আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

হানিকুইন আনারসে সয়লাব রাঙামাটির বাজার

প্রকাশিত:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৪ মে ২০২২ | ৪১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পার্বত্য জেলা রাঙামাটির হানিকুইন আনারস দেশজুড়ে বিখ্যাত। মৌসুমী রসালো মিষ্টি ফলটি বর্তমানে জেলার বাজার দখল করে আছে। বিক্রেতাদের হাঁক-ডাক এবং ক্রেতা সমাগমে হাটগুলো বেজায় ব্যস্ত। চলতি বছর জেলায় আবহাওয়া ভালো থাকায় অন্যান্য বছরের তুলনায় ফলনও বেশ ভালো হয়েছে। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রসালো ফলটি জেলার বাইরে চট্টগ্রাম ও ঢাকার বাজারে যাচ্ছে।

পাহাড়ের মাটি আনারস চাষের উপযোগী হওয়ায় আবাদ বাড়ছে দিনদিন। পাহাড়ে উৎপাদিত কেমিক্যালমুক্ত রসালো ফলটির স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি জেলার বাইরে চাহিদা রয়েছে বেশ। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে কৃষকরা চাষ করে ফলটি। কৃষকরা ইঞ্জিন চালিত নৌকায় করে রাঙামাটি শহরের সমতাঘাট, তবলছড়ি, পৌর ট্রাক টার্মিনাল এবং রিজার্ভ বাজারে নিচ্ছেন এবং সেখান থেকে পাইকারি ব্যবসায়ীরা আনারস কিনে ট্রাকে করে জেলার বাইরে নিয়ে যাচ্ছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙামাটি কার্যালয় সূত্র জানায়, হানিকুইন জাতের এ আনারস জেলায় চলতি মৌসুমে দুই হাজার একশ হেক্টর জমিতে চাষ করা হয়েছে। বর্তমানে আনারসের ব্যাপক চাহিদা। সেই সঙ্গে উৎপাদন ভালো হওয়ায় কৃষকদের আনারস চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে।

এদিকে রাঙামাটির বনরূপা, কলেজগেট, তবলছড়ি এবং রিজার্ভবাজার হাটগুলো ঘুরে দেখা গেছে, বড় প্রতিজোড়া আনারস ৬০ টাকা, মাঝারি ৪০ এবং ছোটগুলো ২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। ফলন ভালো হওয়ায় এবং দাম হাতের নাগালে থাকায় বেজায় খুশি ক্রেতারা। রসালো ফলটি খেয়ে তৃপ্তির ঢেঁকুর তুলছেন তারা।

নানিয়ারচর উপজেলার আনারস চাষি দীপ্তিময় চাকমা বলেন, এ বছর ১০ একর পাহাড়ি জমিতে আনারস চাষ করেছি। উৎপাদনও হয়েছে বেশ। তবে উৎপাদন বেশি হওয়ায় বাজারে আনারসের দাম পূর্বের তুলনায় কিছুটা কম। জেলার আনারস ব্যবসায়ী রহমত মিয়া বলেন, কখনো লাভ বেশি আবার কখনো লোকসান গুণতে হয়। এ বছর উৎপাদন ভালো হওয়ায় আনারসের দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুট কম। 

রাঙামাটিতে আনারস কিনতে আসা চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী আসাদ সওদাগর বলেন, প্রতি বছর লাখ পিস আনারস কিনি রাঙামাটি থেকে। এ অঞ্চলের আনারস অত্যন্ত সুস্বাদু এবং ক্রেতাদের চাহিদা ব্যাপক রয়েছে। তাই প্রতি মৌসুমে এখান থেকে আনারস কিনে চট্টগ্রামে নিয়ে যাই। আনারস কিনতে আসা আবুল ফজল বলেন, আমাদের অঞ্চলের মতো এত সুস্বাদু আনারস আমি এখনো খাইনি। দাম বেশি থাকুক বা না থাকুক, প্রতি বছর পরিবারের জন্য আনারস কিনে থাকি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রাঙামাটি কার্যালয়ের উপ-পরিচালক তপন কুমার পাল বলেন, চলতি মৌসুমে জেলায় হানিকুইন জাতের আনারসের ফলন ভালো হয়েছে। প্রতি বছর আনারসের চাহিদা বাড়ায় জেলায় আনারসের ফলন বাড়ছে। যে কারণে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাষিদের আনারস চাষে সব ধরনের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। কৃষকরাও লাভের মুখ দেখছেন।

