আজঃ মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

ইন্টারনেট না থাকলেও ব্যবহার করা যাবে ফেসবুক মেসেঞ্জার

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০৯ নভেম্বর ২০২১ | ২৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মোবাইলে ইন্টারনেট না থাকলেও জরুরি প্রয়োজনে ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহার করে টেক্সট পাঠানো যাবে। এ সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও মোবাইল অপারেটরগুলো। এজন্য শুধু টেক্সটের মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ডিসকভার অ্যাপ উদ্বোধন করা হবে। একই সঙ্গে মোবাইল ডাটা প্যাকেজ নির্দেশিকা ও প্রকাশ করবে বিটিআরসি।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বিটিআরসির সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে মোবাইল ডাটা প্যাকেজ নির্দেশিকা এবং শুধুমাত্র টেক্সটের মাধ্যমে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ডিসকভার অ্যাপ উদ্বোধন করা হবে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং সচিব মো. খলিলুর রহমান উপস্থিত থাকবেন।

বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, সবার সবসময় ডাটা (ইন্টারনেট) থাকে না। গ্রাহকরা যাতে ডাটা ছাড়াই টেক্সট পাঠাতে পারেন, সে জন্য অপারেটররা মিলে এই সুবিধা চালু করছে। 


আরও খবর



সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী আজ

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ৩৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জননী সাহসিকাখ্যাত কবি বেগম সুফিয়া কামালের ২২তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির সমস্ত প্রগতিশীল আন্দেলনে ভূমিকা পালনকারী সুফিয়া কামাল ১৯৯৯ সালের এই দিন (২০ নভেম্বর) সকালে বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকায় ইন্তেকাল করেন। সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যদায় তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

বেগম সুফিয়া কামালের মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলাদা বাণী দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বলেন, কবি সুফিয়া কামালের জীবনাদর্শ ও সাহিত্যকর্ম বৈষম্যহীন-অসাম্প্রদায়িক সমাজ বিনির্মাণে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ ও অনুপ্রাণিত করবে। রাষ্ট্রপতি তার স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, কবি সুফিয়া কামাল ছিলেন নারী আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে এক অকুতোভয় যোদ্ধা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কবি বেগম সুফিয়া কামাল যে আদর্শ ও দৃষ্টান্ত রেখে গেছেন তা যুগে যুগে বাঙালি নারীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। তিনি ছিলেন একদিকে আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, মমতাময়ী মা, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তার আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তার প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাকে জনগণের জননী সাহসিকা উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে।

সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০ জুন বিকেল ৩টায় বরিশালের শায়েস্তাবাদস্থ রাহাত মঞ্জিলে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর সুফিয়া কামাল পরিবারসহ কলকাতা থেকে ঢাকায় চলে আসেন। ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নেন এবং এই আন্দোলনে নারীদের উদ্বুদ্ধ করেন। তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।

পাকিস্তান সরকার ১৯৬১ সালে রবীন্দ্রসংগীত নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে সংগঠিত আন্দোলনে তিনি জড়িত ছিলেন এবং তিনি ছায়ানটের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। ১৯৬৯ সালে মহিলা সংগ্রাম কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হন এবং গণঅভ্যুত্থানে অংশ নেন।

১৯৭০ সালে তিনি মহিলা পরিষদ প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনে নারীদের মিছিলে নেতৃত্ব দেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা দেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণসহ কার্ফু উপেক্ষা করে নীরব শোভাযাত্রা বের করেন।

সাঁঝের মায়া, মন ও জীবন, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী ইত্যাদি তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ। এ ছাড়া সোভিয়েতের দিনগুলি এবং একাত্তরের ডায়েরী তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।

