আজঃ শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
শিরোনাম

খন্দকার মোশতাকের বাড়িতে বিক্ষোভ, ভাংচুর

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | ১০৯০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
বঙ্গবন্ধুর খুনি মোশতাকের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবিতে কুমিল্লার দাউদকান্দির দশপাড়ার বাড়ি ঘেরাওসহ তার প্রতিকৃতিতে ঘৃণা প্রদর্শন কর্মসূচীর আয়োজন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের খুনি খন্দকার মোশতাকের বাড়িতে হামলা, ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে।  মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার দশপাড়া গ্রামে খন্দকার মোশতাকের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

বঙ্গবন্ধুর খুনি মোশতাকের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের দাবিতে কুমিল্লার দাউদকান্দির দশপাড়ার বাড়ি ঘেরাওসহ তার প্রতিকৃতিতে ঘৃণা প্রদর্শন কর্মসূচীর আয়োজন করে উপজেলা আওয়ামী লীগ। কর্মসূচী চলাকালে নেতাকর্মীরা স্লোগান দিয়ে বাড়ির সামনে যায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এসময় বাড়ির সামনে খন্দকার মোশতাকের কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়।        

দাউদকান্দি দশপাড়া বঙ্গবন্ধু ঈদগাহ মাঠে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর অব: মোহাম্মদ আলী সুমন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি লিল মিয়া, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, পৌর মেয়র নাঈম ইউসুফ সেইন, উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু কাউসার অনিকসহ আরো অনেকে। প্রতিবাদ সমাবেশে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করে।


আরও খবর



প্রেমিকার কোলেই মারা যান সিদ্ধার্থ

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৯১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বলিউডের তরুণ মডেল ও অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা মারা গেছেন। মাত্র ৪০ বছরেই জীবনের ইতি টানলেন তিনি। তার এই আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারছে না বলিউডপ্রেমীরা। তবে সবচেয়ে বেশি যিনি আঘাত পেয়েছেন, ভেঙে পড়েছেন, তিনি শেহনাজ গিল, সিদ্ধার্থের প্রেমিকা।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) রাতে সিদ্ধার্থের বাড়িতেই ছিলেন শেহনাজ গিল। এদিন সন্ধ্যারাত থেকেই অস্বস্তি বোধ করছিলেন অভিনেতা। তখন শেহনাজ ও সিদ্ধার্থের মা রিতা শুক্লা ছিলেন পাশে। তারা সিদ্ধার্থকে লেবু পানি ও আইসক্রিম খাওয়ান। যাতে তার অস্বস্তি কাটে।

রাত দেড়টার দিকে শেহনাজের কোলে মাথা রেখেই ঘুমিয়ে পড়েন সিদ্ধার্থ। ঘুমিয়ে যান শেহনাজও। সকালে শেহনাজ ঘুম থেকে উঠে দেখেন সিদ্ধার্থ নড়াচড়া করছেন না। এরপর পরিবারের অন্যদের ডাকেন। তাৎক্ষনিক হাসপাতালে নেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে চিরতরে না ফেরার দেশে চলে গেছেন অভিনেতা। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

প্রেমিকের মৃত্যুতে একেবারে বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছেন শেহনাজ। গণমাধ্যমের সঙ্গে পর্যন্ত কথা বলছেন না। তার বাবা সন্তোষ সিং সুখ বলেন, ও কথা বলতে পারছে না ঠিকমতো। শুধু একটা কথাই বারবার বলছে- বাবা, আমার হাতে ও পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল। আমি এবার কীভাবে বাঁচব?


আরও খবর
আক্রমণাত্মক মন্তব্যের শিকার নুসরাত

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




গুঞ্জন উড়িয়ে দাদাগিরি নিয়ে ফিরছেন সৌরভ গাঙ্গুলী

প্রকাশিত:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫২৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সৌরভ গাঙ্গুলীর ব্যস্ততা কয়েকগুণ বেড়েছে। এর উপর তার রাজনীতিতে প্রবেশের গুঞ্জন ও শারীরিক অসুস্থতা; একসঙ্গে এতকিছু সামাল দেওয়া কঠিন বলে হয়তো কানাঘুষা চলছি সঞ্চালনা ছাড়তে যাচ্ছেন প্রিন্স অব ক্যালকাটা!

