আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

কালাইয়ে বজ্রপাতে এক কিশোরের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩৫৫জন দেখেছেন

Image

জয়পুরহাট প্রতিনিধি:

জয়পুরহাটের কালাইয়ে বজ্রপাতে রিদয় হাসান (১৪) নামে এক কিশোরের মৃত্ব্য হয়েছে ।

শুক্রবার সকালে উপজেলার উদয়পুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। রিদয় হাসান ওই গ্রামের রবিউল ইসলামের ছেলে।

পরিবারের সদস্য ও পুলিশ জানান, সকাল ১০টার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে  রিদয় বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে ইউক্যালিপটার গাছের নিচে  দাঁড়িয়ে ছিল এ সময় সেখানে বজ্রপাত হলে সে মাটিতে পড়ে যায় আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে কালাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন।


আরও খবর



বেড়েছে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা, রোগীতে ঠাসা পঙ্গু হাসপাতাল

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১০ মে ২০২২ | ৫০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে গত ৬ দিনে রাজধানীর জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানে (পঙ্গু হাসপাতাল) এক হাজার ২৫০ জনেরও বেশি রোগী ভর্তি হয়েছেন। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই সময়ে হাসপাতালে আসাদের মধ্যে ৩০ শতাংশই মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার শিকার। তাদের অনেকেরই হাত-পা কেটে ফেলতে হয়েছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, এক হাজার শয্যার হাসপাতালে কোনো শয্যা খালি নেই। পুরো হাসপাতালই রোগীতে ঠাসা। শয্যা না পেয়ে বাধ্য হয়ে হাসপাতালের মেঝেতে থেকে চিকিৎসা সেবা নিতে হচ্ছে রোগীদের। জানা গেছে, মোটরসাইকেল ছাড়াও সিএনজিচালিত অটোরিকশায় দুর্ঘটনা বেশি ঘটেছে। সে তুলনায় বাস ও ট্রাকের দুর্ঘটনা কম। আহতদের অধিকাংশেরই আঘাত গুরুতর।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গত ২ মে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ১৯৭ জন পঙ্গু হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে সংকটাপন্ন অবস্থায় ৬৫ জনের অস্ত্রোপচার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি ১৩২ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয়। এরপর ৩ মে (ঈদের দিন) ১৭৯ জন হাসপাতালে আসেন, তাদের মধ্যে ৮২ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। ৪ মে দুর্ঘটনায় আহত হয়ে ২৫২ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত ৮৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয় ১৬৭ জনকে।

এরপর গত ৫ মে ২৩৬ জন হাসপাতালে আসেন, তাদের মধ্যে ১০৮ জনকে অস্ত্রোপচার শেষে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাকি ১২৮ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার আরও ১৮৩ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ৬৪ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গতকাল শনিবার (৭ মে) নতুন করে আরও ২০৩ জন হাসপাতালে আসেন। তাদের মধ্যে ৮৯ জনকে অস্ত্রোপচার শেষে ভর্তি করা হয়। বাকি ১১৪ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাসায় পাঠানো হয়।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দুর্ঘটনার শিকার মানুষেরা চিকিৎসা নিতে পঙ্গু হাসপাতালে আসেন। কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া এলাকা থেকে আসা হৃদয় হাসান (২৬) নামে একজন জানান, ঈদের পরদিন ১৮ জন বন্ধু মিলে মোটরসাইকেলে করে সিলেটের উদ্দেশ্যে ঘুরতে বের হন। সবার সামনে থাকা মোটরসাইকেলের যাত্রী ছিলেন তিনি। দুর্ঘটনায় পড়ে তার একটি পা কেটে ফেলতে হয়েছে। বন্ধুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

হাসপাতালে ভর্তি মো. ইব্রাহিম নামের (৩০) আরেক রোগী জানান, মোটরসাইকেলে তিনি কটিয়াদি থেকে পুলেরঘাট বাজারে আসছিলেন, তখন বিপরীত দিক থেকে একটি বাস ও আরেকটি অটোরিকশা একসঙ্গে আসছিল। সামনে দুই গাড়ি দেখে বাধ্য হয়েই তিনি পাকা সড়ক থেকে মাটির অংশে নেমে আসেন। কিন্তু নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে অটোরিকশাটি সেখানেই এসে তার মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয়।

