আজঃ শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

কানাডায় স্ত্রীর নামে এমপি শিমুলের বাড়ি : তথ্য জানতে চান হাইকোর্ট

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৬৮০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
২০১৮ সালের বিবরণীতে দু'জনের সম্পদের মূল্য দেখানো হয় ছয় কোটি ৫৬ লাখ টাকা। মাত্র পাঁচ বছরে সম্পদ বৃদ্ধির এই হার প্রায় ১৩ গুণ!

নাটোর-২ (সদর-নলডাঙ্গা) আসনের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের স্ত্রী শামীমা সুলতানা জান্নাতীর নামে কানাডায় বাড়ি কেনার বিষয়ে যাবতীয় তথ্য জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

রোববার (১২ সেপ্টেম্বর) দ্বৈত নাগরিক ও দ্বৈত পাসপোর্টধারীদের নিয়ে এক মামলার শুনানির সময় বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি এস এম মজিবুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এক আদেশে এই তথ্য জানতে চান।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক। তিনি বলেন, দ্বৈত নাগরিক ও দ্বৈত পাসপোর্টধারীদের তালিকা থেকে নাটোরের এমপি শফিকুল ইসলাম শিমুল ও তার স্ত্রী শামীমা সুলতানা জান্নাতীর নাম বাদ পড়ায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। এ বিষয়ে একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে নাটোরের সানরাইজ সমাজ কল্যাণ সংস্থার সভাপতি মো. রেজাউল চৌধুরী হাইকোর্টে পক্ষভুক্ত হওয়ার আবেদন করেন।

আজ আদালত আবেদন নিষ্পত্তি করে তার কাছে নাটোরের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের স্ত্রীর নামে কানাডায় বাড়ি কেনার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলে তা নিজে হলফনামা করে হাইকোর্ট, দুদক ও রাষ্ট্রপক্ষকে জানাতে আদেশ দিয়েছেন।

স্ত্রীর নামে কানাডায় বাড়ি কিনেছেন এমপি শিমুল শিরোনামে প্রকাশিত একটি জাতীয় দৈনিকের প্রতিবেদনে বলা হয়, কানাডার টরন্টো থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরত্বের নিরিবিলি শহর স্কারবোরো। শহরটির হেয়ারউড সড়কের ৭৩ নম্বর বাড়িটির মালিক একজন বাংলাদেশি নাগরিক। নাম শামীমা সুলতানা জান্নাতী। গত বছরের শুরুর দিকে প্রায় দুই মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলার খরচ করে ডুপ্লেক্স ওই বাড়িটি কেনেন তিনি। বাংলাদেশি পাসপোর্ট অনুযায়ী তার পেশা 'গৃহবধূ' হলেও শামীমা কোনো সাধারণ নারী নন, নাটোরের সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুলের স্ত্রী তিনি।

প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়- টরন্টোর ল্যান্ড রেজিস্ট্রি অফিসের দলিল বলছে, ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি পাঁচ রুম, পাঁচ বাথ এবং তিনটি পার্কিংসহ ওই বাড়িটির মালিকানা বদল হয়। সঞ্চিত এবং সুধীর মদন নামের দুই ব্যক্তির কাছ থেকে ১৪ লাখ ৫৬ হাজার কানাডিয়ান ডলারে বাড়িটি কেনেন শামীমা সুলতানা জান্নাতী। ওই দিনই দুই লাখ ৭০ হাজার ডলার ট্যাক্সও পরিশোধ করেন তিনি। সব মিলিয়ে বনেদি বাড়িটি কিনতে তার খরচ হয় প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকা।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়- সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল এবং তার স্ত্রী শামীমা সুলতানা জান্নাতীর সব সম্পদের বিবরণসহ ঘোষণা আছে দশম এবং একাদশ সংসদ নির্বাচনের হলফনামায়। সেই হলফনামা বিশ্নেষণে দেখা যায়, ২০১৩ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য শিমুল উল্লেখ করেছেন, নগদ ১১ লাখ টাকাসহ তার এবং গৃহবধূ স্ত্রীর নামে সাকুল্যে ৫১ লাখ ৩৭ হাজার টাকার সম্পদ রয়েছে। আর ২০১৮ সালের বিবরণীতে দু'জনের সম্পদের মূল্য দেখানো হয় ছয় কোটি ৫৬ লাখ টাকা। মাত্র পাঁচ বছরে সম্পদ বৃদ্ধির এই হার প্রায় ১৩ গুণ!

