আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

জাপার সংসদ সদস্য মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী আর নেই

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত সদস্য মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী (৭০) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। সোমবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

জানা গেছে, মাসুদা চৌধুরী দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে দেশে-বিদেশে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে, এক মেয়ে রেখে গেছেন। মাসুদা এম রশিদ চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপিকা এবং জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় উপনেতা জি এম কাদের। পাশাপাশি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন এবং মরহুমার বিদেহী রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।


আরও খবর



ইভা রহমানের নতুন স্বামীর পরিচয় জানা গেছে

প্রকাশিত:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | হালনাগাদ:সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০21 | ২৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বেসরকারি টিভি চ্যানেল এটিএন বাংলায় সংবাদ পাঠক হিসেবে কাজ করতেন ইভা রহমান। সেই সুবাদেই পরিচয় চ্যানেলটির চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে। গড়ে ‍উঠে সখ্যতা। শুরু হয় মন দেয়া নেয়া। গাঢ় হতে থাকে দুজনের প্রেম। অত:পর বিয়েও করেন তারা। হাসি আনন্দ নিয়ে সুখেই সংসার করে আসছিলেন এই দম্পতি। বিভিন্ন সময় সে সুখের বহিঃপ্রকাশও দেখা গেছে। কিন্তু দীর্ঘ দিনের সেই সংসার ভেঙে গেছে।

এটিএন বাংলার চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমানের প্রাক্তন স্ত্রী ও গায়িকা ইভা রহমান নতুন করে ঘর বেঁধেছেন। সোমবার (২০ সেপ্টেম্বর) খবরটি প্রকাশ্যে আসে।

এদিকে ইভা রহমানের নতুন স্বামীর পরিচয় পাওয়া গেছে। একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র নিশ্চিত করেছে, ইভার নতুন স্বামীর নাম সোহেল আরমান। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। বর্তমানে তারা রাজধানীর গুলশানে বসবাস করেন।

সূত্রটি আরও জানায়, মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে ইভা রহমানের দাম্পত্য কলহ বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই। এ কারণে তারা আলাদা থাকতেন। অবশেষে গত জুন মাসে বিবাহবিচ্ছেদ করেন তারা।

গত ১৭ সেপ্টেম্বর ডিভোর্সের সার্টিফিকেট হাতে পান ইভা। এরপরই সোহেল আরমানকে বিয়ে করেন তিনি। ছোট পরিসরে পারিবারিক আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে তাদের বিয়ে। সোহেলের সঙ্গে ইভার আগে থেকেই পরিচয় ছিল। সেই পরিচয় সূত্রেই তারা সম্পর্কে জড়ান এবং বিয়ে করেছেন।


আরও খবর
আক্রমণাত্মক মন্তব্যের শিকার নুসরাত

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




আফগানিস্তানে ১০০ কোটি ডলারের বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

আফগানিস্তানের জন্য ১০০ কোটি মার্কিন ডলারেরও বেশি সহায়তার প্রতিশ্রুতি পেয়েছে জাতিসংঘ। তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর আফগানিস্তানে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিতে পারে বলে জাতিসংঘের সতর্কবার্তার পর এই প্রতিশ্রুতি এলো। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে এ কথা বলা হয়েছে।

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় জাতিসংঘের আহ্বানে গতকাল সোমবার আফগানিস্তানের জন্য সহযোগিতা কনফারেন্স হয়। সেখানে ৬০৬ মিলিয়ন ডলার চাওয়া হয়েছিল। সে আহ্বানের পর অর্থ সহায়তার প্রতিশ্রুতি ডলারের অঙ্কে এক হাজার মিলিয়ন অর্থাৎ এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে গেছে। কনফারেন্সটিতে জাতিসংঘ ও রেড ক্রসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশগুলোর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।কনফারেন্সে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, দুই দশকের যুদ্ধ শেষে আফগানিস্তান বর্তমানে নাজুক সময় পার করছে। দারিদ্র্যের হার বেড়েই যাচ্ছে, সরকারি সেবা ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

এই মাসের শেষে আফগানিস্তানের বহু মানুষ অনাহারী হয়ে পড়বে বলে জানান জাতিসংঘের মহাসচিব।

