আজঃ রবিবার ২৪ অক্টোবর ২০২১
শিরোনাম

কর অঞ্চল-৫ এর সেরা করদাতা রফিকুল ইসলাম

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১২ অক্টোবর ২০২১ | ৪৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রূপগঞ্জ প্রতিনিধি:

ঢাকা কর অঞ্চল-৫ এর শীর্ষ ৫ জন করদাতার অন্যতম হয়েছেন দেশের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম। এ উপলক্ষে তাকে সম্মানিত করতে মঙ্গলবার বিকালে রাজধানীর সেগুন বাগিচায় কর অঞ্চল-৫ এর কার্যালয়ে এ অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রতিষ্ঠানের কর কমিশনার সোয়ায়েব আহমেদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত কর কমিশনার গোলাম কবির, মোহাম্মদ মাহমুদুজ্জামান, যুগ্ন কর কমিশনার শেখ শামীম বুলবুল, উপ কর কমিশনার পল্লব কুমার দেব, এসএম গালিব ফারুক, সহকারি কর কমিশনার মহিবুল ইসলাম ভূইয়া, রংধনু গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান দিপু, প্রকল্প পরিচালক কর্নেল (অব:) নাজির আহমেদ, আয়কর উপদেষ্টা এমদাদুল হক বাবুল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে রফিকুল ইসলামের হাতে শুভেচ্ছা স্বারক ও করদাতার সম্মাননা এবং পুরুস্কার তুলে দেয়া হয়।

অনুষ্ঠানে কর কমিশনার সোয়ায়েব আহমেদ বলেন, আলহাজ্ব রফিকুল ইসলামের মতো ব্যক্তি ও রংধনু গ্রুপের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো করদানে আগ্রহী হচ্ছে বলেই আমরা পদ্মা সেতুর মতো বড় প্রকল্প করার সাহস পাই। দেশ প্রতিনিয়ত উন্নয়নের দিকে ধাবিত হচ্ছে। স্বনির্ভর হচ্ছে মানুষ।

এসময় রফিকুল ইসলাম বলেন, আগে মানুষ কর কর্মকর্তাদের নাম শুনলে ভয় পেতো। তথ্য গোপন করতো। এখন কর দিতে মেলায় আয়োজন হয়। মানুষ লাইন ধরে উৎসবমুখর পরিবেশে কর দেয়। তার কারণ জনবান্ধন কর কর্মকর্তারা মানুষকে করদানে আগ্রহী করে তুলছেন। তারা করদানের সুফল মানুষকে বোঝাতে সক্ষম হচ্ছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন উন্নয়নশীল রাষ্ট্র গড়ার অংশীদার হতে কর দিতে সক্ষম দেশের সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে করদানে আগ্রহী হতে অনুরোধ করেন।


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে পণ্যের দাম

প্রকাশিত:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:শুক্রবার ১৫ অক্টোবর ২০২১ | ৪৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সরবরাহ ও মজুত পর্যাপ্ত থাকার পরও প্রতিবছরই ভোক্তার পকেট কেটে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে যাচ্ছে অসাধুরা ।

গত কয়েক বছর ধরেই নিত্যপণ্যের বাজারে থেমে থেমে একরকম অস্থিরতা থাকছেই। একটু একটু করে প্রতি বছরেই বাড়ানো হয়েছে দাম।

বিশেষ করে গত পাঁচ বছরে প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়ে অস্বাভাবিক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা এই মুহূর্তে মধ্য ও নিম্নবিত্তের মানুষের জন্য যেন লাগামহীন- এমন মন্তব্য সংশ্লিষ্টদের।

তাদের মতে, কখনো আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধি, আবার কখনো সরবরাহ সংকটের অজুহাত দেখিয়ে প্রতিবছরই এসব পণ্যের দাম বাড়িয়েছে মিল ও মোকাম মালিক এবং আমদানিকারকরা।

এর নেপথ্যে সক্রিয় থাকছে অসাধু ব্যবসায়ীদের সেই প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সদস্যরা। যারা সবসময়েই থাকেন অধরা। ফলে প্রতিবছরই তারা ভোক্তার পকেট কেটে নিয়ে যাচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

বিদ্যমান পরিস্থিতিতে বাজারে নিত্যপণ্য কিনতে এসে বাড়তি দামে রীতিমতো হাঁসফাঁস করতে হয় ক্রেতাদের।