কৃষক এবং ব্যবসায়ীদের অনেক বছরের দাবি, রাঙামাটিতে একটি হিমাগার দরকার। হিমাগার না থাকায় প্রতি বছর হাজার টন আনারসসহ অন্যান্য ফসল পচে যায়। যে কারণে উৎপাদিত ফল সংরক্ষণের জন্য একটি হিমাগার খুবই গুরত্বপূর্ণ। তাই জেলায় একটি হিমাগার তৈরির জন্য সরকারের কাছে জোর দাবি জানান ব্যবসায়ী এবং কৃষকরা।

নিউজ ট্যাগ: হানিকুইন আনারস

আরও খবর
যেসব কারণে ভেড়া পালন লাভজনক

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




গোমস্তাপুরে একজনের লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৮৯০জন দেখেছেন

Image

গোমস্তাপুর (চাঁপাইনবাবঞ্জ) প্রতিনিধি:

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার পার্বতীপুর ইউনিয়নের নজরপুর গ্রামের পার্শ্বে আড্ডা-রহনপুর সড়কের পার্শ্বে থেকে নজরুল ইসলাম (৬০) নামে একজনের লাশ উদ্ধার করেছে গোমস্তাপুর থানা পুলিশ।

নিহত নজরুল ইসলাম (কসাই) উপজেলার রহনপুর ইউনিয়ানের বংপুর গ্রামের মৃত রুস্তম আলীর ছেলে।

থানা পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান বুধবার ( ১১ মে)  সকাল ৭টার দিকে নজরপুর এলাকায় আড্ডা-রহনপুর সড়কের পাশে লাশটি পরে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়।

গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ দিলীপ কুমার দাস জানান লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জের আধুনিক হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হবে।

তবে এ ব্যাপারে তার স্ত্রী লাল বানু ও ছেলে মিজান এবং তার এক বন্ধুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। তিনি আরো জানান, পরিকল্পিত হত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আমরা দ্রুত ঘটনা উদঘাটনের চেষ্টা করছি। ঘটনা উদঘাটন করেই পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


আরও খবর



ডেসটিনির রফিকুলের ১২ বছরের কারাদণ্ড

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানিলন্ডারিং মামলায় ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি রফিকুল আমিনের ১২ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক সেনাপ্রধান হারুন-অর-রশিদের ৪ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শেখ নাজমুল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। এর আগে গত ২৭ মার্চ আদালত রাষ্ট্র ও আসামিপক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করেছিলেন।

২০১৪ সালের ৪ মে মামলার চার্জশিট দাখিল করে দুদক। এতে ডেসটিনির গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগ আনা হয়। চার্জশিটে কো-অপারেটিভ সোসাইটির মামলায় ৪৬ জনকে আসামি করা হয়।

তাদের মধ্যে জামিনে রয়েছেন লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম, লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ, মিসেস জেসমিন আক্তার (মিলন), জিয়াউল হক মোল্লা ও সাইফুল ইসলাম রুবেল। কারাগারে আছেন এমডি রফিকুল আমীন ও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন। অন্য ৩৯ আসামি পলাতক।

