আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

গাজায় মেয়াদোত্তীর্ণ করোনার ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে ইসরাইল

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ৫০ হাজার ডোজ মেয়াদোত্তীর্ণ করোনার ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে ইসরাইল। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এ খবর জানিয়েছে। মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, গাজা উপত্যকায় পাঠানোর জন্য রাশিয়ায় তৈরি ভ্যাকসিনগুলো ইহুদিবাদী ইসরাইলকে দেওয়া হলেও তেলআবিব এগুলো অনুপযুক্ত পরিবেশে রেখে দিয়েছিল।

এ ছাড়া ভ্যাকসিনের চালানটি ঠিক সময়ে গাজায় পৌঁছাতে বাধা দেয় ইসরাইল।  সম্প্রতি গাজার কারেম আবু সালেম ক্রসিং দিয়ে রাশিয়ার তৈরি স্পুৎটনিক লাইট টাইপের ভ্যাকসিনের চালানটি অবরুদ্ধ এ উপত্যকায় পাঠানো হয়। কিন্তু সেফটি টেস্টে দেখা যায়, ভ্যাকসিনগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

এর আগে ইসরাইলি গণমাধ্যম খবর দিয়েছিল— মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাওয়া ভ্যাকসিনগুলো প্রথমে তেলআবিব পশ্চিমতীরের স্বশাসন কর্তৃপক্ষকে দিতে চেয়েছিল। কিন্তু মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বাধীন ফিলিস্তিনি স্বশাসন কর্তৃপক্ষ ওই চুক্তি বাতিল করে দেয়। এর পরই চালানটি গাজা উপত্যকায় পাঠায় দখলদার ইসরাইল।

সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, গাজা উপত্যকায় এখন পর্যন্ত এক লাখ ৪৭ হাজার ৩৬৮ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, যাদের মধ্যে এক হাজার ২২৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ ছাড়া অবরুদ্ধ এই উপত্যকায় প্রায় ২০ লাখ মানুষ বসবাস করলেও এ পর্যন্ত মাত্র তিন লাখ ৫৪ হাজার মানুষ করোনাভাইরাসের টিকা নিতে পেরেছেন। পশ্চিমতীর ও গাজা উপত্যকায় বসবাসরত ফিলিস্তিনি নাগরিকদের জন্য করোনাভাইরাসের টিকা সরবরাহ করার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে ইহুদিবাদী ইসরাইল চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে।

অথচ ইসরাইল তার প্রাপ্তবয়স্ক প্রায় সব নাগরিককে টিকার আওতায় এনেছে এবং অনেকে এরই মধ্যে তৃতীয় অর্থাৎ বুস্টার ডোজও নিয়ে ফেলেছে।


আরও খবর
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত কমেছে

শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১




করোনায় আরও ৫২ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে নতুন করে আরও ৫২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২৬ হাজার ৭৩৬ জনে। মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ২০ জন ও ৩২ জন নারী। এর আগের দিন পুরুষ ১৯ জন ও ৩৭ জন নারী মারা গিয়েছিল।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সেখানে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৭ হাজার ৩৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হলে ২ হাজার ৪৯৭ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট শনাক্তের সংখ্যা ১৫ লাখ ২২ হাজার ৩০২ জনে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একদিনে নতুন করে সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৮৪০ জন। এ নিয়ে সুস্থ হয়ে ওঠা রোগীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৬৪ হাজার ৫৯৪ জন। বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, মারা যাওয়া ৫২ জনের মধ্যে ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ১৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে আটজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে তিনজন রয়েছে ও ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিনজন রয়েছে।

২৪ ঘণ্টায় তিনজন ছাড়া সবাই হাসপাতালে মারা গেছেন। একই সময়ে বিভাগওয়ারী পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৫ জন, রাজশাহী বিভাগে একজন, খুলনা বিভাগে ৯ জন, বরিশাল বিভাগে দুইজন, সিলেট বিভাগে তিনজন ও রংপুর বিভাগে দুইজন মারা গেছেন।


আরও খবর
করোনায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১




ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে আরও ২৩৩ জন হাসপাতালে

প্রকাশিত:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ৩০ আগস্ট ২০২১ | ৫৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে আরও ২৩৩ জন নতুন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

সোমবার (৩০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গু বিষয়ক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে নতুন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন ২৩৩ জন। এর মধ্যে ঢাকাতে ২১৩ জন ও ঢাকার বাইরে রয়েছেন ২০ জন।

