আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

জাতীয় দলে জায়গা হারালেন নেইমার

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৪ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দুই মাসের বিরতি শেষে চলতি মাসে আবারও মাঠে গড়াচ্ছে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের বিশ্বকাপ বাছাই পর্ব। চলতি মাসের শেষ দিকে, আর পরবর্তী মাসের শুরুতে দুই ম্যাচে আবারও মাঠে নামবে দক্ষিণ আমেরিকান দলগুলো। সেই দুই ম্যাচকে সামনে রেখে ব্রাজিল কোচ তিতে ঘোষণা করেছেন স্কোয়াড। যাতে বার্সেলোনা ডিফেন্ডার দানি আলভেস ফিরেছেন, জায়গা হারিয়েছেন নেইমার!

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে এই দল ঘোষণা করেছেন তিতে। নেইমার অবশ্য চোটের কারণে দল থেকে বাদ পড়েছেন। গত নভেম্বরে পিএসজির হয়ে এক ম্যাচে চোট পেয়ে প্রায় দুই মাসের জন্য মাঠের বাইরে চলে যান তিনি।

জাতীয় দলে জায়গা ফিরে পেয়েছেন দানি আলভেস। চলতি শীতকালীন দলবদলে তাকে মূল দলের সঙ্গে নিবন্ধন করিয়ে নিয়েছে বার্সা। খেলে ফেলেছেন দুটো ম্যাচও। গ্রানাডার বিপক্ষে পুনরাভিষেকে করেছেন একটি অ্যাসিস্টও। দ্বিতীয় ম্যাচে গত বৃহস্পতিবার তার দল বার্সেলোনা চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের কাছে হারলেও তার পারফর্ম্যান্স নজর কেড়েছে সবার। আর তাই কোচ তিতে তাকে দলে ফিরিয়ে এনেছেন।

শেষ কিছুদিনে মাঠে না নামলেও দলে আছেন ফেলিপে কৌতিনিও। কোচ তিতে জানালেন দলের গুরুত্বপূর্ণ এক সদস্য তিনি। বললেন, কৌতিনিও একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় যে খেলা গড়ে দিতে পারে, গোল করতে পারে। সে ধীরে ধীরে তার সেরা ফর্মে ফেরার চেষ্টা করছে। বর্তমানে যে অবস্থায় আছে সে, তাতে সে জাতীয় দলে ফেরার জন্য যথেষ্ট।

আগামী ২৮ জানুয়ারি ইকুয়েডরের আতিথ্য নেবেন তিতের শিষ্যরা। এর পাঁচ দিন পর ফেব্রুয়ারির শুরুতে দলটি খেলবে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে। নিজেদের মাঠেই হবে সেই ম্যাচটি।

সেলেসাওদের বিশ্বকাপ অবশ্য নিশ্চিত হয়ে গেছে গেল নভেম্বরেই। ১৩ ম্যাচে ১১ জয় ও ২ ড্রয়ে ৩৫ পয়েন্ট অর্জন করেছে দলটি। কনমেবল বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে আছে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলের সমান ১৩ ম্যাচে ২৯ পয়েন্ট অর্জন করে বিশ্বকাপ নিশ্চিত করে ফেলেছে তারাও।

ব্রাজিল দল:

গোলরক্ষক: অ্যালিসন, এডারসন, ওয়েভারটন

ডিফেন্ডার: দানি আলভেস, এমারসন, আলেক্স সান্দ্রো, আলেক্স তেলেস, এডার মিলিতাও, গ্যাব্রিয়েল, মারকিনিওস, থিয়াগো সিলভা।

মিডফিল্ডার: ক্যাসেমিরো, ফ্যাবিনিও, ব্রুনো গিমারেস, গারসন, ফ্রেড, কৌতিনিও, লুকাস পাকেতা।

ফরোয়ার্ড: রাফিনিয়া, অ্যান্থনি, রদ্রিগো, এভারটন রিবেইরো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, মাতিয়াস কুনিয়া, গ্যাবিগোল।

নিউজ ট্যাগ: নেইমার

আরও খবর



আমি জানি অনেক বুলেট আমার জন্য অপেক্ষা করছে, কিন্তু আমি থেমে থাকব না : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | হালনাগাদ:রবিবার ০২ জানুয়ারী 2০২2 | ৫৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বাংলাদেশের সব থেকে বড় রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সভাপতি, দেশের বর্তমান প্রধামন্ত্রী ও বঙ্গবন্ধু কন্যার নাম এটি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি রয়েছেন ক্ষমতার মসনদে বসা। আর এই কারনে দেশের উন্নয়ন করে যাচ্ছেন একটানা। আজ দেশের সার্বিক অবস্থা ও উন্নয়নের অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বুলেট, বোমা, গ্রেনেড অপেক্ষায় থাকলেও জীবনের পরোয়া করেন না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনই তার লক্ষ্য।