সরকারি খাতায় ব্যক্তিগত আয়-ব্যয়ের হিসাবে শামীমার সম্পদের এমন ঊর্ধ্বগতির সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাখ্যা যেমন নেই, তেমনি মোট সম্পদের প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে কেনা কানাডার বাড়িটিরও কোনো উল্লেখ কোথাও নেই বলে প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়।


আরও খবর
স্বামী হত্যায় স্ত্রীর যাবজ্জীবন

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আদালতে হাজির করা হচ্ছে ইভ্যালির রাসেলকে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জেলে পাঠিয়ে লাভ নেই : বাণিজ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ২৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের কাউকে জেলখানায় পাঠিয়ে দিলে কোনো লাভ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি। এছাড়াও ই-কমার্সের সার্বিক বিষয়ে মন্ত্রণালয় পজিটিভলি চেষ্টা করছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

বুধবার (২২ সেপ্টেম্বর) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) সম্মেলন কক্ষে সোর্সিং বাংলাদেশ ২০২১-ভার্চুয়াল সংস্করণ নামে সপ্তাহব্যাপী অনলাইন মেলার আয়োজন উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।

প্রতারণার অভিযোগে আলোচিত ই-কমার্স ইভ্যালি ও ই-অরেঞ্জের মালিকরা জেলখানায় থাকায় ভুক্তভোগী গ্রাহকদের কী হবে?- এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, ই-কমার্সের কারণে অনেক গ্রাহকের অর্থ নষ্ট হয়েছে। এখন অনেককে বলতে শোনা যাচ্ছে, যাদের প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে তাদের যদি ব্যবসা করতে দিয়ে কঠিনভাবে অবজারবেশন করা হতো, তাহলে কিছুটা ক্ষতি কাভার করতে পারতো। এ ধরনের সাজেশন আসছে। এ বিষয়গুলো কতটা যৌক্তিক তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সার্বিক বিষয়গুলো অবজারভেশন করছি। আমরাসহ চার মন্ত্রণালয় (অর্থ, বাণিজ্য, আইন ও স্বরাষ্ট্র) বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি। তাদের অবস্থান নির্ণয় করা হচ্ছে, কোনো উন্নতি করা যায় কিনা সে বিষয়ে দেখা হচ্ছে।

ইভ্যালি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, অনেক বড় গ্রুপ অব কোম্পানি বিনিয়োগ করতে চেয়েছিল। কিন্তু নেতিবাচক এসব ঘটনার কারণে তারা সরে দাঁড়িয়েছে।

সংবাদ সম্মেলন বাণিজ্যসচিব তপন কান্তি ঘোষ, ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান এ এইচ এম আহসানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলে।


আরও খবর
সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সবজির

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বাংলাদেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল আমিরাত

প্রকাশিত:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশসহ ১৫ দেশের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত। আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে এসব দেশের নাগরিকরা উপসাগরীয় দেশটিতে ভ্রমণ করতে পারবেন।

শুক্রবার এক ঘোষণায় আমিরাত সরকার জানিয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার অনুমোদিত কোভিড প্রতিষেধক দুই ডোজ টিকা নিয়েই আমিরাতে ভ্রমণ করতে পারবেন ১৫ দেশের নাগরিক।

নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া দেশগুলো হলো-বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলংকা, ভিয়েতনাম, নাম্বিয়া, জাম্বিয়া, কঙ্গো, উগান্ডা, সিয়েরা লিয়ন, লাইব্রেরিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া ও আফগানিস্তান।

