আজঃ মঙ্গলবার ৩০ নভেম্বর ২০২১
শিরোনাম

জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২৩ নভেম্বর ২০২১ | ৩৪০জন দেখেছেন

Image

জবি প্রতিনিধি:

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শিক্ষক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ৩০৮ ভোট পেয়ে সভাপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। এরপর বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির বার্ষিক সাধারণ সভা শেষে আনুষাঙ্গিকভাবে নবনির্বাচিত কার্যনির্বাহী কমিটি-২০২২ দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন।

নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন জামালপুর জেলা সদরের ঐতিহ্যবাহী পাথালিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে এমএসএস -এ প্রথম শ্রেণিতে প্রথম স্থান ও বি.এস.এস. (সম্মান) প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেন। তিনি কানাডার কালর্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স অব সোশ্যাল ওয়ার্ক (এম.এস.ডব্লিউ) এবং উইলফ্রিড লরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচ.ডি ডিগ্রী সম্পন্ন করেন। পিএইচডি গবেষণার জন্য তিনি IDRC (International Development Research Centre, Canada) থেকে মর্যাদাপূর্ণ Doctoral Research Award লাভ করেন।

এছাড়াও তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর সোশ্যাল সায়েন্স রিসার্চ এন্ড ট্রেনিং এর পরিচালক হিসেবে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় থেকে গবেষণা মুঞ্জরিপ্রাপ্ত হয়ে 'জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড পরবর্তী সশস্ত্র প্রতিবাদকারী যোদ্ধাগণের বর্তমান অবস্থা' শীর্ষক প্রকল্পের গবেষণা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে ১৯৯০ সালে কবি জসীম উদ্দিন হল সংসদে ছাত্রলীগ থেকে শফি-হায়দার প্যানেলে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করেন।

তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নীলদল থেকে মনোনীত হয়ে ২০১৪-১৫ সেশনে শিক্ষক সমিতির নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি নীলদলের কার্যনিবার্হী পরিষদের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অধ্যাপক ড. মো. আবুল হোসেন এশিয়াটিক সোসাইটি, বাংলা একাডেমি ও বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনীর সদস্য এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্টার্ড গ্রাজুয়েট, ঢাকাস্থ জামালপুর সমিতির আজীবন সদস্য হিসেবে কাজ করছেন।


আরও খবর



টস হেরে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ০২ নভেম্বর 2০২1 | ৪৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টি২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ-১ এর ম্যাচে টসে জিতে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।

বিকাল ৪টায় আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে ব্যাটিংয়ে নামবে চোটজর্জর বাংলাদেশ।

টি২০ বিশ্বকাপের শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। প্রথম তিন ম্যাচেই হার দেখতে হয়েছে মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকদের।

বাংলাদেশ একাদশ

মুহাম্মদ নাইম, লিটন দাস (উইকেরক্ষক), সৌম্য সরকার, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ (অধিনায়ক), আফিফ হোসেন, শামীম হোসাইন, মেহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও তাসকিন আহমেদ।

 দক্ষিণ আফ্রিকা একাদশ

কুইন্টন ডি কক, রেজা হেন্ডরিকস, টেম্বা বাভুমা, রসি ফন ডার ডুসেন, এইডেন মারক্রাম, ডেভিড মিলার, ডোয়াইন প্রিটোরিয়াস, কাগিসো রাবাদা, কেশভ মহারাজ, এনরিচ নর্টজে ও তাবরাইজ শামসি।


আরও খবর
হারের শঙ্কায় টাইগাররা

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




আশা জাগিয়েও হেরে গেল টাইগাররা

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৯ নভেম্বর ২০২১ | ৩৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরে গেল বাংলাদেশ। ব্যাটারদের ব্যর্থতার দিনে অল্প পুঁজি গড়লেও বোলারদের নৈপুণ্যতায় আশা দেখেছিল টাইগাররা। কিন্তু শেষ মুহূর্তে মুস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামের খরুচে বোলিংয়ে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় স্বাগতিকরা। টাইগারদের আরও একবার হতাশ করে দারুণ জয়ে সিরিজ শুরু করল পাকিস্তান। তাতেই তিন ম্যাচের সিরিজ ১-০ তে এগিয়ে গেল বাবর আজমরা।

আজ শুক্রবার মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে চার উইকেটে জিতেছে পাকিস্তান। বাংলাদেশের দেওয়া ১২৮ রানের লক্ষ্য চার বল হাতে রেখেই পেরিয়ে যায় সফরকারীরা। ব্যাট হাতে ১০ বলে ২১ রানে অপরাজিত ছিলেন শাদাব খান ও ৮ বলে ১৮ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন মোহাম্মদ নওয়াজ।

লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতে ব্যাট করতে আসেন বিশ্বের অন্যতম সেরা দুই ওপেনার বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। তাদের এই জুটিতে বেশিদূর যেতে দেয়নি টাইগার পেসাররা। দলীয় ১৬ রানে রিজওয়ান ও ২২ রানে ফেরেন বাবর আজম। ১১ বলে ১১ রান করা রিজওয়ানকে নিজের শিকার বানান মুস্তাফিজুর রহমান। আর ১০ বলে আট রান করা বাবরকে বোল্ড করে ফেরান তাসকিন আহমেদ।

তিনে আসা হায়দার আলী কিংবা চারে আসা শোয়েব মালিক কেউই দলের প্রয়োজন মেটাতে পারেনি। দুইজনের ফেরেন শূন্যরানে। তিন বলে কোনো রান না করা হায়দারকে লেগ বিফোরে ফেরান মেহেদী। আর মালিককে দারুণ রান আউটে ফেরান সোহান।

পঞ্চম উইকেটের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন ফখর জামান ও খুশদিল শাহ। দুই জনের জুটিতে পথ ফিরে পায় পাকিস্তান। এই জুটির বিপরীতে বেশ কয়েকজন বোলারকে ব্যবহার করেও ফল পাচ্ছিলেন না মাহমুদউল্লাহ। ১৫তম ওভারে বল হাতে এসে দ্বিতীয় বলেই ৫৬ রানের এই জুটি ভাঙেন তাসকিন। ৩৬ বলে চার বাউন্ডারিতে ৩৪ রান করা ফখরকে কট বিহাইন্ডে ফেরান তিনি।

শেষ চার ওভারে ৩৮ রান প্রয়োজন ছিল সফরকারীদের। ক্রিজে ছিলেন সেট ব্যাটসম্যান খুশদিল ও নতুন ব্যাটসম্যান শাদাব খান। ১৭তম ওভারে বল করতে এসেই থিতু হয়ে বসা খুশদিলকে সাজঘরে ফেরান শরিফুল ইসলাম। কিছুটা ওয়াইড লেন্সের বল খুশদিলের ব্যাটে লেগে সোহানের গ্লাভসে জমা পড়ে। তাতেই ৩৫ বলে তিন চার ও এক ছক্কায় ৩৪ করে ফেরেন বাঁ হাতি এই ব্যাটার।

১৮তম ওভারে বল করতে এসে বাংলাদেশকে ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছেন মুস্তাফিজুর রহমান। প্রথম দুই ওভারে তিন রান দেওয়া এই বোলার পরের দুই ওভারে দেন ২৩ রান। তার মধ্যে শেষ ওভারেই দেন ১৫ রান। তাতেই ম্যাচ পাকিস্তানের দিকে হেলে যায়। শেষ দুই ওভারে ১৬ রান প্রয়োজন ছিল পাকিস্তানের।

শরিফুলের ওভার থেকেও ১৫ রান আদায় করে নেয় পাকিস্তান। আর শেষ ওভারে প্রথম বল করতে আসা আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে দ্বিতীয় বলে ছয় হাঁকিয়ে জয় নিশ্চিত করে সফরকারীরা। ক্রিজে থাকা শাদাব ও মোহাম্মন নওয়াজের ১৫ বলের ৩৬ রানের জুটিতে জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান।

এর আগে টসে জিতে ব্যাট করতে এসে শুরুটা ভালো হয়নি বাংলাদেশের। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার নাঈম শেখ। তিন বলে মাত্র এক রান করেন তিনি। কিছু সময় ক্রিজে থাকলেও বেশ অস্বস্তিতে ভুগছিলেন অভিষিক্ত সাইফ হাসান। যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন ততক্ষণ ব্যাটে বলে ঠিকমতো করতে পারেননি। ফিরে যান আট বলে মাত্র এক রান করে। পাকিস্তানের বিপক্ষে অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি তিনি।

দলীয় ১৫ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন নাজমুল হোসেন শান্ত। দলের বিপর্যয়ে সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি তিনি। ১৪ বলে মাত্র সাত রান করে মোহাম্মদ ওয়াসিমের কট অ্যান্ড বোল্ড হন তিনি। চতুর্থ উইকেটের জুটিতে আফিফ হোসেনকে নিয়ে ২৫ রানের জুটি গড়ে বোল্ড হয়ে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। ১১ বলে মাত্র ৬ রান করে মোহাম্মদ নওয়াজের শিকার হন তিনি।