তাই উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণকে টেকসই করতে জাতীয় মসৃণ উত্তরণ কৌশল নামের একটি জাতীয় দলিল তৈরির কথা জানালেন বঙ্গবন্ধুকন্যা। দলিলটিতে সম্ভাবনা কাজে লাগানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব ধরনের দিক-নির্দেশনাসহ কার্যকর কৌশল রাখতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন সরকারপ্রধান।

বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে রোববার সকালে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের দেয়া স্বীকৃতি আনুষ্ঠানিকভাবে উদযাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে গণভবন প্রান্ত থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন তিনি।

জাতির পিতার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে তার কন্যা বলেন, আমি জানি স্বাধীনচেতা হলে পরে অনেক বাধা আসে। দেশকে ভালোবেসে, শুধু দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে যারা পথ চলে, তাদের পথ চলা কখনও সহজ হয় না। অনেক বাধা অতিক্রম করতে হয়।

সব বাধা বিপত্তি অতিক্রম এগিয়ে যাওয়ার সংকল্পের কথা জানান শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, চলার পথ যত অন্ধকারাচ্ছন্ন হোক না কেন, যত বন্ধুর হোক না কেন, যত কণ্টকাকীর্ণ হোক সেখানে আমরা থেমে থাকব না।

অন্তত আমি এই প্রতিজ্ঞা করছি, থেমে থাকব না। চলার পথ যত কণ্টকাকীর্ণ হোক, যত রক্তক্ষরণ হোক, সব পদদলিত করে বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনে এগিয়ে যাব। এটাই হচ্ছে আমার প্রতিজ্ঞা।

এসময় আবেগঘন কণ্ঠে রবার্ট ফ্রস্টের কবিতা পাঠ করে শোনান প্রধানমন্ত্রী।

দ্য উডস আর লাভলি, ডার্ক অ্যান্ড ডিপ

বাট আই হ্যাভ প্রমিসেস টু কিপ

অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ

অ্যান্ড মাইলস টু গো বিফোর আই স্লিপ।

কবিতা পাঠ শেষে বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, যেকোনো সময় আমি জানি অনেক বুলেট, বোমা, গ্রেনেড আমার জন্য অপেক্ষা করছে, আমি কখনও সেগুলো পরোয়া করি না। আমি জনগণের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য কাজ করি।

জোরসে চলো বাংলাদেশ শীর্ষক এই আয়োজনে শেখ হাসিনা বলেন, উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণকে টেকসই করতে একটি জাতীয় মসৃণ উত্তরণ কৌশল বা স্মুথ ট্রানজিশান স্ট্যাটেজি প্রণয়নের কাজ হাতে নিয়েছি। এই জাতীয় দলিলে উত্তরণের সম্ভাবনাগুলোকে কাজে লাগানোর পাশাপাশি ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সব ধরনের দিক-নির্দেশনাসহ কার্যকর কৌশল থাকতে হবে।

সম্যক গবেষণা ও সমীক্ষা থেকে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ওপর ভিত্তি করে একটি প্রমাণনির্ভর সময়োপযোগী কার্যকর কৌশল প্রণয়নে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানাই।

বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় দেশের নতুন ও তরুণ প্রজন্মকে হাল ধরার আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, চিরদিন কেউ বাঁচে না, কিন্তু যে কাজ আমরা করে গেলাম সে গতি যেন হারিয়ে না যায়, চলার গতি যেন অব্যাহত থাকে। বাংলাদেশ যেন এগিয়ে যায়, সেটাই আমরা চাই।

আর নতুন প্রজন্মের কাছে এটাই আমাদের দাবি। অন্তত আমি তাদের এইটুকু আহ্বান করব, দেশকে ভালোবাসবে, মানুষকে ভালোবাসবে, দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে- সেখানেই শান্তি, সেখানেই অগ্রগতি, সেখানেই উন্নতি, সেখানেই স্বস্তি।