কিন্তু সৌরভ যে অলরাউন্ডার, সঞ্চালনা ছাড়ার গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে দাদাগিরির সিজন ৯ নিয়ে হাজির হওয়ার ঘোষণা দিলেন তিনি।

দাদাগিরির সেটে তোলা একটি ছবি শেয়ার করে সৌরভ গাঙ্গুলী লেখেন, শুরু হচ্ছে নতুন সিজন।

সম্প্রতি দাদাগিরি আনলিমিটেডর অডিশনের প্রোমো প্রকাশ পেয়েছে। করোনা পরিস্থিতির জন্য অনলাইন হবে অডিশন। 

নিউজ ট্যাগ: সৌরভ গাঙ্গুলী

আরও খবর
আক্রমণাত্মক মন্তব্যের শিকার নুসরাত

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

হাইকোর্টে জামিন পেলেন মডেল মৌ

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




‘মৎস্য খাত বাংলাদেশে স্বর্ণালী অধ্যায় সৃষ্টি করছে’

প্রকাশিত:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:শনিবার ২৮ আগস্ট ২০২১ | ২৮৮৫জন দেখেছেন
তাছনিম আদনান

Image
মৎস্য খাদ্যে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান আছে কীনা তা পরীক্ষার জন্য আমরা আন্তর্জাতিকমানের পরীক্ষাগার করেছি। মাছ রপ্তানির জন্য পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে, যাতে বিদেশে পাঠানো মাছের চালান দেশে ফেরত না আসে। দেশের অভ্যন্তরের বাজারেও নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। মৎস্য সম্পদের শত্রুদের বিরুদ্ধে সব জায়গায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে

মৎস্য খাত বাংলাদেশে একটি স্বর্ণালী অধ্যায় সৃষ্টি করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

শনিবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ, ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী একথা জানান।

এসময় মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা হচ্ছে ভাতে-মাছে বাঙালির চিরন্তন বৈশিষ্ট্য ফিরিয়ে আনতে হবে। দেশের মৎস্য খাতকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে বিকশিত করছেন এ ধারাকে অব্যাহত রেখে মৎস্য সম্পদে বিশ্বে আমরা অনন্য-আসাধারণ জায়গায় পৌঁছে যাবো। এ লক্ষ্য নিয়ে মৎস্য খাতকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে এবারের মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন হতে যাচ্ছে। ভাতে-মাছে বাঙালির নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের জায়গাতে আমরা শুধু পরিপূর্ণতাই আনবো না, বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাশা অনুযায়ী মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। সে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি এ প্রতিপাদ্যে ২৮ আগস্ট থেকে ০৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হবে। আগামীকাল জাতীয় সংসদের স্পীকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দিয়ে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন এবং সংসদ লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন। মহামান্য রাষ্ট্রপতি ৩১ আগস্ট বঙ্গভবন পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন।

এ সময় তিনি বলেন, করোনার কারণে বিদেশ থেকে আমাদের অনেক প্রবাসীরা বেকার হয়ে দেশে ফিরছেন। স্বল্প আয়ের চাকরি বা ব্যবসা যারা করতেন তারা বেকার হয়ে পড়েছেন। করোনায় সৃষ্ট বেকারদের পূনর্বাসনের ক্ষেত্রে আমাদের মৎস্য খাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। মাছ চাষের মাধ্যমে বেকারত্ব লাঘব হচ্ছে, আর্থিক স্বচ্ছলতা বাড়ছে এবং উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে। আবার মাছ রপ্তানির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আমরা দেশে আনতে সক্ষম হচ্ছি। পৃথিবীর অনেক দেশের চেয়ে আমাদের মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।”

