আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

ইলিশ রক্ষা অভিযান: শিবচরে আরো ৫১ জেলেকে কারাদণ্ড

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৫৯৫জন দেখেছেন
Image

মাদারীপুর প্রতিনিধি:

সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকারের অভিযোগে ৫১ জেলেকে আটক করা হয়েছে। সোমবার রাত ২ টা থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা পর্যন্ত শিবচর উপজেলার কাঁঠালবাড়ি, চরজানাজাত, বন্দরখোলা এলাকার পদ্মানদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের নিকট ৫৫ হাজার ৫ শত মিটার কারেন্ট জাল ও ১০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করে ভ্রাম্যমান আদালত।

ভ্রাম্যমান আদালত সূত্রে জানা গেছে, ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে পদ্মা নদীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালায় ভ্রাম্যমান আদালত ও শিবচর থানা পুলিশের একটি টিম। এসময় পদ্মানদীতে নিষেধ অমান্য করে ইলিশ শিকার করায় ৫৫ জেলেকে নদী থেকে আটক করে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের ৫১ জনকে এক বছর করে সাজা প্রদান ও ৪ জনকে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়ায় ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এসময় জব্দকৃত ইলিশ ধরার জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় ও জব্দকৃত মাছ নিকটস্থ এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন শিবচর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম রাকিবুল হাসান।

তিনি বলেন, যে সকল জেলে সরকারী আদেশ অমান্য করে নদীতে নেমেছেন তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। জেলেদের জেল দেয়া আমাদের উদ্দেশ্য নয়। আমরা চাই সকল জেলে সরকারী আদেশ মেনে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত মাছ ধরা থেকে বিরত থাকুক। মা ইলিশ পদ্মায় নির্ভয়ে বিচরণ করুক। এ জাতীয় সম্পদ রক্ষায় সবার সহযোগিতা কাম্য।

শিবচর উপজেলা জেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা ফেরদৌস ইবনে রহিম বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য জেলেদের ধরা বা জরিমানা করা না। আমাদের উদ্দেশ্য মা ইলিশ সংরক্ষণ করা। তাই সকলকে অনুরোধ করবো তারা যেন মা ইলিশ রক্ষা করেন।


আরও খবর



ফেরি পারের অপেক্ষায় ৬ শতাধিক যানবাহন

প্রকাশিত:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১ | ২৮৫জন দেখেছেন
Image

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে ৬ শতাধিক যানবাহন। এসব যানবাহনের মধ্যে নৈশকোচ ও পণ্যবাহী ট্রাকের সংখ্যায় বেশি। ঘাটের অপর্যাপ্ততা, নাব্যসংকট ও ফেরি স্বল্পতার কারণে ঘাটে এই দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি হচ্ছে বলে জানিয়েছে বিআইডব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) সকালে সরেজমিনে ঘাট এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ফেরিঘাট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ ফিড মিল পর্যন্ত ৬ কিলোমিটার এলাকায় ৬ শতাধিক যানবাহন ফেরি পারের অপেক্ষায় খোলা দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছে।

অপরদিকে, যানজট কমাতে ঘাট থেকে সাড়ে ১৩ কিলোমিটার পেছনে রাজবাড়ী-কুষ্টিয়া সড়কের গোয়ালন্দ মোড় থেকে রাজবাড়ীর দিকে আহলাদীপুর জুট মিল পর্যন্ত ৪ কিলোমিটার এলাকায় ৩ শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাককে আটকে রাখা হয়েছে।

এসব যানবাহনের মধ্যে যাত্রীবাহী বাস ৩ থেকে ৪ ঘণ্টা অপেক্ষা করে ফেরির দেখা পেলেও ট্রাকগুলোকে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ২০ থেকে ২৪ ঘণ্টা। দীর্ঘ সময় ধরে খোলা আকাশের নিচে অপেক্ষা করে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে চালক ও যাত্রীদের।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শিহাব উদ্দিন বলেন, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ঘাটে যানবাহনের ভয়াবহ চাপ বেড়েছে। বাংলাবাজার-শিমুলিয়া রুটের অতিরিক্ত গাড়ির চাপ ও পদ্মায় নাব্যসংকটের কারণে এই যানজট সৃষ্টি হয়।