গত ১৫ আগস্ট তালেবানের আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল দখলের আগপর্যন্ত আফগানিস্তানের অর্ধেক জনগোষ্ঠী, অর্থাৎ এক কোটি ৮০ লাখ মানুষ সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল ছিল। খরা, খাদ্য ও নগদ অর্থ সংকটে এবং রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট অস্থিরতায় এই নির্ভরশীল মানুষের সংখ্যা আরও বাড়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছে জাতিসংঘসহ অন্যান্য সাহায্য সংস্থাগুলো।

পশ্চিমা মদদপুষ্ট সরকারের পতনে এবং তালেবানের বিজয়ের ফলে আফগানিস্তানে শত শত কোটি ডলারের বিদেশি সাহায্য বন্ধ হয়ে গেছে। দেশটিতে জাতিসংঘের কার্যক্রম চালানো নিয়েও চাপ তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘের মহাসচিব গত শুক্রবার জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে জাতিসংঘ নিজের কর্মীদের বেতনই দিতে পারছে না।

আহ্বান করা ৬০৬ মিলিয়ন ডলারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) মাধ্যমে খাদ্য সরবরাহে ব্যয় করার কথা হয়েছে।

আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ডব্লিউএফপি আফগানিস্তানে একটি জরিপ চালিয়ে জানায়, দেশটির ৯৩ শতাংশ মানুষ পর্যাপ্ত পরিমাণ খাবার পায় না।

এ ছাড়া জাতিসংঘের আরেকটি প্রতিষ্ঠান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) এই সাহায্যের অর্থ আফগানিস্তানে তাদের স্বাস্থ্য কার্যক্রম পরিচলানায় ব্যয় করবে।


আরও খবর



১৮ বছরের নিচে সবাই শিশু, বিষয়টি ভাবনার সময় এসেছে

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশে ১৮ বছরের নিচে সবাইকে শিশু হিসেবে বিবেচনা করার বিষয়টি নিয়ে এখন চিন্তা-ভাবনার সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর মধুবাগে বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খান কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

কিশোর অপরাধ দমনে জনসচেতনতামূলক কর্মকাণ্ডের আওতায় সবার হোক একটাই পণ, কিশোর অপরাধ করব দমন শীর্ষক টিভিসি উদ্বোধন উপলক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানটির আয়োজন করে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, আমি যখন এসএসসি পাস করেছি তখন আমার বয়স ছিল ১৫ বছর। বর্তমানে যারা নিয়মিত পড়াশোনা করেন ১৮ বছর বয়সে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে চলে যান। আমাদের মনে হয় ১৮ বছরের এ সময়সীমা নিয়ে চিন্তাভাবনা করার সময় এসেছে। আন্তর্জাতিক একটি আইনের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় এটি করা হয়েছে। কিন্তু এর ফলে কিশোর অপরাধ দমনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বেগ পেতে হচ্ছে। তাই বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবনার সময় এসেছে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলছে, এটি ধরে রাখার প্রথম শর্ত হচ্ছে নিরাপত্তা। কিন্তু আমাদের কিশোররা নানা ধরনের অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে। আমাদের শঙ্কার বিষয় ছিল কোভিডকালীন স্কুল কলেজ বন্ধ থাকবে, সবাই বসে থাকবে। তবে এ সময়ে কিশোরদের নিয়ে যে শঙ্কাটা ছিল ততখানি হয়নি, আমাদের দেশ অনেক দেশের তুলনায় ভালো আছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, পুলিশ-র‍্যাব, শিক্ষক ও সমাজ তাদের কার্যক্রম চালচ্ছে। তারপরেও অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি কেন? বিষয়টি নিয়ে খেয়াল না করলে আমাদের সন্তানদের হারিয়ে ফেলব, দেশ-জাতির সবাই নিগৃহীত হবে। সমাজের শাসন যদি সুপ্রতিষ্ঠিত করতে না পারি, আইন শৃঙ্খলা বাহিনী যতই কড়াকড়ি করুক আমরা হারিয়ে যাব। তাই সময় থাকতে সন্তানকে উপযুক্ত শিক্ষা দিন, তাদের সঙ্গে কথা বলুন। সন্তানরা কোথায় যাচ্ছে, কী করছে খেয়াল করুন। আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। তবে আপনি যদি আপনার সন্তানের প্রতি খেয়াল না রাখেন তাহলে এটি আমরা কখনোই পারব না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, একসময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তী সময়ে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়। এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দরকার সেভাবে হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেফতার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদের গ্রেফতারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