গত পাঁচ বছরের (২০১৬ অক্টোবর-২০২১ অক্টোবর) পণ্যমূল্যের দাম পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, রাজধানীর খুচরা বাজারে পাঁচ লিটারের বোতলজাত সয়াবিনের দাম বেড়েছে ২৩৫ টাকা।

কেজিতে গরুর মাংস ও রুই মাছ যথাক্রমে ১৫০ ও ১৩০ টাকা বেড়েছে। কেজিপ্রতি চালে ১৭-২০ টাকা, ডাল ৩০ টাকা, চিনি ২০ টাকা ও দেশি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ৪০ টাকা বেড়েছে।

পাশাপাশি এই পাঁচ বছরে ব্রয়লার মুরগি কেজিতে ৬৫ টাকা বেশি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ডজন ডিমের (১২ পিস) দাম বেড়েছে ২৫ টাকা। তাছাড়া সবজির দাম গত পাঁচ বছরে অনেক বেড়েছে।

সব মিলে ক্রেতা সাধারণের এসব পণ্য কিনতে সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বাড়তি টাকা ব্যয় করতে হচ্ছে। এতে সবচাইতে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছে নিম্ন আয় ও খেটে খাওয়া মানুষ।

গত ১৬ জুন জীবনযাত্রার ব্যয় ও ভোক্তাস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।

সেখানে বলা হয়, ২০২০ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ এবং পণ্য ও সেবা-সার্ভিসের মূল্য ৬ দশমিক ৩১ শতাংশ বেড়েছে, যা গত তিন বছরে সর্বোচ্চ।

কারণ ২০১৯ সালে এই হার ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ এবং ৬ দশমিক ০৮ শতাংশ। এছাড়া ২০১৮ সালে জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মূল্যবৃদ্ধি ছিল যথাক্রমে ৬ দশমিক শূন্য শতাংশ এবং ৫ দশমিক ১৯ শতাংশ।

প্রতিবেদনে রাজধানী ঢাকায় ১৫টি খুচরা বাজার ও বিভিন্ন সেবা সার্ভিসের মধ্যে থেকে ১১৪টি খাদ্যপণ্য, ২২টি নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী এবং ১৪টি সেবা-সার্ভিসের সংগৃহীত তথ্য-উপাত্ত বিবেচনায় নেওয়া হয়।

জানতে চাইলে ক্যাবের সভাপতি গোলাম রহমান বলেন, সর্বশেষ বিগত তিন বছর হিসাব করলে রাজধানীসহ দেশের প্রত্যেকটি অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে।

প্রতিকেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা, তা এখন ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভালোমানের মসুর ডাল (ছোট দানা) সর্বোচ্চ ১২০ টাকায় বিক্রি করছি, যা পাঁচ বছর আগে ৯০ টাকায় বিক্রি করেছি।

পাশাপাশি এক ডজন ফার্মের ডিম ১২০-১১৫ টাকা, যা পাঁচ বছর আগে ৮৫-৯০ টাকায় বিক্রি হতো। আর প্রতি কেজি দেশি পেঁযাজ ৩৫ টাকায় বিক্রি করেছি, যা এখন ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি করতে হচ্ছে।

অন্যদিকে এই পাঁচ বছরে মাছ মাংসের দামও বেড়েছে। যেখানে বর্তমানে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, পাঁচ বছর আগে ১১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

আবার সরবরাহ বেশি থাকলে ১০০ টাকায় পাওয়া গেছে। পাশাপাশি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা।

যা পাঁচ বছর আগে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। পাশাপাশি পাঁচ বছর আগে প্রতি কেজি রুই মাছ ২২০ টাকায় বিক্রি হলেও এখানে বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা কেজি।

 


আরও খবর
নাটকীয় উত্থানে ঘুরে দাঁড়াল পুঁজিবাজার

বৃহস্পতিবার ২১ অক্টোবর 20২১




মমতার ভাগ্যনির্ধারণ আজ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
দক্ষিণ কলকাতার এই আসনই ঠিক করে দেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভবিষ্যৎ। ১০ বছর আগে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এই বিধানসভা আসন থেকেই জিতে প্রথম বিধানসভায় গিয়েছিলেন মমতা

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদ ধরে রাখার জন্য সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। ভবানীপুরে এই নির্বাচনের ওপর নির্ভর করছে তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেত্রী মমতা ব্যানার্জী পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন কিনা।

