আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

গাজীপুরে ঝুটের গুদামে আগুন

প্রকাশিত:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গাজীপুরের পুবাইলে মাজুখান এলাকায় একটি ঝুটের গুদামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট।

রবিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সোয়া ১০টার দিকে আগেুনের সূত্রপাত হয়। পরে তা গুদামের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে টঙ্গী ফায়ার স্টেশনের চারটি, উত্তরা ফায়ার সার্ভিসের একটি এবং গাজীপুর সদর থেকে একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নেভানোর কাজ শুরু করে।

গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল হামিদ জানান আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে আগুন লাগার কারণ এখনো জানা যায়নি।

ঝুট ব্যবসায়ী খলিলুর রহমান জানান, তারা টঙ্গীর বাজার এলাকায় প্রথমে ঝুটের ব্যবসা শুরু করেন। সেখানে জায়গা কম থাকায় পুবাইলের মাজুখান এলাকায় ঝুটের গুদাম বানিয়ে ব্যবসা শুরু করেন তারা। সেখানে শতাধিক গুদামে কোটি কোটি টাকার মালামাল মজুত ছিল বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, চোখের সামনে কোটি কোটি টাকার মালামাল পুড়ে যাচ্ছে, দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া কিছুই করার নেই। বেশ কিছুদিন আগেও এই জায়গায় আগুনের ঘটনা ঘটে। কিন্তু সেটি তুলনামূলক ছোট ঘটনা ছিল। কিন্তু এবারের আগুন আমাদের একেবারে পথে বসিয়ে দিয়েছে।


আরও খবর
গাজীপুরে দূরপাল্লার ৪৭ বাস আটক

শুক্রবার ০৬ আগস্ট ২০২১




শিক্ষকদের ৬ মাসের বেশি বরখাস্ত রাখা যাবে না: হাইকোর্ট

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্কুল, কলেজ বা মাদরাসার কোনও শিক্ষককে ৬ মাসের বেশি সাময়িক বরখাস্ত করে রাখা যাবে না উল্লেখ করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে কোন শিক্ষককে ৬ মাসের বেশি সময় ধরে বরখাস্ত করে রাখলে ওই আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে বলেও রায়ে জানিয়েছেন আদালত। অর্থাৎ, সাময়িক বরখাস্তের মেয়াদ ৬ মাসের বেশি সময় অতিক্রম করলে সয়ংক্রিয়ভাবে তিনি চাকরিতে পুনর্বহাল হবেন বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

এ বিষয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করে বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রিটকারী শিক্ষকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী হুমায়ুন কবির।

এর আগে মাগুরা উপজেলা সদরের বাহারবাগ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. বাদশা মিয়াকে অতিরিক্ত বেতন নেওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালে সামরিক বরখাস্ত করা হয়। তবে বেসরকারি শিক্ষকদের সাময়িক বরখাস্ত রাখার কোনও মেয়াদ ছিল না। ফলে দীর্ঘদিন ওই শিক্ষকের অভিযোগের নিষ্পত্তি না করায় ২০১৭ সালে তিনি হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। পরে আদালত এ বিষয়ে রুল জারি করেন। সেই রুল নিষ্পত্তি করে রায় দিলেন হাইকোর্ট।

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট

আরও খবর



দেশের সব কারাগার ও থানায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালুর নির্দেশ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রকৃত আসামি শনাক্তে দেশের সব কারাগার ও থানায় ক্রমান্বয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও কারা কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এই আদেশ দেন। একই সঙ্গে নাশকতার মামলায় ভুল আসামি জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা অবৈধ ঘোষণা করেছেন আদালত।

আবেদনকারীর পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির এ রায়ের বিষয়টি গনমাধ্যমকে জানান। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন এডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।

এডভোকেট শিশির মনির বলেন, আদালত পর্যবেক্ষণসহ রুল চূড়ান্ত ঘোষণা করেছেন। আবেদনকারী জহির উদ্দীনের বিরুদ্ধে জারি করা পরোয়ানা অবৈধ এবং আইন বহির্ভূত হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

এছাড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে তিনটি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। সেগুলো হলো-

১. বিদ্যমান ব্যবস্থার সঙ্গে সব থানায় আসামির হাতের আঙুল ও তালুর ছাপ, চোখের মণি, বায়োমেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন।

২. গ্রেফতারের পর আসামির সম্পূর্ণ মুখের ছবি ধারণ ও কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারে সংরক্ষণ।

৩. দেশের সব কারাগারে আঙুল ও হাতের তালুর ছাপ, চোখের মণি সংরক্ষণের মাধ্যমে বায়োমেট্রিক তথ্য সংরক্ষণ সিস্টেম চালু করা।