এই উত্তরণ হঠাৎ নয়

জনগণের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং আওয়ামী লীগ সরকারের ১৩ বছরের অপ্রতিরোধ্য উন্নয়ন-অগ্রযাত্রার স্বীকৃতি হিসেবে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে প্রবেশ করেছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ। এটা হঠাৎ করে আসে না। সুষ্ঠু পরিকল্পনা আমরা নিয়েছি। প্রেক্ষিত পরিকল্পনা করেছি। আশুকরণীয় মধ্যমেয়াদি, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছি। সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করেছি। আমরা পরিকল্পিতভাবে এগিয়েছি বলেই আজকে আমাদের এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। এটা আমরা ধরে রাখতে চাই। কারণ বাংলাদেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাব।

এই অর্জনের জন্য দেশের জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি এই অর্জনে বন্ধুপ্রতীম যেসব দেশ পাশে থেকে সহযোগিতা করেছে বাংলাদেশকে সেসব দেশের প্রতিও ধন্যবাদ জানান সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করেছিল। প্রকৃতপক্ষে ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাংক আমাদের নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের স্বীকৃতি দিয়েছিল। সেখানে আমরা থেমে থাকিনি, এগিয়ে চলেছি। আমরা সব শর্ত পূরণ করে অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছি যাতে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পাই। ২০২১-এর ২৪ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ হতে উত্তরণের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে।

২০০৯ সাল থেকে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা ও সরকারের ধারাবাহিকতার কারণে উন্নয়ন দৃশ্যমান হয়েছে বলেও মনে করেন বঙ্গবন্ধুকন্যা।

তিনি বলেন, এ সাফল্যের জন্য আমি সবাইকে বাহবা দিই। সবাইকে ধন্যবাদ দিই। কারণ সবার সহযোগিতা না পেলে এই উত্তরণ সম্ভব হতো না। ১৩ বছরে বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছি। বাংলাদেশের অর্থনীতির আকার ও মাথাপিছু আয় গত ১৩ বছরে প্রায় তিনগুণ বেড়েছে।

বাংলাদেশ এখন বিশ্বের ৩১তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৫৫৪ ডলার। আইএমএফ-এর হিসাব মতে ২০২৬ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতিতে পরিণত হবে। ১৩ বছর সময়কালে আমাদের গড় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৬.৩ শতাংশ, যেখানে উন্নয়নশীল দেশগুলোর গড় প্রবৃদ্ধি ছিল মাত্র ৫.১ শতাংশ।

২০০৮-০৯ অর্থ বছরের তুলনায় রপ্তানি আয় এবং প্রবাস আয় বেড়েছে প্রায় আড়াই গুণ বেড়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি, এতে ৯ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব। বাংলাদেশ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক সূচকের উন্নয়নে প্রতিবেশী দেশগুলোকেও ছাড়িয়ে গেছে। আমরা সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা বাড়িয়েছি।

দেশের দরিদ্র মানুষের সংখ্যা কমেছে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ২০০৫ সালে দরিদ্র ও হতদরিদ্রের হার ছিল যথাক্রমে ৪০ ও ২৫.১ শতাংশ, যা কমে বর্তমানে যথাক্রমে ২০.৫ ও ১০.৫ শতাংশ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাষ উপযোগী জমি সীমিত। তাই আমরা গবেষণায় সব থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছি। আজকে গবেষণার মাধ্যমে আমি বলতে পারি বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

করোনামহামারিতে দেশের অর্থনীতি সচল রাখা হয়েছে বলেও জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, মানুষকে নগদ অর্থ সহায়তা দিয়েছি। ১ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ দিয়েছি। মানুষকে বিনামূল্যে টিকা দিচ্ছি। ইতোমধ্যে প্রায় ১৩ কোটি ডোজ দেয়া সম্পন্ন হয়েছে। বুস্টার ডোজ প্রদানও শুরু করেছি।

সরকার প্রধান শেখ হাসিনা আরো বলেছেন, এটি তার এখন একটি দৃড় বিশ্বাস যে বাংলাদেশ ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জন, ২০৩১-এর মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ এ উচ্চ আয়ের উন্নত-সমৃদ্ধ মর্যাদাশীল দেশে পরিণত হবে।আর সেই লক্ষ্যেই তিনি দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন দেশের আর দেশের মানুষের জন্য।



আরও খবর



ভ্যাকসিন বিরোধী আন্দোলনে ফুটবলারদের স্ত্রীরা

প্রকাশিত:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ০১ জানুয়ারী ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

মহামারি করোনাভাইরাসের টিকা আবিষ্কারের আগে থেকেই ইউরোপজুড়ে সংগঠিত হতে থাকেন টিকাবিরোধীরা। তারা সংঘবদ্ধভাবেই রাস্তায় নেমে ভ্যাকসিন নেওয়ার বিরোধিতা করে আসছেন।

