আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে ১২৭৫ কোটি টাকা দেবে এডিবি

প্রকাশিত:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৯ নভেম্বর ২০২১ | ৬৯৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সহায়তা করবে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। এজন্য ১৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। বাংলাদেশি মুদ্রায় এ অর্থের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ৮৫ টাকা ধরে)।

সোমবার (২৯ নভেম্বর) শেরেবাংলা নগরে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) এ সংক্রান্ত ঋণচুক্তি সই হয়েছে। সরকারের পক্ষে ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন ও এডিবির পক্ষে সংস্থাটির কান্ট্রি ডিরেক্টর এডিমং গিনটিং চুক্তিতে সই করেন।

দেশের তরুণ, বিদেশফেরত কর্মী এবং করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামীণ উদ্যোক্তা বিশেষ করে কুটির, মাইক্রো ও ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের (সিএমএসই) জন্য ঋণ দিচ্ছে সংস্থাটি। বাংলাদেশ ব্যাংক এ ঋণ দেশের ৩০ হাজার সিএমএসই উদ্যোক্তাদের মাঝে বিতরণ করবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি সহজতর করা এবং দুর্বল জনগোষ্ঠীকে মহামারির প্রভাব থেকে পুনরুদ্ধার করতে এ অর্থায়ন করা হচ্ছে।

এছাড়া গ্রামাঞ্চলে মানুষের আয় কমে গেছে এবং কৃষি ছাড়া অন্যান্য কর্মসংস্থানের সুযোগও কমে গেছে। পাশাপাশি গ্রামীণ উদ্যোক্তারাও মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন করোনার প্রভাবে। এসব জনগোষ্ঠীকে সহায়তা করা হবে।

এডিবির এ অর্থে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ হাজার কুটির, মাইক্রো এবং ছোট আকারের উদ্যোগকে সহায়তা করা হবে। যুব, প্রত্যাবর্তনকারী অভিবাসী শ্রমিক এবং গ্রামীণ জনগোষ্ঠী দ্বারা পরিচালিত কুটির, মাইক্রো এবং ছোট আকারের উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশকে এ অর্থায়ন করা হবে। ঋণের এ অর্থে করোনাভাইরাসে ক্ষতিগ্রস্ত বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা করা হবে।

ইআরডি সচিব বলেন, এডিবির ঋণ কোভিড-১৯ মহামারির সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করবে। ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থ-সামাজিক পুনরুদ্ধারে সহায়তা করার জন্য সরকারের প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেবে।

এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর গিনটিং বলেন, এডিবির এ প্রয়াস নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। একটি ব্যাপক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করে সিএমএসমইকে অর্থায়ন করা হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীকে সংকট মোকাবিলায় সহায়তা করা হবে। এক কথায় করোনা সংকটে পড়া মানুষকে সহায়তা করতেই ঋণ দিচ্ছে এডিবি।

প্রকল্পটির আওতায় ২০২৫ সালের মধ্যে কমপক্ষে ৪৫ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করবে। অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারে সহায়তার জন্য নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। নারীদের জন্য ২০ শতাংশ ঋণ নির্ধারণ করা হয়েছে। কর্মসূচির আওতায় ৯০ হাজার মানুষকে প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

নিউজ ট্যাগ: এডিবি

আরও খবর



বিশ্বে একদিনে আক্রান্ত ৩১ লক্ষাধিক, মৃত্যু ৭ হাজার ৬০০

প্রকাশিত:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ১৫ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৩০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

করোনাভাইরাসের সবচেয়ে সংক্রামক ধরনের স্বীকৃতি পাওয়া ওমিক্রনের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন হু হু করে বাড়ছে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। শুক্রবার বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ লাখ ৬০ হাজার ২০৪ জন এবং এ রোগে মৃত্যু হয়েছে ৭ হাজার ৬০০ জনের।

মহামারি শুরুর পর থেকে করোনায় আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হালনাগাদ তথ্য প্রদানকারী ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটার্স জানিয়েছে এ তথ্য।