ইব্রাহিম বলেন, গতকাল (৭ মে) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। এখন পর্যন্ত কোনো সিট না পেয়ে মেঝেতে শুয়েই চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। চিকিৎসক জানিয়েছেন অন্তত আরও ২০ দিনের মতো থেকে চিকিৎসা নিতে হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্মরত এক নার্স জানান, ঈদ-পরবর্তী সময়ে রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। হাসপাতালে আসা একের পর এক রোগীকে সেবা দিতে গিয়ে খাওয়া ও বিশ্রামেরও সুযোগ থাকে না তাদের। মাত্র ছয় জন নার্স কাজ করছি। এটা রীতিমতো আমাদের ওপর অত্যাচারের মতো।

হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ও সিনিয়র স্টাফ নার্স রহিমা আক্তার বলেন, স্বাভাবিক সময়ে হাসপাতালটিতে দৈনিক দেড়শ জনের মতো রোগী আসলেও ঈদের সময় রোগীর সংখ্যা পৌঁছে যায় ২০০ থেকে ২৫০ জনে। ঈদে বেশিরভাগ স্বাস্থ্যকর্মীর ছুটির কারণে বাকিদেরকেই এই চাপ সামলাতে হয়। রোগী যতই আসুক, কষ্ট সত্ত্বেও আমাদেরকে তো ম্যানেজ করতেই হবে। কারণ দুর্ঘটনায় হাত-পা ভাঙা এসব রোগীদের তো আর আমরা ফেরত দিতে পারব না। আমাদের স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের নির্ধারিত সময়ের বাইরেও সেবা দিচ্ছেন। নিয়মিত সিনিয়র চিকিৎসকরাও খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। এর বাইরে বিশেষ সমস্যা হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে জানাই। তখন অতিরিক্ত চিকিৎসক এসে কাজ করেন।

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঈদ ও ঈদ পরবর্তী সময়ে আমাদের হাসপাতালে রেকর্ড সংখ্যক রোগী এসেছে। তাদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক রোগীকেই ছোট-বড় অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। এখন পর্যন্ত হাসপাতালে আসা রোগীদের মোটরসাইকেল দুর্ঘটনাই বেশি। জরুরি ওয়ার্ডে জায়গা না হওয়ায় অনেককে চিকিৎসা দিতে হচ্ছে বারান্দায়।

জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আবদুল গণি মোল্লা বলেন, প্রতি ঈদেই আমাদেরকে একটা ভয়ংকর অবস্থার মুখোমুখি হতে হয়। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার দুর্ঘটনায় আহত হয়ে আসা রোগীর সংখ্যা বেশি। ঈদ একটি খুশির সময়। এই সময়ে মানুষ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাবে এটাই স্বাভাবিক। তাছাড়া আমাদের পরিবহনগুলো যে একেবারে খারাপ, তা তো নয়। কিন্তু এবার ঈদে যে পরিমাণ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ঘটেছে তা আমার মনে হয় গত কয়েক বছরে হয়নি।

হাসপাতালের পরিচালক আরও বলেন, কিছু চিকিৎসক ঈদের ছুটিতে গেলেও অন্য ধর্মের চিকিৎসকরা এই সময়ে নিরলসভাবে চিকিৎসা সেবা দিয়েছেন। এছাড়া বেশ কয়েকজন সিনিয়র চিকিৎসক সার্বক্ষণিক হাসপাতালে সময় দিয়েছেন। আমি নিজে ঈদের দিনেও সারাদিন হাসপাতালে ছিলাম। যে কারণে চিকিৎসাসেবায় খুব বেশি সমস্যা হয়নি।

