আজঃ শনিবার ২২ জানুয়ারী 20২২
শিরোনাম

কুড়িগ্রামে ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বেড সংখ্যার ৫ গুণ রোগী

প্রকাশিত:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বুধবার ১২ জানুয়ারী ২০২২ | ৩৪৫জন দেখেছেন

Image

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:

উত্তরের সীমান্ত ঘেঁষে জেলা কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। শয্যা সংকটে ওয়ার্ডের মেঝেতে বিছানা করে চিকিৎসা নিচ্ছেন রোগীরা। এমনকি মেঝেতে একই বেডে সর্বোচ্চ ৩ জন রোগী গাদাগাদি করে বসে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

বুধবার (১২জানুয়ারি) দুপুরে কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে গিয়ে এচিত্র দেখা গেছে।

হাসপাতালটির ডায়রিয়া ওয়ার্ডের অনুযায়ী বুধবার সকাল ৮:৩০ টা পর্যন্ত মোট ৫৬ জন রোগী ভর্তি আছেন। এর মধ্যে শিশুর সংখ্যা ৪৩ জন। যা মোট রোগীর প্রায় ৭৭ শতাংশ। এছাড়াও একই দিনের সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ টা পর্যন্ত ১৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

পাশাপাশি গত এক সপ্তাহের (৫ থেকে ১২ জানুয়ারি) পর্যন্ত ডায়রিয়া ওয়ার্ডে দৈনিক গড়ে ৪৭ জন রোগী চিকিসাধীন অবস্থায় ছিলেন যা ওই ওয়ার্ডের শয্যা সংখ্যার ৪ গুণ বেশি।

দুপুরে হাসপাতালের ডায়রিয়া ওয়ার্ডে গেলে কর্তব্যরত সিনিয়র স্টাফ নার্স আসমা খাতুন জানান, গত কয়েকদিন ধরে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এসব রোগীর মধ্যে শিশুই বেশি। ১২ বেডের এই ডায়রিয়া ওয়ার্ডে বুধবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত ৫৬ জন ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগী ভর্তি হন। এখনও রোগী আসতেছে। তাই সবাইকে বেডে জায়গা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

ডায়রিয়া ওয়ার্ডের মেঝেতে একই বিছানায় যায়গা হয়েছে আদিত্য (৮ মাস), আরাফাত (১১ মাস), রিয়া মনি (১০ মাস) নামের ৩ শিশুর। তারা বিভিন্ন যায়গা থেকে আজকে সকালে ভর্তি হন বলে জানিয়েছে রোগীর সাথে আসা অবিভাবকেরা। গাদাগাদি করে থাকায় রোগীর স্বজনদেরও কষ্ট হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তারা।

অপরদিকে কুড়িগ্রাম সদরের ভোগডাঙা ইউনিয়ন থেকে আসা রাফিয়া মনি (১৭ মাস) কে ভর্তি করানো হয় গতকাল।  মেঝেতে কোনমতে বিছানা করে শিশুকে কোলে নিয়ে রাফিয়া মনির মা মোছা ছালেহা বেগম বলেন, হাসপাতালে এত ভীড় থাকলে আমি নিজেও অসুস্থ হবো। তারপরেও হাসপাতালে এসেছি আমার সন্তানের চিকিৎসার জন্য। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার মান নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ না করলেও কোন অভিযোগ করেননি তিনি।

কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. পুলক কুমার সরকার জানান, রোগীর সংখ্যার তুলনায় শয্যা এবং ডাক্তার পর্যাপ্ত  না থাকায় চিকিৎসা সেবা দিতে কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। তবে সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত ৬০ জন নার্স দিয়ে মানসম্মত চিকিৎসা সেবা দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।


আরও খবর



রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিদায়ী প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ

প্রকাশিত:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বুধবার ২৯ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪৬৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে তিনি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তিনি বঙ্গভবনে প্রবেশ করেন।

সাক্ষাৎ শেষে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. জয়নাল আবেদীন এ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

তিনি জানান, সাক্ষাৎকালে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি দায়িত্ব পালনে সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রপতির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

এসময় রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সফলভাবে দায়িত্ব পালনের জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান। করোনাকালে ভার্চুয়াল পদ্ধতিতে বিচার কার্যক্রম পরিচালনাসহ বিচার বিভাগের উন্নয়নে বিদায়ী প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেওয়া পদক্ষেপের প্রশংসা করেন রাষ্ট্রপতি।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিব সম্পদ বড়ুয়া, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল এস এম সালাহ উদ্দিন ইসলাম এবং সচিব (সংযুক্ত) মো. ওয়াহিদুল ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন।