বিগত দিনগুলোর মতো শুক্রবারও করোনায় সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু ঘটেছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে এই দিন করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৭ লাখ ৯৫ হাজার ৫৮২ জন এবং এ রোগে মারা গেছেন ২ হাজার ১১৪ জন।

এর বাইরে বিশ্বের যেসব দেশে শুক্রবার সংক্রমণ-মৃত্যুর হার বেশি দেখা গেছে, সে দেশগুলো হলো- ফ্রান্স (নতুন আক্রান্ত ৩ লাখ ২৯ হাজার ৩৭১, মৃত্যু ১৯১), ভারত (নতুন আক্রান্ত ২ লাখ ৬৭ হাজার ৩৪৫, মৃত্যু ৪৩০), ইতালি (নতুন আক্রান্ত ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৫৩, মৃত্যু ৩৬০), স্পেন (নতুন আক্রান্ত ১ লাখ ৬২ হাজার ৫০৮, মৃত্যু ১৩৯), আর্জেন্টিনা (নতুন আক্রান্ত ১ লাখ ৩৯ হাজার ৮৫৩, মৃত্যু ৯৩) এবং যুক্তরাজ্য (নতুন আক্রান্ত ৯৯ হাজার ৬৫২, মৃত্যু ২৭০)।

শুক্রবারের পর বিশ্বে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ৩২ কোটি ৪০ লাখ ৫২ হাজার ২৮০ জনে, মোট মৃতের সংখ্যা উন্নীত হয়েছে ৫৫ লাখ ৪৬ হাজার ৭৪১ জনে।

বর্তমানে বিশ্বে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৫ কোটি ৩২ লাখ ৪৭ হাজার ৯৭ জন। এই রোগীদের মধ্যে করোনার মৃদু উপসর্গ বহন করছেন ৫ কোটি ৩১ লাখ ৫০ হাজার ৯৯৫ জন এবং গুরুতর অসুস্থ আছেন ৯৬ হাজার ১০২ জন।

এছাড়া এই দিন করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন মোট ১১ লাখ ৪১ হাজার ৩২৮ জন। এর মধ্যে দিয়ে বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে ওঠা ব্যক্তিদের মোট সংখ্যা হয়েছে ২৬ কোটি ৫২ লাখ ৫৮ হাজার ৪৪২ জনে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে বিশ্বের প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। করোনায় প্রথম মৃত্যুর ঘটনাটিও ঘটেছিল চীনে।

তারপর অত্যন্ত দ্রুতগতিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে প্রাণঘাতী এই ভাইরাসটি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ২০২০ সালের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। কিন্তু তাতেও অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় অবশেষে ওই বছরের ১১ মার্চ করোনাকে মহামারি হিসেবে ঘোষণা করে ডব্লিউএইচও।

নিউজ ট্যাগ: ওমিক্রন

আরও খবর



দীর্ঘ ৭৭ বছর পর আনা ফ্রাঙ্কের ‘বিশ্বাসঘাতক’ শনাক্ত

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ২৭০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

সম্প্রতি নতুন এক তদন্তে নাৎসিদের হাতে আনা ফ্রাঙ্ক এবং তার পরিবারকে তুলে দেয়ায় অভিযুক্ত এক সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে নাৎসি বাহিনীর হাত থেকে বাঁচতে ওই ব্যক্তিই আনা ফ্রাঙ্কের পরিবারের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল। যদিও শনাক্ত হওয়া ভ্যান ডেন বার্গ নামের ওই ব্যাক্তি ১৯৫০ সালে মারা গেছেন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বহুল আলোচিত চরিত্র ইহুদি কিশোরী আনা ফ্রাঙ্ক। ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মাত্র ১৫ বছর বয়সে এক নাৎসি বন্দিশিবিরে মারা যান আনা। এর ছয় মাস আগে নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামের একটি গোপন জায়গা থেকে আনা ও তার পরিবারের সদস্যদের আটক করে নাৎসি বাহিনী।