পলাতক আসামিরা হলেন- ডেসটিনির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক গোফরানুল হক, পরিচালক মেজবাহ উদ্দিন, ফারাহ দীবা, সাঈদ-উর-রহমান, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসেন, জমশেদ আরা চৌধুরী, ইরফান আহমেদ, শেখ তৈয়বুর রহমান, নেপাল চন্দ্র বিশ্বাস, জাকির হোসেন, জসিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এসএম আহসানুল কবির, জুবায়ের হোসেন, মোসাদ্দেক আলী খান, আবদুল মান্নান, আবুল কালাম আজাদ, আজাদ রহমান, মো. আকবর হোসেন সুমন, মো. সুমন আলী খান, শিরীন আকতার, রফিকুল ইসলাম সরকার। মো. মজিবুর রহমান, ড. এম হায়দারুজ্জামান, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, কাজী মো. ফজলুল করিম, মোল্লা আল আমীন, মো. শফিউল ইসলাম, ওমর ফারুক, সিকদার কবিরুল ইসলাম, মো. ফিরোজ আলম, সুনীল বরণ কর্মকার ওরফে এসবি কর্মকার, ফরিদ আকতার, এস সহিদুজ্জামান চয়ন, আবদুর রহমান তপন, মেজর (অব.) সাকিবুজ্জামান খান, এসএম আহসানুল কবির (বিপ্লব), এএইচএম আতাউর রহমান রেজা, গোলাম কিবরিয়া মিল্টন, মো. আতিকুর রহমান, খন্দকার বেনজীর আহমেদ, একেএম সফিউল্লাহ, শাহ আলম, মো. দেলোয়ার হোসেন ও মো. শফিকুল হক।

মামলা সূত্রে জানা যায়, মাল্টিপারপাস কো-অপারেটিভের নামে ডেসটিনি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ১ হাজার ৯০১ কোটি টাকা সংগ্রহ করে। সেখান থেকে আত্মসাৎ করা হয় ১ হাজার ৮৬১ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। যার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েন সাড়ে ৮ লাখ বিনিয়োগকারী।


আরও খবর



আজকের রাশিফল!

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজকের রাশিফল ১৮ মে ২০২২ বুধবার, চাঁদ বৃশ্চিক থেকে ধনু রাশিতে যাত্রা করছে। ধনু রাশিতে চন্দ্রের যোগাযোগের কারণে গজকেশরী যোগ তৈরি হবে, কারণ চন্দ্র মীন রাশিতে গমনকারী বৃহস্পতি থেকে কেন্দ্রস্থলে থাকবে। এমন পরিস্থিতিতে আজকের দিনটি ধনু রাশির জন্য শুভ হবে, গণেশের আশীর্বাদে অন্যান্য রাশির জাতকদের দিনটি কেমন যাবে, দেখুন আজকের ভবিষ্যদ্বাণী।

মেষ: মার্চ ২১ থেকে এপ্রিল ১৯। আজ অকারণেই আপনি হতাশ বোধ করতে পারেন। তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আজকের দিনটি অত্যন্ত শুভ। অতীতের ব্যবসায়িক পরিকল্পনা আজ ফল দেবে।

বৃষ: এপ্রিল ২০ থেকে মে ২০। আজ আপনার শারীরিক কোনও সমস্যা না থাকলেও মানসিক ভাবে সামান্য সমস্যায় পড়তে পারেন। চেষ্টা করুন সম্পর্কের পুরনো ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে ফেলতে। আর্থিক বিষয়ে কোনও পদক্ষেপ নিতে পারেন।

মিথুন: মে ২১ থেকে জুন ২০। ডায়েটে অতিরিক্ত অনিয়মের কারণে আপনার স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে, চেষ্টা করুন তা শুধরে নিতে। সম্পর্কে বেশ জটিলতা তৈরি হতে পারে। শিক্ষার্থীরা যে কোনও পরীক্ষায় ভাল ফল করবেন।

কর্কট: জুন ২১ থেকে জুলাই ২২। আজ অনেক পরিস্থিতিই আপনার হাতের বাইরে বেরিয়ে যেতে পারে। চেষ্টা করুন অন্যদের কথা শুনতে। তবে কর্মক্ষেত্রে দিনটি আপনার জন্য শুভ।

সিংহ: জুলাই ২৩ থেকে অগাস্ট ২২। রোজকার রুটিন পরিবর্তন করতে চাইলে করতে পারেন তবে, একেবারে পরিবর্তন না করাই ভাল। আপনি অযথা আপনার সম্পর্ককে জটিল করছেন।