এতে আরও বলা হয়, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার ১৫০ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে ঢাকার ৪১টি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার চারজন ও অন্যান্য বিভাগে ১৪৬ জন রোগী ভর্তি রয়েছেন।

এ বছর ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১০ হাজার ৯০ জন। একই সময়ে তাদের মধ্য থেকে হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন আট হাজার ৮৯৫ জন রোগী। এ যাবত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর
করোনায় আরও ৩১ জনের মৃত্যু

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১




১৮ বছরের নিচে সবাই শিশু, বিষয়টি ভাবনার সময় এসেছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে ১৮ বছরের নিচে সবাইকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়টি নিয়ে এখন চিন্তা-ভাবনার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মধুবাগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

কিশোর অপরাধ দমনে জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় সবার হোক একটাই পণ, কিশোর অপরাধ করব দমন শীর্ষক টিভিসি উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমি যখন এসএসসি পাস করেছি তখন আমার বয়স ছিল ১৫ বছর। বর্তমানে যারা নিয়মিত পড়াশোনা করেন ১৮ বছর বয়সে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান। আমাদের মনে হয় ১৮ বছরের এ সময়সীমা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সময় এসেছে। আন্তর্জাতিক একটি আইনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় এটি করা হয়েছে। কিন্তু এর ফলে কিশোর অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বেগ পেতে হচ্ছে। তাই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, এটি ধরে রাখার প্রথম শর্ত হচ্ছে নিরাপত্তা। কিন্তু আমাদের কিশোররা নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের শঙ্কার বিষয় ছিল কোভিডকালীন স্কুল কলেজ বন্ধ থাকবে, সবাই বসে থাকবে। তবে এ সময়ে কিশোরদের নিয়ে যে শঙ্কাটা ছিল ততখানি হয়নি, আমাদের দেশ অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশ-র‍্যাব, শিক্ষক ও সমাজ তাদের কার্যক্রম চালচ্ছে। তারপরেও অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি কেন? বিষয়টি নিয়ে খেয়াল না করলে আমাদের সন্তানদের হারিয়ে ফেলব, দেশ-জাতির সবাই নিগৃহীত হবে। সমাজের শাসন যদি সুপ্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যতই কড়াকড়ি করুক আমরা হারিয়ে যাব। তাই সময় থাকতে সন্তানকে উপযুক্ত শিক্ষা দিন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন। সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে খেয়াল করুন। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। তবে আপনি যদি আপনার সন্তানের প্রতি খেয়াল না রাখেন তাহলে এটি আমরা কখনোই পারব না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, একসময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তী সময়ে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়। এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেভাবে হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেফতার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদের গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, কিন্তু প্রফেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রফেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া। কিশোর অপরাধীদের গ্রেফতারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনাগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে সেগুলো পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদের তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদের অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতা কর্মসূচির মাধ্যমে সুপথে না আসে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, এক সময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়।

এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি, সেভাবে করা হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেপ্তার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদেরকে গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু প্রবেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রবেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া।

কিশোর অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠোর হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদেরকেই তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদেরকে অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ না, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতার মাধ্যমে সুপথে না আসে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।



আরও খবর



টস হেরে ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ম্যাচে সাত উইকেটের বড় জয় পায় টাইগাররা, দ্বিতীয় ম্যাচে জিতেছে ৪ রানে। পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় ম্যাচে সিরিজ নিশ্চিতের লড়াই। রবিবার এই ম্যাচে টস হেরে আগে বোলিং করবে বাংলাদেশ।

সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ ৬০ রানে গুঁড়িয়ে দেয় নিউজিল্যান্ডকে। এরপর তুলে নেয় সাত উইকেটের বড় জয়। দ্বিতীয় ম্যাচে বেশ লড়াই হলেও বাংলাদেশ জয় পায় ৪ রানের ব্যবধানে।

তৃতীয় ম্যাচেও আগের দুই ম্যাচের একাদশ নিয়েই মাঠে নামছে বাংলাদেশ। টাইগারদের একাদশ অপরিবর্তিত থাকলেও তিনটি পরিবর্তন আছে নিউজিল্যান্ড দলে। ডগ ব্রেসওয়েল, বেন সিয়ার্স ও হামিশ বেনেট বাদ পড়েছেন একাদশ থেকে। দলে এসেছেন ফিন অ্যালেন, স্কট কুগেলেইন ও জ্যাকব ডাফি।