তিনি আরো বলেন, মৎস্য খাতে একটা আমূল পরিবর্তন এসেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে সরকার প্রধানের সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা। সরকারের গৃহিত পদক্ষেপে ইলিশের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে, স্বাদ-গন্ধ ফিরে এসেছে, পরিমাণ বেড়েছে। জাটক নিধন বন্ধ করার সুফল আমাদের সামনে দৃশ্যমান। দেশের মানুষের কাছে যে মাছগুলো দুর্লভ ছিল, সেগুলো ফিরে এসেছে। বিলুপ্তপ্রায় ৩১ প্রজাতির দেশীয় মাছকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে আমরা ফিরিয়ে এনেছি এবং সেটা আমরা সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছি। মৎস্যজাত পণ্য তৈরির খাতকেও সরকার উৎসাহিত করছে। দেশের বিভিন্ন বৈচিত্র্যময় অঞ্চল তথা হাওর অঞ্চল, পাবর্ত্য অঞ্চল, উপকূলীয় অঞ্চলে আমরা ভিন্ন ভিন্ন প্রকল্প নিচ্ছি। মাছকে নিরাপদ রাখার জন্য আমরা অভয়াশ্রম করছি। নদীতে যাতে মাছের প্রজনন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এবং মাছ বেড়ে উঠতে পারে সে জন্য প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও আমাদের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।”

আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে মৎস্য খাত অভাবনীয় ভূমিকা রাখছে। মৎস্য খাতে উপযুক্ত পদক্ষেপের কারণে আমাদের দেশীয় প্রজাতির মাছ, সামুদ্রিক মাছ ও অপ্রচলিত মৎস্য সম্পদের বিস্তার ঘটছে। বাজারে পর্যাপ্ত মাছ রয়েছে। ফলে মানুষের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হচ্ছে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ছে, গড় আয়ু বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাতৃমৃত্যুর হার শিশু মৃত্যুর হার কমে গেছে।”-যোগ করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, ২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে মাছের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৫ লাখ ৩ হাজার মেট্রিক টন। মৎস্য উৎপাদনে বাংলাদেশের সাফল্য আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও স্বীকৃতি। বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য আহরণে বাংলাদেশ ৩য়, বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে ৫ম, ইলিশ উৎপাদনে ১ম ও তেলাপিয়া উৎপাদনে ৪র্থ। জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী চাষকৃত মৎস্য উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির হার ধীরগতিসম্পন্ন হলেও বিগত এক দশকে আমাদের মৎস্য উৎপাদনের প্রবৃদ্ধির ধারা ৯.১ শতাংশ, যা বিশ্বের মূল উৎপদানকারী দেশসমূহের মধ্যে ২য় অবস্থান।

মন্ত্রী আরো বলেন, মৎস্য খাদ্যে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর উপাদান আছে কীনা তা পরীক্ষার জন্য আমরা আন্তর্জাতিকমানের পরীক্ষাগার করেছি। মাছ রপ্তানির জন্য পরীক্ষা করে ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে, যাতে বিদেশে পাঠানো মাছের চালান দেশে ফেরত না আসে। দেশের অভ্যন্তরের বাজারেও নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। মৎস্য সম্পদের শত্রুদের বিরুদ্ধে সব জায়গায় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির পথে আমরা কেউ যেন ক্ষতিকর ভূমিকায় অবতীর্ণ না হই। বিষাক্ত কোন খাবার দিয়ে মাছ আমরা বাড়াবো না। অপরিকল্পিতভাবে মাছের চাষবাদ করবো না-এসময় আহ্বান জানান জানান মন্ত্রী।

মৎস্য খাতে যারা অবদান রাখছেন, ভালো ভূমিকা রাখছেন তাদের উৎসাহিত করতে এবং রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দিতে এ বছর বিভিন্ন খাতে মৎস্য পদক প্রদান করা হচ্ছে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক শেফাউল করিম, নৌপুলিশের অতিরিক্ত আইজি মোঃ আতিকুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে সবজির

শুক্রবার ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

পুঁজিবাজারে সূচকের মিশ্র প্রবণতা

বৃহস্পতিবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১




বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৪৭০জন দেখেছেন
Image

নোয়াখালী প্রতিনিধি:

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো, সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের শীলমুদ গ্রামের শহীদ মাওলানা বাড়ির আবুল বাশারের ছেলে আব্দুর রহিম (৫৫) উজির আলীল ছেলে ইউসুফ (৪৮) নূর হোসেনের ছেলে মো. সুমন (২৮) মো.শহীদ উল্যার ছেলে  মো. জুয়েল (১৬)। নিহত সবাই একই পরিবারের সদস্য বলে জানা যায়।

শুক্রবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বজরা ইউনিয়নের ৯নম্বর ওয়ার্ডের শীলমুদ গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বজরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরন অর রশীদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি আরও  জানান, আব্দুর রহিম সন্ধ্যার দিকে ধানি জমিতে নামে। এ সময় ধানি জমিতে থাকা পল্লী বিদ্যুতের ষ্ট্রিলের পিলারে সাথে আব্দুর রহিম বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুত্বর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যায়। পরে তাকে উদ্ধার করতে গিয়ে একে একে আরও ৩জন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে গুরুত্বর আহত হয়। শেষে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করে।

চেয়ারম্যান মিরন জানান, মরদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে এনে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকার সর্বস্তরের মানুষের মাঝে শোকের ছায়া বিরাজ করছে।


আরও খবর
মায়ের ওপর অভিমান করে গলায় ফাঁস

রবিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১




‘শেখ হাসিনা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন’

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ৩১ আগস্ট ২০২১ | ১৫৪০জন দেখেছেন
তাছনিম আদনান

Image
মানুষের কল্যাণে ও দেশের সেবায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং সত্যের পক্ষে আমরা যাতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারি, অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারি সে লক্ষ্য নিয়ে আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, শেখ হাসিনা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন, রাষ্ট্রের সকলেই সমান সুযোগ লাভ করবেন। ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে অধিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া বা বঞ্চিত করা হবে না। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে সকল ধর্ম, সকল শ্রেণি, সকল বর্ণের মানুষের জন্য সমান রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছেন। তিনি মনে করেন এটা বাঙালিদের রাষ্ট্র। রাষ্ট্রীয়ভাবে সবাই সমঅধিকারসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে তার অধিকার ভোগ করবেন

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা ও প্রার্থনা রাজধানীর সচিবালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, মানুষের কল্যাণে ও দেশের সেবায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং সত্যের পক্ষে আমরা যাতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারি, অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারি সে লক্ষ্য নিয়ে আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। কোন ধর্মই খারাপ কোন কিছু বহন করে না। সর্কল ধর্ম-মতের মানুষদের ভালো চিন্তা-চেতনার সম্মিলিত প্রচেষ্টা আমাদের ‍সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা পালন করছে।

মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে ধ্বংস করে ফেলা হয়। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার প্রতিষ্ঠিত করে। শেখ হাসিনা যতদিন আছেন, আওয়ামী লীগ যতদিন আছে ততদিন সব ধর্মাবলম্বীদের একই অধিকার থাকবে। আমরা চাই বাংলাদেশ হোক হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের জন্য শান্তির ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল।-যোগ করেন মন্ত্রী।

প্রত্যেক ধর্মের মোলিক সত্তা একই উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন, মত ও পথ ভিন্ন হলেও আমাদের সবার বিশ্বাসের জায়গা এক। মৌলিক জায়গায় কোন পার্থক্য নেই। আমাদের ব্রত হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়ন।

একাত্তরের পরাজিত সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে আবির্ভূত হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, মাঝে মাঝে দুষ্ট প্রকৃতির লোকরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়। তবে তাদের সংখ্যা নগন্য। তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সুন্দর বাংলাদেশ অর্জনের ক্ষেত্রে সব সম্প্রদায়ের মানুষেরা রক্ত দিয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের অধিকার একইভাবে লেখা রয়েছে। এ অধিকার বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন।

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুরঞ্জিত দত্ত লিটুর সভাপতিত্বে সভায় পিরোজপুর জেলা পূজা উদাযাপন পরিষেদের সভাপতি বিমল চন্দ্র মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরী, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী প্রকল্প পরিচালক প্রিয়াংকা সিকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।


আরও খবর