আরও খবর
মুই একন পতের ফকির

সোমবার ১৮ অক্টোবর ২০২১




মুহিবুল্লাহ ইস্যুতে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | হালনাগাদ:শনিবার ০২ অক্টোবর 2০২1 | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গাদের প্রথম সারির নেতা মুহিবুল্লাহ নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত যেতে চেয়েছিলেন, সে কারণে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাকে হত্যা করেছে। শনিবার (২ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় এমন মন্তব্য করেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমে পাঠানো এক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, মুহিবুল্লাহ নিজ দেশ মিয়ানমারে ফেরত যেতে চেয়েছিলেন, সে কারণে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল তাকে হত্যা করেছে। এ হত্যাকাণ্ডে যে বা যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে সরকার।

মুহিবুল্লাহ হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচারের সম্মুখীন করা হবে উল্লেখ করে ড. মোমেন বলেন, রোহিঙ্গা নেতা মুহিবুল্লাহ হত্যাকারীদের অবশ্যই বিচারের সম্মুখীন করা হবে। এ ব্যাপারের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বৃহস্পতিবার রাতে রোহিঙ্গা নেতা মুহিববুল্লাহ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিহতের ভাই হাবিবুল্লাহ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।

মামলার এজাহারে হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের শীর্ষ ৫ নেতার একজন মুহিবুল্লাহ হত্যা মামলায় শুক্রবার দুপুরে মোহাম্মদ সেলিম উল্লাহ ওরফে লম্বা সেলিম নামে এক রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) সদস্যরা। একই দিন রাতে আরও দুই জন রোহিঙ্গাকে আটক করে এপিবিএন।

২৯ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ায় লাম্বাশিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে একদল দুর্বৃত্ত মুহিবুল্লাহকে গুলি করে হত্যা করে। মুহিবুল্লাহ আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের (এআরএসপিএইচ) চেয়ারম্যান ছিলেন।



আরও খবর
মুনিয়া-শারুন আলাপ কী প্রমাণ করে?

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




সিরাজগঞ্জ-৬ উপনির্বাচন

উন্নয়নের স্বার্থে ড. লিটনকে চান আ.লীগের নেতাকর্মীরা

প্রকাশিত:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের উপনির্বাচনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. সাজ্জাদ হায়দার লিটনকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান স্থানীয় নেতাকর্মীরা। তাঁদের মতে, এলাকার উন্নয়নে এবং কর্মীবান্ধব নেতা হিসেবে ড. লিটনের বিকল্প নেই। ড. লিটনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মোহনের হাত ধরে যেমন শাহজাদপুর উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ অনেক পরিবর্তন এসেছে, তেমনি ড. লিটনকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করা গেলেও এলাকায় যুগান্তকারী অনেক পরিবর্তন আসবে। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক এবং সরকার ও আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ে ভাল যোগাযোগ থাকায় তাঁর পক্ষেই কাঙ্খিত উন্নয়ন সম্ভব। শাহজাদপুর আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা এমনটা জানিয়েছেন।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলা নিয়ে গঠিত সিরাজগঞ্জ-৬ সংসদীয় আসন। সম্প্রতি সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যুতে আসনটি শূণ্য হয়। শাহজাদপুর উপজেলার অর্থনীতির মূল চালিকা শক্তি হলো দুগ্ধ এবং তাঁত শিল্প। করতোয়া নদীর পশ্চিমে দুগ্ধ শিল্প আর পূর্ব দিকে তাঁত শিল্পের প্রাধান্য। শাহজাদপুরে এই দুইটি শিল্পের বিকাশে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন তিনি হলেন ড. লিটনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মোহন। তিনি শাহজাদপুরের পোঁতাজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৫ বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং শাহজাদপুর উপজেলা পরিষদের দুইবার ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান থাকাকালেই পোঁতাজিয়া ইউনিয়নে স্থাপন হয় বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড (মিল্কভিটা) এর সবচেয়ে বড় কারখানা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন মোহনের হাত ধরে শাহজাদপুরে তাঁত শিল্পেরও বিকাশ হয়। তিনি পাকিস্তান আমলে তাঁত শিল্পের সঙ্গে যুক্ত হন। তৎকালীন ভারতের বোম্বে (মুম্বাই) থেকে ডিজাইন নিয়ে এসে শাহজাদপুরে নিজের কারখানায় কাপড় উৎপাদন করতেন মোহন। তিনি সেসময়ে শাহজাদপুর বণিক সমিতির সভাপতিও ছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে একদিকে যেমন সম্মুখ যুদ্ধে অংশ নেন অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধাদের অর্থনৈতিকভাবেও সহযোগিতা করতেন।

