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সাথে ওলাফ শলৎজকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। পরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ভোটাররা একটি ‘বাস্তবধর্মী সরকার’ গঠনে তাকে দায়িত্ব দিয়েছে

জার্মানিতে রোববারের নির্বাচনে মধ্য বামপন্থী দল এসপিডি ছোট ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। তবে হাল ছাড়তে অস্বীকার করেছেন দেশটির বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের আশীর্বাদপুষ্ট আরমিন লাশেট। নির্বাচনে বেশ হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আরমিন লাশেট সরকার গঠনের সংকল্প ব্যক্ত করলেও বলা হচ্ছে ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ইউনিয়ন অব জার্মানি বা সিডিইউর জন্য এই নির্বাচনটি ছিল তাদের ইতিহাসের জঘন্যতম। নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল এখনও পাওয়া যায়নি তবে খুব ছোট ব্যবধানে মধ্য বামপন্থী দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি এসপিডি জয়ের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এসপিডি দলের নেতা ওলাফ শলৎজ বলেছেন, সরকার গঠনে তার দল ভোটে স্পষ্ট রায় পেয়েছে। ভোটের ২৫ দশমিক ৮ শতাংশ পেয়ে এগিয়ে রয়েছে তার দল এসপিডি। অন্যদিকে ২৪ দশমিক ১ শতাংশ ভোট পেয়েছে অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের সিডিইউ ও তার শরীক দল।

এদিকে সমর্থকরা ব্যাপক উচ্ছ্বাসের সাথে ওলাফ শলৎজকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন। পরে এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ভোটাররা একটি বাস্তবধর্মী সরকার গঠনে তাকে দায়িত্ব দিয়েছে।

নির্বাচনের পর বুথফেরত জরিপে দুই দলই সমান ভোট পাচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছিল। কিন্তু শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপ্রত্যাশিত পূর্বাভাস আসতে থাকে এবং এই ফলাফলই যে শেষ নয় এমন ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছিল। আরমিন লাশেট অবশ্য বলছেন, সবচেয়ে বেশি ভোট পেলেই জয়ী হওয়া যাবে না। পুরো বিষয়টা এখন অংকের হিসেব।

এছাড়া সরকার গঠনের চাবিকাঠি রয়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ ভোট পাওয়া গ্রিনস এবং ১১ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট পাওয়া এফডিপি দলের হাতে। দুটি দলের কেউই আলাদা করে চমক না দেখালেও তাদের দুই দলের ভোট একসাথে করলে একটি জোট সরকার গঠনে বড় দুই দলের যে কারোর জন্য সেটি চমক হতে পারে।

তবে তাদেরকে এক ছাদের নিচে আনতে পারাই এখন বড় দুটি দলের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। জোট সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ছোট এই দল দু’টিই ৩০ বছর বয়সের নিচে জার্মান নাগরিকদের পছন্দ।

সব মিলিয়ে জটিল আকার ধারণ করেছে এই নির্বাচনের ফল। তবে এটি পরিষ্কার যে, একটি জোট সরকার গঠন না হওয়া পর্যন্ত কোথাও যাচ্ছেন না বিদায়ী চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল।


আরও খবর