এর আগে গত সপ্তাহে নাশকতার অভিযোগে রাজধানীর খিলগাঁও থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর বসুরহাটের মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নয় মর্মে হাইকোর্টে প্রতিবেদন দেয় পিবিআই।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার প্রকৃত আসামি নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস। গত বছরের ১০ মার্চ হাইকোর্ট এক আদেশে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জহির উদ্দিনের বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার কার্যকারিতা স্থগিত করেন। একইসঙ্গে নোয়াখালীর জহির উদ্দিন ওই মামলার প্রকৃত আসামি কি-না, তা তদন্ত করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন।

পিবিআইয়ের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার আলমের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জহির উদ্দিনকে খিলগাঁও থানার মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) গ্রেফতারি পরোয়ানার আসামি হিসেবে চিহ্নিত করার মতো পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। জহির উদ্দিন প্রকৃতপক্ষে গ্রেফতারি পরোয়ানাধারী ব্যক্তি নয়। প্রকৃত আসামি মোদাচ্ছের আনছারী ওরফে মোহাদ্দেস।

আইনজীবী শিশির মনির জানান, রাজধানীর খিলগাঁও থানায় ২০১৩ সালের ৯ এপ্রিল দায়ের হওয়া মামলায় (নম্বর-১২(৪)১৩) পুলিশ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের শাহজাদপুর গ্রামের আহসান উল্লাহর ছেলে মোদাচ্ছের আনছারীকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের হাতে গ্রেফতার হওয়ার পর মোদাচ্ছের তার নাম-ঠিকানা গোপন করে নিজেকে নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার আজগর আলী মোল্লা বাড়ি মসজিদ রোড এলাকার মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের ছেলে মোহাম্মদ জহির উদ্দিন নামে পরিচয় দেন। এরপর ওই বছরের ৩১ অক্টোবর মোদাচ্ছের জামিন পেয়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে পালিয়ে যান। তিনি জহির উদ্দিন নামেই আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন। পুলিশ তদন্ত শেষে জহির উদ্দিনসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৮ এপ্রিল অভিযোগপত্র দেয়। এরপর ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ২০১৭ সালের ১১ অক্টোবর জহিরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এ অবস্থায় জহির উদ্দিন তার বিরুদ্ধে জারি করা গ্রেফতারি পরোয়ানার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেন।



আরও খবর



চট্টগ্রামে ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ২ মৃত্যু, শনাক্ত ১৫৯

প্রকাশিত:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চট্টগ্রামে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১৫৯ জনের শরীরে ভাইরাসটি শনাক্ত হয়েছে। আজ শনিবার চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো করোনা-সংক্রান্ত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় চট্টগ্রামে ১ হাজার ৫৯৪ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ছিল ১০। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে নগরের ৮৬ জন এবং নগরের বাইরের বিভিন্ন উপজেলার ৭৩ জন। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজনই নগরের বাসিন্দা।

এর আগের দিন চট্টগ্রামে ১ হাজার ৪৪২ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৪০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। পরীক্ষার তুলনায় করোনা শনাক্তের হার ছিল ১০। সেদিনও জেলাটিতে করোনায় দুজনের মৃত্যু হয়।

চট্টগ্রামে গত বছরের ৩ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ৯ এপ্রিল ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনো ব্যক্তি মারা যান। সরকারি হিসাব অনুযায়ী, চট্টগ্রামে এখন পর্যন্ত ৯৯ হাজার ৯২৫ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে। করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১ হাজার ২৪১ জন।



আরও খবর



নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, কাবুল ছেড়েছেন বারাদার

প্রকাশিত:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে তালেবান নেতাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। দেশটির নতুন সরকার গঠন নিয়ে দ্বন্দ্বের পর তর্ক-বিতর্কে জড়িয়েছেন তারা। এর জের ধরে কাবুল ছেড়ে চলে গেছেন তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার।

তালেবানের জ্যেষ্ঠ নেতাদের বরাত দিয়ে বুধবার (১৫ সেপ্টেম্বর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। তালেবানের ওই নেতারা জানিয়েছেন, দেশটির নতুন অন্তর্বর্তী সরকার গঠন নিয়ে কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার এবং নতুন সরকারে স্থান পাওয়া এক মন্ত্রীর মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়।

তালেবানের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আব্দুল গনি বারাদারকে সম্প্রতি প্রকাশ্যে দেখা না যাওয়ার পর থেকেই আফগানিস্তানে নতুন সরকার গঠন নিয়ে দ্বন্দ্ব চলছে বলে খবর বের হয়েছে। তবে তালেবান আনুষ্ঠানিকভাবে এসব খবর প্রত্যাখ্যান করেছে।

গত ১৫ আগস্ট কাবুল দখলের মাধ্যমে আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতা দখলে নেয় তালেবান। এরপরই আফগানিস্তানকে ইসলামিক আমিরাত হিসেবে ঘোষণা করে করে গোষ্ঠীটি।