তিনি বলেন, কিন্তু প্রফেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রফেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া। কিশোর অপরাধীদের গ্রেফতারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনাগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে সেগুলো পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদের তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদের অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ নয়, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে র‍্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতা কর্মসূচির মাধ্যমে সুপথে না আসে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, এক সময় আট বছর পর্যন্ত বয়সীদের শিশু ধরা হতো। কিন্তু পরবর্তীতে কিশোর আইন হালনাগাদ করা হয়েছে, এখন ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত শিশু ধরা হয়। আইন পরিবর্তনের ফলে যখন একজন পূর্ণ যুবকের পর্যায়ে পৌঁছে যায় তাকেও শিশু ধরা হয়।

এর ফলে কিশোর অপরাধের বিরুদ্ধে আমরা যেভাবে আইনানুগ ব্যবস্থা নিয়েছি, সেভাবে করা হচ্ছে না। তাদের ক্ষেত্রে বিচার পদ্ধতি, গ্রেপ্তার পদ্ধতি সবকিছুই আলাদা। তাদেরকে গ্রেপ্তারের সঙ্গে সঙ্গে প্রফেশন অফিসারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু প্রবেশন অফিসাররা কাজ করেন সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায়, আর আমরা কাজ করি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আওতায়। আমরা তাদের সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করে যাচ্ছি। এছাড়া, প্রয়োজনীয় সংখ্যক প্রবেশন অফিসার না থাকার বিষয়টিও রয়েছে। বললেই সেই সংখ্যক কর্মকর্তা নিয়োগ দিয়ে দেওয়া যায় না, এটি দীর্ঘমেয়াদী একটা প্রক্রিয়া।

কিশোর অপরাধীদের গ্রেপ্তারের পর জেলে পাঠানো যাবে না, সংশোধনগারে পাঠাতে হয়। সেই সংশোধনাগারের সংখ্যাও পর্যাপ্ত নয়। যেসব গ্যাপ রয়েছে পূর্ণ করতে কাজ করতে হবে। নয়তো বাড়বাড়ন্ত কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করা কঠোর হয়ে যাবে।

পুলিশ প্রধান বলেন, কিশোর ছেলে-মেয়েরা কী করছে, কোথায় যাচ্ছে এখানে প্যারেন্টাল কন্ট্রোলের বিষয়টাও রয়েছে। প্রতিটা পরিরিবারকে খেয়াল রাখতে হবে বাচ্চারা কোথায় যায়, কার সঙ্গে মেশে এবং কী করছে। দেশ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে। সে দেশের উপযোগী একটা জেনারেশন আমাদেরকেই তৈরি করতে হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন বলেন, কারা কিশোরদেরকে অপরাধী বানাচ্ছে, তাদের হাতে কারা মাদক তুলে দিচ্ছে, তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। অপরাধ শুধু নিয়ন্ত্রণ না, প্রতিরোধ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সমাজ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে।

র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে ছোটদের সঙ্গে বড়রাও থাকে। ছোট-বড় মিলে বিরোধ হয়, পরে আলাদা গ্রুপ সৃষ্টি হয়। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মারামারির মতো ঘটনা ঘটে। কিশোর অপরাধ দমনে সচেতনতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে মানে এই নয়, আভিযানিক কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাবে। যদি কেউ সচেতনতার মাধ্যমে সুপথে না আসে, তার বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা চলমান থাকবে।



আরও খবর
কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুনভাবে ভাবতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

বাতিলের তালিকায় ২১০টি ভূতুড়ে পত্রিকা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত ২৩ কোটি

প্রকাশিত:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ১৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

