আজঃ সোমবার ২৩ মে ২০২২
শিরোনাম

করোনা: বিশ্বে আরও দেড় হাজার মৃত্যু

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১২ মে ২০২২ | ৩৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

চলমান করোনা মহামারিতে বিশ্বজুড়ে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে। একইসঙ্গে আগের দিনের তুলনায় কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যাও। গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন প্রায় দেড় হাজার মানুষ। একই সময়ে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা নেমে এসেছে পৌনে ৬ লাখের নিচে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জার্মানিতে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রাণহানির তালিকায় এরপরই রয়েছে ব্রাজিল, ইতালি, রাশিয়া, ফ্রান্স ও জাপান। এতে বিশ্বব্যাপী করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৫১ কোটি ৯০ লাখের ঘর। অন্যদিকে মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ৬২ লাখ ৮২ হাজার।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ৪৯২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা কমেছে দুই শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬২ লাখ ৮২ হাজার ৬২ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ লাখ ৭১ হাজার ১০২ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে প্রায় ২০ হাজার। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১ কোটি ৯০ লাখ ৪ হাজার ৭০৪ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ও প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে জার্মানিতে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৯৩ হাজার ১০২ জন এবং মারা গেছেন ২২৭ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে ইউরোপের এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৫৫ লাখ ৮৩ হাজার ২৫৮ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ জন মারা গেছেন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৭ হাজার ৪৮৭ জন এবং মারা গেছেন ২২৬ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ৮ কোটি ৩৯ লাখ ৫৩ হাজার ৩৭১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১০ লাখ ২৫ হাজার ৭৬৪ জন মারা গেছেন।

ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪০ হাজার ২৯৯ জন এবং মারা গেছেন ৯৬ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত ২ কোটি ৯০ লাখ ৬১ হাজার ৫২৩ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১ লাখ ৪৭ হাজার ৭৫ জন মারা গেছেন। একইসময়ে দক্ষিণ আফ্রিকায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১০ হাজার ১৭ জন এবং মারা গেছেন ৫০ জন।

রাশিয়ায় গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৮ জন এবং নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ৪ হাজার ১০২ জন। এছাড়া মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৮২ লাখ ৪১ হাজার ৩২৯ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ২৪৮ জনের। একইসময়ে থাইল্যান্ডে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭ হাজার ৬৫০ জন এবং মারা গেছেন ৫৬ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ কোরিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৩ হাজার ৮৯৯ জন এবং মারা গেছেন ২৯ জন। করোনা মহামারির শুরু থেকে পূর্ব এশিয়ার এই দেশটিতে এখন পর্যন্ত ১ কোটি ৭৬ লাখ ৫৮ হাজার ৭৯৪ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এবং ২৩ হাজার ৪৯১ জন মারা গেছেন। গত একদিনে অস্ট্রিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ৯৯১ জন এবং মারা গেছেন ৮ জন।

লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল করোনায় আক্রান্তের দিক থেকে তৃতীয় ও মৃত্যুর সংখ্যায় তালিকার দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১২১ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ২৩ হাজার ৩৯৮ জন। অপরদিকে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৩ কোটি ৬ লাখ ১৭ হাজার ৭৮৬ জন এবং মৃত্যু হয়েছে ৬ লাখ ৬৪ হাজার ৫৬৪ জনের।

করোনায় আক্রান্তের তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারত। তবে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার তালিকায় দেশটির অবস্থান তৃতীয়। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন ২ হাজার ২৭৫ জন। মহামারির শুরু থেকে দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৪ কোটি ৩১ লাখ ১২ হাজার ৮৬১ জন এবং মারা গেছেন ৫ লাখ ২৪ হাজার ১৫৭ জন।

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় অস্ট্রেলিয়ায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৭ হাজার ৮৮ জন এবং মারা গেছেন ৫১ জন। একই সময়ে কানাডায় নতুন করে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৯৬ জন এবং মারা গেছেন ৫২ জন। গ্রিসে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৭৬১ জন এবং মারা গেছেন ২৭ জন।

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

নিউজ ট্যাগ: করোনাভাইরাস

আরও খবর



ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিসিক শিল্পনগরীতে জলাবদ্ধতা, কোটি টাকার ক্ষতি

