আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

খাদ্য জোগাতে মার খাচ্ছে লাভের ফসল সয়াবিন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ১০৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দিগন্ত জোড়া মাঠ। যতদূর চোখ যায় কেবল সবুজ আর সবুজ। বিস্তীর্ণ কৃষিজমির অধিকাংশেই দোল খাচ্ছে সয়াবিনের গাছ। বলছি লক্ষ্মীপুর জেলার কথা। বিশেষ করে রায়পুর, রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় এখন ব্যাপক হারে সয়াবিনের চাষ হচ্ছে। কম খরচে ভালো উৎপাদনের পাশাপাশি দাম বেশি পাওয়ায় এই অঞ্চলের চাষিদের মধ্যে অন্যান্য রবিশস্যের পরিবর্তে তেল-ফসলটির প্রতি আগ্রহ বাড়ছে। যদিও চরাঞ্চলের এসব জমিতে এক সময় কেবল খেসারি, মরিচ,বাদাম, তিল, মিষ্টি আলু, তরমুজসহ বিভিন্ন ফসলের চাষ হতো।

জানা গেছে, দেশে গড়ে ১ লাখ ১৫ হাজার থেকে ১ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন সয়াবিনের উৎপাদন হয় প্রতি বছর। এর মধ্যে ৮৫ শতাংশই উৎপাদন হচ্ছে লক্ষ্মীপুর জেলায়। তাই এই ফসলটিকে ব্র্যান্ডিং করছে জেলা প্রশাসন। লক্ষ্মীপুরের পর সবচেয়ে বেশি সয়াবিন চাষ হয় পাশের জেলা চাঁদপুরে। এ ছাড়াও নোয়াখালী, ফেনী, ভোলা, বরিশাল ও ফরিদপুর, নীলফামারী, রংপুর, দিনাজপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, বগুড়া ও ঠাকুরগাঁওয়ে কিছু পরিমাণে সয়াবিনের চাষ শুরু হয়েছে লাভজনক ফসল হওয়ায়। কিন্তু সম্ভাবনা থাকলেও এর উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। কেননা দেশের সীমিত জমি থেকে বিশাল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা পূরণ করাই বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ বলেন, সয়াবিনের উৎপাদন বাড়াতে পারলে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রার সাশ্রয় সম্ভব। তবে আমাদের চাষযোগ্য আবাদি জমির পরিমাণ খুবই সীমিত। আর এই সীমিত জমি থেকে দেশের বিশাল জনগণের খাদ্য চাহিদা পূরণ করাই বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে নতুন করে সয়াবিনের চাষের পরিমাণ খুব বেশি বাড়ানোর সুযোগ নেই। দেশের প্রধান ফসল ধান বাদ দিয়ে অন্য ফসলে গেলে খাদ্য সংকট দেখা দেবে। সে ক্ষেত্রে যদি সয়াবিনের চাষকে সম্প্রসারণ করা হয়, তা হলে এর বিপরীতে অন্য কোনো ফসলে ঘাটতি দেখা দেবে। এতে করে সুফলের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণটাও কম হবে না। তবে দেশের লবণাক্ত অঞ্চলে সয়াবিনের চাষ বাড়ানো সম্ভব। এ জন্য পরিকল্পিতভাবে ফসলবিন্যাস নিয়ে সংশ্লিষ্টদের কাজ করতে হবে। দেশের বিভিন্ন জেলায় সয়াবিন চাষের উপযোগী জমি রয়েছে। ক্রমান্বয়ে কৃষকরাও ফসলটির প্রতি আগ্রহী হচ্ছেন। প্রয়োজনে সরকারি সহায়তার পরিমাণ বাড়বে।