রাজ্যটির দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর আসনে মমতার বিপরীতে রয়েছেন বিজেপির প্রার্থী আইনজীবী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, বৃহস্পতিবার সকালে নির্ধারিত সময়েই ভবানীপুরের শতভাগ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনীও দায়িত্বপালন করছে ভবানীপুরের ভোট কেন্দ্রগুলোতে।

রাজ্যের আরও দুটি আসন শমসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরেও বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিধানসভা ভোট। কিন্তু গুরুত্বের দিক থেকে মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জ বা জঙ্গিপুর ধারেকাছে নেই ভবানীপুরের।

দক্ষিণ কলকাতার এই আসনই ঠিক করে দেবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রিত্বের ভবিষ্যৎ। ১০ বছর আগে প্রথমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর এই বিধানসভা আসন থেকেই জিতে প্রথম বিধানসভায় গিয়েছিলেন মমতা। তার আগে মমতা লোকসভার সাংসদ হিসেবে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর থেকে জিতেছিলেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। মমতার জন্যই তিনি কেন্দ্রটি ছেড়ে দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, গত মার্চ এবং এপ্রিল মাসে আট দফায় ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এরপর গত ২ মে ফল প্রকাশ হয়। মমতার নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস ২৯২ আসনের মধ্যে ২১৩টিতে জিতে বিপুল ভাবে ক্ষমতায় ফিরে আসে। কিন্তু নন্দীগ্রামে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে সামান্য ভোটে হেরে যান মমতা। এরপর গত ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী পদে তৃতীয় বারের জন্য শপথ নেন মমতা। তবে মুখ্যমন্ত্রী থাকতে হলে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে তাকে জিতে আসতে হবে বিধানসভায়। সেই কারণেই ভবানীপুর থেকে উপনির্বাচনে লড়ছেন তিনি।


আরও খবর



ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল না হওয়ায় অসন্তোষ হাইকোর্টের

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জমি নিয়ে বিরোধের এক রিটের শুনানিতে হাইকোর্ট বলেছেন, ২০০৪ সালে আইন হয়েছে। আছে আদালতের রায় ও নির্দেশ। তা সত্ত্বেও ১৭ বছরেও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন হলো না, যা আদালতের জন্য বিরক্তিকর।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে নিয়োজিত ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে উদ্দেশ করে গতকাল রোববার হাইকোর্ট এসব কথা বলেন। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে এই রিটের ওপর শুনানি হয়।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমারের উদ্দেশে আদালত আরও বলেন, ১৭ বছরেও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারেননি। ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে কথা বলেন। কী পদক্ষেপ নিয়েছেন, জানান। ব্যবস্থা না নেওয়া হয়ে থাকলে প্রয়োজনে সচিবকে ডেকে আনা হবে।

এ সময় ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার বলেন, ২০১৩ সালে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারক নিয়োগের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

তখন আদালত বলেন, গ্রামারের কথা এই আদালতে বলবেন না।

ডেমরার ডগার মৌজায় অবস্থিত সাড়ে চার কাটা জমি নিয়ে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের দুটি রায় ও সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে মো. আশরারুল আজিম ওই রিট করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী নসীব কায়সার।

পরে আইনজীবী নসীব কায়সার  বলেন, ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ২০০৪ সালে সংশোধন করা হয়। সংশোধনীতে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা রয়েছে। সংশোধনীর পর ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হলেও আপিল ট্রাইব্যুনাল এখনো গঠন করা হয়নি।

আইনজীবীরা বলছেন, ২০০৪ সালের সংশোধিত রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ২ ধারায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল ও ল্যান্ড সার্ভে আপিলের ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা বলা হয়েছে। আইন অনুযায়ী দেশে ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে।ট্রাইব্যুনালগুলোর নেতৃত্বে আছেন যুগ্ম জেলা জজ পর্যায়ের বিচারক। ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল না থাকায় ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি ও আদেশে সংক্ষুব্ধ বিচারপ্রার্থী উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন।

২০১৯ সালের ২৫ জুলাই হাইকোর্ট এক রায়ে অনুলিপি পাওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে ল্যান্ড সার্ভে আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করে আদালতকে অবহিত করতে ভূমিসচিবকে নির্দেশ দেন।