দেশটিতে ভ্রমণ ইচ্ছুক যাত্রীদের বেশ কিছু নিয়ম মানতে হবে। এর মধ্যে, ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেন্টিটি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ (আইসিএ) -এর ওয়েবসাইটে ঢুকে অবশ্যই আবেদন করতে হবে। এছাড়া আমিরাতে যাওয়ার আগে অনুমোদিত টিকা সার্টিফিকেট উপস্থাপন করতে হবে যাত্রীদের।

বিমান ছাড়ার ৪৮ ঘণ্টা আগে একটি অনুমোদিত স্থান থেকে কোভিড পরীক্ষা করাতে হবে। দেশ ছাড়ার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ওই পরীক্ষার নেগেটিভ ফলাফল প্রদর্শন করা আবশ্যক।

আসার চতুর্থ এবং আটদিনের মাথায় আরও একটি করোনা পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে যাত্রীদের। এক্ষেত্রেও সম্পূর্ণভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে তাদের।


আরও খবর



ইরাক ছাড়ছে মার্কিন সেনারা

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ২১ সেপ্টেম্বর 20২১ | ৪২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বদর আল-জায়াদি বলেছেন, এ বছরের অক্টোবর থেকেই মার্কিন সেনা প্রত্যাহার শুরু কবে।

প্রথম ধাপে যুদ্ধসেনাদের ইরাক থেকে প্রত্যাহার করা হবে বলে জানান তিনি। কিছু সেনা কর্মকর্তাকে ইরাকে রেখে দেওয়া হবে দেশটির সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়ার জন্য। 

ইরাকের এক এমপিও গণমাধ্যমকে একথা জানিয়েছেন। গত জুলাইয়ে বাগদাদ-ওয়াশিংটন চুক্তির আলোকেই ইরাক থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হচ্ছে।

ইরাকের প্রধানমন্ত্রী বদর আল-জায়াদি বলেন, ২০২২ সালের ১ জানুয়ারির পর ইরাকে আর কোনো মার্কিন যুদ্ধসেনা থাকবে না। তবে, সেনা প্রত্যাহারের পরও মার্কিনজোট ইরাকের বিভিন্ন স্থানে আইএস লক্ষ্যবস্তুতে বিমান ও ড্রোন হামলা চালাতে পারে।

বর্তমানে ইরাকে আড়াই হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছেন। এদের মধ্য থেকে কতজনকে ইরাকের সেনাবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য বাগদাদে অবস্থান করবে তা জানানো হয়নি।

মার্কিন সেনাবাহিনীর মধ্যপ্রাচ্যঅঞ্চলের প্রধান জেনারেল কেনেথ ম্যাকেঞ্জিও গতবছর গণমাধ্যমকে ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।


আরও খবর



দেশে করোনায় আরও ৪১ জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৫০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৪১ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৬ হাজার ৯৭২ জনে।

সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গতকাল করোনায় মৃত্যু হয়েছিল ৫১ জনের।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় নতুন শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৫৩ জন।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সেই বছর সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছিল ৬৪ জনের।

ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় জুন থেকে রোগীর সংখ্যা হু-হু করে বাড়তে থাকে। ২৮ জুলাই একদিনে সর্বোচ্চ ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছিল। গত ৭ জুলাই প্রথমবারের মতো দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২০০ ছাড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ৫ ও ১০ আগস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যু হয়, যা মহামারির মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু।

বেশকিছু দিন ২ শতাধিক মৃত্যু হয়।  এরপর গত ১৩ আগস্ট মৃত্যুর সংখ্যা ২০০ এর নিচে নামা শুরু করে। দীর্ঘদিন শতাধিক থাকার পর গত ২৮ আগস্ট মৃত্যু ১০০ এর নিচে নেমে আসে।


আরও খবর
করোনায় শনাক্ত ও মৃত্যু আরও কমল

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




তার চোখের একটা চাহনিতেই যেন হাজার কথা বলে গেলেন: হাবিব

প্রকাশিত:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ১২ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৭৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