প্রকাশিত:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ২৫ এপ্রিল ২০২২ | ৪৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত চারলেন মহাসড়কের নির্মাণ কাজের জন্য ভরাট করে ফেলা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বিসিক শিল্পনগরী সংলগ্ন ছোট-ছোট একাধিক খাল। এতে করে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে শিল্পনগরীতে। কারখানার ভেতরে পানি ঢুকে পড়ায় গত তিন দিন ধরে অন্তত ৪০টি কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। এতে করে প্রতিদিন ব্যবসায়ীদের অন্তত ১ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। সব মিলিয়ে স্থবির হয়ে পড়েছে বিসিক শিল্পনগরীর কার্যক্রম। দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না করা গেলে বন্ধ হয়ে যাবে শিল্প নগরীর সকল কার্যক্রম।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্প করপোরেশনের (বিসিক) অধীনে ১৯৯৭-৯৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় গড়ে ওঠে শিল্পনগরী। ২১.৯৮ একর আয়তনের এ শিল্পনগরীতে এ’, বি’ ও এস’ ক্যাটাগরির ১৩৮টি প্লট রয়েছে। সবগুলোই বরাদ্দ দেওয়া আছে ব্যবসায়ীদের।

শিল্পনগরীতে বর্তমানে ৬০টি কারখানা চালু রয়েছে। এর মধ্যে ১টি ওষুধ কারখানা, ১৭টি মেটাল কারখানা, ৮টি ফ্লাওয়ার মিল, ৩টি সাবান, ৩টি সোডিয়াম সিলিকেট, ৫টি বেকারি ও ১টি তারকাঁটাসহ বিভিন্ন পণ্যের কারখানা আছে। এসব কারখানায় কাজ করছেন প্রায় ৩ হাজার শ্রমিক।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নদীবন্দর থেকে আখাউড়া স্থলবন্দর পর্যন্ত মহাসড়কটি চারলেনে উন্নীত করছে সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ। এ উন্নয়ন কাজের জন্য মহাসড়ক সংলগ্ন ছোট ছোট একাধিক খাল বালু দিয়ে ভরাট করে ফেলে সওজ কর্তৃপক্ষ। এতে করে অনেক জায়গায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। গত ৭-৮ দিন আগে বিসিক শিল্পনগরী সংলগ্ন খালগুলোও ভরাট করা হয়। এতে করে শিল্পনগরীর ভেতরের সড়কগুলোতে হাঁটুপানি জমেছে। জলাবদ্ধতার কারণে কারখানাগুলোর ভেতরেও পানি ঢুকে পড়েছে। এতে করে অন্তত ৪০টি কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে।

সরেজমিন বিসিক শিল্পনগরীতে গিয়ে দেখা যায়, শিল্পনগরী সংলগ্ন খালগুলো পুরোপুরি ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এতে করে শিল্পনগরীর কার্যালয়ের সামনে হাঁটুপানি জমেছে। কারখানার সামনের সড়কগুলোতে পানি জমার কারণে ক্রেতারা আসতে পারছেন না। ঈদের আগে কারখানা বন্ধ হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কারখানা মালিক ও শ্রমিকরা।

মুন্নী সুপ ফ্যাক্টরির শ্রমিক মো. আক্তার জানান, গত কয়েকদিন ধরে কারখানার সামনে হাঁটুপানি জমে আছে। এই পানি কারখানার ভেতরেও ঢুকে পড়েছে। এতে করে কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে ঈদের আগমুহূর্তে কাজ হারিয়ে বিপাকে পড়েছেন তারা। জাবেদ মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজের সহকারী ব্যবস্থাপক হাফিজ উদ্দিন জানান, তাদের কারখানার ভেতরে পানি না ঢুকলেও সামনে পানি টইটম্বুর করছে। মালামাল নেওয়ার জন্য বাইরে থেকে ক্রেতারা কারখানায় আসতে পারছেন না। ফলে কারখানার উৎপাদন কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ উৎপাদিত পণ্য ক্রেতাদের কাছে সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এতে বড় ধরনের লোকসানের আশঙ্কায় আছেন বলে জানান তিনি।