স্বাস্থ্যবিধি মানা ও টিকাদানের হার বাড়ানোর ফলে করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বস্তির আভাস দিলেও এর প্রভাব এখনো রয়েছে। এখন পর্যন্ত বিশ্বে ২৩ কোটির বেশি মানুষের করোনা শনাক্ত হয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৪৭ লাখ ২১ হাজার । গত একদিনে করোনায় প্রাণহানির তালিকায় যুক্ত হয়েছেন ৮ হাজার ১৬৯ জন। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪ লাখ ৫৫ হাজার মানুষ। ওয়ার্ল্ডোমিটারের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার সকাল পর্যন্ত বিশ্বে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৩ কোটি ২ লাখ ৭৮ হাজার জনের। মৃত্যু হয়েছে ৪৭ লাখ ২১ হাজার ৬৩২ জনের।

করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২০ কোটি ৬৯ লাখের বেশি মানুষ। এখন করোনা রোগী রয়েছেন প্রায় এক কোটি ৮৫ লাখ। এদের মধ্যে ৯৮ হাজারের বেশি রোগীর অবস্থা গুরুতর।

করোনায় সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৪ কোটি ৩২ লাখের বেশি মানুষের। এছাড়া মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৯৬ হাজার ৮৬৭ জনের।

করোনায় হতাহতের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। দেশটিতে এখন পর্যন্ত করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩ কোটি ৩৫ লাখ ৩০ হাজারের বেশি মানুষের। এই মারণ ভাইরাসে মৃত্যু হয়েছে ৪ লাখ ৪৫ হাজার ৮০১ জনের। তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ব্রাজিল। দেশটিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ২ কোটি ১২ লাখ ৪৭ হাজারের বেশি মানুষের। মৃত্যু হয়েছে ৫ লাখ ৯১ হাজার ৫১৮ জনের।

তালিকায় ২৮ নম্বরে থাকা বাংলাদেশে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১৫ লাখ ৪৫ হাজার ৮০০ জনের এবং মৃত্যু হয়েছে ২৭ হাজার ২৭৭ জনের। এখন করোনা রোগী রয়েছেন ১৩ হাজার ৮১৪ জন। এদের মধ্যে ১৬২৭ জনের অবস্থা গুরুতর।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জোরকদমে চলছে টিকাদান। এরই মধ্যে বেশিরভাগ দেশ তাদের প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার বেশিরভাগকে টিকা দিয়ে ফেলেছে। টিকা দেয়ার হার বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শিথিল করা হয়েছে করোনা বিধিনিষেধ। এরই মধ্যে বেশিরভাগ দেশ স্বাভাবিক কার্যক্রম শুরু করেছে। তুলে নেয়া হয়েছে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কোয়ারেন্টাইন এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টিকা নেয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।



আরও খবর



পরীমণিকে ধর্ষণ-হত্যা চেষ্টা: নাসিরসহ ৩ জনের নামে চার্জশিট

প্রকাশিত:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
আসামিদের মধ্যে নাসির ও অমি জামিনে আছেন এবং শহিদুলকে চার্জশিটে 'পলাতক' দেখানো হয়েছে। শহিদুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির

চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমণিকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে উত্তরা ক্লাব লিমিটেডের সাবেক সভাপতি নাসির ইউ মাহমুদ ও তার সহযোগী তুহিন সিদ্দিকী অমিসহ তিন জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ।

এফআইআর এ আসামি শাহ শহিদুল আলমের নাম না থাকলেও তদন্তের সময় পুলিশ তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় চার্জশিটে নাম অন্তর্ভুক্ত করেছে।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) এবং মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. কামাল হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এই চার্জশিট জমা দেন।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মইনুল ইসলাম জানান, আসামিদের মধ্যে নাসির ও অমি জামিনে আছেন এবং শহিদুলকে চার্জশিটে 'পলাতক' দেখানো হয়েছে। শহিদুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির জন্য আদালতে আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

গত ১৪ জুন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য নাসির, অমি এবং আরও চার জন অজ্ঞাত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন পরীমণি। সেদিনই উত্তরা ১ নম্বর সেক্টরের একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নাসির ও অমিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদেরকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বিমানবন্দর থানায় দায়ের করা আরও একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১