প্রথম দশ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে মাত্র ৪০ রান তোলার পর প্রতিরোধ গড়েন আফিফ। ১১তম ওভারে নাওয়াজের কাছ থেকে দুটি ছক্কায় ১৫ রান আদায় করেন তিনি। এরপর রানের চাকা কিছু সচল থাকলেও খানিক পরই সাজঘরে ফেরেন আফিফ। ১৩তম ওভারের পঞ্চম বলে রিজওয়ানের স্ট্যাম্পিংয়ের শিকার হন তিনি। ৩৪ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় ৩৬ রান করেন তিনি।

ষষ্ঠ উইকেটের জুটিতে ২২ বলে ৩৪ রানের জুটি গড়েন নুরুল হাসান সোহান ও শেখ মেহেদী। এই যুগলের ঝড়ো রানের জুটি ভাঙেন হাসান আলী। ২২ বলে দুটি ছক্কায় ২৮ করে সাজঘরে কট বিহাইন্ডের শিকার হন সোহান। শেষের দিকে শেখ মেহেদীর ২০ বলে ৩০ রানের ইনিংসে ১২৭ রানের পুঁজি পেয়েছিল বাংলাদেশ।


আরও খবর
হারের শঙ্কায় টাইগাররা

সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১




জাতীয় যুবদিবস আজ

প্রকাশিত:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ০১ নভেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দক্ষ যুবসমৃদ্ধ দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ এই স্লোগান নিয়ে আজ পালিত হচ্ছে জাতীয় যুবদিবস। দিবসটি উপলক্ষে বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়েছে।

এ উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে বঙ্গভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে জাতীয় যুবদিবসের শুভ উদ্বোধন করবেন বলে জানা গেছে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল।

দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতি তার বাণীতে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার স্বপ্নপূরণে দেশপ্রেম, সাহস ও সহযোগিতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের সব আন্দোলন-সংগ্রাম ও অগ্রগতির পথে এ দেশের যুবসমাজের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। মহান ভাষা আন্দোলন হতে স্বাধীনতা সংগ্রামসহ এ দেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় যুবকরা যেমন জীবন উৎসর্গ করতে কার্পণ্য করেনি, তেমনি অর্থনৈতিক মুক্তির সংগ্রামেও তারা নিরলসভাবে ব্যাপৃত।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারির সময়েও আমাদের যুবসমাজের কর্মস্পৃহা আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে সচল রেখেছে। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি, সব প্রতিকূলতাকে জয় করে আমাদের যুবসমাজ আমাদের সরকারের গৃহীত রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অংশীদারত্ব সৃষ্টির মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত-সমৃদ্ধ ও আত্মমর্যাদাশীল দেশ প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।

জাতীয় যুবদিবস উপলক্ষে তিনি বাংলাদেশের যুবসমাজকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

 

নিউজ ট্যাগ: জাতীয় যুবদিবস

আরও খবর



টিকটক অপুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

প্রকাশিত:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৩ নভেম্বর ২০২১ | ৬০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

টিকটকার ইয়াসিন আরাফাত অপু (২০) ওরফে টিকটক অপুওরফে অপু ভাইসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। আদালত চার্জশিট গ্রহণ করে আসামি মো. রনি প্রকাশ সৈয়দ রাকিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

একইসঙ্গে মামলায় অপর আসামি মুন্না ওরফে লুৎফর রহমান (২২), জমির উদ্দিন (৪৫), মো. সুমন শেখ ওরফে পাপনের (২৭) বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতির আবেদন করে পুলিশ।

আজ বুধবার (৩ নভেম্বর) সকালে উত্তরা পূর্ব থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক লিয়াকত আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উত্তরা পূর্ব থানার উপ-পরিদর্শক মো. আজিজুর তালুকদার টিকটক অপুসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। অপরদিকে মুন্না ওরফে লুৎফর রহমানসহ তিনজনের অব্যাহতির আবেদন করেন।