জানা যায়, আব্দুল মতিন মোহনের পদাঙ্ক অনুসরণ করে তাঁর সন্তান সাজ্জাদ হায়দার লিটনও শাহজাদপুরের মানুষের পাশে থেকে তাদের সেবা করে চলেছেন। তার ঐকান্তিক চেষ্টায় শাহজাদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়েছে। তাঁর বাবা আব্দুল মতিন মোহনের নামে রাস্তা, ব্রিজ নির্মাণ করেছেন। নিজস্ব জমি ও অর্থায়নে স্কুল, ঈদগাহ, কবরস্থান নির্মাণ করেছেন।

জানা গেছে, গত দুই দশক ধরে জাতীয় পর্যায়ে আওয়ামী লীগের রাজনীতির পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছেন সাজ্জাদ হায়দার লিটন। তিনি গত ১৯ বছর ধরে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা। বর্তমানে তিনি যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। এর আগে ২০১২ সালে যুবলীগের কমিটি গঠন হলে সাজ্জাদ হায়দার লিটন আন্তর্জাতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। এরও আগে জাহাঙ্গীর কবির নানক ও মির্জা আজমের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন ড. লিটন। তিনি ২০১২ সালে আন্তর্জাতিক সম্পাদক হওয়ার পরে সারা বিশ্বে যুবলীগের কর্মকাণ্ডে গতির সঞ্চার হয়। তিনি বিভিন্ন দেশ ঘুরে যুবলীগকে সংগঠিত করেন।

২০০৭ সালের আলোচিত এক এগারোর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সাহসী ভূমিকা রাখেন সাজ্জাদ হায়দার লিটন। সেসময়ের বাস্তবতায় অনেক নেতা যখন গা ঢাকা দেন তখন তিনি রাজপথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। তিনি আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার কারামুক্তির আন্দোলন সংগ্রামে সামনের সারিতে ছিলেন। ঝুঁকি নিয়ে ও তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকারের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে সাজ্জাদ হায়দার লিটন ধানমণ্ডির সুধাসদনে শেখ হাসিনার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন।

শাহজাদপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা সাজ্জাদ হায়দার লিটনকে আগামী উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে দেখতে চান। ড. লিটনের পরিবার ও তাঁর নিজের রাজনৈতিক অবদান, শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্মী বান্ধব রাজনীতি, সর্বপোরি জনসেবার মানসিকতাই তাঁকে প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে রাখছে।

জানতে চাইলে শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম বাবলা বলেন, এবারের উপনির্বাচনে দুই পরিবারের তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাশীর মধ্যে মূল লড়াই হবে।

সাজ্জাদ হায়দার লিটনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাঁর বাবা একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। বর্তমানে ড. লিটন যুবলীগের কেন্দ্রীয় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আছেন। এলাকাতেও তাঁর ভালো অবস্থান রয়েছে।

পোঁতাজিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আনসার আলী বলেন, লিটনের বাবা মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। পোঁতাজিয়া ইউনিয়নের টানা ৫ বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে আমরা রাজনীতি করেছি। লিটন নিজেও যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য। তাঁর বাবার অবস্থান এবং নিজের সাংগঠনিক পরিচয় সবমিলিয়ে এলাকায় ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। আওয়ামী লীগ তাঁকে মনোনয়ন দিলে এলাকার সবাই তার পক্ষে কাজ করবে। তবে যদি কোনো হাইব্রিড নেতা মনোনয়ন পায় তাহলে আমরা কষ্ট পাব।

নিউজ ট্যাগ: সিরাজগঞ্জ

আরও খবর



রাবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু আজ

প্রকাশিত:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৪ অক্টোবর ২০২১ | ৫২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আজ সোমবার (৪ অক্টোবর) থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। এ বছর চার হাজার ১৭৩টি আসনের বিপরীতে এক লাখ ২৮ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন।

অর্থাৎ প্রতি আসনের বিপরীতে লড়ছেন ৩০ জন শিক্ষার্থী। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল সাড়ে ৯টায় সি ইউনিটের (বিজ্ঞান) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দ্বিতীয় দিন মঙ্গলবার ইউনিট