আরও খবর
রিফাত হত্যা: খালাস চেয়ে মিন্নির জেল আপিল

বৃহস্পতিবার ২০ জানুয়ারী ২০22




এফডিসিতে যুগ্ম-কমিশনার হারুনের কড়া হুঁশিয়ারি

প্রকাশিত:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:মঙ্গলবার ১৮ জানুয়ারী ২০২২ | ৫৩৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সরগরম এফডিসি। তারকা ও চলচ্চিত্র শিল্পীদের বিচরণ, আড্ডা-আলাপে মুখর হয়ে উঠেছে সিনেমার আঁতুড়ঘর। কিন্তু এই সুযোগে বহিরাগত বহু মানুষও এফডিসিতে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এরই প্রেক্ষিতে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (উত্তর) বিভাগের যুগ্ম-কমিশনার, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক হারুন-অর-রশীদ। তিনি বলেছেন, এফডিসিতে কোনো বাইরের মাস্তান ঢুকতে পারবে না।

মঙ্গলবার (১৮ জানুয়ারি) এফডিসিতে এসে সার্বিক দিক পর্যবেক্ষণ করেন তিনি। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, নির্বাচনে দুপক্ষের অভিযোগ ছিল এখানে এসে বহিরাগতরা মহড়া দিচ্ছে,মাস্তানি করছে। নির্বাচনী পরিবেশ বানচালের চেষ্টা করছে। আমি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলাপ করেছি। বহিরাগত অস্ত্রধারীদের ঠেকাতে প্রশাসন সহায়তা করবে বলে তাদেরকে আশ্বস্ত করেছি।

শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে যে ধরণের সহযোগিতা প্রয়োজন, সবই প্রশাসন থেকে করা হবে বলে জানিয়েছেন হারুন-অর-রশীদ। বুধবার থেকে কোনো বহিরাগত এফডিসিতে প্রবেশ করতে পারবে না। প্রবেশ করতে হলে বৈধ প্রবেশপত্র লাগবে। এমনকি নির্বাচনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশের জন্যও কমিশন থেকে আলাদা পরিচয়পত্র প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।

 


আরও খবর



শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার

প্রকাশিত:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:সোমবার ১০ জানুয়ারী ২০২২ | ২৯০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

রাজশাহীতে সাত বছর বয়সী শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগে এক বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্ত কবির হোসেনকে (৬০) আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। এ ঘটনায় আজ সোমবার শিশুটির বাবা অভিযুক্ত কবির হোসেনের বিরুদ্ধে নগরীর রাজপাড়া থানায় ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগের একটি মামলা করেন।

জানা যায়, অভিযুক্ত কবিরের বাড়ি নগরীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া এলাকায়। রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম কবিরের বিরুদ্ধে মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম এজাহারের বরাত দিয়ে বলেন, 'গতকাল রোববার বিকেলে কবির হোসেন প্রতিবেশী এক শিশুকে বরই দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর টাকার লোভ দেখিয়ে ঘরে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় শিশুটি কান্নাকাটিতে কবির হোসেন তাকে ছেড়ে দেন। পরে মেয়েটি বাড়ি গিয়ে তার বাবা-মাকে ঘটনার কথা জানায়।

এ ঘটনা জানাজানি হলে কয়েকজন এলাকাবাসী কবিরকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁকে থানায় আসেন। এ নিয়ে পরদিন সকালে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা থানায় মামলা করেন। আজ দুপুরে কবির হোসেনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।'


আরও খবর



নারায়ণগঞ্জের প্রার্থীদের ‘অসম্পূর্ণ হলফনামা’ কার স্বার্থে: সুজন

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ১৩ জানুয়ারী ২০২২ | ২৪০জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image
এ তথ্যগুলোর উদ্দেশ্য হচ্ছে, জনগণ যেন জেনেবুঝে ভোট দিতে পারে। সব তথ্য না দিয়ে কমিশন অবশ্যই ভোটারদের বঞ্চিত করছে

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন বলছে, নির্বাচন কমিশন নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে প্রার্থীদের আয়কর বিবরণীর তথ্য প্রকাশ করেনি এবং তাদের হলফনামাও অসম্পূর্ণ। এর মাধ্যমে ভোটারদের বঞ্চিত করা হয়েছে। কার স্বার্থে কমিশন এ কাজ করছে?

১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ভোট হবে। ওই নির্বাচনের প্রার্থীদের তথ্য উপস্থাপন নিয়ে বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়ালি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলা হয়। সংস্থার সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার প্রার্থীদের তথ্য তুলে ধরেন।

সেখানে বলা হয়, ইসির ওয়েবসাইটে ৩ প্রার্থীর তথ্য না পাওয়ায় ১৮৬ জনের তথ্য বিশ্লেষণ করেছে। ১২ শতাংশ প্রার্থীর আয়ের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রার্থীরা সম্পদের যে তথ্য দিয়েছেন, তা প্রকৃত চিত্র নয়।

সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, হলফনামায় যেসব তথ্য দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বিস্তারিত নয়। হলফনামার যে ছক, তা সঠিক নয়। এতে পরিবর্তন আনতে হবে। হলফনামাগুলো অত্যন্ত দুর্বল। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো এগুলো যাচাইবাছাই করে দেখা। তথ্য গোপন করলে মনোনয়ন বাতিল করা। এই নির্বাচনে অনেক প্রার্থীই অনেক তথ্য দেননি। এগুলো অসম্পূর্ণ। এতে মনোনয়ন বাতিল হওয়ার কথা।