কিংবদন্তি সংগীত সাধক, গীতিকার, সুরকার, শিল্পী শাহ আবদুল করিম-এর প্রয়াণের এক যুগ হলো আজ (১২ সেপ্টেম্বর)। তার গানকে নতুন প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করতে যারা ভূমিকা রেখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম হাবিব ওয়াহিদ। বেঁচে থাকতে শাহ আবদুল করিমের বাড়িতেও গিয়েছিলেন হাবিব। সেই অনুভূতির কথাই ফুঠে উঠেছে তার এই লেখায়।

২০০৫ সালের কথা। শাহ আবদুল করিমের সঙ্গে দেখা করতে সিলেটে যাই। প্রায় ১২ ঘণ্টা জার্নি করে তার বাড়িতে গিয়েছিলাম। যাওয়ার সময় মনের ভেতর দারুণ একটা উত্তেজনা কাজ করছিল। তার গ্রামে পা রাখতেই মনে হলো অন্য রকম এক পরিবেশে এসেছি। ইঞ্জিন বোটে চড়া, আশপাশের মনোরম সব দৃশ্য দেখার কথা কখনোই ভুলব না। বুঝতে পারছিলাম চারপাশের এসব বিষয়বস্তুকেই তিনি গানে রূপান্তর করেছেন।

তখন তিনি খুবই অসুস্থ। কথা বলতে পারেন না, ঠিকমতো নড়াচড়া করতে পারেন না। আমি তার চোখের দিকে তাকিয়ে রইলাম। তিনিও আমার দিকে তাকিয়ে। তার মুখ থেকে কোনো কথাই বের হলো না। কিন্তু চোখের একটা চাহনি ছিল। সেই চাহনিতেই যেন হাজার কথা বলে গেলেন। এমন একজন গুণী এবং সৃষ্টিশীল মানুষকে কাছ থেকে দেখার মধ্যেও আনন্দ আছে। অবশ্য তার সঙ্গে কথা বলতে না পারার একটা আফসোসও রয়ে গেছে। তবে তার সামনে গিয়ে দাঁড়ানোর স্মৃতি সারাজীবন মনে থাকবে।

তার সৃষ্টির পেছনে গ্রাম, বেড়ে ওঠা এবং পরিবেশের একটা ব্যাপার রয়েছে বলে আমি মনে করি। তিনি কিন্তু লন্ডনেও গিয়েছিলেন। জীবনে অনেক রঙিন জিনিসই দেখেছিলেন। তার পরও নিজ গ্রামের মায়াতেই পড়েছিলেন। যা তার সৃষ্টির প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। এটা অনেক বড় ধৈর্যের ব্যাপার। এই ধৈর্য সবার থাকে না। তার কথা ও সুরের যে গভীরতা, সেটা ওই পরিবেশ এবং জীবনবোধ থেকেই পেয়েছেন। আমরা সাধারণত শহরের বর্ণিল জীবনের মায়াজালে আটকা পড়ি। এত সহজ-সরল জীবন পার করার ধৈর্য থাকে না। কিন্তু তিনি সেটাই করে দেখিয়েছেন, সফলতাও পেয়েছেন। তার সৃষ্টিই এর প্রমাণ। তার সঙ্গে কথা বলতে পারলে জিজ্ঞেস করতাম, এত এত সুন্দর এবং বৈচিত্র্যপূর্ণ গান তিনি কিভাবে লেখেন? এগুলোর উৎস কী? লেখার সময় কী করেন। কিভাবে নিজের পরিচর্যা করেন।

শাহ আবদুল করিমের গান করে মানুষের অনেক ভালোবাসা পেয়েছি। হাতেগোনা কেউ কেউ আবার সমালোচনাও করেছেন। তবে আমি মনে করি যেকোনো মানুষই স্বাধীনভাবে তার মতামত দিতে পারেন। যে যেভাবেই গানগুলোকে গ্রহণ করেছেন, সবার প্রতিই আমার সম্মান রয়েছে।


আরও খবর
হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১

আমার পছন্দের পুরুষকে একটু রাফ হতে হবে

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১