(মানবিক) এবং তৃতীয় দিন বুধবার বি ইউনিটের (বাণিজ্য) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিন তিন শিফটে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে সাড়ে ১০টা, দুপুর ১২টা থেকে ১টা ও বিকেল ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে।

পরীক্ষা চলাকালে অভিভাবকদের বসার জন্য ক্যাম্পাসে নির্ধারিত কয়েকটি স্থানে ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে নির্ধারিত কক্ষে আসন গ্রহণ করতে হবে। নিবন্ধিত শিক্ষার্থীদের এরই মধ্যে এসএমএসের মাধ্যমে পরীক্ষার রোল নম্বর ও পরীক্ষাকক্ষের তথ্য জানানো হয়েছে। পরীক্ষাকক্ষে শুধু প্রবেশপত্র ও পরীক্ষাসংক্রান্ত উপকরণ ও কাগজপত্র ছাড়া অন্য কিছু, যেমন-ইলেকট্রনিক যন্ত্র ইত্যাদি আনা যাবে না।

ভর্তি পরীক্ষা চলার সময় পরীক্ষাকক্ষসহ পুরো ক্যাম্পাস চার স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় থাকবে। পরীক্ষাসংক্রান্ত যেকোনো ধরনের অপরাধ, যেমন- অসদুপায় অবলম্বন, আর্থিক লেনদেন, ভুয়া ও ভাড়াটে পরীক্ষার্থীর তৎপরতা, ওএমআর শিট পরিবর্তন ইত্যাদিসহ অন্য যেকোনো অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে। এজাতীয় যেকোনো ধরনের অপরাধের বিচারে সার্বক্ষণিক মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বলেন, 'জালিয়াতি ঠেকাতে কয়েক বছর ধরে আমাদের যে প্রস্তুতি ছিল, এ বছরও সেই প্রস্তুতি রয়েছে। আমরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি। সব কিছুই এখনো আমাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।'



আরও খবর



মন্দির ভাঙচুরে অভিযুক্ত পেলেন নৌকা, ভোট বর্জনের সিদ্ধান্ত হিন্দুদের

প্রকাশিত:শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ১৬ অক্টোবর ২০২১ | ৩২০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চেয়ারম্যান থাকাকালীন হিন্দু সম্প্রদায়ের মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে জেল খেটেছেন। তিনিই পেয়েছেন এবারের ইউপি নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন। ফলে ক্ষুদ্ধ হয়ে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

ঘটনাটি পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক ইউনিয়নের। অভিযুক্ত ব্যক্তি ইউনিয়নটির সাবেক চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম।

জানা যায়, ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর রাতে পিরোজপুর সদর উপজেলার সিকদার মল্লিক ইউনিয়নের পাঁচপাড়া সার্বজনীন শ্রী শ্রী কালী মন্দিরে হামলা চালিয়ে ভেঙে ফেলা হয় মন্দির। এ ঘটনায় মন্দির কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে সিকদার মল্লিক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক শহিদুল ইসলামকে প্রধান আসামি করে থানায় মামলা করেন। সেই মামলায় বেশ কিছুদিন জেল হাজতে ছিল শহিদুল ইসলাম।

এ ঘটনার পর থেকে স্থানীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজনের সাথে দূরত্ব তৈরি হয় শহিদুল ইসলামের। এবারের ইউপি নির্বাচনে ইউনিয়নটিতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয় তাকে। এতে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের মধ্যে।

সিকদার মল্লিক পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাবু শেখর চন্দ্র মন্ডল জানান, যে আমাদের মন্দির ভেঙেছে তাকে ভোট দেওয়া সম্ভব না। আবার নৌকা প্রতীকের বাইরেও ভোট দিতে পারবো না। তাই এবার ভোট দিতে কেন্দ্রে যাবো না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

এদিকে, পিরোজপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম সিকদার জানান, শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মন্দির ভাঙার অভিযোগ শোনা গেলেও শক্ত কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাই তাকে মনোনয়ন দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম জানান, কালী মন্দির ভাঙা নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা। তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দেওয়া হয়েছিল। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন ভোট দিতে না যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ইউনিয়নে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কিছু লোক আছে যারা স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে হাত মিলিয়েছে।


আরও খবর