কৌশলে লুকিয়ে থাকতলেও তারা কীভাবে পড়ে তা অবশ্য সে সময় জানা যায়নি। তাদের ধরিয়ে দিতে কে বা কারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছিল এ বিষয়ও ছিল আড়ালে।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দীর্ঘ ৭৭ বছর পর কিশোরী আনাকে ধরিয়ে দেয়ার পেছনে কে ছিলেন তা বেরিয়ে এসেছে নতুন এক তদন্তে। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার তদন্তকারী দলে রয়েছেন মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা থেকে শুরু করে ইতিহাসবিদ ও বিশেষজ্ঞরা।

এই তদন্তে সময় লেগেছে ছয়টি বছর।তদন্ত শেষে এফবিআইয়ের সাবেক কর্মকর্তা ভিন্স প্যানকোকে আরনল্ড, ভ্যান ডেন বার্গ নামের আমস্টারডামের ওই ইহুদি ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেছেন।

নানা সূত্র মিলিয়ে আরনল্ড বলছেন, নাৎসিদের হাত থেকে নিজের পরিবারকে বাঁচাতেই হয়তো আনা ও তার পরিবারকে ধরিয়ে দিয়েছিলেন ভ্যান ডেন বার্গ।

আমস্টারডামের ইহুদি কাউন্সিলের সদস্য ছিলেন ভ্যান ডেন বার্গ। এই কাউন্সিলকে ইহুদি এলাকায় নাৎসি নীতি বাস্তবায়নে বাধ্য করা হয়েছিল।

১৯৪৩ সালে যুদ্ধ চলাকালে এই কাউন্সিল ভেঙে দেয়া হয় এবং এর সদস্যদের কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়। যদিও ভ্যান ডেন বার্গকে ওই সময় ক্যাম্পে পাঠানো হয়নি। তিনি তখন আমস্টারডামেই বাস করছিলেন।

সে সময় এটিও শোনা গিয়েছিল যে, ইহুদি কাউন্সিলের এক সদস্য নাৎসিদেরকে তথ্যপাচার করছেন।

সিবিএস নিউজের সিক্সটি মিনিটস প্রোগ্রামে এফবিআইর সাবেক এজেন্ট ভিন্স প্যানকোক বলেন, ভ্যান ডেন বার্গ তখন এমন পরিস্থিতিতে পড়েছিলেন যে,পরিবারসহ তার ক্যাম্পে যাওয়া ছাড়া তার আর কোনও উপায় ছিল না। আর সেই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতেই, বিনিময়েই তিনি আনা ফ্রাঙ্ক ও তার পরিবারের তথ্য নাৎসি বাহিনীর কাছে পৌঁছে দিয়েছিলেন।

পরিবারসহ ধরা পড়ার আগে আনার বাবা ওটো ফ্রাঙ্কের কাছে একটি চিরকূট এসেছিল অজ্ঞাত কারও কাছ থেকে। ওই চিরকূটে লেখা ছিল বিশ্বাসঘাতকের সম্পর্কে। তবে সে সময় ওটো ফ্রাঙ্ক বিষয়টি চেপে গিয়েছিলেন।

এর কারণ হিসাবে এফবিআইয়ের কর্মকর্তা বলছেন,ইহুদি বিদ্বেষী ওটো ফ্রাঙ্ক হয়তো ভেবেছিলেন, বিশ্বাসঘাতকের নাম প্রকাশ করলে তা শুধু আগুনে ঘিই ঢালবে।

ডাচ পত্রিকা ডি ভল্কসক্রান্ট জানিয়েছে, ১৯৫০ সালে মারা গেছেন ভ্যান ডেন বার্গ। আনা ফ্রাঙ্কের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করার সন্দেহে গত কয়েক দশকে কয়েক ডজনেরও বেশি মানুষের নাম শোনা গেছে। তবে আগে কখনই আধুনিক তদন্ত কৌশল কাজে লাগিয়ে সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করার এমন চেষ্টা করা হয়নি।