কন্যা: অগাস্ট ২৩ থেকে সেপ্টেম্বর ২২। আজ আপনি যশ এবং অর্থ দুই পাবেন। তবে কর্মক্ষেত্রে অত্যাধিক কাজের চাপ আপনার ঘুমের ব্যঘাত ঘটাবে। যাঁরা সিঙ্গল রয়েছেন তাঁরা এবার সম্পর্কে যেতে পারেন।

তুলা: সেপ্টেম্বর ২৩ থেকে অক্টোবর ২২। সৃজনশীল পেশার সঙ্গে যুক্তদের জন্য বেশ ভাল দিন। স্বাস্থ্যও আজ খুব ভাল সঙ্গ দেবে। আপনি যে সব প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করেছেন, তা সর্বসমক্ষে প্রকাশ করার সময় এটাই।

বৃশ্চিক: অক্টোবর ২৩ থেকে নভেম্বর ২১। আজ আপনার শারীরিক ও মানসিক উভয় স্বাস্থ্যই ভাল যাবে। কাজের ক্ষেত্রে আপনি আত্মবিশ্বাসী অনুভব করবেন। আজ কোনও ইন্টারভিউতে অংশ নিলে আপনি সফল হবেন।

ধনু: নভেম্বর ২২ থেকে ডিসেম্বর ২১। অতিরিক্ত রাত জাগার অভ্যেস থাকলে তা আপনার শরীরের ক্ষতি করবে। কলিগের সঙ্গে রোম্যান্টিক সম্পর্কে জড়ানো নিয়ে আপনার নানা সমস্যা হতে পারে। কোনও বিষয়ে বন্ধুদের থেকে সাহায্য চাইতে হলে দ্বিধা করবেন না।

মকর: ডিসেম্বর ২২ থেকে জানুয়ারি ১৯। আজ সারাদিন এনার্জি তুঙ্গে থাকবে। তবে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আপনি কিছুটা অ্যাগ্রেসিভ হয়ে উঠতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে কোনও বিষয় নিয়েই অযথা টেনশন করবেন না।

কুম্ভ: জানুয়ারি ২০ থেকে ফেব্রুয়ারি ১৮। শারীরিক স্বাস্থ্য অসাধারণ থাকবে আজ। আপনার কলিগ হোক বা পরিবারের সদস্যরা- সবাই আজ আপনার প্রশংসা করবেন। কমিউনিকেশন স্কিল নিয়ে চর্চা করুন, এতে আপনিই লাভবান হবেন।

মীন: ফেব্রুয়ারি ১৯ থেকে মার্চ ২০। যতই ব্যস্ত সময় কাটুক, এক্সারসাইজ করতে ভুলবেন না। যাঁরা আপাতত কর্মহীন রয়েছেন তাঁরা ভাল কাজের সুযোগ পেতে পারেন।


আরও খবর



সিলেট ও সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢল আর বৃষ্টির পানিতে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সুরমা নদীর তীর উপচে পানি ঢুকে পড়েছে সিলেট নগরীর বেশ কিছু এলাকা। প্রায় ১৮ বছর পর সিলেট নগরে বন্যার পানি ঢুকল। সুনামগঞ্জ শহরেরও নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।

ঢলের পানিতে প্লাবিত হয়েছে ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদসহ ফসলি জমি। ঢলের পানিতে সদর ও দেয়ারাবাজার উপজেলার অনেক পুকুরের মাছ ভেসে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে পড়েছেন মাছ চাষিরা। মঙ্গলবার সন্ধ্যার শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বন্যার কারণে পানি ওঠায় জেলার ছাতক-সুনামগঞ্জ-সিলেট, তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, সুনামগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জ-হালুয়াঘাট-মঙ্গলকাটা সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

সিলেট সুনামগঞ্জ সড়কের গোবিন্দগঞ্জ এলাকায় পানি উঠায় যান চলাচলে ভোগান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে সুনামগঞ্জ শহরের সাহেববাড়ি, মধ্যবাজার, জেলরোড, লঞ্চঘাট, উকিলপাড়া, নবীনগর, বড়পাড়াসহ একাধিক পয়েন্টে পানি প্রবেশ করায় ভোগান্তিতে রয়েছেন নগরবাসী। অপরদিকে পানিবন্ধী অবস্থায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন সুরমা নদীর তীরবর্তী সুনামগঞ্জ সদর, বিশ্বম্ভপুর, তাহিরপুর,দোয়ারাবাজার, ছাতক, ধর্মপাশাসহ অন্তত ১০ ইউনিয়নের ২০ হাজার মানুষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টা, ভারতের আসাম ও মেঘালয়ে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা থাকায় সুনামগঞ্জ -সিলেট অঞ্চলে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকতে পারে এবং টানা বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলে সুনামগঞ্জে মাঝারি ধরনের বন্যার সৃষ্টি হতে পারে।