গত সপ্তাহে আফগানিস্তানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঘোষণা করে তালেবান। দেশটির নতুন এই সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ। কোনো নারীর স্থান না হওয়া নতুন এই সরকারে এমন সব জ্যেষ্ঠ ও কট্টরপন্থি তালেবান নেতাদেরকে স্থান দেওয়া হয়েছে, যারা গত দুই দশক ধরে দেশটিতে মার্কিন বাহিনীর ওপর জঘন্য সব হামলা পরিচালনার জন্য অভিযুক্ত।

আফগানিস্তানের নতুন সরকারের প্রধান হলেও মোল্লা মোহাম্মদ হাসান আখুন্দ জাতিসংঘের কালো তালিকায় রয়েছেন। ১৯৯৬-২০০১ সালে তালেবানের প্রথম দফার সরকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। অবশ্য বিশ্বের কোনো দেশই এখন পর্যন্ত তালেবানের এই সরকারকে স্বীকৃতি দেয়নি।

তালেবানের একটি সূত্র বিবিসি পশতুকে জানিয়েছে, আফগানিস্তানে গঠন করা নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নিয়ে প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে বাক-বিতণ্ডায় লিপ্ত হন মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার এবং নতুন সরকারের শরণার্থী বিষয়ক মন্ত্রী খলিল-উর রহমান হাক্কানি। এসময় তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

খলিল-উর রহমান হাক্কানি দেশটির প্রভাবশালী হাক্কানি নেটওয়ার্কের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতা। উভয় নেতার বাক-বিতণ্ডার সময় আশপাশে থাকা তাদের অনুসারীরাও ঝগড়ায় লিপ্ত হন বলেও ওই সূত্রটি জানিয়েছে।

বিবিসি জানিয়েছে, কাতারে অবস্থান করছেন তালেবানের এমন একজন শীর্ষ নেতাও এই ঘটনার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, গত সপ্তাহের শেষের দিকে কাবুলের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে এই ঘটনা ঘটেছে।

সূত্রগুলো জানিয়েছে, আফগানিস্তানের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপ-প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার সদ্য গঠনকৃত সরকার নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন এবং এ কারণেই মূলত বাক-বিতণ্ডার ওই ঘটনা ঘটেছে। বলা হচ্ছে- আফগানিস্তানে তালেবানের বিজয়ের পেছনে কাদের অবদান বেশি; এটি নিয়েও তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়।

গত সপ্তাহ থেকে বারাদারকে আর প্রকাশ্যে দেখা যায়নি। এরপরই নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে বারাদার নিহত হয়েছেন বলে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। তবে তা অস্বীকার করেছে তালেবান।

তালেবানের কয়েকটি সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে, বাক-বিতণ্ডার পর মোল্লা আব্দুল গনি বারাদার কাবুল ছেড়ে কান্দাহারে চলে গেছেন।

 

নিউজ ট্যাগ: তালেবান নেতা

আরও খবর
বিশ্বে করোনায় মৃত্যু-শনাক্ত কমেছে

শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১




বাংলাদেশে কোন নিরপেক্ষ ও তত্বাবধায়ক সরকার হবে না: কৃষিমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে কোন নিরপেক্ষ সরকার হবে না। কোন তত্ত্বাবধায়ক সরকারও হবে না। বাংলাদেশে হবে সাংবিধানিক সরকার। সংবিধানের আলোকে আগামী দিনের নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে টাঙ্গাইল সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন। যে নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকার বা কারও কোন নিয়ন্ত্রণ থাকবে না।

তিনি বলেন, নির্বাচনের এখনো আড়াই বছর বাকি রয়েছে। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আবারও বিএনপি আন্দোলনের হুমকি দিচ্ছে। ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত তাদের দুঃশাসন, অপশাসন, সন্ত্রাস ও অর্থনীতিকে ধ্বংস করার কারণে তাদের পায়ের নিচে থেকে মাটি সরে গেছে। তারা আন্দোলনের ডাক দিলে জনগণ সারা দেয় না।

চন্দ্রিমা উদ্যানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের লাশের ব্যাপারে ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এটি নিয়ে বিরাট ভুল বুঝাবুঝি রয়েছে। সত্য উদঘাটন হচ্ছে। আশা করি হয়ে যাবে।

এরপর তিনি শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর-উদ্যানে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সবুর খান বীর বিক্রমের স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। জেলা শ্রমিক ফেডারেশনর সভাপতি মো. বালা মিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, সাবেক মন্ত্রী শাজাহান খান, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফজলূর রহমান খান ফারুক, সংসদ সদস্য এডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলাম জোয়াহের, ছানোয়ার হোসেন ও তানভীর হাসান ছোট মনির প্রমুখ।


আরও খবর