নিউজ ট্যাগ: পঙ্গু হাসপাতাল

আরও খবর



হঠাৎ ডুবে গেছে দৌলতদিয়া ফেরিঘাট

প্রকাশিত:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | হালনাগাদ:শুক্রবার ২০ মে ২০22 | ২৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বর্ষা মৌসুম আসার আগেই হঠাৎ পদ্মা ও যমুনা নদীর পানি বাড়ার কারণে তলিয়ে গেছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ৫ নং ফেরিঘাট। এতে ৫ নং ফেরিঘাটের সংযোগ সড়কসহ পন্টুনের এক-তৃতীয়াংশ রয়েছে পানির নিচে।

ফলে দুর্ঘটনা এড়া‌তে এ ঘাট দি‌য়ে যানবাহন পারাপার বন্ধ রেখেছে ঘাট কর্তৃপক্ষ। এ করণে দৌলতদিয়া প্রান্তে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র যানজট। ফলে ঢাকামুখী অনেক যাত্রী ঘা‌টে এসে ফি‌রে যা‌চ্ছে বাড়িতে।

শুক্রবার (২০ মে) সকা‌লে দৌলতদিয়া ফে‌রিঘা‌টে দেখা যায়, পানিবৃদ্ধির কারণে দৌলত‌দিয়া প্রা‌ন্তের ৫ নং ফে‌রিঘাটের সংযোগ সড়কসহ পন্টুনের এক-তৃতীয়াংশ পানির নিচে রয়েছে। এতে ওই ঘাটটি বন্ধ রেখেছে ঘাট কর্তৃপক্ষ।

ফেরিঘাটের জি‌রো প‌য়েন্ট থে‌কে ঢাকা খুলনা মহাসড়‌কে নদী পা‌রের অপেক্ষায় র‌য়ে‌ছে সাত শতা‌ধিক যানবাহন। এগু‌লোর ম‌ধ্যে শত শত যাত্রীবাহী বাস র‌য়ে‌ছে। মধ‌্যরাতে ফে‌রিঘা‌টে আসা বাসগু‌লো এখন পর্যন্ত ফে‌রি‌তে উঠতে পা‌রে‌নি। দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থে‌কে চরম ভোগা‌ন্তি পোহা‌তে হ‌চ্ছে যাত্রীদের। যানজটে আটকা ট্রাক ও কাভার্ড ভ‌্যা‌নগু‌লোর ভুগছে দুই দিন ধরে।

ঘাট-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া প্রান্তে ফেরিঘাট রয়েছে মোট ৭টি। এর মধ্যে ৩, ৬ ও ৭ নং ফেরিঘাট বর্তমানে সচল রয়েছে। বাকি ঘাটগুলো বিভিন্ন কারণে বন্ধ রয়েছে। সম্প্রতি পানি উঠে যাওয়ায় ৫ নং ফেরিঘাটও এখন বন্ধ রয়েছে। মাত্র তিনটি ঘাট সচল থাকায় দৌলতদিয়া প্রান্তে ঘাট সংকট সৃষ্টি হয়েছে।

বিআইডব্লিউ‌টি‌সির দৌলত‌দিয়া ফে‌রিঘা‌টের ব‌্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান ব‌লেন, হঠাৎ নদীতে পানি বাড়ার কারণে দৌলতদিয়া ৫ নং ঘাট তলিয়ে গেছে। এতে দুর্ঘটনা এড়াতে সাময়িক সময়ের জন্য ঘাটটি বন্ধ রাখা হয়েছে। বর্তমানে দৌলতদিয়া প্রান্তে ৩টি ঘাট সচল রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যাত্রী ও যানবাহন পারাপা‌রে এই নৌরুটে ১৯‌টি ফে‌রি চলাচল কর‌ছে। ঘাট সংক‌টের কার‌ণে আমা‌দের ফে‌রি চলাচল বিঘ্ন হ‌চ্ছে।


আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ট্রাকচাপায় ২ মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৩৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত হয়েছেন।সোমবার (২৫ এপ্রিল) রাত সোয়া ৯টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের উপজেলার রাজাবাড়িয়াকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের দেওড়া গ্রামের কামাল মিয়ার ছেলে সালমান মিয়া (১৬) এবং একই গ্রামের রমিজ উদ্দিনের ছেলে শরীফ উদ্দিন (১৬)। এ ঘটনায় দেওড়া গ্রামের সাজিদুর রহমানের আনাস (১৭) গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুখেন্দু বসু জানান, রাতে সিলেট অভিমুখী একটি ট্রাক বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত হন। এ ঘটনায় আরেক আরোহী আনাস গুরুতর আহত হন। দুর্ঘটনার পরই ঘাতক ট্রাক চালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা যায়নি।


আরও খবর



সম্রাটের জামিন বাতিল চেয়ে দুদকের আবেদনের শুনানি আজ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩২০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের জামিন স্থগিত ও বাতিল চেয়ে করা আবেদন শুনানি আজ। অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) হাইকোর্টে এ আবেদন করে।

মঙ্গলবার (১৭ মে) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী মো. ইজহারুল হক আকন্দের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

এর আগে বিচারিক (নিম্ন) আদালতে দেওয়া জামিনের বিরুদ্ধে রিভিশন চেয়ে সোমবার (১৬ মে) হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ আবেদন করা হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেন দুদকের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. খুরশিদ আলম খান।

এর আগে বুধবার (১১ মে) অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তিন শর্তে জামিন পান সম্রাট। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬-এর বিচারক আল আসাদ মো. আসিফুজ্জামান এ জামিন মঞ্জুর করেন। শর্তগুলো হলো- আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশত্যাগ করতে পারবেন না, পার্সপোর্ট জমা দিতে হবে এবং স্বাস্থ্যগত পরীক্ষার প্রতিবেদন আগামী ধার্য তারিখে জমা দিতে হবে।

এটা ছিল সম্রাটের বিরুদ্ধে করা চার মামলার মধ্যে সবশেষ মামলার জামিন। এর আগে তিন মামলায় আদালত থেকে জামিন পেয়েছিলেন তিনি। ফলে সব মামলায় জামিন হওয়া তিনি মুক্তি পান।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তাকে নিয়ে দুপুর দেড়টার দিকে তার কাকরাইলের কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এসময় কার্যালয়ের ভেতর থেকে বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ, পিস্তল ও বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীর চামড়া উদ্ধার করা হয়।


আরও খবর



হবিগঞ্জে বাসচাপায় অটোরিকশার চালকসহ নিহত ২

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের রোকনপুর বাজারে বাসচাপায় সিএনজি অটোরিকশার চালকসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (১৭ মে ) দুপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, অটোরিকশার চালক রোকনপুর গ্রামের শাহ জহুর আলীর ছেলে শাহ আরশ আলী (৩০) ও যাত্রী ওই গ্রামের মৃত গোলাপ আলীর স্ত্রী নুরেয়া বেগম (৩৫)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ দুপুরে অটোরিকশায় করে বাহুবল যাচ্ছিলেন নুরেয়া বেগম। পথিমধ্যে রোকনপুর বাজারে পৌঁছানো মাত্রই সিলেট থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী এম আর পরিবহনের বাস পেছন থেকে অটোরিকশাকে ধাক্কা দেয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়েমুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলে ২ জন নিহত হন। এ সময় স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। এতে মহাসড়কের উভয়পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

খবর পেয়ে শেরপুর হাইওয়ে থানা ও গোপলার বাজার তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যানচলাচল স্বাভাবিক করেন।

এ বিষয়ে গোপলার বাজার তদন্তকেন্দ্রের পুলিশ পরিদর্শক সামছুদ্দিন খান বলেন, আজ দুপুরে ঢাকাগামী একটি বাস অটোরিকশাকে পেছন দিক থেকে ধাক্কা দেয়। এতে দুজন মারা যান। এ সময় স্থানীয়রা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে।

শেরপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পরিমল দেব দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 


আরও খবর