কৃষি গবেষকরা বলছেন, লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের আবাদ জনপ্রিয় হয়ে ওঠার পেছনে এখানকার অপ্রতুল সেচব্যবস্থারও বড় ভূমিকা রয়েছে। কারণ সয়াবিন আবাদে খুব একটা সেচের প্রয়োজন নেই। ফলে জেলাটিতে এ শস্যের আবাদের উপযোগিতা অনেক বেশি। তা ছাড়া সার্বিকভাবে সয়াবিন উৎপাদন লাভজনক। এটি একটি পরিবেশবান্ধব ফসলও। এতে সারের পরিমাণ লাগে অনেক কম। শিম গোত্রের ফসল হওয়ায় সয়াবিনের শিকড়ে নডিউল তৈরি হয়, যা থেকে হেক্টরপ্রতি প্রায় ২৫০ কেজি নাইট্রোজেন (ইউরিয়া সার) সংবন্ধন হয়। এ নাইট্রোজেন সার গাছের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং একটি অংশ মাটিতে যুক্ত হয়ে পরবর্তী ফসলে অবদান রাখে। প্রতি হেক্টরে সর্বোচ্চ উৎপাদন খরচ পড়ে ২০ হাজার টাকা। ভালো ফসল ও দাম পাওয়া গেলে উৎপাদন খরচের চেয়ে প্রায় চারগুণ বেশি লাভ করা সম্ভব সয়াবিন চাষ করে। যেখানে অন্য কোনো ফসল আবাদ করে এ পরিমাণ লাভ পাওয়া অসম্ভব।

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরমার্টিন ইউনিয়নের কৃষক মো. ইউছুফ বলেন, সয়াবিন আবাদে খরচ কম। রোগ ও পোকার আক্রমণও কম হয়। চাষাবাদ পদ্ধতি সহজ। বিক্রি করলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায় ধানের চেয়ে অনেক বেশি। আগে চরাঞ্চলে অনেক জমি অনাবাদি পড়ে থাকত। কিন্তু কয়েক বছর ধরে সেই জমিগুলো আর পড়ে থাকে না। পরিত্যক্ত জমিতেও সয়াবিন চাষ করা হচ্ছে। মৌমুমে প্রতি মণ ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায় বিক্রি করা যায়। আর মৌসুমের পর আড়াই হাজার থেকে ২ হাজার ৮০০ টাকায় বিক্রি হয়।

সংশ্লিষ্টরা অবশ্য জানান, বাংলাদেশে তেলের জন্য সয়াবিন আবাদ সেভাবে সম্ভব না। কারণ ৫ কেজি সয়াবিন বীজ ভাঙিয়ে তেল হয় এক কেজি। আর চার কেজি খৈল বা সয়া কেক হয়। খৈলটা হচ্ছে আসল আর তেলটা বাই-প্রোডাক্ট। খৈল থেকে সয়াবিস্কুট, সয়ামিল অনেক কিছুই তৈরি হয়, যাতে প্রচুর প্রোটিন রয়েছে। তবে দেশে উৎপাদিত খৈল কেবল মৎস্য বা প্রাণিখাদ্যে ব্যবহৃত হয়। অন্য দেশের মতো এখানেও সয়া কেকের ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। কেননা কেবল তেল দিয়ে পোষাবে না।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৭৯ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন উৎপাদন হয়েছে ১ দশমিক ৪১৯ লাখ মেট্রিক টন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে ৭৭ হাজার ৩ হেক্টরে ১ দশমিক ৪৬৯ লাখ মেট্রিক টন, ২০২০-২১ অর্থবছরে ৭৯ হাজার হেক্টরে ১ দশমিক ৩৫২ লাখ মেট্রিক টন উৎপাদন হয়েছে। এ ছাড়াও চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে সয়াবিন চাষ হয়েছে ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে। আর লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, জেলায় ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে ৪৮ হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমিতে সয়াবিনের আবাদ হয়, ২০২০-২১ অর্থবছরে হয় ৪০ হাজার ৮১০ হেক্টর জমিতে। চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরে সয়াবিন আবাদ হয়েছে ৩৮ হাজার হেক্টর জমিতে। গড় উৎপাদন ৮০ থেকে ৮৫ হাজার মেট্রিক টনের মতো।

লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. জাকির হোসেন বলেন, এ বছর লক্ষ্মীপুরে সয়াবিনের উৎপাদন ভালো হয়েছে। কৃষকদের মাঝে উচ্চ ফলনশীল বিনা ৫ ও ৬ এবং বারি ৫ ও ৬ জাতের বীজ বিতরণ করেছি। তাই ফলন ভালো হয়েছে। আর আগে সোহাগ জাতের বীজ চাষ করত কৃষক, যার ফলন ছিল কম। এখন আর সেই সমস্যা নেই। এ ছাড়াও মন্ত্রণালায়ের নির্দেশনা অনুযায়ী সয়াবিন উৎপাদন বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি। উৎপাদিত সয়াবিন দিয়ে কী করা হয় জানতে চাইলে তিনি জানান, মাঠ থেকে আহরিত সয়াবিন আধুনিক অটোমেটিক মেশিনের মাধ্যমে সিদ্ধ করে শুকানোর পর তেলবীজ, ডালবীজ ও পোলট্রি শিল্পের কাঁচামাল হিসেবে প্রক্রিয়াজাত হয়। পরে সেগুলো রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

এদিকে কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বাড়াতে সরকারের ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছর মেয়াদে ২৭৮ কোটি টাকার প্রকল্প চলমান। এর মাধ্যমে সরিষা, তিল, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, সয়াবিনসহ তেল ফসলের আবাদ এলাকা ২০ শতাংশ বাড়ানো এবং তেলজাতীয় ফসলের হেক্টরপ্রতি ফলন ১৫ থেকে ২০ শতাংশ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: সয়াবিনের গাছ

আরও খবর
যেসব কারণে ভেড়া পালন লাভজনক

মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২




সেনাবাহিনী প্রধানের সাথে গ্যারি টুনিক্লিফের সৌজন্য সাক্ষাৎ

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৭ মে ২০২২ | ৩০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে সফররত যুক্তরাজ্যের রয়েল কলেজ অব ডিফেন্স স্টাডিজ (আরসিডিএস) এর প্রতিনিধি দল গত সোমবার (১৬ মে) সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ, এসবিপি, ওএসপি, এনডিইউ, পিএসসি, পিএইচডি এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। সাক্ষাতকালে প্রতিনিধি দলের দলনেতা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রয়েল কলেজ অব ডিফেন্স স্টাডিজ এর ডেপুটি কমান্ড্যান্ট এয়ার ভাইস মার্শাল গ্যারি টুনিক্লিফ সিভিও, এমএ, বিএ, ডিপ্লোডি, এমএপিএম, আরএএফ।

সাক্ষাতকালে কুশলাদি বিনিময়ের পর সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশে সফরের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানান এবং সামরিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সেনাবাহিনী প্রধানের আমন্ত্রণে প্রতিনিধি দলটি ঢাকা সেনানিবাসে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত নৈশভোজে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে অবস্থিত যুক্তরাজ্য দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার জাভেদ প্যাটেলসহ ব্রিটিশ হাইকমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দসহ ফরেন সার্ভিস একাডেমি, বাংলাদেশ রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (বেপজা) এবং ব্রাক এর উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য, ২০ সদস্যের প্রতিনিধি দলটি গত ১৪ মে ঢাকায় আগমন করে। সফর শেষে তাঁরা আগামী ২১ মে ভারতের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।


আরও খবর



বিদ্যুৎ উৎপাদনের ‘রেকর্ড’ সত্ত্বেও লোডশেডিং কেন?

