আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

হবিগঞ্জে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আহত ৩০

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ০৫ মে ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদেরকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহতদের উদ্ধার করে।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে মাধবপুর থেকে সিলেটগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে মহাসড়কের নুরপুর এলাকায় সিলেট থেকে কুমিল্লাগামী অপর একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধলে একটি বাস উল্টে খাদে পড়ে যায়। এতে অন্তত ৩০ যাত্রী গুরুতর আহত হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ১৫ জনকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ওসি আরও জানান, সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদেরকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


আরও খবর



ঢাকায় অবৈধ ইটভাটার অর্ধেকেরও বেশি সচল

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা জেলায় ১১৬টি অবৈধ ইটভাটা ধ্বংসের লক্ষ্য নিয়ে চলতি বছরের শুরু থেকে অভিযানে নামে পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকা জেলা। সাড়ে পাঁচ মাস শেষে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ৪৪টি ইটভাটায় অভিযান সম্পন্ন করে পরিবেশ অধিদপ্তর। পরিসংখ্যান-মতে, এখন পর্যন্ত ঢাকায় অর্ধেকের বেশি অবৈধ ইটভাটা চালু রয়েছে। ইটভাটায় অভিযানের পর কোনো রকম তদারক করছে না পরিবেশ অধিদপ্তর। ফলে বন্ধের পরও নতুন করে চালু হচ্ছে ইটভাটাগুলো। পরিবেশ দূষণ রোধে অধিদপ্তরের তদারকি জোরদার করার মাধ্যমে অবৈধ ইটভাটা বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

ঢাকা ছাড়াও আশপাশের পাঁচ জেলায় ৩১৯টি অবৈধ ইটভাটা রয়েছে। ইটভাটাগুলো বন্ধ করার জন্য পরিবেশ আইনবিদ অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ হাইকোর্টে রিট করলে গত ১ মার্চ ঢাকা জেলার সব অবৈধ ইটভাটা ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১৫ দিনের মধ্যে আদেশ বাস্তবায়নের সময়সীমা বেঁধে দিলেও বেশির ভাগ ভাটাই দিব্যি চলছে। পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ঢাকায় এখনো অবৈধ ৭২টি ইটভাটা সচল রয়েছে। পরিবেশ আইনের তোয়াক্কা না করে লোকালয় ও ফসলি জমির পাশে গড়ে উঠেছে এসব ভাটা। ভাটার কালো ধোঁয়ায় জনস্বাস্থ্যের পাশাপাশি ফসল ও গাছপালার ক্ষতি হচ্ছে। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য হুমকি বিবেচনায় এসব ভাটাকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়।

অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করতে তত্পর পরিবেশ অধিদপ্তর। প্রায় প্রতিদিনই অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে সক্ষমতার অভাবে কার্যকারিতা হারাচ্ছে এসব অভিযান। সূত্রমতে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ইটভাটা ভেঙে দেয়া ও জরিমানা আদায়ের পরের দিনই আবার সেগুলো চালু হয়ে যাচ্ছে। বিষয়টি স্বীকার করেছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তাও। তিনি  বলেন, আমাদের সক্ষমতায় মারাত্মক অভাব রয়েছে। ১০০টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান করতে অন্তত বছরখানেক সময় লেগে যায়। এ সময়ের মধ্যে যেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে সেখানের অবস্থা পর্যবেক্ষণের সুযোগ আর হয় না। ফলে ওইসব এলাকায় উচ্ছেদ-জরিমানার পর পরই ফের অবৈধভাবে চলতে থাকে ইটভাটাগুলো।

পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযানের পরও কেরানীগঞ্জেও অবৈধ ইটভাটাগুলো চলছে। সম্প্রতি কেরানীগঞ্জের ঘোষকান্দা, ব্রাহ্মণগাঁও, জাজিরা, রাজেন্দ্রপুর ও বাঘৈর এলাকায় সরেজমিনে দেখা গিয়েছে, অবৈধ ভাটায় ইট পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণ চলছে। পোড়ানো হচ্ছে কাঠ। আবাসিক এলাকা এমনকি ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের পাশে রাজেন্দ্রপুরের বাঘৈর এলাকায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের উত্তর পাশে পাঁচটি ইটভাটা চলছে। একাধিকবার পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান পরিচালনা করলেও এখনো চলছে ভাটাগুলো। বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারক মালিক সমিতির সাবেক মহাসচিব মো. আবু বকর  বলেন, কেরানীগঞ্জে বেশির ভাগ ভাটা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেয়ার পরও অনেক ইটভাটা সচল রয়েছে।