বন্যার্তদের সহযোগিতায় জেলার দোয়ারাবাজার উপজেলায় ১০ টন চাল ও নগদ দুই লাখ টাকা এবং বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৭ টন চাল বরাদ্দ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ ছাড়াও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণের ওপরে অন্যান্য বন্যা কবলিত উপজেলায় চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন। বন্যায় আশ্রয় কেন্দ্রের জন্য বন্যার্ত এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আশ্রয়কেন্দ্রগুলো খোলা রাখার কথা জানিয়েছেন তিনি।

ঢলের পানিতে তাহিরপুর, বিশ্বম্ভরপুর, দোয়ারাবাজার ও সদর উপজেলার উচ্চ এলাকার ৭০০ হেক্টর বোরো জমি এবং ৭০ হেক্টর চিনা বাদাম তলিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণের উপপরিচালক বিমল চন্দ্র সোম। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বেশি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

সদর উপজেলার সুরমা ভৈষারপার গ্রামের মুজিবুর রহমান বলেন, অনেক ঘরবাড়িতে পানি উঠেছে। আমাদের গ্রামের রাস্তায় পানি, স্কুলে পানি, পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। কাংলার হাওর, রাঙ্গাউরি, ধরাবিলসহ কয়েকটি হাওরের স্কিমে চাষ করা জমির ফসল তলিয়ে গেছে।

আমীর হোসেন নামে আরেক কৃষক বলেন, পানিতে ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। তিনখানি জমি চাষ করেছিলাম একটু ধানও কাটতে পারিনি। হঠাৎ পানি এসে আমার সব নিয়ে গেছে।

ভারতে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের কারণে সুনামগঞ্জের সুরমাসহ সকল নদ-নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টা পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সামছুদ্দোহা।

জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, পাহাড়ি ঢল অতি বৃষ্টিতে সুনামগঞ্জে সুরমা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।বন্যা মোকাবিলায় সকল ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে আমাদের। সরকারের তরফ থেকে বন্যার্ত এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে যাচ্ছে।


আরও খবর



আন্তঃবাহিনী আযান ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা সমাপ্ত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩১০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আন্তঃবাহিনী আযান ও ক্বিরাত প্রতিযোগিতা-২০২২ এর সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান ঢাকা সেনানিবাসস্থ সেনা কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়।

আজ সমাপনী অনুষ্ঠানে ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ (এনডিসি) এর কমান্ড্যান্ট লেফটেন্যান্ট জেনারেল মোঃ আকবর হোসেন, এসবিপি, এসইউপি (বার), এএফডব্লিউসি, পিএসসি, জি+, পিএইচডি, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় তিন বাহিনীর প্রতিযোগীগণ এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিতায় সেনাবাহিনী দল চ্যাম্পিয়ন এবং নৌবাহিনী দল রানারআপ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। আযান প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সার্জেন্ট মোঃ রিয়াজ উদ্দীন আযানে ও সার্জেন্ট মোঃ আনোয়ার হোসেন ক্বিরাতে প্রথম স্থান অর্জন করেন।

এ সময় সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণসহ সকল পদবীর সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

গত ১০ মে ২০২২ তারিখে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতায় আযানে ১৫ জন এবং ক্বিরাতে ১৫ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন । উল্লেখ্য, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী নৌ বাহিনী প্রধান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ শফিউল আজম, এনইউপি, এনডিসি, পিএসসি।

এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে তিন বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মনোভাবের বিকাশ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরো মজবুত হবে বলে আশা করা যায়।


আরও খবর