প্রকাশিত:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২৪ এপ্রিল ২০২২ | ৪৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড হয়েছে গত ১৬ এপ্রিল রাতে। এসময় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়েছে ১৪ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট। এর আগের রেকর্ড ছিল ১২ এপ্রিল। ওইদিন ১৪ হাজার ৭৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। ভোক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলছেন, এই যে বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড তারপরও কেন লোডশেডিং? কেন ঢাকার বাইরে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে সাহরি-ইফতার অন্ধকারে করতে হয়? সরকারি হিসাবে, দেশে বিদ্যুতের উৎপাদন সক্ষমতা ২২ হাজার মেগাওয়াটেরও বেশি। তারপরও বিদ্যুৎ কেন থাকে না তা নিয়ে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, গ্যাসের স্বল্পতা থাকায় সক্ষমতা অনুযায়ী উৎপাদন সম্ভব হচ্ছে না। গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক হলে বিদ্যুৎ পরিস্থিতিরও উন্নতি হবে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রমজান মাসে বিদ্যুৎ ব্যবহারের ধরনও পাল্টে যায়। সাহরি, ইফতার ও তারাবিতে একযোগে বাড়ে বিদ্যুতের ব্যবহার। শপিংমলেও কেনাকাটার সময় একযোগে বাড়ে বিদ্যুতের ব্যবহার। এসবের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গ্রীষ্মের গরম। চলছে সেচ মৌসুম। সব মিলিয়ে বছরে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ ব্যবহার হচ্ছে এই রমজানে। বিদ্যুৎ বিভাগ বলছে, সরকারি হিসাবে এখন বিদ্যুতের চাহিদা গড়ে সাড়ে ১৪ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। গড় উৎপাদন ৫০০ মেগাওয়াটের কিছু কম অর্থাৎ ১৪ হাজার মেগাওয়াট। এর সঙ্গে আছে সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনের বিভ্রাট। ফলাফল লোডশেডিং।

ভোক্তারা বলছেন, বিদ্যুতের দাম তো ঠিকই বাড়াচ্ছে সরকার। কিন্তু বিদ্যুতের ব্যাকআপ তো পাচ্ছি না। প্রয়োজনের সময় বিদ্যুৎ থাকে না। এজন্য আমরা সরকারের কাছে দাবি করছি নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পাওয়ার। বিদ্যুৎ বিভাগের দাবি, রাশিয়া-ইউক্রেন সংকটের কারণে জ্বালানির বিশ্ববাজার এখনো অস্থির। এ অবস্থায় কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ গ্যাস আমদানি করতে পারছে না সরকার। তারপরও শিল্পের সরবরাহ কমিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা চলছে।

এ অবস্থায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলছেন, এখন তো একটু ভাল অবস্থায় চলে এসেছি আমরা। মনে হয় না কোনো বড় ধরনের সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা আছে। কোনো ধরনের ফল্ট আমরা এখনো ফেস করিনি।

তবে বৃহত্তর ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, রংপুর অঞ্চলে হয়তো কিছুটা সমস্যা হচ্ছে স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন সমস্যা অনেক কেটে গেছে। ভবিষ্যতে হয়তো আরও ভাল হবে বলে আশা করি। সংকট কাটাতে গ্রাহকদেরও সাশ্রয়ী হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী।

নিউজ ট্যাগ: লোডশেডিং

আরও খবর



ভারতে ভেঙে পড়ল হেলিকপ্টার, নিহত দুই পাইলট

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৩ মে ২০২২ | ৩৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতের ছত্তিশগড় রাজ্যের রায়পুরে বিমানবন্দরে হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ২ পাইলট নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (১২ মে) সন্ধ্যায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। পুলিশের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমনটি বলা হয়েছে।

নিহতেরা হলেন ক্যাপ্টেন গোপাল কৃষ্ণ পান্ডা ও ক্যাপ্টেন এপি শ্রীবাস্তব।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, পাইলটরা হেলিকপ্টারটি অবতরণ করার চেষ্টা করার সময় তাতে আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনায় হেলিকপ্টারে থাকা দুই পাইলটই মারা যান। হেলিকপ্টারটিতে কোনো যাত্রী ছিল না।