টিকাবিরোধী সেই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন দুই ইংলিশ ফুটবলারের স্ত্রী। ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের সুন্দরী স্ত্রী মেগান ডেভিসন যোগ দিয়েছেন টিকাবিরোধী আন্দোলনে।

২৫ বছর বয়সী মেগান সম্প্রতি ভ্যাকসিনবিরোধী আন্দোলনের ছবি নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে রি-পোস্ট করে আলোচনায় এসেছেন।

লন্ডনের একটি র‍্যালির ছবি মেগান শেয়ার করেন নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে। সেখানে এক আন্দোলনকারীর হাতে থাকা প্লাকার্ডে লেখা ছিল- এমনকি আপনি যদি ষড়যন্ত্রতত্ত্বে বিশ্বাসী না-ও হন, তবু আপনার মন বলবে কিছু একটা ভুল হচ্ছে। পরে অবশ্য সমালোচনার মুখে সেটি সরিয়েও নেন তিনি।

শুধু মেগানই নন, টিকাবিরোধী কর্মকাণ্ডে আলোচনায়  এসেছেন আরেক ইল্যান্ড তারকা জন স্টোনসের বান্ধবী অলিভিয়া নায়লর। তিনিও টিকাবিরোধী বার্তা শেয়ার করেছেন। টিকা নেওয়ার বদলে মানবাধিকারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে বলেছেন তিনি।


আরও খবর
হাসপাতালে ভর্তি মাহাথির মোহাম্মদ

শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২




রাজশাহীতে করোনায় আরও ৪ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ০৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৩১৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একদিনে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে করোনায় একজন এবং উপসর্গ নিয়ে তিনজন মারা গেছেন। মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বুধবার সকাল ৯টার মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়।

এর আগে সর্বশেষ গত ৩১ ডিসেম্বর রামেক হাসপাতালে একজন করোনা সংক্রমণে মারা যান। এর পর ১ জানুয়ারি সকাল ৯টার পর থেকে ৪ জানুয়ারি সকাল ৯টা পর্যন্ত টানা মৃত্যুহীন ছিল করোনা ইউনিট।

রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় রামেক হাসপাতালে করোনা সংক্রমণে একজন রোগী মারা গেছেন। এ ছাড়া করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন আরও তিনজন। এদের মধ্যে দুজন রাজশাহী এবং একজন নাটোর জেলার বাসিন্দা।

হাসপাতালের আইসিইউ এবং ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে দুজন করে রোগীর মৃত্যু হয়েছে। এদের মধ্যে তিন পুরুষ এবং দুই নারী রয়েছেন। তাদের দুজনের বয়স ৪১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। অন্য দুজন ষাটোর্ধ্ব।


আরও খবর



ভয়ঙ্কর করোনা : ঢাকাসহ ২ জেলা রেড জোন, ঝুঁকিতে ৬ জেলা

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | ৪১৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

প্রাণঘাতি করোনাভাইরাস সংক্রমণের রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে ঢাকা ও রাঙামাটি জেলাকে। এছাড়াও মধ্যম পর্যায়ের ঝুঁকিতে রাখা হয়েছে যশোরসহ সীমান্তবর্তী ৬ জেলাকে। আজ বুধবার (১২ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা ড্যাশবোর্ড ওয়েবসাইট থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ঝুঁকিতে থাকা জেলাগুলো হলো- রাজশাহী, রংপুর, নাটোর, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, যশোর। এসব জেলায় করোনা সংক্রমণের হার ৫ শতাংশ থেকে ৯ শতাংশে অবস্থান করছে। আর রেড জোনে থাকা দুই জেলায় করোনা সংক্রমণের হার ১০ শতাংশ থেকে ১৯ শতাংশ।


আরও খবর



দিনাজপুরের হিলিতে তাপমাত্রা বেড়েছে

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দিনাজপুরের হিলিতে বেড়েছে তাপমাত্রা। এ সময় কমেছে শীতের প্রকোপ। দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বিরাজমান মৃদু শৈত্যপ্রবাহটি প্রশমিত হয়েছে। ধীরে ধীরে আবহাওয়া পরিস্থিতির আরও উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে ঘন কুয়াশা এখনো বিরাজ করছে। তীব্র শীত আর ঠাণ্ডা থেকে রক্ষায় আগুন জ্বালানোসহ নানা উপায় খুঁজছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানান, শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দিনাজপুরে চূড়ান্ত সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা তেতুলিয়াতে ৯.৮ ডিগ্রী সে: রেকর্ড করা হয়েছে।


আরও খবর