১৯৪৪ সালের ৪ আগস্ট গ্রেফতার হন আনা ও তার পরিবার। আনাকে পাঠানো হয় ওয়েস্টারবর্কের শিবিরে। এরপর তাকে নেয়া হয় জার্মানিতে নাৎসি বাহিনীর বার্গেন-বেলসেন শিবিরে। সেখানে ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রবল জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান আনা।

মেয়ের মৃত্যুর পর বাবা ওটো ফ্রাঙ্ক আনার হৃদয়স্পর্শী একটি ডায়েরি পান। প্রথম সেটি বই হিসেবে প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালের ২৫ জুন। বিশ্বজুড়ে ডায়েরিটি ব্যাপক সাড়া ফেলে। ডায়েরিটি ২০০৯ সালে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।


আরও খবর
হাসপাতালে ভর্তি মাহাথির মোহাম্মদ

শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২




সরিষাবাড়ীতে পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে হামলা, ৬ পুলিশ আহত

প্রকাশিত:শুক্রবার ০৭ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:শুক্রবার ০৭ জানুয়ারী ২০২২ | ৪৮৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক গ্রুপের লোকজন পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের সাথে সংঘর্ষ হয়েছে তাদের। এতে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জসহ অন্তত ৬ জন পুলিশ আহত হন।

আজ শুক্রবার (৭ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার তারাকান্দি যমুনা সার কারখানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।

প্রতক্ষদর্শীরা জানান, স্থানীয় এমপি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে তার স্ত্রী ধানমন্ডি থানায় জিডি করার পর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকের লোকজন বৃহস্পতিবার রাতভর তারাকান্দি এলাকায় আতশবাজি করে। শুক্রবার সকালে যমুনা সার কারখানা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দেয়। পুলিশ এতে বাধা দিলে তারা সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় পুলিশ রফিক গ্রুপে যুক্ত হওয়া বিএনপির ক্যাডার মোর্শেদকে আটক করে। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে তারাকান্দি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে হামলা চালায়। এ সময় তদন্ত কেন্দ্রের প্রধান ফটক বন্ধ করে দিলে ওপর দিয়ে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

এতে তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফসহ অন্তত ৬ জন পুলিশ আহত হন। আহত অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন এসআই শফিউল আলম সোহাগ, এসআই সুলতান মাহমুদ, এএসআই মেহেদী হাসান, কনস্টেবল খোকনুজ্জামান ও সোলায়মান।

এ ব্যাপারে জামালপুর পুলিশ সুপার নাছির উদ্দীন আহমেদ জানান, একাধিক মামলার আসামি মোর্শেদের নেতৃত্বে ৬০-৭০ জন লোক সকাল থেকে কারখানা এলাকায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। মোর্শেদকে আটক করা হলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে কয়েকজন পুলিশ আহত হয়। এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

এ বিষয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার এসবের কিছু জানা নেই। আর আমার লোকেরা থানায় হামলা করবে কেন? যে গ্রেফতার হয়েছে সেও তো আমার লোক না। এলাকায় কোন ঘটনা হলেই আমার লোকের দোষ হয়। আমরা পরিচ্ছন্ন রাজনীতি করি। হামলা ভাংচুরের রাজনীতি করি না।

নিউজ ট্যাগ: জামালপুর

আরও খবর



পদ্মা সেতুতে গাড়ি চলবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই : ওবায়দুল কাদের

প্রকাশিত:রবিবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:রবিবার ২৬ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

নতুন বছরে মেট্রোরেল ও কর্ণফুলী টানেলের উদ্‌বোধন হবে। সময় মতো তারিখ ঘোষণা করা হবে। এ দুটি প্রকল্পের কাজ শেষ করার ক্ষেত্রে আমাদের লক্ষ্য ২০২২ সাল। আর নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে গাড়ি চলবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আজ রোববার আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন ওবায়দুল কাদের।