এই দুর্ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছে ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল। একটি টুইট বার্তায় তিনি বলেন, রায়পুর বিমানবন্দরে রাষ্ট্রীয় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হওয়ার একটি দুঃখজনক খবর পাওয়া গেছে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায়, আমাদের উভয় পাইলট ক্যাপ্টেন পান্ডা এবং ক্যাপ্টেন শ্রীবাস্তব মারা গেছেন। এই শোকের সময়ে ঈশ্বর তাঁর পরিবারের সদস্যদের শক্তি এবং বিদেহী আত্মার শান্তি দান করুন।


আরও খবর



নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগ চালু করার ঘোষণা

প্রকাশিত:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ২৯ এপ্রিল ২০২২ | ৪০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগকে (আইপিএল) টেক্কা দিতে নতুন একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি লিগ চালু করার ঘোষণা দিয়েছে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকা (সিএসএ)।

দেশটির বোর্ডের পক্ষে ক্রিকইনফোর প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে এ লিগ শুরু করার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সিএসএ। এজন্য টেলিভিশন সম্প্রচার চ্যানেল সুপারস্পোর্টের সঙ্গে কথাও বলেছে তারা। আপাতত ছয় দল নিয়ে শুরু হবে এ লিগ। সিএসএ'র দাবি, তাদের এ লিগট আইপিএল ছাড়া অন্য ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগগুলোকে টেক্কা দেবে।

ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার দেওয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আইপিএলের মতোই নিলামে দলে ভিড়বেন খেলোয়াড়রা।  তাতে আইপিএলের মতোই অর্থ খরচ করা হবে।  বিদেশি ক্রিকেটাররাও নিলামে অংশ নেবেন।  প্রতি দলে সর্বোচ্চ চারজন বিদেশি খেলতে পারবেন।  খেলোয়াড়দের আকর্ষণীয় বেতন দেওয়া হবে, যা আইপিএল ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য লিগগুলোকে টেক্কা দেবে। ব্যক্তিগত মালিকানায় ছয়টি দল খেলবে এ টুর্নামেন্টে। প্রতি মৌসুমে হবে ৩৩টি করে ম্যাচ, প্রতিটি দল একে অন্যের সঙ্গে গ্রুপ পর্বে খেলবে দুটি করে ম্যাচ। শীর্ষ তিন দলকে নিয়ে হবে প্লে-অফ।

ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান নির্বাহী ফোলেতসি মোসেকি বলছেন, একেবারেই নতুন একটা ইভেন্ট হবে এ লিগ টুর্নামেন্ট। নতুন কিছু তৈরি করতে পেরে আমরা রোমাঞ্চিত।  এরই মধ্যে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বেশ কিছু বিনিয়োগকারী আগ্রহ দেখিয়েছে। সুপারস্পোর্টের প্রধান নির্বাহী মার্ক জুরি বলছেন, নতুন এ লিগ দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের চেহারা বদলে দেবে।


আরও খবর



ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে জাপানকে বার্তা পাঠালো চীন

প্রকাশিত:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১৮ মে ২০২২ | ৩০৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন নিয়ে বুধবার চীনকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে জাপান। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ছয় মাসের মধ্যে বুধবারই প্রথম চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সময়ই তিনি এ আহ্বান জানান।

জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োশিমাসা হায়াশি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ইকে বলেছেন, রাশিয়ার আগ্রাসন জাতিসংঘের সনদ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন

জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে চীনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন বলেও ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।

দুই দেশের মধ্যে চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে দেশ দুটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গত নভেম্বরের পর এই প্রথম কথা বললেন বলে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জাপান সফরের প্রাক্কালে এই ঘোষণা সামনে এলো।

ইউক্রেনে আগ্রাসনের জেরে রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো নিন্দায় যোগ না দেওয়ায় মস্কো ও বেইজিং নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াচ্ছে বলেই মনে হচ্ছে।


আরও খবর