সুফিয়া কামালের লেখা কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে- সাঁঝের মায়া, মায়া কাজল, মন ও জীবন, দিওয়ান, অভিযাত্রিক, শান্তি ও প্রার্থনা, উদাত্ত পৃথিবী ইত্যাদি। কেয়ার কাঁটা নামে একটি গল্পগ্রন্থ ছাড়াও তিনি ভ্রমণ কাহিনী, স্মৃতি কথা, শিশুতোষ এবং আত্মজীবনীমূলক রচনাও লিখেছেন। সোভিয়েতের দিনগুলি এবং একাত্তরের ডায়েরী তার অন্যতম ভ্রমণ ও স্মৃতিগ্রন্থ।

সুফিয়া কামাল দেশ-বিদেশের ৫০টিরও বেশি পুরস্কার লাভ করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য বাংলা একাডেমি পুরস্কার, সোভিয়েত লেনিন পদক, একুশে পদক, বেগম রোকেয়া পদক, জাতীয় কবিতা পরিষদ পুরস্কার ও স্বাধীনতা দিবস পদক।


আরও খবর



৬ প্রতিবন্ধীর জীবন বদলে দিলেন ওয়ালটনের এমডি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মানবিকতার আরেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো ওয়ালটন। প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়োগ পেলেন ৬ জন শারীরিক প্রতিবন্ধী। ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) গোলাম মুর্শেদ নিয়েছেন সর্বোত্তম বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ। যার নাম দেওয়া হয়েছে বেটার বাংলাদেশ টুমরো। ওই উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে ওয়ালটনে ৬ জন সুবিধাবঞ্চিত ব্যক্তি নিয়োগ পেলেন। পর্যায়ক্রমে এরকম আরও অনেককে প্রতিষ্ঠানে যুক্ত করবে ওয়ালটন কর্তৃপক্ষ।

সোমবার (১ নভেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরায় করপোরেট অফিসে আনুষ্ঠানিকভাবে ওই ৬ ব্যক্তি ওয়ালটনে যোগ দেন। পিপল ম্যাটার মোর : ফিনান্সিয়াল এমানসিপেশন ফর এভরিওয়ান শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের ওয়ালটনে বরণ করে নেওয়া হয়। প্রতিষ্ঠানটির এমডি ও সিইও গোলাম মুর্শেদ তাদেরকে ওয়ালটন পরিবারে স্বাগত জানান।

ওয়ালটনে নিয়োগ পাওয়া ওই ৬ শারীরিক প্রতিবন্ধী হলেন সাবিনা খাতুন, সবিতা রাণী দাশ, সুসান দে, অরবিন্দু চাকমা, লুৎফর রহমান এবং আবু বকর সিদ্দিক। তারা ওয়ালটনের করপোরেট অফিস, সার্ভিস সেন্টারসহ বিভিন্ন বিভাগে কাজ করবেন। সাভারের সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান সিআরপির মাধ্যমে ওয়ালটন তাদের নিয়োগ দেয়।

ওই ৬ ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে গোলাম মুর্শেদ বলেন, আপনারা নিজেদেরকে দুর্বল ভাববেন না। আপনাদের মধ্যে অনেক প্রতিভা, সম্ভাবনা আছে। আমাদের সৌভাগ্য যে আপনাদেরকে ওয়ালটন পরিবারে পেয়েছি। আপনারা ৬ জন ওয়ালটনের ৩০ হাজার সদস্যের সঙ্গে যুক্ত হলেন। আমরা যে স্বপ্ন দেখছি, আপনারা তার সঙ্গে একাত্ম হয়ে বাস্তবায়ন করবেন। দেশ-বিশ্ব পরিবর্তন হবেই। এটা আমাদের দ্বারাই সম্ভব। আজকে ৬ জনকে দিয়ে ওয়ালটন শুরু করলো। এরপর ৬০০ জন হবে। পরে ৬ হাজার জন হবে। এক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতা করার জন্য সিআরপিকে ধন্যবাদ।

তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি পরিবর্তন আসবেই। যদি উদ্দেশ্য ভালো থাকে, ভালো কিছু করতে চাইলে বাধা আসবে। কিন্তু সেজন্য পিছিয়ে গেলে চলবে না। বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশ সবক্ষেত্রেই ভালো করছে। যার অন্যতম উদাহরণ ওয়ালটন। বাংলাদেশের উন্নয়ন যদি কেউ দেখতে চায়, তবে তার শোকেস ওয়ালটন।

গোলাম মুর্শেদ বলেন, আমাদের সবার জন্ম নেওয়ার স্বার্থকতা পূরণ করতে হবে। আমরা কোনো না কোনো দায়িত্ব নিয়ে এই পৃথিবীতে এসেছি। আমাদের বুদ্ধি আছে, বিবেক, মূল্যবোধ আছে। সেই বিচার-বুদ্ধি ব্যবহার করে মূল্যবোধ অক্ষুণ্ন রেখে সবসময় ভালো কিছু করার চেষ্টা করবো। কাজ করতে গেলে ভুল হবে। ভুল থেকে আমরা শিখবো। আমরা একে অন্যকে ভুলগুলো ধরিয়ে দেবো। ভুলগুলো সুন্দর ও সাবলিলভাবে শুধরে নেবো।

ওয়ালটনের মতো মাল্টিন্যাশাল প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পেয়ে ভীষণ আপ্লুত ওই ৬ শারীরিক প্রতিবন্ধী। তারা প্রতিষ্ঠান ও দেশের প্রতি সর্বোচ্চ দায়িত্ব পালনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তাদের মধ্যে লুৎফর রহমান বলেন, ওয়ালটন পরিবারে সম্পৃক্ত হতে পেরে খুবই আনন্দিত। ওয়ালটন আজ আমাদের যে সম্মান দেখালো, তাতে আমরা অভিভূত।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার ও ইভা রিজওয়ানা নিলু, ওয়ালটন প্লাজার সিইও মোহাম্মদ রায়হান, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর এস এম জাহিদ হাসান, এমদাদুল করিম, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মোজাহিদুল ইসলাম, তানভীর আঞ্জুম, চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান প্রমুখ।


আরও খবর
আগামীকাল জাতীয় আয়কর দিবস

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




হাসপাতালে ভর্তি ১৪২ ডেঙ্গু রোগী

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে আরও ১৪২ ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তবে এই সময়ে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা যায়নি।

সারাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত ডেঙ্গুবিষয়ক প্রতিবেদনে শনিবার (২০ নভেম্বর) বিকেলে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি হওয়া অধিকাংশই রাজধানীবাসী। এর মধ্যে ১০৪ জন রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে এবং ৩৮ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ নিয়ে বর্তমানে দেশের বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে সর্বমোট ভর্তি থাকা ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫৪৩ জনে। ঢাকার ৪৬টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪৩৬ জন এবং অন্যান্য বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১০৭ জন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২০ নভেম্বর পর্যন্ত হাসপাতালে সর্বমোট রোগী ভর্তি হয়েছেন ২৬ হাজার ৩৪৩ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ২৫ হাজার ৭০২ জন। ডেঙ্গুতে এ সময়ে ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।


আরও খবর
করোনায় ২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২২৭

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




হাফ ভাড়ার দাবিতে রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের বাস ভাঙচুর

প্রকাশিত:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:শনিবার ২০ নভেম্বর ২০21 | ১১৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজধানীতে চলাচলকারী গণপরিবহনে অর্ধেক ভাড়ার দাবিতে চারটি বাস ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে।

শনিবার বেলা ১২টার দিকে রাজধানীর সায়েন্স ল্যাব এলাকায় সিটি কলেজের সামনে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা এসব বাস ভাঙচুর করে বলে জানায় পুলিশ।

তার আগে নিউমার্কেট সায়েন্সল্যাব এলাকার রাস্তা অবরোধ করেন ঢাকা কলেজ ও সিটি কলেজের শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে চারটি বাস ভাঙচুর করলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের রমনা বিভাগের নিউমার্কেট জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার শরীফ মো. ফারুকুজ্জামান।