ভাটায় অভিযান প্রসঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরের ঢাকা জেলার উপপরিচালক জহিরুল ইসলাম  বলেন, সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা অবৈধ ভাটার বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি। ফায়ার সার্ভিস, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ সবার সমন্বয়ে আমাদের এ কাজ করতে হয়। তাই সবার সহযোগিতা না পেলে অভিযান পরিচালনা করাটা জটিল হয়ে পড়ে।

ভাটা বন্ধের পর চালু করা প্রসঙ্গে জহিরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের সহযোগিতা ছাড়া পুরো বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। আমরা তো ভেঙে আগুন নিভিয়ে দিয়ে আসি। এরপর তারা শুরু করলে, সে তথ্য না পাওয়া পর্যন্ত আসলে কিছুই করার থাকে না। তাছাড়া যাদের সহযোগিতা করার কথা, অনেক সময় বারবার বলেও তাদের সহযোগিতা পাওয়া যায় না।

ইটভাটা বন্ধ ও বায়ুদূষণ রোধে স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা সন্তোষজনক নয় বলে মন্তব্য করেছেন মানবাধিকার ও পরিবেশবাদী সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের সভাপতি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তিনি বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের সার্বিক সক্ষমতা সন্তোষজনক নয়। তাছাড়া কোথাও অভিযানের পর সেখানের পরবর্তী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে না পরিবেশ অধিদপ্তর। ফলে জরিমানা ও ভেঙে দেয়ার পরও ইটভাটাগুলো বন্ধ রাখা যাচ্ছে না।

নিউজ ট্যাগ: পরিবেশ অধিদপ্তর

আরও খবর



শাহপরী: ছোট দ্বীপে বড় উদ্বেগ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৩৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রতিবেশী মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশকে আলাদা করেছে নাফ নদী। এ নদীর মোহনায় অবস্থিত শাহপরীর দ্বীপ। ১৯৯২ সালে যখন দেশে প্রথমবারের মতো রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঘটে, তখন বাংলাদেশে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল টেকনাফের এ দ্বীপকে। সবশেষ ২০১৭ সালেও এটি হয়ে ওঠে রোহিঙ্গা প্রবেশের অন্যতম পথ। কেবল রোহিঙ্গাদের জন্যই নয়, বাংলাদেশ থেকে অবৈধভাবে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে মালয়েশিয়া কিংবা থাইল্যান্ডে অভিবাসনপ্রত্যাশীদেরও পছন্দের রুট এটি। এ পথ ব্যবহার করেই নিয়মিত মানব পাচারের ঘটনা ঘটছে। শুধু তা-ই নয়, ইয়াবা, ক্রিস্টাল মেথ বা আইসসহ বিদেশী বিভিন্ন ধরনের মাদক এ পথ দিয়েই প্রবেশ করে বাংলাদেশে। ফলে বঙ্গোপসাগরের উন্মুক্ত জলরাশির সীমানায় অবস্থিত শাহপরীর দ্বীপটি ক্রমেই দেশের নিরাপত্তার জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য বলছে, মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশের টেকনাফ, উখিয়া ও নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত পার হয়ে অস্ত্র ও মাদক ঢুকছে সেন্টমার্টিন, শাহপরীর দ্বীপ করিডরে। পরবর্তী সময়ে এসব মাদক ও অস্ত্রের চালান চলে যাচ্ছে টেকনাফের জালিয়াপাড়া, হোয়াক্ষ্যংয়ের জিমনখালী, নয়াপাড়া, আমতলী এলাকায়। সেখানে কয়েক হাত ঘুরে মাদক ও অস্ত্রের চালান ছড়িয়ে দেয়া হয় পুরো দেশে। গত চার বছরে শুধু কোস্টগার্ডের অভিযানেই কক্সবাজারের সমুদ্র এলাকা থেকে ১ কোটি ৭২ লাখ ৭ হাজার ৪৮১ পিস ইয়াবা উদ্ধার হয়েছে। মিয়ানমার থেকে ইয়াবার পাশাপাশি এখন ভয়ংকর মাদক আইসের চালান দেশে ঢুকছে শাহপরীর দ্বীপ হয়ে। গত বছর সেখান থেকে এক কেজি আইস উদ্ধার করে কোস্টগার্ড। গুরুত্বপূর্ণ একটি সীমানা পয়েন্ট এভাবে বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কাজে ব্যবহার হওয়াকে দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। শাহপরীর দ্বীপে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি মাদক বা অস্ত্র চোরাচালান রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত ২৭ এপ্রিল ভোররাতে শাহপরীর দ্বীপের দক্ষিণপাড়ায় অভিযান চালিয়ে এক লাখ ইয়াবা ও পাঁচ কেজি গাঁজা আটক করে পুলিশ। শাহপরীর দ্বীপের পাশাপাশি লম্বাবিল, কানজরপাড়া, মিনাবাজার, হূীলা লেদা, জাদিমুড়া, মমিয়া, টেকনাফ সদর, সাবরাং ও সাগর পথ দিয়েও নিয়মিত ঢুকছে মাদক। ঈদকে কেন্দ্র করে গত এপ্রিলের শেষ সপ্তাহেই প্রায় তিন লাখ ইয়াবা, আড়াই কেজির বেশি ক্রিস্টাল মেথ বা আইস, বিদেশী মদ ও বিয়ার জব্দ করার পাশাপাশি রোহিঙ্গাসহ ১৬ জনকে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদকের পাশাপাশি দেশে অবৈধ অস্ত্র প্রবেশেরও অন্যতম নিরাপদ রুট হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে শাহপরীর দ্বীপের এ করিডর।