নিউ মামুনি সোপ ফ্যাক্টরির মালিক মো. আক্তার হোসেন বলেন, আমার কারখানার ভেতরে এবং বাইরে হাঁটুপানি জমেছে। কারখানার ভেতরের সব কিছু এখন পানির নিচে। বাধ্য হয়ে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। ইতোমধ্যে পানিতে আমার ১০ লাখ টাকার সাবান নষ্ট হয়ে গেছে। প্রতিদিন অন্তত ১ লাখ টাকার সাবান উৎপাদন কাজ ব্যাহত হচ্ছে। সবমিলিয়ে লোকসান দাঁড়াবে ২০-২৫ লাখ টাকা। ম্যাড্রেক্স লাইফ সায়েন্স লিমিটেডের প্ল্যান্ট ব্যবস্থাপক রাজীব কুমার দাস জানান, জলাবদ্ধতার কারণে কারখানার চারপাশে এবং ভেতরে পানি জমেছে। ফলে গত ৩ দিন ধরে কারখানার উৎপাদন বন্ধ রয়েছে। প্রতিদিন অন্তত ১০ লাখ টাকার ওষুধ উৎপাদন ব্যহত হচ্ছে। দ্রুত এ সমস্যা সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানান তিনি।

বিসিক শিল্পনগরীর ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন বলেন, পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না রেখেই খালগুলো ভরাট করা হয়েছে। পানি না সরার কারণে জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। এতে করে অধিকাংশ কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। প্রতিদিন অন্তত ১ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে বিসিকের কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।

বিসিক শিল্পনগরীর সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. রোকন উদ্দিন ভূঁইয়া বলেন, আমাদের প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে চারলেন প্রকল্পের পরিচালককে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল- যেন পনি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রেখে খালগুলো ভরাট করা হয়। কিন্তু গত ৬-৭ দিন আগে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না রেখেই খালগুলো পুরোপুরি ভরাট করে ফেলা হয়েছে। এতে করে জলাবদ্ধতা তৈরি হওয়ায় অধিকাংশ কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করছি, দ্রুত যেন এ সমস্যাটি সমাধান করা হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পংকজ ভৌমিক বলেন, বিসিকের কোনো জায়গা আমরা ভরাট করিনি। বিসিক এতোদিন সড়ক ও জনপথের জায়গায় বর্জ্য ফেলেছে। জায়গাটি (খাল) সড়ক ও জনপথের। চারলেনের সড়কের কারণে এখন জায়গাটি প্রয়োজন হচ্ছে। এ বিষয়ে আমাদের কিছু করার নেই।


আরও খবর



নবাবগঞ্জে অগ্নিকাণ্ডে দুটি ঘরসহ ১১টি গরু পুড়ে ছাঁই

প্রকাশিত:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১৬ মে ২০২২ | ৪৪০জন দেখেছেন

Image

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি:

ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় একটি গরুর খামারে আগুন লেগে ১১টি গরু পুড়ে ছাঁই হয়েছে। সোমবার ভোরে উপজেলার বাহ্রা ইউনিয়নের পশ্চিম চকবাহ্রা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে দুটি ঘরসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবী করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামার মালিক জুয়েল হোসেনের পরিবার।

জুয়েল হোসেনের ভাই আব্বাস বলেন, কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে ১১টি গরু মোটা তাজাকরণে জুয়েল ব্যস্ত থাকত। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খামারে পশুর জন্য শ্রম দিত সে। কিন্তু সোমবার ভোরে খামারে হঠাৎ আগুনে আমার ভাইয়ের সে স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার হয়ে গেছে। কি থেকে কি হল কিছুই জানি না কেউ। তিনি আরও বলেন, আগুনে ১১টি গরু পুড়ে যাওয়ায় এখন আমার ভাই মানসিক ও শারিরীকভাবে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

বাহ্রা ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ড সদস্য সালাহউদ্দিন বাবু বলেন, এতে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন জুয়েল। এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠা সহজ হবে না। 

বাহ্রা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ্যাড. সাফিল উদ্দিন মিয়া বলেন, আসন্ন কোরবানীকে সামনে রেখে ঋণের টাকায় ১১টি গরু কিনেন জুয়েল। কোরবানীতে এ গরুগুলো বিক্রি করে ঋণের টাকা শোধ করবেন এ আশায়। সেকারণে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিজ সন্তানের ন্যায় কঠোর পরিশ্রম করতেন জুয়েল। শুধু জুয়েল নয় বাড়ির নারী পুরুষ সকলেই ছিল একাজে জড়িত। হঠাৎ আগুনে গরুগুলো পুড়ে যাওয়ায় সর্বস্ব খুইয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন সে। তিনি আরও বলেন, তার পাশে সরকারি সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দেয়া দরকার। আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে বিষয়টি অবগত করেছি।

৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য রানু বেগম বলেন, জুয়েল কৃষিকাজও করেন। এর আগেও হঠাৎ বৃষ্টিতে আলু ও রসুন চাষ করে অনেক ক্ষতির মুখে পড়েছে জুয়েল। এখন আবার গরুগুলো পুড়ে মরে যাওয়ায় একেবারেই পথে বসে গেছেন। 