তিনি বলেন, ছাত্ররা হাফ পাশের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দেয়৷ এর মধ্যে উত্তেজিত ছাত্ররা চারটি বাস ভাঙচুর করে। আমরা সাথে সাথেই তাদের থামিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। ছাত্রদের বুঝিয়ে তাদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া বলেন, গণপরিবহনে বিশেষ করে বাসে হাফ ভাড়ার দাবিতে কয়েকদিন ধরেই ধানমন্ডি সাইন্সল্যাব এলাকার শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করছে, রাস্তা অবরোধ করছে। আজকেও বেলা সোয়া ১২টার দিকে সিটি কলেজ ও ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা রাস্তা অবরোধ করেছে। এ সময় কয়েকটি বাসের গ্লাস ভাঙচুর করা হয়।

এখন রাস্তায় ঢাকা কলেজের কিছু শিক্ষার্থী অবস্থান করছেন বলে জানান তিনি।

গত বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা একইভাবে রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। সেদিন পুলিশ ও কলেজ শিক্ষকরা তাদের বুঝিয়ে কলেজ প্রাঙ্গনে ফেরত পাঠায়। তবে তারা বাস মালিক-শ্রমিকদের হাফ পাশ কার্যকর করতে শনিবার পর্যন্ত সময় বেঁধে দেয়।

ছাত্রদের অভযোগ, তারা সবসময় অর্ধেক ভাড়া দিয়ে বাসে চলাচল করেন। তবে নতুন ভাড়া কার্যকর হবার পর থেকে কোনো বাসে হাফ ভাড়া নিচ্ছে না বরং তাদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করছেন পরিবহন শ্রমিকরা।

এরই মধ্যে ছাত্রদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।


আরও খবর
মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৪৬

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




যে ৩টি সময়ে পানি খেলেই বিপদ!

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | ৫৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আমাদের শরীর সুস্থ রাখতে প্রতিদিন নিয়ম করে পানি খেতেই হয়। সারাদিনে দুলিটারের কম পানি খেলে শরীর শুকিয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে তিন-চার লিটার খেতে পারলে সবচেয়ে ভাল। তবে কিছু কিছু সময়ে আছে এই সময়গুলোতে মোটেই পানি খেতে নেই।

বিশেষজ্ঞরা নির্দেশনা দিয়ে থাকেন, তিনটি সময়ে একদম পানি খাবেন না? তা এবার জেনে নিন-

ঝাল খাওয়ার পরে:

খাবার খাওয়ার সময়ে ঝাল লাগলে অনেকেই পানি খান। বিশেষ করে শিশুদের ঝাল লাগলে তো সবাই পানি খাইয়ে থাকেন। কিন্তু এটি ঠিক কাজ নয়। খাবারের যে উপাদানের কারণে ঝাল লেগেছে, সেটি এর ফলে গোটা পেটে ছড়িয়ে পড়ে। এতে হজমের সমস্যা হয়। অন্ত্রের অন্য সমস্যাও হতে পারে। ঝাল ধীরে ধীরে মুখেই সইয়ে নিলে ভাল।

ঘুমের আগে:

অনেকেই পানি খেয়ে ঘুমোতে যান। এটিও ঠিক অভ্যাস নয়। এতে কিডনির উপর চাপ পড়ে। তাছাড়া প্রস্রাবের চাপে ঘুম ভেঙে যেতে পারে। তাতে হৃদ্‌যন্ত্রের ক্ষতি হয়।

শরীরচর্চার পরে:

এই সময়ে প্রচুর ঘাম হয়। ফলে শরীরে পানির চাহিদা দেখা দেয়। তখন ঢকঢক করে পানি খেলে কিডনির উপর চাপ পড়ে। কিছুটা সময় বিশ্রাম নিয়ে তারপরেই পানি খাওয়া উচিত।

নিউজ ট্যাগ: পানি শরীরচর্চা

আরও খবর