তবে শাহপরীর দ্বীপ ও এর আশপাশের সমুদ্র এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও মানব পাচারকারীদের তত্পরতা ঠেকাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার কথা জানিয়েছেন কোস্টগার্ড সদর দপ্তরের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার লাবিব উসামা আহমাদুল্লাহ্। তিনি বলেন, এ ধরনের অপরাধের বিষয়ে আগাম তথ্য সংগ্রহের জন্য গোয়েন্দা কার্যক্রমও পরিচালনা করা হয়। এরপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হয়। ফলে এলাকার অপরাধপ্রবণতা আগের চেয়ে অনেক কমেছে।

গত ছয় মাসে শাহপরীর দ্বীপ এলাকায় বেশ কয়েকটি অভিযান চালিয়ে আড়াই লাখ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। টেকনাফ ২ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল শেখ খালিদ মোহাম্মদ ইফতেখার বলেন, মাদক ও মানব পাচার রোধে শাহপরীর দ্বীপে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি গোয়েন্দা কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টেকনাফ সীমান্তের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপের জালিয়াপাড়া ও ঘোলারপাড়া নামে দুটি চোরাই পয়েন্ট রয়েছে। এগুলো বহুল আলোচিত হলেও এখনো এর নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেনি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট এ দুটি পয়েন্ট দিয়েই হাজার হাজার রোহিঙ্গা নাগরিক বাংলাদেশে প্রবেশ করে।

দেশে প্রবেশের এ রুট ইয়াবা, মানব পাচারের ট্রানজিট ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের মূল পয়েন্ট হয়ে ওঠার পরিপ্রেক্ষিতে গত বছর সরকারের পক্ষ থেকে এসব প্রতিরোধে কার্যক্রম বাড়ানো হয়। দেখা যায়, অভিযানের কিছুদিন মাদক চোরাচালান ও মানব পাচার কমে আসে। নজরদারি কমে গেলে তা আবার বেড়ে যায়। বিশেষ করে শীতে সমুদ্র শান্ত হলে মানব পাচারের সংঘবদ্ধ চক্রগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। সম্প্রতি রোহিঙ্গা শিবিরভিত্তিক বেশকিছু ইয়াবা সিন্ডিকেটের খোঁজ পেয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বিভিন্ন সংস্থার গত কয়েক বছরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্প এলাকায় ইয়াবা আটকের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে বেড়ে গেছে মাদক মামলা ও আসামির সংখ্যাও। সম্প্রতি মালয়েশিয়া পাচারকালে কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া ও শহরের নুনিয়াছড়া এলাকা থেকে দুটি চালান আটক করে র্যাব ও পুলিশ।