এদিকে জুয়েলের পাশে সরকারকে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে আহবান জানান তার এলাকাবাসী।


আরও খবর



সাতক্ষীরায় বাঘে নিয়ে গেল জেলেকে

প্রকাশিত:রবিবার ২২ মে 20২২ | হালনাগাদ:রবিবার ২২ মে 20২২ | ২১০জন দেখেছেন

Image

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:

পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জে মোঃ কাওছার গাইন(২৭) নামের এক জেলেকে মাছ ধরার সময় বাঘে নিয়ে গেছে।

শনিবার (২১ মে) বিকেলে নোটাবেকী ফরেস্ট অফিসের নিয়ন্ত্রণাধীন খেজুরদানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। তবে তার মরদেহ এখনো পাওয়া যায়নি। তার মরদেহ উদ্ধারে বন বিভাগের উদ্ধারকর্মীরা রওয়ানা দিয়েছেন। মোঃ কাওছার গাইন সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের মোঃ রাজ্জাক গাইনের ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় জেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, বৈধ পাশ নিয়ে (১৯ মে) বৃহস্পতিবার সুন্দরবনের মাছ ধরতে যান মোঃ কাওছার গাইনসহ সঙ্গিরা। শনিবার নোটাবেকি খাল এলাকায় মাছ ধরার সময় হঠাৎ বাঘের আক্রমণের শিকার হয় মোঃ কাওছার গাইন। অন্য জেলেরা তাকে বাঘের কবল থেকে রক্ষার চেষ্টা করেও রক্ষা করতে পারেনি। বাঘ তাকে ধরে গহীন জঙ্গলে নিয়ে যায়। তবে এখনো তার মরদেহ উদ্ধার করা যায়নি।


আরও খবর



কানাডায় খাদ্যশস্য উৎপাদন বাড়ার পূর্বাভাস ইউএসডিএর

প্রকাশিত:বুধবার ১১ মে ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১১ মে ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

২০২২-২৩ মৌসুমে কানাডায় খাদ্যশস্য উৎপাদন বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। আবাদি জমির পরিমাণ বৃদ্ধি এবং মাটিতে আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায় এমন সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা। সম্প্রতি মার্কিন কৃষি বিভাগের (ইউএসডিএ) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিসের গ্লোবাল এগ্রিকালচারাল ইনফরমেশন নেটওয়ার্ক শীর্ষক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২২-২৩ মৌসুমে কানাডায় খাদ্যশস্য উৎপাদন ৩০ শতাংশ বাড়বে। উৎপাদনের পরিমাণ দাঁড়াবে ৫ কোটি ৮০ লাখ টনে। বসন্তকালীন গম, দুরাম ও জইয়ের আবাদ লক্ষণীয় মাত্রায় বেড়েছে। কানাডার অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য আবাদি অঞ্চল আলবার্টা ও পশ্চিম সাসক্যাচুয়ান। এসব অঞ্চলে খরা পরিস্থিতি কতটুকু দীর্ঘায়িত হয় তার ওপরই সংস্থাটির এ পূর্বাভাস নির্ভর করছে। এ ঝুঁকি কেটে গেলে পূর্বাভাস মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখছে ইউএসডিএ।

কানাডায় খরার কারণে চলতি মৌসুমে খাদ্যশস্য উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। আবাদের পরিমাণও ছিল নিম্নমুখী। এ কারণে ২০২২-২৩ মৌসুমে কয়েক বছরের সর্বনিম্নে নামতে পারে গম, যব ও জইয়ের প্রাথমিক মজুদ। ভুট্টার প্রাথমিক মজুদ কমে ১৯ লাখ ৫০ হাজার টনে নামার পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে। অর্থাৎ শস্যটির মজুদ আট বছরের সর্বনিম্নে নামার আশঙ্কা করা হচ্ছে। পশুখাদ্য উৎপাদনে ঊর্ধ্বমুখী স্থানীয় চাহিদাকে এর পেছনে দায়ী করছেন বিশ্লেষকরা।

ইউএসডিএ বলছে, ২০২২-২৩ মৌসুমে কানাডায় ৩ কোটি ১৫ লাখ ৮০ হাজার টন গম উৎপাদন হতে পারে। মৌসুম শেষে শস্যটির মজুদ দাঁড়াবে ৪০ লাখ টনে। ২০২২-২৩ মৌসুম শেষে গমের মজুদ ও ব্যবহারের অনুপাত কমে ১২ শতাংশে নামার পূর্বাভাস মিলেছে। ১৯৩৮ সালের পর এমন নিম্নমুখিতা দেখা যায়নি।