এক প্রশ্নের জবাবে বদিউল আলম মজুমদার বলেন, এ তথ্যগুলোর উদ্দেশ্য হচ্ছে, জনগণ যেন জেনেবুঝে ভোট দিতে পারে। সব তথ্য না দিয়ে কমিশন অবশ্যই ভোটারদের বঞ্চিত করছে। এ তথ্যগুলো প্রকাশ করা বাধ্যতামূলক।

বদিউল আলম আরও বলেন, অনেকে করের প্রত্যয়নপত্র দিয়েও পার পেয়ে গেছেন। কিন্তু এটাও গ্রহণযোগ্য নয়। নির্বাচন কমিশন হয় এদিকে নজরই দিচ্ছে না কিংবা দায়সারা গোছের কাজ করছে। মানুষকে তথ্য জানানো তাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। কমিশন কার স্বার্থে কাজ করে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জের সাংসদ শামীম ওসমান আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, কিন্তু শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয় সিইসি নূরুল হুদার এমন বক্তব্যের জবাবে সুজন সম্পাদক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘনই শাস্তিযোগ্য অপরাধ। সিইসির বক্তব্য বোধগম্য নয়। তিনি আরও বলেন, একজন প্রার্থী নিজের নেতাকর্মীদের হয়রানি, গ্রেপ্তারের অভিযোগ করেছেন। কিন্তু ইসির ভূমিকা নেই। ইসি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার মাধ্যমে এর আগে খুলনা, গাজীপুরে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন দেখা গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সুজনের নির্বাহী সদস্য শাহনাজ হুদা, কোষাধ্যক্ষ সৈয়দ আবু নাসের বখতিয়ার আহমেদ এবং নারায়ণগঞ্জ সুজনের সম্পাদক ধীমান সাহা।

নিউজ ট্যাগ: সুজন

আরও খবর



দেশের বাজারে করোনার মুখে খাওয়ার ওষুধ

প্রকাশিত:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | হালনাগাদ:বৃহস্পতিবার ৩০ ডিসেম্বর ২০২১ | ৪৭৫জন দেখেছেন
দর্পণ নিউজ ডেস্ক

Image

যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি করোনাভাইরাসের মুখে খাওয়ার দুটি ওষুধ আজ থেকে দেশে বাজারজাত হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ওষুধ দুটি হলো- নিরমাট্রেলভির ও রেটিনোভি।

তিনি বলেন, এক ডোজের দাম হবে তিন হাজার টাকা। পাঁচ দিন খেতে হবে। মোট ৩০টি ট্যাবলেটের দাম হবে ১৬ হাজার টাকা। ওষুধগুলোর বাজারজাত করছে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড।

বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মানিকগঞ্জ হিজুলী ডায়াবেটিক হাসপাতালে বার্ষিক সাধারণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমার টিকা দিচ্ছি। বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছে। দেশে সংক্রমণ এখন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আমাদের সর্তক থাকতে হবে। বিভিন্ন দেশে লকডাউন দিচ্ছে। আমরা ৩১ কোটি টিকার প্রতিশ্রুতি পেয়েছি, এর মধ্যে ক্রয়ও যুক্ত আছে। প্রায় ১৭ কোটি টিকা আমাদের হাতে চলে এসেছে। সাত কোটি প্রথম ডোজ ও পাঁচ কোটি দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। জানুয়ারি থেকে নতুন উদ্যোগে টিকা কার্যক্রম চালু করছি। প্রতিটি ওয়ার্ডে টিকা দেওয়া হবে। নতুন বছর থেকে ১৫ হাজার ওয়ার্ডে ২৮ হাজার বুথে টিকা দেওয়া হবে। যাতে আমরা চার কোটি টিকা দিতে পারবো। আমাদের ভ্যাকসিনের কোনও অভাব নেই। সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার কমিয়ে আনতে আমাদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।

জাহিদ মালেক বলেন, করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য আমেরিকার তৈরি ওষুধ আমাদের দেশে বাজারজাতের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১২ বছরের বেশি বয়সী করোনা আক্রান্তরা এই ওষুধ সেবন করতে পারবেন। এটা আমাদের দেশের মাইলফলক, করোনা চিকিৎসার জন্য। এই ট্যাবলেটের কার্যকারিতা ৮৮ ভাগ বলে জানা গেছে। করোনার জন্য বিশ্বের যেকোনও দেশে নতুন ওষুধ বের হলে তা আমরা দ্রুত দেশে নিয়ে আসি মানুষের জন্য।

ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ও মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ আব্দুল লতিফের সভাপতিত্বে বার্ষিক সাধারণ সভায় আরও বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মহীউদ্দীন, পৌর মেয়র রমজান আলী, ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক সুদেব সাহা, ডায়াবেটিক সমিতির সহ-সভাপতি নীনা রহমান প্রমুখ।

বার্ষিক সাধারণ সভায় মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চিকিৎসা ক্ষেত্রে ৫০ ভাগ ও আজীবন সদস্যদের জন্য ২০ ভাগ ছাড়ের প্রস্তাব পাস হয়।


আরও খবর