সংশ্লিষ্টদের দাবি, নাফ নদী পাড়ি দিয়ে শাহপরীর দ্বীপ হয়ে দেশে প্রবেশের পর অবৈধ অস্ত্র, ইয়াবা ও অন্যান্য মাদক মজুদের জন্য ব্যবহূত হচ্ছে উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থিত ৩৪ রোহিঙ্গা শিবির। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের তালিকায়ও রয়েছে ১৩ জন রোহিঙ্গা নেতার নাম। অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এসব শিবিরের নারী, বিশেষ করে যাদের স্বামী বেঁচে নেই তারা বেশি জড়াচ্ছে ইয়াবা ব্যবসায়।

তবে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. হাসানুজ্জামান জানিয়েছেন, পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর তত্পরতায় স্থানীয় লোকজন এখন ইয়াবা কারবারে খুব একটা জড়াতে চায় না। সীমান্ত ও রোহিঙ্গা শিবিরে ইয়াবা সিন্ডিকেট ও কারবারিদের পুলিশ নিয়মিত আটক করছে এবং তাদের মাঝে মাদকবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। তিনি বলেন, শাহপরীর দ্বীপে আমাদের একটি পুলিশ ক্যাম্প রয়েছে, সেখানে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন বক্তব্য দিলেও স্থানীয়রা বলছেন, শীত মৌসুমকে সামনে রেখে রোহিঙ্গা ক্যাম্পভিত্তিক মানব পাচার চক্র সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এসব চক্র সাগরপথে থাইল্যান্ড-মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রোহিঙ্গাদের প্রলুব্ধ করে। এরপর সাগরে ও জঙ্গলে নির্মম নির্যাতন করে মোটা অংকের টাকা আদায় করে। শাহপরীর দ্বীপ ব্যবহার করে এ ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইউনিয়ন পরিষদের এক সদস্য জানান, পাচারের জন্য বিভিন্ন স্থান থেকে রোহিঙ্গাদের এ দ্বীপেই নিয়ে আসে মানব পাচারকারীরা। তারপর ছোট ছোট নৌকার মাধ্যমে তাদের বঙ্গোপসাগরের গভীরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর তাদের সমুদ্রের গভীরে নিয়ে বড় নৌকায় তুলে দেয়া হয় মালয়েশিয়ায় পাচারের জন্য।

প্রসঙ্গত, ২০০১ সালের দিকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশকে পয়েন্ট হিসেবে ব্যবহার করে সাগর পাড়ি দিয়ে থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় পৌঁছার চেষ্টা করে। এরপর উন্নত জীবনের সন্ধানে বাংলাদেশীরাও এ বিপত্সংকুল পথে যাত্রা করতে থাকে। ২০১২ সালে প্রথম মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমানোর চেষ্টার অভিযোগে বঙ্গোপসাগরে ১৩২ জনকে আটক করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, ২০১৪ সালে এ সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায় ১৫৫০।


আরও খবর



মোংলায় আট কেজি গাজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ী আটক

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ৩৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মোঃ নূর আলম(বাচ্চু), মোংলা 

বাগেরহাটের মোংলায় আট কেজি গাজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে মোংলা থানা পুলিশ। রবিবার (২২ মে) রাত সাড়ে ৯টার দিকে মোংলা উপজেলার মামার ঘাট এলাকা থেকে এদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতদের ব্যাগ থেকে ৮কেজি গাজা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, ঢাকার দক্ষিন কেরানীগঞ্জ থানার সুবাস্তা-পশ্চিম পাড়া এলাকার  মো: আলাউদ্দিন মিয়ার ছেলে মো: বুদ্ধ মিয়া (৩০), কুমিল্লা জেলার ব্রাক্ষ্মনপাড়া উপজেলার দেউস এলাকার মৃত নায়েব আলীর ছেলে মো: হারিজ মিয়া(৩৬),এবং বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার শামসুর রহমান রোড এলাকার মৃত হাবিবুর রহমান মৃধার ছেলে মো: মাসুম মৃধা(৪৫)।নাম, ঠিকানা যাচাইবাছাই ও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হবে।

মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, হারিজ ও বুদ্ধু মোংলার মাসুমের কাছে এই গাজা দিতে আসছিলেন। দুইজনই সড়কপথে ঢাকা থেকে মোংলায় এসেছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা এদের উপর নজর রাখছিলাম। তিনজন যখন এক হয়েছে, তখন তাদেরকে আমরা আটক করি। আটককৃতদের কাছ থেকে ৮ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।


আরও খবর



ডেনমার্ক রাজকুমারী ঢাকায়

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

তিন দিনের সফরে ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ ডোনাল্ডসন বাংলাদেশে এসেছেন। সোমবার (২৫ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

ঢাকা সফরের প্রথম কর্মসূচি হিসেবে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠক করবেন ডেনমার্কের রাজকুমারী ম্যারি এলিজাবেথ। দুপুরে ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতের আয়োজনে এক মধ্যাহ্ন ভোজ অংশ নেবেন তিনি। বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের সঙ্গে বৈঠক শেষে কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা হবেন।

মঙ্গলবার সকালে তিনি ডেনিশ রিফিউজি কাউন্সিলের (ডিআরসি) ব্রিফিংয়ে যোগ দেবেন। তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গিয়ে ক্যাম্প ৫-এ বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে মাটি ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ ও ডিআরসির পরিবেশ পুনরুদ্ধার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। এসময় কয়েকজন সুবিধাভোগী রোহিঙ্গার সঙ্গে মতবিনিময় করবেন রাজকুমারী।

কক্সবাজার থেকে ঢাকায় এসে তিনি সাতক্ষীরা যাবেন। সেখানে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন এবং সুন্দরবনেও ভ্রমণ করবেন।


আরও খবর



তোমার রূপ অসাধারণ কিছু নয়: আনুশকাকে পরিচালক

প্রকাশিত:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০৭ মে ২০২২ | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাব নে বানা দি জোড়ি ছবির মধ্য দিয়ে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু আনুশকা শর্মার। প্রথম ছবিতেই শাহরুখ খানের নায়িকা হিসেবে ক্যামেরার সামনে এসে নজর কেড়েছিলেন। এরপর আমির খানের বিপরীতে পিকে ছবিতে অভিনয় করে রাতারাতি বাজিমাত। এক লাফে ওঠে আসেন বি-টাউনের শীর্ষ নায়িকাদের সারিতে।

তবে আনুশকার শুরুটা এতো মধুর ছিলো না। রাব নে বানা দি জোড়ি ছবিতে তানি চরিত্রে ধরা দিয়েছিলেন নায়িকা। এ ছবিতে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার সময়ই নিজের চেহারা নিয়ে তাকে শুনতে হয়েছিল তিক্ত কথা।

ছবির পরিচালক আদিত্য চোপড়া মুখের ওপর আনুশকাকে বলে দিয়েছিলেন, তানির চরিত্রে তোমাকেই নিচ্ছি। কিন্তু তোমাকে মনে রাখতে হবে তোমার রূপ অসাধারণ কিছু নয়। তাই সে ঘাটতি পূরণের জন্য তোমায় খাটতে হবে।

২০০৮ সালে রাব নে বানা দি জোড়ি ছবি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা আনুশকা বলিউডে নিজের জায়গাটা পোক্ত করেন ব্যান্ড বাজা বারাত চলচ্চিত্র দিয়ে। সেই ছবিতে আনুশকার নায়ক হিসেবে বলিউডে অভিষেক হয়েছিল রণবীর সিংয়ের।

১৯৮৮ সালের ১ মে অযোধ্যায় জন্ম আনুশকার। বাবা ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা। পরিবারের কোনো সদস্যই বলিউড বা অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। ফলে অনেকটা নিজের পরিশ্রমকে সম্বল করেই চৌকাঠের বাইরে পা বাড়াতে হয়েছিল আনুশকাকে। এরপর একটি শ্যাম্পুর বিজ্ঞাপনে একসঙ্গে কাজের সূত্র ধরে বিরাট কোহলির সঙ্গে পরিচয়। পরিচয় থেকেই প্রেম ও পরিণয়। এ তারকা দম্পতির ঘরে এক কন্যা সন্তান রয়েছে। অভিনয় জগতে আসার আগে মডেলিং করতেন আনুশকা। ২০১৮ সালে শাহরুখ খানের বিপরীতে জিরো ছবিতে শেষবার দেখা যায় তাকে।

নিউজ ট্যাগ: আনুশকা শর্মা

আরও খবর