২০২২-২৩ মৌসুমে গম, যব ও জই রফতানি গত বছরের তুলনায় ৩২ শতাংশ বাড়বে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ। ফলন পরিস্থিতির উন্নতি দেশটির রফতানিযোগ্য গম সরবরাহ ৬০ লাখেরও বেশি বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। শস্যটির মজুদ ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে অবস্থান করবে বলে জানিয়েছে ইউএসডিএ। কারণ বিশ্বজুড়ে গমের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে শস্যটির সরবরাহ সংকট তীব্র। এদিকে ২০২২-২৩ মৌসুমে কানাডায় ৯৪ লাখ টন যব উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো দাম ও আবাদ বৃদ্ধির কারণে জই উৎপাদন ৪০ লাখ ৩০ হাজার টনে উন্নীত হতে পারে।

আগামী মৌসুমে ভুট্টা উৎপাদন ১ কোটি ৩৬ লাখ টনে নামবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ইউএসডিএ। চলতি মৌসুমে ১ কোটি ৩৯ লাখ ৮০ হাজার টন উৎপাদন হয়েছে। মূলত আবাদ কমে যাওয়ার কারণেই উৎপাদন কমতে পারে। অন্যদিকে ভুট্টা, যব, গম ও জই আমদানি ৪০ শতাংশেরও বেশি কমতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মূলত পশুখাদ্য উৎপাদন খাতে ভুট্টা ও যবের নিম্নমুখী চাহিদা এতে ভূমিকা রাখবে।

নিউজ ট্যাগ: কানাডা

আরও খবর



বায়তুল মোকাররমে ঈদের ৫ জামাতের সময়সূচি

প্রকাশিত:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | হালনাগাদ:শনিবার ৩০ এপ্রিল ২০২২ | ৩৬০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পবিত্র ঈদুল ফিতরে পাঁচটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠেয় এসব জামাতে ইমাম ও মুকাব্বিরে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সহকারি জনসংযোগ কর্মকর্তা শায়লা শারমীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে আজ শনিবার এ তথ্য জানানো হয়।

জামাত ও ইমামদের তথ্য

প্রথম জামাত: সকাল ৭টায় অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন হাফেজ মুফতি মাওলানা মিজানুর রহমান (সিনিয়র পেশ ইমাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ)। আর, মুকাব্বিরের দায়িত্ব পালন করবেন হাফেজ মো. ইসহাক (মুয়াজ্জিন, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ)।

দ্বিতীয় জামাত: দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৮টায়। এতে ইমামতি করবেন হাফেজ মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী নদভী (পেশ ইমাম, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ)। আর, মুকাব্বিরের দায়ত্ব পালন করবেন হাফেজ মো. আতাউর রহমান (সাবেক মুয়াজ্জিন, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ)।

তৃতীয় জামাত: সকাল ৯টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের তৃতীয় জামাত। এতে ইমামের দায়িত্ব পালন করবেন ড. মাওলানা আবু সালেহ পাটোয়ারী (মুফাসসির, ইসলামিক ফাউন্ডেশন)। আর মুকাব্বির থাকবেন হাফেজ মো. নাছির উল্লাহ, (খাদেম বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ)।

চতুর্থ জামাত: সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে ঈদের চতুর্থ জামাত। এতে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন হাফেজ মাওলানা এহসানুল হক (পেশ ইমাম, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ)। আর, মুকার হিসেবে থাকবেন মো. শহিদ উল্লাহ (খাদেম, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ)।

পঞ্চম ও সর্বশেষ জামাত: বেলা পৌনে এগারোটায় (১০টা ৪৫মিনিট) অনুষ্ঠিত এবারের ঈদুল ফিতরের পঞ্চম ও শেষ জামাত। এতে ইমামতিত্ব করবেন মাওলানা মুহিউদ্দিন কাসেম (পেশ ইমাম, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ)। আর মুকাব্বির হিসেব থাকবেন মো. রুহুল আমিন (খাদেম, বায়তুল মুকাররম জাতীয় মসজিদ)।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এসব জামাতে কোনো ইমাম উপস্থিত না থাকলে বিকল্প ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মুফতি মাওলানা মো. আব্দুল্লাহ।


আরও খবর