এ সময় সেতুমন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর কাজ এগিয়ে চলছে। এখন পিচ ঢালাইয়ের কাজ চলছে। আমরা তো আগেই অ্যাপ্রোচ করে ফেলেছি। আমাদের টার্গেটের মধ্যেই পদ্মা সেতু উদ্‌বোধন করা হবে। সেতুটি ২০২২ সালের জুনে উদ্‌বোধন করা হবে।

ঢাকা নগর পরিবহণের উদ্‌বোধন করে মন্ত্রী বলেন, ঢাকা নগরীতে সুশৃঙ্খল ও আধুনিক গণপরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে। আমি এর সাফল্য কামনা করি। পর্যায়ক্রমে এ সেবার বিস্তার হবে। আরেও নতুন রুট যুক্ত হবে। গোটা ঢাকা শহরকে একটা সুশৃঙ্খল পরিকল্পনার মধ্যে আনতে হবে। আরেও ৪২টি রুট করার পরিকল্পনা আছে। মাত্রতো শুরু হলো। ঢাকা সিটি ও এর আশপাশে এই রুট চালু হবে। এর মধ্যে নরসিংদী, মানিকগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, গাজীপুরও রয়েছে।

নিউজ ট্যাগ: ওবায়দুল কাদের

আরও খবর



কিশোরগঞ্জে পুলিশের ওপর হামলা, গাড়িতে আগুন

প্রকাশিত:সোমবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:সোমবার ২৭ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪০০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

‌কি‌শোরগ‌ঞ্জের ক‌টিয়াদী‌তে ভোট গণনা শে‌ষে ফেরার প‌থে পু‌লিশ ও নির্বাচনী কর্মকর্তা‌দের ওপর হামলা ক‌রে নির্বাচনী সাম‌গ্রী ছিনতাই‌য়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে তিন পরাজিত প্রার্থীর সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এ সময় পু‌লি‌শের কা‌জে ব্যবহৃত এক‌টি মাই‌ক্রোবাসসহ দু'‌টি গা‌ড়ি‌তে অগ্নিসং‌যোগ করা হয়।

‌রোববার (২৬ ডিসেম্বর) রাত সা‌ড়ে ৮টার দি‌কে উপ‌জেলার সহস্রাম ধূল‌দিয়া ইউ‌নিয়‌নের গৌ‌রিপুর সরকা‌রি প্রাথ‌মিক বিদ্যালয় ভোট কে‌ন্দ্রের সাম‌নে এ ঘটনা ঘ‌টে।

পু‌লিশ জানায়, কেন্দ্রের ভোট গণনা শে‌ষে পু‌লিশ ও নির্বাচনী কর্মকর্তারা সরঞ্জাম নি‌য়ে উপ‌জেলা সদ‌রে ফির‌ছিল। কেন্দ্র থে‌কে বের হওয়ার সময় একজন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ও দুই পরা‌জিত মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকরা পু‌লি‌শের ওপর হামলা চালায়। তারা ইটপাট‌কেল নি‌ক্ষেপ ক‌রে নির্বাচনী সাম‌গ্রী ছি‌নি‌য়ে নেওয়ার চেষ্টা ক‌রে। এ সময় পু‌লি‌শের কা‌জের জন্য ভাড়া করা এক‌টি মাই‌ক্রোবাসসহ দু'‌টি গা‌ড়ি পু‌ড়ি‌য়ে দেয় দুর্বৃত্তরা।

‌কি‌শোরগ‌ঞ্জের পু‌লিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খা‌লেদ জানান, হামলার ঘটনায় পু‌লিশ ও বি‌জি‌বি সদস্যরা অন্তত ৩০ রাউন্ড রাবার বু‌লেট ছুঁড়ে প‌রি‌স্থিতি নিয়ন্ত্র‌ণে আনে। এ ঘটনায় জ‌ড়িত‌দের বিরু‌দ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হ‌চ্ছে।

নিউজ ট্যাগ: কিশোরগঞ্জ

আরও খবর