চার্জশিটভুক্ত অপর আসামিরা হলেন- মো. শাকিল হোসেন (২৬), মো. শাহাদত হোসেন (৩০), মো. সানি (২২), মো. নাজমুল (২১) ও মো. রনি প্রকাশ সৈয়দ রাকিবুর রহমান (২৫)। গত ১১ অক্টোবর আদালত চার্জশিট গ্রহণ করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০২০ সালের ২ আগস্ট মামলার বাদী এসএম মাহবুব আলমের ছেলে মেহেদী হাসান রবিন (৩০) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শ্বশুর বাড়ি রাজধানীর উত্তরা থেকে ফিরছিল। উত্তরা পূর্ব থানাধীন ৬নম্বর সেক্টরস্থ আলাউল এভিনিউয়ের ৫২ নম্বর বাসার সামনে পাকা রাস্তায় পৌঁছালে রবিনের পথরোধ করে টিকটক ভিডিও করতে থাকে। এসময় প্রাইভেটকারে বসে থাকা রবিনসহ তার বন্ধুরা হর্ন বাজালে আসামি সাকিল, শাহাদত, সানি, টিকটক অপু, নাজমুল, রনি, মুন্না ও জমির উদ্দিন ক্ষিপ্ত হয়ে রবিন ও তার বন্ধু আফসানুল কবির, সরকার সজল মাহমুদ ও মুরাদুল হককে প্রাইভেটকার থেকে টেনে রাস্তায় নামান। এরপর ধারালো অস্ত্র, লোহার রড ও ইট দিয়ে মাথায়, ঘাড়ে ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় এলোপাতাড়িভাবে আঘাত করে তাদের জখমসহ রক্তাক্ত করে টিকটকাররা। এসময় আসামিরা ভুক্তভোগীদের কাছে থেকে স্যামসাং ফোন ও নগদ ২১ হাজার টাকা নিয়ে যায় এবং তাদের নানা রকম ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনার পরদিন ৩ আগস্ট উত্তরা পূর্ব থানায় এস এম মাহবুব আলম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন।


আরও খবর



বিশ্বের সমরাস্ত্র বিক্রেতাদের নজর এখন বাংলাদেশে

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৬ নভেম্বর ২০২১ | ৪৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বিশ্বের সমরাস্ত্রের বিক্রেতাদের নজর এখন বাংলাদেশের দিকে। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, তুরস্ক, জাপান, জার্মানি, রাশিয়া, ইতালির কাছে অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও অত্যাধুনিক অস্ত্রের সম্ভাব্য ক্রেতা। সে কারণে এসব দেশ থেকে প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও সমরাস্ত্র বিক্রির বিভিন্ন প্রস্তাবও বাংলাদেশের কাছে এসেছে।

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন বলেছেন, পশ্চিমা দেশগুলো এখন বাংলাদেশের কাছে অত্যাধুনিক অস্ত্র বিক্রিতে আগ্রহ দেখাচ্ছে। এসব প্রস্তাব যাচাই-বাছাইয়ের পর বাংলাদেশের সক্ষমতা অনুযায়ী দাম, মান ও কৌশলগত দিক বিবেচনা করে সেগুলো নেওয়া হবে।

দেশের সামরিক বাহিনীগুলোকে আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে ২০০৯ সালে প্রথম ফোর্সেস গোল ২০৩০ গ্রহণ করে বাংলাদেশ। ২০১৭ সালে তা সংশোধন করা হয়। এর মাধ্যমে দেশের সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী ও নৌবাহিনীকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়। তারই অংশ হিসেবে আধুনিক সমরাস্ত্র কেনার বিষয়টি সামনে আসছে।

তা ছাড়া পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ), যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে কৌশলগত পর্যায়ে নিয়ে গেছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়ায় বাংলাদেশকে নিয়মিত বাণিজ্যের পাশাপাশি সমরাস্ত্রের সম্ভাব্য বাজার হিসেবে বিবেচনা করছে পশ্চিমা দেশগুলো।

সে কারণে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক চর্চা, শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতা, বিচারব্যবস্থাকে আরও কার্যকরী করা, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বাচন, নির্বাচন কমিশন গঠন, বিরোধী মতকে প্রাধান্য না দেওয়ার মতো ইস্যুগুলো নিয়ে আগের মতো সমালোচনা করছে না পশ্চিমারা। বাংলাদেশকে না চটিয়ে ব্যবসায় মনোযোগ দিয়ে কৌশলে পরিবর্তন করছে তারা।

পাশাপাশি চীনকে ঠেকাতে ভারত প্রশান্ত মহাসাগরীয় কৌশল তো রয়েছেই। সেই দলেও বাংলাদেশকে নিতে চায় পশ্চিমারা।

নিরাপত্তা বিশ্লেষক ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব পিস অ্যান্ড সিকিউরিটি স্টাডিজের প্রেসিডেন্ট মেজর জেনারেল (অব) মনিরুজ্জামান বলেন, ফোর্সেস গোল ২০৩০-কে লক্ষ্য রেখে সমরাস্ত্র সংগ্রহ করছে বাংলাদেশ। এগুলো সংগ্রহ করে ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। যে অস্ত্রগুলো আমাদের কাছে মজুত নেই, সেগুলোই কেনা হচ্ছে। বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানে সম্ভাব্য যে শক্তি বজায় রাখা প্রয়োজন, সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের সমরাস্ত্র সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: সমরাস্ত্র

আরও খবর