রায়ে বলা হয়, ২০০৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত, তথা দীর্ঘ ১৫ বছরে ভূমি মন্ত্রণালয় আপিল ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠা করতে না পারায় লাখ লাখ মানুষ চরম ও সীমাহীন দুর্ভোগে নিমজ্জিত হয়েছে। সাধারণ জনগণ যাদের কারণে দীর্ঘ ১৫ বছর এই ভোগান্তি ভোগ করল, তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে। দাঁড়াতে হবে জনগণের কাঠগড়ায়।

নিউজ ট্যাগ: হাইকোর্ট

আরও খবর
ইকবালসহ ৪ আসামির রিমান্ড মঞ্জুর

শনিবার ২৩ অক্টোবর ২০২১




মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু

প্রকাশিত:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ১১ অক্টোবর ২০২১ | ৬৫৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এ বছর সারাদেশে ৩২ হাজার ১১৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরে হচ্ছে ২৩৮টি পূজা

সায়ংকালে চিন্ময়ী আনন্দরূপিণী দেবীর বোধন ও ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়েই শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। করোনার অতিমারিসহ সব ধরনের অশুভ ও অমঙ্গল থেকে মুক্তি লাভই এবার দেবীর কাছে ভক্তদের প্রার্থনা।

সোমবার (১১ অক্টোবর) সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে মহাষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব শুরু হয়।

সকাল থেকেই শিশু-কিশোর, তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সী হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূজা অর্চনায় ঢাকেশ্বরী মন্দিরে আসতে থাকে। দেবীর কাছে নানা মাঙ্গলিক চাওয়া নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী প্রার্থনা করেন।

দেবীর দশমী বিহিত পূজা ও পূজান্তে দর্পণ বিসর্জন দেওয়ার মধ্য দিয়ে আগামী ১৬ অক্টোবর দুর্গোৎসব শেষ হবে।

এ বছর সারাদেশে ৩২ হাজার ১১৮টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এরমধ্যে ঢাকা মহানগরে হচ্ছে ২৩৮টি পূজা।

মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কিশোর রঞ্জন মন্ডল বলেন, মায়ের কাছে আকুতি, দেশের ও দেশের জনগণের মঙ্গল কামনা। এছাড়া করোনা ভাইরাসের অতিমারি থেকে যেন দেশের মানুষসহ আমরা মুক্তি পাই।

তিনি বলেন, যথাযোগ্য ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে ও শান্তিপূর্ণভাবে সবাই যেন উৎসব পালন করে। করোনা মহামারির কারণে সবাই যেন মাস্ক পড়ে স্বাস্থবিধি মেনে চলে।

এদিকে ৬ অক্টোবর ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব (সমন্বয় ও সংস্কার) সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মোহাম্মদ কুদ্দুস আলী সরকার স্বাক্ষরিত জনস্বার্থে জারি করা এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে করোনাকালীন দুর্গাপূজা উদযাপনে দেশের সব পূজামণ্ডপে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, প্রতিটি মন্দিরের প্রবেশপথে থাকবে সাবান-পানি দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা, প্রয়োজনে থার্মাল স্ক্যানার দিয়ে তাপমাত্রা পরিমাপের ব্যবস্থাও রাখতে হবে।


আরও খবর
আজ শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21

আজ শ্রী শ্রী লক্ষ্মীপূজা

বুধবার ২০ অক্টোবর ২০21




দেশে করোনায় মৃত্যু আরও কমল

প্রকাশিত:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ০৩ অক্টোবর ২০২১ | ৬১৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে করোনায় দেশে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ হাজার ৫৭৩ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ২ দশমিক ৯০ শতাংশ। এ সময় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬১৭ জনের। এ পর্যন্ত মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৫৭ হাজার ৯৬৪ জনে।

রবিবার (২ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পাঠানো করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ১১২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৫ লাখ ১৮ হাজার ৭৫৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২১ হাজার ১৬০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ২১ হাজার ২৪৬টি নমুনা। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্তের হার ২ দশমিক ৯০ শতাংশ। এ পর্যন্ত মোট ৯৭ লাখ ৯৪ হাজার ৪৯০টি নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৯১ শতাংশ। মোট শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৭ দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১.৭৭ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে পুরুষ ৯ জন এবং নারী ৯ জন। এ সময় ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগে ৭ জন করে মোট ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া রাজশাহী ও খুলনা বিভাগে ২ জন করে মোট ৪ জন মারা গেছেন।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম ৩ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ওই বছরের ১৮ মার্চ দেশে এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়।


আরও খবর