তৃতীয় ম্যাচে দুই দলের একাদশ-

বাংলাদেশ: লিটন দাস, নাঈম শেখ, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদী হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, নাসুম আহমেদ ও মুস্তাফিজুর রহমান

নিউজিল্যান্ড : ফিন অ্যালেন, রাচিন রবীন্দ্র, উইল ইয়ং, টম ল্যাথাম, কলিন ডি গ্র্যান্ডহোম, হেনরি নিকোলস, টম ব্লানডেল, কোল ম্যাককঞ্চি, স্কট কুগেলেইন, এজাজ পেটেল, জ্যাকব ডাফি।


আরও খবর
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থিম সং প্রকাশ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

মেসিকে পেছনে ফেললেন সিআর সেভেন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




‘দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে’

প্রকাশিত:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | ১৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
মৎস্যজীবী নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করা চলমান রয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন হালনাগাদ হয়ে যাবে। প্রকৃত মৎস্যজীবীরা এ তালিকার আওতায় আসবেন। মাছ ধরা বন্ধের সময় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে

দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুরে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের নবনির্মিত মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র উদ্বোধন শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন,দেশের মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধির জন্য শেখ হাসিনা সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়েছে। ইলিশ নিয়ে গবেষণার জন্য গবেষণা কেন্দ্র করা হয়েছে। দেশের যে প্রান্তে ইলিশ কমে যাচ্ছে সে প্রান্তে উৎপাদন যাতে বাড়ানো যায়, ইলিশ যাতে নির্বিঘ্নে প্রজনন করতে পারে, এ বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা হয়েছে।

যে সব নদীতে ইলিশ ছিল, কিন্তু এখন নেই সেখানে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।"

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন,মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম করা হচ্ছে। অনাকাঙ্ক্ষিত মৎস্য আহরণ বন্ধ করার জন্য যেসব এলাকায় নজর দেয়া দরকার, সে সব এলাকায় নজর দেয়া হচ্ছে। নদীর গভীরতা যাতে নষ্ট না হয়, নদীর গতি-প্রকৃতি যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়ে আমরা খেয়াল রাখছি। নদীর নাব্যতার কারণে মৎস্যসম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের নজরে আনা হবে।"

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, "মৎস্যজীবী নিবন্ধন একটি চলমান প্রক্রিয়া মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদ করা চলমান রয়েছে। আগামী ৬ মাসের মধ্যে মৎস্যজীবীদের নিবন্ধন হালনাগাদ হয়ে যাবে। প্রকৃত মৎস্যজীবীরা এ তালিকার আওতায় আসবেন। মাছ ধরা বন্ধের সময় প্রকৃত মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি বিকল্প কর্মসংস্থানের উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে।"

মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকাকালে প্রকৃত মৎস্যজীবীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলেও এ সময় আশ্বস্ত করেন তিনি। মৎস্য আহরণ বন্ধ রাখার সময় পরিবর্তনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে বলেও জানান তিনি। যারা সমুদ্রে মাছ আহরণে যাবেন তাদের আধুনিক প্রযুক্তির সুযোগ-সুবিধা দেয়ার বিষয়টিও সরকারের বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, " বাংলাদেশে মৎস্য আহরণ বন্ধ থাকাকালে বাংলাদেশের নিকটবর্তী ভারতের নদী বা সমুদ্র এলাকায় একই সময়ে মৎস্য আহরণ বন্ধের বিষয়টি ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে বৈঠকে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে।"

আগামী সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে এ সময় মন্ত্রী বলেন, "দেশের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচন করার অধিকার রয়েছে। আইন অনুযায়ী নির্বাচন অনুষ্ঠান করে নির্বাচন কমিশন এবং নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে। এক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি করা নিতান্তই মুর্খতা। কাজেই বিএনপি বা তাদের জোট যেটা দাবি করছে, এটা সংবিধান পরিপন্থী। সংবিধান পরিপন্থী কোন নির্বাচন বা কোন প্রক্রিয়া শেখ হাসিনা সরকার হতে দেবে না।"

বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী হাসান আহমেদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত মোঃ তৌফিকুল আরিফ ও যুগ্ম সচিব মোঃ আব্দুল মতিন, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, কলাপাড়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম রাকিবুল আহসানহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের খেপুপাড়া নদী উপকেন্দ্রের অফিস কাম গবেষণা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।


আরও খবর